10/08/2026
⚠️ কিডনি নষ্ট হওয়ার আগেই শরীর যে ১০টি সংকেত দেয়
অনেক সময় কিডনির সমস্যা বেশ কিছুটা বেড়ে যাওয়ার পর তা ধরা পড়ে। তবে প্রাথমিক কিছু লক্ষণে সতর্ক হলে বড় ধরনের ঝুঁকি থেকে বাঁচা সম্ভব:
1️⃣ প্রস্রাবের পরিমাণ ও ফেনা: প্রস্রাব স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যাওয়া, বারবার হওয়া (বিশেষ করে রাতে) বা প্রস্রাবে অতিরিক্ত ফেনা/বুদ্বুদ দেখা দেওয়া।
2️⃣ রক্ত বা লালচে ভাব: প্রস্রাবের রঙ গাঢ় বা রক্তযুক্ত হওয়া।
3️⃣ হাত-পা বা মুখ ফোলা: কিডনি শরীর থেকে অতিরিক্ত তরল ও সোডিয়াম বের করতে না পারলে পা, গোড়ালি, হাত বা চোখ-মুখ ফুলে যেতে পারে।
4️⃣ চোখের নিচে স্ফীতি: চোখের চারপাশে স্থায়ীভাবে চামড়া ফুলে থাকা।
5️⃣ অতিরিক্ত ক্লান্তি ও দুর্বলতা: কিডনি থেকে অ্যারোথ্রোপয়েটিন (EPO) হরমোন কম নিঃসৃত হলে লোহিত রক্তকণিকা কমে যায়, ফলে রক্তস্বল্পতা ও সবসময় ক্লান্তি ভাব থাকে।
6️⃣ মনোযোগের অভাব ও মাথা ঘোরা: রক্তে বর্জ্য জমা হওয়ার কারণে মনোযোগ দিতে সমস্যা হওয়া বা মাথা ঝিমঝিম করা।
7️⃣ মুখে ধাতব স্বাদ ও দুর্গন্ধ: মুখে খাবারে তিক্ত বা মেটালিক স্বাদ লাগা এবং নিঃশ্বাসে দুর্গন্ধ হওয়া।
8️⃣ অরুচি ও বমি ভাব: খাবারে অনিচ্ছা, সকালে বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
9️⃣ ত্বকে তীব্র চুলকানি ও শুষ্কতা: রক্তে মিনারেল ও পুষ্টির ভারসাম্য নষ্ট হলে ত্বক অতিরিক্ত শুষ্ক হয়ে তীব্র চুলকানি দেখা দিতে পারে।
🔟 পিঠের পেছনে বা পাশে ব্যথা: পাঁজরের নিচে বা পিঠের পেছনের দিকে তীব্র বা হালকা ব্যথা অনুভব করা।
ওপরের লক্ষণগুলোর একাধিক একসাথে দেখা দিলে দেরি না করে দ্রুত একজন নেফ্রোলজিস্ট (কিডনি বিশেষজ্ঞ) বা চিকিৎসকের পরামর্শ নিয়ে নিয়মিত পরীক্ষা (যেমন: Serum Creatinine, Urine R/E) করিয়ে নেওয়া উচিত।
✒️ তসিবা বিনতে রহমান তোড়া
□ ক্লিনিক্যাল ডায়েটিশিয়ান, জাপান বাংলাদেশ ফ্রেন্ডশীপ হসপিটাল
□ নিউট্রিশোনিস্ট ও ডায়েট কনসালটেন্ট, স্পেড (SPED)
☎️ 01333-165169