Ruqya Center Bangladesh

Ruqya Center Bangladesh This is a ruqyah center

01/08/2024

(1) সূরা ওয়াক্বিয়া (মাগরিবের পর রিযিকের পেরেশানি দূর হয়ে যায়। অভাব থাকেনা। [বাইহাকী- ২৪৯৭]

(2) সূরা মূলক (এশার পর অথবা রাতে ঘুমানোর আগে) কবরের আযাব থেকে বাঁচা যাবে। পাঠকারীর জন্যে সুপারিশ করতে থাকবে যতক্ষণ তাকে মাফ না করা হয়। [ তিরমিযী- ২৮৯০]

(3) সূরা বাকারা (যে কোন সময়) যে ঘরে পাঠ করা হয় সেখানে শয়তান থাকেনা।
[ তাফসির ইবনে কাসির ১ম খন্ড / পৃ: ১২৩-১২৪]

(৩) সূরা ইখলাস, ফালাক্ব, নাস (প্রতি ফরয সালাতের পর একবার করে। আর ফজর আর মাগরিবের পর ৩ বার করে পড়া। রাতে ঘুমানোরর আগে পড়ে শরীর মাসেহ করা।) শয়তান, জাদু টুনার প্রভাব থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। [তাফসিরে তাওযিহুল কোরআন ৩য় খণ্ড / ৭৬০ পূ আবু দাউদ ২/৮৬, নং ১৫২৩; তিরমিযী, নং ২৯০৩; নাসাঈ ৩/৬৮, নং ১৩৩৫]

(৫) আয়তুল কুরসি (প্রতি ফরজ সলাতের পর একবার। রাতে ঘুমানোর আগে।)
যে পড়ে তার আর জান্নাতের মাঝে শুধু মৃত্যু বাধা থাকে। [তাবরানী কাবীর ৭৪০৮]

(৬) সূরা কাহাফ পারলে সবটা পড়া। আর নাহলে ১-১০ আয়াত ও শেষের ১০ আয়াত। (বৃহস্পতিবার মাগরিবের পর থেকে শুক্রবার সূর্যাস্ত পর্যন্ত সময়ের মধ্যে একবার পড়া।) দাজ্জালের ফিতনা থেকে রক্ষা পাওয়া যায়। [তাফসিরে তাওয়িহুল কোরআন ২য় খন্ড / ২৫০ পৃ. মুসলিম হাদীস নং ৮০৯; তাফসীরে ইবনে কাসীর ৩/৭৯]

(৭) সূরা হাশরের শেষ তিন আয়াত। (ফজর আর মাগরিবের পর) ৭০ হাজার ফেরেশতা রহমত পাঠাতে থাকে সকালে পড়লে সন্ধ্যা পর্যন্ত। আর সন্ধ্যায় পড়লে সকাল পর্যন্ত। সে দিন মারা গেলে শ-হী-দি মর্যাদা পাবে। [তিরমিযী- ২৯২২]

কুদৃষ্টির কুফলগুলোর মধ্যে এটিও একটি যে, কুদৃষ্টির কারণে মানুষের রিযিক এবং সময় থেকে বরকত উঠিয়ে নেয়া হয়। ছোট ছোট কাজ ব...
16/01/2024

কুদৃষ্টির কুফলগুলোর মধ্যে এটিও একটি যে, কুদৃষ্টির কারণে মানুষের রিযিক এবং সময় থেকে বরকত উঠিয়ে নেয়া হয়। ছোট ছোট কাজ বিশদাকার ধারণ করে। যে কাজের চেষ্টাই করুক তা অসম্পূর্ণ থেকে যায়। বাহ্যিকভাবে মনে হয় কাজ হয়ে যাবে। কিন্তু যথাসময়ে গিয়ে হতে হতে কাজ অসম্পন্ন থেকে যায়। এতে দুশ্চিন্তা ও পেরেশানী বাড়ে। মানুষেরা মনে করে, কেউ হয়তো (জাদুটাদু) কিছু করেছে। আসলে সে স্বীয় প্রবৃত্তির কুকর্মের কারণে বিপদে পড়ে গেছে। সে নিজেই তা স্বীকার করে বলে, ‘একটা সময় ছিল যখন স্পর্শ করলে মাটিও সোনায় পরিণত হতো। আর এখন তো সোনা স্পর্শ করলেও তা মাটি হয়ে যাচ্ছে।' বোঝা গেল, কুদৃষ্টির প্রভাবে মানুষের জীবন থেকে বরকত উঠিয়ে নেয়া হয়।

বই: এখন যৌবন যার
লেখক: শাইখ যুলফিকার আহমাদ নকশবন্দী হাফি.

কিন্তু বদনজর লেগেছে কিনা বঝার উপায় কি? আর এর চিকিৎসাই বা কি?

বিস্তারিত জানতে জয়েন করুনঃ রুকইয়াহ সাপোর্ট গ্রুপ- Ruqyah Support Bangladesh
চোখ রাখতে পারেন এই পেইজেঃ Ruqyah Shariyah -রুকইয়া শরীয়াহ

01/10/2023

অতি গুরুত্বপূর্ণ। নিজে আমল করুন অন্যকে আমল করতে সাহায্য করুন।

ওযিফার কিতাবসমূহের মাঝে এমন অনেক অযিফা আছে যা অভিজ্ঞতার মানদণ্ডে উত্তির্ণ। তন্মদ্ধে একটি আমল হযরত আহমাদ আলী লাহোরী রহ. তার কিতাবে লিখেন—তা হলো, পবিত্র কুরআনে "مبين" শব্দটি ১০৬ স্থানে এসেছে। যদি কোনো উদ্দেশ্যকে সামনে রেখে এই আয়াতসমূহ পাঠ করা হয়, তাহলে শতভাগ সফলতার আশা করা যায়।

তিনি লিখেন, একবার জেদ্দার একজন মহিলা আমার নিকটে অভিযোগ করলেন যে, তার একজন আত্মীয় তার ষাট হাজার রিয়াল অন্যায়ভাবে আটকে রেখেছে। এখন তা সে ফিরিয়ে দেওয়ার নামও নিচ্ছে না। তখন আমি তাকে "مبين" সম্বলিত আয়াসমূহের খতম করার পরামর্শ প্রদান করলাম। তিনি আমার কাছে আবেদন করলেন, আমি যেনো তাকে আয়াতগুলো খুঁজে বের করে দেই। আমি সেদিনই করাচি মাদানী মসজিদে (তাবলিগী মারকায) গেলাম। যেনো এ বিষয়ে কোনো কিতাব ক্রয় করতে পারি। কিন্তু দূর্ভাগ্যবশত জানতে পারি যে, এই বিষয়ের কোনো পুস্তিকা নেই। তখন একান্ত বাধ্য হয়ে আমি নিজেই সাহস করে নেমে পড়ি। লাগাতার তিনদিন মেহনতের পর পবিত্র কুরআন থেকে ১০৬টি আয়াত খুঁজে বের করি।

সকলের উপকারার্থে সেই আয়াতসমূহ এখানে লিখে দেওয়া হচ্ছে। আপনাদের মাকবুল দোয়ায় অধমকেও স্মরণে রাখার একান্ত আবেদন থাকবে। জাযাকুমুল্লাহু খায়রান। - ফাহীম।
بسم الله الرحمن الرحيم....

1) يَا أَيُّهَا النَّاسُ كُلُوا مِمَّا فِي الْأَرْضِ حَلَالًا طَيِّبًا وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ ۚ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِينٌ ( البقرة 168)

2) يَا أَيُّهَا الَّذِينَ آمَنُوا ادْخُلُوا فِي السِّلْمِ كَافةً وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ ۚ إِنَّهُ عَدُوٌّ مُّبِينٌ
(البقرة 208)

3) لَقَدْ مَنَّ اللَّهُ عَلَى الْمُؤْمِنِينَ إِذْ بَعَثَ فِيهِمْ رَسُولًا مِنْ أَنْفُسِهِمْ يَتْلُوا عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُ الْكِتَاب َوَالْحِكْمَةَ وَإِنْ كَانُوا مِنْ قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍ (ال عمران164)

4)يَا أَهْلَ الْكِتَابِ قَدْ جَاءَكُمْ رَسُولُنَا يُبَيِّنُ لَكُمْ كَثِيرًا مِّمَّا كُنتُمْ تُخْفُونَ مِنَ الْكِتَابِ وَيَعْفُو عَن كَثِيرٍ ۚ قَدْ جَاءَكُم مِّنَ اللَّهِ نُورٌ وَكِتَابٌ مُّبِينٌ (المائدة 15)

ُ5) وَأَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ وَاحْذَرُوا ۚ فَإِن تَوَلَّيْتُمْ فَاعْلَمُوا أَنَّمَا عَلَىٰ رَسُولِنَا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ (92 المائدة﴾

6)إِذْ قَالَ اللَّهُ يَا عِيسَى ابْنَ مَرْيَمَ اذْكُرْ نِعْمَتِي عَلَيْكَ وَعَلَىٰ وَالِدَتِكَ إِذْ أَيَّدتُّكَ بِرُوحِ الْقُدُسِ تُكَلِّمُ النَّاسَ فِي الْمَهْدِ وَكَهْلًا ۖ وَإِذْ عَلَّمْتُكَ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَالتَّوْرَاةَ وَالْإِنجِيلَ ۖ وَإِذْ تَخْلُقُ مِنَ الطِّينِ كَهَيْئَةِ الطَّيْرِ بِإِذْنِي فَتَنفُخُ فِيهَا فَتَكُونُ طَيْرًا بِإِذْنِي ۖ وَتُبْرِئُ الْأَكْمَهَ وَالْأَبْرَصَ بِإِذْنِي ۖ وَإِذْ تُخْرِجُ الْمَوْتَىٰ بِإِذْنِي ۖ وَإِذْ كَفَفْتُ بَنِي إِسْرَائِيلَ عَنكَ إِذْ جِئْتَهُم بِالْبَيِّنَاتِ فَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا مِنْهُمْ إِنْ هَٰذَا إِلَّا سِحْرٌ مُّبِينٌ (110المائدة﴾

7)وَلَوْ نَزَّلْنَا عَلَيْكَ كِتَابًا فِي قِرْطَاسٍ فَلَمَسُوهُ بِأَيْدِيهِمْ لَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا إِنْ هَٰذَا إِلَّا سِحْرٌ مُّبِينٌ (7 الأنعام﴾

8)مَنْ يُصْرَفْ عَنْهُ يَوْمَئِذٍ فَقَدْ رَحِمَهُ وَذَٰلِكَ الْفَوْزُ الْمُبِينُ ﴿١٦ الأنعام﴾

9)وَعِندَهُ مَفَاتِحُ الْغَيْبِ لَا يَعْلَمُهَا إِلَّا هُوَ ۚ وَيَعْلَمُ مَا فِي الْبَرِّ وَالْبَحْرِ ۚ وَمَا تَسْقُطُ مِن وَرَقَةٍ إِلَّا يَعْلَمُهَا وَلَا حَبَّةٍ فِي ظُلُمَاتِ الْأَرْضِ وَلَا رَطْبٍ وَلَا يَابِسٍ إِلَّا فِي كِتَابٍ مُّبِينٍٍ ﴿59 الأنعام﴾

10)وَإِذْ قَالَ إِبْرَاهِيمُ لِأَبِيهِ آزَرَ أَتَتَّخِذُ أَصْنَامًا آلِهَةً ۖ إِنِّي أَرَاكَ وَقَوْمَكَ فِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ
﴿74 الأنعام﴾

11)وَمِنَ الْأَنْعَامِ حَمُولَةً وَفَرْشًا ۚ كُلُوا مِمَّا رَزَقَكُمُ اللَّهُ وَلَا تَتَّبِعُوا خُطُوَاتِ الشَّيْطَانِ ۚ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِينٌٌ ﴿142 الأنعام﴾

12)فَدَلَّاهُمَا بِغُرُورٍ ۚ فَلَمَّا ذَاقَا الشَّجَرَةَ بَدَتْ لَهُمَا سَوْآتُهُمَا وَطَفِقَا يَخْصِفَانِ عَلَيْهِمَا مِن وَرَقِ الْجَنَّةِ ۖ وَنَادَاهُمَا رَبُّهُمَا أَلَمْ أَنْهَكُمَا عَن تِلْكُمَا الشَّجَرَةِ وَأَقُل لَّكُمَا إِنَّ الشَّيْطَانَ لَكُمَا عَدُوٌّ مُّبِينٌ
﴿22 الأعراف﴾

13)قَالَ الْمَلَأُ مِنْ قَوْمِهِ إِنَّا لَنَرَاكَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿60 الأعراف﴾

14)فَأَلْقَىٰ عَصَاهُ فَإِذَا هِيَ ثُعْبَانٌ مُبِينٌ
﴿107 الأعراف﴾

15)أَوَلَمْ يَتَفَكَّرُوا مَا بِصَاحِبِهِمْ مِنْ جِنَّةٍ إِنْ هُوَ إِلَّا نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿184 الأعراف﴾

16)أَكَانَ لِلنَّاسِ عَجَبًا أَنْ أَوْحَيْنَا إِلَىٰ رَجُلٍ مِّنْهُمْ أَنْ أَنذِرِ النَّاسَ وَبَشِّرِ الَّذِينَ آمَنُوا أَنَّ لَهُمْ قَدَمَ صِدْقٍ عِندَ رَبِّهِمْ ۗ قَالَ الْكَافِرُونَ إِنَّ هَٰذَا لَسَاحِرٌ مُّبِينٌ ﴿2 يونس﴾

17)وَمَا تَكُونُ فِي شَأْنٍ وَمَا تَتْلُو مِنْهُ مِنْ قُرْآنٍ وَلَا تَعْمَلُونَ مِنْ عَمَلٍ إِلَّا كُنَّا عَلَيْكُمْ شُهُودًا إِذْ تُفِيضُونَ فِيهِ ۚوَمَا يَعْزُبُ عَنْ رَبِّكَ مِنْ مِثْقَالِ ذَرَّةٍ فِي الْأَرْضِ وَلَا فِي السَّمَاءِ وَلَا أَصْغَرَ مِنْ ذَٰلِكَ وَلَا أَكْبَرَ إِلَّا فِي كِتَابٍ مُبِينٍ ﴿61 يونس﴾

18)فَلَمَّا جَاءَهُمُ الْحَقُّ مِنْ عِنْدِنَا قَالُوا إِنَّ هَٰذَا لَسِحْرٌ مُبِينٌ ﴿76 يونس﴾

19)وَمَا مِن دَابَّةٍ فِي الْأَرْضِ إِلَّا عَلَى اللَّهِ رِزْقُهَا
وَيَعْلَمُ مُسْتَقَرَّهَا وَمُسْتَوْدَعَهَا كُلٌّ فِي كِتَابٍ مُبِين ٍ ﴿6 هود﴾

20)وَهُوَ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ وَكَانَ عَرْشُهُ عَلَى الْمَاءِ لِيَبْلُوَكُمْ أَيُّكُمْ أَحْسَنُ عَمَلًا ۗ وَلَئِن قُلْتَ إِنَّكُم مَّبْعُوثُونَ مِن بَعْدِ الْمَوْتِ لَيَقُولَنَّ الَّذِينَ كَفَرُوا إِنْ هَٰذَا إِلَّا سِحْرٌ مُبِين ﴿7 هود﴾

21)وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا نُوحًا إِلَىٰ قَوْمِهِ إِنِّي لَكُمْ نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿25 هود﴾

22)وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا مُوسَىٰ بِآيَاتِنَا وَسُلْطَانٍ مُبِينٍ
﴿96 هود﴾

23)الر تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْمُبِينِ ﴿١ يوسف﴾

24)قَالَ يَا بُنَيَّ لَا تَقْصُصْ رُؤْيَاكَ عَلَىٰ إِخْوَتِكَ فَيَكِيدُوا لَكَ كَيْدًا ۖ إِنَّ الشَّيْطَانَ لِلْإِنْسَانِ عَدُوٌّ مُبِينٌ ﴿5 يوسف﴾

25)اذْ قَالُوا لَيُوسُفُ وَأَخُوهُ أَحَبُّ إِلَىٰ أَبِينَا مِنَّا
وَنَحْنُ عُصْبَةٌ إِنَّ أَبَانَا لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍ
﴿8 يوسف﴾

26)وَقَالَ نِسْوَةٌ فِي الْمَدِينَةِ امْرَأَتُ الْعَزِيزِ تُرَاوِدُ فَتَاهَا عَن نَّفْسِهِ ۖ قَدْ شَغَفَهَا حُبًّا إِنَّا لَنَرَاهَا فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿30 يوسف﴾

27)قَالَتْ رُسُلُهُمْ أَفِي اللَّهِ شَكٌّ فَاطِرِ السَّمَوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ يَدْعُوكُمْ لِيَغْفِرَ لَكُمْ مِنْ ذُنُوبِكُمْ وَيُؤَخِّرَكُمْ إِلَى ٰأَجَلٍ مُسَمًّى ۚ قَالُوا إِنْ أَنْتُمْ إِلَّا بَشَرٌ مِثْلُنَا تُرِيدُونَ أَنْ تَصُدُّونَا عَمَّا كَانَ يَعْبُدُ آبَاؤُنَا فَأْتُونَا بِسُلْطَانٍ مُبِينٍ ﴿10 ابراهيم﴾

28)الر تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ وَقُرْآنٍ مُبِينٍ ﴿1 الحجر﴾

29)إِلَّا مَنِ اسْتَرَقَ السَّمْعَ فَأَتْبَعَهُ شِهَابٌ مُبِينٌ
﴿18 الحجر﴾

30)فَانْتَقَمْنَا مِنْهُمْ وَإِنَّهُمَا لَبِإِمَامٍ مُبِينٍ ﴿79 الحجر﴾

31)وَقُلْ إِنِّي أَنَا النَّذِيرُ الْمُبِينُ ﴿89 الحجر﴾

32)خَلَقَ الْإِنْسَانَ مِنْ نُطْفَةٍ فَإِذَا هُوَ خَصِيمٌ مُبِين ﴿4 النحل﴾

33)وَقَالَ الَّذِينَ أَشْرَكُوا لَوْ شَاءَ اللَّهُ مَا عَبَدْنَا مِنْ دُونِهِ مِنْ شَيْءٍ نَحْنُ وَلَا آبَاؤُنَا وَلَا حَرَّمْنَا مِنْ دُونِهِ مِنْ شَيْءٍ ۚ كَذَٰلِكَ فَعَلَ الَّذِينَ مِنْ قَبْلِهِمْ ۚ فَهَلْ عَلَى الرُّسُلِ إِلَّا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ (35 النحل﴾

34)فَإِنْ تَوَلَّوْا فَإِنَّمَا عَلَيْكَ الْبَلَاغُ الْمُبِينُ ﴿٨٢ النحل﴾

35)وَلَقَدْ نَعْلَمُ أَنَّهُمْ يَقُولُونَ إِنَّمَا يُعَلِّمُهُ بَشَرٌ
لسَانُ الَّذِي يُلْحِدُونَ إِلَيْهِ أَعْجَمِيٌّ وَهَٰذَا لِسَانٌ عَرَبِيٌّ مُبِينٌ ﴿103 النحل﴾

36)أَسْمِعْ بِهِمْ وَأَبْصِرْ يَوْمَ يَأْتُونَنَا ۖ لَٰكِنِ الظَّالِمُونَ الْيَوْمَ فِي ضَلَالٍ مُّبِينٍ ﴿38 مريم)

37)قَالَ لَقَدْ كُنْتُمْ أَنْتُمْ وَآبَاؤُكُمْ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿54 الأنبياء﴾

38){وَمِنَ النَّاسِ مَنْ يَعْبُدُ اللَّهَ عَلى حَرْفٍ فَإِنْ أَصابَهُ خَيْرٌ اطْمَانَّ بِهِ وَإِنْ أَصابَتْهُ فِتْنَةٌ انْقَلَبَ عَلى وَجْهِهِ خَسِرَ الدُّنْيا وَالآخرةَ ذلِكَ هُوَ الْخُسْرانُ الْمُبِينُ ﴿١١ الحج﴾

39)قُلْ يَا أَيُّهَا النَّاسُ إِنَّمَا أَنَا لَكُمْ نَذِيرٌ مُبِينٌ
﴿49 الحج﴾

40)ثُمَّ أَرْسَلْنَا مُوسَىٰ وَأَخَاهُ هَارُونَ بِآيَاتِنَا وَسُلْطَانٍ مُبِينٍ ﴿45 المؤمنون﴾

41)لَّوْلَا إِذْ سَمِعْتُمُوهُ ظَنَّ الْمُؤْمِنُونَ وَالْمُؤْمِنَاتُ بِأَنفُسِهِمْ خَيْرًا وَقَالُوا هَٰذَا إِفْكٌ مُّبِينٌ (12 النور)

42) يَوْمَئِذٍ يُوَفِّيهِمُ اللَّهُ دِينَهُمُ الْحَقَّ
وَيَعْلَمُونَ أَنَّ اللَّهَ هُوَ الْحَقُّ الْمُبِينُ ﴿٢٥ النور﴾

43)قُلْ أَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسُولَ ۖ فَإِن تَوَلَّوْا فَإِنَّمَا عَلَيْهِ مَا حُمِّلَ وَعَلَيْكُم مَّا حُمِّلْتُمْ ۖ وَإِنْ تُطِيعُوهُ تَهْتَدُوا وَمَا عَلَى الرَّسُولِ إِلَّا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ ﴿٥٤ النور﴾

44)تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْمُبِينِ ﴿٢ الشعراء﴾

45)قَالَ أَوَلَوْ جِئْتُكَ بِشَيْءٍ مُبِينٍ ﴿30 الشعراء﴾

46)فَأَلْقَىٰ عَصَاهُ فَإِذَا هِيَ ثُعْبَانٌ مُبِينٌ ﴿32 الشعراء﴾

47)تَاللَّهِ إِنْ كُنَّا لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿97 الشعراء﴾

48)إِنْ أَنَا إِلَّا نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿115 الشعراء﴾

49)بِلِسَانٍ عَرَبِيٍّ مُبِينٍ {195 الشعراء}

50)طس تِلْكَ آيَاتُ الْقُرْآنِ وَكِتَابٍ مُبِينٍ ﴿1 النمل﴾

51)فَلَمَّا جَاءَتْهُمْ آيَاتُنَا مُبْصِرَةً قَالُوا هَٰذَا سِحْرٌ مُبِين
(13 النمل﴾

52)وَوَرِثَ سُلَيْمَانُ دَاوُودَ ۖ وَقَالَ يَاأَيُّهَا النَّاسُ عُلِّمْنَا مَنْطِقَ الطَّيْرِ وَأُوتِينَا مِنْ كُلِّ شَيْءٍ ۖ
إِنَّ هَٰذَا لَهُوَ الْفَضْلُ الْمُبِينُ ﴿١٦ النمل﴾

53)لَأُعَذِّبَنَّهُ عَذَابًا شَدِيدًا أَوْ لَأَذْبَحَنَّهُ أَوْ لَيَأْتِيَنِّي بِسُلْطَانٍ مُبِينٍ ﴿21 النمل﴾

54)وَمَا مِنْ غَائِبَةٍ فِي السَّمَاءِ وَالْأَرْضِ إِلَّا فِي كِتَابٍ مُبِينٍ ﴿75 النمل﴾

55)فَتَوَكَّلْ عَلَى اللَّهِ إِنَّكَ عَلَى الْحَقِّ الْمُبِينِ
﴿٧٩ النمل﴾

56)تِلْكَ آيَاتُ الْكِتَابِ الْمُبِينِ ﴿٢ القصص﴾

57)وَدَخَلَ الْمَدِينَةَ عَلَىٰ حِينِ غَفْلَةٍ مِّنْ أَهْلِهَا فَوَجَدَ فِيهَا رَجُلَيْنِ يَقْتَتِلَانِ هَٰذَا مِن شِيعَتِهِ وَهَٰذَا مِنْ عَدُوِّهِ ۖ فَاسْتَغَاثَهُ الَّذِي مِن شِيعَتِهِ عَلَى الَّذِي مِنْ عَدُوِّهِ فَوَكَزَهُ مُوسَىٰ فَقَضَىٰ عَلَيْهِ ۖ قَالَ هَٰذَا مِنْ عَمَلِ الشَّيْطَانِ إِنَّهُ عَدُوٌّ مُضِلٌّ مُبِينٌ ﴿15 القصص﴾

58) فَأَصْبَحَ فِي الْمَدِينَةِ خَائِفًا يَتَرَقَّبُ فَإِذَا الَّذِي اسْتَنصَرَهُ بِالْأَمْسِ يَسْتَصْرِخُهُ ۚ قَالَ لَهُ مُوسَىٰ إِنَّكَ لَغَوِيٌّ مُبِينٌ ﴿18 القصص﴾

59) انَّ الَّذِي فَرَضَ عَلَيْكَ الْقُرْآنَ لَرَادُّكَ إِلَىٰ مَعَادٍ ۚقُلْ رَبِّي أَعْلَمُ مَنْ جَاءَ بِالْهُدَىٰ وَمَنْ هُوَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ (85 القصص﴾

60)وَإِن تُكَذِّبُوا فَقَدْ كَذَّبَ أُمَمٌ مِّن قَبْلِكُمْ وَمَا عَلَى الرَّسُولِ إِلَّا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ ﴿١٨ العنكبوت﴾

61)وَقَالُوا لَوْلَا أُنزِلَ عَلَيْهِ آيَاتٌ مِّن رَّبِّهِ ۖ قُلْ إِنَّمَا الْآيَاتُ عِندَ اللَّهِ وَإِنَّمَا أَنَا نَذِيرٌ مُّبِينٌ (50 العنكبوت)

62) هَٰذَا خَلْقُ اللَّهِ فَأَرُونِي مَاذَا خَلَقَ الَّذِينَ مِن دُونِهِ ۚ بَلِ الظَّالِمُونَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿11 لقمان﴾

63)وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لَا تَأْتِينَا السَّاعَةُ ۖ قُلْ بلَىٰ وَرَبِّي لَتَأْتِيَنَّكُمْ عَالِمِ الْغَيْبِ ۖ لَا يَعْزُبُ عَنْهُ مِثْقَالُ ذَرَّةٍ فِي السَّمَاوَاتِ وَلَا فِي الْأَرْضِ وَلَا أَصْغَرُ مِنْ ذَٰلِكَ وَلَا أَكْبَرُ إِلَّا فِي كِتَابٍ مُبِينٍ ﴿3 سبإ﴾

64)قُلْ مَن يَرْزُقُكُم مِّنَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ ۖ قُلِ اللَّهُ وَإِنَّا أَوْ إِيَّاكُمْ لَعَلَىٰ هُدًى أَوْ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ
﴿24 سبإ﴾

65) وَإِذَا تُتْلَىٰ عَلَيْهِمْ آيَاتُنَا بَيِّنَاتٍ قَالُوا مَا هَٰذَا إِلَّا رَجُلٌ يُرِيدُ أَن يَصُدَّكُمْ عَمَّا كَانَ يَعْبُدُ آبَاؤُكُمْ وَقَالُوا مَا هَٰذَا إِلَّا إِفْكٌ مُّفْتَرًى ۚ وَقَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لِلْحَقِّ لَمَّا جَاءَهُمْ إِنْ هَٰذَا إِلَّا سِحْرٌ مُبِينٌ ﴿43 سبإ﴾

66)إِنَّا نَحْنُ نُحْيِ الْمَوْتَىٰ وَنَكْتُبُ مَا قَدّمُوا وَآثَارَهُمْ وَكُلَّ شَيْءٍ أَحْصَيْنَاهُ فِي إِمَامٍ مُبِينٍ ﴿١٢﴾

67)وَمَا عَلَيْنَا إِلَّا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ ﴿١٧ يس﴾

68)إِنِّي إِذًا لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿24 يس﴾

69)وَإِذَا قِيلَ لَهُمْ أَنفِقُوا مِمَّا رَزَقَكُمُ اللَّهُ قَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لِلَّذِينَ آمَنُوا أَنُطْعِمُ مَن لَّوْ يَشَاءُ اللَّهُ أَطْعَمَهُ إِنْ أَنْتُمْ إِلَّا فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿47 يس﴾

70)أَلَمْ أَعْهَدْ إِلَيْكُمْ يَا بَنِي آدَمَ أَنْ لَا تَعْبُدُوا الشَّيْطَانَ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِينٌ ﴿60 يس﴾

71) وَمَا عَلَّمْنَاهُ الشِّعْرَ وَمَا يَنبَغِي لَهُ ۚإِنْ هُوَ إِلَّا ذِكْرٌ وَقُرْآنٌ مُبِينٌ ﴿69 يس﴾

72)أَوَلَمْ يَرَ الْإِنْسَانُ أَنَّا خَلَقْنَاهُ مِنْ نُطْفَةٍ فَإِذَا هُوَ خَصِيمٌ مُبِينٌ ﴿77 يس﴾

73)وَقَالُوا إِنْ هَٰذَا إِلَّا سِحْرٌ مُبِينٌ ﴿15 الصافات﴾

74)إِنَّ هَٰذَا لَهُوَ الْبَلَاءُ الْمُبِينُ ﴿١٠٦ الصافات﴾

75)وَبَارَكْنَا عَلَيْهِ وَعَلَىٰ إِسْحَاقَ ۚ وَمِنْ ذُرِّيَّتِهِمَا مُحْسِنٌ وَظَالِمٌ لِنَفْسِهِ مُبِينٌ ﴿113 الصافات﴾

76)أَمْ لَكُمْ سُلْطَانٌ مُبِينٌ ﴿156 الصافات﴾

77)إِنْ يُوحَىٰ إِلَيَّ إِلَّا أَنَّمَا أَنَا نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿70 ص﴾

78)فَاعْبُدُوا مَا شِئْتُمْ مِنْ دُونِهِ قُلْ إِنَّ الْخَاسِرِينَ الَّذِينَ خَسِرُوا أَنْفُسَهُمْ وَأَهْلِيهِمْ يَوْمَ الْقِيَامَةِ أَلَا ذَٰلِكَ هُوَ الْخُسْرَانُ الْمُبِينُ ﴿١٥ الزمر﴾

79)أَفَمَنْ شَرَحَ اللَّهُ صَدْرَهُ لِلْإِسْلَامِ فَهُوَ عَلَى نُورٍ مِنْ رَبِّهِ فَوَيْلٌ لِلْقَاسِيَةِ قُلُوبُهُمْ مِنْ ذِكْرِ اللَّهِ أُولَٰئِكَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿22 الزمر﴾

80)وَلَقَدْ أَرْسَلْنَا مُوسَىٰ بِآيَاتِنَا وَسُلْطَانٍ مُبِينٍ
﴿23 غافر﴾

81)وَالْكِتَابِ الْمُبِينِ ﴿٢ الزخرف﴾

82)وَجَعَلُوا لَهُ مِنْ عِبَادِهِ جُزْءًا إِنَّ الْإِنْسَانَ لَكَفُورٌ مُبِينٌ ﴿15 الزخرف﴾

83)أَوَمَنْ يُنَشَّأُ فِي الْحِلْيَةِ وَهُوَ فِي الْخِصَامِ غَيْرُ مُبِينٍ ﴿18 الزخرف﴾

84)بَلْ مَتَّعتُ هَٰؤُلَاءِ وَآبَاءَهُمْ حَتَّىٰ جَاءَهُمُ الْحَقُّ وَرَسُولٌ مُبِينٌ ﴿29 الزخرف﴾

85)أَفَأَنْتَ تُسْمِعُ الصُّمَّ أَوْ تَهْدِي الْعُمْيَ وَمَنْ كَانَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿40 الزخرف﴾

86)وَلَا يَصُدَّنَّكُمُ الشَّيْطَانُ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُبِينٌ
﴿62 الزخرف﴾

87)وَالْكِتَابِ الْمُبِينِ ﴿٢ الدخان﴾

88)فَارْتَقِبْ يَوْمَ تَأْتِي السَّمَاءُ بِدُخَانٍ مُبِينٍ
﴿10 الدخان﴾

89)أَنَّىٰ لَهُمُ الذِّكْرَىٰ وَقَدْ جَاءَهُمْ رَسُولٌ مُبِينٌ
﴿13 الدخان﴾

90)وَأَنْ لَا تَعْلُوا عَلَى اللَّهِ إِنِّي آتِيكُمْ بِسُلْطَانٍ مُبِينٍ ﴿19 الدخان﴾

91)وَآتَيْنَاهُمْ مِنَ الْآيَاتِ مَا فِيهِ بَلَاءٌ مُبِينٌ
﴿33 الدخان﴾

92) فَأَمَّا الَّذِينَ آمَنُوا وَعَمِلُوا الصَّالِحَاتِ فَيُدْخِلُهُمْ رَبُّهُمْ فِي رَحْمَتِهِ ذَٰلِكَ هُوَ الْفَوْزُ الْمُبِينُ
﴿٣٠ الجاثية﴾

93) وَإِذَاتُتْلَى عَلَيْهِمْ آَيَاتُنَا بَيِّنَاتٍ قَالَ الَّذِينَ كَفَرُوا لِلْحَقِّ لَمَّا جَاءَهُمْ هَٰذَا سِحْرٌ مُبِين
ٌ ﴿7 الأحقاف﴾

94)) قُلْ مَا كُنْتُ بِدْعًا مِنَ الرُّسُلِ وَمَا أَدْرِي مَا يُفْعَلُ بِي وَلَا بِكُمْ إِنْ أَتَّبِعُ إِلَّا مَا يُوحَىٰ إِلَيَّ وَمَا أَنَا إِلَّا نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿9 الأحقاف﴾

95)وَمَنْ لَا يُجِبْ دَاعِيَ اللَّهِ فَلَيْسَ بِمُعْجِزٍ فِي الْأَرْضِ وَلَيْسَ لَهُ مِنْ دُونِهِ أَولِيَاءُ أُولَٰئِكَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿32 الأحقاف﴾

96)وَفِي مُوسَىٰ إِذْ أَرْسَلْنَاهُ إِلَىٰ فِرْعَوْنَ بِسُلْطَانٍ مُبِينٍ ﴿38 الذاريات﴾

97)فَفِرُّوا إِلَى اللَّهِ إِنِّي لَكُمْ مِنْهُ نَذِيرٌ مُبِينٌ
﴿50 الذاريات﴾

98)وَلَا تَجْعَلُوا مَعَ اللَّهِ إِلَٰهًا آخَرَ إِنِّي لَكُمْ مِنْهُ نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿51 الذاريات﴾

99)أَمْ لَهُمْ سُلَّمٌ يَسْتَمِعُونَ فِيهِ فَلْيَأْتِ مُسْتَمِعُهُمْ بِسُلْطَانٍ مُبِينٍ ﴿38 الطور﴾

100)وَإِذْ قَالَ عِيسَى ابْنُ مَرْيَمَ يَا بَنِي إِسْرَائِيلَ إِنِّي رَسُولُ اللَّهِ إِلَيْكُم مُّصَدِّقًا لِّمَا بَيْنَ يَدَيَّ مِنَ التَّوْرَاةِ وَمُبَشِّرًا بِرَسُولٍ يَأْتِي مِن بَعْدِي اسْمُهُ أَحْمَدُ ۖفَلَمَّا جَاءَهُمْ بِالْبَيِّنَاتِ قَالُوا هَٰذَا سِحْرٌ مُبِين ﴿6 الصف﴾

101)هُوَ الَّذِي بَعَثَ فِي الْأُمِّيِّينَ رَسُولًا مِنْهُمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِنْ كَانُوا مِنْ قَبْلُ لَفِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿2 الجمعة﴾

102)وَأَطِيعُوا اللَّهَ وَأَطِيعُوا الرَّسولَ ۚفَإِنْ تَوَلَّيْتُمْ فَإِنَّمَا عَلَىٰ رَسُولِنَا الْبَلَاغُ الْمُبِينُ ﴿١٢ التغابن﴾

103)قُلْ إِنَّمَا الْعِلْمُ عِنْدَ اللَّهِ وَإِنَّمَا أَنَا نَذِيرٌ مُبِينٌ
﴿26 الملك﴾

104)قُلْ هُوَ الرَّحْمَنُ آمَنَّا بِهِ وَعَلَيْهِ تَوَكَّلْنَا
فَسَتَعْلَمُونَ مَنْ هُوَ فِي ضَلَالٍ مُبِينٍ ﴿29 الملك﴾

105)قَالَ يَا قَوْمِ إِنِّي لَكُمْ نَذِيرٌ مُبِينٌ ﴿2 نوح﴾

106)وَلَقَدْ رَآهُ بِالْأُفُقِ الْمُبِينِ ﴿٢٣ التكوير﴾

আয়াতসমূহ তিলাওয়ার করার পর দুরুদ শরীফ ও ইস্তিগফার পাঠ করে আল্লাহর কাছে নিজের উদ্দেশ্য হাসিলের জন্য দোয়া করতে হবে।

আল্লাহ সকলের দিলের মাকসাদকে পূর্ণ করে দিন। আমীন।
© Fahim Muhammad Ataullah

ফোড়া উঠলে করনীয়ঃ এটা ব্যথার ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করতে পারেন। حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَا...
23/09/2022

ফোড়া উঠলে করনীয়ঃ এটা ব্যথার ক্ষেত্রেও প্রয়োগ করতে পারেন।

حَدَّثَنَا أَبُو بَكْرِ بْنُ أَبِي شَيْبَةَ، حَدَّثَنَا سُفْيَانُ، عَنْ عَبْدِ رَبِّهِ،
عَنْ عَمْرَةَ، عَنْ عَائِشَةَ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم ـ كَانَ مِمَّا يَقُولُ لِلْمَرِيضِ بِبُزَاقِهِ بِإِصْبَعِهِ ‏ "‏ بِسْمِ اللَّهِ بِتُرْبَةِ أَرْضِنَا بِرِيقَةِ بَعْضِنَا لِيُشْفَى سَقِيمُنَا بِإِذْنِ رَبِّنَا ‏"‏ ‏.‏

আয়িশাহ (রাঃ), থেকে বর্ণিতঃ:

নবী (সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়া সাল্লাম) তাঁর আংগুলে লালা লাগিয়ে রোগীর জন্য এই বলে দুআ’ করতেনঃ “বিসমিল্লাহ তুরবাতু আরদিনা বিরীকাতি বা’দিনা লিয়ুশফা সাকীমুনা বিইযনি রব্বিনা” (আল্লাহর নামে আমাদের এ যমীনের মাটি আমাদের কারো লালার সাথে মিশিয়ে দিলাম, যেন তাতে আমাদের প্রভুর নির্দেশে আমাদের রোগী আরোগ্য লাভ করে)

তাহকীক আলবানীঃ সহীহ


সুনানে ইবনে মাজাহ, হাদিস নং ৩৫২১
হাদিসের মান: সহিহ হাদিস

বদনজর ঈর্ষাকাতর ব্যক্তির অন্তর থেকে তীরের মতো বের হয়। কখনও সেই তীর লক্ষ্যভেদ করে, কখনও লক্ষ্যচ্যুত হয়। বস্তুবাদী দুনিয়ার...
23/09/2022

বদনজর ঈর্ষাকাতর ব্যক্তির অন্তর থেকে তীরের মতো বের হয়। কখনও সেই তীর লক্ষ্যভেদ করে, কখনও লক্ষ্যচ্যুত হয়। বস্তুবাদী দুনিয়ার রঙিন চশমা আর বিজ্ঞানের উপর ঈমান, অনেক সময় বদনজরের মতো এই ভয়াবহ বিষয়কে আমরা অস্বীকার করি, হালকা মনে করে উড়িয়ে দিই। অথচ নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম আমাদেরকে বারবার বদনজরের ব্যাপারে সাবধান করেছেন।

জাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

"বদ নজর মানুষকে কবর পর্যন্ত পৌছে দেয় এবং উটকে পাতিলে।" (সহীহ আল জামে : ১২৪৯, শাইখ আলবানি সহীহ বলেছেন)

অর্থাৎ মানুষের বদনজর কেউ মৃত্যুবরণ করে, যার ফলে তাকে কবরে দাফন করা হয়। আর উটকে যখন বদ নজর লাগে তখন তা মৃত্যু পর্যায়ে পৌছে যায় তখন সেটা যবাই করে পাতিলে পাকানো হয়।

জাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন:

"আমার উম্মতের মধ্যে তাকদীরের মৃত্যুর পর সর্বাধিক মৃত্যু বদ নজর লাগার দ্বারা হবে।" (মুসনাদ আবু দাউদ আল তায়ালিসি : ১৮৬৮, শাইখ আলবানি হাসান বলেছেন)

কিন্তু কীভাবে এই বদনজর থেকে নিজেকে আর পরিবারকে বাঁচানো যায়?

১। সূরাহ বাকারার শেষ দুই আয়াত

আবু মাসউদ আল আনসারি রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) বলেছেন,

"যে ব্যাক্তি সূরাহ্ আল বাকারার শেষের আয়াত দু’টি পড়বে তা সে রাতে ঐ ব্যাক্তির জন্য যথেষ্ট হবে।" (সহিহ মুসলিম : ৮০৭)

২। সূরাহ ইখলাছ, ফালাক্ব ও নাস

আবদুল্লাহ ইবনু খুবাইব রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন,

"তুমি প্রতি দিন বিকালে ও সকালে উপনীত হয়ে তিনবার করে সূরাহ ক্বুল হুআল্লাহু আহাদ (সূরাহ ইখলাস) ও আল –মুআওবিযাতাইন (সূরাহ ফালাক্ব ও সূরাহ নাস) পাঠ করবে, আর তা প্রত্যেকটি ব্যাপারে তোমার জন্য যথেষ্ট হবে।" (তিরমিযি : ৩৫৭৫)

৩। দুআ

উসমান ইবনু আফ্‌ফান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন :

প্রতিদিন ভোরে ও প্রতি রাতের সন্ধ্যায় যে কোনো বান্দা এ দু‘আটি তিনবার পাঠ করবে কোন কিছুই তার অনিষ্ট করতে পারবে না :

بِسْمِ اللَّهِ الَّذِي لاَ يَضُرُّ مَعَ اسْمِهِ شَيْءٌ فِي الأَرْضِ وَلاَ فِي السَّمَاءِ وَهُوَ السَّمِيعُ الْعَلِيمُ

(অর্থ : “আল্লাহ তাআলার নামে” যাঁর নামের বারাকাতে আকাশ ও মাটির কোনো কিছুই কোনো অনিষ্ট করতে পারে না। তিনি সর্বশ্রোতা, সর্বজ্ঞানী।”)

আবান রহিমাহুল্লাহ-এর শরীরের একাংশ পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়ে পড়েছিল। (উক্ত হাদিস রিওয়ায়াতকালে) এক লোক (অধঃস্তন বর্ণনাকারী) তাঁর দিকে তাকাতে থাকলে তিনি তাকে বলেন, তুমি কি প্রত্যক্ষ করছো? শোন! আমি তোমার কাছে যে হাদিস রিওয়ায়াত করেছি তা অবিকল বর্ণনা করেছি। তবে আমি যেদিন পক্ষাঘাতগ্রস্ত হয়েছি ঐ দুআটি পাঠ করিনি এবং আল্লাহ তাআলা ভাগ্যের লিখন আমার উপর কার্যকর করেছেন।

(তিরমিযি : ৩৩৮৮)

৪। ইবরাহিম আলাইহিসসালাম এর দুআ

ইবনু আব্বাস রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, নবিজি সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম হাসান ও হুসাইন কে ঝাড়ফুঁক করে বলতেন,

أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّةِ مِنْ كُلِّ شَيْطَانٍ وَهَامَّةٍ وَمِنْ كُلِّ عَيْنٍ لاَمَّةٍ

অর্থ : (আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ কল্যাণময় বাক্যাবলির ওয়াসীলায় প্রতিটি শয়তান, প্রাণনাশী বিষাক্ত জীব ও অনিষ্টকারী বদনজর থেকে আশ্রয় প্রার্থনা করছি)।

নবিজি বলতেন, আমাদের পিতা ইসমাইল আলাইহিসসালামও ইয়াকুব আলাইহিসসালাম কে এই দুআ পড়ে ঝাড়ফুঁক করতেন অথবা রাবী বলেছেন, ইসমাইল ও ইয়াকুব-কে ঝাড়ফুঁক করতেন।

(সহিহ বুখারি : ৩১২০)

©সীরাত পাবলিকেশন

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
এ্যাপয়েন্টমেন্ট করতে ফোন করুনঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
+88.0161.2877464 (Dhanmondi, Dhaka)
+88.01610.445262 (Banani, Dhaka)
+88.01841.445262 (Chittagong)
+88.01615.445262 (Khulna)
+88.0188.9992883 (Narayanganj)
+88.0188.9992882 (Mymensingh)
+88.0188.9992900 (Kuakata)
+88.0188.999.2898 (Cox's Bazar)
+88.01842.787924 (Jhalokati, Barisal)
+88.0184.2877464 (Bogra)
+88.0188.999.2881 (Cumilla)
+88.0188.999.2908 (Muradnagar, Cumilla)
+88.01894.430676 (Rajshahi)
+88.01894.430677 (Noakhali)
+88.0188.9992885 (Gazipur)
+1(716)495-4435 (Buffalo, New York, USA)
+1(512)686-6819 (Arlington, Virginia, USA)
+39(347)604-1636 (Italy)
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
ইনবক্স করতে ক্লিক করুনঃ
ধানমন্ডিঃ m.me/bangladesh.hijama.clinic
বনানীঃ m.me/hijama.planet.banani
চট্টগ্রামঃ m.me/hijama.planet.chittagong
খুলনাঃ m.me/hijama.planet.khulna
নারায়ণগঞ্জঃ m.me/hijama.planet.narayanganj
ময়মনসিংহঃ m.me/hijama.planet.mymensingh
কুয়াকাটাঃ m.me/hijama.planet.kuakata
কক্সবাজারঃ m.me/hijama.planet.coxsbazar
বরিশাল ও ঝালকাঠিঃ m.me/hijama.planet.jhalokati
বগুড়াঃ m.me/hijama.planet.bogra
কুমিল্লাঃ m.me/hijama.planet.cumilla
মুরাদনগর, কুমিল্লাঃ m.me/hijama.planet.muradnagar
রাজশাহীঃ m.me/hijama.planet.rajshahi
নোয়াখালীঃ m.me/hijama.planet.noakhali
গাজীপুরঃ m.me/hijama.planet.gazipur
ইটালীঃ m.me/hijama.planet.italy
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
প্রধান শাখাঃ
ঠিকানাঃ Building C (Ground Floor), House 91/1, Road 11A, Dhanmondi, Dhaka 1209
এ্যাপয়েন্টমেন্টঃ +88-01612-877464
গুগোল লোকেশানঃ https://goo.gl/maps/hDDwUMEPKdq

বনানী শাখাঃ
ঠিকানাঃ Ground Floor, House No. 31, Road no. 1/a Block: I, Banani, Dhaka 1213
অ্যাপয়েন্টমেন্টঃ +88-01610-445262
গুগোল লোকেশানঃ https://goo.gl/maps/CGFu6QmgRUx
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
ওয়েবসাইটঃ
www.hijama.com.bd
www.ruqyahbd.com
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬

স্পেশাল অফার। এখন থেকে প্রতিমাসে দুইদিন চলবে।▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬হিজামা একটি জনপ্রিয় সুন্নাহ ও বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি...
02/03/2019

স্পেশাল অফার। এখন থেকে প্রতিমাসে দুইদিন চলবে।
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
হিজামা একটি জনপ্রিয় সুন্নাহ ও বিজ্ঞানভিত্তিক চিকিৎসা পদ্ধতি। বিস্তারিত জানতে এই লিংকে ক্লিক করুনঃ bit.ly/whatishijama

এটা রোগের জন্য চিকিৎসা, সুস্থ ব্যাক্তির জন্য রোগ প্রতিরোধক। হিজামা এন্টি এইজিং ট্রিটমেন্ট অর্থাৎ সারা দুনিয়ায় মানুষ বয়সকে ধরে রাখতে এবং স্ট্যামিনা বাড়ানোর জন্য হিজামা পছন্দ করে থাকেন। হিজামা করলে যেসকল রোগের উপকার হয়ঃ http://bit.ly/hijamacure

ভিডিও দেখতেঃ
https://youtu.be/Yul4_berG9A
https://youtu.be/z-48h2eduBc

হিজামার খরচঃ bit.ly/hijamacost

▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
#স্পেশাল_১ঃ
হিজামা সেশান মাত্র ২০০০ টাকায়।

১। সর্বোচ্চ ১৫ টি পয়েন্টে।
২। সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত।
৩। প্রথম দশ জন।
৪। শুধুমাত্র প্রতি হিজরী মাসের প্রথম ও দ্বিতীয় রবিবার (১০ ও ১৭ মার্চ)
৫। অফারের কথা এ্যাপয়েন্টমেন্ট এর সময় উল্লেখ করতে হবে।
৬। এ্যাপয়েন্টমেন্ট এর সময় পেমেন্ট এ্যাডভান্স করতে হবে।
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
#স্পেশাল_২ঃ
হিজামা সেশান মাত্র ১৫০০ টাকায়।

১। শুধু পিঠের নির্দিষ্ট ১০ টি পয়েন্টে।
২। সকাল ৯ টা থেকে বিকাল ৫ টা পর্যন্ত।
৩। প্রথম দশ জন।
৪। শুধুমাত্র প্রতি হিজরী মাসের প্রথম ও দ্বিতীয় রবিবার (১০ ও ১৭ মার্চ)
৫। অফারের কথা এ্যাপয়েন্টমেন্ট এর সময় উল্লেখ করতে হবে।
৬। এ্যাপয়েন্টমেন্ট এর সময় পেমেন্ট এ্যাডভান্স করতে হবে।


▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
এ্যাপয়েন্টমেন্ট করতে ফোন করুনঃ
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
+88.01610.445262 (Banani, Dhaka)
+88.0161.2877464 (Dhanmondi, Dhaka)
+88.01841.445262 (Chittagong)
+88.01615.445262 (Khulna)
+88.01842.787924 (Jhalokati,Barisal)
+88.0184.2877464 (Bogra)
+1(716)495-4435 (Buffalo, New York, USA)
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
ইনবক্স করতে ক্লিক করুনঃ
বনানীঃ m.me/hijama.planet.banani
ধানমন্ডিঃ m.me/bangladesh.hijama.clinic
চট্টগ্রামঃ m.me/hijama.planet.chittagong
খুলনাঃ m.me/hijama.planet.khulna
বরিশাল ও ঝালকাঠিঃ m.me/hijama.planet.jhalokati
বগুড়াঃ m.me/hijama.planet.bogra
লক্ষ্মীপুরঃ m.me/hijama.planet.lakshmipur (opening soon)
নরসিংদীঃ m.me/126671967972640 (opening soon)
কুয়াকাটাঃ m.me/hijama.planet.kuakata (opening soon)
সিলেটঃ m.me/hijama.planet.sylhet (opening soon)
ময়মনসিংহঃ m.me/hijama.planet.mymensingh (opening soon)
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬
ওয়েবসাইটঃ
https://www.hijama.com.bd/
https://www.cupping.com.bd/
https://www.ruqyahbd.com/
▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬▬

একজন প্রাক্তন নাস্তিক জ্বীনের (?) কাহিনী।মক্কা গেলে একটি বইয়ের দোকানে সব সময় যাই, সেখানেই ভদ্রলোক পাশে দাড়িয়ে বাচ্চাদের ...
28/02/2019

একজন প্রাক্তন নাস্তিক জ্বীনের (?) কাহিনী।

মক্কা গেলে একটি বইয়ের দোকানে সব সময় যাই, সেখানেই ভদ্রলোক পাশে দাড়িয়ে বাচ্চাদের বই উল্টে পাল্টে দেখছিলেন। তার চেহারা আর পোষাকে সাতন্ত্র্য ছিলো, বুঝতে পারছিলামনা কোন দেশের লোক তিনি।

আমার ছোটবেলা বরিশাল বানরিপাড়া বাস চলতো অনিয়মিত ভাবে। মাঝে মধ্যে বরিশাল শহর থেকে গ্রামের বাড়ীতে ৮ মাইল পথ হেটে যেতাম বাবার পেছন পেছন। গায়ের ভেতর দিয়ে হেটে যেতে কাস্তে হাতে অপরিচিত কিষান কাজ থামিয়ে জিজ্ঞেস করতো, -- 'মেয়াছাফের ঠিকানা' ? বাবা দাড়িয়ে ঠিকানা বললেই শেষ হতোনা, জ্ঞাতি গোষ্টির পরিচিত দু একজনকে জানার পর পান-তামুকের দাওয়াত নাকচ করতে করতে গ্রামে পৌছতে হতো। সেই সব স্মৃতি এখন কোথায় হারিয়ে গেছে, বাবা চলে গেছেন, কিনতু মেয়াছাপের ঠিকানা জানতে চাওয়ার রোগটা আমার মধ্যে ঢুকে গেছে। প্রায়শ: সফরের জীবনে তাই অপরিচিতজনদের সঙ্গে যেচে আলাপ করা আমার বদভ্যাস।

তাই বলেই ফেললাম,-- সবুজ পাগড়িতে আপনাকে বেশ মানিয়েছে।

আমার দিকে তাকিয়ে হেসে স্কটিশ আঞ্চলিক টানের ইংরেজিতে বললেন, এটি বাধতে হয়না। স্কটল্যান্ডের ঘন সবুজ ঘাস খাওয়া ভেড়াদের মোলায়েম পশম দিয়ে আমরা পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো টুপি বানাই। এমনভাবে বললেন, যেন স্কটল্যান্ড ছাড়া পৃথিবীর আর কোথাও সবুজ ঘাস আর ভেড়া নেই।

আবার বললেন, স্কটল্যান্ডের একজন নুতন মুসলমান এটির ডিজাইন করেছেন, ক্যাপের ভেতর থেকে সেলাই করে পাগড়ি বাধা,-- খোলো আর মাথায় লাগাও ব্যাস। খুব ক্রেডিট নিয়ে কথা বলে দম নিলেন আমার মেয়াছাপ ভদ্রলোক।

পরাজিত বাঙালী মানসিকতার লোক আমি, সব কিছুতে জিততে চাই জোড় করে,সেই নিরিখে বললাম, আমাদের বাংলাদেশের বরিশালের ঘাস আরো অনেক সবুজ, ভোলার মহিষেরা খায় আর তা দিয়ে আমরা পৃথিবীর সবচেয়ে ভালো কটেজ চীজ বানাই। আমরা বলি ভোলার দই, উইশ আপনাকে খাওয়াতে পারতাম।

--- ওহ রিয়াল্লি, নেভার হার্ড অব।

আমি এখনো জিততে চাই, বললাম, স্কটিশ সুন্নতী পাগড়ির কথা কোনদিন শুনি নাই।

তিনি বললেন, -- সুন্নতী পাগড়ি কথাটা ঠিক হয় যদি সবুজ পাগড়ি কেউ তার হৃদয়ে প্রথম পড়ায় নবী (স)পরিধান করতেন বলে, পাগড়ি দিয়ে মুসলমান হলে সব শিখরাও মুসলমান। তাই আমার সবুজ পাগড়ির দিকে তাকিওনা।

বললাম, না তাকিয়ে উপায় আছে? পাগড়ির জন্যে কত শিখ মার খেলো আমেরিকায়, অমুসলিম জঙ্গীরা মুসলমান ভেবে পিটিয়েছে বেচারাদের। পাগড়িবিহীন মুসলমানরা তা জেনে হেসেছে কত।

তিনি প্রস্তাব করলেন,-- তেষ্টা লেগেছে, চলো কফি খেতে খেতে কথা বলি। তোমার সাথে আড্ডাটা জমবে মনে হয়, কাজ নেইতো তোমার ?

পাশেই ডানকিন ডোনাটসের কীয়স্ক। ব্লাক কফিতে চুমুক দিয়ে বললো, তুমি আমার পাগড়ি ছাড়া আর কি নিয়ে ভাবছো ?

---ভাবছিতো বটেই, কে তুমি, কনভার্ট না আদি মুসলমান, ইসলাম নিয়ে তোমার ভাবনা জানতে মন চায়। প্রথম নজরে তোমার চেহারা দেখে আমার মনে হয়েছিলো তুমি একজন জ্বিন। শুনেছি মক্কায় মানুষের বেশ ধরে অনেক জ্বিন নাকি ঘোরাঘুরি করে কাবার আশে পাশে। তাই অনেক কৌতুহলী আমি,- আমার জাতিগত গুন এটি, অন্যদের সব কিছু খুটিয়ে দেখা, গুন খোজার চেয়ে দোষ খুঁজে বের করা। কিছু মনে করোনা।

---ও তাই নাকি, আমি জ্বিন ! তাহলে আজ জানলে স্কটিশ জ্বিনরা কফি আর বোস্টন ক্রিম ডোনাট পছন্দ করে, (ও সেটাই খাচ্ছিলো )।

আমি হা হা করে হেসে বললাম, জানতামনা তবে দেখলাম আজকে। একজন বিলাতি সাহেব সবুজ পাগড়ি মাথায় কাবার বাজারে ঘুরছে, আধা নাকি স্বরে স্কটিশ ইংরেজী বলছে। আমার ছোটবেলায় এক আঙ্কেল পাগল হলে জ্বিন হাজির করা হয়েছিলো চিকিত্সা করাতে, তার কন্ঠের সাথে তোমার মিল আছে, তাই মনে হলো তোমাকে একটু ভালো করে দেখি। আচ্ছা বাদ দাও, তুমি জ্বিন না ফেরেশতা - তা আমার জানার দরকার নেই, তুমি কনভার্ট না জন্মগত মুসলিম ? সেটা বল আগে।

----মজার প্রশ্ন করেছ ? তার আগে তোমাকে একটা প্রশ্ন করি, তুমি কি একজন অথর, লেখালেখি কর ?

বললাম, অথর নই, কিনতু ফেসবুকে লেখি। খুশিমতো সবাই লিখতে পারে তাই আমিও লিখি। কেন ভাবলে একথা ?

হা হা হা করে জোরে হেসে আবার গম্ভীর হয়ে বললো, অনেক জ্বিনরা ফেসবুকে পোস্ট দেয় তুমি জানো ? তোমার ছবি দেখেছি মনে হয়।

চমকে ব্যাটার দিকে ভালো করে তাকিয়ে দেখলাম, না মানুষই লোকটা, নাহয় ঠোট চেটে ক্রিম খাচ্ছে কেন ? বললাম, একজন জ্বিনের ফেসবুক পেজের নাম দাও তো ? আর তোমার ফেসবুক আইডি কি ?

আচ্ছা সেটা পরে দেয়া যাবে। তাহলে তোমরা বাঙালিরা ঠিক আমাদের আইরিশদের মতো, অন্যদের মাঝে নাক গলানোর স্বভাব। যাইহোক আল্লাহর কথা অনুসারে সব নবজাতকের মতো আমিও জন্মগতভাবে মুসলমান, নাস্তিক পিতা মাতার সাথে নাস্তিক হিসাবে বড় হয়েছি, তারপর রিভার্ট করে ইসলামে ফিরে আসি বছর তিনেক হলো। সে বলে যাচ্ছিলো, আমাদের উন্নত দেশগুলিতে সব আছে, সব পাই আমরা, শুধু দ্বীন নাই বলে সব কিছু অপরিপূর্ণ।

আমি শুনছিলাম, সে বলছিলো, -- দেখো আমি ছিলাম এক নম্বরের নাস্তিক। দার্শনিক ফ্রেডরিক নীটশে লিখেছিলেন, গড মারা গেছেন। টাইমস একবার কভার স্টোরী করেছিলো 'ডেথ অব গড'। নাস্তিক হিসাবে কথাগুলি খুব পছন্দ হয়েছিলো। আস্তিকদের সাথে বিতর্কে বড় বড় দার্শনিক আর বিজ্ঞানীদের নাম বলতাম, এরা কেউ আল্লাহতে বিশ্বাস করেনা, তাই আল্লাহ নেই যুক্তি দিতাম। শুধু বিজ্ঞান আর থিওরী নিয়ে কথা বলতাম। ভাবটা এই যে, যারা বিশ্বাসী তাদের জন্যে বিজ্ঞান নয়। আস্তিক ডাক্তার, ইঞ্জিনিয়ার, বৈজ্ঞানিক এরা কেউ বিজ্ঞানমনস্ক নয়, মুক্তমনা তো নয়ই, এই দুটো টাইটেল শুধু নাস্তিকদের সম্পত্তি। সব নাস্তিক বিতর্কের সময় এই ট্রিকস ব্যবহার করে।

তর্কে জিতে আসতাম ওদেরকে কনফিউজ করে, কিনতু কিছুদিন পরে নিজেই বুঝতাম, যে থিওরীর রেফারেন্সগুলি দিয়েছি তা বদলে উল্টা হয়ে গেছে। তবুও একা একা হাসতাম, ব্যাটা আন্ধা আস্তিক, সে বুঝবে কেমন করে, সে কি বই পড়ে ? আবার এটাও মনে হত, জার্মানির নীটশেকে পেলে একটা কথা জানতে চাইতাম, মরুক আর বাচুক আপনার কথায় তাহলে গড একসময় ছিলো ?

সবচেয়ে বড় ধাক্কা খেলাম নাস্তিকদের বিজ্ঞানমনস্ক মুক্তমনা গুরু ব্রিটিশ চিন্তাবিদ এন্টনি ফ্লিউ থেকে। তিনি ৫০ বছর ধরে ৩০টি বইতে হেন প্রকারের যুক্তি নেই যা ব্যবহার করেননি স্রষ্টা নেই এই কথাটা প্রমান করতে। কিনতু কয়েক বছর আগে তার শেষ বই লিখলেন এই ভাবনায়, স্রষ্টা নেই লিখতে লিখতে আমি বুঝে ফেলেছি স্রষ্টা আছেন। তার বইয়ের নাম, দেয়ার ইজ এ গড, 'নো গড' কথাটি হাত দিয়ে কেটে 'এ গড ' লেখা হলো প্রচ্ছদে।

মাত্র তিনটি প্রশ্ন ফ্লিউকে আস্তিক বানায়, প্রথম,--প্রকৃতি কেন নিদৃষ্ট নিয়মে চলে ? দ্বিতীয়,-- সব জীবন পরিধিতে (ডাইমেনশন) আবদ্ধ কেন ? তৃতীয়ত:-- প্রকৃতির অস্তিত্বই বা রয়েছে কেন ? তবে তিনি বাইবেল আর কোরানে বর্ণিত স্রষ্টাকে নয়, এরিস্টটলের বর্ণিত স্রষ্টাকে বিশ্বাস করলেন।

----কিনতু আমি যখন আস্তিক হলাম, তখন ইসলামে প্রবেশ করলাম, কারণ খ্রিস্টধর্ম সহ বাকি সবগুলিতে অসঙ্গতি ছিলো, অপরিপূর্ণতা ছিলো।

আমি বললাম, -- কিনতু আজকাল অনেক লেখক, সমালোচক ইসলাম ধর্মের অপূর্ণতার অভিযোগ করে আর ত্রুটি খুঁজে।

তিনি বললেন, না ইসলামের কোনো ত্রুটি তুমি পাবেনা। ইসলাম ইউজারদের প্রচুর ত্রুটি আছে। নবী (স) একটিই ইসলাম দিয়ে গিয়েছিলেন, তার মৃত্যুর পর নতুন নতুন ব্যাখ্যা নিয়ে অনুসারীরা বিভক্ত হয়। তত্ব, রাজনীতি আর বানিজ্যিক স্বার্থে ১৪০০ বছর পরে দেখছ,-- জ্ঞান, যুক্তি আর সমঝোতায় ইসলাম নেই। তাই কেউ 'আমি ঠিক তুই বেঠিক' বিতর্ক, কেউ বন্দুক, কেউ চাপাতি হাতে যার যার জায়গায় স্থির দাড়িয়ে আছে যার যার ইসলাম নিয়ে। তোমার অযোগ্যতা তোমাকে অপরিপূর্ণতা অনুভব করাচ্ছে। আল্লাহ, কোরান, মোহাম্মদের ইসলাম পরিপূর্ণ আছে প্রথম থেকেই এবং কেয়ামত পর্যন্ত্য থাকবে। যারা এটি বুঝবে আর মানবে তারাই একমাত্র ইসলামের অনুসারী। বাকি সব ফিতনা গ্রস্থ।

আমি চুপ করে রইলাম। ভাবছিলাম তার কথা গুলি।

সে বলেই চলছিলো দেখো, পৃথিবীর সব জটিল জিনিস বুঝতে যোগ্যতা আর ট্রেনিং লাগে। গড আছে বা নেই, ইসলাম ভ্রান্তিতে ভরা,-- এসব কথা যে কেউ বলতে পারে, ভাবতে পারে, কোনো ট্যাক্স লাগেনা। কিনতু একটি ফ্যাক্টকে যখন অস্বিকার করে আমরা নাস্তিক হই, তখন আমরা মনে করি,-- আমি অনেক বুদ্ধিমান, সব বুঝি, অন্ধভাবে বিশ্বাস করতে হলে আমার বুদ্ধির দাম রইলো কই ? কিনতু যে কোনো কিছু বুঝতে হলে যোগ্যতা আর চর্চা লাগে, এই কথাটি প্রতিটি নাস্তিক সব সময় ভুলে থাকে।

একদিন এক আস্তিকের সাথে প্রচন্ড বিতর্ক হচ্ছিলো, তার একটি যুক্তি শুনে খুব ক্রোধান্বিত হয়েছিলাম, কিনতু তার কথাটিই আমাকে মুসলমান বানালো।

সে বলছিলো, মুরগীর একধরনের বুদ্ধি বা মগজ আছে, যা দিয়ে সে সন্ধ্যায় খোপে ঢোকে, ভোর রাতে ঠিক টাইমে কোকড় কো বলে স্লোগান দেয়, ডিম পাড়ে, বাচ্চা ফোটায়, বুদ্ধি দিয়ে শিকারী পাখি থেকে বাচ্চাদের সামলায়। এখন যদি মুরগিটি জানার চেষ্টা করে দুই পূরণ দুই কত ? তার সীমিত মগজ দিয়ে যদি তার উত্তর খুঁজে না পায় সঙ্গে সঙ্গে সে নাস্তিক হয়ে গেলো; বলতে শুরু করলো,-- অঙ্ক নেই, এলজেবরা নেই। আপনি তো মুরগি নন, আপনার মগজ দেয়াই হয়েছে কি কি আছে আর কি কি নেই তা বোঝার জন্যে। আল্লাহকে বোঝারই চেষ্টা করলেন না, মুরগির মতো কোকড় কো করেই যাচ্ছেন, আল্লাহ নেই, স্রষ্টা নেই, আসলে আপনার কোনো যোগ্যতাই নেই।
চিকেনের সাথে তুলনা করায় রাগ হয়ে,-- ইয়ু আর স্টুপিড, বলে চলে এসেছিলাম।

বিতর্কের বাইরে একা একা নির্জন মাঠে শুয়ে আকাশের দিকে তাকিয়ে প্রশ্ন করতাম, আমি কি আসলে একটা চিকেন ? হেই গড, আর ইউ দেয়ার রিয়াল্লি, শো মি অ সাইন তুমি যদি সত্যিই থাকো। গড ওজ সাইলেন্ট।

কেন জানিনা একদিন টমাস ক্লিয়ারির কোরানের অনুবাদ কিনে ফেললাম হটাত। দিন দশেক পরে একটি মসজিদ দেখে ঢুকে গেলাম,-- 'আমি মুসলমান হতে চাই, কেমন এক আজব ঘোরের মধ্যে বলে ফেললাম, কেন তাও জানিনা। বুঝলাম পথ খুজতে হয়, তখন পথের মালিক পথ দেখিয়ে দেন।

যে নাস্তিকেরা গর্ব করে বলে আমরা নাস্তিক, আমরা বিশ্বাস করি কোনো গড নেই, তাদের এই কথাটি আরবিতে অনুবাদ করলে হয় - 'লা ইলাহা', তারা কিনতু এই কথা বলে কলেমা শাহাদাতের অর্ধেক প্রতিদিন উচ্চারণ করতে থাকে। এদের জন্যে বাকি থাকে শুধু কলেমার 'ইল্লাল্লাহ' কথাটি উচ্চারণ করা। ঈমানের অর্ধেক তাদের অলরেডি আছে। আমি এই দলের ছিলাম। গর্ব করে সবসময় বলতাম, আমি নাস্তিক, কোনো খোদা নেই, লা ইলাহা রোজ বলতাম।

আস্তিকরা নাস্তিকদের নাম শুনলেই মুখ বিকৃত করে, এটি ঠিক নয়, একদিন ওরা তোমার চেয়েও বড় বিশ্বাসী হতে পারে। ওদেরকে ঘৃনা না করে বন্ধু বানাও, বোঝাও। আল্লাহ তোমাকে পুরস্কৃত করবেন, তাকেও সঠিক পথ দেখাবেন, এবং এই পথ দেখানোর রাস্তা একেকজনের একেক ভাবে হয়।

কাবার মসজিদে মাগরিবের আজান ধ্বনিত হলো, অজু করার কথা বলেই সবুজ পাগড়িওয়ালা হারামের বাইরে জনতার ভীড়ে মিশে গেলো, আমি অবাক হয়ে দেখলাম বা আমার মনে হলো, সে ঠিক হেটে যাচ্ছেনা মাটিতে পা লাগিয়ে- অনেকটা স্কেটিং করার মতো আধা ফুট শুন্যে তার দুই পা স্থির,- দুরে সরে যাচ্ছে শুন্যের ওপর। মনে হলো লোকটার নাম জিজ্ঞেস করা হয়নি। চিত্কার করে বললাম, হেই ম্যান, হোয়াটস ইয়োর নেইম ?

টেবিল পরিস্কার করতে আসা বাংলাদেশী ভাইটি বললো, কাকে ডাকছেন, আর এতক্ষণ কার সাথে একা একা কথা বলছিলেন ? এগুলি কার জন্যে কিনলেন দুই ডোনাট দুই কফি, সবতো পড়ে আছে। আমি বললাম, ওই যে সবুজ পাগড়ি ওয়ালা, সেতো কফি আর ডোনাট খেলো।

ওয়েটার ভাইটি বলল, মক্কায় কেউ ইয়াবা খায়না, আফনে ফাইলেন কই ?

আমি বললাম, কি যা তা বলেন, এই যে দেখেন মোবাইলে সবুজ পাগড়িওয়ালার ছবি।

সে কিছুই দেখলোনা শুধু বললো, ওঠেন ওঠেন নামাজে যান, আর একবার ভালো কইরা ওমরা করেন। আফনারে জ্বিনে ধরছে।

আচ্ছা বলুনতো আপনারা কেউ কি সবুজ পাগড়িওয়ালা, দাড়িওয়ালা কারো ছবি দেখছেন, আমি কিনতু পোস্ট করেছি। এনাকে কেউ দেখতে পেলে আমার কথা বলবেন, ফেসবুকে যোগাযোগ করতে বলবেন দয়া করে।

Courtesy: Arifur Rahman

Address

Mohammadpur, Dhanmondi, Banani, Uttara
Dhaka
1213

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Friday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Telephone

+8801610445262

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Ruqya Center Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Ruqya Center Bangladesh:

Shortcuts

Share