ডক্টরস ডায়েরী - Doctors' Diary

ডক্টরস ডায়েরী - Doctors' Diary ডাক্তারদের জীবনের গল্প... অভিজ্ঞতার ঝুড়ি আর ভালো লেখার প্রচার- এই নিয়েই আমরা "ডক্টরস ডায়েরী"

মেডিকেলে ভর্তি হওয়ার পর দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে বহু চড়াই- উতরাই পেরিয়ে আপনি নামের আগে ডাক্তার কথাটি লিখতে পারবেন । সেখানে আইটেম, কার্ড, টার্ম, প্রফ এর মত হাজার হাজার পরীক্ষা এর চাপে অতিষ্ঠ জীবনের মাঝেও ঘটে মজার কিছু ঘটনা । ইন্টার্নি বা ডাক্তারি জীবনেও ঘটে মজার মজার অনেক ঘটনা । সেসব নিয়েই আমাদের এ আয়োজন...

ধন্যবাদ সাথে থাকার জন্য....

খুব কষ্ট লাগতেছে 🥲🥲এই যে ধরে আছি, এইটা পায়ের উরুতে ৭-৮ kg ওজনের একটা tumour. Osteosarcoma বাচ্চাটার বয়স ১৩-১৪ বছর। মেয়ে ...
09/09/2026

খুব কষ্ট লাগতেছে 🥲🥲
এই যে ধরে আছি, এইটা পায়ের উরুতে ৭-৮ kg ওজনের একটা tumour. Osteosarcoma
বাচ্চাটার বয়স ১৩-১৪ বছর। মেয়ে বাচ্চা খুব মিষ্টি চেহারা।
OT তে নেওয়ার আগে আমাকে খুব আকুতি জানাচ্ছিলো তাকে যেন পানি দেই, আমাদের assumption ছিলো মেয়েটার ফিরে আসার সম্ভাবনা খুবই কম। তাই শেষ ইচ্ছা হিসেবে তাকে ১০ml পানি মুখে তুলে দেই। এরপর কি বাচ্চাটার কপালে আর কিছুই ঝুঠেছিলো এই পৃথিবীর?

আসুন পুরো গল্পটা বলি,মা বাবার খামখেয়ালিতে কিভাবে ঝরে গেলো তাজা এই প্রাণটি?
আরো এক বছর আগে সম্ভবত আসছিলো মেডিকেলে, tumour টা নিয়ে। তখন খুব ই ছোট ছিলো tumour টা।
ডাক্তাররা জানিয়েছিলেন টিউমারটা ছড়ানোর আগেই পা টা ফেলে দিলে বাচ্চাটা বেঁচে যেত।

কিন্তু বাপ মা বাড়ি নিয়ে গিয়ে হোমিওপ্যাথি, কবিরাজি এইসেই করে, বাটপারদের কথা শুনে চিকিৎসা করিয়ে
৫০-১০০ গ্রামের tumour টাকে ৭-৮ kg ওজনের বানালো এবং ফুসফুস, লিভারে ছড়িয়ে পড়লো।

আমরা যখন অপারেশন শুরু করলাম, তার আগেই tumour ফেঁটে পিঙ্কি দিয়ে রক্ত বের হচ্ছিলো, সেটাই টেকানোর ব্যর্থ চেষ্টা আমি করতেছিলাম 🥲🥲

আমরা অপারেশন করলাম,তার আগেই বাচ্চাটার প্রচুর রক্তকরণ হলো। ICU তে নেওয়া হলো। দুইদিন মরণপণ যুদ্ধ করলো।
পরের দিন দেখতে গেলাম ICU তে চোখের ইশারায় intubated অবস্থায় আমাকে বললো সে ভালো আছে।
Parameter গুলিও ভালো দেখাচ্ছি, ভাবছিলাম অন্তত আরো কয়েকদিন বেঁচে থাকবে।

কিন্তু আজ জানলাম বাচ্চাটা না ফেরার পথে পাড়ি দিয়েছে।🥲🥲
আল্লাহ অবুঝ বাচ্চাটাকে জান্নাতের পাখি বানিয়ে দাও।

©ডা: হাবিবুর রহমান সোহাগ

হাসপাতালে প্রতারণার ইউনিক আইডিয়া। পোস্টটি পুরোটা পড়বেন ধরুন আপনি বেকার। কিন্তু কিছু করে খেতে চান। তাহলে আপনি ৫০০০ টাকা...
09/09/2026

হাসপাতালে প্রতারণার ইউনিক আইডিয়া। পোস্টটি পুরোটা পড়বেন

ধরুন আপনি বেকার। কিন্তু কিছু করে খেতে চান। তাহলে আপনি ৫০০০ টাকা দিয়ে একটা হুইলচেয়ার কিনতে পারেন।

এরপর সেই হুইলচেয়ার নিয়ে ঢাকার যেকোনো একটা সরকারী হাসপাতালে চলে যাবেন। সারাদেশ থেকে রোগীরা আসবে।

যেসব রোগীরা হাটতে পারে না বা বেশি অসুস্থ,তাদের তো হুইলচেয়ার লাগবে। আপনি হুইলচেয়ার এগিয়ে দিবেন। এবং চেয়ারপ্রতি ৩০০-৫০০ টাকা দাবী করবেন।

রোগীর লোকও ঐসময়ে নিরুপায় হয়ে হুইল চেয়ার নিতে বাধ্য হবে। এভাবেই দিনে ৩০ জন রোগীর থেকে ৩০০ করে নিলেও ৯০০০ টাকা। মাসে ২,৭০,০০০ টাকা।

২০০ করে নিলেও মাসে ১লাখ ৮০ হাজার ইনকাম।
১০০ করে নিলেও ১ লাখ মতো ইনকাম।

কি দারুন প্রফিট !!

নিচের এই মহিলা এই ব্যবসা চালাচ্ছিলো ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে। কিন্তু গতকাল পরিচালকের কাছে ধরা খেয়ে যায় বেচারি।

অথচ হাসপাতালের প্রাণ
জুনিয়র ইন্টার্ন এর বেতন ২০ হাজার
ট্রেইনী ডাক্তার এর বেতন ৩৫হাজারা।

একজন সিনিয়র সরকারি ডাক্তার (প্রফেসর) এর বেতন ৭০,০০০মতো। ঐ পর্যায়ে যাইতে ৪০-৫০ বছর বয়স হওয়া লাগে।

অথচ একটা হুইলচেয়ার দিয়েই উনি একজন প্রফেসর এর থেকে ৪গুণের বেশি ইনকাম করতেছে।

তাইলে এতো কষ্ট করে পড়ালেখা করবে মানুষজন?? এতো সহজে ইনকাম করা গেলে এরকম অসাধু পথ অবলম্বন করবে না কেনো ?? কারণ জাতি হিসেবে তো আমরা বাঙালি 🙏🙂

©ডাঃ মেহেদী হাসান সাগর

💝 একজন রুগীর মৃত্যুর পর হাসপাতালের কাহিনী "আজকে আমার দাদাকে মেডিকেলে ভর্তি করিয়েছি। ভর্তি ফি মাত্র ৩০ টাকা। কিন্তু ইমার্...
09/09/2026

💝 একজন রুগীর মৃত্যুর পর হাসপাতালের কাহিনী

"আজকে আমার দাদাকে মেডিকেলে ভর্তি করিয়েছি। ভর্তি ফি মাত্র ৩০ টাকা। কিন্তু ইমার্জেন্সি থেকে দ্বিতীয় তলার CCU-তে নেওয়ার জন্য ট্রলির ভাড়া চাওয়া হলো ২০০ টাকা। ১০০ টাকা দিতে চাইলে তিনি নিতে রাজি হলেন না। রাগ করে চলে গিয়ে বললেন, “টাকা লাগবে না।” প্রায় ২০ মিনিট পর আবার এসে ১০০ টাকা নিয়ে গেলেন।

এরপর দাদাকে ক্যাথেটার পরানোর প্রয়োজন হয়। ক্যাথেটার পরানোর পর ২০০ টাকা চাওয়া হলো। আমি ১০০ টাকা দিয়ে বললাম, “ভাই, ওষুধ কিনতে কিনতেই আমাদের সব টাকা শেষ হয়ে গেছে। আপনি আপাতত ১০০ টাকা নেন।” তিনি রাগ করে টাকাটা নিলেন এবং পাশে থাকা আরেকজন স্টাফকে উদ্দেশ্য করে বললেন, “এসব কাজ করানোর জন্য আমাকে আর ডাকবি না।”

এরপর পাশের স্টাফও রাগ করে বলে উঠলেন, “তোরা কেউ আর ওই রোগীর কাছে যাবি না।”

অথচ ক্যাথেটার পরানোর মতো একটি কাজ করতে সর্বোচ্চ পাঁচ মিনিটের মতো সময় লাগার কথা। এর কিছুক্ষণ পর আরেকজন এসে ব্লাডের স্যাম্পল সংগ্রহ করে নিয়ে গেলেন এবং এর জন্যও ১০০ টাকা নিলেন।

একজন অসুস্থ মানুষকে নিয়ে হাসপাতালে আসার পর চিকিৎসা ও ওষুধের খরচের পাশাপাশি এ ধরনের অতিরিক্ত খরচ ও আচরণের মুখোমুখি হওয়া সত্যিই খুব কষ্টদায়ক। রোগীর স্বজন যখন মানসিকভাবে বিপর্যস্ত এবং চিকিৎসার খরচ জোগাতেই হিমশিম খাচ্ছেন, তখন অন্তত মানবিকতা ও সহানুভূতিশীল আচরণটুকু প্রত্যাশা করা কি খুব বেশি কিছু?

তবে এর বিপরীতে ডাক্তারদের আচরণ ও দায়িত্বশীলতা আমাকে সত্যিই মুগ্ধ করেছে। কোনো সমস্যার কথা জানানো মাত্রই ডাক্তাররা দ্রুত এসে রোগী দেখে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিচ্ছেন। তাঁদের ব্যবহারও অত্যন্ত মার্জিত ও আন্তরিক।

দেশের আনাচে-কানাচে যেন সব জায়গাতেই কোনো না কোনো সিন্ডিকেট। আর আমরা সাধারণ মানুষ—সবার খোরাক।

এই দেশে জন্মই আমার আজন্ম পাপ।

________________

যাকে নিয়ে আগের পোস্টটি করেছিলাম, অত্যন্ত দুঃখের সঙ্গে জানাচ্ছি—তিনি আর আমাদের মাঝে নেই। ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাইহি রাজিউন।

তবে আজ লিখছি তাঁর মৃত্যুর পর আমাদের যে যে সিন্ডিকেটের শিকার হতে হয়েছে, সেই কথাগুলো। একজন মানুষকে হারানোর শোক সামলানোর আগেই কীভাবে নানা ধরনের হয়রানি ও অতিরিক্ত অর্থ দাবির মুখোমুখি হতে হয়েছে, সেটিই তুলে ধরছি।

মৃত্যুর পরের ঘটনা

রোগীর পালস রেট যখন শূন্যে নেমে আসে, তখন আমি দ্রুত ডাক্তারের কাছে ছুটে যাই। ডাক্তার বললেন, “আমরা সর্বোচ্চ চিকিৎসা দিয়েছি, বাকিটা আল্লাহর ইচ্ছা।” এর পরপরই একজন ডাক্তার এসে শেষবারের মতো ECG করেন এবং নিশ্চিত করেন যে রোগী মারা গেছেন।

এরপর শুরু হলো আরেক ধরনের ভোগান্তি।

ভর্তির কাগজটি খুঁজে পাচ্ছিলাম না। দেখি, একজন ওয়ার্ড বয় কাগজটি নিয়ে ডাক্তারের কাছে যাচ্ছেন ডেথ সার্টিফিকেট লেখানোর জন্য। আমিও তাঁর পেছনে যাই।

ডাক্তারের কক্ষে ঢোকার পর ওই ব্যক্তি আমাকে বলেন, “এখানে তোমার কোনো কাজ নেই, তুমি চলে যাও। যা যা করার, আমরা করছি।”

আমি তাঁকে বললাম, “রোগী মারা যাওয়ার আগে ভর্তির কাগজ নিয়ে আমি অন্তত ২০–৩০ বার ডাক্তার ও নার্সদের কাছে গিয়েছি। তখন তো আপনাদের কাউকে এগিয়ে আসতে দেখিনি। এখন কেন? যা করার, আমিই করব।”

তিনি বললেন, “৪–৫ জন ডাক্তারের স্বাক্ষর নিতে হবে, তুমি এসব পারবে না।”

আমি বললাম, “কোথায় কোথায় স্বাক্ষর নিতে হবে, আমিই নেব। আপনার এখানে কোনো কাজ নেই, আপনি চলে যান।”

অবশ্য তখন আমি রাগের কারণেই কথাগুলো বলেছিলাম। পরে ডাক্তার আমাদের দুজনকেই কক্ষের বাইরে যেতে বলেন।

আমি দরজার পাশে দাঁড়িয়ে থাকি, আর ওই ব্যক্তি অন্য কাজে চলে যান।

ডাক্তার অত্যন্ত ব্যস্ত থাকায় প্রায় ৪০ মিনিট পর ডেথ সার্টিফিকেট লিখে দেন। আমি এতক্ষণ দরজার বাইরে দাঁড়িয়ে থাকি। এরপর আমি তাঁকে জিজ্ঞেস করি, “স্যার, আর কোনো ডাক্তারের স্বাক্ষর নিতে হবে কি?”

তিনি বলেন, “না। এটা নার্সের কাছে জমা দাও। তোমাকে একটি কাগজ দেওয়া হবে, সেটি নিয়ে নিও।”

সবগুলো কাগজ নার্সের কাছে জমা দিয়ে ডেথ সার্টিফিকেটটি নিজের কাছে রাখি।

এরপর লাশ ট্রলিতে করে নিচে নেওয়ার সময় লিফটের কাছে আবার একজন মহিলা ওয়ার্ড বয় ওই পুরুষ ওয়ার্ড বয়কে জিজ্ঞেস করেন, “কাজটা কোথায়?”

তিনি আমার কথা উল্লেখ করেন। এরপর ওই মহিলা আমার কাছে ডেথ সার্টিফিকেটটি চান। আমি তাঁকে বলি, “এটি আপনাকে কেন দেব?” তিনি আর কিছু বলেননি।

লাশ গেটের কাছে নিয়ে আসার পর তাঁদের পক্ষ থেকে ৬০০ টাকা দাবি করা হয়। আমি ২০০ টাকা দিতে চাইলে তাঁরা নিতে রাজি হননি। পরে ৩০০ টাকা দেওয়ার পরও তাঁরা অসন্তুষ্ট হয়ে চলে যান।

ডেথ সার্টিফিকেটটি নিজেদের কাছে নেওয়ার চেষ্টা করার পেছনে অতিরিক্ত টাকা দাবি করার একটি সুযোগ তৈরি করাই তাঁদের উদ্দেশ্য ছিল—

আরও কষ্টের বিষয় হলো, CCU-এর বাইরে আমরা যখন রোগীর স্বজনরা শোকে দাঁড়িয়ে আছি, ঠিক তখনই CCU থেকে বের হওয়া আরেকটি লাশের জন্য ৩,০০০ টাকা দাবি করতে দেখেছি। সেই ডেথ সার্টিফিকেটটিও তখন ওয়ার্ড বয়দের কাছে ছিল।

একজন মানুষের মৃত্যুর মুহূর্তে, যখন পরিবারটি শোক ও অসহায়ত্বের মধ্যে থাকে, তখন এ ধরনের অর্থের দাবি সত্যিই অত্যন্ত বেদনাদায়ক।

এবার আসি অ্যাম্বুলেন্স সিন্ডিকেটের কথায়

লাশ বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার জন্য অ্যাম্বুলেন্স ঠিক করতে গেলে প্রথমে ৫,০০০ টাকা ভাড়া চাওয়া হয়।

দুই-তিনজন চালকের সঙ্গে কথা বলার পর একজন ব্যক্তি এসে বলেন, “আমি সব ড্রাইভারকে কন্ট্রোল করি।”

আমার কাছে মনে হলো, তিনিই সেখানে অ্যাম্বুলেন্সের ভাড়ার বিষয়টি নিয়ন্ত্রণ করছিলেন।

তাঁর সঙ্গে কথা বলতে বলতে ভাড়া ৩,৫০০ টাকায় নামানো হয়। কিন্তু এরপর আমরা যে অ্যাম্বুলেন্স চালকের কাছেই যাই, তাঁরা ৩,৫০০ টাকার নিচে যেতে রাজি হচ্ছিলেন না।

একজন ‘কালু’ নামে চালক ২,৫০০ টাকায় যেতে রাজি হলেও, ওই ব্যক্তি তাঁর সঙ্গেও কথা বলে তাঁকে ৩,৫০০ টাকার নিচে যেতে নিষেধ করেন। আমরা যে চালকের কাছেই যাচ্ছিলাম, ওই ব্যক্তিও আমাদের সঙ্গে যাচ্ছিলেন এবং চালকদের ৩,৫০০ টাকার নিচে না যেতে বলছিলেন।

পরে আমরা মেডিকেলের ছোট গেটের কাছে থাকা কয়েকটি অ্যাম্বুলেন্সের কাছে যাই। সেখানেও তিনি গিয়ে চালকদের ৩,৫০০ টাকার নিচে যেতে নিষেধ করেন।

এরপর দীর্ঘ দরদামের পর একজন চালক ৩,০০০ টাকায় যেতে রাজি হন। কিন্তু আমি সিদ্ধান্ত নিই, ২,৫০০ টাকার বেশি দেব না।

ঠিক তখনই গাড়িতে বসে থাকা একজন চালক, যিনি এতক্ষণকার বিষয়গুলো জানতেন না, তাঁর সঙ্গে আমার জামাই কথা বলেন এবং ২,৫০০ টাকায় যেতে রাজি করান।

কিন্তু ওই ব্যক্তি (সিন্ডিকেটের প্রধান) তাঁকে যেতে দিতে চাইছিলেন না। চালকটিও প্রথমে ভয় পেয়ে যেতে অস্বীকৃতি জানান। পরে আমি তাঁকে সাহস দিলে তিনি যেতে রাজি হন।

তখন ওই ব্যক্তি বলেন, তাঁর নিজের অ্যাম্বুলেন্সই ২,৫০০ টাকায় যাবে। কিন্তু আমার জামাই যে চালকের সঙ্গে আগে থেকেই কথা বলে ভাড়া ঠিক করেছেন, আমরা সেটিই নিতে চাই।

আমি তাঁকে বলি, “আপনার পেছনে প্রায় ৪০ মিনিট ধরে ঘুরছি। এতক্ষণ আপনি যেতে পারেননি, এখন আর আপনার গাড়িতে যাব না।”

এরপর তিনি আমাকে বলেন, “তোমরা আমার গাড়িতে না গেলেও যে গাড়িতে যাবে, আমাকে ২০০ টাকা দিয়ে যেতে হবে।”

পরবর্তীতে শুনেছি, ওই চালক তাঁকে ২০০ টাকা দিয়েছেন। তখন আমি উপরে গিয়ে লাশ নিয়ে আসি।

একজন মানুষকে হারানোর পর পরিবারের মানুষগুলো যেখানে শুধু শেষবারের মতো প্রিয়জনকে বাড়িতে নিয়ে যাওয়ার চিন্তায় থাকে, সেখানে যদি সেই অসহায় পরিস্থিতিকেও অর্থ আদায়ের সুযোগ হিসেবে ব্যবহার করা হয়, তাহলে সেটি শুধু আর্থিক হয়রানি নয়—এটি মানবিকতারও চরম অবক্ষয়।

আমি কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে অভিযোগ করতে চাই না। আমি শুধু একজন স্বজন হিসেবে যা প্রত্যক্ষ করেছি, সেটিই তুলে ধরলাম।

হাসপাতালে চিকিৎসক ও নার্সরা আমাদের সমস্যার কথা শুনে দ্রুত রোগী দেখতে এসেছেন। তাঁদের আন্তরিকতা ও দায়িত্বশীল আচরণ আমাদের ভালো লেগেছে—এই বিষয়টি আগের পোস্টেও উল্লেখ করেছি। তাই চিকিৎসক ও নার্সদের প্রতি আমাদের কৃতজ্ঞতা রয়েছে।

কিন্তু চিকিৎসাসেবার পাশাপাশি রোগী ও স্বজনদের সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যান্য সেবাগুলোও যদি স্বচ্ছ, নিয়মতান্ত্রিক ও মানবিক হতো, তাহলে একজন স্বজনকে প্রিয় মানুষ হারানোর পর এতগুলো অপ্রত্যাশিত পরিস্থিতির মুখোমুখি হতে হতো না।

(আশাদুর জামান সাহেবের ওয়াল থেকে)

এই গুলা তদারকি করার দায়িত্ব কার ?? প্রশাসনের। দেশের এমন কোনো হাসপাতাল নাই যেখানে এই ওয়ার্ডবয় দের সিন্ডিকেট নাই। সব জানা স্বত্বেও কার্যকর কোন পদক্ষেপ কেন হয় না তা একটি বড় প্রশ্ন।
এজন্যই বলি সিস্টেম ঠিক করার জন্য আন্দোলন করুন। নাহলে, কিছুই হবে না

©ডা: এম এ বি ছিদ্দিক মজুমদার (জাবের)
ইন্টারভেনশনাল কার্ডিওলজিষ্ট ও মেডিসিন স্পেশালিষ্ট

আজকে সন্ধ্যা ৬ টার দিকে মেট্রোতে করে বাসায় ফিরছিলাম। রাশ আওয়ারে আমি নরমালি মহিলা কম্পার্টমেন্ট প্রেফার করি। সিঁড়ি দিয...
05/09/2026

আজকে সন্ধ্যা ৬ টার দিকে মেট্রোতে করে বাসায় ফিরছিলাম। রাশ আওয়ারে আমি নরমালি মহিলা কম্পার্টমেন্ট প্রেফার করি। সিঁড়ি দিয়ে উঠতেই ট্রেন পেয়ে যাওয়ায় তাড়াতাড়ি করে জেনারেল কম্পার্টমেন্টেই উঠে পরেছিলাম আজ। পুরুষ মানুষের একটা বিশাল ভিড়! যারা অফিস টাইমে যাতায়াত করেন তারা রিলেট করতে পারবেন। দুজন আঙ্কেল আমাকে সেফলি দাঁড়ানোর জায়গা করে দিলেন। যখনই কোন স্টেশনে লোক উঠছিলেন তখনই বলছিলেন এখানে একটা বাচ্চা আছে।

একটু দেখে শুনে দাঁড়ায়েন। প্রচন্ড রকম ভিড়ের মধ্যেও আমার আশেপাশে যত পুরুষ ছিলেন তারা কোন ঘেঁষাঘেঁষি ছাড়া কম্ফর্টেবলি দাঁড়ানোর একটা পরিবেশ তৈরি করে দিলেন আমাকে। আমার স্টেশন আসার আগে যখন আমি নামার জন্য উদগ্রীব হয়ে উঠলাম ঐ দুজন আঙ্কেল আমাকে বললেন তুমি টেনশন করো না। আমরা তোমাকে নামায়ে দিব। ওনারাই বাকিদের বাচ্চাটা নামবে বলে জায়গা করে দিতে বললেন এবং ঐ সময় কেউ ধাক্কাধাক্কি করে ট্রেনে উঠতে না পারে এটাও এনশিওর করলেন। আমি সেফলি মেট্রো থেকে নামলাম।

আমি এবছরই গ্র্যাজুয়েশন কমপ্লিট করেছি। বর্তমানে শিক্ষকতা পেশায় নিয়োজিত আছি। পাশাপাশি এমএসসির ক্লাসও শুরু করেছি। তবে আমাকে বাচ্চা বলায় আমি একটুও অফেন্ডেড হইনি বরং যে ট্রিটমেন্টটা পেয়েছি তাতে খুশি হয়েছি। মনে হচ্ছিল আমার আব্বু আমার সাথে আছে।

ঘটনাটা শেয়ার করলাম কারন পুরুষ সম্প্রদায়ের নেগেটিভ দিকগুলো আমরা যেভাবে প্রচার করি তেমনভাবে পজেটিভ দিকগুলোও সেলিব্রেট করা উচিত বলে আমি মনে করি। 😊

©জান্নাতুল ফেরদৌসি

এদেশের রোগীর লোকেরা সব ভিক্টিম কোঁটায় ফেরাউন বনে গেছে। হাসপাতালের জনবল পর্যাপ্ত নেই। ৫০ বেডের হাসপাতালে ৩শজন চিকিৎসা নিত...
05/09/2026

এদেশের রোগীর লোকেরা সব ভিক্টিম কোঁটায় ফেরাউন বনে গেছে। হাসপাতালের জনবল পর্যাপ্ত নেই। ৫০ বেডের হাসপাতালে ৩শজন চিকিৎসা নিতেছে। অথচ সরকার বাহাদূর বরাদ্দ দিয়ে রেখেছে ঐ ৫০ জন ধরেই। ঔষধ নেই,রুম/ টয়লেট অপরিষ্কার, কোন টেস্ট করানো যায় না, সব টেস্ট বাইরে থেকে করতে হয়.. এধরণের অসংখ্য ভোগান্তিতে নাগরিক জীবন পর্যুদস্থ। কিন্তু এগুলো তো দেখবে সরকার। হেলথ সেক্টর যদি একটি বিল্ডিং হয়, সরকার হলো ঐ বিল্ডিংয়ের মালিক। ডাক্তার ঐ বিল্ডিংয়ের একটা ইট মাত্র। অন্য আট-দশটা সাধারণ পেশাজীবীদের মতই। কিন্তু বলদ পাব্লিকে ডাক্তারকে সরকার ভেবে বসে আছে। স্বাস্থ্য ব্যবস্থার সমস্যা ভুক্তভোগী আম-পাব্লিকেরাই কিন্তু এরা সমাধানের দায় দিয়ে রাখছে শুধু ডাক্তারদের কাঁধে ।

সরকারে হাসপাতালে কোটি টাকার মেশিনারিজ দিয়ে রাখছে কিন্তু ঐটা চালানোর জন্য কোন লোকবল নিয়োগ দেয়নি। অথচ ফাটাকেষ্ট মন্ত্রী এসে ডাল চেঁখে দেখছে। ডাক্তার- নার্সকে ক্যামেরার সামনে হুমকি-ধমকি দিতেছে, আর ছাপড়ি জনতা সেটাতেই মহাখুশি। এদের তো সমস্যার সমাধান দরকার না। এরা তীব্র ডাক্তার বিদ্বেষীতায় নিজেদের সুখ খুঁজে নিয়েছে। এরা রোগীকে বাসায় অনাদরে ফেলে রেখে মূমুর্ষ বানিয়ে হাসপাতালে আনবে , আর হাসপাতালে আনা মাত্রই ডাক্তারদের আল্লাহ হয়ে ঠিক করে দিতেই হবে।
নয়তো ভিক্টিম কার্ড;

অথচ সুস্থতা দানের মালিক আল্লাহ কিন্তু এরা সুস্থ না হলেই ভুল চিকিৎসার অভিযোগ আনবেই। যেন ঠিক চিকিৎসা হলেই রোগী সুস্থ হয়ে যেত। যার হায়াত নাই সেও মৃত্যুর কবল থেকে বেঁচে যেত। এগুলো এতই জমিদার যে এদের শোক কমাতে ডাক্তার পেটানোর প্রয়োজন পড়ে। জিয়া মেডিকেলে এই ২৬ সালের ৯ মাসে মোট ৪৫ বার অ্যাটাকে ৮৫জন ডাক্তারকে পিটিয়েছে এরা। যার মধ্যে ১৫ জন ফিমেল ডাক্তার, একজন আবার গর্ভবতিও ছিলো। প্রতিবার ডাক্তার পেটায় আর পুলিশ এসে নামকাওয়াস্তে তুলে নিয়ে যায়। নবীন চিকিৎসকরা বাধ্য হয়েছে ব্যাংকারে ঢুকে যেতে। হাসপাতাল তো নয় যেন ইউক্রেন-রাশিয়া যুদ্ধ ক্ষেত্র বানিয়ে রেখেছে।

এই জমিদারদের সামান্য জ্বর সর্দিতেও শহরের সবচেয়ে সেরা ডাক্তার দেখানোর প্রয়োজন পরে। সবগুলো গিয়ে ভীড় করে চেম্বারের বাইরে। ফলাফলে ঐসব ডাক্তারদের পার্সোনাল লাইফ বলতে কিছু নাই। একজনকে দেখছে তো বাইরে অপেক্ষমান আছে ৫০জন। এদের আবদারে ডাক্তারকে আল্লাহ হয়ে টাইম ম্যানুপিলেশন করতে হবে। প্রতি রোগী আধাঘন্টাই দেখবে কিন্তু বাইরে কারও ১ মিনিটও নষ্ট হবে না। বলতে গেলে এই ফেরাউনদের বহু সমস্যা চলে আসবে। স্পষ্ট বুঝতে পাবেন এই আকিদাভ্রষ্টরা ডাক্তারদের কখনও আল্লাহ ভাবছে , কখনও আবার সরকার। কিন্তু বাস্তবে এরা ডাক্তারদের নরম পাইছে। এরা হলো উৎকট লেভেলের স্বার্থপর, নিজেরটা খুব ভালো বুঝে।নিজেরা চামার তবে সব ডাক্তার কেন হাফেজ্জি হুজুর হইলো না.. এটা নিয়ে এদের পেরেশানির যেন শেষ নাই। নিজেরাই নির্লজ্জ লেভেলের জালেম, তবে দেখবেন এরাই আবার ভিক্টিম কার্ড খেলছে। আগে ভাবতাম, পলিটিশিয়ানরা হেলথ সেক্টরের উন্নতি নিয়ে ওদের দায় সব ডাক্তারদের কাঁধে চাপিয়ে এদের চুতিয়া বানিয়ে রেখেছে। কিন্তু পরে বুঝলাম, এগুলো চুতিয়াই থাকতে চায়। এদের সমস্যার সমাধান দরকার নাই। এদের লাগবে বিনোদন। ডাক্তার/ নার্স কোঁপ খাইতেছে.. এর চাইতে সুখকর বিনোদন এই ছাপড়িগুলোর জন্য আর কি হতে পারে।

©Himura Mahmud

আজকে ফাইনাল প্রফের রেজাল্ট হলো।প্রায় সবার রেজাল্ট দেখেই অনেক খুশি হয়েছি।কিন্তু চোখ আটকেছে অন্য জায়গায়।আজকে আরও অনেকের মত...
04/09/2026

আজকে ফাইনাল প্রফের রেজাল্ট হলো।প্রায় সবার রেজাল্ট দেখেই অনেক খুশি হয়েছি।কিন্তু চোখ আটকেছে অন্য জায়গায়।

আজকে আরও অনেকের মতোই নামের শেষে "ডাক্তার" টাইটেল লেগেছে আরেক সিনিয়র আপুর।তার নাম "সুরাইয়া নার্গিস"। শরিয়তপুর এর মনোয়ারা মেডিকেল কলেজের ২০২০-২১ সেশনের স্টুডেন্ট " ছিলেন " তিনি।

হ্যা,ছিলেন।এখন আর নাই।রেজাল্ট হওয়ার আগেই আল্লাহ তাকে নিয়ে গিয়েছেন।

যতদূর জেনেছিলাম,আপু " থ্যালাসেমিয়া মেজর" এ আক্রান্ত ছিলেন।কিন্তু নানা শারীরিক প্রতিবন্ধকতার মাঝেও পড়ালেখায় বিন্দুমাত্র ছাড় তিনি দেন নাই।সবকয়টি প্রফ-ই প্রথমবারেই পাস করে গেছেন।

ফাইনাল প্রফের আগেও বেশ অসুস্থ ছিলেন আপু।কিন্তু তাতেও বিন্দুমাত্র টলেন নি।দেহ অসুখের ভারে নুয়ে পড়লেও অসুখের সামনে মনোবলকে নত হতে দেন নি কখনোই।টলমলে শরীর নিয়েই শেষ ভাইভা পর্যন্ত দিয়ে তবেই বিশ্রাম নিয়েছিলেন।

কিন্তু সৃষ্টিকর্তার পরিকল্পনা বড়ই রহস্যময়।পরীক্ষা শেষ করে পরেরদিন নিজ বাসা চুয়াডাঙ্গায় যাওয়ার পথে আপু অসুস্থ হয়ে মারা গেলেন।

আজকে সুরাইয়া নার্গিস আপুর নামের আগে ডাক্তার টাইটেল যোগ হলো,তবে তার আগেই যে তিনি আরেকটা টাইটেল যোগ করে অনেক অনেক দূরে চলে গিয়েছেন- মরহুমা,মৃত।
আপুর দেখা "ডাক্তার সুরাইয়া নার্গিস" হওয়ার স্বপ্ন আর পূরণ হয়নি,হয়েছে "মরহুমা ডাক্তার সুরাইয়া নার্গিস"।

আজকে সবাই যখন পাস করার আনন্দে আত্মহারা,তখন আপুর পরিবারের অনুভূতিটা ঠিক কেমন- তা ভাবতেই পারছি না।মেয়েটা বেঁচে থাকলে তাদের পরিবারে একজন ডাক্তার পেতো সবাই।অথচ ডাক্তার পেলো ঠিকই,কিন্তু মানুষটা আর থাকলো কই!

মাঝেমধ্যেই ভাবি, জীবনটা বড়ই রহস্যময়, খুবই unpredictable।
আমরা সবাই তো ডাক্তার,ইঞ্জিনিয়ার,কর্পোরেট পার্সন,অফিসার সহ কত কিছুই না হতে চাই,কিন্তু আলাদা করে "বেঁচে থাকতে" চাই কয়জন?অথচ দেখেন,বেঁচে না থাকলে আর কোনোকিছুরই মূল্য থাকে না।

আসুন,মরহুম ডাক্তার সুরাইয়া নার্গিস আপুর জন্য মন থেকে দোয়া করি,আল্লাহ যেন তাকে জান্নাতুল ফিরদাউস নসিব করেন।

©ইমরান খান ফাহিম

এই ভন্ড লোকটার বিরুদ্ধে দেশে কি কোন আইন নেই??এভাবে একজন ভন্ড ব্যাক্তি যার কোন মেডিকেল সার্টিফিকেট নেই,সে এভাবে দিনের পর ...
04/09/2026

এই ভন্ড লোকটার বিরুদ্ধে দেশে কি কোন আইন নেই??

এভাবে একজন ভন্ড ব্যাক্তি যার কোন মেডিকেল সার্টিফিকেট নেই,সে এভাবে দিনের পর দিন ক্যান্সার নিয়ে কিভাবে হইচই করে যাচ্ছে??

দেশের মানুষ কি এতোই বোকা যে, যাই গেলাবে তাই গিলবে???

কিসের যুক্তিতে কোন যোগ্যতায় সে ক্যান্সার নিয়ে তামাশা করতে পারে??

সে কয়টা ক্যান্সার রোগীকে ক্যান্সার মুক্ত করেছে??? কেন আইন এমন প্রতারকদের বিরুদ্ধে পদক্ষেপ নিচ্ছে না??

এই লোককে জনসমুক্ষে এনে বিভ্রান্তি সৃষ্টির দায়ে ক্ষমা চাওয়ানো উচিত😡😡😡😡😡

আমি তার মেডিকেল সার্টিফিকেট দেখতে চাই।

______
©ক্যান্সার ফাইটার শিশু "মাইজা"

এই টয়োটা প্রিয়াস গাড়ির মালিক এমন একটা কাজ করেছেন যেটা সবাই করতে চায় কিন্তু কেউ হয়তো করতে পারে নাই। গাড়িটা রোডে চলছিল প্র...
04/09/2026

এই টয়োটা প্রিয়াস গাড়ির মালিক এমন একটা কাজ করেছেন যেটা সবাই করতে চায় কিন্তু কেউ হয়তো করতে পারে নাই। গাড়িটা রোডে চলছিল প্রপারলি, হঠাৎ বেপরোয়া গতির টেসলা এসে গাড়িটাকে মেরে দেয়, হাইলি ওয়েল-মেইনটেইনড, যত্ন করা গাড়িটা এক মুহূর্তেই ড্যামেজ হয়ে যায়, যার সাথে এমন হয়েছে শুধু সেই ব্যক্তিই কষ্টটা বুঝতে পারবে।❤️‍🩹

গাড়ির ড্যামেজ ফিক্স করতে মিনিমাম ৪০,০০০ টাকার মতো যেত তাই গাড়ির মালিক টেসলার ব্যাটারি বিক্রি না করে টেসলাই বিক্রি করে দেন ঘটনা ঘটার ৩ দিন পর। ৩ দিন সময় দেওয়া হয়েছিল ক্ষতিপূরণ দেওয়ার জন্য যেটা টেসলার মালিক দেন নাই সামর্থ্য থাকার পরেও।

এই ঘটনা থেকে বাকিরাও ইনস্পিরেশন নেন, যদি দেখেন আপনার গাড়ির অনেক বেশি ক্ষতি হয়েছে এবং সেই টেসলা কোনো গ্যারেজ মালিকের, এটা নিশ্চিত থাকবেন যে সেই মালিক ডেফিনিটলি ক্ষতিপূরণ দিতেই পারবে, যদি না দিতে চায়, ডাইরেক্ট টেসলা বিক্রি করে দিবেন। আপনার যদি কোনো দোষ না থাকে, আপনি কেনই ক্ষতিগ্রস্ত হবেন?

▪️Follow us for More : BD CarZz

Courtesy and owner of the Prius : Mr. Tanjimhr Rafid Hossain Pathan.

©bdcarzz

মোটিভেশান কাকে বলে জানেন?? দেখেন কি করছেন হাবিবুল্লাহ ভাই, ওহ সরি, ডা. হাবিবুল্লাহ ভাই। হাবিবুল্লাহ ভাইয়ের গল্প ডিএমসিতে...
02/09/2026

মোটিভেশান কাকে বলে জানেন?? দেখেন কি করছেন হাবিবুল্লাহ ভাই, ওহ সরি, ডা. হাবিবুল্লাহ ভাই।

হাবিবুল্লাহ ভাইয়ের গল্প ডিএমসিতে মোটামুটি ফেমাস, ফেমিলি হারানোর পর অসুস্থতা,নানান সমস্যায় জর্জরিত হওয়া থেকে নিজেও সুইসাইডাল এপ্রোচ নিয়েছিলেন।

১৯৯৫-৯৬ সেশনের স্টুডেন্ট দীর্ঘ ২৪-২৫ বছর পর পড়াশোনার জীবন থেকে দূরে থাকার পর তিনি আবার ২২ সাল থেকে এক্সামে বসা শুরু করেন। একাধিকবার ফেইল্ড তবুও এই বয়সে একা একা চেষ্টা চালিয়েছে।মানসিক ডাক্তার দেখানো থেকে সুইসাইড এপ্রোচ, সাপোর্ট দেয়ার কেউই নাই তবুও চেষ্টা করেছেন, এক্সামে বসেছেন।

এইবারে তার এক্সামিনার ছিলেন তারই একজন ব্যাচমেট যিনি প্রফেসর, আমি জানি না উনার তখন কেমন ফিল হচ্ছিলো!

প্রায় ৩১ বছর পর একটা মানুষের MBBS শেষ।

এক্সাম হলের ক্লিনিক্যাল অংশের আগে আমার উপর দিয়ে রীতিমতো ঝড় গেছে, মনে হচ্ছিলো উনি কিচ্ছু পড়ে আসে নাই সব বাদ দিয়ে ভাইয়ের সাথে টাইম দেয়া লাগছে যদিও একটু বিরক্ত হইছি কিন্তু আবার এটাও ভাবতেছিলাম এত বছরের পর এবারেরও যদি আটকায়....! এরকম ট্রাজেডির একটা সুন্দর টানাও তো মন্দ না।

উনি গত দেড় মাসে কমপক্ষে ১৫-২০ বার জিজ্ঞেস করছেন পাশ করবেন কি না! আমি নাম্বার দেখছিলাম কি না! মধ্যে আরও একটা বিপদ ঘটিয়ে ফেলছিলেন....বোঝাই যাচ্ছিলো এক্সেসিভ স্ট্রেসে আছেন যাই হোক সর্বশেষ তিনি এখন Dr Habibullah (DMC).

মানুষ কত অল্পতে ভেঙে পড়ে আর হারিয়ে যেতে চায়! অথচ উনাকে দেখুন, ৩১ বছরে দু:সপ্ন পাড়ি দিয়েও ফিরে আসা যায়।

আল্লাহ তা'লা উনাকে পরিপূর্ণ একটা সুস্থ জীবন দান করুন।

©ডা:সাব্বির হোসেন সাগর

ভদ্রমহিলার বয়স ষাট, ব্রেইন টিউমারের রোগী. পুত্র নিয়ে এসেছিলেন, অপারেশনের পর বাড়ি চলে গিয়েছিলেন, আজ আসলেন সেলাই কাটাতে. স...
02/09/2026

ভদ্রমহিলার বয়স ষাট, ব্রেইন টিউমারের রোগী. পুত্র নিয়ে এসেছিলেন, অপারেশনের পর বাড়ি চলে গিয়েছিলেন, আজ আসলেন সেলাই কাটাতে. সেলাই কাটার সময় গল্প জুড়ে দিলেন, তার ছোট পুত্র আম্রিকা থাকে, সে টাকা পাঠাইছে, সেই টাকা দিয়ে তার চিকিৎসা হইছে, সে বড় প্রসন্ন. অনুযোগ করলেন, সাথে আসা পুত্র অকর্মা, লেখাপড়াও করেনাই, "মাছ মারে, ক্ষেতি গেরস্থি দেখে", কোন কাজের না...

টিউমারের বায়োপসি রিপোর্ট ভালো না, গ্রেড ৪ গ্ল্যায়মা, সোজা বাংলায়, "ক্যান্সার জাতীয় টিউমার". অপারেশন করে টিউমার পুরোটাই বের করা হয়েছে কিন্তু এখন রেডিওথেরাপি প্রয়োজন, কেমোথেরাপি প্রয়োজন. এতকিছুর পরেও এই জাতীয় টিউমার আবার হয়, এবং লাইফ এক্সপেক্টেন্সি কম. ওটির বাইরে এসে ছেলেটা জিজ্ঞেস করলো, স্যার কয় টাকা লাগবো এখন আরো? একটা ধারণার কথা বললাম, সরকারি হাসপাতালেও সুযোগ আছে, সেটাও বললাম, আর ক্যান্সার বিশেষজ্ঞ পরিচিত স্যারের কাছে রেফার লিখে দিলাম.

অস্ফুট স্বরে উনি বললেন, অল্প জমিজমা আছে, ব্যবস্থা হয়ে যাবে স্যার, চিকিৎসা বেসরকারিতেই পুরা করতে চাই, সরকারিতে অনেক ভিড়, ধাক্কাধাক্কি, যতোদিন হায়াৎ আছে শান্তি নিয়া বাঁচুক মায়. আমি জিজ্ঞেস করলাম, কেন, উনি তো বললেন টাকা নাকি আপনার ভাই পাঠাচ্ছেন? একটা দীর্ঘশ্বাস ছেড়ে জবাব দিলেনঃ ও তো অনেক আগে আম্রিকা গেছে, ঐখানে ভাসসিটিত পড়ছে, বিয়াশাদী করছে, টাকা পাঠায়নাই, খুঁজ-খবর লয়না. আমি আমার পুঞ্জি থিকা নিয়া আসছি. মায় মনে করছে ছোট পোলায় টেকা দিতাছে, আমিও আর ভুল ভাঙ্গাইনাই. চালায়া যাই যদ্দিন পারি.

একটু ধাক্কা মতো খেলাম. আসলে... জগতের বড় বড় শিক্ষাগুলো লুকিয়ে আছে তথাকথিত "অশিক্ষিত" দের অন্তরে...

© Dr Muhammad Shahriar Kabir
Neurosurgeon

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডক্টরস ডায়েরী - Doctors' Diary posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share