17/02/2026
https://www.facebook.com/share/18PftEq5TG/
ডাক্তাররা স্পষ্ট জানিয়ে দিয়েছিলেন— ‘আপনার ছেলে আর ফিরবে না। ও 'ব্রেন ডেড' (Brain Dead)। লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলা ছাড়া আর কোনো উপায় নেই।’
ঘটনাটি ২০১৫ সালের। টেক্সাসের এক হাসপাতালে ২৭ বছরের তরুণ জর্জ পিকারিং (জুনিয়র) ম্যাসিভ স্ট্রোক করে কোমায় চলে যায়। ডাক্তাররা পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে ঘোষণা দেন, তার মস্তিষ্ক আর কাজ করছে না। তারা ‘টার্মিনাল উইনিং’ বা লাইফ সাপোর্ট খুলে ফেলার প্রস্তুতি নিচ্ছিলেন।
কিন্তু বাবা জর্জ পিকারিং (সিনিয়র) এটা মানতে পারছিলেন না। তাঁর মনে হচ্ছিল, কোথাও একটা ভুল হচ্ছে। ছেলের হার্টবিট তখনো চলছে, শরীর উষ্ণ। তিনি ডাক্তারদের কাছে আরও একটু সময় ভিক্ষা চাইলেন। কিন্তু হাসপাতালের নিয়ম অনুযায়ী, ‘ব্রেন ডেড’ রোগীর লাইফ সাপোর্ট বেশিক্ষণ রাখা যায় না।
উপায় না দেখে মরিয়া হয়ে উঠলেন বাবা। তিনি
পি/স্ত/ল হাতে সোজা আইসিইউ-তে ঢুকে পড়েন এবং ডাক্তারদের হু/ম/কি দেন— ছেলে পুরোপুরি মা/রা না যাওয়া পর্যন্ত কেউ যেন মেশিনে হাত না দেয়! পুলিশ এসে পুরো হাসপাতাল ঘিরে ফেলে। প্রায় তিন ঘণ্টা চলে এই শ্বাসরুদ্ধকর পরিস্থিতি।
ঠিক সেই উত্তপ্ত মুহূর্তেই ঘটে মিরাকল!
বাবা তাঁর ছেলের হাত ধরে বারবার ডাকছিলেন। হঠাৎ তিনি অনুভব করলেন, ছেলে তাঁর হাতে আলতো করে চাপ দিচ্ছে। ডাক্তাররা প্রথমে বিশ্বাস করেননি, কিন্তু বাবার জেদের কাছে হার মেনে আবার চেক করেন। দেখা যায়, ছেলে সত্যিই সাড়া দিচ্ছে! অর্থাৎ, সে 'ব্রেন ডেড' ছিল না, বরং গভীর কোমায় ছিল।
ছেলের জ্ঞান ফেরার পর বাবা পুলিশের কাছে আত্মসমর্পণ করেন। তাঁর জেল হয়েছিল। কিন্তু কারাগার থেকে তিনি যখন বের হন, তখন তাঁকে রিসিভ করতে এসেছিল তাঁর সেই ছেলে— যাকে পৃথিবী মৃ/ত ঘোষণা করেছিল! ছেলেটি এখন পুরোপুরি সুস্থ।
সায়েন্স বা মেশিন সব সময় শেষ কথা বলে না, কখনও কখনও ভালোবাসার বিশ্বাস মেশিনের রিডিংকেও ভুল প্রমাণ করে দেয়। ❤️👨👦