Dr. Dewan Shamsul Asif - Neurosurgeon

Call Directions Website Contact the practice

Dr. Dewan Shamsul Asif - Neurosurgeon 17 years of experience in participating in and conducting numerous complex Neurosurgical Procedures,

17 years experience of participating in and conducting numerous complex Neurosurgical Procedures, particularly in Brain & Spinal Tumors, Congenital Brain & Spinal Disorders, Cervical Spondylotic Myelopathy, Pituitary Tumors & Head Injuries. Proficient in the use of endoscopy in neurosurgery with a special interest in Pituitary and Craniopharyngioma Surgery, Endoscopic Skull Base Surgery, Vestibular Schwannomas, Aneurysm Surgery, Eloquent Area Gliomas, Intramedullary Spinal Cord Tumors, Spinal Deformity Surgery (Scoliosis) and similar. Completed FCPS, Neurosurgery in 2013 after attending 5 years long Post graduate training at Dhaka Medical College Hospital (DMCH) and Bangabandhu Sheikh Mujib Medical University (BSMMU). Was honored to assist Dr. M Idris Ali, a renowned Spine Surgeon from Bangladesh. Have published several articles in International journals with presentations of papers on national and international grounds.

14/08/2026

বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা: মৃত্যু-আহত, কর্মশক্তি ও স্বাস্থ্যব্যয়ের উপর প্রভাব.

বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনার সরকারি ও বেসরকারি পরিসংখ্যানের মধ্যে বিরাট ফারাক আছে। ২০১৫ থেকে ২০২২ পর্যন্ত আট বছরের হিসাবে:
-নিরাপদ সড়ক চাই (নিসচা) বলছে ৩২,১৯৫টি দুর্ঘটনায় ৪৩,২২০ জন নিহত ও ৫৪,৩৮১ জন আহত;
-সেভ দ্য রোড বলছে ১,৩০,৫০৯টি দুর্ঘটনায় ৪০,৫২৩ জন নিহত ও ১,৮২,৩০৮ জন আহত;
-যাত্রী কল্যাণ সমিতি সাত বছরে ৪৪,১৭১টি দুর্ঘটনায় ৬১,৬৫৬ জন নিহত ও ১,১২,৭৫৩ জন আহতের কথা বলছে;
-আর রোড সেফটি ফাউন্ডেশন চার বছরে ২১,৬২৮টি দুর্ঘটনায় ২৪,৬৩৯ জন নিহত ও ৩৪,৫৬৫ জন আহতের হিসাব দিচ্ছে।

এই বিভ্রান্তির মূল কারণ হলো, প্রতিটি সংস্থা ভিন্ন পদ্ধতিতে (পত্রিকা রিপোর্ট, পুলিশ কেস, হাসপাতাল রেকর্ড) তথ্য সংগ্রহ করে। এমনকি WHO-র হিসাব অনুযায়ী ২০২১ সালে প্রকৃত মৃত্যু ছিল প্রায় ৩২,০০০ — যেখানে সরকারি পরিসংখ্যান অনেক কম দেখায়; ২০২০-২১ সালে দেশীয় পরিসংখ্যান প্রায় ৪ হাজার আর গ্লোবাল বার্ডেন অব ডিজিজ প্রায় ১১ হাজার মৃত্যুর কথা বলছে।

সাম্প্রতিক দূর্ঘটনার প্রবণতা স্পষ্ট ঊর্ধ্বমুখী: গত বছর ৬,২৭৬ জন কর্মক্ষম বয়সী (১৮-৬৫ বছর) মানুষ সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন, যা মোট মৃত্যুর ৮১.৩৬%। ২০২৫ সালে BRTA-র হিসাবে ৫,৪৯০ জন নিহত হয়েছেন, যা রেকর্ড সর্বোচ্চ, আর ২০১৮ সালে (নিরাপদ সড়ক আন্দোলনের বছর) ছিল ২,৬৩৫ জন — আট বছরে দ্বিগুণেরও বেশি।

রোড সেফটি ফাউন্ডেশনের হিসাবে সংখ্যা আরও বেশি: ২০২৫ সালে ৭,৩৫৯ জন নিহত ও ১৬,৪৭৬ জন আহত হয়েছেন, এবং এর মধ্যে ৫,৭২৩ জন (মোট মৃত্যুর প্রায় ৭৮%) ছিলেন ১৮-৬৫ বছর বয়সী কর্মক্ষম জনগোষ্ঠী।

মৃত্যু কীভাবে কর্মশক্তির ক্ষতি করছে

এখানেই ট্র্যাজেডিটা সবচেয়ে গভীর কারন নিহতদের প্রায় চার-পঞ্চমাংশই কর্মক্ষম বয়সের (১৮-৬৫)। এর মানে দেশ শুধু মানুষ হারাচ্ছে না, উৎপাদনশীল শ্রমশক্তি, পরিবারের একমাত্র উপার্জনক্ষম ব্যক্তি এবং ভবিষ্যৎ কর-রাজস্বও হারাচ্ছে।

শুধু কর্মশক্তি ক্ষতির কারণে বার্ষিক ক্ষতি দাঁড়ায় প্রায় ২৩,৪৬০ কোটি টাকা, আর সম্পদের ক্ষতি যোগ করলে মোট ক্ষতি জিডিপির ১.৫ শতাংশেরও বেশি হতে পারে। এছাড়া, ১৪ বছরের কম ও ৬৫ বছরের বেশি বয়সীদের মিলিত মৃত্যুর হার মোট মৃত্যুর ৪০%, যা আঞ্চলিক গড়ের চেয়ে বেশি, এবং পথচারী ও সাইকেল আরোহীর মতো ঝুঁকিপূর্ণ ব্যবহারকারীরা মোট মৃত্যুর ৩৪%।

আহত (morbidity) ও স্বাস্থ্যসেবা ব্যয়ঃ

মৃত্যুর তুলনায় আহতের সংখ্যা প্রায় দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ — এবং এরাই দীর্ঘমেয়াদী স্বাস্থ্যব্যয়ের প্রকৃত চাপ তৈরি করে (দীর্ঘ সময় হাসপাতালে ভর্তি থাকা, অস্ত্রোপচার, পুনর্বাসন, স্থায়ী প্রতিবন্ধিতা)।

মাথা ও মেরুদণ্ডের আঘাত সড়ক দুর্ঘটনার একটি বড় অংশ, যেখানে চিকিৎসা ব্যয়, আইসিইউ, নিউরো-রিহ্যাবিলিটেশন এবং দীর্ঘমেয়াদী অক্ষমতার কারণে পরোক্ষ ব্যয় (উৎপাদনশীলতা হ্রাস, পারিবারিক যত্নদাতার সময়) অনেক বেশি। মোট অর্থনৈতিক ক্ষতির হিসাবগুলোতে চিকিৎসা ব্যয়কে একটি প্রধান উপাদান হিসেবে ধরা হয়: ২০২৫ সালে আনুমানিক ২৫,৫৫০ কোটি টাকা অর্থনৈতিক ক্ষতি হয়েছে, যার মধ্যে চিকিৎসা ব্যয়, উৎপাদনশীলতা হ্রাস ও সম্পদের ক্ষতি অন্তর্ভুক্ত।

মোট অর্থনৈতিক ক্ষতি:

বিভিন্ন গবেষণায় ভিন্ন সময়ে ভিন্ন অনুমান পাওয়া যায়, কিন্তু সবগুলোই বলছে ক্ষতি বিশাল ও ক্রমবর্ধমান:
- প্রতি বছর ১.২ বিলিয়ন পাউন্ড ক্ষতি, যা জিডিপির ২% এবং দেশের প্রাপ্ত সমুদয় বৈদেশিক সাহায্যের সমান।
- জাতীয় হিসাবে ৪৫০ কোটি টাকা (জিডিপির ১.৬%-এর বেশি) যদিও এটি পুরনো হিসাব।
- ২০২১ সালে মোট অর্থনৈতিক ক্ষতি জিডিপির প্রায় ৫% বলে অনুমান করা হয়েছে।
- WHO-র সাধারণ হিসাবে উন্নয়নশীল দেশগুলোতে সড়ক দুর্ঘটনায় জিডিপির ৩% পর্যন্ত ক্ষতি হতে পারে।

প্রতিরোধ করলে বাংলাদেশ প্রতি বছর কী পরিমাণ লাভবান হতো। এখানেই সবচেয়ে আশাব্যঞ্জক অংশ — ক্ষতি প্রতিরোধযোগ্য এবং তুলনামূলক কম বিনিয়োগেই বড় সাশ্রয় সম্ভব: জিডিপির মাত্র ০.২% (প্রায় ৭৬৮ মিলিয়ন ডলার) বার্ষিক বিনিয়োগ করলে প্রায় ১১,০০০ জীবন বাঁচানো সম্ভব — যেখানে বর্তমান জিডিপি ক্ষতি ৫%, অর্থাৎ বিনিয়োগ-প্রতিদান অনুপাত অত্যন্ত অনুকূল।

যদি প্রতি বছর জিডিপির ৩-৫% (বর্তমান $৫১০ বিলিয়ন জিডিপির ভিত্তিতে আনুমানিক $১৫-২৫ বিলিয়ন বা ১৮,০০০-৩০,০০০ কোটি টাকার বেশি) ক্ষতি বন্ধ করা যেত, তাহলে —
- হাজার হাজার কর্মক্ষম মানুষ শ্রমশক্তিতে থেকে যেতেন (উৎপাদন ও কর-রাজস্ব বৃদ্ধি),
- ট্রমা/নিউরোসার্জারি ও পুনর্বাসন খাতে সরকারি স্বাস্থ্যব্যয়ের একটি বড় অংশ প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা বা অবকাঠামোয় সরানো যেত,
- এই সাশ্রীত অর্থ দিয়ে বছরে একাধিক মেট্রোরেল লাইন বা বড় অবকাঠামো প্রকল্প বাস্তবায়ন সম্ভব হতো (তুলনার জন্য: শুধু ঢাকার যানজটেই বছরে ৩৭,০০০-৫৫,০০০ কোটি টাকা ক্ষতি হয়, যা দুটি মেট্রোরেল লাইন নির্মাণের জন্য যথেষ্ট এবং প্রতি বছর ৫০ লাখ কর্মঘণ্টা নষ্ট হয়)।

গত এক দশকে বাংলাদেশে সড়ক দুর্ঘটনা ক্রমাগত বেড়েছে, মৃত্যু ও আহতের সংখ্যা রেকর্ড ছুঁয়েছে, আর ভুক্তভোগীদের সিংহভাগ কর্মক্ষম বয়সী — ফলে এটি শুধু জনস্বাস্থ্য নয়, একটি সরাসরি সামষ্টিক অর্থনৈতিক সমস্যা। জিডিপির ৩-৫% বার্ষিক ক্ষতির বিপরীতে মাত্র ০.২% বিনিয়োগে হাজার হাজার জীবন ও কোটি কোটি টাকা বাঁচানো সম্ভব — অর্থাৎ প্রতিরোধ একটি অর্থনৈতিকভাবেও অত্যন্ত লাভজনক বিনিয়োগ, শুধু মানবিক দায়বদ্ধতা নয়।

“গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অধীনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বাংলাদেশের সর্বস্তরের জ...
12/06/2026

“গণপ্রজাতন্ত্রী বাংলাদেশ সরকারের স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের অধীনে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর বাংলাদেশের সর্বস্তরের জনসাধারণের স্বাস্থ্য সেবা নিশ্চিতকল্পে কাজ করে যাচ্ছে। স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হাসপাতাল ও ক্লিনিক শাখা বাংলাদেশের সেকেন্ডারী ও টারশিয়ারী লেভেলের সকল সরকারী হাসপাতাল এবং সকল বেসরকারী হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংকসমূহের নিয়ন্ত্রণকারী শাখা। এই শাখা টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা (এসডিজি) সমূহ সামনে রেখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের অন্যান্য শাখা এবং স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রনালয়ের বিভাগসমূহের সাথে সমন্বয়ের মাধ্যমে উল্লেখিত স্বাস্থ্য সেবা প্রদানকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর স্বাস্থ্য সেবার মান নিশ্চিতকরণের লক্ষ্যে কাজ করে যাচ্ছে। এই লক্ষ্যে হাসপাতাল ও ক্লিনিক সমূহ শাখা বাংলাদেশের অভ্যন্তরে অবস্থিত জেলা ও বিভাগীয় স্তরের ১০০ এবং ততোর্ধ্ব শয্যার সরকারী হাসপাতালের সকল ধরনের চাহিদা নিশ্চিত করে থাকে এবং সকল বেসরকারী হাসপাতাল, ক্লিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও ব্লাড ব্যাংক সমূহের লাইসেন্স প্রদান ও লাইসেন্স নবায়ন করে থাকে। এই শাখা ৪র্থ স্বাস্থ্য, জনসংখ্যা ও পুষ্টি সেক্টর কর্মসূচি সফল করার লক্ষ্যে লাইন ডাইরেক্টর, প্রোগ্রাম ম্যানেজার ও ডেপুটি ম্যানেজারদের সমন্বয়ে ‘হসপিটাল সার্ভিস ম্যানেজমেন্ট’ নামক অপারেশনাল প্ল্যান বাস্তবায়নে জোড়ালোভাবে কাজ করে যাচ্ছে।”

এই লেখাটা আছে http://103.247.238.81/hsmdghs/registration/index.php।

তারমানে সরকারি এই সংস্হার অনুমতি ক্রমে সব হাসপাতাল চলে। এদের অনুমতিক্রমে আদ্ দ্বীন হাসপাতাল তাদের তদন্তে প্রকাশিত অনিয়মের মাঝে চিকিৎসা সেবা দান করে আসছে। উনারা নিয়মিত পরিদর্শন করেন এবং লাইসেন্স প্রদান করেন। দায় তাহলে কার? শুধুই কি হাসপাতালের?

ছয়টা শিশুর মৃত‍্যুর কারন যেমন হাসপাতালের অবহেলা তেমনি সমান ভাবে এই নিয়ন্ত্রনকারী সংস্হার দায়বদ্ধতা আছে। নিজের করা অনিয়ম কে শুধুমাত্র হাসপাতালের উপর চাপিয়ে দেওয়া কখনই উচিত না।

সবচেয়ে আশংকার বিষয় হলো বাংলাদেশে হাসপাতাল বানানোর কোন আইন নাই। চিকিৎসা সেবা দান করার জন‍্য চারটি লেভেলের হাসপাতাল আছে
১। লেভেল ১
২। লেভেল ২
৩। লেভেল ৩
৪। লেভেল ৪

ঢাকা শহরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল থেকে বিষেশায়িত হাসপাতাল গুলো সাধারনত লেভেল ২-৪ পর্যন্ত। কিন্তু প্রতিটি লেভেল এর জন‍্য হাসপাতাল তৈরীর নীতিমালা সমান না। কিন্তু আমাদের কোন সুনির্দিষ্ট নীতিমালা না থাকার জন‍্য নিয়ন্ত্রনকারী সংস্হার পকেট ভারী করে এই হাসপাতাল গুলো নিয়মিত অব‍্যবস্হানের মাঝে স্বাস্থ্য সেবা দান করছে। আর সে কারনে এই ছয় শিশুর মতো আরো অনেক ঘটনা ঘটছে। হাসপাতাল অবকাঠামো উন্নয়নের কথা চিকিৎসক রা সবসময়ে বলে আসছে কিন্তু হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ সে ব্যাপারে উদাসীন কারন তাদের নিয়ন্ত্রন কারী সংস্হার সাথে তাদের বিশেষ আদান প্রদানের মাঝে তারা তাদের হাসপাতালের অনুমতি ঠিকই পেয়ে যাচ্ছে। সুতরাং তারা কেন সঠিক চিকিৎসা প্রদানের জন‍্য যে অবকাঠামো করা দরকার তা কেন করবেন। এই অপ্রতুল অবকাঠামোর মাঝে চিকিৎসা প্রদান করার জন‍্যই বেশির ভাগ চিকিৎসা সংক্রান্ত জটিলতা হচ্ছে- যার ফলশ্রুতিতে অনেক মৃত‍্যুও হচ্ছে।
এর দায়ভার কার??
ঢালাও ভাবে বেশির ভাগ ক্ষেত্রে চিকিৎসক এর উপর দিয়ে হাসপাতাল ও নিয়ন্ত্রনকারী সংস্হা পার পেয়ে যাচ্ছে।সমাধান হওয়া জরুরী।

কিছু প্রস্তাবনা —
১। অবিলম্বে সংসদে পাশ করে হাসপাতাল বানানোর অবকাঠামো নীতিমালা প্রণয়ন।
২। নিয়ন্ত্রনকারী সংস্থার জন‍্য প্রয়োজনীয় জনবল নিয়োগ।
৩। তাদের অতীত ও বর্তমান কার্যক্রম অডিট করা।

আমি এই একজন চিকিৎসক হিসাবে আমাদের রোগীদের চিকিৎসা সেবা নিশ্চিত করার লক্ষ্যে সরকারের প্রতি আহবান করবো আপনারা একটু নজর দেন স্হায়ী সমাধানের। কোন হাসপাতাল বন্ধ করার পূর্বে আইন প্রণয়ন করে নিশ্চিত করুন। যারা মানবে না তাদের অবশ্যই বন্ধ শুধু না, আইনের আওয়তায় এনে এর সাথে জড়িত লোক সে হাসপাতালের হোক আর নিয়ন্ত্রণকারী সংস্থার হোক বিচারের আওতায় আনুন।

এদেশের ৫ বিলিয়ন ডলারের অধিক স্বাস্থ্য ক্ষাতে বিদেশে চলে যাচ্ছে পর্যায়ক্রমে তা দেশে থাকার ব‍্যবস্হা করুন। দেশের অর্থনৈতিক ক্ষতির কারন এখানে কোন আইন-নিয়মনীতি না থাকা।

“সবার আগে বাংলাদেশ”- এর বাস্তব রূপ আমরা দেখতে চাই। যার বড়
উদাহরণ আজকাল রাস্তার ট্রাফিক সিগন্যাল আইনের সঠিক প্রয়োগ হওয়ায় আমরা তার সুফল পাচ্ছি। আশাকরি এখানেও পরিবর্তন আসবেই।

অনেকেই আপনারা বাঁকা হাড়ের সেই ছোট ছেলেটির এক্স-রে দেখতে চেয়েছেন। জানতে চেয়েছেন সে দাঁড়াতে পারে কি না। আমি দুটির ছবিই...
19/04/2026

অনেকেই আপনারা বাঁকা হাড়ের সেই ছোট ছেলেটির এক্স-রে দেখতে চেয়েছেন। জানতে চেয়েছেন সে দাঁড়াতে পারে কি না। আমি দুটির ছবিই দিয়ে দিচ্ছি। আলহামদুলিল্লাহ, রোগী এখন স্বাভাবিক জীবনযাপন করতে পারছে।

আলহামদুলিল্লাহ 🌿আবারও একটি সফল বাঁকা মেরুদণ্ড (Scoliosis) অপারেশন সম্পন্ন করতে পেরেছি। ১৩ বছর বয়সী এক কিশোর, যার পিঠের ...
17/04/2026

আলহামদুলিল্লাহ 🌿

আবারও একটি সফল বাঁকা মেরুদণ্ড (Scoliosis) অপারেশন সম্পন্ন করতে পেরেছি। ১৩ বছর বয়সী এক কিশোর, যার পিঠের হাড় ধীরে ধীরে বাঁকা হয়ে যাচ্ছিল। অপারেশনের মাধ্যমে একাধিক স্ক্রু ও রড ব্যবহার করে পিঠের বক্রতা উল্লেখযোগ্যভাবে সোজা করা সম্ভব হয়েছে।

আলহামদুলিল্লাহ, রোগী এখন স্থিতিশীল রয়েছে।

আমরা অনেকেই মনে করি, এ ধরনের জটিল পিঠের অপারেশন শুধুমাত্র বিদেশেই সম্ভব। কিন্তু বাস্তবতা হলো-আমাদের দেশেও এখন বাঁকা মেরুদণ্ডের আধুনিক ও কার্যকর চিকিৎসা সফলভাবে করা হচ্ছে।

তবে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো সচেতনতা। পিঠ বাঁকা হওয়ার লক্ষণ দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের শরণাপন্ন হওয়া জরুরি। কারণ, যত আগে চিকিৎসা শুরু করা যায়, তত ভালো ফলাফল পাওয়া সম্ভব এবং জটিলতা কমানো যায়।

সবার জন্য সুস্থতা কামনা করছি।

🧠 প্রফেসর ড. দেওয়ান শামসুল আসিফFCPS (Neurosurgery)বিশিষ্ট নিউরোসার্জনমস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের নানা জটিল রোগের সঠিক চিকিৎসা...
18/10/2025

🧠 প্রফেসর ড. দেওয়ান শামসুল আসিফ
FCPS (Neurosurgery)
বিশিষ্ট নিউরোসার্জন
মস্তিষ্ক ও মেরুদণ্ডের নানা জটিল রোগের সঠিক চিকিৎসা এখন আর হাতের বাইরে নয়। আধুনিক প্রযুক্তি ও অভিজ্ঞতার সমন্বয়ে প্রফেসর ড. দেওয়ান শামসুল আসিফ, FCPS (Neurosurgery), আপনাকে দিচ্ছেন বিশ্বমানের নিউরোসার্জারি সেবা। তিনি একজন অভিজ্ঞ ও প্রশিক্ষিত নিউরোসার্জন যিনি দীর্ঘদিন ধরে সুনামের সঙ্গে দেশের শীর্ষস্থানীয় হাসপাতালে রোগীদের চিকিৎসা ও সফল অপারেশন করে চলেছেন।
বিশেষ অভিজ্ঞতা ও চিকিৎসাসেবা:
🔹 ব্রেইন টিউমার
🔹 মেরুদণ্ডের হাড় ক্ষয় ও ডিস্ক স্লিপ
🔹 স্পাইনাল কর্ড ইনজুরি
🔹 ব্রেইন হেমোরেজ ও স্ট্রোক
🔹 মেরুদণ্ড বাঁকা হওয়া (Scoliosis)
🔹 জন্মগত নিউরোসার্জিক্যাল সমস্যা
🔹 ট্রাইজেমিনাল নিউরালজিয়া ও অন্যান্য স্নায়ুজনিত ব্যথা
🔹 মস্তিষ্কে পানি জমা (Hydrocephalus)
🔹 নার্ভ চেপে ধরা পিঠ বা ঘাড়ের ব্যথা
এসব সমস্যায় অপারেশন প্রয়োজন হলে অত্যন্ত দক্ষ হাতে এবং আধুনিক পদ্ধতিতে তা সম্পন্ন করা হয়। রোগীর নিরাপত্তা, দ্রুত আরোগ্য এবং দীর্ঘস্থায়ী সমাধান—এই তিনটি বিষয়কে গুরুত্ব দিয়ে চিকিৎসা প্রদান করা হয়।
প্রফেসর ড. দেওয়ান শামসুল আসিফ স্যার ব্যক্তিগতভাবে প্রতিটি রোগীর অবস্থা মনোযোগ সহকারে পর্যালোচনা করেন এবং যথাযথ পরামর্শ দেন। প্রয়োজনে অপারেশনও করা হয় সম্পূর্ণ পেশাদারিত্ব ও যত্নের সাথে।
📍 চেম্বার ঠিকানা:
Anwer Khan Modern Medical College Hospital
Room No: 424, Block – E
ধানমন্ডি ৮, ঢাকা, বাংলাদেশ
📞 সিরিয়ালের জন্য যোগাযোগ:
+880 17 3194 5281
রোগ বা সমস্যাকে অবহেলা না করে এখনই যোগাযোগ করুন একজন অভিজ্ঞ নিউরোসার্জনের সাথে। সঠিক সিদ্ধান্ত আপনার জীবনকে দিতে পারে নতুন গতি।
বিশ্বস্ত চিকিৎসা, সুস্থ জীবন।
আপনার আস্থা, আমাদের দায়িত্ব।

নিউরোসার্জারি — নিখুঁত হাতে, অর্থবহ প্রয়াসে…ব্রেইন থেকে শুরু করে মেরুদণ্ড — প্রতিটি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করে এসেছি দক্ষতা...
16/10/2025

নিউরোসার্জারি — নিখুঁত হাতে, অর্থবহ প্রয়াসে…
ব্রেইন থেকে শুরু করে মেরুদণ্ড — প্রতিটি অস্ত্রোপচার সম্পন্ন করে এসেছি দক্ষতা, একাগ্রতা ও দায়িত্ববোধ নিয়ে। এই দীর্ঘ পথচলায় শুধুমাত্র আপনাদের দোয়া ও মহান আল্লাহ্‌র রহমতেই আজ এ পর্যন্ত আসতে পেরেছি। অনেকেই জানেন না — বাংলাদেশ এখন নিউরোসার্জারিতে পার্শ্ববর্তী অনেক দেশের চেয়েও অনেক এগিয়ে।
ব্রেইন টিউমার অপারেশন, স্পাইনাল ফিক্সেশন, দুর্ঘটনাজনিত মাথা বা মেরুদণ্ডের আঘাত — এখন এসব উন্নত চিকিৎসা বাংলাদেশেই সম্ভব এবং সফলতার হার প্রতিনিয়ত বাড়ছে।
আমাদের এই অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখতে প্রয়োজন আপনাদের আস্থা ও ভরসা। দেশীয় চিকিৎসাব্যবস্থাকে আরও শক্তিশালী করতে হলে আপনাদের সহযোগিতা সবচেয়ে বড় অনুপ্রেরণা।
আপনাদের একটি বিশ্বাস আমাদের হাজারগুণ অনুপ্রাণিত করে।
চলুন, একসাথে গড়ে তুলি এক উন্নত, আত্মনির্ভরশীল বাংলাদেশ।

প্রতি বছর ১৬ই অক্টোবর বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস পালিত হয়— আমাদের মেরুদণ্ডের সুস্থতা ও গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ...
14/10/2025

প্রতি বছর ১৬ই অক্টোবর বিশ্ব মেরুদণ্ড দিবস পালিত হয়— আমাদের মেরুদণ্ডের সুস্থতা ও গুরুত্ব সম্পর্কে সচেতনতা বৃদ্ধির উদ্দেশ্যে। মেরুদণ্ড শুধু শরীরের ভর বহন করে না, এটি আমাদের চলাফেরা, ভারসাম্য ও স্নায়ুতন্ত্রের মূল ভরকেন্দ্র।

আজকের দিনে দ্রুত জীবনযাপন, দীর্ঘ সময় বসে থাকা, ভুল ভঙ্গি এবং অল্প শারীরিক পরিশ্রমের কারণে মেরুদণ্ডজনিত ব্যথা একটি বৈশ্বিক সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে।

এই দিবসের প্রতিপাদ্য “Move Your Spine” আমাদের মনে করিয়ে দেয়— প্রতিদিনের ছোট পরিবর্তন, সঠিক অঙ্গবিন্যাস, নিয়মিত ব্যায়াম ও স্বাস্থ্যকর জীবনধারা মেরুদণ্ডকে রক্ষা করতে পারে।

আসুন, আমরা সবাই সচেতন হই— সুস্থ মেরুদণ্ড, সুস্থ জীবন।

Address

House 17, Road 8, Dhanmondi
Dhaka
1205

Opening Hours

Monday 09:00 - 13:00
19:00 - 21:00
Tuesday 09:00 - 13:00
19:00 - 21:00
Wednesday 09:00 - 13:00
19:00 - 21:00
Thursday 09:00 - 13:00
Saturday 09:00 - 13:00
19:00 - 21:00
Sunday 09:00 - 13:00
19:00 - 21:00

Telephone

+8801711821740

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Dewan Shamsul Asif - Neurosurgeon posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Dewan Shamsul Asif - Neurosurgeon:

Shortcuts

Share

Category