03/06/2026
আপনি কি জানেন, বাংলাদেশে প্রতি বছর আনুমানিক ১৩,০০০+ নারী স্তন ক্যান্সারে আক্রান্ত হন
অনেক ক্ষেত্রেই রোগ ধরা পড়ে স্টেজ ৩ বা ৪-এ.
এর প্রধান কারন সচেতনতার অভাব ও লজ্জা । শুরুতেই ধরা পড়লে স্তন ক্যান্সার সম্পূর্ণ ভালো হওয়ার সম্ভাবনা অনেক বেশি।
তাই সময়মতো চিকিৎসা জীবন বাঁচাতে পারে।
আধুনিক চিকিৎসায় (সার্জারি, কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি)
অনেক নারী সুস্থ জীবন ফিরে পাচ্ছেন। আসুন আজ যেনে নেই স্তন ক্যান্সার সম্পর্কে-কেন হয়? (কারণগুলো কী?)
সব সময় নির্দিষ্ট কারণ জানা যায় না, তবে কিছু বিষয় ঝুঁকি বাড়ায়—
* পরিবারে কারও স্তন ক্যান্সার থাকলে
* বেশি বয়সে সন্তান নেওয়া বা সন্তান না নেওয়া
* দীর্ঘদিন হরমোন ওষুধ খাওয়া
* স্থূলতা (অতিরিক্ত ওজন)
* অনিয়মিত জীবনযাপন
* খুব কম বয়সে মাসিক শুরু হওয়া বা দেরিতে বন্ধ হওয়া
লক্ষণগুলো কী কী?
এই লক্ষণগুলো দেখলে দেরি না করে ডাক্তারের পরামর্শ নিন—
* স্তনে বা বগলে কোনো গিঁট বা শক্ত কিছু অনুভব হওয়া
* স্তনের আকার বা আকৃতির পরিবর্তন
* স্তনের চামড়া কুঁচকে যাওয়া বা লাল হয়ে যাওয়া
* নিপল (বোঁটা) ভেতরের দিকে ঢুকে যাওয়া
* নিপল থেকে রক্ত বা অস্বাভাবিক কিছু বের হওয়া
* স্তনে ব্যথা (সব সময় না হলেও হতে পারে)
কিভাবে প্রতিরোধ করবেন?
সম্পূর্ণ প্রতিরোধ সব সময় সম্ভব না, তবে ঝুঁকি কমানো যায়—
* মাসে একবার নিজে নিজে স্তন পরীক্ষা করুন
* ৪০ বছরের পর নিয়মিত স্ক্রিনিং (ম্যামোগ্রাম) করুন
* স্বাস্থ্যকর খাবার খান, ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখুন
* নিয়মিত ব্যায়াম করুন
* শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান (এটি ঝুঁকি কমায়)
* যেকোনো অস্বাভাবিক পরিবর্তন হলে দ্রুত ডাক্তারের কাছে যান
মনে রাখবেন
👉 যত দ্রুত ধরা পড়বে, চিকিৎসা তত সহজ হবে
👉 ভয় না পেয়ে সচেতন হোন
👉 নিজের যত্ন নিন, অন্যকেও জানাতে সাহায্য করুন