Dr. Nazia Binte Alamgir

Directions

Dr. Nazia Binte Alamgir Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Nazia Binte Alamgir, Doctor, Dhaka.
(1)

ডাঃ নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা বিভাগ।
(বিশেষ প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত ও অভিজ্ঞ -
উচ্চ ঝুঁকিপুর্ন মাতৃত্ব ব্যবস্থাপনা, সুস্থ ও নিরাপদ ডেলিভারি, বন্ধ্যাত্ব ও পরিবার পরিকল্পনা ব্যবস্থাপনা, গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।)

Call: 0140011093

10/10/2026

★★জরায়ু-মুখ ক্যান্সার ভ্যাক্সিন (Cervical Cancer vaccine)"★★

ক্যান্সারের নাম শুনলেই শুরু হয় আমাদের বুক দুরু দুরু!
তাও আবার জরায়ু মুখ ক্যান্সার (Cervical Carcinoma)!
এর নাম ও এর ভয়াবহতা সম্বন্ধে আমরা আজকাল সবাই কমবেশি শুনেছি, জেনেছি।
আনন্দের কথা হলো, এই ভয়াবহ ক্যান্সারের ভ্যাক্সিন ও এখন আমাদের হাতের মুঠোয় :)

এর তার কাছে শোনা, কিম্বা পুরোটা না জানার কারনে এই ভ্যাক্সিন এর দেবার গুরুত্ত, উপযোগিতা, সঠিক বয়স, কার্যকরীতা নিয়ে সবার জ্ঞানই প্রায় ভাসা ভাসা।
জরুরী কিছু অজানা/ভুল জানা তথ্যকে সম্পুরন করতেই তাই আজকের এই পোস্ট।

★★ কোন বয়সী নারীদের জন্য এই ভ্যাক্সিন?
-- মূলত ১৫-২৯ বয়সী যেকোনো অবিবাহিত(যৌন অভিজ্ঞতা হয়নি) নারীদের জন্য এই ভ্যাক্সিন কার্যকর।
১৫ বছরের আগে কিম্বা যৌন অভিজ্ঞতার পরে এই ভ্যাক্সিনের কার্যকারীতা কমে যায়।
তবে, ২৯+ বয়সী যেকোনো অবিবাহিতা নারী বিবাহের আগে এই ভ্যাক্সিন নিতে পারেন।

★★ কোন ধরনের অসুখ/কারন থাকলে নারীদের জন্য এই ভ্যাক্সিন নেয়া ঝুঁকিপূর্ণ?
-- গর্ভাবস্থায়।
-- অতিরিক্ত এলার্জি সমস্যা।
-- দীর্ঘ মেয়াদী রোগে অতিরিক্ত অসুস্থ রোগী।
-- শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অতিরিক্ত কম।
এসব রোগিদের ক্ষেত্রে নিজ নিজ রোগের চিকিতসা করে ভ্যাক্সিন নিতে পারবেন।

★★ এই ভ্যাক্সিন কি প্রতিটি নারীর নেয়া জরুরী?
-- যদি শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকেন ও ভ্যাক্সিন নেবার বয়সে, অবস্থায় থাকেন তবে নিয়ে নেয়া ভালো।

★★ বিবাহিত ও সন্তান জন্ম দেবার পর কি এই ভ্যাক্সিন নেয়া যাবে?

-- যৌণ অভিজ্ঞতার পর বিবাহিত যেকোনো বয়সী নারী এই ভ্যাক্সিন নিতে পারবেন, তবে প্রয়োজনীয় টেস্ট করিয়ে। Pap's Smear টেস্ট করিয়ে আমরা বুঝে নেই, জরায়ুমুখে এখনো ক্যান্সার নেই কিন্তু ঝুঁকি আছে। তারা দিয়ে নিতে পারেন। অবশ্যই কার্যকরী হবে।

নারীদের জরায়ুমুখের ক্যান্সার (Cervical Cancer) সাধারণত হঠাৎ করে হয় না—ধীরে ধীরে কয়েক বছর ধরে ঝুঁকি বাড়ে।
ঝুঁকি বাড়ার বয়স
২৫ বছর বয়সের পর থেকে ঝুঁকি ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে
৩০–৪৫ বছর বয়সে ঝুঁকি বেশি দেখা যায়
তবে যে কোনো বয়সেই হতে পারে, বিশেষ করে যদি ঝুঁকির কারণগুলো থাকে
কেন এই বয়সে ঝুঁকি বাড়ে?
মূল কারণ হলো Human Papillomavirus (HPV) নামের ভাইরাস। এটি দীর্ঘদিন শরীরে থাকলে কোষে পরিবর্তন ঘটিয়ে ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে।

★★ কাদের জন্য এই ভ্যাক্সিন নেয়া খুব'ই জরুরি?

-- পরিবারে মা, বোন, নানী, দাদী, খালা, ফুফু যেকারো এই ক্যান্সার আক্রান্ত হবার ইতিহাস আছে, তাদের জন্য খুব জরুরি! কারন, ক্যান্সারের জিন বংশগতিতে পরের প্রজন্মে ছড়ায়।
-- বছরে ৩-৪ বার যোনিপথ ইনফেকশন (প্রচুর সাদা/হলুদ স্রাব যাওয়া, মাসিকের পথে চুলকানি হওয়া)। প্রচুর ইউরিন ইনফেকশন হয় তারা সবাই।
-- জরায়ু ইনফেকশন, টিউমার, Adenomyosis, Endometriosis, Cervicitis এসব রোগ আছে ও চিকিৎসাধীন আছেন।
-- ব্রেস্ট টিউমার, ইনফেকশন।
Fibroadenoma, Fibrocystic disease ইত্যাদি রোগ আছে কিম্বা রোগের ইতিহাস আছে।
-- পরিবারের যেকোনো সদস্যের ক্যান্সার আক্রান্ত হবার ইতিহাস আছে। কিম্বা আপনার নিজের শরীরে অন্য কোনো ক্যান্সারের ইতিহাস আছে।

★★ ভ্যাক্সিন এর ডোজ কয়টি?
-- ৩টি
0 -- ১ম ডোজ।
1 -- ২য় (১ম টির ১মাস পর)
2 -- ৩য় (১ম টির ৬মাস পর)

★★ ভ্যাক্সিনের নাম কি?
-- Inj. Papillovax.

(এটা আমাদের দেশের মেডিসিন কোম্পানি Incepta Pharma তৈরি করছে এখন। এবং সুলভ মূল্য বিভিন্ন বেসরকারি হাস্পাতাল, ক্লিনিক, চিকিৎসক এর চেম্বারে পৌছে দিচ্ছে)

অন্যান্য কোম্পানির বিভিন্ন নামেও ভ্যাক্সিন আছে। তবে, সেগুলির দাম এর চেয়ে বেশি। সর্বসাধারণের সাধ্যের মধ্যে নয়।

★★ কোথায় পাওয়া যাবে এই ভ্যাক্সিন??
-- সরকারী পর্যায়ে এই ভ্যাক্সিন এখনো আমাদের দেশে আসেনি। দেয়া সম্ভব নয়।
-- বেসরকারিভাবে ঢাকা ও বিভিন্ন বিভাগীয় জেলা শহরের বড়, নামী হাস্পাতালে ও ব্যাক্তি উদ্যোগে বিভিন্ন গাইনি চিকিৎসকের নিজ চেম্বারে দেবার ব্যাবস্থা আছে।

★★★
আমার মালিবাগ মেডিনোভা চেম্বারে জরায়ু মুখ ক্যান্সার ভ্যাক্সিন, হেপাটাইটিস বি ভাইরাস ভ্যাক্সিন, টিটেনাস ভ্যাক্সিন দেবার সুব্যবস্থা আছে।
যারা দিতে আগ্রহী, নিজ দায়িত্বে যোগাযোগ করে নিয়ে নিতে পারেন।

★★ কোনো সাইড ইফেক্ট/জটিলতা আছে কি?

-- যেকোনো ভ্যাক্সিন নিলে স্কিনে র‍্যাশ, জর এধরনের কিছু হাইপারসেন্সিটিভিটি রিএকশন হতে পারে কারো কারো।
-- উপরে উল্লেখিত কোনো রোগী এই ভ্যাক্সিন নিলে এসব স্বাভাবিক জটিলতা হতে পারে, এছাড়া অন্য কোনো ধরনের জটিলতার সম্ভাবনা নেই।

নারীদের জরায়ুমুখের ক্যান্সার (Cervical Cancer) সাধারণত হঠাৎ করে হয় না।
ধীরে ধীরে কয়েক বছর ধরে ঝুঁকি বাড়ে।

★★ ঝুঁকি বাড়ার বয়স--
২৫ বছর বয়সের পর থেকে ঝুঁকি ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে।
৩০–৪৫ বছর বয়সে ঝুঁকি বেশি দেখা যায়। তবে যে কোনো বয়সেই হতে পারে, বিশেষ করে যদি ঝুঁকির কারণগুলো থাকে।

★★ কেন এই বয়সে ঝুঁকি বাড়ে?

মূল কারণ হলো,
Human Papillomavirus (HPV) নামের ভাইরাস। এটি দীর্ঘদিন শরীরে থাকলে কোষে পরিবর্তন ঘটিয়ে ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে।

★★ ঝুঁকি বাড়ার কারণ--

-- অল্প বয়সে বিয়ে/যৌন জীবন শুরু করা।
-- একাধিক যৌন পার্টনার।
-- বারবার সন্তান নেওয়া।
-- নিয়মিত স্ক্রিনিং(চেক আপ, টেস্ট) না করা।
-- ধূমপান এর বদভ্যাস।
-- শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা।







আশা করি, জরায়ুমুখ ক্যান্সারের ভ্যাক্সিন সম্বন্ধে আমাদের অনেক প্রশ্ন, ভুল ধারনার জবাব আমরা পেয়ে গেছি।
যা আমরা জানলাম, অন্যদের'ও জানাবো...
সমাজকে এই ক্যান্সার মুক্ত রাখতে আমাদের অল্প এইটুকু সচেতনতাই যথেস্ট। :)
সবাই ভালো থাকুন।
সুস্থ থাকুন।
শুভকামনা 😊

ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।
এডমিন
Hello Audity....

গর্ভাবস্থার শেষ মুহূর্তের অপ্রত্যাশিত জটিলতা: নিরাপদ প্রসবের জন্য আপনি কি চিকিৎসকের সঠিক তত্ত্বাবধানে আছেন?গর্ভাবস্থা এক...
08/10/2026

গর্ভাবস্থার শেষ মুহূর্তের অপ্রত্যাশিত জটিলতা: নিরাপদ প্রসবের জন্য আপনি কি চিকিৎসকের সঠিক তত্ত্বাবধানে আছেন?

গর্ভাবস্থা একজন নারীর জীবনের অন্যতম সুন্দর একটি সময়। তবে শেষের তিন মাসে এসে অনেক মায়ের মনেই নানা ভয় বা দুশ্চিন্তা কাজ করে। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) মতে, প্রসবের সময় মা ও নবজাতকের স্বাস্থ্যঝুঁকির একটি বড় কারণ হলো 'ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা' বা হাই-রিস্ক প্রেগন্যান্সি এবং সঠিক সময়ে চিকিৎসকের সঠিক পরামর্শের অভাব।

গর্ভাবস্থায় মায়ের উচ্চ রক্তচাপ(প্রিক্ল্যাম্পসিয়া), গর্ভাবস্থার ডায়াবেটিস, রক্তশূন্যতা অথবা আগে কখনো গর্ভপাতের মতো ইতিহাস থাকলে—পুরো গর্ভাবস্থাই ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠতে পারে। এমন অবস্থায় একজন বিশেষজ্ঞ গাইনি চিকিৎসকের নিবিড় পর্যবেক্ষণে থাকাটা খুবই জরুরি।

নিরাপদ প্রসবের জন্য কোন বিষয়গুলো খেয়াল রাখবেন?

🔹 নিয়মিত চেকআপ ও শিশুর অবস্থা পর্যবেক্ষণ: শেষের দিকের সপ্তাহগুলোতে আল্ট্রাসনোগ্রাম এবং শিশুর হার্টবিট মনিটরিংয়ের মাধ্যমে গর্ভের শিশুর সঠিক বৃদ্ধি, ওজন ও পজিশন ঠিক আছে কি না, তা নিশ্চিত করা অত্যন্ত জরুরি।
🔹 ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থার সঠিক যত্ন: মা বা শিশুর কোনো স্বাস্থ্যঝুঁকি থাকলে, মা ও নবজাতককে নিরাপদ রাখতে বিশেষ চিকিৎসা ও নিবিড় পরিচর্যার প্রয়োজন হয়।
🔹 নরমাল ডেলিভারি নাকি সিজার: মা ও শিশুর শারীরিক অবস্থার ওপর ভিত্তি করে নরমাল ডেলিভারি হবে নাকি জরুরি সিজার করতে হবে—এই গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তটি চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী নেওয়া উচিত।

নরমাল ডেলিভারি হোক বা সিজার—আমাদের প্রধান লক্ষ্য মা ও শিশুর সর্বোচ্চ নিরাপত্তা নিশ্চিত করা। গর্ভাবস্থার প্রতিটি ধাপ হোক নিরাপদ। যেকোনো জরুরি পরিস্থিতি এড়াতে আজই আপনার ডেলিভারি প্ল্যান নিয়ে একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সাথে আলোচনা করুন।

ডাঃ নাজিয়া বিনতে আলমগীর
এমবিবিএস, পিজিডি (লন্ডন), পিজিটি (অবস্ ও গাইনি) – ডিএমসিএইচ
সিসিডি (বারডেম), সিএমইউ (সিমুড)
গাইনোকোলজিক্যাল কনসালট্যান্ট ও অবসটেট্রিক সার্জন
বিশেষভাবে অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত -
বন্ধ্যাত্ব, উচ্চ ঝুঁকিপূর্ণ মাতৃত্ব ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ প্রসব ও পরিবার পরিকল্পনা।
BMDC রেজি. নং: A-49024

🏥 মালিবাগ চেম্বার
মালিবাগ মেডিনোভা
রুম: ৬০৫ | লেভেল: ৫
জেমকন টাওয়ার, বাংলাদেশ আই হাসপাতালের উপরে
মালিবাগ মোড়, ঢাকা।
🕒 রোগী দেখার সময়:
- প্রতি রবিবার ও মঙ্গলবার: সন্ধ্যা ৬টা – রাত ৯টা
- প্রতি বুধবার: রাত ৮টা – রাত ১০টা

🏥 মিরপুর চেম্বার
মিরপুর মেডিনোভা
রুম: ৪১০ | লেভেল: ৩
প্লট ২৯–৩০, ব্লক-বি, রোড-১, সেকশন-৬
মিরপুর-১০ গোলচত্বর, ঢাকা।
🕒 রোগী দেখার সময়:
- প্রতি শনিবার: সন্ধ্যা ৬টা – রাত ৯টা

🏥 অপারেশন ও ডেলিভারি
📍ডাঃ সিরাজুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, মগবাজার, ঢাকা।
📍মনোয়ারা হাস্পাতাল, ৫৪, সিদ্ধেশ্বরী রোড, রমনা, ঢাকা-১২১৭

☎️ সিরিয়াল, ভিজিট ফি ও চেম্বার সংক্রান্ত তথ্যের জন্য:
০১৪০০১১০০৯৩
📞 কল করার সময়:
প্রতিদিন দুপুর ১টা – রাত ৯টা।
কল রিসিভ করা না হলে পরবর্তীতে কল ব্যাক করা হবে। প্রয়োজনে পুনরায় কল করে অপেক্ষা করুন।

#নিরাপদ_প্রসব #গর্ভাবস্থা #মাতৃত্বকালীন_যত্ন #প্রসূতি_বিশেষজ্ঞ #নরমাল_ডেলিভারি #সিজারিয়ান #উচ্চ_ঝুঁকিপূর্ণ_গর্ভাবস্থা #মা_ও_শিশু #গর্ভকালীন_যত্ন #গাইনি_ডাক্তার

          #ডেংগু- হঠাত-মৃত্যু!"প্রতিবছর বর্ষার শেষের সময়ে "ডেংগু জ্বরের প্রায় মহামারী" অবস্থায় পুরো দেশ অসহায় হয়ে পরে।ইত...
06/10/2026






#ডেংগু- হঠাত-মৃত্যু!"

প্রতিবছর বর্ষার শেষের সময়ে "ডেংগু জ্বরের প্রায় মহামারী" অবস্থায় পুরো দেশ অসহায় হয়ে পরে।
ইতিমধ্যে বিভিন্ন চিকিৎসকদের আলোচনা, নিজেদের পড়াশোনা, ভুক্তভোগী রোগীদের নিজস্ব অভিজ্ঞতায় ডেংগু জ্বরের লক্ষন, চিকিৎসা সম্পর্কে কম বেশি সবার'ই ধারনা আছে।

কিন্তু,
এবার আমরা দেখছি...
জ্বর ৫-৭ দিনে কমে যাচ্ছে। শারীরিক সমস্যা কমে যাচ্ছে। কিন্তু রোগী হুট করে খারাপ হয়ে "হঠাৎ মৃত্যু" হচ্ছে।
কি সেই কারন?
কি করণীয় আছে আমাদের?
প্রতিকারের পাশাপাশি প্রতিরোধ সবসময়ই উত্তম।

আসুন জেনে নেই, কিছু অজানা তথ্য ---

ডেঙ্গুতে মৃত্যুর অন্যতম প্রধান কারণ হলো শক (Shock) দ্রুত শনাক্ত করতে না পারা এবং যথাযথ চিকিৎসা না পাওয়া। তাই ডেঙ্গু রোগীর ক্ষেত্রে পানিশূন্যতা প্রতিরোধ, পর্যাপ্ত তরল গ্রহণ এবং বিপদসংকেত সম্পর্কে সচেতন থাকা অত্যন্ত জরুরি।

★★★ জ্বরের প্রথম দিন থেকেই পর্যাপ্ত তরল পান করুন।

উচ্চ জ্বর, অতিরিক্ত ঘাম, বমিভাব ও ক্ষুধামন্দার কারণে শরীরে পানিশূন্যতা দেখা দিতে পারে। তাই অল্প অল্প করে বারবার তরল পান করুন। যেমন—

- ওরস্যালাইন
- বিশুদ্ধ পানি
- ডাবের পানি
- স্যুপ
- বাসায় তৈরি ফলের রস
- লেবুর শরবত

তবে রোগীর শারীরিক অবস্থা অনুযায়ী তরলের পরিমাণ চিকিৎসকের পরামর্শে নির্ধারণ করা উচিত।

★★★ জ্বর কমে গেলেই বিপদ কেটে গেছে ভাববেন না!

ডেঙ্গুর ক্রিটিক্যাল ফেজ সাধারণত জ্বর শুরুর ৩–৮ দিনের মধ্যে দেখা দিতে পারে। বিশেষ করে জ্বর কমার পরবর্তী ২৪–৪৮ ঘণ্টা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এ সময়ে রক্তনালি থেকে প্লাজমা বের হয়ে যাওয়ার (Plasma Leakage) ঝুঁকি থাকে, যা রক্তচাপ কমিয়ে শক সৃষ্টি করতে পারে।

তাই জ্বর কমে গেলেও রোগীকে নিবিড়ভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে।

★★★ রক্তচাপ ও পালস নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করুন।

ডেঙ্গুতে শক শনাক্ত করার জন্য রক্তচাপের পাশাপাশি পালস ও Pulse Pressure-এর পরিবর্তন লক্ষ্য করা জরুরি।

Pulse Pressure হলো সিস্টোলিক ও ডায়াস্টোলিক রক্তচাপের পার্থক্য। যেমন, রক্তচাপ ১২০/৮০ mmHg হলে Pulse Pressure ৪০ mmHg।

Pulse Pressure কমে যাওয়া, বিশেষ করে ২০ mmHg বা তার নিচে নেমে আসা, শকের গুরুত্বপূর্ণ লক্ষণ হতে পারে।

★★★ প্রস্রাবের পরিমাণ খেয়াল করুন।

রোগী নিয়মিত প্রস্রাব করছেন কি না তা পর্যবেক্ষণ করুন। প্রস্রাবের পরিমাণ উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেলে বা ৪–৬ ঘণ্টা প্রস্রাব না হলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

★★★ ডেঙ্গুর বিপদসংকেত চিনে রাখুন।

# নিচের যেকোনো লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে হাসপাতালে যান—

- তীব্র পেটব্যথা
- বারবার বমি
- নাক বা মাড়ি দিয়ে রক্ত পড়া
- রক্তবমি বা পায়খানার সঙ্গে রক্ত যাওয়া
- অতিরিক্ত দুর্বলতা বা অস্থিরতা
- শ্বাসকষ্ট
- হাত-পা ঠান্ডা হয়ে যাওয়া
- প্রস্রাবের পরিমাণ কমে যাওয়া

এসব লক্ষণ দেখা দিলে ফার্মেসির দোকানদার, টেকনিশিয়ান বা প্রতিবেশীর পরামর্শে চিকিৎসা না করে সরাসরি হাসপাতালে যান।

★★★ ডেঙ্গুতে ওষুধের ব্যবহার সম্পর্কে সতর্ক থাকুন।

ডেঙ্গুর নির্দিষ্ট কোনো অ্যান্টিভাইরাল ওষুধ নেই। চিকিৎসার মূল ভিত্তি হলো রোগীর অবস্থা পর্যবেক্ষণ, পানিশূন্যতা প্রতিরোধ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী ফ্লুইড ম্যানেজমেন্ট।

- জ্বরের জন্য চিকিৎসকের পরামর্শে প্যারাসিটামল গ্রহণ করা যায়।
- অ্যাসপিরিন, আইবুপ্রোফেন ও অন্যান্য NSAID জাতীয় ব্যথানাশক এড়িয়ে চলুন।
- চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া অ্যান্টিবায়োটিক, স্টেরয়েড বা অন্য কোনো ওষুধ গ্রহণ করবেন না।
- গুরুতর অবস্থায় হাসপাতালে শিরায় স্যালাইন দেওয়ার প্রয়োজন হতে পারে। তবে অতিরিক্ত স্যালাইনও বিপজ্জনক হতে পারে।

★★★ ডেঙ্গু শনাক্তে NS1 পরীক্ষা।

জ্বরের প্রথম দিন থেকেই চিকিৎসকের পরামর্শে ডেঙ্গু পরীক্ষা করা যেতে পারে।

NS1 অ্যান্টিজেন পরীক্ষা সাধারণত জ্বরের প্রথম ৩-৪ দিনের মধ্যে বেশি কার্যকর। এই সময় পার হলে NS1 নেগেটিভ এলেও ডেঙ্গু পুরোপুরি নাকচ করা যায় না। তখন চিকিৎসকের পরামর্শে IgG, IgM বা অন্যান্য পরীক্ষা প্রয়োজন হতে পারে।

তাই জ্বর হলে পরীক্ষা করানোর পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শ নিন। শুধু পরীক্ষার ফলাফলের ওপর নির্ভর করে চিকিৎসা বিলম্বিত করবেন না।

★★★ ডেঙ্গুতে প্লাটিলেট কমে গেলে কী করবেন?

প্লাটিলেট বা অণুচক্রিকা রক্ত জমাট বাঁধতে সাহায্য করে। ডেঙ্গুতে প্লাটিলেট কমে যাওয়া সাধারণ ঘটনা। তবে মনে রাখতে হবে, প্লাটিলেট কমে যাওয়াই ডেঙ্গুতে মৃত্যুর একমাত্র বা প্রধান কারণ নয়। শক, গুরুতর রক্তক্ষরণ এবং অঙ্গের জটিলতাও প্রাণঘাতী হতে পারে।

প্লাটিলেট বাড়ানোর জন্য নির্দিষ্ট কোনো খাবার বা ঘরোয়া চিকিৎসার কার্যকারিতা নিশ্চিতভাবে প্রমাণিত নয়।

তবে সুস্থতা ও পুষ্টি বজায় রাখতে নিচের খাবারগুলো খেতে পারেন—

১. পাকা পেঁপে: ভিটামিন ও আঁশসমৃদ্ধ। তবে পেঁপে বা পেঁপে পাতার রস দ্রুত প্লাটিলেট বাড়ায়—এমন নির্ভরযোগ্য প্রমাণ নেই।

২. মিষ্টি কুমড়া ও বীজ: ভিটামিন এ, খনিজ ও অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের উৎস।

৩. লেবু ও আমলকী: ভিটামিন সি সমৃদ্ধ, যা শরীরের স্বাভাবিক রোগ প্রতিরোধক্ষমতা বজায় রাখতে সহায়তা করে।

৪. ডালিম: অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট ও বিভিন্ন পুষ্টি উপাদান রয়েছে, যা সুস্থ খাদ্যাভ্যাসের অংশ হতে পারে।

মনে রাখবেন, প্লাটিলেটের সংখ্যা বাড়ানোর জন্য খাবারের চেয়ে রোগীর সামগ্রিক শারীরিক অবস্থা, রক্তচাপ, হেমাটোক্রিট, প্রস্রাবের পরিমাণ এবং রক্তক্ষরণের লক্ষণ পর্যবেক্ষণ করা বেশি গুরুত্বপূর্ণ। শুধু প্লাটিলেট কম বলে নিয়মিত প্লাটিলেট দেওয়ার প্রয়োজন হয় না; চিকিৎসক রোগীর অবস্থা অনুযায়ী সিদ্ধান্ত নেবেন।

★★★ ডেঙ্গু প্রতিরোধে নিজের ঘর ও আশপাশ পরিষ্কার রাখুন।

- বাসা, ছাদ ও আশপাশে কোথাও পানি জমতে দেবেন না।
- ফুলের টব, ড্রাম, বালতি ও পরিত্যক্ত পাত্র নিয়মিত পরিষ্কার করুন।
- জমে থাকা পানি অপসারণ করুন।
- প্রতিবেশীদেরও সচেতন করুন।
- মশারি ব্যবহার করুন এবং মশার কামড় থেকে নিজেকে সুরক্ষিত রাখুন।

ডেঙ্গুতে জ্বর কমে যাওয়া মানেই রোগী সুস্থ হয়ে যাওয়া নয়। জ্বরের ৩য় থেকে ৮ম দিন পর্যন্ত বিশেষ সতর্ক থাকুন। কোনো বিপদসংকেত দেখা দিলে এক মুহূর্তও দেরি না করে হাসপাতালে যান।

নিজে জানুন, অন্যদের ডেংগু নিয়ে সতর্ক করুন। আল্লাহ আমাদের সবাইকে হেফাজতে রাখুন।
আমিন।

(লেখা- সংগৃহীত)

জনসচেতনতায়,
ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।

আমার ডেলিভারি করানো গল্লু ৫৫৬০, আলহামদুলিল্লাহ 😘৩৭ বছর বয়সী মায়ের প্রথম সন্তান, রাজকন্যা। বেশি বয়সে গর্ভধারণ, জটিলতা নিয়...
05/10/2026

আমার ডেলিভারি করানো গল্লু ৫৫৬০, আলহামদুলিল্লাহ 😘

৩৭ বছর বয়সী মায়ের প্রথম সন্তান, রাজকন্যা।
বেশি বয়সে গর্ভধারণ, জটিলতা নিয়ে যারা প্রচুর ভয় পান। অন্যেরা নেগেটিভ মন্তব্য করেন, সেখানে আমার এই পজিটিভ রোগী হাস্যচ্ছল ভাবে নিজেদের পুরো প্রেগন্যান্সি এঞ্জয় করেছেন।
প্রেগন্যান্সি ডায়বেটিস, রক্তশূন্যতার সাথে যুদ্ধ করেছেন।
পারিবারিক, সামাজিক কটু মন্তব্য, দুশ্চিন্তার সাথে লড়াই করেছেন।

আজকে তার সুস্থ সুন্দর ফলাফল চোখের সামনে।
নতুন পিতামাতা সন্তানসহ সুস্থ সুন্দর থাকুক, এই কামনায়...

ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।

05/10/2026

আমার আজকের ডেলিভারি করানো রাজকন্যা 😘
ওজন কম হলেও মাশা আল্লাহ, ড্যাবড্যাব করে তাকিয়ে সবকিছু বুঝে ফেলছে, গুলুগুলুটা ❤️

৩৭ বছর বয়সী মায়ের প্রথম সন্তান।
বেশি বয়সে গর্ভধারণ, জটিলতা নিয়ে যারা প্রচুর ভয় পান। অন্যেরা নেগেটিভ মন্তব্য করেন, সেখানে আমার এই পজিটিভ রোগী হাস্যচ্ছল ভাবে নিজেদের পুরো প্রেগন্যান্সি এঞ্জয় করেছেন।
প্রেগন্যান্সি ডায়বেটিস, রক্তশূন্যতার সাথে যুদ্ধ করেছেন।
পারিবারিক, সামাজিক কটু মন্তব্য, দুশ্চিন্তার সাথে লড়াই করেছেন।

আজকে তার সুস্থ সুন্দর ফলাফল চোখের সামনে।
নতুন পিতামাতা সন্তানসহ সুস্থ সুন্দর থাকুক, এই কামনায়...

ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।

27/09/2026

এই যে,
অপারেশন টেবিলে শুয়ে উপরে একঝাঁক লাইটের ঝলকানি। চারপাশে হইচই, সবাই কথা বলছে। কাজ করছে। মনিটর চলছে। অক্সিজেন চলছে। হার্টবিট এর বিপ বিপ সাউন্ড। অপারেশন এর জায়গায় নড়াচড়া ফিল করা...

এই যে,
কি হচ্ছে চারপাশে। কি হচ্ছে নিজের ভেতর।
হাজারো শংকা। ভয়। কি হয় কি হয়!
স্যালাইন। ইঞ্জেকশন। কতো কি চারপাশে...
অপারেশন টেবিলে শুয়ে একজন "অনাগত সন্তানের মায়ের অনুভূতি" ঠিক এমন হয়।
......

সেই মুহুর্তে,
তার সবচেয়ে কাছের, ভালোবাসার, প্রেমময় হাত ছুয়ে দিচ্ছে কপালে, মাথায়।
বার বার ঘাম মুছে দিচ্ছে। চোখের কোনের পানি মুছে দিচ্ছে।
"আমি আছি পাশে, ভয় নেই"- ভরসার হাত বুলিয়ে দিচ্ছে মুখে, কপালে, মাথায়।
হাতে ধরে রেখেছে হাত।
কখনো চোখে চোখে কথা হচ্ছে, কখনো মুখে।

এটুকুই হয়তো চায়, প্রতিটি মেয়ে সন্তান জন্মদানের কঠিন মুহুর্তে তার প্রিয় পুরুষটির কাছে 😊

নতুন, প্রথম বাবা- মা হওয়ার মুহুর্তটি একসাথে পাশাপাশি, কাছাকাছি অনুভব করা।
খুশি, ভয়, দ্বিধা, একসাথে শেয়ার করা।

জীবনের বিশেষ কঠিন মুহুর্তে পাশে জীবনসঙ্গীর মমতাময় হাতের স্পর্শ পাওয়ার অধিকার প্রতিটি নারীর।
সন্তান ধারণ, প্রসব করা নারীর দায়িত্ব।
সমব্যাথী হয়ে পাশে থাকা আদর্শ জীবনসঙ্গীর দায়িত্ব।

এইসব সুন্দর মুহুর্ত গুলো সবার সাথে শেয়ার করাও চিকিৎসক হিসেবে আমার আনন্দ।

ভিডিওতে, আমার রোগী খাদিজা ও তার স্বামী।
অপারেশন টেবিলে তাদের প্রেমময় পাশে থাকা ও প্রথম সন্তান দুনিয়ায় আগমনের কিছু চমৎকার মুহুর্ত 😘
তাদের সন্তান ও সুস্থ জীবনের প্রতি শুভকামনা, দোয়া ❤️

ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।

23/09/2026

#দেরিতে_বিয়ে_অথবা_বেশি_বয়সে_গর্ভধারণ

স্বাস্থ্য ঝুঁকি কি কি, অনেকের মনে প্রশ্ন।
জেনে নিন সঠিক তথ্য।

👩 ৩০–৩৪ বছর--

★ উর্বরতা (fertility) ধীরে ধীরে কমতে শুরু করে।
★ গর্ভধারণে সময় একটু বেশি লাগতে পারে।
★ ঝুঁকি খুব বেশি না, তবে আগের তুলনায় সামান্য বাড়ে।

👩 ৩৫ বছর বা তার বেশি (Advanced Maternal Age)

৩৫ বছরের পর ঝুঁকি তুলনামূলকভাবে বাড়ে।

★ গর্ভধারণে সমস্যা।
★ ডিম্বাণুর সংখ্যা ও গুণগত মান কমে।
★ বন্ধ্যাত্বের ঝুঁকি বাড়ে।
★ গর্ভপাতের ঝুঁকি বাড়ে।

বয়স বাড়ার সাথে গর্ভপাত এর সম্ভাবনা বাড়ে।

🔹 শিশুর জেনেটিক সমস্যা

যেমন Down syndrome–এর ঝুঁকি বয়সের সাথে বাড়ে।

🔹 মায়ের শারীরিক জটিলতা

★ উচ্চ রক্তচাপ।
★ গর্ভকালীন ডায়াবেটিস।
★ প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া, এক্লাম্পশিয়া।
★ সিজারিয়ান ডেলিভারির প্রয়োজন বেশি।

👩 ৪০ বছর বা তার বেশি--

★স্বাভাবিকভাবে গর্ভধারণের হার উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।
★ IVF লাগার সম্ভাবনা বাড়ে।
★ গর্ভপাত ও প্রি-টার্ম বার্থের ঝুঁকি বেশি।

তবে গুরুত্বপূর্ণ কথা,

অনেক নারী ৩৫–৪০ বছরেও সুস্থ বাচ্চার জন্ম দেন।
নিয়মিত চেকআপ, স্বাস্থ্যকর খাবার, ওজন নিয়ন্ত্রণ ও ডাক্তারের পরামর্শ ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
আগে থেকেই স্বাস্থ্য সমস্যা থাকলে (ডায়াবেটিস, থাইরয়েড, PCOS) ঝুঁকি একটু বেশি হতে পারে।

তাই, ৩০ বয়স ও তার বেশি হলে বেবি ট্রাই করার আগে অবশ্যই যথাযথ রুটিন চেক আপ ও অভিজ্ঞ গাইনি ডাক্তার এর চেক আপে থাকা জরুরি।

ধন্যবাদ ও শুভকামনা।
ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।
(বন্ধ্যাত্ব, উচ্চ ঝুঁকি পূর্ণ মাতৃত্ব ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ ডেলিভারি, পরিবার পরিকল্পনায় বিশেষভাবে অভিজ্ঞ)

18/09/2026

"ম্যাডাম, আমার হাসব্যান্ডকে প্লিজ একটু কিছুক্ষণের জন্য ভেতরে আসতে বলেন ".....

আমার রোগী ইসরাতের ২য় বেবির জন্মক্ষণ।
প্রথম বেবি সাড়ে ৪ বছর আগে আমার কাছেই ডেলিভারি করানো। এবারো মুন্সিগঞ্জ থেকে চলে এসেছে ডেলিভারি করাতে।

৪ বছরের বড় ছেলে বাইরে কিছুতেই একা থাকবে না, বাবা মা'কে ছেড়ে। এদিকে ইসরাত তার হাসব্যান্ডকে খুজছে। অবশেষে হাসব্যান্ড বড় বেবিকে ম্যানেজ করে ওটিতে আসলেন।

২য় ছেলের জন্ম শুভক্ষণের মুহুর্তবন্দী করলেন বাবা নিজ হাতে স্ত্রীর পাশে দাড়িয়ে।
ভিডিওটি তার নিজ হাতে করা।

এভাবেই সব স্বামী তার স্ত্রীর কঠিন মুহুর্তে পাশে থেকে সাহস দিক ও ভালোবাসার বন্ধন বাড়ুক, এই শুভকামনা।

ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।

07/09/2026

অপারেশন টেবিলে উঠে ভয় কার না লাগে!
ভয় লাগাই স্বাভাবিক।
কিন্তু, সঠিক কাউন্সিলিং রোগীকে সাহস যোগায়। মনোবল বাড়ায়।

আমার আজকের রোগী ইশরাত এর প্রথম বেবি আমার কাছে হয়েছিলো ৪ বছর আগে। আজ ২য় বেবিও সুস্থভাবে হলো আলহামদুলিল্লাহ।

সেই মুন্সিগঞ্জ থেকে নিয়মিত অনলাইন, অফলাইনে চেক আপ এ থেকে অবশেষে মনের আশা পূর্ণ।
আমার হাতেই হতে হবে তার শিশুর ডেলিভারি ❤️

ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।

29/08/2026

Just Delivered!

বেবি মায়ের শরীর থেকে বের করার পরমুহূর্তেই আবেগে আপ্লুত বাবা ও মায়ের সুখের কান্নার কিছু অসাধারণ মুহুর্ত ধারণ করলেন, শিশুর পিতা নিজ হাতেই।

স্ত্রীর মাথার কাছে দাঁড়িয়ে ঝরঝর করে কাদলেন পিতা ❤️
খুশিতে মুখ উজ্জ্বল মাতা।
এমন মুহুর্ত প্রতিটি কাপলের জীবনে আসুক।

প্রিয় রোগীর চিকিৎসক হিসেবে শুভকামনা ও ভালোবাসা।
ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।

Address

Dhaka
1219.

Opening Hours

Monday 12:00 - 00:00
Tuesday 12:00 - 00:00
Wednesday 12:00 - 00:00
Thursday 12:00 - 00:00
Saturday 12:00 - 00:00
Sunday 12:00 - 00:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Nazia Binte Alamgir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category