Dr. Nazia Binte Alamgir

Dr. Nazia Binte Alamgir Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Nazia Binte Alamgir, Doctor, Dhaka.
(1)

ডাঃ নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা বিভাগ।
(বিশেষ প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত ও অভিজ্ঞ -
উচ্চ ঝুঁকিপুর্ন মাতৃত্ব ব্যবস্থাপনা, সুস্থ ও নিরাপদ ডেলিভারি, বন্ধ্যাত্ব ও পরিবার পরিকল্পনা ব্যবস্থাপনা)

03/08/2026








আমার রোগী ফাহমিদা হাসান।
৩৪+ বয়স। ১ম প্রেগন্যান্সি ৫ বছর আগে।
শুরু থেকেই চেক আপ আমার কাছে ছিলো। তখন হাই ব্লাড প্রেশার, ডায়বেটিস দুটোই ছিলো। সেই বেবি সুস্থ ভাবে ডেলিভারি হয়ে ভালো আছে এখন আলহামদুলিল্লাহ।

এবারে ২য় প্রেগন্যান্সি।
এবং, যথারীতি হাই ব্লাড প্রেশার পিছু ছাড়েনি!
শুরু থেকেই আমার চিকিৎসা ও পরামর্শ অনুযায়ী চলেছেন। ব্লাড প্রেশার নিয়ন্ত্রণ করে
আমরা ৩৮+ সপ্তাহ পর্যন্ত অপেক্ষা করতে পেরেছি।

পেশেন্ট নিজে ব্লাড প্রেশার মনিটরিং করেছেন। নিয়ম অনুযায়ী চলেছেন৷ খাবার, হাটা, ঘুম নিয়ন্ত্রণ জীবন যাপন করেছেন। ফলাফল - ২য় বারে ঝুকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা হলেও আমরা সুস্থ ও ভালো ওজনের বেবি ডেলিভারি করাতে পেরেছি।

রক্তশূন্যতা, প্রেগন্যান্সি ডায়বেটিস এসব নিয়ন্ত্রণ করে নিয়ে অপারেশন টেবিলে গেছি।
এবং, নেক্সট ২৪ ঘন্টা মায়ের ব্লাড প্রেশার ও বেবির সুগার নিয়ম অনুযায়ী মনিটরিং করা হচ্ছে, হবে৷

দায়িত্বশীলতা, রোগীর আস্থা, নির্ভরতা এবং উপর ওয়ালার ইচ্ছার ফলাফল -একটি সুস্থ মাতৃত্ব প্রাপ্তি।
প্রতিটি গর্ভাবস্থা হোক ঝুকিমুক্ত এবং প্রসব হোক নিরাপদ।
শুভকামনায়,

ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।
(বন্ধ্যাত্ব, উচ্চ ঝুঁকি পূর্ণ মাতৃত্ব ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ ডেলিভারি ও পরিবার পরিকল্পনায় বিশেষভাবে অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত)

21/06/2026

#অস্থায়ী_দীর্ঘমেয়াদী_জন্মনিয়ন্ত্রণ_পদ্ধতি
#কপারটি


09/06/2026

#ব্যাথামুক্তনরমালডেলিভারি
#পেইনলেসডেলিভারি
#এপিডুরাল

"পেইনলেস/এপিডুরাল নরমাল ডেলিভারি" এখন নগর ও শহরের আধুনিক নারীদের প্রথম পছন্দ, জনপ্রিয়।
এর জন্য বেসরকারি হাস্পাতালের ৫তারা সার্ভিস নিয়ে, লাখ টাকা খরচ করতেও অনেকে দ্বিধাবোধ করেন না।

কিন্তু, স্বাভাবিক লেবার পেইন এর মাধ্যমে হওয়া শিশু ডেলিভারি আর "ব্যাথামুক্ত বিশেষ ডেলিভারি" নিয়ে সঠিক জ্ঞান আপনাদের আছে তো?
আশা করি,
একটি বিষয়ের ভালো, খারাপ সম্পূর্ণ জেনে ও বিবেচনা করেই নিজেরা সিদ্ধান্ত নেবেন।

আসুন, জেনে নেই এই বিশেষ ডেলিভারির কিছু অজানা তথ্য (যা রোগী ও তার স্বজনদের সাধারণত কাউন্সিলিং করানো হয় না).....
..........

আমরা সাধারণত 'এপিডুরাল' নিয়ে কথা বলি কেবলই একটি ব্যথানাশক বা পেইন রিলিফ হিসেবে। হ্যাঁ, এটি প্রসবের তীব্র ব্যথা থেকে মুক্তি দেয়। কিন্তু পর্দার আড়ালে এমন অনেক কিছু ঘটে, যা সাধারণত কোনো মা-কে বুঝিয়ে বলা হয় না।

প্রসবব্যথা কেবলই একটা সাধারণ শারীরিক কষ্ট নয়। এটি একটি প্রাকৃতিক শারীরবৃত্তীয় প্রক্রিয়া, যা শরীরে এমন কিছু হরমোনের প্রবাহ তৈরি করে, যা মা এবং শিশু, উভয়ের জন্যই অত্যন্ত জরুরি।

যখন আপনি এপিডুরাল ছাড়া প্রসবব্যথার মধ্য দিয়ে যান, তখন এই ব্যথার কারণেই আপনার শরীরে অক্সিটোসিন, কর্টিসল এবং ক্যাটেকোলামাইনসের মতো হরমোন তৈরি হয়।

এই হরমোনগুলো কেবল আপনাকে ব্যথা সহ্য করতেই সাহায্য করে না, বরং এগুলো প্লাসেন্টা (ফুল) পার হয়ে আপনার শিশুর শরীরেও পৌঁছায়। এগুলো প্রসবের ধকলের সময় শিশুর হার্ট রেট এবং স্ট্রেস রেসপন্স (মানসিক চাপ সামলানোর ক্ষমতা) নিয়ন্ত্রণ করে। সহজ কথায়, এই হরমোনগুলোই হলো প্রসবের সময় আপনার শিশুর 'লাইফ সাপোর্ট সিস্টেম'।

এছাড়া, প্রসবের ব্যথাই আপনাকে অনবরত নড়াচড়া করতে বাধ্য করে। কোমর দোলানো, পজিশন পরিবর্তন বা হাঁটাচলার মত আপনার এই প্রতিটি মুভমেন্ট শিশুকে আপনার পেলভিসে সঠিক পথ খুঁজে নিতে এবং নিচের দিকে নেমে আসতে সাহায্য করে।

কিন্তু যখন এপিডুরাল দেওয়া হয়, তখন আপনার ব্যথা হয়তো পুরোপুরি বন্ধ হয়ে যায়। তবে গর্ভের শিশুটি কিন্তু ঠিকই প্রসবের সেই তীব্র ধকল বা স্ট্রেসের মধ্য দিয়ে যেতে থাকে। ওদিকে তখন সে প্লাসেন্টা দিয়ে মায়ের শরীর থেকে আসা সেই সুরক্ষাকারী হরমোনগুলো আর পায় না। মায়ের নড়াচড়াও বন্ধ হয়ে যায়, যা তাকে নিচে নামতে সাহায্য করছিল।

অর্থাৎ, মায়ের ব্যথার মাধ্যমে যে হরমোনাল সুরক্ষা শিশুটি পাচ্ছিল, তা ছাড়াই তাকে প্রসবের কঠিন পথ পাড়ি দিতে হয়।

ঠিক এই কারণেই এপিডুরাল দেওয়ার পর অনেক সময় শিশুর হার্ট রেটে (Fetal Heart Rate) পরিবর্তন বা অস্বাভাবিকতা দেখা যায়। এটি চিকিৎসাবিজ্ঞানে সুপ্রতিষ্ঠিত, কিন্তু মায়েদের কাছে এর পেছনের আসল কারণটি খুব কমই ব্যাখ্যা করা হয়।

এর পরেই আসে পিটোসিন (Pitocin/কৃত্রিম অক্সিটোসিন) এর কথা।

এপিডুরাল ব্যবহারের ফলে শরীরের স্বাভাবিক অক্সিটোসিন (যা প্রসবব্যথা বাড়ায়) তৈরি হওয়া কমে যায়। গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মায়েরা এপিডুরাল নেন, তাদের প্রসব প্রক্রিয়া সচল রাখতে কৃত্রিমভাবে ‘পিটোসিন’ বা স্যালাইনের মাধ্যমে ব্যথা বাড়ানোর ওষুধ দেওয়ার সম্ভাবনা প্রায় ৩ গুণ বেড়ে যায়।

আর এই পিটোসিন নিজে থেকেও শিশুর হার্ট রেটে অস্বাভাবিকতা তৈরি করতে পারে। ফলে এপিডুরাল এবং পিটোসিনের এই সম্মিলিত প্রভাব অনেক সময় ডেলিভারিকে জটিল করে তোলে এবং ফরসেপ, ভ্যাকুয়াম বা সিজারিয়ানের মতো ইন্টারভেনশনের ঝুঁকি বাড়িয়ে দেয়।

এমনকি দীর্ঘমেয়াদে শরীরে এই কৃত্রিম বা সিন্থেটিক অক্সিটোসিন পুশ করার ফলে আমাদের শরীরের স্বাভাবিক অক্সিটোসিন রিসেপ্টরগুলোর ওপর কী প্রভাব পড়ে, তা নিয়ে বিজ্ঞান এখনো গবেষণা করে যাচ্ছে। এই প্রশ্নগুলো তোলা এবং জানা অত্যন্ত জরুরি।

এটি কিন্তু এপিডুরাল বিরোধী কোনো পোস্ট নয়!

প্রসবের সময় ব্যথা থেকে মুক্তি পাওয়ার অধিকার প্রতিটি মায়ের আছে এবং এটি সম্পূর্ণ বৈধ। অনেক সময় একজন ক্লান্ত-বিধ্বস্ত মা এপিডুরাল নিয়ে একটু বিশ্রাম পেলে তার পুরো ডেলিভারির জার্নিটাই সহজ ও পজিটিভ হয়ে যায়। এপিডুরাল একটি চমৎকার মেডিকেল টুল এবং সঠিক পরিস্থিতিতে এটিই হয়তো সেরা সিদ্ধান্ত।

কিন্তু ‘ইনফর্মড কনসেন্ট' (Informed Consent) বা ‘সচেতন সম্মতি’ মানে হলো যেকোনো সিদ্ধান্তের ভালো এবং মন্দ, দুটো দিকই পুরোপুরি জানা।

আপনার জানা উচিত যে আপনার প্রসবের ব্যথাটি আসলে ভেতরে ভেতরে একটি বড় কাজ করছে। আপনার হরমোনগুলো আপনার শিশুকে সুরক্ষিত রাখছে। তাই সমীকরণ থেকে ব্যথাকে একেবারে সরিয়ে ফেলার আগে এর পরবর্তী প্রভাবগুলো সম্পর্কে জানা এবং বোঝা একজন মায়ের অধিকার।

প্রকৃত সচেতনতা এবং সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার স্বাধীনতা ঠিক একেই বলে।
(অনুবাদিত এবং পরিমার্জিত)

শুভকামনা।
ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।




08/06/2026

#গর্ভাবস্থায় যাত্রা/চলাচলের নিয়মে নিষেধাজ্ঞা --

একজন গর্ভবতী নারীর তার এবং তার গর্ভস্থ সন্তানের সুরক্ষা নিশ্চিত করার জন্য যথাযথ যত্নবান হওয়া একান্ত কর্তব্য।
ভ্রমণ অনেকের জন্য আনন্দদায়ক হলেও সকল গর্ভবতী মহিলাদের জন্য তা সুখকর নাও হতে পারে।
গর্ভাবস্থায় ভ্রমণ কিছু কিছু ক্ষেত্রে নানা জটিলতার সৃষ্টি করতে পারে।গর্ভবতী হবার পর প্রথম তিন মাস সময়টা খুব ঝুঁকিপূর্ণ । এসময়ে ভ্রমণ করলে গর্ভপাত ঘটার সমূহ সম্ভাবনা থাকে।

যেসব ক্ষেত্রে একজন গর্ভবতী নারীর জন্য জার্নি নিরাপদ নয়:

(১) গর্ভপাতের কোন পূর্ব ইতিহাস থাকলে--
(Pregnancy Loss)

যেসব গর্ভবতী নারীর পূর্বে কোন গর্ভপাতের ইতিহাস থাকলে বা বার বার গর্ভের বাচ্চা মরে যাওয়া বা মৃত বাচ্চা প্রসব করার কোনো অতীত ইতিহাস থাকলে চিকিৎসকগণ সেসব মহিলাদের ভ্রমণে নিরুৎসাহিত করেন। কারণ ভ্রমণের কারণে অনেক সময় গর্ভপাত হয়ে যাবার সম্ভাবনা থাকে।

(২) গর্ভে যদি একাধিক সন্তান থাকে--
(Multiple Pregnancy)

যমজ সন্তান হওয়া স্বাভাবিক একটি ঘটনা হলেও যমজ সন্তান ধারন করলে গর্ভবতী মাকে একটু বাড়তি সাবধানতা গ্রহন করতে হয়। এসকল মায়ের এনিমিয়া, এক্লাম্পসিয়া, এন্টিপারটাম হেমোরেজ, ম্যাল প্রেজেন্টেশন, প্রিটার্ম লেবার সহ নানাবিধ সমস্যা হবার সম্ভাবনা অনেক বেশী থাকে। তাই গর্ভে এক বা একাধিক সন্তান থাকলে কোন ধরনের জার্নি করা নিরাপদ নয়।



(৩) অপরিণত শিশু জন্মদানের ইতহাস--
(Premature Labour)

যেসব গর্ভবতী নারী প্রিম্যাচুয়ের বেবির জন্ম দেয়ার ইতিহাস রয়েছে তাদের ক্ষেত্রে গর্ভাবস্থায় জার্নি করা ঝুঁকিপূর্ণ। একটা অপরিণত শিশুর জন্মের পরবর্তীতেও একই ধরনের শিশু জন্মের ঝুঁকি দেখা দেয়। এক গবেষণায় দেখা গেছে, যেসব মহিলারা পূর্বে অপরিণত শিশুর জন্ম দিয়েছেন, তাদের আবারো একই ঘটনা ঘটার সম্ভাবনা থাকে। তাই এসব নারীদের ক্ষেত্রে ভ্রমণ বিপদজনক।

(৪) বেশি বয়সে গর্ভধারণ করলে--
(High Risk Mother)

যেসব মহিলারা বেশি বয়সে (৩৫+) গর্ভধারণ করেন তাদের ক্ষেত্রে ঝুঁকির মাত্রা থাকে সবচেয়ে বেশি। বয়সের কারনে মহিলাদের নানারকম স্বাস্থ্যগত সমস্যা-
যেমন: ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ,জরায়ুর সমস্যা, ইত্যাদি দেখা দেয়। তাই বেশি বয়সে গর্ভধারণকারী মহিলাদের ভ্রমণ এড়িয়ে চলাই উচিত।

(৫) যেসব গর্ভবতী মহিলার উচ্চ রক্তচাপ থাকে--
(Pregnancy Induced Hypertension)

গর্ভাবস্থায় কারো কারো উচ্চ রক্তচাপ হয়। সাধারণত গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহের পরে এ সমস্যা দেখা দেয়। এ ধরনের উচ্চ রক্তচাপকে বলা হয় প্রেগনেন্সি ইনডিউজ হাইপারটেনশন। উচ্চ রক্তচাপের মাত্রা বেশী থাকলে গর্ভবতী নারীর দেহে নানা সমস্যা তৈরি হয়। এর ফলে গর্ভধারণে ঝুঁকির আশঙ্কা থাকে। এই অবস্থায় সেসব গর্ভবতী নারীদের ভ্রমণ করা উচিত নয়।


(৬) গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস--
(Gestesional Diabetes)

গর্ভাবস্থায় অনেকেরই ডায়াবেটিস হতে দেখা যায়। আবার অনেকে গর্ভধারণের পূর্বেই ডায়াবেটিসে আক্রান্ত হয়ে থাকেন। যেটাই হোক না কেন গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণে না থাকলে তা মা ও শিশু উভয়ের জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়াতে পারে। গর্ভাবস্থায় স্বাভাবিক ওজনের মায়ের শেষের দিকে ১০ থেকে ১১ কেজি ওজন বাড়ে। কিন্তু গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস আক্রান্ত হলে ওজন আরো বেড়ে যাবে। বাচ্চাও বেশি বড় হয়ে যাবে। যেহেতু একটি ভারী শিশুকে মা বহন করছে তাই পানি ভেঙে যেতে পারে। যদি কোনো কারণে পানি ভেঙে যায় তবে শিশুর ক্ষতি হওয়ার একটি আশঙ্কা থাকে। একারণে এসময়টা জার্নি একদমই নিরাপদ নয়।


(৭) গর্ভাবস্থায় এক্লাম্পশিয়ার ইতিহাস--

গর্ভাবস্থায় অনেক মায়ের-ই খিচুনি হতে দেখা যায়, বিশেষ করে প্রসবের আগে এমন খিচুনি উঠার কারণে অনেক মা এবং শিশুকেও অঘোরে প্রাণ হারাতে হয়। এক্লাম্পসিয়া গর্ভবতী মায়ের এমনই একটি খিচুনি জাতীয় রোগ। কোন গর্ভবতী নারীর গর্ভাবস্থায় এক্লাম্পশিয়ার পূর্ব ইতিহাস যদি থাকে সেসব ক্ষেত্রে ডাক্তাররা জার্নি করতে নিরুৎসাহিত করেন।


(৮) গর্ভাবস্থায় প্রি-এক্লাম্পশিয়ার ইতিহাস--

গর্ভাবস্থায় অনেক নারীর প্রিএক্লাম্পসিয়া রোগটি দেখা দেয়। প্রিএক্লাম্পসিয়া হলে ব্লাড প্রেসার বা রক্তচাপ তো বেড়ে যায়-ই সেই সাথে পায়ে পানি আসতে শুরু করে, অস্বাভাবিক হারে শরীরের ওজন বাড়তে থাকে। সাথে মাথা ব্যথা করা, ঘুম না আসা, উপরের পেটে ব্যথা করা, বমি করা বা বমি বমি ভাব লাগা, প্রসাবের পরিমাণ কমে আসা, চোখে ঝাপসা দেখা ইত্যাদি নানাবিধ উপসর্গ দেখা দেয়। এ অবস্থায় ভ্রমণ কোন অবস্থাতেই নিরাপদ নয়।


(৯) গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত বমি--
(Hyperemesis Gravidarum)

অনেক গর্ভবতী মহিলাকে দেখা যায় গর্ভাবস্থায় অতিরিক্ত বমি করতে। এধরনের উপসর্গকে বলে হাইপারেমেসিস গ্রাভিডেরাম।হাইপারেমেসিস গ্রাভিডেরাম স্বল্পমাত্রার বা তীব্র মাত্রার হতে পারে। এক্ষেত্রে মায়ের স্বাস্থ্যের চরম অবনতি হতে দেখা যায় । এধরনের উপসর্গ থাকলে ভ্রমণ করা একদমই উপযুক্ত নয়।


(১০) প্ল্যাসেন্টাল অস্বাভাবিকতা দেখা দিলে--
(Low Lying Placenta/Placenta Previa)

গর্ভাবস্থায় কোন নারীর গর্ভের ফুল বা প্লাসেন্টা যদি জরায়ুর একদম নীচের দিকে বা জরায়ু মুখে লেগে থাকে তাহলে অনেক সময় প্রসবের রাস্তায় রক্ত যেতে পারে। এর নামই প্লাসেন্টা প্রিভিয়া। এমনটি হলে হঠাৎ করেই রক্তপাত শুরু হয়। এক্ষেত্রে রক্তপাতের সময় কোনো ব্যথা অনুভুত হয় না। প্লাসেন্টা প্রেভিয়া হলে বাচ্চার মাথা সাধারণত সঠিক অবস্থানে থাকেনা, বেশীর ভাগ ক্ষেত্রেই মাথা উপরের দিকে বা আড়াআড়ি থাকতে দেখা যায়। রোগী অনেক সময়ই রক্তশূন্যতায় ভোগে এবং অনেক সময় শকেও চলে যেতে পারে। এসব ক্ষেত্রে চিকিৎসকরা জার্নি করতে নিষেধ করেন।


(১১) জরায়ুতে যদি কোন সমস্যা থাকে --

গর্ভাবস্থায় কোন গর্ভবতী নারীর জরায়ুতে যদি কোন সমস্যা থাকে, যেমন: জরায়ুর ভিতরে সন্তানে নড়াচড়া অনুভব করতে না পারা, জরায়ু ধীরে ধীরে বড় হয়ে এর আশে-পাশের লিগামেন্টে টান পড়ার জন্য তলপেট ও কুঁচকিতে ব্যথা হওয়া,জরায়ুর মুখের কোনো সমস্যার জন্যও গর্ভাবস্থায় রক্তপাত হওয়া ইত্যাদি উপসর্গ থাকলে সেসব গর্ভবতী নারীর ভ্রমণ করা উপযুক্ত নয়।

সব গর্ভবতী নারীদের জন্য দূরযাত্রা কিম্বা ভ্রমন নিষিদ্ধ নয়
উপরে উল্লেখিত কারন ও আরো বিভিন্ন অবস্থা অনুযায়ী চিকিৎসারা সরাসরি চেক আপ ও আলোচনা করে সিদ্ধান্ত নেন, গর্ভাবস্থায় কি ধরনের যাত্রা নিরাপদ।

আশা করি,
সবাই সচেতন থাকবেন।
নিজ নিজ চিকিৎসক এর মতামত অনুযায়ী সুস্থ গর্ভাবস্থায় থাকবেন।
শুভকামনা।
ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।



★★★ হিটস্ট্রোক (Heat- Stroke)গত ১০ বছরের মাঝে আজ ছিলো রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (৪০.৬ ডিগ্রী ফারেনহাইট) নাতিশীতোষ...
06/06/2026

★★★ হিটস্ট্রোক (Heat- Stroke)

গত ১০ বছরের মাঝে আজ ছিলো রাজধানী ঢাকায় সর্বোচ্চ তাপমাত্রা (৪০.৬ ডিগ্রী ফারেনহাইট)

নাতিশীতোষ্ণ দেশের এই জলবায়ুর পরিবর্তন ও অতিমাত্রায় গরমের জন্য আমাদের অপরিকল্পিত নগরায়ন, শহরে সবুজ ও প্রকৃতির স্বাভাবিক রূপ নষ্ট করা, দূষিত গ্যাসের ব্যবহার বৃদ্ধি ও সামগ্রিক অসচেতন...
অতিমাত্রায় দায়ী।

তীব্র দাবদাহে জনজীবন অতিষ্ঠ, ভোগান্তির শেষ নেই।
সময়ের সাথেই যেনো পাল্লা দিয়ে বাড়ছে গরম। গরম এতো তীব্রতর হচ্ছে যে, হিটস্ট্রোকে আক্রান্ত হচ্ছেন অনেকে।

💥তার আগে জেনে নেই #হিটস্ট্রোক_কি?

আমাদের শরীরের রয়েছে নির্দিষ্ট তাপধারণ ক্ষমতা। যখন সেই নির্দিষ্ট ক্ষমতার চেয়ে বেশি তাপ অর্থাৎ ১০৫°F এর বেশি শরীর অতিক্রম করে, তখন অতিরিক্ত তাপের কারনে মানুষ অজ্ঞান হয়ে যায়, অসংলগ্ন আচরণ করে অথবা কোমায় চলে যেতে পারে।অল্প কথায় এটাই "হিটস্ট্রোক"।

🔴 #কিভাবে_বুঝবেন_হিটস্ট্রোক_হতে_যাচ্ছে?

হিট-স্ট্রোকের পূর্বে শরীর দুইটা ধাপ অতিক্রম করে।

1⃣শরীরের মাংসপেশিতে ব্যথা হয়, শরীর দুর্বল লাগে এবং প্রচণ্ড পিপাসা পায়।

2⃣এর পরের ধাপে শরীর তাপমাত্রার উপর নিয়ন্ত্রণ হারাতে থাকলে দ্রুত শ্বাসপ্রশ্বাস, মাথাব্যথা, ঝিমঝিম করা, বমিভাব, অসংলগ্ন আচরণ ইত্যাদি দেখা দেয়।

এই দুই ক্ষেত্রেই শরীরের তাপ নিয়ন্ত্রণ ঠিক থাকে এবং শরীর অত্যন্ত ঘামতে থাকে। এ অবস্থায় দ্রুত ব্যবস্থা না নেওয়া হলে হিট স্ট্রোক হতে পারে।

#হিটস্ট্রোকের_লক্ষণ_কি_কি?

🚩রোদে বেশিক্ষণ থাকার ফলে তীব্র মাথাব্যাথা,বমিবমি ভাব ও বমি হতে পারে।
🚩শরীরের তাপমাত্রা দ্রুত ১০৫ ডিগ্রি ফারেনহাইট ছাড়িয়ে যায়।
🚩মাংসপেশিতে ব্যাথা অনুভব হয়।
🚩রক্তচাপ কমে যায়।
🚩ত্বক শুষ্ক ও লালচে হয়ে যায়।
🚩প্রস্রাবের পরিমান কমে যায়।
🚩নাড়ির স্পন্দন ক্ষীণ ও দ্রুত হয়।
🚩নিশ্বাস দ্রুত হয়।
🚩ঘাম বন্ধ হয়ে যায়।
🚩খিঁচুনি, মাথা ঝিমঝিম করা, অস্বাভাবিক আচরণ, হ্যালুসিনেশন, অসংলগ্নতা ইত্যাদি।
🚩রোগী শকে চলে যায়। এমনকি অজ্ঞান হয়ে যেতে পারে।
🚩রোগী কোমায় যেতে পারে।

✅ #হিটস্ট্রোকের_লক্ষণ_দেখা_দিলে_যা_করবেন-

➡দ্রুত শীতল কোনো স্থানে চলে যেতে হবে। সম্ভব হলে, ফ্যান বা এসি ছেড়ে ঘরের তাপমাত্রা কমাতে হবে।
➡ বার বার ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে ফেলুন। সম্ভব হলে গোসল করুন।
➡প্রচুর পানি ও খাবার স্যালাইন পান করুন।

💥 #হিটস্ট্রোকে_আক্রন্ত_রোগীর_প্রাথমিক_চিকিৎসা-

✅আক্রান্ত ব্যাক্তিকে দ্রুত শীতল স্থানে নিয়ে যেতে হবে
✅আক্রান্ত ব্যাক্তির শরীরের কাপড় খুলে দিতে হবে বাতাস চলাচলের জন্য।
✅ শরীর ঠান্ডা পানিতে ভিজিয়ে দিয়ে বাতাস করতে হবে। এভাবে অতিরিক্ত তাপমাত্রা কমাতে হবে।
✅সম্ভব হলে কাঁধে, বগলে ও কুচকিতে বরফ দিতে হবে।
✅ রোগীর জ্ঞান থাকলে তাঁকে খাবার স্যালাইন পান করাতে হবে।
✅অ্যাম্বুলেন্সে দ্রুত হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে।
✅সব সময় খেয়াল রাখতে হবে যে, হিট স্ট্রোকে অজ্ঞান রোগীর শ্বাসপ্রশ্বাস এবং নাড়ি চলছে কি না।
✅প্রয়োজন হলে কৃত্রিমভাবে নিশ্বাস ও নাড়ি চলাচলের ব্যবস্থা করতে হতে পারে।

🔥 #হিটস্ট্রোক_হতে_রেহাই_পেতে-

❌কোমল পানীয় এবং চা কফি পান করা যাবেনা।
❌সরাসরি সূর্যালোকে কাজ করা যাবেনা।
❌বিরিয়ানি, রিচ ফুড,তেল মসলাদার খাবার বাদ দিয়ে সাদা ভাত,মাছ,সব্জি -ফলমূল বেশি খেতে হবে।❌দুপর ১২ টা থেকে ৩ টা পর্যন্ত বাইরে বের হওয়া উচিৎ না।বাইরে বের হতে সাদা কাপড় ও ছাতা ব্যবহার কতে হবে।

💥 #কাদের_হিটস্ট্রোকের_ঝুকি_বেশিঃ
★বয়স্ক ও অসুস্থ ব্যাক্তি,
★যাদের শরীরের ওজন বেশি,
★যাদের হার্টের বা ফুসফুসের সমস্যা আছে,
★শিশু এবং ছোট্ট বাচ্চা,
★গর্ভবতী মহিলা বিশেষ করে যাদের শরীরে লবন পানির স্বল্পতা রয়েছে।
★যারা রোদে শারীরিক পরিশ্রম করে।
★কিছু কিছু ওষুধ,যেমনঃ প্রস্রাব বাড়ানোর ঔষধ, মানসিক রোগের ঔষধ, বিষন্নতার ঔষধ হিট-স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ায়।

সবাই সাবধানে থাকুন, সুস্থ থাকুন।
হিট স্ট্রোক হতে নিজে বাঁচুন ও অন্যকে সচেতন করুন।
ডা: নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
১৫ এপ্রিল, ২রা বৈশাখ।

(মূল লেখা- ডা: মাহফুজা।
পরিমার্জিত)

ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।


04/06/2026

#জরায়ুমুখেরক্যান্সারভ্যাক্সিন
#হেপাটাইটিসবিভ্যাক্সিন


03/06/2026

★★ যারা সিজারিয়ান ডেলিভারি পরবর্তী বেবি নরমাল ডেলিভারি চেষ্টা করতে চান, তাদের উদ্দেশ্যে সচেতনতা মূলক এই লেখা।

(ঘটনার সময়কাল ২০২০ সাল। কোভিড মহামারীর ভয়াবহ কঠিন পরিস্থিতি সময়ের)

৬ বছর আগে রোগীর প্রথম ডেলিভারী হয়েছিল সিজারিয়ান সেকশনের মাধ্যমে। এরপর তার দ্বিতীয় ডেলিভারী হয় নরমাল ডেলিভারীর মাধ্যমে।ডেলিভারীর পর পর তাকে কয়েক ব্যাগ রক্ত দেয়া হয়েছিল। এরপর রোগীর কোন জটিলতা না থাকায় তাকে ছুটি দেয়া হয়েছিল।

কিছুদিন পর আবার অতিরিক্ত রক্তক্ষরন নিয়ে রোগী ভর্তি হন আমাদের কোভিড ইউনিট এ। এবার ও তাকে কয়েক ব্যাগ রক্ত, ভালো এন্টিবায়োটিক দেয়া হয় এবং জরায়ুর ভিতর কিছু রয়ে গিয়েছে কি না দেখার জন্য আল্ট্রাসনোগ্রাফী করা হয়েছিল, সাথে রক্তপাত বন্ধ হওয়ার চিকিৎসা।

আল্ট্রাসনোগ্রাফি রিপোর্ট নরমাল ছিল।
আমার কোভিড ডিউটির সময় যখন রোগীকে পেলাম তখন দেখলাম রোগীর রক্তপাত খুব একটা নেই, শুধু হিমোগ্লোবিন কম।
আমরা তাই রোগীর অন্যান্য চিকিৎসার পাশাপাশি রক্ত দিয়ে যাচ্ছিলাম।
১৬/০৭/২০ তারিখ ভোর ৪ টায় আমার একজন রেজিস্ট্রার ডিউটি ডাক্তার আমাকে ফোন এ জানালো রোগীর আবার ও প্রচুর রক্তপাত হচ্ছে।
আমি রোগীকে রক্ত এবং আনুষঙ্গিক সব চিকিৎসা দিতে বললাম আর অপারেশনের জন্য রোগীকে রেডি করতে বললাম।

রোগীর পি ভি(যোনিপথ পরীক্ষা) করে দেখলাম জরায়ুর মুখ অনেকটা খোলা এবং রক্তের চাকার সাথে জরায়ুর ছোট টিসু খসে খসে আসছে।
যদিও আমার টিমের তখনকার ডিউটি ডাক্তার রা বলছিলো.....
" ম্যাডাম রোগীর আরেকবার আল্ট্রাসনোগ্রাফি করে দেখে নিলে হয় না ভিতরে কিছু আছে কি না?"

আমি বললাম না।
আর অপেক্ষা করা যাবে না।
কারণ আমার পূর্ব অভিজ্ঞতায় এর আগে যেগুলো রোগীর আগে সিজারিয়ান এর ইতিহাস ছিল এবং পরে কয়েক এপিসোড ব্লিডিং নিয়ে বারবার ভর্তি হয়েছে সবার অপারেশন করে দেখা গেছে তাদের জরায়ুর সিজারিয়ান এর আগের সেলাই এ ইনফেকশন হয়ে ফেটে গিয়ে জরায়ু খোলা হয়ে আছে!
সেখানেই কোনো না কোনো রক্তনালী ফেটে যেয়ে হয়ে বারবার ব্লিডিং হয়।

অপারেশনের টেবিলে রোগীকে তোলার পর রোগী আমাকে বলতে লাগলো,
"ম্যাডাম আমাকে বাঁচান!
এতদিন ধরে এই ভোগান্তি আমি আর সহ্য করতে পারতেসি না।"
যথারীতি জেনারেল এনেস্থসিয়া দেয়ার পর পি ভি পরীক্ষা করার পর মনে হলো জরায়ুর আগের সেলাই খুলে আছে!

পেট খোলার পর দেখা গেল ব্লাডার(মূত্রথলি) জরায়ুর অনেক উপরে লাগানো!
জরায়ুর পেছনে ইন্টেস্টাইন(নাড়ি ভুড়ির অংশ) ও অনেক অংশ লাগানো।
তখন ও বুঝতে পারছিলাম না সামনে আমার জন্য কী অপেক্ষা করছিল কারণ তখন ও জরায়ুর খোলা অংশ আমার গোচরীভুত হয়নি!

অনেক সাবধানে ও কষ্টে ব্লাডার জরায়ু থেকে আলাদা করার সময়ে দেখলাম জরায়ুর আগের সেলাই এর অংশ ছিন্নভিন্ন অবস্থা এবং ওখানে অনেকটা অংশে টিসু ধরামাত্র খসে খসে আসছে এবং প্রচন্ড ব্লিডিং হচ্ছে!
শেষ পর্যন্ত আমি আর আমার এসিসটেন্ট মিলে ডিসিশন নিলাম জরায়ু কেটে ফেলার।
রোগীর এবং রোগীর স্বামীর কাছ থেকে আগেই আমরা অনুমতি নিয়ে নিয়েছিলাম।

এই জটিল অপারেশন টি নির্বিঘ্নে করে রোগীকে সুস্থভাবে বাড়ি ফেরানো গেছে।
কিন্তু,
অসচেতনতার কারনে বহু মেয়েরাই বাড়িতে কিম্বা অনভিজ্ঞ ডাক্তারের কাছে "সিজারিয়ান পরবর্তী নরমাল ডেলিভারি চেষ্টা" করে, যা তার জীবনের জন্য ঝুকিপূর্ণ হতে পারে... ধারনাই রাখে না!
...........

আশা করি,
মেয়েরা সচেতন হবেন।
মেয়েদের পরিবার, জীবনসঙ্গীরা সচেতন হবেন।

"যা খুশি হোক, আমরা নরমাল ডেলিভারি'ই করাবো" (এতে মা,বাচ্চার যতো জীবন ঝুঁকিই থাকুক)- এসব ভুল ধারণা, ভুল আচরণ, চিকিৎসক এর চেয়ে অতিরিক্ত বেশি বোঝা আচরণ, উদ্ধত চিন্তা থেকে বেরিয়ে আসবেন।
অভিজ্ঞ, দায়িত্বশীল চিকিৎসক এর মতামতকে শ্রদ্ধা করবেন।
এই শুভকামনা রইলো।
সবার শুভবুদ্ধির উদয় হোক।

সুস্থ মা, সুস্থ বাচ্চা, নিরাপদ ডেলিভারি হোক প্রতিটি ঘরে, চিকিৎসক হিসেবে এটা আমাদের কাম্য।

ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।
(বন্ধ্যাত্ব, উচ্চ ঝুঁকি পূর্ণ মাতৃত্ব ব্যবস্থাপনা, নিরাপদ ডেলিভারি ও পরিবার পরিকল্পনায় বিশেষভাবে অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত)




 #চকলেট_সিস্ট  #ওভারী_সিস্ট১️। চকলেট সিস্ট কী?চকলেট সিস্ট হলো এন্ডোমেট্রিওমা (Endometrioma) — ডিম্বাশয়ের ভেতরে তৈরি এক ...
19/05/2026

#চকলেট_সিস্ট
#ওভারী_সিস্ট

১️। চকলেট সিস্ট কী?

চকলেট সিস্ট হলো এন্ডোমেট্রিওমা (Endometrioma) —
ডিম্বাশয়ের ভেতরে তৈরি এক ধরনের সিস্ট, যা পুরনো জমে থাকা রক্তে ভরা থাকে।
সময়ের সাথে সেই রক্ত ঘন ও গাঢ় বাদামী রঙ ধারণ করে, দেখতে অনেকটা গলিত চকলেটের মতো, তাই এর নাম “চকলেট সিস্ট”।

২️। কেন চকলেট সিস্ট হয়?

এটি সাধারণত এন্ডোমেট্রিওসিস (Endometriosis) নামের রোগের কারণে হয়।
জরায়ুর অভ্যন্তরের টিস্যু (Endometrial tissue) কখনও কখনও জরায়ুর বাইরে — যেমন ডিম্বাশয় বা পেলভিক অঞ্চলে বৃদ্ধি পেতে থাকে।
প্রতিবার মাসিকের সময় এই টিস্যুগুলোরও সামান্য রক্তপাত হয়, কিন্তু শরীর থেকে তা বের হতে না পারায় ধীরে ধীরে জমে সিস্ট তৈরি হয়।

৩️। চকলেট সিস্টের লক্ষণ কী কী?

-- তলপেট বা কোমরে নিয়মিত ব্যথা।
-- মাসিকের আগে ও চলাকালীন সময়ে ব্যথা বেড়ে যাওয়া।
-- যৌনমিলনে ব্যথা (Dyspareunia)
-- মাসিকে অনিয়ম বা অতিরিক্ত রক্তপাত (Menorragia)
-- গর্ভধারণে সমস্যা বা বন্ধ্যাত্ব (Infertility)
-- কখনও বমি ভাব, দুর্বলতা, পেট ফাঁপা।

৪️। চকলেট সিস্ট কি সন্তানধারণে বাধা সৃষ্টি করে?

হ্যাঁ, অনেক ক্ষেত্রে করে।
চকলেট সিস্ট ডিম্বাশয়ের স্বাভাবিক গঠন ও কাজ ব্যাহত করে —
★ ডিম্বাণু পরিপক্ক হতে পারে না।
★ ফেলোপিয়ান টিউব (গর্ভনালী) ব্লক হতে পারে।
★ হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়।

ফলে, গর্ভধারণ কঠিন হয়ে পড়ে। তবে সঠিক চিকিৎসায় অধিকাংশ নারী স্বাভাবিকভাবেই মা হতে পারেন।

৫️। চকলেট সিস্ট কি বিপজ্জনক? ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে?

সাধারণত না।
এটি সৌম্য (Benign) অবস্থা।
তবে দীর্ঘদিন চিকিৎসা না করালে জটিলতা ও বন্ধ্যাত্ব বাড়তে পারে।

তবে কিছু কিছু ক্ষেত্রে এই সিস্ট ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে।
এজন্য প্রয়োজনীয় নিয়ম অনুযায়ী ফলোআপ, টেস্ট করিয়ে চিকিৎসক এর মতামত অনুযায়ী চলতে হবে।
অনেক ক্ষেত্রে সিস্টের সাইজ বড়, রোগীর সমস্যা বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি কারনে অপারেশন প্রয়োজন ও হতে পারে।
.........

এসব রোগের আলোচনা বিস্তারিত ও সময়সাপেক্ষ। চিকিৎসা দীর্ঘমেয়াদী। যা অনলাইন এ অল্প কথায় মতামত দেয়া সম্ভব হয় না।
তাই, অকারণ সময় নষ্ট না করে দ্রুত অভিজ্ঞ চিকিৎসক এর মতামত নিন। সরাসরি চেম্বারে এসে আলোচনা করুন।
ধন্যবাদ।

ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।
(বন্ধ্যাত্ব, পরিবার পরিকল্পনা, উচ্চ ঝুঁকি পূর্ণ মাতৃত্ব ব্যবস্থাপনা ও নিরাপদ ডেলিভারিতে অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষনপ্রাপ্ত)
এডমিন
Hello Audity....



10/05/2026





হেপাটাইটিস ভাইরাসের ধরণ ও পার্থক্য সম্পর্কে জেনে নিন।

আমাদের অনেকেরই ধারণা নেই যে সব হেপাটাইটিস এক নয়। এদের সংক্রমণের ধরণ এবং প্রভাব যেমন ভিন্ন, তেমনি এদের সুরক্ষার জন্য আলাদা আলাদা ভ্যাকসিন নিতে হয়। সচেতনতার জন্য নিচের তথ্যগুলো মন দিয়ে পড়ুন।

★★ সংক্রমণের মাধ্যম-- (Transmission Routes):

বিজ্ঞানের ভাষায় হেপাটাইটিস ভাইরাস মূলত দুই ভাবে ছড়ায়।

১. রক্ত ও শারীরিক তরল(Blood-borne)--

হেপাটাইটিস বি (Hep B ) এবং সি (Hep C) মূলত অনিরাপদ রক্ত সঞ্চালন, ব্যবহৃত নিডল বা সিরিঞ্জ এবং আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে শারীরিক সম্পর্কের মাধ্যমে ছড়ায়। এগুলো দীর্ঘমেয়াদী বা ক্রনিক (Chronic) লিভার সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।

২. দূষিত খাবার ও পানি (Fecal-oral route)--

হেপাটাইটিস এ এবং ই (Hep A & E) ছড়ায় মূলত দূষিত পানি বা খাবারের মাধ্যমে। রাস্তার খোলা খাবার বা অনিরাপদ পানি এই সংক্রমণের প্রধান উৎস।

★★ ভ্যাকসিন ও প্রতিরোধ (সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ):

মনে রাখবেন,
একটি ভ্যাকসিন সব হেপাটাইটিস প্রতিরোধ করে না। Hep A এবং Hep B-এর জন্য আলাদা টিকা নিতে হয়।

হেপাটাইটিস এ (Hepatitis A):
এটি মূলত খাবার ও পানি থেকে হওয়া সংক্রমণ রোধ করে। আপনার যদি আগে ভ্যাকসিন না নেওয়া থাকে, তবে দ্রুত টিকা নিয়ে নিন।

হেপাটাইটিস বি (Hepatitis B ):
এটি রক্ত ও শরীরের তরল থেকে হওয়া দীর্ঘমেয়াদী সংক্রমণ রোধ করে। এর জন্য আলাদা ডোজের ভ্যাকসিন কোর্স সম্পন্ন করতে হয়।
........

যে কারনে আমি রুটিন টেস্ট হিসেবে সব পেশেন্ট /কাপল'কে হেপাটাইটিস বি ভাইরাস টেস্ট করাই।
কারন, মূলত চেম্বারে বেবি ট্রাই, প্রেগন্যান্ট কিম্বা শারীরিক জটিলতা নিয়েই পেশেন্ট আসে।
বি ভাইরাস নেগেটিভ হলে ভ্যাক্সিন নিতে বলি। কারন, সাধারণ মানুষের এ নিয়ে কোনো সচেতনতা নেই!

এখনো যারা লিভারের এই ভয়াবহ ভাইরাসজনিত রোগ নিয়ে সচেতন না, হেপাটাইটিস বি টেস্ট করিয়ে দ্রুত ভ্যাক্সিন নিন।

কোনো সরকারি হস্পিটালে এই ভ্যাক্সিন পাওয়া যায় না। বেসরকারিভাবে ভালো হস্পিটালে নেয়া যায়। ডক্টররা নিজ চেম্বারেও দেবার ব্যবস্থা রাখেন।

আমার মালিবাগ মেডিনোভা চেম্বারে,
টিটেনাস, হেপাটাইটিস বি, জরায়ুমুখ ক্যান্সারের ভ্যাক্সিন ৩টাই দেবার ব্যবস্থা আছে।
(হেপাটাইটিস এ, এর ব্যাপারেও খোঁজ রাখছি)

সময় থাকতে সবাই সচেতন হোন।
লিভার, কিডনি, হার্ট, ব্রেইন -
আমাদের শরীরের সেইসব অংগ যা ছাড়া জীবন অচল ও এর কোনো বিকল্প নেই।

সুস্থতার চেয়ে বড় নেয়ামত কিছু নেই।
অসুস্থ হবার কোনো বয়স, শ্রেণী, অবস্থান নেই।

শুভকামনা, দোয়া প্রানবন্ত মেয়েটির জন্য।
ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।

★★জরায়ু-মুখ ক্যান্সার ভ্যাক্সিন (Cervical Cancer vaccine)"★★ক্যান্সারের নাম শুনলেই শুরু হয় আমাদের বুক দুরু দুরু!তাও আবার...
05/05/2026

★★জরায়ু-মুখ ক্যান্সার ভ্যাক্সিন (Cervical Cancer vaccine)"★★

ক্যান্সারের নাম শুনলেই শুরু হয় আমাদের বুক দুরু দুরু!
তাও আবার জরায়ু মুখ ক্যান্সার (Cervical Carcinoma)!
এর নাম ও এর ভয়াবহতা সম্বন্ধে আমরা আজকাল সবাই কমবেশি শুনেছি, জেনেছি।
আনন্দের কথা হলো, এই ভয়াবহ ক্যান্সারের ভ্যাক্সিন ও এখন আমাদের হাতের মুঠোয় :)

এর তার কাছে শোনা, কিম্বা পুরোটা না জানার কারনে এই ভ্যাক্সিন এর দেবার গুরুত্ত, উপযোগিতা, সঠিক বয়স, কার্যকরীতা নিয়ে সবার জ্ঞানই প্রায় ভাসা ভাসা।
জরুরী কিছু অজানা/ভুল জানা তথ্যকে সম্পুরন করতেই তাই আজকের এই পোস্ট।

★★ কোন বয়সী নারীদের জন্য এই ভ্যাক্সিন?
-- মূলত ১৫-২৯ বয়সী যেকোনো অবিবাহিত(যৌন অভিজ্ঞতা হয়নি) নারীদের জন্য এই ভ্যাক্সিন কার্যকর।
১৫ বছরের আগে কিম্বা যৌন অভিজ্ঞতার পরে এই ভ্যাক্সিনের কার্যকারীতা কমে যায়।
তবে, ২৯+ বয়সী যেকোনো অবিবাহিতা নারী বিবাহের আগে এই ভ্যাক্সিন নিতে পারেন।

★★ কোন ধরনের অসুখ/কারন থাকলে নারীদের জন্য এই ভ্যাক্সিন নেয়া ঝুঁকিপূর্ণ?
-- গর্ভাবস্থায়।
-- অতিরিক্ত এলার্জি সমস্যা।
-- দীর্ঘ মেয়াদী রোগে অতিরিক্ত অসুস্থ রোগী।
-- শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা অতিরিক্ত কম।
এসব রোগিদের ক্ষেত্রে নিজ নিজ রোগের চিকিতসা করে ভ্যাক্সিন নিতে পারবেন।

★★ এই ভ্যাক্সিন কি প্রতিটি নারীর নেয়া জরুরী?
-- যদি শারীরিক ভাবে সুস্থ থাকেন ও ভ্যাক্সিন নেবার বয়সে, অবস্থায় থাকেন তবে নিয়ে নেয়া ভালো।

★★ বিবাহিত ও সন্তান জন্ম দেবার পর কি এই ভ্যাক্সিন নেয়া যাবে?

-- যৌণ অভিজ্ঞতার পর বিবাহিত যেকোনো বয়সী নারী এই ভ্যাক্সিন নিতে পারবেন, তবে প্রয়োজনীয় টেস্ট করিয়ে। Pap's Smear টেস্ট করিয়ে আমরা বুঝে নেই, জরায়ুমুখে এখনো ক্যান্সার নেই কিন্তু ঝুঁকি আছে। তারা দিয়ে নিতে পারেন। অবশ্যই কার্যকরী হবে।

নারীদের জরায়ুমুখের ক্যান্সার (Cervical Cancer) সাধারণত হঠাৎ করে হয় না—ধীরে ধীরে কয়েক বছর ধরে ঝুঁকি বাড়ে।
ঝুঁকি বাড়ার বয়স
২৫ বছর বয়সের পর থেকে ঝুঁকি ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে
৩০–৪৫ বছর বয়সে ঝুঁকি বেশি দেখা যায়
তবে যে কোনো বয়সেই হতে পারে, বিশেষ করে যদি ঝুঁকির কারণগুলো থাকে
কেন এই বয়সে ঝুঁকি বাড়ে?
মূল কারণ হলো Human Papillomavirus (HPV) নামের ভাইরাস। এটি দীর্ঘদিন শরীরে থাকলে কোষে পরিবর্তন ঘটিয়ে ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে।

★★ কাদের জন্য এই ভ্যাক্সিন নেয়া খুব'ই জরুরি?

-- পরিবারে মা, বোন, নানী, দাদী, খালা, ফুফু যেকারো এই ক্যান্সার আক্রান্ত হবার ইতিহাস আছে, তাদের জন্য খুব জরুরি! কারন, ক্যান্সারের জিন বংশগতিতে পরের প্রজন্মে ছড়ায়।
-- বছরে ৩-৪ বার যোনিপথ ইনফেকশন (প্রচুর সাদা/হলুদ স্রাব যাওয়া, মাসিকের পথে চুলকানি হওয়া)। প্রচুর ইউরিন ইনফেকশন হয় তারা সবাই।
-- জরায়ু ইনফেকশন, টিউমার, Adenomyosis, Endometriosis, Cervicitis এসব রোগ আছে ও চিকিৎসাধীন আছেন।
-- ব্রেস্ট টিউমার, ইনফেকশন।
Fibroadenoma, Fibrocystic disease ইত্যাদি রোগ আছে কিম্বা রোগের ইতিহাস আছে।
-- পরিবারের যেকোনো সদস্যের ক্যান্সার আক্রান্ত হবার ইতিহাস আছে। কিম্বা আপনার নিজের শরীরে অন্য কোনো ক্যান্সারের ইতিহাস আছে।

★★ ভ্যাক্সিন এর ডোজ কয়টি?
-- ৩টি
0 -- ১ম ডোজ।
1 -- ২য় (১ম টির ১মাস পর)
2 -- ৩য় (১ম টির ৬মাস পর)

★★ ভ্যাক্সিনের নাম কি?
-- Inj. Papillovax.

(এটা আমাদের দেশের মেডিসিন কোম্পানি Incepta Pharma তৈরি করছে এখন। এবং সুলভ মূল্য বিভিন্ন বেসরকারি হাস্পাতাল, ক্লিনিক, চিকিৎসক এর চেম্বারে পৌছে দিচ্ছে)

অন্যান্য কোম্পানির বিভিন্ন নামেও ভ্যাক্সিন আছে। তবে, সেগুলির দাম এর চেয়ে বেশি। সর্বসাধারণের সাধ্যের মধ্যে নয়।

★★ কোথায় পাওয়া যাবে এই ভ্যাক্সিন??
-- সরকারী পর্যায়ে এই ভ্যাক্সিন এখনো আমাদের দেশে আসেনি। দেয়া সম্ভব নয়।
-- বেসরকারিভাবে ঢাকা ও বিভিন্ন বিভাগীয় জেলা শহরের বড়, নামী হাস্পাতালে ও ব্যাক্তি উদ্যোগে বিভিন্ন গাইনি চিকিৎসকের নিজ চেম্বারে দেবার ব্যাবস্থা আছে।

★★★
আমার মালিবাগ মেডিনোভা চেম্বারে জরায়ু মুখ ক্যান্সার ভ্যাক্সিন, হেপাটাইটিস বি ভাইরাস ভ্যাক্সিন, টিটেনাস ভ্যাক্সিন দেবার সুব্যবস্থা আছে।
যারা দিতে আগ্রহী, নিজ দায়িত্বে যোগাযোগ করে নিয়ে নিতে পারেন।

★★ কোনো সাইড ইফেক্ট/জটিলতা আছে কি?

-- যেকোনো ভ্যাক্সিন নিলে স্কিনে র‍্যাশ, জর এধরনের কিছু হাইপারসেন্সিটিভিটি রিএকশন হতে পারে কারো কারো।
-- উপরে উল্লেখিত কোনো রোগী এই ভ্যাক্সিন নিলে এসব স্বাভাবিক জটিলতা হতে পারে, এছাড়া অন্য কোনো ধরনের জটিলতার সম্ভাবনা নেই।

নারীদের জরায়ুমুখের ক্যান্সার (Cervical Cancer) সাধারণত হঠাৎ করে হয় না।
ধীরে ধীরে কয়েক বছর ধরে ঝুঁকি বাড়ে।

★★ ঝুঁকি বাড়ার বয়স--
২৫ বছর বয়সের পর থেকে ঝুঁকি ধীরে ধীরে বাড়তে শুরু করে।
৩০–৪৫ বছর বয়সে ঝুঁকি বেশি দেখা যায়। তবে যে কোনো বয়সেই হতে পারে, বিশেষ করে যদি ঝুঁকির কারণগুলো থাকে।

★★ কেন এই বয়সে ঝুঁকি বাড়ে?

মূল কারণ হলো,
Human Papillomavirus (HPV) নামের ভাইরাস। এটি দীর্ঘদিন শরীরে থাকলে কোষে পরিবর্তন ঘটিয়ে ক্যান্সারে রূপ নিতে পারে।

★★ ঝুঁকি বাড়ার কারণ--

-- অল্প বয়সে বিয়ে/যৌন জীবন শুরু করা।
-- একাধিক যৌন পার্টনার।
-- বারবার সন্তান নেওয়া।
-- নিয়মিত স্ক্রিনিং(চেক আপ, টেস্ট) না করা।
-- ধূমপান এর বদভ্যাস।
-- শরীরে রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম থাকা।







আশা করি, জরায়ুমুখ ক্যান্সারের ভ্যাক্সিন সম্বন্ধে আমাদের অনেক প্রশ্ন, ভুল ধারনার জবাব আমরা পেয়ে গেছি।
যা আমরা জানলাম, অন্যদের'ও জানাবো...
সমাজকে এই ক্যান্সার মুক্ত রাখতে আমাদের অল্প এইটুকু সচেতনতাই যথেস্ট। :)
সবাই ভালো থাকুন।
সুস্থ থাকুন।
শুভকামনা 😊

ডা. নাজিয়া বিনতে আলমগীর।
গাইনি ও প্রসূতি বিদ্যা আলোচক, সার্জন।
এডমিন
Hello Audity....

Address

Dhaka
1219.

Opening Hours

Monday 12:00 - 00:00
Tuesday 12:00 - 00:00
Wednesday 12:00 - 00:00
Thursday 12:00 - 00:00
Saturday 12:00 - 00:00
Sunday 12:00 - 00:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Nazia Binte Alamgir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category