OGSB Hospital

Call Directions Website Contact the practice

OGSB Hospital A Non Profit Organization.
(1)

গর্ভাবস্থায় কতবার চেকআপ করা জরুরি?গর্ভাবস্থায় মা ও শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অ্যান্টেনাটাল চেকআপ (ANC) অত্যন্ত গ...
09/09/2026

গর্ভাবস্থায় কতবার চেকআপ করা জরুরি?

গর্ভাবস্থায় মা ও শিশুর সুস্থতা নিশ্চিত করতে নিয়মিত অ্যান্টেনাটাল চেকআপ (ANC) অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো জটিলতা না থাকলেও নির্ধারিত সময়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া উচিত।

সাধারণভাবে কতবার চেকআপ?

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) সুপারিশ অনুযায়ী, একটি স্বাভাবিক গর্ভাবস্থায় কমপক্ষে ৮টি ANC contact করার পরামর্শ দেওয়া হয়।

🩺 প্রথম চেকআপ:
গর্ভাবস্থার প্রথম ১২ সপ্তাহের মধ্যে — যত দ্রুত সম্ভব।

🩺এরপর সাধারণত—
* ২০ সপ্তাহের মধ্যে
* ২৬ সপ্তাহের মধ্যে
* ৩০ সপ্তাহের মধ্যে
* ৩৪ সপ্তাহের মধ্যে
* ৩৬ সপ্তাহের মধ্যে
* ৩৮ সপ্তাহের মধ্যে
* ৪০ সপ্তাহের মধ্যে

তবে সবার গর্ভাবস্থা এক রকম নয়। মায়ের বয়স, পূর্বের গর্ভাবস্থার ইতিহাস, ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, রক্তস্বল্পতা বা অন্য কোনো ঝুঁকি থাকলে আরও ঘন ঘন চেকআপের প্রয়োজন হতে পারে।

🔍 চেকআপে কী কী দেখা হয়?

চিকিৎসক প্রয়োজন অনুযায়ী—
✅ মায়ের রক্তচাপ ও ওজন পরীক্ষা
✅ শিশুর বৃদ্ধি ও অবস্থান পর্যবেক্ষণ
✅ রক্ত ও প্রস্রাবের প্রয়োজনীয় পরীক্ষা
✅ রক্তস্বল্পতা, ডায়াবেটিস ও অন্যান্য ঝুঁকি মূল্যায়ন
✅ প্রয়োজন অনুযায়ী আল্ট্রাসনোগ্রাম
✅ টিকা, আয়রন-ফলিক অ্যাসিড ও পুষ্টি বিষয়ে পরামর্শ
✅ প্রসবের প্রস্তুতি ও সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্কে পরামর্শ দিতে পারেন।

🚨 কখন নির্ধারিত তারিখের অপেক্ষা করবেন না?

গর্ভাবস্থায় তীব্র পেটব্যথা, অতিরিক্ত রক্তপাত, প্রচণ্ড মাথাব্যথা/দৃষ্টিতে ঝাপসা দেখা, মুখ-হাত-পা হঠাৎ বেশি ফুলে যাওয়া, খিঁচুনি, জ্বর, পানি ভেঙে যাওয়া বা শিশুর নড়াচড়া কমে গেলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

💗 মনে রাখবেন:
নিয়মিত চেকআপ শুধু একটি রুটিন নয়—এটি মা ও শিশুর সম্ভাব্য ঝুঁকি সময়মতো শনাক্ত ও ব্যবস্থাপনা করার একটি গুরুত্বপূর্ণ উপায়।

আপনার ও আপনার অনাগত সন্তানের সুস্থতার জন্য আজই আপনার ANC চেকআপের সময়সূচি চিকিৎসকের সঙ্গে ঠিক করে নিন।

OGSB Hospital & IRCH
মা ও শিশুর সুস্থতায়, যত্ন হোক শুরু থেকেই।

06/09/2026
নবজাতকের জন্মের পর শুধু শিশুটিই নয়—মায়েরও নতুন করে যত্ন প্রয়োজন।একটি সন্তান জন্মের পর সবার মনোযোগ স্বাভাবিকভাবেই চলে যায়...
03/09/2026

নবজাতকের জন্মের পর শুধু শিশুটিই নয়—মায়েরও নতুন করে যত্ন প্রয়োজন।

একটি সন্তান জন্মের পর সবার মনোযোগ স্বাভাবিকভাবেই চলে যায় নবজাতকের দিকে।
“বাচ্চা ঠিকমতো দুধ খাচ্ছে তো?”
“বাচ্চা ঘুমাচ্ছে?”
“ওজন ঠিক আছে তো?”

কিন্তু এই সময়টায় মায়ের শরীর ও মনের ভেতরেও ঘটে যায় অনেক পরিবর্তন।

শারীরিকভাবে যা হতে পারে:
• প্রসবের পর শরীর দুর্বল ও ক্লান্ত লাগতে পারে
• ঘুমের অভাব ও বিশ্রামের ঘাটতি হতে পারে
• প্রসবের পর ব্যথা, অস্বস্তি বা রক্তপাত থাকতে পারে
• বুকের দুধ খাওয়াতে গিয়ে স্তনে ব্যথা বা অস্বস্তি হতে পারে
• ক্ষুধা, তৃষ্ণা ও পুষ্টির প্রয়োজন বেড়ে যেতে পারে
• নিজের শরীরকে আগের মতো মনে নাও হতে পারে

মানসিকভাবেও এই সময়টি কঠিন হতে পারে।

হরমোনের পরিবর্তন, ঘুমের অভাব, শারীরিক ক্লান্তি এবং শিশুর দায়িত্ব—সব মিলিয়ে মা কখনো অকারণে কাঁদতে পারেন, মন খারাপ থাকতে পারে, অস্থিরতা বা উদ্বেগ অনুভব করতে পারেন।

কখনো কখনো তিনি মনে করতে পারেন—
“আমি কি ভালো মা হতে পারছি?”
“আমি এত ক্লান্ত কেন?”
“আমার নিজের জন্য একটু সময় কি চাইতে পারি?”

হ্যাঁ, তিনি চাইতে পারেন।
এবং তাঁর এই প্রয়োজনকে গুরুত্ব দেওয়া উচিত। 💙

পরিবারের কী করা উচিত?

১. মাকে বিশ্রামের সুযোগ দিন
শিশু যখন ঘুমায়, তখন মাকেও বিশ্রাম নিতে উৎসাহ দিন। পরিবারের অন্য সদস্যরা শিশুর কিছু দায়িত্ব ভাগ করে নিতে পারেন।

২. ঘরের কাজের চাপ কমিয়ে দিন
নতুন মায়ের কাছ থেকে আগের মতো সব ঘরের কাজ আশা করবেন না। এই সময় তাঁর প্রধান কাজ হলো নিজের সুস্থতা ও শিশুর যত্ন।

৩. পুষ্টিকর খাবার ও পর্যাপ্ত পানি নিশ্চিত করুন
প্রসবের পর মায়ের শরীরের পুনরুদ্ধার এবং বুকের দুধ খাওয়ানোর জন্য পর্যাপ্ত পুষ্টি ও তরল প্রয়োজন।

৪. তাঁর কথা শুনুন
সব সমস্যার সমাধান দেওয়ার প্রয়োজন নেই। অনেক সময় শুধু পাশে বসে বলা—
“তুমি একা নও, আমরা আছি।”
—এটুকুই অনেক বড় support হতে পারে। 🤍

৫. তাঁকে একা সবকিছু সামলাতে দেবেন না
শিশুকে কোলে নেওয়া, diaper change, ঘুম পাড়ানো বা অন্যান্য ছোট ছোট কাজে পরিবারের সদস্যরা সাহায্য করতে পারেন।

৬. তাঁর অনুভূতিকে ছোট করবেন না
“সব মায়েরই এমন হয়”, “এত চিন্তা করছ কেন?”—এ ধরনের কথা না বলে তাঁর অনুভূতিকে গুরুত্ব দিন।

৭. প্রয়োজন হলে চিকিৎসকের সাহায্য নিন
মায়ের দীর্ঘস্থায়ী মন খারাপ, অতিরিক্ত উদ্বেগ, নিজের বা শিশুর যত্ন নিতে অসুবিধা, অথবা নিজের ক্ষতি করার চিন্তা হলে বিষয়টি অবহেলা না করে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।

💙 মনে রাখুন—

নবজাতকের যত্ন মানে শুধু শিশুর যত্ন নয়।
মায়ের যত্নও তারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

একজন মা যখন শারীরিকভাবে সুস্থ, মানসিকভাবে নিরাপদ এবং পরিবারের ভালোবাসা ও সহযোগিতা পান—তখন তিনি নিজের এবং তাঁর শিশুর যত্ন আরও ভালোভাবে নিতে পারেন।

তাই আজ শুধু জিজ্ঞেস করুন—
“বাচ্চা কেমন আছে?” নয়,
“মা, তুমি কেমন আছো?” 💙

মায়ের সুস্থতাও একটি newborn-এর সুস্থতার অংশ।

ঢাকার এই অসহনীয় গরম ও লোডশেডিংয়ে গর্ভবতী মায়েরা আরও বেশি ঝুঁকিতে থাকতে পারেন।অতিরিক্ত গরমে পানিশূন্যতা, মাথা ঘোরা, দুর্ব...
23/08/2026

ঢাকার এই অসহনীয় গরম ও লোডশেডিংয়ে গর্ভবতী মায়েরা আরও বেশি ঝুঁকিতে থাকতে পারেন।
অতিরিক্ত গরমে পানিশূন্যতা, মাথা ঘোরা, দুর্বলতা ও Heat Exhaustion হতে পারে। তাই নিজের ও অনাগত শিশুর নিরাপত্তায় একটু বেশি সতর্ক থাকুন।

💧 কী করবেন?

✅ বারবার পানি পান করুন — তৃষ্ণা লাগার অপেক্ষা করবেন না।
প্রয়োজনে বাইরে বের হলে সঙ্গে পানির বোতল রাখুন।

✅ ঠান্ডা ও বাতাস চলাচল করে এমন জায়গায় থাকুন।
লোডশেডিং হলে সম্ভব হলে দিনের সবচেয়ে গরম সময়ে তুলনামূলক ঠান্ডা জায়গায় যান।

✅ পাতলা, ঢিলেঢালা ও হালকা রঙের পোশাক পরুন।

✅ ঠান্ডা পানিতে গোসল করুন বা ভেজা কাপড় দিয়ে শরীর মুছে নিন।

✅ দুপুরের তীব্র রোদ এড়িয়ে চলুন।
জরুরি প্রয়োজনে বাইরে গেলে ছাতা/টুপি ব্যবহার করুন এবং ছায়ায় থাকার চেষ্টা করুন।

✅ বিশ্রাম নিন।
অতিরিক্ত হাঁটা, ভারী কাজ ও কষ্টকর ব্যায়াম এই সময়ে এড়িয়ে চলুন।

✅ হালকা ও সহজপাচ্য খাবার খান এবং ফলমূল/পানিসমৃদ্ধ খাবার খাদ্যতালিকায় রাখুন।

🚫 কী এড়িয়ে চলবেন?

❌ প্রচণ্ড রোদে দীর্ঘক্ষণ থাকা
❌ অতিরিক্ত শারীরিক পরিশ্রম
❌ পানি না খেয়ে থাকা
❌ অতিরিক্ত চা/কফি ও খুব বেশি চিনিযুক্ত পানীয়
❌ খুব আঁটসাঁট বা ভারী পোশাক
❌ নিজের ইচ্ছায় কোনো ওষুধ বা স্যালাইন শুরু করা
❌ “এটা শুধু গরমের জন্য” ভেবে গুরুতর উপসর্গ উপেক্ষা করা

আপনার চিকিৎসক যদি পানি/তরল গ্রহণে কোনো বিশেষ নির্দেশনা দিয়ে থাকেন, সেটিই অনুসরণ করুন।

🚨 এই Danger Signs একদমই উপেক্ষা করবেন না!

গরমের মধ্যে নিচের যেকোনো একটি হলে দ্রুত চিকিৎসকের সঙ্গে যোগাযোগ করুন/হাসপাতালে যান:

🔴 বাচ্চার নড়াচড়া স্বাভাবিকের তুলনায় কমে যাওয়া বা বন্ধ মনে হওয়া

🔴 যোনিপথে রক্তপাত

🔴 যোনিপথ দিয়ে পানি/তরল বের হওয়া

🔴 নিয়মিত বা তীব্র পেটব্যথা/কনট্রাকশন

🔴 তীব্র মাথাব্যথা, চোখে ঝাপসা দেখা বা দৃষ্টির পরিবর্তন

🔴 অতিরিক্ত মাথা ঘোরা, দুর্বলতা বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া

🔴 শ্বাসকষ্ট, বুক ধড়ফড় বা বুকব্যথা

🔴 বারবার বমি হয়ে পানি ধরে রাখতে না পারা

🔴 অস্বাভাবিক বেশি জ্বর বা শরীর খুব গরম হয়ে যাওয়া

🔴 বিভ্রান্তি, অস্বাভাবিক আচরণ, খিঁচুনি বা অজ্ঞান হয়ে যাওয়া — এগুলো Heatstroke-এর জরুরি লক্ষণ হতে পারে।

❤️ মনে রাখবেন:

গর্ভাবস্থায় “সহ্য করে থাকব” নয়—অস্বাভাবিক কোনো উপসর্গ হলে দ্রুত চিকিৎসা নিন।

☀️ এই গরমে নিজে নিরাপদ থাকুন, অন্য একজন গর্ভবতী মাকেও সতর্ক করুন।

OGSB Hospital & IRCH

৫ মিনিট পড়তে বসলেই বিরক্ত হয়ে যায়, কিন্তু ১ ঘণ্টা গেম খেলতে পারে?”এর পেছনে কি শুধু অলসতা আছে?আজকের শিশুরা খুব ছোট বয়স থে...
13/08/2026

৫ মিনিট পড়তে বসলেই বিরক্ত হয়ে যায়, কিন্তু ১ ঘণ্টা গেম খেলতে পারে?”
এর পেছনে কি শুধু অলসতা আছে?

আজকের শিশুরা খুব ছোট বয়স থেকেই মোবাইল, গেম, YouTube, short videos এবং নানা ধরনের digital stimulation-এর মধ্যে বড় হচ্ছে।

একটি ভিডিও শেষ হওয়ার আগেই আরেকটি ভিডিও, এক গেমের পর আরেক গেম, একের পর এক নতুন শব্দ, ছবি ও notification—শিশুর মস্তিষ্ক যেন সবসময় নতুন কিছু পাওয়ার অপেক্ষায় থাকে।

সমস্যা শুধু কতক্ষণ screen দেখছে—তা নয়।
প্রশ্ন হলো, screen time-এর কারণে সে আর কী কী হারাচ্ছে?

⚠️ অতিরিক্ত screen time যখন অন্য গুরুত্বপূর্ণ কাজের জায়গা দখল করে নেয়—

📱 মনোযোগ ধরে রাখা কঠিন হতে পারে
দীর্ঘসময় দ্রুত পরিবর্তনশীল content দেখার অভ্যাসের কারণে ধীরগতির কাজ—যেমন বই পড়া, পড়াশোনা বা puzzle করা—শিশুর কাছে বিরক্তিকর মনে হতে পারে।

😴 ঘুমের রুটিন নষ্ট হতে পারে
বিশেষ করে রাতে screen ব্যবহার ঘুমের সময় পিছিয়ে দিতে পারে এবং ঘুমের মানে প্রভাব ফেলতে পারে।

🏃‍♀️ খেলাধুলা ও শারীরিক activity কমে যেতে পারে
স্ক্রিনের সামনে বসে থাকা যেন দৌড়ঝাঁপ, outdoor play ও সক্রিয় সময়কে প্রতিস্থাপন না করে।

🧸 সৃজনশীল ও স্বাধীন খেলা কমে যেতে পারে
খেলনা দিয়ে নিজের মতো গল্প বানানো, আঁকা, বই পড়া, puzzle করা বা কল্পনার জগতে খেলা—এসব শিশুর বিকাশের গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

👨‍👩‍👧 পরিবারের সঙ্গে interaction কমে যেতে পারে
শিশুর ভাষা, সামাজিক দক্ষতা ও emotional development-এর জন্য বাবা-মায়ের সঙ্গে কথা বলা, গল্প করা এবং একসঙ্গে সময় কাটানো গুরুত্বপূর্ণ।

তাহলে কি মোবাইল একেবারেই দেওয়া যাবে না?

না।

প্রযুক্তি নিজে শত্রু নয়।
শিশুর বয়স, প্রয়োজন, content-এর ধরন এবং screen কীভাবে ব্যবহার করছে—সবকিছু গুরুত্বপূর্ণ।

মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত:

Screen যেন শিশুর জীবনকে নিয়ন্ত্রণ না করে—বরং জীবনের একটি ছোট অংশ হয়ে থাকে।
💡 বাবা-মা কী করতে পারেন?

১. “মোবাইল বন্ধ করো!” বলার বদলে নিয়ম তৈরি করুন।
আগেই ঠিক করুন—কখন screen ব্যবহার করা যাবে এবং কখন নয়।

২. ঘুমের আগে screen-free সময় রাখুন।

৩. খাবারের সময় ফোন নয়।

৪. প্রতিদিন screen-এর পাশাপাশি active play রাখুন। ⚽

৫. শুধু screen কেড়ে নেবেন না—বিকল্প দিন।
# বই
# puzzle
# drawing
# pretend play
# outdoor games

৬. শিশুর সঙ্গে বসে content দেখুন এবং কথা বলুন।
শিশু কী দেখছে, কী শিখছে এবং কী অনুভব করছে—সেটা জানুন।

৭. বাবা-মাও নিজের screen habit-এর দিকে তাকান।
শিশুরা শুধু আমাদের কথা শোনে না—আমাদের দেখে শেখে।

❤️ সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথা

আপনার সন্তান যদি পড়াশোনায় মনোযোগ দিতে না চায়, সবসময় অস্থির থাকে বা বইয়ের চেয়ে ফোনকে বেশি পছন্দ করে—

তাকে সঙ্গে সঙ্গে “অলস” বা “অমনোযোগী” বলে label করবেন না।

প্রথমে দেখুন তার—

ঘুম কেমন?
খেলাধুলা কতটা হচ্ছে?
screen time কতটা?
কী ধরনের content দেখছে?
পরিবারের সঙ্গে সময় কাটছে কতটা?
এবং কোনো emotional বা learning difficulty আছে কি না।

কারণ প্রতিটি শিশুর আচরণের পেছনে একটি কারণ থাকতে পারে।

আর যদি মনোযোগ, আচরণ, ঘুম বা শেখার সমস্যা দীর্ঘদিন ধরে থাকে এবং দৈনন্দিন জীবন বা পড়াশোনায় প্রভাব ফেলে, তাহলে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের সঙ্গে পরামর্শ করা ভালো।

🌱 শিশুকে শুধু screen থেকে দূরে রাখাই লক্ষ্য নয়—
তার জন্য একটি balanced childhood তৈরি করাই লক্ষ্য।

Address

Plot No 6/1 Section 17 (old 13) Mirpur
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when OGSB Hospital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to OGSB Hospital:

Shortcuts

Share

Category