Dr. Juthi Bhowmik

Dr. Juthi Bhowmik MBBS, FCPS (Reproductive Endocrinology and Infertility)
FCPS (Gynae and Obstetrics)
Fertility Specialist, Obstetrician and Laparoscopic Surgeon
(5)

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম বা পিসিওএস একটি হরমোনজনিত অসুখ।বর্তমান বিশ্বের নারীরা যে সমস্যাগুলোতে সবচেয়ে বেশি ভুগে থাকেন,...
24/05/2026

পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম বা পিসিওএস একটি হরমোনজনিত অসুখ।
বর্তমান বিশ্বের নারীরা যে সমস্যাগুলোতে সবচেয়ে বেশি ভুগে থাকেন, তার অন্যতম হচ্ছে পলিসিস্টিক ওভারি সিনড্রোম (পিসিওএস)। গবেষণায় দেখা গিয়েছে, প্রতি ১০ জন নারীর ভেতর অন্তত ১ জন এ রোগে আক্রান্ত। নারীর প্রজনন হরমোনের তারতম্যের কারণে এই রোগ দেখা দেয়।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম কেন হয়?
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের সঠিক কারণ জানা যায় না। কিন্তু চিকিৎসকরা ধারণা করেন, হরমোনের ভারসাম্যহীনতা এবং বংশগত কারণ এ ক্ষেত্রে একটা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। যে নারীদের মা ও বোনের পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোম আছে তাদের এই সমস্যা হওয়ার আশঙ্কা বেশি।নারীদের শরীরে এন্ড্রোজেন হরমোন বেশি মাত্রায় থাকলেও পিসিওএস হতে পারে। বাড়তি এন্ড্রোজেন ডিম্বাশয় থেকে ডিম বের হওয়া এবং এর বৃদ্ধিতে বাধা সৃষ্টি করে। অতিরিক্ত ইনসুলিন উৎপাদনের কারণেও শরীরে এন্ড্রোজেন হরমোন বেড়ে যেতে পারে।

পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমের উপসর্গঃ
পিসিওএসের উপসর্গ শুরু হয় সাধারণত নারীদের মাসিক শুরু হওয়ার পর থেকেই। তবে উপসর্গের ধরন এবং তীব্রতা একেকজনের ক্ষেত্রে একেক রকম হতে পারে। সাধারণ যে উপসর্গ সবার মধ্যে দেখা যায় তা হলো অনিয়মিত মাসিক। অন্যান্য লক্ষণগুলো হলো -
● মুখে, বুকে, পেটে, পেছনে বা পায়ের আঙুলে চুল গজানো
● ব্রন, তৈলাক্ত ত্বক বা খুশকি
● অতিরিক্ত ওজন বেড়ে যাওয়া বা পুরুষদের মতো টেকো ভাব বা চুল পাতলা হয়ে যাওয়া
● ঘাড়, হাত, স্তন বা উরুতে চামড়ায় গাঢ় বাদামি বা কালো দাগ। এটা বগলে বা পায়ের ভাঁজেও হতে পারে।
● স্তনের আকার ছোট হয়ে যাওয়া
● মানসিক চাপ ও দুশ্চিন্তা বেড়ে যাওয়া
● বন্ধ্যাত্ব
● কোলেস্টেরলের মাত্রা বেড়ে যাওয়া
● ডায়াবেটিস

তবে এসব উপসর্গের অনেকগুলোই অনেকের নাও থাকতে পারে।

চিকিৎসা ও প্রতিরোধের উপায়ঃ
পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিনড্রোমে আক্রান্তদের ক্ষেত্রে দেখা যায়, সমস্যাটি তখনই শনাক্ত হয় যখন তিনি সন্তান নেওয়ার চেষ্টা করে অসফল হন। সারা বিশ্বে বন্ধ্যাত্বের জন্য এটাকে সবচেয়ে বেশি দায়ী করা হয়। তবে কারও পিসিওএস থাকা মানে এই নয় যে তিনি কখনোই মা হতে পারবেন না। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার মাধ্যমে তারাও মা হতে পারেন। তবে এক্ষেত্রে কিছুটা সময় লাগতে পারে। কিছু কিছু ক্ষেত্রে চিকিৎসা গ্রহণ ও জীবনযাপনে পরিবর্তনের প্রয়োজন হতে পারে।

যদি কারও কেবল মাসিকের সমস্যা থাকে তবে তাদের জন্য প্রথম চিকিৎসা হলো ওজন কমিয়ে ফেলা। পলিসিস্টিক ওভারিয়ান সিন্ড্রোমে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স হয়ে যায়। এর জন্য হাইপার এন্ড্রোজেনিজম হয়। এন্ড্রোজেন হচ্ছে, পুরুষ হরমোন। মেয়েদের শরীরের যদি পুরুষ হরমোনের পরিমাণ বেড়ে যায়, তখনই দেখা যায় ওজন বাড়তে থাকে, লোম গজাতে থাকে, মাসিক অনিয়মিত হতে থাকে। তখন তাদেরকে ব্যায়ামের পাশাপাশি মেটফরমিন নামের একটি ওষুধ দেওয়া যায়। যেটা তার এন্ড্রোজেনের মাত্রাকে কমিয়ে দেয়। যখনই এন্ড্রোজেনের মাত্রা কমে যায় তখনই এই উপসর্গগুলো ঠিক হয়ে যায়। যদি ঠিক সময়ে নেওয়া হয় তাহলে ডিম্বাণুর পরিপক্বতা ঠিক থাকে, মাসিক নিয়মিত হয়ে যায়।
আর যদি কারও বন্ধ্যাত্বের সমস্যা থাকে তবে তাদের ক্ষেত্রে ল্যাপরোস্কপি করানো হয়। ল্যাপরোস্কপিতে ছোটো ছোটো অনেক সিস্টকে পাংচার (টুকরো) করে দেওয়া যায়। এতে করে ভেতরে যে বাড়তি এন্ড্রোজেন থাকে, সেটি বের হয়ে যায়। এর ফলে হরমোনের ভারাসাম্যহীনতা ঠিক হয়ে গিয়ে মাসিক ঠিক হয়ে যায়। দেখা যায় ল্যাপরোস্কপি করার পর খুব দ্রুতই সন্তান ধারণ সম্ভব হয়।


যেসব দম্পতি বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের মধ্যে একটি সাধারণ চিত্র হলো স্বামী প্রবাসে থাকেন এবং বছরে মাত্র ২-৩ মাস...
23/05/2026

যেসব দম্পতি বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় ভুগছেন, তাঁদের মধ্যে একটি সাধারণ চিত্র হলো স্বামী প্রবাসে থাকেন এবং বছরে মাত্র ২-৩ মাসের জন্য দেশে ফিরে আসেন।
এ ধরনের দম্পতিরা সাধারণত স্বামীর বিদেশ যাত্রার ১৫-২০ দিন বা এক মাস আগে চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে আসেন। তবে, অনেক ক্ষেত্রেই বন্ধ্যাত্বের সঠিক কারণ নির্ণয় করতে কয়েক মাস সময় লেগে যায়।
এরই মধ্যে স্বামী আবার বিদেশে চলে যান, ফলে চিকিৎসা অসম্পূর্ণ থেকে যায় এবং সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা বাধাগ্রস্ত হয়।

তাই, যেসব দম্পতির স্বামী প্রবাসে থাকেন এবং তাঁরা সন্তান নেওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাঁদের প্রতি অনুরোধ থাকবে, যেন স্বামী দেশে আসার কয়েক মাস আগেই একজন বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করেন।
এতে যদি কোনো শারীরিক সমস্যা থাকে, তা আগেভাগে শনাক্ত করে দ্রুত চিকিৎসা শুরু করা সম্ভব হবে।
এবং স্বামী দেশে আসার পরপরই প্রয়োজনীয় চিকিৎসা কার্যক্রম শুরু করা যাবে। এই প্রস্তুতি সন্তান ধারণের পথে জটিলতা দূর করতে সাহায্য করবে
এবং পরিবার পরিকল্পনা আরও সফল হতে পারবে।

#বন্ধ্যাত্বচিকিৎসা #মা_হওয়ার_স্বপ্ন #প্রবাসী

IUI (Intrauterine Insemination): একটি নিরাপদ ও কার্যকর প্রজনন চিকিৎসা পদ্ধতিআপনি কি সন্তানধারণে সমস্যার মুখোমুখি? IUI পদ...
22/05/2026

IUI (Intrauterine Insemination): একটি নিরাপদ ও কার্যকর প্রজনন চিকিৎসা পদ্ধতি

আপনি কি সন্তানধারণে সমস্যার মুখোমুখি? IUI পদ্ধতি হতে পারে আপনার জন্য একটি কার্যকর সমাধান। 👶

IUI প্রক্রিয়ার ধাপসমূহ:
1️⃣ ডিম্বানু পর্যবেক্ষণ (Eggs Tracking):
ডিম্বস্ফোটনের সঠিক সময় নির্ধারণ করা হয়।

2️⃣ ডিম্বানু তৈরি (Egg Making):
ডিম্বাশয়কে উদ্দীপিত করার জন্য ওষুধ বা ইনজেকশন ব্যবহার করা হয়।

3️⃣ শুক্রাণু প্রস্তুতি (S***m Rinsing):
শুক্রাণু ধুয়ে সবচেয়ে সক্রিয় শুক্রাণুগুলো বেছে নেওয়া হয়।

4️⃣ সঞ্চালন (Insemination):
প্রস্তুত শুক্রাণু গর্ভাশয়ে সরাসরি প্রবেশ করানো হয়।

5️⃣ গর্ভধারণ পরীক্ষা (Pregnancy Test):
দুই সপ্তাহ পর সফলতার জন্য গর্ভধারণ পরীক্ষা করা হয়।

কেন IUI পদ্ধতি বেছে নেবেন?
✅ সহজ এবং নিরাপদ।
✅ তুলনামূলকভাবে কম ব্যয়বহুল।
✅ গর্ভধারণের সম্ভাবনা বাড়ায়।

বন্ধ্যাত্বের সমস্যার সমাধানে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন এবং IUI পদ্ধতি সম্পর্কে আরও জানুন।
আপনার জীবনে নতুন আশা যোগ করুক IUI! 🌟

জরায়ুতে ফাইব্রয়েড কেন হয় তা সম্পূর্ণভাবে পরিষ্কার নয়, তবে বিভিন্ন কারণ এবং ফ্যাক্টর রয়েছে যা এর বৃদ্ধি প্রভাবিত করতে পার...
19/05/2026

জরায়ুতে ফাইব্রয়েড কেন হয় তা সম্পূর্ণভাবে পরিষ্কার নয়, তবে বিভিন্ন কারণ এবং ফ্যাক্টর রয়েছে যা এর বৃদ্ধি প্রভাবিত করতে পারে।

জরায়ুতে ফাইব্রয়েড (Uterine Fibroids) একটি সাধারণ নারী রোগ যা জরায়ুর মধ্যে পেশীর টিস্যুর অস্বাভাবিক বৃদ্ধির ফলে সৃষ্টি হয়। ফাইব্রয়েড সাধারণত ক্যান্সার নয়, কিন্তু তারা বিভিন্ন উপসর্গ সৃষ্টি করতে পারে। জরায়ুতে ফাইব্রয়েডের কিছু সাধারণ লক্ষণ নিম্নরূপ:
1. অতিরিক্ত রক্তপাত: মাসিকের সময় খুব বেশি রক্তপাত বা মাসিকের সময় দীর্ঘস্থায়ী রক্তপাত হতে পারে।
2. পেটের নীচে বা কুঁচকির ব্যথা: পেটের নীচে বা কুঁচকিতে চাপ বা ব্যথা অনুভূত হতে পারে।
3. পিঠের নিচে ব্যথা: ফাইব্রয়েডের কারণে পিঠের নিচের অংশে ব্যথা হতে পারে।
4. প্রসবনালীর চাপ: জরায়ুর ফাইব্রয়েডের কারণে প্রসবনালীতে চাপ অনুভব হতে পারে, যা প্রস্রাব করার প্রয়োজন বাড়িয়ে দিতে পারে।
5. প্রসবনালীর জটিলতা: ফাইব্রয়েডের কারণে প্রস্রাব বা মলত্যাগ করতে সমস্যা হতে পারে।
6. পেটের বৃদ্ধি: বড় ফাইব্রয়েডের কারণে পেটের আকার বৃদ্ধি পেতে পারে, যা গর্ভাবস্থার মত দেখাতে পারে।
7. মাসিক চক্রের অনিয়ম: মাসিক চক্রের মধ্যে অনিয়ম হতে পারে, যেমন সময়ের আগেই বা দেরিতে মাসিক শুরু হওয়া।
8. বন্ধ্যত্ব: কিছু ক্ষেত্রে, জরায়ুতে ফাইব্রয়েড বন্ধ্যত্বের কারণ হতে পারে।

যদি এই লক্ষণগুলো দেখা দেয় বা কোনো সমস্যা মনে হয়, তবে একজন চিকিৎসকের সাথে পরামর্শ করা উচিত। জরায়ুতে ফাইব্রয়েডের চিকিৎসা বিভিন্ন হতে পারে, যেমন ওষুধ, শল্যচিকিৎসা বা অন্যান্য চিকিৎসা পদ্ধতি।

আইভিএফ একটি অত্যাধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি, যা প্রাকৃতিকভাবে গর্ভধারণে সমস্যার সম্মুখীন দম্পতিদের জন্য সন্তান লাভের একটি কার্...
13/05/2026

আইভিএফ একটি অত্যাধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি, যা প্রাকৃতিকভাবে গর্ভধারণে সমস্যার সম্মুখীন দম্পতিদের জন্য সন্তান লাভের একটি কার্যকর উপায়। এই প্রক্রিয়ায় স্ত্রীর ডিম্বাণু এবং স্বামীর শুক্রাণু শরীরের বাইরে, পরীক্ষাগারে নিষিক্ত করা হয়। সফল নিষেকের পর সৃষ্ট ভ্রূণটি স্ত্রীর জরায়ুতে স্থানান্তর করা হয়, যাতে সেখানে তা প্রাকৃতিকভাবে বিকাশ লাভ করতে পারে।

আইভিএফ এর সুবিধা:
1. অবাধ্য বন্ধ্যাত্বের সমাধান: যেসব দম্পতি বিভিন্ন কারণে সন্তান ধারণে ব্যর্থ হয়েছেন, তাদের জন্য এটি কার্যকর।
2. অন্য পদ্ধতির তুলনায় উন্নত: প্রাকৃতিক গর্ভধারণে ব্যর্থ হলে বা বারবার গর্ভপাত হলে আইভিএফ একটি নির্ভরযোগ্য পদ্ধতি।
3. বয়সজনিত সমস্যা: বয়স বেশি হলে বা ডিম্বাণুর সংখ্যা ও গুণগত মান কমে গেলে আইভিএফ সাহায্য করতে পারে।
4. জেনেটিক পরীক্ষা: ভবিষ্যৎ সন্তানের জেনেটিক সমস্যার ঝুঁকি থাকলে তা আগেই নির্ণয় করা সম্ভব।

যাদের জন্য আইভিএফ প্রযোজ্য:
• বন্ধ্যাত্বজনিত সমস্যা (পুরুষ বা নারী উভয়ের)।
• ডিম্বাণু নির্গমনের সমস্যা।
• ফ্যালোপিয়ান টিউব ব্লক বা ক্ষতিগ্রস্ত।
• অনির্ধারিত বন্ধ্যাত্ব।

আইভিএফ চিকিৎসা পদ্ধতি প্রতিদিন উন্নত হচ্ছে। চিকিৎসকের পরামর্শে সঠিক সময়ে উদ্যোগ নিলে এটি আপনার পরিবারে নতুন জীবনের আলো নিয়ে আসতে পারে।

উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা এড়ানো প্রয়োজন কারণ এতে মা ও শিশুর জীবনের ঝুঁকি থাকে। এর ফলে প্রি-একলাম্পসিয়া, গর্ভধারণকালী...
11/05/2026

উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা এড়ানো প্রয়োজন কারণ এতে মা ও শিশুর জীবনের ঝুঁকি থাকে। এর ফলে প্রি-একলাম্পসিয়া, গর্ভধারণকালীন ডায়াবেটিস, প্রিম্যাচিউর ডেলিভারি, এবং গর্ভের শিশুর শারীরিক ত্রুটি দেখা দিতে পারে। এছাড়া, মায়ের স্বাস্থ্যের ওপর দীর্ঘমেয়াদী প্রভাবও পড়তে পারে। এসব সমস্যা থেকে সুরক্ষার জন্য উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা এড়ানো জরুরি।

উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা এড়াতে কিছু কার্যকর টিপস হলো:

1. প্রি-কনসেপশন পরামর্শ: গর্ভধারণের আগে একজন চিকিৎসকের সঙ্গে পরামর্শ করা গুরুত্বপূর্ণ। এটি গর্ভাবস্থার সময় শারীরিক অবস্থা এবং যেকোনো ঝুঁকি নির্ধারণে সহায়ক।

2. সন্তুলিত খাদ্য গ্রহণ: পুষ্টিকর খাদ্য গ্রহণ করা গর্ভাবস্থার জন্য অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। সঠিক পুষ্টি গর্ভাবস্থার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক হতে পারে।
3. ওজন নিয়ন্ত্রণ: গর্ভাবস্থার আগে ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখা গুরুত্বপূর্ণ। অতিরিক্ত ওজন বা ওজন কম হওয়া উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থার কারণ হতে পারে।

4. প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন নেওয়া: গর্ভাবস্থার আগে প্রয়োজনীয় ভ্যাকসিন গ্রহণ করলে কিছু সংক্রমণ থেকে সুরক্ষা পাওয়া যায়।

5. স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন: ধূমপান, অ্যালকোহল এবং মাদক থেকে দূরে থাকা উচিত। এগুলো উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থার কারণ হতে পারে।

6. প্রাথমিক স্বাস্থ্য সমস্যাগুলো নিয়ন্ত্রণ: যদি আপনি ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, থাইরয়েড সমস্যা বা অন্য কোনো দীর্ঘস্থায়ী রোগে ভুগে থাকেন, তাহলে গর্ভাবস্থার আগে এসব সমস্যার নিয়ন্ত্রণ করা প্রয়োজন।

7. পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং মানসিক স্বাস্থ্যের যত্ন: গর্ভাবস্থার সময় পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং মানসিক চাপ থেকে মুক্ত থাকা গুরুত্বপূর্ণ। এটি মায়ের এবং শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য ভালো।

8. নিয়মিত চিকিৎসা পরামর্শ: গর্ভাবস্থার সময় নিয়মিত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত। এর মাধ্যমে গর্ভাবস্থার জটিলতা সহজে নির্ধারণ করা সম্ভব।

এই টিপসগুলো মেনে চললে উচ্চ-ঝুঁকিপূর্ণ গর্ভাবস্থা এড়াতে সাহায্য পাওয়া যেতে পারে। তবে প্রতিটি গর্ভাবস্থার ক্ষেত্রে একজন যোগ্য চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

মা হওয়া পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতিগুলোর একটি।একজন চিকিৎসক হিসেবে প্রতিদিন আমি খুব কাছ থেকে দেখি একটি ছোট্ট “মা” ডাক শ...
10/05/2026

মা হওয়া পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর অনুভূতিগুলোর একটি।
একজন চিকিৎসক হিসেবে প্রতিদিন আমি খুব কাছ থেকে দেখি একটি ছোট্ট “মা” ডাক শোনার জন্য কত অসীম অপেক্ষা, কত অশ্রু আর কত প্রার্থনা লুকিয়ে থাকে একজন নারীর হৃদয়ে।
যখন কোনো দম্পতির মুখে দীর্ঘ প্রতীক্ষার পর হাসি ফুটে ওঠে, যখন কোনো নারী প্রথমবারের মতো মাতৃত্বের সুখবর পান সেই আনন্দ আমার নিজের কাছেও ভীষণ আবেগের।
এই মা দিবসে পৃথিবীর সকল মায়েদের জানাই গভীর শ্রদ্ধা ও ভালোবাসা।
আর যারা এখনো মা হওয়ার স্বপ্ন দেখছেন, তাদের বলবো আশা হারাবেন না। চিকিৎসা, বিশ্বাস ও ভালোবাসা অনেক অসম্ভবকেও সম্ভব করে তোলে।
সকলের জীবন মাতৃত্বের ভালোবাসায় পূর্ণ হোক। 🌸

ডা. যূথী ভৌমিক
#মা_দিবস

৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সের মধ্যে নারীদের শরীরে স্বাভাবিকভাবে ঘটে যাওয়া একটি প্রক্রিয়া হলো মেনোপজ। এসময় মাসিক বন্ধ হয়ে যায় এবং ...
09/05/2026

৪৫ থেকে ৫৫ বছর বয়সের মধ্যে নারীদের শরীরে স্বাভাবিকভাবে ঘটে যাওয়া একটি প্রক্রিয়া হলো মেনোপজ। এসময় মাসিক বন্ধ হয়ে যায় এবং শরীরে হরমোন পরিবর্তনের কারণে নানা শারীরিক ও মানসিক পরিবর্তন দেখা দেয়।

🔎 সাধারণ লক্ষণগুলো হলো:
✔️ মাসিক চক্রে পরিবর্তন
✔️ হঠাৎ গরম লাগা (হট ফ্ল্যাশ)
✔️ যোনি শুষ্কতা
✔️ রাতে ঘেমে যাওয়া
✔️ মেজাজে পরিবর্তন

💡 অন্যান্য লক্ষণ:
👉 ঘুমের সমস্যা
👉 ওজন বৃদ্ধি
👉 চুল পাতলা হওয়া ও ত্বক শুষ্ক হওয়া
👉 যৌন আকাঙ্ক্ষা কমে যাওয়া

👩‍⚕️মেনোপজের সাথে মানিয়ে নেওয়ার উপায়:

সুষম খাদ্য গ্রহণ: সুষম খাদ্যগ্রহণ শরীরকে শক্তি দেয় এবং বিভিন্ন লক্ষণের সাথে মোকাবেলা করতে সহায়ক।
ক্যালসিয়াম ও ভিটামিন ডি সমৃদ্ধ খাবার খাওয়া জরুরি।
নিয়মিত ব্যায়াম:

নিয়মিত ব্যায়াম শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের জন্য উপকারী।
এটি ওজন নিয়ন্ত্রণ করতে এবং মুড উন্নত করতে সহায়ক।
হট ফ্ল্যাশ কমানোর উপায়:

হালকা ও সুতির পোশাক পরা।
ক্যাফেইন, অ্যালকোহল এবং মশলাদার খাবার এড়ানো।
মানসিক স্বাস্থ্য রক্ষার জন্য:

যোগব্যায়াম, ধ্যান এবং শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম মানসিক চাপ কমাতে সহায়ক।
প্রয়োজন হলে একজন থেরাপিস্টের সঙ্গে কথা বলা।
পর্যাপ্ত ঘুম:

নিয়মিত ঘুমের রুটিন মেনে চলা।
শোবার ঘরকে আরামদায়ক রাখা এবং ইলেকট্রনিক ডিভাইস এড়ানো।
সামাজিক সংযোগ বজায় রাখা:

বন্ধু এবং পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো।
সমর্থন গ্রুপ বা কমিউনিটিতে যোগ দেওয়া।

পরামর্শ :
হরমোন রিপ্লেসমেন্ট থেরাপি (HRT) এবং অন্যান্য ওষুধ সম্পর্কে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া।
প্রয়োজনীয় পরীক্ষাগুলো করানো এবং চিকিৎসকের সঙ্গে নিয়মিত যোগাযোগ রাখা।

মেনোপজের সময় শরীরের পরিবর্তনগুলি স্বাভাবিক এবং এটি মোকাবেলা করার জন্য বিভিন্ন উপায় রয়েছে। সঠিক পরামর্শ ও পরিচর্যা গ্রহণ করলে এই সময়টি সহজভাবে পার করা সম্ভব।

অনেক সময় নারীরা নিয়মিত পিরিয়ডের অসহনীয় ব্যথা, পেলভিক পেইন কিংবা দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও গর্ভধারণ না হওয়ার সমস্যায় ভোগেন। আম...
06/05/2026

অনেক সময় নারীরা নিয়মিত পিরিয়ডের অসহনীয় ব্যথা, পেলভিক পেইন কিংবা দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও গর্ভধারণ না হওয়ার সমস্যায় ভোগেন। আমরা অনেকেই এই কষ্টকে "স্বাভাবিক" ভেবে অবহেলা করি। কিন্তু বাস্তবে এই কষ্টের পেছনে থাকতে পারে এন্ডোমেট্রিওসিস নামের একটি গুরুতর রোগ।

🔎 গবেষণায় দেখা গেছে, নারীর বন্ধ্যাত্বের অন্যতম প্রধান কারণ হলো এন্ডোমেট্রিওসিস। প্রায় ২৫% থেকে ৫০% নারীর বন্ধ্যাত্বের জন্য দায়ী এই রোগ। অর্থাৎ, প্রতি চারজন থেকে দুইজন নারী বন্ধ্যাত্ব সমস্যায় ভুগছেন কেবলমাত্র এন্ডোমেট্রিওসিসের কারণে।

👉 এন্ডোমেট্রিওসিস কীভাবে প্রভাব ফেলে?

🔰মাসিক চলাকালীন তীব্র ব্যথা
🔰পেলভিক অঞ্চলে স্থায়ী যন্ত্রণা
🔰যৌন সম্পর্কের সময় অস্বস্তি
🔰 দীর্ঘদিন চেষ্টা করেও সন্তান না হওয়া

♻️তাই এ সমস্যাকে কখনোই হালকা ভাবে নেওয়া উচিত নয়।
সঠিক সময়ে রোগ শনাক্তকরণ ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিলে এ রোগ নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব এবং অনেক ক্ষেত্রে সফলভাবে সন্তান লাভ করাও সম্ভব।

#এন্ডোমেট্রিওসিস #নারীরস্বাস্থ্য #বন্ধ্যাত্ব #সন্তানধারণ

অনেক নারী অজান্তেই বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় ভুগে থাকেন। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা না নিলে ভবিষ্যতে গর্ভধারণে জটিলতা দেখা দিতে পারে...
02/05/2026

অনেক নারী অজান্তেই বন্ধ্যাত্বের সমস্যায় ভুগে থাকেন। সময়মতো সঠিক চিকিৎসা না নিলে ভবিষ্যতে গর্ভধারণে জটিলতা দেখা দিতে পারে। নিচের লক্ষণগুলো থাকলে অবশ্যই বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নেওয়া উচিত:

✅ যৌনমিলনের সময় ব্যথা
✅ ঋতুস্রাবের রক্ত গাঢ় বা অস্বাভাবিক ফ্যাকাশে রঙের
✅ হরমোনের ভারসাম্যহীনতা (যেমন ব্রণ, চুল পড়া, ওজন বেড়ে যাওয়া ইত্যাদি)
✅ অনিয়মিত মাসিক চক্র
✅ অতিরিক্ত ভারী, দীর্ঘ সময় ধরে চলা বা ব্যথাযুক্ত পিরিয়ড

👩‍⚕️ সময়মতো সচেতন হোন, সুস্থ থাকুন।

বন্ধ্যাত্ব বিশেষজ্ঞ ও ল্যাপারোস্কপিক সার্জন
🧑‍⚕️ডাঃ যূথী ভৌমিক
এমবিবিএস, এফসিপিএস (রিপ্রোডাক্টিভ এন্ডোক্রিনোলজি অ্যান্ড ইনফার্টিলিটি),
এফসিপিএস (গাইনী এন্ড অবস)
ডিপ্লোমা ইন আই ভি এফ এন্ড রিপ্রোডাক্টিভ মেডিসিন (জার্মানি)
ইন ভিট্রো ফার্টিলাইজেশন (IVF Pregnancy) তে বিশেষ প্রশিক্ষণ প্রাপ্ত
(চেন্নাই, ইন্ডিয়া)
সিনিয়র কনসালটেন্ট,
ল্যাব এইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল,ধানমন্ডি, ঢাকা।
📍 চেম্বারের ঠিকানা:
ল্যাব এইড স্পেশালাইজড হাসপাতাল, ধানমন্ডি।
⏰ সময়:
প্রতিদিন সকাল ১০টা থেকে বিকাল ৬টা পর্যন্ত (শুক্রবার বন্ধ)।
📞 অ্যাপয়েন্টমেন্ট: 10606
িকিৎসা #মাতৃত্বেরস্বপ্ন #বন্ধ্যত্বচিকিৎসা #গর্ভধারণ িকিৎসা #এন্ডোমেট্রিওসিস

শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা!পবিত্র বুদ্ধ পূর্ণিমায় কামনা করি পৃথিবী ভরে উঠুক শান্তি ও সম্প্রীতিতে।মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াক মানবত...
01/05/2026

শুভ বুদ্ধ পূর্ণিমা!
পবিত্র বুদ্ধ পূর্ণিমায় কামনা করি পৃথিবী ভরে উঠুক শান্তি ও সম্প্রীতিতে।
মানুষ মানুষের পাশে দাঁড়াক মানবতার বন্ধনে।
সবাইকে আন্তরিক শুভেচ্ছা।

#বুদ্ধপূর্ণিমা

Address

Dhaka

Telephone

+8801791937405

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Juthi Bhowmik posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share