Problem - Idea - Solve

Call Directions

Problem - Idea - Solve Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Problem - Idea - Solve, Dhaka.

28/06/2020

😂
👈👕👉
👖
পারলে বানিয়ে দেখাও! কে কে পারবা বন্ধুরা?

বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসনপরীক্ষার আগের রাতে তার একটিচারকেবলেছিলেন:"কাল আমার পরীক্ষা,অথচ এটাআমার কাছে তেমন কিছু না।কারনপরী...
08/06/2020

বিজ্ঞানী টমাস আলভা এডিসন
পরীক্ষার আগের রাতে তার এক
টিচারকে
বলেছিলেন:
"কাল আমার পরীক্ষা,অথচ এটা
আমার কাছে তেমন কিছু না।কারন
পরীক্ষার খাতার কয়েকটি পাতা
আমার ভবিষ্যত নির্ধারন করতে পারে
না।
তুমি পাশ করতে পারো নাই তো কি
হয়েছে?
নিউটন,আইনস্টাইন,আব্রাহাম
লিংকন,বিল গেটস,রবীন্দ্রনাথ, মহাত্না
গান্ধী এদের মত অনেক বিখ্যাত মনিষী
এসব কাগজ কলমের পরীক্ষায় পাশ করতে
পারে নাই।
আমাদের জাতীয় কবি নজরুল তো
কলেজে পড়ার সুযোগ পাননি।
অথচ আজ নজরুলের লেখা কবিতা
বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়ানো হচ্ছে। আবার
অনেকেই কলেজে ভর্তি হয়ে পাশ
করতে পারে নাই (যেমন বিল গেটস)
পদার্থ বিজ্ঞানের বরপুত্র স্যার আলবার্ট
আইনস্টান এন্টাস(বর্তমান SSC)পাশ
করেছিলেন তিনবার পরীক্ষা দিয়ে।
ছোটবেলায় আইনস্টাইনের এক
শিক্ষক তার বাবাকে দেওয়া এক
চিঠিতে
লিখেছিলেন;
"আপনার টমি(আইনস্টাইনের বাবা
তাকে আদর করে টমি নামে ডাকতেন)
এতটা বোকা যে ওকে
পড়ানো আমার পক্ষে সম্ভব নয়"।
বাবার খুব ইচ্ছা চিল টমিকে
ইন্জিনিয়ারিং পড়াবেন।কিন্তু
আইনস্টাইন গনিতে এত দুর্বল
ছিলেন বাবার শখের
ইন্জিনিয়ারিং পড়তে পারেন
নি।কিন্তু মাত্র ছয়
বছর পরিশ্রমে এই বোকা টমি
হয়েছিলেন
পৃথিবীর শেষ্ঠ বিজ্ঞানীদের একজন।
লুকা ডি প্যাসিওলি কে তার
মা প্রায় সময় বাজার করার
জন্য পাঠাতেন।লুকা
এতটাই কম হিসাব জানতেন
মাকে ঠিকমত বাজারের
হিসাব দিতে পারতেন না।এজন্য
প্রতিদিন মায়ের মার খেতেন।
কিন্তু পরবর্তীতে বাজারের হিসাব
দিতে না পারা ছেলেটি আধুনিক
হিসাব
বিজ্ঞানের জনক।
হয়তবা তোমার ব্যর্থতার মাঝে
লুকিয়ে আছে সাফল্যের বীজ।
শোককে শক্তিতে পরিনত কর।
একদিন তুমি পারবে জয় করতে।
👊 ✊ ✊

:::::মধুর কিছু উপকারিতা::::—মধু ফ্যাট কমায়, ফলে ওজন কমে।—মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি।তাই মধু সহজে হজম হয়।—চোখের জন্য ভাল...
03/06/2020

:::::মধুর কিছু উপকারিতা::::
—মধু ফ্যাট কমায়, ফলে ওজন কমে।
—মধু প্রাকৃতিকভাবেই মিষ্টি।
তাই মধু সহজে হজম হয়।
—চোখের জন্য ভালো।
—গলার স্বর সুন্দর করে।
—শরীরের ক্ষত দ্রুত সারায়।
—আলসার সারাতে সাহায্য করে।
—নালীগুলো পরিষ্কার করে।
—ঠাণ্ডা লাগলে জ্বর, গলাব্যথায় ভালো ওষুধ হিসেবে কাজ করে।
—মধু এন্টি অক্সিডেন্ট, যা ত্বকের রং ও ত্বকসুন্দর করে। ত্বকের ভাঁজ পড়া ও বুড়িয়ে যাওয়া রোধ করে।
—বুদ্ধিবৃত্তি বাড়ায়।
—শরীরের সামগ্রিক শক্তি বাড়ায়|
√ বিঃদ্রঃ- পোষ্টটা কেমন লেগেছে আপনার? কমেন্ট (Comment) করতে ভূলবেন না। আপনার যদি লিখতে কষ্ট হয়, তাহলে সংক্ষেপে T= (thanks).
G= (good).
B= (bad).
N= (nice).
O=(osthisr).
লিখে কমেন্ট করবেন।
তাহলে পরে আর ভাল পোষ্টে নিয়ে হাজির হব ।
(নিয়মিত গুরুত্বপূর্ণ তথ্য পেতে, লাইক কমেন্ট ও
শেয়ার করে সাথে থাকুন)

সাবধান !!অন্ধকারে লিচু খাওয়া থেকে বিরত থাকুন..........
03/06/2020

সাবধান !!
অন্ধকারে লিচু খাওয়া থেকে বিরত থাকুন..........

অসাধারন কিছু টিপস যা সবসময় আপনার উপকারে আসবেঃ==============================কাশি হলে দুই টুকরো দারুচিনি, একটি এলাচি, ২টি ...
03/06/2020

অসাধারন কিছু টিপস যা সবসময় আপনার উপকারে আসবেঃ
==============================
কাশি হলে দুই টুকরো দারুচিনি, একটি এলাচি, ২টি তেজপাতা, ২টি লবঙ্গ ও সামান্য চিনি পানিতে ফুটিয়ে ছেঁকে নিন; হালকা গরম অবস্থায় এই পানি খেলে কাশি ভাল হবে।

দাঁতের গোড়ায় ব্যথা হলে আক্রান্ত স্থানে সামান্য হলুদ লাগিয়ে দিন।

দাঁতের মাড়িতে ক্ষত হলে বা দাঁত থেকে রক্ত পড়লে জামের বিচি গুড়ো করে দাঁত মাজলে উপকার পাবেন।

মচকে গিয়ে ব্যথা পেলে চালতা গাছের পাতা ও মূলের ছাল সমপরিমাণ একসঙ্গে বেটে হালকা গরম করে ব্যথার জায়গায় লাগালে উপকার পাওয়া যায়।

ডালসহ পুদিনা পাতা ৭/৮ ঘন্টা পানিতে ভিজিয়ে রেখে সেই পানি ছেঁকে খেলে পেট ফাঁপা ভাল হয়।

অনেকের গায়ে ঘামের দুর্গন্ধ হয়। বেল পাতার রস পানির সঙ্গে মিশিয়ে গা মুছলে তা কমে।

মাথা ব্যথা হলে কালোজিরা একটা পুটলির মধ্যে বেঁধে শুকতে থাকুন; ব্যথা সেরে যাবে।

দই খুব ভাল এন্টাসিড হিসেবে কাজ করে৷ এসিডিটির সমস্যা শুরু হওয়া মাত্র তা কয়েক চামচ খেয়ে নিন।

গলায় মাছের কাঁটা আটকে গেলে অর্ধেকটা লেবু নিয়ে রস চুষে খেয়ে ফেলুন; কাঁটা নরম হয়ে নেমে যাবে।

ছুরি/দা/বটিতে হাত কেটে গেলে এক টুকরা সাদা কাগজ কাটা জায়গায় লাগান। রক্ত বন্ধ হবে।

হাই ব্লাড প্রেশার? ঘরেই আছে সমাধান।=========================হাই ব্লাড প্রেশারকে হাইপারটেনশনও বলা হয়। এই কন্ডিশন তখনি সৃ...
03/06/2020

হাই ব্লাড প্রেশার? ঘরেই আছে সমাধান।
=========================
হাই ব্লাড প্রেশারকে হাইপারটেনশনও বলা হয়। এই কন্ডিশন তখনি সৃষ্টি হয় যখন আর্টারিতে রক্তের অনেক প্রেশার থাকে। একজন ব্যক্তির ব্লাড প্রেশার রিডিং যখন ১৪০/৯০ mm Hg বা এর চেয়েও বেশি হয় তখন বলা হয় হাইপারটেনশন। একে “সাইলেন্ট কিলারও” বলা হয়ে থাকে।

কেননা যদি সঠিক সময়ে এর চিকিৎসা করা না হয় তাহলে হার্ট অ্যাটাক, স্ট্রোক এমনকি কিডনি ফেইলিওর-ও হতে পারে কিন্তু লক্ষণীয় কোন সিম্পটম্প দেখা যাবে না।

বর্তমানে এমন কোন একটি বাসা পাওয়া যাবে না যেখানে কোন একজন হাইপারটেনশনের রোগী নেই। প্রেশার হুটহাট বেড়ে যেতে পারে। সবার সিম্পটম এক না তবুও কমন কিছু সিম্পটম হলঃ
প্রচণ্ড মাথা ব্যথা করা, ঘাড় ব্যথা করা,বমি বমি ভাব হওয়া এমনকি বমিও হয়ে যাওয়া। আর খুব এক্সট্রিম হলে নাক দিয়ে রক্ত পড়তে পারে।যদিও ডাক্তার বিভিন্ন জনকে বিভিন্ন ওষুধ সেবনের পরামর্শ দিয়ে থাকেন তবুও খুব সিম্পল কিছু ন্যাচারাল উপাদান দ্বারা হাই ব্লাড প্রেশার কন্ট্রোল করতে পারেন। এইসব উপাদান গুলো কিচেন ইনগ্রেডিয়েন্স নামে পরিচিত, কেননা এসব উপাদান আমরা আমাদের কিচেন কেবিনেটই পেয়ে থাকি।

হাই ব্লাড প্রেশারের কিছু কারণঃ
০১. প্রতিদিন ৬ গ্রামের বেশি লবণ খাওয়া।
০২. অ্যালকোহল গ্রহণ করা।
০৩. প্রতিদিনের খাদ্য তালিকায় অনেক বেশি ক্যাফেইন জাতীয় খাদ্য /পানীয় থাকা।
০৪. নিয়মিত ব্যায়ামের অভ্যাস গড়ে না তোলা।
০৫. মেন্টাল স্ট্রেস।
০৬. অবেসিটি, যেহেতু হার্টকে অতিরিক্ত ব্লাড পাম্প করা লাগে।
০৭. বংশগত ভাবে অনেকেয় হাই ব্লাড প্রেশারের শিকার হয়ে থাকে।

কোন উপাদান কীভাবে ব্যবহার করবেন হাইপারটেনশন মোকাবেলা করার জন্যঃ
কলাঃ কলা এমন একটি ফল যা ব্লাড প্রেশারের রোগীরা প্রেশার কন্ট্রোল করার জন্য প্রতিদিন খেতে পারেন। কলাতে থাকা পটাসিয়াম প্রেসার নিয়ন্ত্রণে রাখতে সাহায্য করে। একই সাথে কলাতে সোডিয়ামের পরিমাণ কম উপরন্তু কোলেস্টেরল ফ্রি। হাইপারটেনশনের পাঠকেরা আপনারা প্রতিদিন একটি করে কলা খেতে পারেন।

রসুনঃ ২০১০ সালে অস্ট্রেলিয়াতে এক স্টাডিতে পাওয়া গিয়েছে যে রসুন প্রেশারের রোগীদের জন্য ওষুধ স্বরূপ কাজ করে, কারণ এটি প্রাকৃতিক ভাবেই কোলেস্টেরল কমিয়ে দেয় তাই প্রেশারও কমে যায়। চিবানো রসুন হাইড্রোজেন সালফাইড তৈরি করে, যা ব্লাড ফ্লো সঠিক রাখে, গ্যাস দূর করে এবং হার্টের উপর থেকে প্রেশার কমিয়ে আনে। প্রতিদিন রান্না অথবা কাঁচা এক কোয়া রসুন আপনার জন্য যথেষ্ট।

কাঁচা বাদামঃ কাঁচা বাদাম মানে যে বাদামটি বালুতে ভাঁজা হয়নি। প্রতিদিন ৪-৫ টি কাঁচা বাদাম আপনাকে রাখবে প্রেশার থেকে কয়েকশ হাত দূরে। কাঁচা বাদামে আছে monosaturated ফ্যাট। প্রমাণিত হয়েছে এই ফ্যাট রক্তের কোলেস্টেরল কমিয়ে আনে সেই সঙ্গে arterial inflammation ও কমিয়ে দেয়। ফলশ্রুতিতে আপনি থাকেন লোয়ার ব্লাড প্রেসার লেভেলের আওতায়।

ডাবের পানিঃ ডাবের পানিতে আছে পটাশিয়াম, ইলেক্ট্রোলাইট এবং অন্যান্য নিউট্রিয়েণ্ট। কিছুদিন আগে West Indian Medical Journal এ পাবলিশ হওয়া একটি স্টাডিতে দেখা গেছে স্টাডিতে অংশ নেয়া ৭১% সিসষ্টলিক প্রেশার কমে গিয়েছিল আর ২৯ জনের ডায়াষ্টলিক প্রেশার কমে গিয়েছিলো নিয়মিত ডাবের পানি পান করার কারণে।

হলুদঃ অনেকেই হয়ত জানি না এর আরেক নাম কারকিউমিন। এর অনেক গুলো গুণের মধ্যে একটি হল এটি সারা শরীরের ইনফ্লামেসন দূর করে। ইনফ্লামাসনের প্রাথমিক কারণ হিসেবে হাই কোলেস্টেরল এমনকি হাই ব্লাড প্রেশারকে দায়ি করা হয়। হলুদ ব্লাড ভেসেল শিথিল করে। এটি ব্লাড থিনার-ও, যা হাইপারটেনশনের সাথে ফাইট করার আরেকটি শক্তিশালী হার্ব।

ডার্ক চকলেটঃ প্রতিদিন অল্প অল্প ডার্ক চকলেট খান আর হাই ব্লাড প্রেশার থেকে দূরে থাকুন। আরেকটি সুখবর হল ডার্ক চকলেট খেলে মোটা হওয়ার কোন ভয় নেই। এই চকলেটে আছে কোকো আর কোকোতে থাকা পলিফেনলস প্রেশার কমাতে সাহায্য করে। তবে খেয়াল রাখবেন পরিমাণ যেন খুবই কম হয়।

কালোজিরাঃ কালজিরার তেলে এমন কিছু উপাদান আছে যেগুলো কোলেস্টেরল আর ব্লাড প্রেশার কমাতে সাহায্য করে বলে প্রমাণিত হয়েছে। প্রতিদিন এক চা চামচ করে কালোজিরার তেল খান। যদি এই তেল খেতে আপনার খারাপ লাগে তাহলে জুস অথবা চায়ের সাথে মিশিয়েও খেতে পারেন।

লেবুর রসঃ হাইপারটেনশনের কন্ট্রোলের জন্য নিয়মিত লেবুর রস পানের অভ্যাস করুন। লেবু ব্লাড ভেসেল নরম করে এবং তাদের রিজিডিটি দূর করে। ফলে হাই ব্লাড প্রেশার কমে যায়। উপরন্তু লেবুতে থাকা ভিটামিন বি এর জন্য হার্ট ফেলুয়ার এর চান্স কমে যায়। যাদের হাই ব্লাড প্রেশার আছে তারা দিনে কয়েকবার লেবুর পানি পান করবেন।

পেঁয়াজের রসঃ প্রতিদিন একটি মাঝারি সাইজের কাঁচা পেঁয়াজ খান। এটি নার্ভাস সিস্টেমের জন্য টনিকের মত কাজ করে। এটি রক্ত পরিষ্কার করে, হার্টের কার্যকারিতা রক্ষণাবেক্ষণ করে এবং কোলেস্টেরল কমানোর মাধ্যমে প্রেশার কমিয়ে দেয়।

জেনে রাখা প্রয়োজন প্রসব পরিকল্পনা হচ্ছে:========≠========১) কোথায় প্রসব হবে তা নির্ধারণ করা২) প্রয়োজনীয় অর্থ সঞ্চয় করা৩)...
03/06/2020

জেনে রাখা প্রয়োজন প্রসব পরিকল্পনা হচ্ছে:
========≠========
১) কোথায় প্রসব হবে তা নির্ধারণ করা
২) প্রয়োজনীয় অর্থ সঞ্চয় করা
৩) জরুরী যানবাহন ঠিক করে রাখা
৪) রক্তের গ্রুপ জানা ও রক্তদাতা প্রস্তত রাখা

আর নয় খুশকির যন্ত্রণা!ছেলে-মেয়ে সবারই মাথায় খুশকি হতে পারে। চুলে খুশকি থাকলে অস্বস্তি হয়। শ্যাম্পু করলেও চুলে উজ্জ্ব...
03/06/2020

আর নয় খুশকির যন্ত্রণা!

ছেলে-মেয়ে সবারই মাথায় খুশকি হতে পারে। চুলে খুশকি থাকলে অস্বস্তি হয়। শ্যাম্পু করলেও চুলে উজ্জ্বল লাগেনা। এখন প্রায়ই বৃষ্টি হচ্ছে এ সময়ে খুশকি সমস্যা প্রকট আকার ধারণ করে। সবসময় পার্লারে গিয়ে পরিচর্যা করা সম্ভব হয় না। তাই খুশকি দূর করার কিছু ঘরোয়া উপায় জেনে নিন:

বৃষ্টির পনিতে চুল ভিজে গেলে যত তাড়াতাড়ি সম্ভব মাথা মুছে চুল শুকিয়ে নিন

শ্যাম্পু করার আগে চুল ভিজিয়ে নিন এবং চুলে অল্প করে লবণ ঘষুন

মেথি সারারাত পানিতে ভিজিয়ে বেটে চুলের গোড়ায় লাগিয়ে আধঘণ্টা রেখে অ্যান্টি ড্যানড্রাফ শ্যাম্পু বা রিঠা দিয়ে চুল ধুয়ে ফেলুন

বিট সিদ্ধ করে সেই পানি দিয়ে প্রতিদিন চুলের গোড়ায় ম্যাসাজ করুন উপকার পাবেন

রাতে শোয়ার আগে লেবুর রস ও আমলকীর রস মিশিয়ে মাথায় লাগান, সকালে শ্যাম্পু করে নিন
নারিকেল তেল বা অলিভ অয়েল গরম করে চুলের গোড়ায় ঘষে ঘষে লাগান

টক দইয়ের সঙ্গে পাতিলেবুর রস ও নিমপাতার রস মিশিয়ে মাথায় মেখে আধঘণ্টা পর শ্যাম্পু করুন

পেয়াজের রস, ডিমের সাদা অংশের সঙ্গে অর্ধেক পাতিলেবুর রস দিয়ে এক ঘণ্টা রেখে শ্যাম্পু করুন

অবশ্যই আলাদা তোয়ালে এবং চিরুনি ব্যবহার করুন
এগুলো নিয়মিত পরিষ্কার করুন।

সময় নেই এই অজুহাতে অবহেলা করলে খুশকির সমস্যা দিন দিন বাড়তেই থাকবে। আর মাথার খুশকি থেকে ব্রণের সমস্যাও দেখা দেয়। এর মানে একটি সমস্যা আরেকটি সমস্যা তৈরি করে। নিয়মিত চুলের যত্ন নিয়ে খুশকির উপদ্রব নিয়ন্ত্রণ করুন।

সুস্থ্য সুন্দর ত্বক এর জন্য প্রতিদিন যা করবেনত্বক(Skin) সুন্দর রাখতে আজ আপনাদের জানাবো এমন কয়েকটি অভ্যাসের কথা যা মেনে চ...
03/06/2020

সুস্থ্য সুন্দর ত্বক এর জন্য প্রতিদিন যা করবেন

ত্বক(Skin) সুন্দর রাখতে আজ আপনাদের জানাবো এমন কয়েকটি অভ্যাসের কথা যা মেনে চললে আপনি পাবেন একটি সুন্দর ত্বক(Skin)।

চলুন জেনে নেওয়া যাক। সুন্দর ত্বক(Skin) পেতে তেমন কষ্টও করতে হয় না এমন কিছু নিয়ম।

• সবসময় নিজের তোয়ালে ব্যবহার করুন। কখনো অন্যের তোয়ালে ব্যবহার করবেন না।

• যেকোন ধরণের কাপড় দিয়ে মুখ মুছবেন না। পারলে টিস্যু ব্যবহার করুন।

• রোদে থাকলে সম্ভব হলে কিছুক্ষণ পর পর মুখে পানির ঝাপটা দিন। এতে মুখ ফ্রেশ থাকবে আর মুখে ডার্ক স্পট বা কালো দাগ পড়বে না।

• গোসল করার তোয়ালে নিয়মিত ধুয়ে পরিষ্কার রাখুন।

• কিছুক্ষণ পর পর অযথা মুখে হাত দিবেন না। এতে হাতের ময়লা মুখে লেগে ব্রণ সৃষ্টি করতে পারে।

• বাইরে থেকে আসার পর হাত সাবান দিয়ে ধুয়ে পরিষ্কার করুন।

• মুখে ব্রণ পেকে গেলে কখনো ভাঙ্গতে যাবেন না। যেমন আছে তেমনটি রেখে দিন। কিছুদিন পর এমনিতেই চলে যাবে। আর বেশি করে পানি খাবেন।

• মুখের ত্বক (Skin) মসৃণ রাখতে নিয়মিত পরিষ্কার করুন।

• অতিরিক্ত প্রসাধনী লাগাবেন না। মনে রাখবেন এতে করে আপনার ত্বক এর আরও ক্ষতি হতে পারে।

• ত্বক এর যত্নে শুধু খাবার কিংবা প্রসাধনী নয়, দৈনন্দিন জীবনে কিছু অভ্যাস আয়ত্ত্বে নিয়ে আসা জরুরি। তাই সুন্দর ত্বকের জন্য মেনে চলুন এ অভ্যাসগুলো।

• গরম পানির ভাপ নিলে ত্বক এর কোষের মুখ খুলে গিয়ে মৃত কোষ দূর হয়। তিনদিন এটি করলে ত্বক এর দারুণ উন্নতি হবে। ত্বক ভালো করার এটি একটি অন্যতম উপায়। তাই ত্বক কে দ্রুত ভালো করতে এই পদ্ধতিগুলো ব্যবহার করতে পারেন।

খালি পেটে পানি পান করার বিস্ময়কর ৮ উপকারিতাপানি জীবনের জন্য অত্যাবশ্যকীয় একটি উপাদান। স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য এবং শরীর...
03/06/2020

খালি পেটে পানি পান করার বিস্ময়কর ৮ উপকারিতা

পানি জীবনের জন্য অত্যাবশ্যকীয় একটি উপাদান। স্বাস্থ্য ভালো রাখার জন্য এবং শরীরের প্রতিটি অঙ্গের কাজ ঠিক ভাবে সম্পন্ন হওয়ার জন্য পানি প্রয়োজন। বৈজ্ঞানিক ভাবেও বিভিন্ন ধরণের দৈহিক সমস্যার জন্য পানি উপকারী প্রতিকার হিসেবে প্রমাণিত হয়েছে। খালি পেটে পানি পান করার বিস্ময়কর উপকারিতার বিষয়েই জানবো এই ফিচারে।

১। দেহকে বিষমুক্ত হতে সাহায্য করে: পানি পান করলে শরীরের বর্জ্য নিষ্কাশন সহজ ভাবে সম্পন্ন হয়। রাতের বেলায় শরীর নিজেই নিজের মেরামতের কাজ সম্পন্ন করে এবং বিষাক্ত পদার্থগুলোকে একত্র করে। সকালে যখন খালি পেটে পানি পান করা হয় তখন এই বিষাক্ত উপাদানগুলো শরীর থেকে বের করে দেয়। এছাড়াও পর্যাপ্ত পানি পান করলে পেশীর কোষের উৎপাদন বৃদ্ধি পায় এবং নতুন রক্ত কোষ উৎপন্ন হয়।

২। বিপাকের উন্নতি ঘটায়: খালি পেটে পানি পান করলে বিপাকের হার ২৪ শতাংশ পর্যন্ত বৃদ্ধি পায়। বিপাকের হার বৃদ্ধি পাওয়ার অর্থ পরিপাক প্রক্রিয়ার ও উন্নতি হওয়া। আপনার পরিপাক যদি দ্রুত হয় তাহলে ডায়েট রুটিন অনুসরণ করাও সহজ হবে। ঘুম থেকে জেগেই পানি পান করলে কোলন পরিষ্কার হয় এবং শরীরের জন্য পুষ্টি উপাদান শোষণ করা সহজ হয়।

৩। ওজন নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে: সকালে খালি পেটে পানি পান করলে বিষাক্ত পদার্থ শরীর থেকে বের হয়ে যায় এবং পরিপাক তন্ত্রের ও উন্নতি ঘটে। পানি পান করলে পেট ভরার অনুভূতি পায় এবং ক্ষুধা কমে। এভাবেই বেশি খাওয়ার প্রবণতা কমে এবং ওজন বৃদ্ধি প্রতিহত হয়।
৪। বদহজম উপশম করে: পাকস্থলীর এসিডের পরিমাণ বৃদ্ধি পেলে বদহজম হয়। অন্যনালীতে এসিড রিফ্লাক্স হলে বুক জ্বালাপোড়ার সমস্যায় ভোগে। খালি পেটে পানি পান করলে এসিড নীচের দিকে চলে যায়।

৫। ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি করে: পানি শূন্যতার ফলে ত্বকে অকালেই বলিরেখার ছাপ পড়ে এবং ত্বকের ছিদ্রগুলো গভীর হয়। এক গবেষণায় দেখা গেছে যে, খালি পেটে ৫০০ মিলিলিটার পানি পান করলে ত্বকে রক্ত প্রবাহ বৃদ্ধি পায় এবং ত্বক উজ্জ্বল হয়।

৬। চুলকে চকচকে, মসৃণ এবং স্বাস্থ্যবান হতে সাহায্য করে: ডিহাইড্রেশন চুলের উপর মারাত্মক প্রভাব ফেলে। পানি ভেতর থেকে চুলকে পুষ্টি সরবরাহ করে। অপর্যাপ্ত পানি পান করলে চুল পাতলা হয়ে যায় এবং চুলের আগা ফেটে যায়। প্রতিদিন খালি পেটে পানি পান করলে চুলের মান উন্নত হয়।

৭। কিডনির পাথর হওয়া প্রতিরোধ করে: ঘুম থেকে জেগেই পানি পান করলে কিডনিতে পাথর হওয়া এবং মূত্রথলির ইনফেকশন হওয়া প্রতিরোধ করে। খালি পেটে পানি পান করলে পাকস্থলীর এসিড পাতলা হতে সাহায্য করে। এই এসিড কিডনির পাথর সৃষ্টির জন্য দায়ী। পর্যাপ্ত পরিমাণ পানি পান করলে টক্সিনের দ্বারা সৃষ্ট বিভিন্ন ধরণের ব্লাডার ইনফেকশন থেকে রক্ষা পাওয়া যায়।

৮। ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে: খালি পেটে পানি পান করলে লিম্ফেটিক সিস্টেমের ভারসাম্য রক্ষা করতে সাহায্য করে। যা ইমিউনিটির মাত্রা বৃদ্ধিতেও সাহায্য করে। শক্তিশালী ইমিউন সিস্টেম বিভিন্ন ধরণের রোগ থেকে রক্ষা করে এবং প্রায়ই অসুস্থ হওয়া প্রতিরোধ করে।

সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করার কিছু কৌশলঃযেকোন বাবা-মা চান তার সন্তান আত্মবিশ্বাসী হোক, নিজেকে চিনুক, নিজেকে বিশ্বাস ক...
03/06/2020

সন্তানের আত্মবিশ্বাস বৃদ্ধি করার কিছু কৌশলঃ

যেকোন বাবা-মা চান তার সন্তান আত্মবিশ্বাসী হোক, নিজেকে চিনুক, নিজেকে বিশ্বাস করুক। কিন্তু ছোট্টবেলা থেকে অনেক বেশি পরনির্ভরশীলতার কারণে অনেক সময়েই মানুষ বড় হবার পরেও নিজের ওপর বিশ্বাস রাখতে পারেনা এবং পরবর্তীতে এর প্রভাব পরে কর্মক্ষেত্রে। বাস্তব জীবনের সত্য হচ্ছে মানুষ আসলে খুবই একা। দিন শেষে নিজের ছোট ছোট কাজের জন্যেও অন্যের ওপর নির্ভর করা কিংবা অন্যের মন্তব্যকে কেন্দ্র করে জীবন যাপন করা কেবল কর্মজীবনেই নয়, ব্যক্তিগত জীবনেও একজন মানুষকে অন্যের চোখে করে তোলে হাস্যকর। তৈরি করে আরো অনেক বেশি হীনমন্ন্যতা। দেখুন কিছু আত্মবিশ্বাসের কৌশলঃ

১. হেরে যেতে দিনঃ
বাবা-মা কখনোই চান না সন্তান হেরে যাক। আর তাই অনেকেই বুক দিয়ে আগলে রাখেন সন্তানকে। সাহায্য করেন জিততে। এটা ঠিক যে বাবা-মা হিসেবে আপনার না ইচ্ছে করতেই পারে যে সন্তান হেরে গিয়ে কষ্ট পাক। কিন্তু মনে রাখবেন যে হারের মাধ্যমেই মানুষ শেখে। বড় হয়। একবার হারলে মানুষ হারকে মোকাবেলা করার শক্তি পায়। তাই সন্তান কষ্ট পেয়ে কাঁদলে বা হেরে গিয়ে মন খারাপ করলে তাকে সেখান থেকে সরে আসতে না বলে মুখোমুখি হবার সাহস দিন। হয়তো সে আবার হারবে।

২. দায়িত্ব নিতে দিনঃ
আমাদের সমাজে সন্তান কি করবে না করবে সেসবের সিদ্ধান্ত অনেকখানি তার মা-বাবাই নিতে চান। কিন্তু সবচাইতে ভালো হয় যদি আপনার সন্তানকে তার জীবনের সিদ্ধান্ত আপনি নিজেই নিতে দেন এতে করে সন্তান নিজের সিদ্ধান্ত নেবার মতো মানসিক শক্তি অর্জন করবে আর যে কোন কাজের ফলাফল কেমন হতে পারে সে সম্পর্কেও ধারণা পাবে।

৩. সাহায্য করতে অনুপ্রেরণা দিনঃ
যেকোন শিক্ষা ঘর থেকেই শুরু হওয়া উচিত। আর তাই আত্মবিশ্বাস বাড়ানোর জন্যে ঘরের কাজকর্মে সাহায্য করতে অনুপ্রেরণা দিন সন্তানকে। হতে পারে সেখানে প্রতিযোগিতার ব্যাপারও থাকতে পারে। এতে করে আপনার সন্তানের প্রতিযোগিতামূলক মনোভাব আর সাহায্য করার ইচ্ছে নিজের ভেতরে ধারণ করবে।

৪. চ্যালেঞ্জ করুনঃ
সন্তানকে চ্যালেঞ্জ করুন। হতে পারে সেটা ঘরের কোন ব্যাপারে কিংবা স্কুলের কোন খেলায়। এতে করে সে শিখবে নিজের শক্তিতে কি করে আরো ভালো অবস্থানে যাওয়া যায় এবং তাও আর সবাইকে নিয়ে। আর সে ভালো কিছু করলে সেটাকে উদযাপনও করুন।

৫. দায়িত্ব দিনঃ
ঘরের ছোটখাটো ব্যাপারগুলোতে সন্তানকে দায়িত্ব দিন। সেটা হতে পারে বাইরে খেতে যাওয়া বা মুভি দেখার মতো বিষয়। এতে করে আপনার সন্তান সিদ্ধান্ত নেওয়ার সুযোগ পাবে।

৬. শখকে উত্সাহ দিনঃ
সন্তানের অনেক রকমের শখ থাকতে পারে। হতে পারে সেটা ডাকটিকিট সংগ্রহ করা কিংবা বই পড়া। তাকে নিজের শখকে ধরে রাখার ক্ষেত্রে উত্সাহ দিন। এতে করে সে মুক্তভাবে নিজের ইচ্ছেমতন কাজ করতে ও সেই ক্ষেত্রে অন্যদের সাথে প্রতিযোগিতামূলক কাজের মাধ্যমে চারপাশকে আরো ভালো করে জানার সুযোগ পাবে।

৭. সন্তানের কথা শুনুনঃ
হতে পারে সেটা ছোট কোন ব্যাপার কিংবা আপনি তার কথা পুরোপুরি বুঝতে পারছেন না। তবুও সন্তানের পুরো কথাটা মনযোগ দিয়ে শুনুন। তার কথা কেউ গুরুত্ব দিয়ে শুনছে এটা বুঝতে পারলে নিজের প্রতি নিজের আত্মবিশ্বাস বাড়বে তার। শুধু তাই নয়, শোনার পাশাপাশি আপনি নিজেও তাদেরকে বলুন আপনার কথাগুলো।

৮. সত্যিটা জানানঃ
হয়তো আপনার সন্তান অন্যদের চাইতে কিছু একটা কম পারে বা কোন দিক দিয়ে খানিকটা পিছিয়ে আছে। মোটেই তাকে বড় বড় কথা বলে মন ভারো করার চেষ্টা করবেন না। কারণ সেটা হয়তো খানিক সময়ের জন্যে তার মন ভালো করে দেবে। এর চাইতে বরং তাকে সত্যিটা বলুন যে আসলেই সে খানিকটা পিছিযে রয়েছে সেই ব্যাপারটাতে বন্ধুদের চাইতে এবং আরেকটু চেষ্টা করলে অনেক বেশি ভালো করতে পারবে।

৯. অন্যের সাথে তুলনা করবেন নাঃ
ভালো বা খারাপ কারো সাথেই সন্তানের তুলনা করতে যাবেন না সন্তানের। সেটা কেবল সন্তানকে অনেক সময় কষ্টই দেয়না। প্রশংসার অন্ধকারে তলিয়ে ফেলে যেখান থেকে সে নিজে কখনো বেরিয়ে আসতে পারেনা। আর তাই কেবল অন্য কারো ভালো বা খারাপ অবস্থানের কথা উল্লেখ করুন। তুলনা নয়। সেটা আপনার সন্তান নিজেই করে নেবে।

১০. পরিবারে গুরুত্ব দিনঃ
পরিবারের ছোট্ট সদস্য হলেও সে যে আপনাদের ভেতরে অনেকটা জায়গা জুড়ে রয়েছে এবং তার উপস্থিতি যে আপনাদের জন্যে অনেক বেশি গুরুত্বপূর্ণ সেটা বোঝাতে পারিবারিক যে কোন আলোচনাতেই সন্তানকে রাখুন। তাকেও নিজের মতামত প্রকাশ করার জায়গা দিন।

মানবদেহের অজানা ১০টি তথ্যপৃথিবীর সব চেয়ে জটিল গঠনতন্ত্র হচ্ছে মানবদেহ। এই মানবদেহ নিয়েই রয়েছে বেশ কিছু অজানা ও মজার তথ্য...
03/06/2020

মানবদেহের অজানা ১০টি তথ্য

পৃথিবীর সব চেয়ে জটিল গঠনতন্ত্র হচ্ছে মানবদেহ। এই মানবদেহ নিয়েই রয়েছে বেশ কিছু অজানা ও মজার তথ্য।

১. প্রত্যেক ব্যক্তিরই জিহবার ছাপ আলাদা,
আঙ্গুলের ছাপের মতো।

২. আমাদের মাথার খুলি ২৬ ধরণের ভিন্ন ভিন্ন হাড় দিয়ে তৈরি।

৩. একজন মানুষের চামড়ার ওপর রয়েছে ১ কোটি লোমকূপ।

৪. আ্পনি যদি ৭০ বছর বেঁচে থাকেন তবে এ সময় ৩০০ কোটিবার স্পন্দিত হবে হৃদপিন্ড।

৫. আমরা জন্মগ্রহণ করি ৩০০ হাড় নিয়ে কিন্তু প্রাপ্তবয়স্ক হওয়ার পর আমাদের দেহে ২০৬ টি হাড় থাকে।

৬. মানুষের দেহের সবচেয়ে শক্তিশালী পেশি হল জিহ্বা।

৭. চোখ খোলা রেখে হাঁচি দেওয়া সম্ভব নয়। হাঁচির সর্বোচ্চ গতি ঘণ্টায় ১৬৫ কিলোমিটার।

৮. সারাজীবনে ১০ হাজার টন লালা উৎপন্ন করে লালাগ্রন্থি।

৯. ১৮ বছর বয়সে মানুষের মস্তিস্কের গঠন বন্ধ হয়ে যায়। এরপর থেকে প্রায় ১ হাজার নিউরন নষ্টও হয়ে যেতে পারে। মানবদেহের মাত্র ২ শতাংশ ওজনের হলেও মস্তিস্ক শরীরের ২০ শতাংশ শক্তি ব্যবহার করে। মস্তিস্ক কখনোই বিশ্রাম করেনা, ঘুমের মধ্যেও কাজ করতে থাকে।

১০. মানবদেহের প্রতিটি কণাকে কোটি বছর পুরোনো বলে মনে করা হয়। এছাড়া দেহের ৭০ শতাংশই পানি।

Address

Dhaka
0088

Telephone

01761808008

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Problem - Idea - Solve posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share