Dr. Gulzar Hematology Care

Call Directions Website Contact the practice

Dr. Gulzar Hematology Care Dr. Md. Gulzar Hossain
MBBS, MD
Assistant Professor
Department Of Hematology
BSMMU

Dr. Gulzar Hematology Care রক্তরোগ ও রক্তের ক্যান্সার এবং সংশ্লিষ্ট যাবতীয় সমস্যার কারণ ও সমাধান এবং সমাধান বিষয়ক সর্বোচ্চ গ্রহণযোগ্য বৈজ্ঞানিক এবং পরিক্ষিত তথ্য প্রদানের উদ্দেশ্যে বিশেষায়িত একটি প্ল্যাটফর্ম।
রক্ত মানবদেহের জ্বালানি স্বরূপ। তাই রক্তের স্বাভাবিক কার্যক্রমে বিঘ্ন মানবদেহের স্বাভাবিক ক্রিয়ায় গুরুতর প্রভাব ফেলে এবং সক্রিয়তা নষ্ট করে।
প্রত্যেকের উচিত এই বিষয়ে সচেতন হওয়া। আর সেই সচেতনতা তৈরির উদ্দেশ্যেই "Dr. Gulzar Hematology Care" --- The friend of your blood.

ডাঃ মোঃ গুলজার হোসেন
এমবিবিএস(কুমেক), এমডি(হেমাটোলজি, বিএসএমএমইউ)
বিসিএস(স্বাস্থ্য)

রক্তরোগ বিশেষজ্ঞ,
জাতীয় ক্যান্সার গবেষণা ইন্সটিটিউট, মহাখালী, ঢাকা।

কনসালটেন্ট, হেমাটোলজি ও হেমাটো অনকোলজি,
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, উত্তর বাড্ডা শাখা, প্রগতি সরণি, ঢাকা।
For Appointment:
01792402278

কনফারেন্স.......APBMT 2026
02/10/2026

কনফারেন্স.......
APBMT 2026

31st Congress  of APBMT শীর্ষক আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে যোগদানের জন্য আজ রাত দু'টায় ফিলিপাইনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবো। ১ অক...
30/09/2026

31st Congress of APBMT শীর্ষক আন্তর্জাতিক কনফারেন্সে যোগদানের জন্য আজ রাত দু'টায় ফিলিপাইনের উদ্দেশ্যে যাত্রা করবো। ১ অক্টোবর থেকে ৬ অক্টোবর পর্যন্ত ফিলিপাইনে অবস্থান করবো৷ সঙ্গত কারণে এই সময়ে চেম্বার বন্ধ থাকবে। ৭ তারিখ থেকে পুনরায় চেম্বার চালু থাকবে৷

সাময়িক অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দু:খ প্রকাশ করছি। সবার কাছে দোয়া প্রার্থনা করছি।

ডা. গুলজার হোসেন
রক্তরোগ ও রক্তক্যান্সার বিশেষজ্ঞ
সহকারী অধ্যাপক
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয় (পিজি হাসপাতাল)

আজ ইন্ডেপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে পাবলিক হেলথ বিভাগের আয়োজিত একটি সেমিনারে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন ডা: গুলজার হোসেন স...
24/09/2026

আজ ইন্ডেপেন্ডেন্ট ইউনিভার্সিটিতে পাবলিক হেলথ বিভাগের আয়োজিত একটি সেমিনারে অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখবেন ডা: গুলজার হোসেন স্যার৷
স্যার কে অভিনন্দন।

- এডমিন
Dr. Gulzar Hematology care

22/09/2026
21/09/2026

মুক্তা আমার এক ব্লাড ক্যান্সারের রোগী। ব্লাড ক্যান্সার মানে-একেবারে সবচেয়ে ভয়াবহ যেটা, সেইটা - একিউট মায়েলয়েড লিউকেমিয়া।

মুক্তারা অত্যন্ত দরিদ্র। তার স্বামী একজন কাঠমিস্ত্রী। বাড়ি নরসিংদী।
গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে ভর্তি করলাম, নানাভাবে সাহায্য সহযোগীতাও করলাম। মুক্তার স্বামী বাড়িতে তার জায়গার একাংশ বিক্রি করে দিল। তা দিয়ে তার চিকিৎসা হলো।

এখন সে প্রায় সুস্থ। বলা যায় বিপদমুক্ত। ফলো আপ ট্রিটমেন্টে আছে৷ আমার সাথে হোয়াটসঅ্যাপেই গত তিনমাস চিকিৎসা নিয়েছে। তো গত সপ্তাহে বললাম একবার আসো, সরাসরি দেখিয়ে যাও৷

আজ এসেছিলো। সকাল এগারটায় পৌঁছে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে দিয়েছে। পিজি থেকে বেরিয়ে আমার আসতে আসতে পৌনে তিনটা বাজবে। ভাবলো স্যার আসার আগেই লাঞ্চটা সেরে নেওয়া যাক।

দুপুর দেড়টার দিকে তার স্বামী তার জন্য খাবার আনতে গেলো গ্রীনরোডের একটা হোটেল থেকে। ধানমন্ডি ছয় নম্বর গণস্বাস্থ্য হাসপাতাল থেকে বেরুলেই তো গ্রীন রোড। জনাকীর্ণ রাস্তা। ভরদুপুরে রিকশা,গাড়ি আর পথচারীতে মিলে জায়গাটা একদম ঠাসাঠাসি হয়ে থাকে৷ এইসময়ে মুক্তার স্বামীকে ছিনতাইকারী ধরল।

বেচারার সাথে ছিল সতের হাজার টাকা৷ একেবারে তিনমাসের ওষুধ পত্র কিনে নিয়ে যাবে বলে সাথে করে এনেছিলো। টাকাটা সে ধার করে এনেছে।
ছিনতাইকারী হাতে একটুখানি ক্ষুর বা ছুরির পোচও দিয়েছে। হাত কেটে গেছে৷ তবে বড় কিছু হয়নি।

আমি পৌনে তিন্টায় হাসপাতালে পৌছে দেখি মুক্তা অঝোরে কাঁদতেছে। ঘটনার বিবরণ শুনে আমি হতভম্ব। আমি এই পথ দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করি। এই গ্রীন রোডে ভরদুপুরে ছিনতাই! কিভাবে সম্ভব!

জানতে পারলাম গত একমাসে আরো দুজন রোগীর লোক এভাবে ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছে, একই কায়দায়, একই সময়ে, মানে দুপুর বেলা।

মনে হলো, মুক্তার স্বামী আজকে মরেও যেতে পারত। চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতি হয়েছে। ঠিক ঠাক চিকিৎসা দিতে পারলে অনেক সময়ই ক্যানসার ভাল করে ফেলা যাচ্ছে। কিন্তু আমাদের সমাজের যে গভীর অসুখ হয়েছে সেটা ভাল না হলে তো লাভ নাই। হয়ত দেখা যাবে ক্যান্সার জয় করা একজন মানুষ মরে গেলো ছিনতাইকারীর ছুরিতে৷

আহারে জীবন! আহারে বাংলাদেশীদের জীবন!মুক্তা আমার এক ব্লাড ক্যান্সারের রোগী। ব্লাড ক্যান্সার মানে একেবারে সবচেয়ে ভয়াবহ যেটা - একিউট মায়েলয়েড লিউকেমিয়া।

মুক্তারা অত্যন্ত দরিদ্র। তার স্বামী একজন কাঠমিস্ত্রী। বাড়ি নরসিংদী। দরিদ্র বলেই আমার একজন সুহৃদ কলিগ বিশেষ রেফারেন্স দিয়ে আমার কাছে পাঠিয়ে দিয়েছিলেন।

গণস্বাস্থ্য নগর হাসপাতালে ভর্তি করলাম, নানাভাবে সাহায্য সহযোগীতা করলাম। মুক্তার স্বামী বাড়িতে তার জায়গার একাংশ বিক্রি করে দিল। তা দিয়ে তার চিকিৎসা হলো।

এখন সে প্রায় সুস্থ। বলা যায় বিপদমুক্ত। ফলো আপ ট্রিটমেন্টে আছে৷ আমার সাথে হোয়াটসঅ্যাপেই গত তিনমাস চিকিৎসা নিয়েছে। তো গত সপ্তাহে বললাম একবার আসো, সরাসরি দেখিয়ে যাও৷

আজ এসেছিলো। সকাল এগারটায় পৌঁছে পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে দিয়েছে। পিজি থেকে বেরিয়ে আমার আসতে আসতে পৌনে তিনটা বাজবে। ভাবলো স্যার আসার আগেই লাঞ্চটা সেরে নেওয়া যাক।

দুপুর দেড়টার দিকে তার স্বামী তার জন্য খাবার আনতে গেলো গ্রীনরোডের একটা হোটেল থেকে। ধানমন্ডি ছয় নম্বর গণস্বাস্থ্য হাসপাতাল থেকে বেরুলেই তো গ্রীন রোড। জনাকীর্ণ রাস্তা। ভরদুপুরে রিকশা,গাড়ি আর পথচারীতে মিলে জায়গাটা একদম ঠাসাঠাসি হয়ে থাকে৷ এইসময়ে মুক্তার স্বামীকে ছিনতাইকারী ধরল।

বেচারার সাথে ছিল সতের হাজার টাকা৷ একেবারে তিনমাসের ওষুধ পত্র কিনে নিয়ে যাবে বলে সাথে করে এনেছিলো। টাকাটা সে ধার করে এনেছে।
ছিনতাইকারী হাতে একটুখানি ক্ষুর বা ছুরির পোচও দিয়েছে। হাত কেটে গেছে৷ তবে বড় কিছু হয়নি।

আমি পৌনে তিন্টায় হাসপাতালে পৌছে দেখি মুক্তা অঝোরে কাঁদতেছে। ঘটনার বিবরণ শুনে আমি হতভম্ব। আমি এই পথ দিয়ে প্রতিদিন চলাচল করি। এই গ্রীন রোডে ভরদুপুরে ছিনতাই! কিভাবে সম্ভব!

জানতে পারলাম গত একমাসে আরো দুজন রোগীর লোক এভাবে ছিনতাইয়ের শিকার হয়েছে, একই কায়দায়, একই সময়ে, মানে দুপুর বেলা।

মনে হলো, মুক্তার স্বামী আজকে মরেও যেতে পারত। চিকিৎসা বিজ্ঞানের উন্নতি হয়েছে। ঠিক ঠাক চিকিৎসা দিতে পারলে অনেক সময়ই ক্যানসার ভাল করে ফেলা যাচ্ছে। কিন্তু আমাদের সমাজের যে গভীর অসুখ হয়েছে সেটা ভাল না হলে তো লাভ নাই। হয়ত দেখা যাবে ক্যান্সার জয় করা একজন মানুষ মরে গেলো ছিনতাইকারীর ছুরিতে৷

আহারে জীবন! আহারে বাংলাদেশীদের জীবন!

17/09/2026

ডেংগি রোগীর খাবার ও তরল গ্রহণের পরামর্শ:
ডেংগি হলে খাবার নিয়ে অতিরিক্ত ভয় বা কড়াকড়ির প্রয়োজন নেই। স্বাভাবিক নিয়মে পরিমিত ও সহজপাচ্য খাবার খাবেন। অতিরিক্ত কোনো বিশেষ খাবার খাওয়ার প্রয়োজন নেই।
দিনে মোটামুটি ২ লিটার পানি ও অন্যান্য তরল গ্রহণ করা যেতে পারে—যেমন পানি, ডাবের পানি, চিড়ার পানি ও প্রয়োজন অনুযায়ী ওরস্যালাইন।
দোকান থেকে কেনা কৃত্রিম মিষ্টি শরবত ও কোল্ড ড্রিংক্স খাবেন না।
বমি বা খেতে সমস্যা হলে একবারে বেশি না খেয়ে অল্প অল্প করে বারবার তরল পান করুন।
চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী প্রয়োজন হলে স্যালাইন শিরাপথে (IV fluid) দেওয়া যেতে পারে। তবে স্যালাইনের পরিমাণ রোগীর বয়স, ওজন, পানিশূন্যতা, প্রস্রাবের পরিমাণ ও অন্যান্য শারীরিক অবস্থার ওপর নির্ভর করে—তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া নিজে থেকে IV saline দেওয়া উচিত নয়।
প্লেটলেট বাড়ানোর উদ্দেশ্যে পেঁপে, পেঁপে পাতার রস বা অন্য কোন বিশেষ খাবার খাওয়ার প্রয়োজন নেই।
বিশেষ কোন খাবার খেয়ে প্লেটলেট বাড়বে এমন কোন প্রমানিত তথ্য এখন অব্দি আমাদের কাছে নেই।
মনে রাখবেন: ডেংগুতে শুধু প্লেটলেটের সংখ্যা নয়, রোগীর সামগ্রিক অবস্থা, রক্তপাতের লক্ষণ, প্রস্রাবের পরিমাণ ও শরীরে পানিশূন্যতার লক্ষণও গুরুত্বপূর্ণ।

16/09/2026

আমার এক ডেংগি রোগী বিগত বারো ঘন্টায় ১২ পদের ফল খেয়েছেন। সাথে এক প্লেট ভাত ও দুইটা হাঁসের ডিম।
বললাম এর মধ্যে ভাতও খাইছেন?
রোগীর উত্তর " খাইতে পারিনা স্যার। মুখে রুচি নাই। কোন রকমে এক দুই লোকমা কইরা এক প্লেটের মত খাইছি"।
এতগুলা ফল খাইছেন কেন?
আমি খাইতে চাইনাই স্যার৷ আমি খাইতে পারিনা। মুখে রুচি নাই৷ আমারে যাইত্তা ধইরা খাওয়াইসে৷ কইসে এইসব খাইলে প্লাটিলেট বাড়বো৷
এর মধ্যে ডিউটি ডক্টর বলল - স্যার সন্ধ্যায় সুগার মাপছি। সুগার ২৯।
আমি মাথায় হাত দিয়ে বসে পড়ব এর মধ্যে রোগী বলল " স্যার মাগরিবের আগে দুইটা ডাব খাইছি। আর কিছু খাইনাই। খাইতে পারিনা স্যার। মুখে একদম রুচি নাই। খালি তিতা।

16/09/2026

৫ সেপ্টেমবর ছিল বিশ্ব লিম্ফোমা দিবস৷
এ বছর আমার ব্যাক্তিগত চেম্বারে চিকিৎসা করা লিম্ফোমা রোগীর সংখ্যা ১০০ তে পূর্ণ হয়েছে। এটি আমার পেশা জীবনের একটি বিশেষ মাইলফলক। এর মধ্যে আমার তথ্য মতে ৯ জন রোগীকে হারিয়েছি।
এই নয়জনের ৭ জনই ছিলেন ৬৫+ বয়সের। একজন ৬৫ এর নিচে৷ আর একজন ছিল দশ বছরের নিচে৷
কিশোর বয়সী এই একজনকেই আমি চিকিৎসা করেছিলাম। এন্ডি রোজারিও। এন্ডি ছিল আমার সন্তানসম। ওর স্মৃতি আমি কখনো ভুলবোনা। এন্ডি আমার জন্য বড় দিনের কার্ড ও একটি চিঠি দিয়েছিলো। সেটি আমার অফিস ব্যাগে আজো যত্নের সাথে রাখা আছে।
যে ভরসা নিয়ে ওর বাবা মা আমার কাছে এসেছিলো আমি তার প্রতিদান দিতে পারিনি। এই ব্য্র্থতা আমার অনেক সাফল্যের আনন্দকে ফিকে করে দেয়। যখনই নতুন কোন রোগী সুস্থ হয়ে যায় আমার মনে পড়ে এন্ডির কথা। যদি এন্ডিকেও এমন সুস্থ করতে পারতাম!
এ বছর লিম্ফোমা দিবস উপলক্ষে প্রথম আলো আমার একটি লেখা ছাপিয়েছে৷ লেখাটি আমি শেয়ার করছি কমেন্ট ফিল্ডে৷
আপনারা আমার সকল লিম্ফোমার রোগী, যারা সুস্থ হয়েছেন যারা সুস্থতার পথে আছেন, এন্ডির মত যারা আমাকে ছেড়ে গেছেন সবার জন্য দোয়া করবেন।

11/09/2026

এখন কেমন আছেন মাল্টিপল মায়েলোমা জয়ী দুলাল কৃষ্ণ বড়াল? Dr. Md. Gulzar Hossain | Hematology


👨‍⚕️ ডাঃ মোঃ গুলজার হোসেন
MBBS, MD (Hematology)
রক্তরোগ ও রক্ত ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ
সহকারি অধ্যাপক, রক্তরোগ বিভাগ
বাংলাদেশ মেডিকেল ইউনিভার্সিটি (সাবেক পিজি হাসপাতাল), ঢাকা

📍 চেম্বার ঠিকানা:
পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টার, উত্তর বাড্ডা শাখা, প্রগতি সরণি, ঢাকা

📞 সিরিয়াল (৮am–১০pm):
01792402278
01841122215

🛎️ স্বাস্থ্য সচেতনতার জন্য আমাদের চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করুন
👍 ভিডিওটি শেয়ার করুন আরও মানুষের উপকারে।

Address

Dhaka
1212

Opening Hours

Monday 15:00 - 21:00
Tuesday 15:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 21:00
Saturday 15:00 - 21:00
Sunday 15:00 - 17:00

Telephone

+8801841122215

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Gulzar Hematology Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Gulzar Hematology Care:

Shortcuts

Share

Category