09/06/2026
হার্ট অ্যাটাক হলে হাসপাতালে যাওয়ার পথেই যা করা জরুরী :-
১| যাদের উচ্চ রক্তচাপ, ডায়াবেটিস, কোলেস্টেরল বেশি, ধূমপান বা তামাক সেবনের অভ্যাস আছে, ওজন বেশি, নিয়মিত ব্যায়াম নেই, দীর্ঘদিন ধরে মানসিক চাপে ভুগছেন বা যাদের পরিবারের কারও অল্প বয়সে হার্ট অ্যাটাকের ইতিহাস আছে, ৪০ বছরের পর পুরুষদের এবং মেনোপজের পর নারীদের এবং যে কারো
২| যদি হঠাৎ বুকের মাঝখানে চাপ ধরা ব্যথা যা বাম হাত, কাঁধ, ঘাড়, চোয়াল বা পিঠে ও পেটে ছড়িয়েছে, সাথে শরীর ঘেমে যাওয়া, বমি হওয়া, বমি বমি ভাব, শ্বাসকষ্ট, মাথা ঘোরানো, মাথা ঝিমঝিম করা, প্রচন্ড অস্থিরতা বা অস্বাভাবিক দুর্বলতা থাকে বা অনেকের ক্ষেত্রে বিশেষত নারীদের বুকের ব্যথা না হয়ে শুধু শ্বাসকষ্ট বা গ্যাস্ট্রিকের মতো ব্যাথা হয় যা ১৫–২০ মিনিটের বেশি স্থায়ী হলে এবং হার্ট অ্যাটাক হচ্ছে মনে হলে যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে যেতে হবে।
৩| হার্টের ওপরে চাপ কমাতে হাসপাতালে পৌঁছানোর পূর্বের সময়টুকুতে রোগীকে সম্পূর্ণ বিশ্রামে থাকতে হবে।
৪| হাতের কাছে ট্যাবলেট অ্যাসপিরিন ৭৫ মি.গ্রা(৪টি), ট্যাবলেট ক্লপিডগরেল ৭৫ মি.গ্রা(৪টি),ট্যাবলেট অ্যাটোরভাসটেটিন ২০ মি.গ্রা(২টি),ট্যাবলেট প্যান্টোপ্রাজল ২০মি.গ্রা(২টি) ট্যাবলেট থাকলে এবং রোগীর অ্যাসপিরিন এবং এই জাতীয় ঔষধে কোনো অ্যালার্জি না থাকলে হাসপাতালে পৌঁছানো পর্যন্ত আস্তে আস্তে চিবিয়ে ট্যাবলেটটি খেতে পারে। বুকে ব্যাথা বেশি হলে জিটিএন স্প্রে দুই চাপ জিহবার নীচে নিতে পারে।
৫| হার্ট অ্যাটাক একটি ইমারজেন্সি অবস্থা। আপনার অথবা আপনার আশেপাশের কারও হার্ট অ্যাটাকের লক্ষণ দেখা দিলে যত দ্রুত সম্ভব রোগীকে হাসপাতালে নেওয়ার ব্যবস্থা করতে হবে। হার্ট অ্যাটাক হলে যদি সঠিক সময়ে চিকিৎসা না নেওয়া হয় তাহলে রোগীর মৃত্যু পর্যন্ত হতে পারে।
#হার্টঅ্যাটাক #হার্টস্বাস্থ্য #বুকব্যথা #হৃদরোগ #জীবনবাঁচান #স্বাস্থ্যসচেতনতা #এমার্জেন্সি