Tamanna Pharmacy Uttara sector 12

Tamanna Pharmacy Uttara sector 12 Tamanna Pharmacy is a leading Model Pharmacy Brand in Bangladesh who serving the nation since 1980

09/11/2024
বর্তমানে অ্যালার্জির সমস্যা বেশিরভাগ মানুষের নিত্যদিনের ভোগান্তির একটি অন্যতম কারণ। ধুলাবালিতে অ্যালার্জি, খাবারে অ্যালা...
07/11/2024

বর্তমানে অ্যালার্জির সমস্যা বেশিরভাগ মানুষের নিত্যদিনের ভোগান্তির একটি অন্যতম কারণ। ধুলাবালিতে অ্যালার্জি, খাবারে অ্যালার্জি এমনকি কোনো কোনো ঔষধেও অ্যালার্জি হয়, যার কারণে জীবন সংশয়ও দেখা দিতে পারে। আছে আরও কত রকমের অ্যালার্জি! বর্তমানে ঘর থেকে বের হলেই ধুলায় ধূসরিত রাস্তায় চলতে হয়। ধুলা খেতে খেতেই ঘর থেকে বের হয় আবার ঘরে ঢোকে মানুষ! তাই অন্য সব অ্যালার্জির তুলনায় ধুলাবালির অ্যালার্জিতেই বেশি ভুগতে হচ্ছে। আজকে আমরা জানবো ডাস্ট অ্যালার্জি নিয়ে।

লক্ষণসমূহঃ

🔹অনবরত হাঁচি হতে থাকে
🔹নাক থেকে পানি ঝরতে থাকে
🔹চোখ চুলকায়, লাল হয়ে যায়
🔹চোখ থেকে ক্রমাগত পানি ঝরতে থাকে
🔹নাক বন্ধ হয়ে থাকে
🔹নাক, মুখ, গলা চুলকাতে পারে
🔹মুখের ভেতর তালু এবং গলার ভেতরেও চুলকাতে পারে
🔹খুশখুশে কাশি হয়
🔹চোখের নিচে ফুলে যেতে পারে
🔹শিশুদের ক্ষেত্রে বারবার নাক উপরের দিকে ঘষার প্রবণতা দেখা যায়

যদি অ্যালার্জির সাথে সাথে কারো অ্যাজমা বা হাঁপানি রোগও থেকে থাকে, তবে সেক্ষেত্রে উপরে উল্লেখিত লক্ষণগুলোর সাথে আরও কিছু প্রবলেম দেখা দিতে পারে। যেমন-

🔹শ্বাসকষ্ট হতে পারে
🔹বুকে চাপ ধরা ভাব বা ব্যথা থাকতে পারে
🔹শ্বাস ফেলার সময় বুক থেকে বাঁশির মত বা কখনও কখনও ঘড়ঘড় শব্দ হতে থাকে
🔹খুব ঘন ঘন শ্বাস নিতে হয়
🔹কাশি থাকলে রাতে ঘুমাতেও কষ্ট হয়ে যায়




ফ্রি হোম ডেলিভারি ❗️❗️❗️জরুরি মূহুর্তে ওষুধ অর্ডার করুন, ডেলিভারি নিন ঘরে বসেই।এখনই কল করুনঃ☎️01735-274378
06/11/2024

ফ্রি হোম ডেলিভারি ❗️❗️❗️

জরুরি মূহুর্তে ওষুধ অর্ডার করুন, ডেলিভারি নিন ঘরে বসেই।

এখনই কল করুনঃ
☎️01735-274378

সকালের নাস্তা ছাড়বেন না:আপনি যদি ওজন কমাতে চান, তাহলে যে কাজগুলো করতে পারেন সেগুলোর মধ্যে একটি হলো সময়মতো সকালের নাস্তা ...
05/11/2024

সকালের নাস্তা ছাড়বেন না:
আপনি যদি ওজন কমাতে চান, তাহলে যে কাজগুলো করতে পারেন সেগুলোর মধ্যে একটি হলো সময়মতো সকালের নাস্তা করা। নাস্তা না করলে উল্টো ওজন বেড়ে যেতে পারে। একটা স্বাস্থ্যকর নাস্তার উদাহরণ হতে পারে: ফল, কর্ণ ফ্লেক্স, টোস্ট, ডিম এবং দুধ।

ঠিকভাবে দাঁত ব্রাশ করুন:
অনেকেই জানেন না কীভাবে ঠিকমতো ব্রাশ করতে হয়। এতে দাঁতের এবং মাড়ির ক্ষতি হওয়ার সম্ভাবনা থাকে। পেন্সিল ধরার মতো করে টুথব্রাশ ধরুন এবং অন্তত ২ মিনিটের জন্য ব্রাশ করুন। দাঁত, মাড়ি, জিহ্বা সবকিছু ব্রাশ করতে হবে। নিয়মিত ডেন্টিস্ট এর কাছে যান।

পেঁয়াজ, রসুন গ্রহণ করুন:
পেঁয়াজ, রসুনে আছে সেই সকল উপাদান যেগুলো শরীরের জন্য অনেক উপকারী। এরা ব্লাড প্রেসার ও কোলেস্টরল কমায় এবং অনেক রোগের সম্ভাবনাও দূর করে। কেপ টাউনের চাইল্ড হেলথ্ ইন্সটিটিউট এর রিসার্চ অনুযায়ী কাঁচা রসুন চাইল্ডহুড ইনফেকশন রোধে ভূমিকা রাখে। তাপে আবার এদের গুনাবলি নষ্ট হয়ে যায়। তাই কাঁচা খাওয়াই ভালো।
হাঁড়ের যত্ন প্রতিদিন:
দুধ বা দই থেকে আপনার প্রতিদিনকার প্রয়োজনীয় ক্যালসিয়াম গ্রহণ করতে পারেন। এতে আপনার অস্থি শক্তিশালী হবে। ৩০ বছর বয়সের পরে আপনার অস্থির ঘনত্ব কমতে থাকে। একদম কম করে হলেও প্রতিদিন অন্তত ২০০ মি.গ্রা. ক্যালসিয়াম দরকার।
পরিমিত মসলাযুক্ত খাবার গ্রহণ:
ঝাল, মসলাদার খাবার গ্রহণে এনডোরফিন হরমোন নিঃসৃত হয়। এই হরমোন ব্যাথা দূর করে এবং ব্যায়ামের পর ভালো অনুভূতি দান করে। তবে, অতিরিক্ত মসলাযুক্ত খাবারের গ্রহণ পরিমিত সীমার মধ্যে রাখা উচিত।

ক্যান্সার প্রতিরোধে টমেটো:
টমেটোতে আছে লাইসোপিন, যা ক্যান্সার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এছাড়াও, এতে আছে প্রচুর পরিমাণে ভিটামিন সি। আর শুধু কাঁচা টমেটোই না, রান্না করা টমেটোও অনেক পুষ্টিকর।
পর্যাপ্ত ভিটামিন সি গ্রহণ:
প্রতিদিন আমাদের অন্তত ৯০ মি.গ্রা. ভিটামিন সি দরকার। ফ্রেশ ফলমূল আর শাকসবজি গ্রহণ করলেই এই চাহিদা পূরণ হয়ে যায়। কমলা আর পেয়ারা ভিটামিন সি এর ভালো উৎস হতে পারে।

ফলিক এসিড গ্রহণে অবহেলা নয়:
যাদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কম তাদের এবং গর্ভবতী মহিলাদের নিয়মিত ফলিক এসিড গ্রহণ করা উচিৎ। ফলিক এসিড গর্ভজাত বাচ্চাদের স্পাইনা বিফিডা হওয়ার থেকে বাঁচায়। ক্যান্সার প্রতিরোধেও এর ভূমিকা আছে। ফলিক এসিড পাওয়া যায় সবুজ শাকসবজি, ফল এবং কলিজায়।

ভিটামিন এ কে ভুলে যাওয়া যাবে না:
ভিটামিন এ এবং বিটা ক্যারোটিন মানব শরীরের ইমিউনিটি সিস্টেমকে শক্তিশালী করে। ভিটামিন এ এর উল্লেখযোগ্য উৎসগুলো হল: কলিজা, দুগ্ধজাত পণ্য, সবুজ এবং হলুদ শাকসবজি, আম ইত্যাদি।

পর্যাপ্ত পানি গ্রহণ:
ব্যায়ামের সময় কোনোভাবেই সফট্ ড্রিংকস্ বা এনার্জি ড্রিংকস্ খাওয়া উচিৎ নয়। বরং, শরীর হাইড্রেটেড রাখার জন্য পর্যাপ্ত পানি পান করতে হবে। জিমের ছোটো ছোটো এক্সারসাইজ সেশনে এনার্জি ড্রিংকস্ পান করলে শরীর ড্রিংকস্ থেকে পাওয়া গ্লুকোজ আগে বার্ন করবে। অর্থাৎ কষ্টের ব্যায়াম করার পরও আশানুরূপ ফল পাওয়া যাবে না।

চাইল্ডহুড ট্রমা কী ও কেন হয়মায়ের গর্ভে থাকার সময় থেকেই একটি শিশুর ট্রমা হতে পারে। গর্ভাবস্থায় মায়ের যদি কোনো ট্রমা হয়, ম...
04/11/2024

চাইল্ডহুড ট্রমা কী ও কেন হয়

মায়ের গর্ভে থাকার সময় থেকেই একটি শিশুর ট্রমা হতে পারে। গর্ভাবস্থায় মায়ের যদি কোনো ট্রমা হয়, মা যদি কোনো মানসিক বিপর্যয়ের দিকে যান, তখন সেটির প্রভাব গর্ভে থাকা শিশুর ওপরেও পড়ে।
জন্মের পর থেকে পরবর্তী শৈশব এবং কৈশোরে যত ধরনের শারীরিক, মানসিক অথবা যেকোনো ধরনের প্রতিকূল পরিস্থিতির মধ্যে শিশু পড়ে, তার প্রত্যেকটি অ্যাডভার্স চাইল্ডহুড এক্সপেরিয়েন্সেস বা প্রতিকূল শৈশব অভিজ্ঞতা। এই প্রতিকূল শৈশব অভিজ্ঞতাকেই সাধারণ ভাষায় বলা হয় ট্রমা। গর্ভাবস্থায় অর্থাৎ ০ দিন থেকে শুরু করে ১৮ বছর বয়স পর্যন্ত প্রত্যেককে শিশু বলা হয়। তাই এই সময়ে যে ট্রমা সেটিই চাইল্ডহুড ট্রমা।
অ্যাডভার্স চাইল্ডহুড এক্সপেরিয়েন্সের মধ্য দিয়ে যেসব শিশু যায় তাদের ট্রমা হয়। বিভিন্ন কারণে চাইল্ডহুড ট্রমা হতে পারে। যেমন-

• গর্ভস্থ শিশুদের ক্ষেত্রে মা যদি কোনো পারিবারিক সংহিসতা,
মানসিক স্বাস্থ্য বিপর্যয়ের মধ্য দিয়ে যান, তাহলে সেটি গর্ভস্থ শিশুর উপর প্রভাব ফেলে। যত্ন পাওয়া শিশুর অধিকার। শিশু জন্মের পরে যদি সঠিক যত্ন না পায়, তখন সেই শিশুর এক ধরনের প্রতিকূল শৈশব অভিজ্ঞতা হয়, তার ট্রমা হয়। কোনো শিশু যত্ন পেল না, খাদ্য, পুষ্টি, কিংবা শিক্ষা পেল না সেটাও এক ধরনের ট্রমা।

• অধিকার থেকে বঞ্চিত হওয়া, বৈষম্যের শিকার, এ ছাড়া শৈশবে কোনো কারণে যদি শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয় বা পরিবার, স্কুলে বা কোথাও যদি শারীরিকভাবে আঘাত পায় সেটাও শিশুর ট্রমার কারণ।

• শিশুকে আঘাত দিয়ে কথা বলা, মনের ওপর চাপ তৈরি হওয়ার কারণে ইমোশনাল ট্রমা হতে পারে।

• যৌন নির্যাতন খুব বেশি ঘটছে, যা থেকে শিশুর ট্রমা হয়। বিশ্বব্যাপি প্রতি ৪টি মেয়ে শিশুর মধ্যে ১ জন এবং প্রতি ৬টি ছেলে শিশুর মধ্যে ১ জন জীবনে কোনো না কোনোভাবে যৌন নির্যাতনের শিকার হচ্ছে।

• শিশু সরাসরি কোনো নির্যাতনের শিকার হলো না কিন্তু পারিবারিক সংহিসতা দেখল, বাবা-মায়ের মধ্যে ঝগড়া, অশান্তি, বিবাদ দেখল, সেটিও তার জন্য ট্রমা। এ ছাড়া পরিবারে কারো মধ্যে যদি অপরাধের ইতিহাস থাকে, কোনো ধরনের সমস্যা থাকে সেটাও এক ধরনের ট্রমা।

• শিশু যদি সরাসরি নানাভাবে কখনো ট্রমার ভুক্তভোগী হিসেবে নিজেকে প্রত্যক্ষ করে, মৌখিকভাবে বুলিংয়ের শিকার হয় স্কুলে বা বিভিন্ন স্থানে, আবার নিজে ট্রমার ভুক্তভোগী না কিন্তু অন্য কারো ভেতর ট্রমাগুলো দেখছে যেমন- পরিবারের ভেতর মারপিট, ঝগড়া, বাবা-মায়ের বিচ্ছেদ- এ সবকিছুই শিশুর ট্রমা হিসেবে কাজ করে।



জরুরি মূহুর্তে ওষুধ অর্ডার করুন, ডেলিভারি নিন ঘরে বসেই।এখনই কল করুনঃ☎️01735-274378
03/11/2024

জরুরি মূহুর্তে ওষুধ অর্ডার করুন, ডেলিভারি নিন ঘরে বসেই।

এখনই কল করুনঃ
☎️01735-274378

থ্যালাসেমিয়া কী ও কেন হয়থ্যালাসেমিয়া এক ধরনের রক্তশূন্যতা, যেটা জন্মগতভাবে এক পরিবার থেকে আরেক পরিবারে বংশ পরম্পরায় চলতে...
02/11/2024

থ্যালাসেমিয়া কী ও কেন হয়

থ্যালাসেমিয়া এক ধরনের রক্তশূন্যতা, যেটা জন্মগতভাবে এক পরিবার থেকে আরেক পরিবারে বংশ পরম্পরায় চলতে থাকে মানুষের শরীরের যেকোনো বৈশিষ্ট্য প্রকাশের জন্য কমপক্ষে দুটি জিন দায়ী, যেটা ক্রোমোজোমের মধ্যে থাকে। শরীরের রং, চুলের রং, চোখের রং, শারীরিক গঠন এগুলো নির্ধারিত হয় জেনেটিকভাবে।

থ্যালাসেমিয়াতে হিমোগ্লোবিন তৈরির হার কমে যায়। আর কতখানি কমবে তা নির্ভর করে একটি বা দুটি জিনই ত্রুটিপূর্ণ কি না তার ওপর। রক্তের আরবিসি বা লৌহিত-রক্ত কণিকার মূল উপাদান হলো হিমোগ্লোবিন। এই হিমোগ্লোবিনই জীবনীশক্তি অক্সিজেন বহন করে দেহের সর্বত্র ছড়িয়ে দেয়। হিমোগ্লোবিনের মধ্যে রয়েছে গ্লোবিন নামের প্রোটিন, যার রয়েছে দুটি আলফা ও দুটি বিটা গ্লোবিন চেইন। আলফা-জিন ও বিটা-জিন এই আলফা ও বিটা গ্লোবিন চেইনের পরিমাণ ও বৈশিষ্ট্য নিয়ন্ত্রণ করে।

থ্যালাসেমিয়ার বেশ কিছু ধরন রয়েছে। এর মধ্যে হিমোগ্লোবিন-বিটা এবং হিমোগ্লোবিন-ই এই দুই ধরনের থ্যালাসেমিয়া বাংলাদেশসহ দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়ায় বেশি। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার ২০০৮ সালের এক পরিসংখ্যানে বলা হয়েছে, বাংলাদেশে ৭% মানুষ থ্যালসেমিয়ার বাহক, এর মধ্যে ৪% বাহক-ই এবং ৩% বাহক-বি। কিন্তু দেশে সাম্প্রতিক পরিসংখ্যানে দেখা গেছে, ১০% থেকে ১২% মানুষ থ্যালাসেমিয়ার বাহক। মোট জনসংখ্যার প্রায় ১ কোটি ৭০ লাখ মানুষ বাহক হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। থ্যালাসেমিয়ার এই উচ্চ-প্রবণতার কারণ হিসেবে ধারণা করা হয়-

১. থ্যালাসেমিয়া সম্পর্কে অজ্ঞতা
২. পারিবারিক বিয়ের প্রবণতা
৩. দুজন বাহকের মধ্যে বিয়ে

থ্যালাসেমিয়ার বাহকে-বাহকে বিয়ে যখন হবে তখন তাদের চার জন সন্তানের মধ্যে অন্তত একজন থ্যালাসেমিয়া রোগী হতে পারে। কিন্তু অনেক ক্ষেত্রে দেখা যায় তাদের দুটি সন্তানই থ্যালাসেমিয়ার রোগী হয়ে জন্ম নিতে পারে। থ্যালাসেমিয়ার বাহক যত বাড়বে, রোগীর সংখ্যা ততো বাড়বে।




উচ্চ রক্তচাপ থাকলে যে সকল খাবার অবশ্যই এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন
31/10/2024

উচ্চ রক্তচাপ থাকলে যে সকল খাবার অবশ্যই এড়িয়ে চলার চেষ্টা করবেন



Address

House # 58, Road # 03, Sector-12, Uttara
Dhaka
1230

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Tamanna Pharmacy Uttara sector 12 posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share