Dr S M Shahidul Islam

Dr S M Shahidul Islam As a health professional I want to play a vital role in preventive medicine to serve mankind. Thank You Very Much.

MBBS (Dhaka), FRSPH (UK), MACP (USA), CCD (BIRDEM), Post Graduate Diploma in Endocrinology (UK), M.Sc (MNFS), MACE (USA), PGT (Cardiology); Certified Diabetologist & Endocrinologist; Public Health & Nutrition Expert I set my mind to become a public health specialist on Newborn & Child Health, Nutrition & Researcher for the well-being of humanity. Over few years of working closely with Government p

articularly Development Partners, UN agencies & NGO officials on nutrition, maternal & child health and/or advocacy. I would like to provide some basic knowledge to all though people are aware about their basic fundamentals of Health, Nutrition as well as Human well being also.

একটা সময় ছিল, কেউ খুব দ্রুত ওজন কমালে আমরা প্রথমে জিজ্ঞেস করতাম:“ডায়েট করছ?”“জিম শুরু করেছ?”“চিনি-ভাত খাওয়া কমিয়েছ?”এখন ...
25/08/2026

একটা সময় ছিল, কেউ খুব দ্রুত ওজন কমালে আমরা প্রথমে জিজ্ঞেস করতাম:

“ডায়েট করছ?”
“জিম শুরু করেছ?”
“চিনি-ভাত খাওয়া কমিয়েছ?”

এখন অনেক ক্ষেত্রে আরেকটা প্রশ্নও মাথায় আসে:

“কোনো weight-loss injection নিচ্ছে নাকি?”

এটা কৌতূহল থেকে বলা কথা না। গত কয়েক বছরে semaglutide আর tirzepatide সত্যিই obesity treatment-এর landscape বদলে দিয়েছে। একই সঙ্গে এগুলো social media, celebrity culture এবং দ্রুত slim হওয়ার আকাঙ্ক্ষার সঙ্গেও জড়িয়ে গেছে।

সমস্যা হলো, মানুষ result দেখে।

কিন্তু treatment-এর indication, side effect, monitoring, muscle loss, weight regain বা long-term plan খুব কমই দেখে।

তাই চিকিৎসক হিসেবে বিষয়টা একটু পরিষ্কার করে বলি।

প্রথমেই একটা correction জরুরি। সেটা হলো Ozempic মানেই weight-loss injection না।

Ozempic-এর active ingredient semaglutide। এটি GLP-1 receptor agonist এবং মূলত type 2 diabetes management-এর জন্য অনুমোদিত।

Semaglutide-এর obesity indication-এর brand হলো Wegovy।

অন্যদিকে tirzepatide একটি dual GIP + GLP-1 receptor agonist।

Type 2 diabetes-এর জন্য এর brand Mounjaro, আর chronic weight management-এর জন্য Zepbound।

Social media-তে সবকিছুকে “Ozempic” বলে চালিয়ে দেওয়া হয়, কিন্তু medically এগুলো এক ওষুধ না, এক indication-ও না।

এগুলো কীভাবে কাজ করে?

খুব সহজ করে বললে, এগুলো appetite regulation-এ কাজ করে।

Hunger কমে।
Satiety বাড়ে।
Gastric emptying ধীর হয়।
Glucose-dependent insulin secretion বাড়ে।

ফলে অনেকের খাবারের পরিমাণ কমে, calorie intake কমে এবং ওজনও কমে।

এই অংশটা সত্যি। কিন্তু আরেকটা অংশও সত্যি।

ওজন কমা মানেই কিন্তু শুধু fat কমা না।

Substantial weight loss-এর সঙ্গে lean body mass-ও কিছুটা কমতে পারে। তাই শুধু scale-এর number দেখে treatment successful ধরে নেওয়া ঠিক না।

একজন মানুষ 12 kg কমালেন, কিন্তু তার মধ্যে কতটা fat, কতটা lean mass, nutrition কেমন, strength কেমন, energy কেমন, এসবও গুরুত্বপূর্ণ।

এই কারণেই adequate protein intake, resistance exercise, overall nutrition এবং physical activity weight-loss treatment-এর অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

Face hollow বা aged-looking লাগার কথাও অনেকেই বলেন। এটা কোনো আলাদা “Ozempic disease” না। Significant fat loss-এর ফলে facial volume কমে এমনটা হতে পারে।

Side effects নিয়ে এখন কিছু বাস্তব কথা বলছি। এই medicines-এর common side effects হলো:

বমি বমি ভাব
বমি
ডায়রিয়া
কোষ্ঠকাঠিন্য
পেটে অস্বস্তি বা ব্যথা
বদহজম / হজমে অস্বস্তি

অনেকের ক্ষেত্রে এগুলো mild বা manageable হয়, বিশেষ করে dose ধীরে বাড়ানো হলে। কিন্তু কিছু complication clinically important।

Rapid বা substantial weight loss-এর context-এ gallstone ((পিত্তথলির পাথর) বা gallbladder (পিত্তথলি) disease হতে পারে।

Persistent vomiting বা diarrhea থেকে dehydration এবং kidney injury হতে পারে।

Severe, persistent abdominal pain pancreatitis-এর warning symptom হতে পারে।

Diabetes-এর জন্য insulin বা sulfonylurea জাতীয় medicine-এর সঙ্গে ব্যবহার করলে hypoglycemia risk বাড়ে তার ফলে রক্তের স্যুগার বিপদজনকভাবে মাত্রায় কমে যেতে পারে।

Pre-existing diabetic retinopathy থাকলে glucose খুব দ্রুত improve করার সময় retinopathy complication worsen করতে পারে।

আর যেহেতু এই medicines gastric emptying delay করে, planned surgery, anesthesia বা deep sedation-এর আগে treating team-কে জানানোও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

“একটু injection নিয়ে ওজন কমিয়ে তারপর বন্ধ করে দেব” এখানেই আরেকটা বড় misunderstanding আছে।

Semaglutide বা tirzepatide এমন medication না যে কয়েক সপ্তাহ নিয়ে ওজন কমালেন, তারপর কোনো plan ছাড়াই বন্ধ করে দিলেন, কারণ:

Treatment বন্ধ করার পর hunger ফিরে আসতে পারে।
Weight regain-ও হতে পারে।

Clinical trial data-তেও treatment withdrawal-এর পর significant regain দেখা গেছে।

এর কারণ obesity অনেক ক্ষেত্রেই chronic, relapsing disease।

তাই treatment শুরু করার আগে যেমন plan দরকার, treatment continue বা discontinue করারও plan দরকার।

কারা নিজের ইচ্ছায় শুরু করবেন না?

নিজের বা family-তে medullary thyroid carcinoma (MTC)-এর history থাকলে অথবা MEN 2 থাকলে semaglutide/tirzepatide-এর relevant products contraindicated মানে ব্যবহার করা যাবে না।

Drug-এর কোনো component-এর প্রতি serious hypersensitivity থাকলেও ব্যবহার করা উচিত না। তাই দেয়ার আগে সামান্য ব্যবহারে সংবেদনশীলতা পরীক্ষা করা অত্যন্ত জরুরী।

Pregnancy-তে weight-loss therapy করা উচিত নয়। Semaglutide-এর ক্ষেত্রে planned pregnancy-এর অন্তত 2 মাস আগে discontinue করার recommendation আছে।

Severe gastroparesis বা significant GI motility problem বমি ভাব/বমি হওয়া, ডায়রিয়া থাকলে এই drugs particular concern-এর বিষয়।

Pancreatitis, gallbladder disease, kidney disease, diabetic retinopathy, অন্য glucose-lowering medicine, pregnancy possibility এবং significant GI history prescriber-কে জানানো জরুরি।

Tirzepatide-এর ক্ষেত্রে আরেকটা গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো, treatment শুরু বা dose escalation-এর পর oral contraceptive এর effectiveness সাময়িকভাবে কমতে পারে। Contraception plan তাই physician-এর সঙ্গে review করা উচিত।

এবার social media-র সবচেয়ে dangerous প্রশ্ন

“স্যার/ম্যাডাম dose কত হবে?”

তারপর শুরু হয়:

“কোথায় injection দেব?”

আমি Facebook post এ কোন ঔষধের ডোজ কতটুকু হবে তা লিখব না। কারণ semaglutide আর tirzepatide-এর starting dose এক না, titration ও এক না, maintenance dose ও এক না।

Indication এবং formulation অনুযায়ী ব্যবস্থাপনাও একেক ঔষধের একেক রকম অর্থাৎ আলাদা।

Injectable formulations সাধারণত once-weekly subcutaneous injection হিসেবে ব্যবহার করা হয়। Abdomen, thigh এবং upper arm approved injection sites-এর মধ্যে থাকে, এবং site rotate হয়।

কিন্তু কারও prescription দেখে নিজের dose copy করা ঠিক নয় কারণ ঐ ব্যক্তি আর আপনি এক নন। আর দ্রুত result পাওয়ার জন্য dose নিজের ইচ্ছায় বাড়ানো বা double করা আরও unsafe।

More dose মানেই more benefit না। অনেক সময় শুধু more side effect।

তাহলে কার জন্য এই treatment?

Weight-management formulations সাধারণত obesity, অথবা overweight-এর সঙ্গে weight-related medical condition থাকা appropriately selected patients-এর জন্য।

এগুলো reduced-calorie diet, physical activity এবং broader treatment plan-এর adjunct।

অর্থাৎ injection lifestyle-এর replacement না।

এটা treatment-এর একটি অংশ।

আর যার medically healthy weight আছে, কিন্তু শুধু appearance-এর জন্য আরও কয়েক কেজি কমাতে চান, তার জন্য prescription weight-loss medicine automatically appropriate হয়ে যায় না।

Medicine আর aesthetic pressure এক জিনিস নয়।

BMI useful, কিন্তু BMI একাই পুরো সিদ্ধান্ত নিতে পারে না।

Weight history, waist circumference, metabolic risk, diabetes status, current medications, kidney function, GI history, gallbladder বা pancreatic history, nutrition, pregnancy possibility এবং overall clinical picture দেখতে হয়। এই assessment ছাড়া injection শুরু করা proper treatment না।

শেষ কথা বলবো যে Skinny আর healthy একই শব্দ না।

Scale-এ 15 kg কমেছে মানেই health automatically improve করেছে, এমন না।

যদি সেই weight loss-এর সঙ্গে muscle loss, poor nutrition, dehydration, gallstone, persistent GI symptoms বা weakness যোগ হয়, তাহলে শুধু scale দেখে celebration করার কিছু নেই।

Semaglutide বা tirzepatide খারাপ medicine নয়।

বরং ঠিক patient-এর জন্য, ঠিক indication-এ, appropriate dose titration এবং medical monitoring-এর অধীনে এগুলো অত্যন্ত useful এবং evidence-based treatment।

Problem medicine না। Problem শুরু হয় যখন prescription drug-কে medical treatment না দেখে shortcut to thinness হিসেবে দেখা হয়।

তাই কেউ যদি আমাকে জিজ্ঞেস করেন,

“Injection-এর নামটা বলেন, আমিও একটু শুকাই।”

আমার উত্তর হবে:

আগে দেখি আপনার এই injection আদৌ প্রয়োজন আছে কি না।

কারণ চিকিৎসার লক্ষ্য শুধু আপনাকে পাতলা করা না।

লক্ষ্য হলো আপনাকে সুস্থ রাখা 🏃‍♂️🏃‍♂️🏃‍♂️

References:

U.S. Food and Drug Administration. Wegovy (semaglutide) Prescribing Information.
U.S. Food and Drug Administration. Ozempic (semaglutide) Prescribing Information.
Eli Lilly and Company. Zepbound (tirzepatide) Prescribing Information.
Eli Lilly and Company / U.S. FDA. Mounjaro (tirzepatide) Prescribing Information.
Wilding JPH, et al. Once-Weekly Semaglutide in Adults with Overweight or Obesity. New England Journal of Medicine. 2021;384:989-1002.
Wilding JPH, et al. Weight regain and cardiometabolic effects after withdrawal of semaglutide: The STEP 1 trial extension. Diabetes, Obesity and Metabolism. 2022;24:1553-1564.
Jastreboff AM, et al. Tirzepatide Once Weekly for the Treatment of Obesity. New England Journal of Medicine. 2022;387:205-216.
Aronne LJ, et al. Continued Treatment With Tirzepatide for Maintenance of Weight Reduction in Adults With Obesity. JAMA. 2024;331:38-48.

এই পোস্টটি রেফারেন্স থেকে নেয়া তার সাথে কিছু কিছু নির্ভরযোগ্য জায়গা থেকেও গ্রহন করা যা শুধুমাত্র স্বাস্থ্যবিষয়ক সাধারণ তথ্য ও সচেতনতার উদ্দেশ্যে লেখা। এটি ব্যক্তিগত চিকিৎসা পরামর্শ, রোগ নির্ণয় বা প্রেসক্রিপশনের বিকল্প নয়। কোনো ওষুধ শুরু, বন্ধ বা ডোজ পরিবর্তনের সিদ্ধান্ত ব্যক্তিভেদে পূর্ণ ক্লিনিক্যাল মূল্যায়ন এবং সংশ্লিষ্ট দেশের অনুমোদিত prescribing information অনুযায়ী রেজিষ্টার্ড চিকিৎসকের পরামর্শে নেওয়া উচিত।

আমাদের প্রতিদিনের খাবার কি শরীরের ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করছে?আমরা অনেকেই মনে করি, প্রতিদিন ভাত, মাছ, মাংস, ডাল, সবজি ...
14/08/2026

আমাদের প্রতিদিনের খাবার কি শরীরের ক্যালসিয়ামের চাহিদা পূরণ করছে?

আমরা অনেকেই মনে করি, প্রতিদিন ভাত, মাছ, মাংস, ডাল, সবজি ও ডিম খেলে শরীরের প্রয়োজনীয় সব পুষ্টি পাওয়া হয়ে যায়। কিন্তু ক্যালসিয়ামের ক্ষেত্রে বাস্তবতা অনেক সময় ভিন্ন।

National Institutes of Health (NIH)-এর তথ্য অনুযায়ী, বেশিরভাগ ১৯–৫০ বছর বয়সী প্রাপ্তবয়স্কের দৈনিক প্রায় ১০০০ মি.গ্রা. ক্যালসিয়াম প্রয়োজন। ৫১ বছরের বেশি বয়সী নারীদের এবং ৭১ বছরের বেশি বয়সী পুরুষদের প্রয়োজন প্রায় ১২০০ মি.গ্রা.।

আমাদের পরিচিত একটি দৈনিক খাবারের তালিকা থেকে কতটুকু ক্যালসিয়াম পাওয়া যায়?

ছবিতে দেওয়া উদাহরণ অনুযায়ী:

সকালের নাশতা
• ফল ২ পিস → ১৩ মি.গ্রা.
• সবজি ১০০ গ্রাম → ৩০ মি.গ্রা.
• ডিম ১টি → ২৯ মি.গ্রা.
মোট ≈ ৭২ মি.গ্রা.

দুপুরের খাবার
• ভাত ২৫০ গ্রাম → ১৫ মি.গ্রা.
• সবজি ১০০ গ্রাম → ৩০ মি.গ্রা.
• মাংস ১০০ গ্রাম → ৯ মি.গ্রা.
• ডাল ২ চামচ → ১২ মি.গ্রা.
মোট ≈ ৬৬ মি.গ্রা.

বিকেলের নাশতা
• বিস্কুট ২টি → ১১ মি.গ্রা.
• আপেল ১টি → ৬ মি.গ্রা.
• দুধ চা → ১৮ মি.গ্রা.
মোট ≈ ৩৫ মি.গ্রা.

রাতের খাবার
• ভাত ২৫০ গ্রাম → ১৫ মি.গ্রা.
• সবজি ১০০ গ্রাম → ৩০ মি.গ্রা.
• মাছ ১০০ গ্রাম → ৪০ মি.গ্রা.
মোট ≈ ৮৫ মি.গ্রা.

সারাদিনে মোট ক্যালসিয়াম ≈ ২৫৮ মি.গ্রা.

অর্থাৎ একজন প্রাপ্তবয়স্ক মানুষের দৈনিক প্রয়োজন যদি ১০০০ মি.গ্রা. হয়, তাহলে এই খাদ্যতালিকা থেকে পাওয়া যাচ্ছে প্রয়োজনের মাত্র প্রায় এক-চতুর্থাংশ।

ঘাটতি থেকে যাচ্ছে প্রায় ৭৪২ মি.গ্রা.।

আর দৈনিক প্রয়োজন ১২০০ মি.গ্রা. হলে ঘাটতি প্রায় ৯৪২ মি.গ্রা. পর্যন্ত হতে পারে।

তাহলে এই ঘাটতি পূরণ করব কীভাবে?

শুধু বেশি ভাত, মাছ বা মাংস খেলেই ক্যালসিয়ামের ঘাটতি পূরণ হয় না। খাদ্যতালিকায় নিয়মিত ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার যোগ করতে হবে।

দুধ, দই ও পনির ক্যালসিয়ামের ভালো উৎস। এছাড়া কাঁটাসহ খাওয়া যায় এমন ছোট মাছ, ক্যালসিয়ামযুক্ত কিছু শাকসবজি এবং calcium-fortified খাবারও উপকারী উৎস হতে পারে। NIH-ও দুধ, দই, চিজ এবং হাড়সহ খাওয়া যায় এমন কিছু মাছকে ক্যালসিয়ামের গুরুত্বপূর্ণ খাদ্য উৎস হিসেবে উল্লেখ করে। উদাহরণ হিসেবে, দৈনিক খাবারের সঙ্গে ১–২ গ্লাস দুধ, এক বাটি দই এবং উপযুক্ত ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ অন্যান্য খাবার যোগ করলে খাদ্য থেকেই ক্যালসিয়াম গ্রহণ অনেকটা বাড়ানো সম্ভব। খাবারভেদে ক্যালসিয়ামের পরিমাণ ভিন্ন হয়, তাই পুরো দিনের খাদ্যতালিকা হিসাব করাই সবচেয়ে কার্যকর।

কিছু গুরুত্বপূর্ণ কথা:

ক্যালসিয়াম কম হওয়া যেমন ভালো নয়, প্রয়োজনের চেয়ে অতিরিক্ত ক্যালসিয়াম গ্রহণও ঠিক নয়। তাই শুধু অনুমানের ভিত্তিতে ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট শুরু না করে আগে নিজের খাবার থেকে কতটুকু পাওয়া যাচ্ছে তা বিবেচনা করা উচিত। প্রয়োজন হলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী সাপ্লিমেন্ট নেওয়া যেতে পারে। NIH-ও প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম প্রথমে খাবার ও পানীয় থেকে নেওয়ার ওপর গুরুত্ব দেয়।

মনে রাখবেন:

হাড় দুর্বল হওয়ার পর চিকিৎসা করার চেয়ে, ছোটবেলা থেকেই পর্যাপ্ত ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তোলা অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

আপনার প্রতিদিনের প্লেটে ক্যালসিয়ামের জায়গা আছে তো?

আপনি জানেন কি, থাইরয়েডের ওষুধ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?আজ কথা বলবো হাইপোথাইরয়েডিজম (Hypothyroidism) নিয়ে। আপনার নিজের, পরি...
11/08/2026

আপনি জানেন কি, থাইরয়েডের ওষুধ কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

আজ কথা বলবো হাইপোথাইরয়েডিজম (Hypothyroidism) নিয়ে। আপনার নিজের, পরিবারের সদস্য, আত্মীয় বা বন্ধুদের কারও যদি এই সমস্যা থাকে, তাহলে অনুগ্রহ করে পোস্টটি পড়ুন এবং তথ্য শেয়ার করুন। মাত্র ৩ মিনিট সময় দিলেই এমন কিছু গুরুত্বপূর্ণ তথ্য জানতে পারবেন, যা সঠিক চিকিৎসা ও সুস্থ জীবনের জন্য অত্যন্ত জরুরি।

হাইপোথাইরয়েডিজমে শরীর পর্যাপ্ত থাইরয়েড হরমোন তৈরি করতে পারে না। ফলে শরীরের বিপাকক্রিয়া (Metabolism) ধীর হয়ে যায় এবং ক্লান্তি, ওজন বৃদ্ধি, ঠান্ডা বেশি লাগা, কোষ্ঠকাঠিন্য, চুল পড়া, ত্বক শুষ্ক হওয়া, স্মৃতিশক্তি কমে যাওয়া ইত্যাদি সমস্যা দেখা দিতে পারে।

এই ঘাটতি পূরণ করার জন্যই Levothyroxine (Thyroxine) যেমন থাইরক্স/থাইরিন/সিনথক্স ইত্যাদি নামে আমাদের দেশে দেওয়া হয়। এটি শরীরের স্বাভাবিক থাইরয়েড হরমোনের বিকল্প। সঠিক নিয়মে ওষুধ সেবন করলে অধিকাংশ রোগী সম্পূর্ণ স্বাভাবিক ও কর্মক্ষম জীবনযাপন করতে পারেন।

তবে একটি বিষয় মনে রাখা খুবই গুরুত্বপূর্ণ, থাইরক্সিন ঠিকভাবে না খেলে ওষুধের কার্যকারিতা অনেকটাই কমে যায়।

থাইরক্সিন খাওয়ার সঠিক নিয়ম

📌প্রতিদিন সকালে ঘুম থেকে উঠে খালি পেটে ওষুধ খান।

📌 শুধুমাত্র এক গ্লাস সাধারণ পানি দিয়ে ওষুধ খাবেন।

📌 ওষুধ খাওয়ার পর ৩০-৬০ মিনিট পর্যন্ত কিছু খাবেন না।

📌 প্রতিদিন একই সময়ে ওষুধ খাওয়ার অভ্যাস করুন।

যেসব জিনিস থাইরক্সিনের সঙ্গে একসাথে খাওয়া উচিত নয়

নিচের খাবার বা ওষুধগুলো থাইরক্সিনের শোষণ কমিয়ে দেয়, ফলে ওষুধ ঠিকমতো কাজ করতে পারে না।

❌ চা

❌ কফি

❌ দুধ

❌ ক্যালসিয়াম ট্যাবলেট

❌ আয়রন ট্যাবলেট

❌ মাল্টিভিটামিন

❌ ম্যাগনেসিয়াম

❌ অ্যান্টাসিড

👉 এসব ওষুধ বা সাপ্লিমেন্ট অন্তত ৪ ঘণ্টা পরে গ্রহণ করুন।

খাবারের ক্ষেত্রে কিছু সতর্কতা

অতিরিক্ত পরিমাণে নিচের খাবারগুলো খেলে কিছু ক্ষেত্রে থাইরক্সিনের শোষণ কমে যেতে পারে।

✂️ সয়াবিন ও সয়া জাতীয় খাবার। সয়া সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নয়; অতিরিক্ত গ্রহণ করলে কিছু ক্ষেত্রে ওষুধের শোষণে প্রভাব ফেলতে পারে।

✂️ অতিরিক্ত আঁশযুক্ত (High-fiber) খাবার

✂️ ক্যালসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার নিষিদ্ধ নয়। তবে থাইরক্সিন খাওয়ার অন্তত ১ ঘণ্টা পরে অথবা যথেষ্ট ব্যবধান রেখে খাওয়া ভালো।

এসব খাবার সম্পূর্ণ নিষিদ্ধ নয়, তবে পরিমিত পরিমাণে খাওয়াই ভালো এবং ওষুধের সময়ের সঙ্গে যথেষ্ট ব্যবধান রাখুন।

হাইপোথাইরয়েডিজমে রোদে যাওয়া নিষেধ নয়। বরং সকাল বা বিকেলের নরম রোদে ১৫-২০ মিনিট হাঁটা বা বসা উপকারী।

এর ফলে:

✌️শরীরে ভিটামিন D তৈরি হয়

✌️হাড় শক্ত থাকে

✌️মাংসপেশির ব্যথা থাকলে তা কমাতে সাহায্য করে

✌️মন ভালো থাকে

তবে দুপুরের তীব্র রোদে দীর্ঘ সময় থাকা এড়িয়ে চলুন এবং পর্যাপ্ত পানি পান করুন।

নিয়মিত ব্যায়াম করুন

সপ্তাহে অন্তত ১৫০ মিনিট মাঝারি মাত্রার ব্যায়াম করার চেষ্টা করুন। যেমন:

দ্রুত হাঁটা

সাইকেল চালানো

সাঁতার

হালকা জগিং

যোগব্যায়াম

নিয়মিত ব্যায়াম ওজন নিয়ন্ত্রণ, ক্লান্তি কমানো, হৃদ্‌স্বাস্থ্য ভালো রাখা এবং মানসিক সুস্থতার জন্য অত্যন্ত উপকারী।

ওজন কমছে না কেন?

অনেকেই মনে করেন, থাইরয়েডের ওষুধ খেলেই ওজন কমে যাবে। এটি একটি ভুল ধারণা। থাইরয়েড স্বাভাবিক হওয়ার পরও অতিরিক্ত ওজন কমাতে স্বাস্থ্যকর খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ব্যায়াম প্রয়োজন।

ওজন নিয়ন্ত্রণের জন্য প্রয়োজন:

📌নিয়মিত ব্যায়াম

📌পরিমিত ক্যালোরিযুক্ত সুষম খাদ্য

📌পর্যাপ্ত ঘুম

📌নিয়মিত ওষুধ সেবন

কোন খাবার বেশি খাবেন?

শাকসবজি

মৌসুমি ফল

মাছ

ডিম

ডাল

পরিমিত পরিমাণে বাদাম

পর্যাপ্ত পানি

মানসিক চাপ কমান

দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ অনেক সময় উপসর্গ আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

তাই চেষ্টা করুন:

পর্যাপ্ত ঘুমাতে

নিয়মিত হাঁটতে

নামাজ, দোয়া বা ধ্যান করতে

পরিবারের সঙ্গে সময় কাটাতে

নিয়মিত পরীক্ষা করুন:

ওষুধ শুরু করার বা ডোজ পরিবর্তনের ৬-৮ সপ্তাহ পরে TSH পরীক্ষা করুন।

ডোজ স্থিতিশীল হয়ে গেলে সাধারণত প্রতি ৬-১২ মাসে একবার TSH পরীক্ষা যথেষ্ট। তবে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী পরীক্ষা করাই উত্তম।

যেসব লক্ষণ দেখা দিলে দ্রুত চিকিৎসকের পরামর্শ নিন

✂️অতিরিক্ত হৃদস্পন্দন

✂️বুক ধড়ফড় করা

✂️হাত কাঁপা

✂️অস্বাভাবিক ওজন কমে যাওয়া

✂️অতিরিক্ত দুর্বলতা

✂️শ্বাসকষ্ট

✂️গর্ভধারণের পরিকল্পনা বা গর্ভাবস্থা

কিছু প্রচলিত ভুল ধারণা

❌ একদিন ওষুধ খেতে ভুলে গেলে কী করবেন?

উত্তর: মনে পড়লে একই দিন যত দ্রুত সম্ভব খেয়ে নিন। পরদিন দ্বিগুণ ডোজ খাবেন না, যদি না চিকিৎসক ভিন্ন নির্দেশ দেন।

❌ “থাইরয়েডের ওষুধ কিছুদিন খেলেই বন্ধ করা যায়।”

উত্তর: অধিকাংশ হাইপোথাইরয়েডিজম রোগীর ক্ষেত্রে এটি দীর্ঘমেয়াদি, অনেক সময় আজীবনের চিকিৎসা।

❌ “হারবাল বা প্রাকৃতিক ওষুধ থাইরয়েড ভালো করে দেয়।”

উত্তর: এ দাবির পক্ষে নির্ভরযোগ্য বৈজ্ঞানিক প্রমাণ নেই।

❌ “আয়োডিন বেশি খেলেই থাইরয়েড ভালো হবে।”

উত্তর: অপ্রয়োজনীয় আয়োডিন অনেক ক্ষেত্রে ক্ষতিকর হতে পারে। চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া আয়োডিন সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করবেন না।

মনে রাখবেন, থাইরয়েডের ওষুধ সফলভাবে কাজ করার ৫টি মূলমন্ত্র:

👉প্রতিদিন একই সময়ে খালি পেটে থাইরক্সিন খান।

👉ওষুধের পরে ৩০-৬০ মিনিট কিছু খাবেন না।

👉ক্যালসিয়াম, আয়রন, ম্যাগনেসিয়াম ও অ্যান্টাসিড অন্তত ৪ ঘণ্টা পরে নিন।

👉নিয়মিত TSH পরীক্ষা করুন।

👉চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া কখনোই ওষুধের ডোজ পরিবর্তন বা বন্ধ করবেন না।

বিভিন্ন Randomized Clinical Trial এবং Meta-analysis-এ দেখা গেছে, সকালে খালি পেটে অথবা রাতে ঘুমানোর আগে খালি পেটে Levothyroxine খেলে TSH নিয়ন্ত্রণে উল্লেখযোগ্য পার্থক্য নেই, যদি রোগী সঠিক নিয়ম মেনে ওষুধ খান। কিছু গবেষণায় রাতে খেলে TSH সামান্য ভালো নিয়ন্ত্রণে থাকারও ইঙ্গিত পাওয়া গেছে, যদিও সব গবেষণায় একই ফল পাওয়া যায়নি। তাই বর্তমানে মূল বিষয় হলো consistency, অর্থাৎ প্রতিদিন একইভাবে ওষুধ খাওয়া। রাতে ওষুধ খেলে অবশ্যই রাতের খাবারের অন্তত ৩-৪ ঘণ্টা পরে এবং খালি পেটে গ্রহণ করতে হবে।

কোন রোগীদের জন্য রাতে খাওয়া ভালো বিকল্প হতে পারে?

🤔 যারা সকালে চা বা নাস্তা না খেয়ে থাকতে পারেন না।
🤔 যাদের অনেক সকালে একাধিক ওষুধ খেতে হয়।
🤔 যারা শিফট ডিউটি করেন বা সকালে নিয়ম মেনে ওষুধ খাওয়া কঠিন হয়।

আমার পরামর্শ:

যদি রোগী সকালে খালি পেটে ৩০-৬০ মিনিট অপেক্ষা করে ওষুধ খেতে পারেন, তাহলে সেটিই প্রথম পছন্দ।

কিন্তু যদি এটি নিয়মিত সম্ভব না হয়, তাহলে রাতে খাবারের অন্তত ৩-৪ ঘণ্টা পরে, ঘুমানোর আগে প্রতিদিন একই সময়ে Levothyroxine খাওয়া একটি বৈজ্ঞানিকভাবে গ্রহণযোগ্য এবং গাইডলাইনসম্মত বিকল্প।

শেষ কথা

হাইপোথাইরয়েডিজম একটি নিয়ন্ত্রণযোগ্য রোগ। সঠিক নিয়মে থাইরক্সিন সেবন, স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, নিয়মিত ব্যায়াম এবং সময়মতো TSH পরীক্ষা করলে অধিকাংশ রোগী সম্পূর্ণ স্বাভাবিক, কর্মক্ষম ও সুস্থ জীবনযাপন করতে পারেন।

আপনার থাইরয়েডের যত্ন নিন, নিয়ম মেনে ওষুধ খান, সুস্থ থাকুন।

ধন্যবাদান্তে
ডা. এস এম সহিদুল ইসলাম

সূত্র:

1. Jonklaas J, et al. Guidelines for the Treatment of Hypothyroidism. Thyroid. 2014;24(12):1670-1751.
2. Jonklaas J, Razvi S. Evidence-Based Use of Levothyroxine in Hypothyroidism. Endocrine Reviews. 2021;42(3):366-408.
3. Jameson JL, et al. Williams Textbook of Endocrinology. 14th Edition. Elsevier; 2020.
4. Ralston SH, et al. Davidson’s Principles and Practice of Medicine. 24th Edition. Elsevier; 2022.
5. Garber JR, et al. Clinical Practice Guidelines for Hypothyroidism in Adults. Endocrine Practice. 2012;18(6):988-1028.

গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস, ইনসুলিন এবং “ইনসুলিন নিলে বাচ্চা বড় হয়ে যায়” বিতর্ক: চিকিৎসাবিজ্ঞান আসলে কী বলে?ইদানীং গর্ভকালীন ...
11/08/2026

গর্ভাবস্থায় ডায়াবেটিস, ইনসুলিন এবং “ইনসুলিন নিলে বাচ্চা বড় হয়ে যায়” বিতর্ক: চিকিৎসাবিজ্ঞান আসলে কী বলে?

ইদানীং গর্ভকালীন ডায়াবেটিস এবং ইনসুলিন ব্যবহার নিয়ে বেশ কিছু আলোচনা ও বিতর্ক চোখে পড়ছে। বিশেষ করে একটি কথা প্রায়ই বলা হচ্ছে, “গর্ভাবস্থায় ইনসুলিন নিলে বাচ্চা অনেক বড় হয়ে যায়।”

আবার অনেকে বলছেন, C-peptide, fasting insulin কিংবা insulin resistance না দেখে শুধু blood sugar বেশি হওয়ার কারণে insulin শুরু করা কতটা যৌক্তিক?

বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ। কারণ এখানে শুধু মায়ের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ নয়, গর্ভের শিশুর সুস্থতাও জড়িত।

তাই ব্যক্তিগত মতামত বা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রচলিত ধারণার পরিবর্তে physiology, medical science এবং বর্তমান clinical guideline-এর আলোকে বিষয়টি একটু গুছিয়ে লেখার চেষ্টা করলাম।

প্রথমে বুঝতে হবে, গর্ভাবস্থায় কী পরিবর্তন হয়

গর্ভাবস্থায় মায়ের অমরা (placenta) থেকে থেকে এমন কিছু হরমোন তৈরি হয়, যেগুলো স্বাভাবিকভাবেই মায়ের শরীরে insulin resistance বাড়ায়। ফলে আগে যে পরিমাণ ইনসুলিনে রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণে থাকত, গর্ভাবস্থার অগ্রগতির সঙ্গে সেটি যথেষ্ট নাও হতে পারে। কারও অগ্ন্যাশয় অথবা প্যানক্রিয়াস অতিরিক্ত ইনসুলিন তৈরি করে পরিস্থিতি সামলে নেয়, আবার কারও পক্ষে তা সম্ভব হয় না। তখন gestational diabetes বা আগে থেকে থাকা diabetes-এর glucose control খারাপ হতে পারে।

এটাই gestational diabetes বা গর্ভকালীন ডায়াবেটিস -এর physiology-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ। ACOG-ও pregnancy hormones-এর কারণে insulin resistance এবং সেই তুলনায় পর্যাপ্ত insulin তৈরি করতে না পারাকে gestational diabetes তৈরির মূল mechanism হিসেবে ব্যাখ্যা করে। #

তাহলে C-peptide, fasting insulin বা HOMA-IR-এর ভূমিকা কী?

C-peptide আমাদের ধারণা দেয় pancreas থেকে শরীর নিজে কতটা insulin তৈরি করছে।

Fasting insulin এবং HOMA-IR insulin resistance সম্পর্কে কিছু ধারণা দিতে পারে।

কিন্তু এখানে একটি বিষয় পরিষ্কারভাবে বোঝা দরকার:

শরীরে insulin আছে আর সেই insulin বর্তমান metabolic demand অনুযায়ী glucose নিয়ন্ত্রণ করতে পারছে, এই দুটি এক বিষয় নয়।

ধরুন, একজন গর্ভবতী নারীর C-peptide ভালো। Fasting insulin-ও কম নয়। এমনকি তার insulin resistance-ও আছে।

তারপরও যদি fasting এবং খাবারের পরের glucose pregnancy target-এর ওপরে থেকে যায়, তাহলে শুধুমাত্র “আমার শরীরে তো যথেষ্ট insulin আছে” বলে elevated glucose উপেক্ষা করা যৌক্তিক নয়।

Pregnancy diabetes management-এর মূল therapeutic target হচ্ছে maternal glucose control, শুধু fasting insulin বা C-peptide-এর একটি সংখ্যা নয়।

বর্তমান guideline-এও gestational diabetes-এর treatment escalation মূলত blood-glucose profile, diet-exercise-এর response এবং clinical circumstances অনুযায়ী করা হয়। NICE সরাসরি glucose profile অনুযায়ী treatment individualise করার পরামর্শ দেয়।

Lifestyle modification কি প্রথমে করা উচিত?

অবশ্যই, উপযুক্ত ক্ষেত্রে।

সঠিক খাদ্যাভ্যাস, carbohydrate-এর পরিমাণ ও distribution ঠিক করা, প্রয়োজনীয় physical activity, ওজন ও glucose monitoring অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

অনেক gestational diabetes শুধু lifestyle modification দিয়েই ভালোভাবে নিয়ন্ত্রণ করা সম্ভব।

কিন্তু lifestyle modification মানে অনির্দিষ্টকাল অপেক্ষা করে elevated glucose চলতে দেওয়া নয়।

যদি যথাযথ diet ও exercise করার পরও glucose pregnancy target-এ না আসে, তখন প্রয়োজন অনুযায়ী pharmacological treatment দরকার হতে পারে।

উদাহরণ হিসেবে NICE guideline-এ gestational diabetes-এ উপযুক্ত ক্ষেত্রে প্রথমে diet ও exercise trial এবং ১-২ সপ্তাহের মধ্যে target অর্জিত না হলে treatment escalation-এর কথা বলা হয়েছে। নির্দিষ্ট পরিস্থিতিতে insulin শুরু করারও সুস্পষ্ট recommendation রয়েছে।

কোন রোগীর metformin উপযুক্ত, কার insulin প্রয়োজন এবং কখন থেকে প্রয়োজন, সেটি অবশ্যই তার obstetrician/endocrinologist রোগীর সামগ্রিক অবস্থা দেখে নির্ধারণ করবেন।

Pregnancy-তে glucose target এত কঠোর কেন?

কারণ মায়ের blood glucose এবং গর্ভের শিশুর metabolic environment পরস্পরের সঙ্গে সম্পর্কিত।

NICE-এর বহুল ব্যবহৃত pregnancy target অনুযায়ী, problematic hypoglycemia না হলে সাধারণত লক্ষ্য রাখা হয়:

Fasting glucose < 5.3 mmol/L
1 hour after meal < 7.8 mmol/L
অথবা
2 hours after meal < 6.4 mmol/L।

তবে target অবশ্যই রোগীভেদে চিকিৎসকের সঙ্গে individualise করা উচিত।

এবার সবচেয়ে আলোচিত প্রশ্ন: “Insulin নিলে কি বাচ্চা বড় হয়ে যায়?”

এখানেই সবচেয়ে বেশি ভুল বোঝাবুঝি হচ্ছে।

Insulin নেওয়ার কারণে বাচ্চা বড় হয়, এমন সরল cause-and-effect ব্যাখ্যা সঠিক নয়। বরং uncontrolled maternal hyperglycemia নিজেই fetal overgrowth বা macrosomia-এর গুরুত্বপূর্ণ কারণ।

Mechanism-টা সহজভাবে বোঝা যাক:

মায়ের blood glucose বেশি

বেশি glucose placenta অতিক্রম করে fetus-এর কাছে যায়

fetal pancreas বেশি insulin তৈরি করে

fetal insulin growth-promoting effect তৈরি করে

অতিরিক্ত fat deposition ও fetal growth হতে পারে

LGA/macrosomia-এর ঝুঁকি বাড়ে।

অর্থাৎ সমস্যাটির কেন্দ্রে অনেক ক্ষেত্রেই রয়েছে maternal hyperglycemia অর্থাৎ অনিয়ন্ত্রিত ডায়াবেটিস।

এ কারণেই diabetes থাকা মায়ের ক্ষেত্রে ভালো glucose control fetal macrosomia, birth trauma, neonatal hypoglycemia-সহ বিভিন্ন complication-এর ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে বলে clinical guideline-এ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।

তাহলে insulin নেওয়া মায়েদের মধ্যে বড় বাচ্চা বেশি দেখা যায় কেন?

এখানে association এবং causation আলাদা করতে হবে।

যাদের glucose তুলনামূলক বেশি, insulin resistance বেশি অথবা lifestyle modification দিয়ে target অর্জিত হচ্ছে না, তাদেরই insulin প্রয়োজন হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।

একই group-এর uncontrolled বা inadequately controlled diabetes-এর কারণে fetal overgrowth-এর ঝুঁকিও তুলনামূলক বেশি হতে পারে।

তাই বাইরে থেকে শুধু দেখা গেল,

“মা insulin নিয়েছেন + বাচ্চা বড় হয়েছে”

এবং সেখান থেকে সিদ্ধান্ত নেওয়া হলো,

“insulin নেওয়ার কারণেই বাচ্চা বড় হয়েছে”

এটি বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক causal conclusion নয়।

বরং প্রশ্ন হওয়া উচিত, pregnancy-এর পুরো সময়টাতে maternal glucose কতটা নিয়ন্ত্রিত ছিল?

তাই আমার কাছে মূল বিষয়টি খুব পরিষ্কার

C-peptide, fasting insulin, insulin resistance, HbA1c, glucose profile, diet, exercise, gestational age, fetal growth, maternal weight এবং অন্যান্য clinical factor সবকিছুরই নিজস্ব গুরুত্ব আছে।

কিন্তু একটি পরীক্ষাকে আলাদা করে দেখে পুরো treatment decision নেওয়া ঠিক নয়।

বিশেষ করে C-peptide বা fasting insulin ভালো আছে বলে persistent maternal hyperglycemia-কে untreated রাখা উচিত নয়।

আবার উল্টো দিকে, একটি-দুটি glucose reading একটু বেশি হলেই নিজে থেকে insulin শুরু করাও ঠিক নয়।

চিকিৎসা হতে হবে individualised এবং glucose pattern-ভিত্তিক।

গর্ভাবস্থায় diabetes management-এর উদ্দেশ্য “যেকোনো মূল্যে insulin দেওয়া” নয়।

আবার উদ্দেশ্য “যেকোনো মূল্যে insulin এড়িয়ে চলা”ও নয়।

উদ্দেশ্য একটাই:

মা এবং গর্ভের শিশুকে নিরাপদ রেখে যথাসম্ভব physiological range-এর কাছাকাছি glucose control বজায় রাখা।

Lifestyle modification-এ যদি সেটি সম্ভব হয়, খুব ভালো।

আর lifestyle যথাযথভাবে অনুসরণের পরও যদি glucose বারবার pregnancy target-এর বাইরে থাকে, তখন শুধুমাত্র insulin-এর ভয় বা “insulin নিলে বাচ্চা বড় হয়ে যাবে” এই ধারণার কারণে প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পিছিয়ে দেওয়া বৈজ্ঞানিকভাবে সমর্থিত নয়।

বরং আমাদের মনে রাখা উচিত:

ইনসুলিনকে ভয় পাওয়ার চেয়ে uncontrolled hyperglycemia-কে গুরুত্ব দেওয়া বেশি প্রয়োজন।

আর pregnancy-তে diabetes-এর চিকিৎসা Facebook-এর পোস্ট, একটি laboratory value কিংবা কারও ব্যক্তিগত চিকিৎসা পদ্দজতি, অবৈজ্ঞানিক চিকিৎসা অথবা অভিজ্ঞতা দেখে নয়, বরং glucose profile, মা ও শিশুর অবস্থা এবং evidence-based guideline বিবেচনায় obstetrician ও diabetes specialist অথবা EndocrinoloEndocrinologist -এর তত্ত্বাবধানে হওয়াই উচিত।

তথ্যসূত্র: American College of Obstetricians and Gynecologists (ACOG) এবং NICE Guideline: Diabetes in pregnancy: management from preconception to the postnatal period।

Address

Dhanmondi
Dhaka
1207

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr S M Shahidul Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr S M Shahidul Islam:

Shortcuts

Share