LIVE- Life Is Very Easy

LIVE- Life Is Very Easy we provide trainings and consultancy to create skillful people and make your life more easy.. Do you hate your reflection on the mirror? Wait!!
(1)

Have you been a nagger to yourself? Don't you bear the pressure anymore? You feel like bidding "Good bye" the world? LIVE has got something precious to whisper into your ear. Who else can feel you except the one who went through the turmoils you have been? LIVE has been an organization by the young energizers,for the sufferers, to the warriors. We care for your single drop of tear from deep down

inside. Let us know why life is harsh to you, why you are depressed, what sort of problem you are facing.We believe in your instincts. LIVE team is all set with life and career counselors to answer your questions.Feel free to ask your counterpart. Let's live life to the fullest!!


আয়নার দিকে তাকিয়ে নিজের চেহারা দেখে ভাবছেন, কেন ওই মেয়েটা কিংবা ছেলেটার মতো হল না আপনার চেহারা?
জীবনে ঘটে যাওয়া কোন ঘটনার স্মৃতি রমন্থন করছেন? খুব কান্না পাচ্ছে কি?
এতো এতো প্রেশার ভাল লাগছে না আর?
অপমানিত হয়েছেন কোন কারণে? প্রতিশোধ নেওয়ার জন্য একদম উঠে পড়ে লেগেছেন কি? আপনার শিরায় শিরায় উপলব্ধি করছেন প্রচণ্ড রকমের উত্তেজনা?
জীবনের কোন কাজে ব্যর্থ হয়েছেন? ব্যর্থতার গ্লানি বইতে কষ্ট হচ্ছে খুব?
নিজেকে ‘ওয়েস্ট অফ অক্সিজেন’ মনে হচ্ছে?
মাঝে মধ্যে উলটপালট লাগছে পুরো পৃথিবীটা? মনে হচ্ছে, আপনার জীবনটা অগোছালো হয়ে গেছে? হয়তো দুঃস্বপ্ন দেখছেন। হোঁচট খেয়ে মাঝ পথে পড়ে গেছেন। আর উঠে দাঁড়ানোর শক্তি নেই আপনার। কোন মতেই পারছেন না উঠে দাঁড়াতে। মনে হচ্ছে- কেন আপনার সাথেই এমন হয়?
নিজেকে মিশিয়ে ফেলতে চাচ্ছেন গভীর অন্ধকারে। শেষ করে ফেলছেন নিজেকে। চোখের জল ঝরছে অঝরে। আর আপনি প্রস্তুত, পৃথিবী থেকে বিদায় নেওয়ার জন্য...
দাঁড়ান দাঁড়ান!
অনেক তো কষ্ট পেলেন! একটিবার বাঁচার মতো বেঁচে দেখেছেন কি? জীবনটা কতো সহজ একটু ভেবে দেখেছেন কি? বিশ্বাস করুন- Life Is Very Easy!
বিশ্বাস হচ্ছে না? আমাদেরকে জানান, কেন আপনার কাছে জীবন এতো কঠিন? কেন হতাশ আপনি? কী সমস্যা আপনার?আপনার জীবনের সব রকমের জটিল প্রশ্নের জবাব দিতে LIVE (Life Is Very Easy) টীম প্রস্তুত!

ছাত্রাবস্থা থেকেই NGO এর বিভিন্ন কাজে পার্টটাইমে যুক্ত হবার সুযোগ।
21/11/2024

ছাত্রাবস্থা থেকেই NGO এর বিভিন্ন কাজে পার্টটাইমে যুক্ত হবার সুযোগ।

মা-কে নিয়ে কখনও এভাবে ভেবেছেন?
20/10/2023

মা-কে নিয়ে কখনও এভাবে ভেবেছেন?

01/08/2023

জীবনের নির্মম বাস্তবতা কী জানো? জীবনের সবচেয়ে কঠিন, অন্ধকার, অচেনা আর অনিশ্চয়তার অলিগলিগুলোতে সবার একাই পথ চলতে হয়। ভাগ্য খারাপ হলে তোমার নিঃসঙ্গ যাত্রা হবে। ভাগ্য খুব খারাপ হলে চারপাশে হাজারো মুখোশ পড়া অভিনেতাদের সশব্দ এবং সক্রিয় সংলাপ শুনতে পাবে। ভাগ্য এর চেয়েও খারাপ হলে হয়তো তোমার নিজের কাছেই নিজেকে অচেনা লাগবে।

তখন নিজের জীবনকে বয়ে নেয়াই যেন একটা ক্লান্তিকর আর অনিবার্য আনুষ্ঠানিকতা হয়ে দাঁড়ায়। সেই সময় নিজেকে প্রশ্ন করতে ভুলে যাই, প্রশ্ন করলেও উত্তর খুজতে অন্ধকারে হাঁতড়ে বেড়াই, চিন্তা করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলি, নিজের সাথে নিজের কথাও বলতে ইচ্ছে হয় না। শুধুই যেন যন্ত্রের মত প্রতিদিন ঘুম থেকে ওঠা, সফলতার মেকি মন্ত্র সামনে রেখে অস্তিত্বের লড়াইয়ের জন্য নিজের সবটুকু দিয়ে জীবন যুদ্ধে টিকে থাকার চেষ্টা করা, প্রতিনিয়ত নিয়ম রক্ষার জন্য বেচে থাকা।

এক সময় না পাওয়ার তীব্রতা সয়ে যেতে থাকে। তখন না পাওয়াও আমাদের কষ্ট দিতে পারে না। না পেতে পেতে প্রথমে পাওয়ার চাহিদা কমে যায়, তারপর আমাদের চাওয়ার সাহস মরে যায়। মাঝে মাঝে প্রচন্ড ভয়ের কাছে আমাদের জীবনাংশ স্বল্প দামে বিক্রি করে দেই, সামাজিকতার কাছে স্বাধীনতাকে বন্ধক রাখি, বর্তমানকে আটকে রাখি ভবিষ্যতের কারাগারে।

মাঝে মাঝে জীবনের জমা খরচের খাতায় হিসেব মেলাতে বসি। অনেক শখ আর সম্পর্ক বাকীর পাহাড়কে বড় করে। জমা রাখা সুখগুলোতেও ধুলো জমে যায়। নড়বড়ে হয়ে যায় অতীতের ভিত্তি, বর্তমান হয়ে যায় দোদুল্যমান, ভবিষ্যৎ হয়ে যায় আপেক্ষিক। যে দাম দিয়ে যে সুখ কিনতে চেয়েছি, সেই সুখ কি আসলেই প্রয়োজন ছিলো। হয়তো, দামটা ঠিকই দিয়েছিলাম, কিন্তু সুখের মালিকানা বুঝে পাই নি। হয়তো আনন্দের দামে শুধু আনন্দের আবরণটাই কিনেছি............

(অনেক দিন পর লেখালাখি নিয়ে বসলাম। লেখার পরবর্তি অংশ পড়তে চান? তাহলে কমেন্ট আর শেয়ারের মাধ্যমে পাশে থাকুন

বারবার ভালোবাসাকে স্মরণ করতে হয়। Video: Mashahed Hassan Simanta
25/06/2023

বারবার ভালোবাসাকে স্মরণ করতে হয়।
Video: Mashahed Hassan Simanta

11/05/2022

আসুক মন্দা কিংবা মহামারী,
'ভালোবাসি' যেন বলতে পারি
---------------------------------
সমাজবিজ্ঞান পড়ার সময় আমাদের শেখানো হয়েছে, 'আমাদের মৌলিক অধিকার ৫টি - অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা, চিকিৎসা।' কিন্তু আমার মতে ৬ষ্ঠ আরেকটা মৌলিক অধিকার আছে৷ প্রত্যেকটা মানুষ পৃথিবী ছেড়ে চলে যাবার আগে তার চারপাশের মানুষ তাকে কতটা ভালোবাসতো এটা সে স্পষ্টভাবে (সম্ভব হলে বারবার) জেনে যাবার আর অনুভব করারবঅধিকার রাখে। মুখে বলতে জড়তা আসলে স্পর্শ দিয়ে বোঝান, আর তাও না পারলে নিজ হাতে চিঠি লিখুন। আমরা কেউ-ই জানি না, কারা কারা সেই অনুভূতিগুলো অনুভব করার অভাব নিয়ে আমদের ছেড়ে হঠাত করে চলে যাবেন।
--------------------------------------------
প্রতি মুহুর্তে ঘড়ির আওয়াজে যাচ্ছে কমে সময়,
আর কতদিন আনমনে করি অনুভূতির অপচয়।

একটা গ্রামে পিন্টু আর মিন্টু নামে দুই যুবক বাস করত । তারা দুজনেই বেকার । দিনমজুরের কাজ ছাড়া গ্রামে আর কোনো কাজই তারা দে...
14/08/2021

একটা গ্রামে পিন্টু আর মিন্টু নামে দুই যুবক বাস করত । তারা দুজনেই বেকার । দিনমজুরের কাজ ছাড়া গ্রামে আর কোনো কাজই তারা দেখছে না । এইদিকে নব বিবাহিতা স্ত্রী নিয়ে দুজনের একই রকম পারিবারিক অবস্থা । ভিন্ন মানসিকতার হলেও দুজনের একটাই সাধারণ সমস্যা , আর সেটা হলো কী করে টাকা রোজগার করা যায় ।

এই সব ভাবতে ভাবতে পিন্টুর মাথায় একটা বুদ্ধি খেলে গেল । সে মিন্টুকে বলল দুজনে মিলে যদি একটা মহিষ কেনা যায় , তাহলে কেমন হবে । মহিষের দুধ বিক্রি ক’রে কিছু টাকা পাওয়া যাবে । আর মহিষের বাচ্চাও হবে , ফলে মহিষের সংখ্যা বাড়তে থাকবে । দুধও বেশি বেশি হবে । আর এভাবে দুজনই একদিন অনেক টাকার মালিক হয়ে যাবে । মহিষের সংখ্যা যখন বাড়বে , তখন অনেক লোক রাখবে দেখাশুনার জন্য —-এভাবে দুজনই একদিন ধনী হয়ে উঠবে ।

এভাবে পিন্টু তার ভাবনার কথা মিন্টুকে জানায় । এই প্রস্তাবটি মিন্টুরও খুব ভালো লাগে । সেও প্রস্তাবে রাজী হয়ে যায় । তারা দুজনে কথা পাক্কা করে ফেলে । খুব আনন্দ আর উদ্দীপনা নিয়ে দুজনেই বাড়ি যায় । দুজনেই তাদের এই উদ্যোগের কথা নিজের স্ত্রীকে জানায় ।

পিন্টুর স্ত্রী সব শুনে খুব আনন্দের সঙ্গে তার গয়না খুলে স্বামীর হাতে দিয়ে বলল ” খুব ভালো পরিকল্পনা , আমার গয়না বিক্রি করে মহিষ কেনো । যখন বেশি বেশি রোজগার হবে , গয়না কিনতে আর কতক্ষন । ” স্ত্রীর কথায় গর্বিত হয় পিন্টু ।

ঐদিকে মিন্টু তার পরিকল্পনার কথা স্ত্রীকে জানালে তার স্ত্রী বলে , ” দেখো একে তো আমাদের কিছুই নেই । খালি কয়েকটা মাত্র গয়না সম্বল । আর তা বিক্রি করে মহিষ কিনবে । কিন্তু যদি মহিষ মরে যায় …..”

মিন্টুর মনেও খটকা লাগে । মনে হয় তার স্ত্রী ঠিকই বলছে । কারণ মহিষ যদি মরে যায় , একমাত্র সম্বল গয়নাগাটিও যাবে — মহিষও যাবে । এত ঝুঁকি নেওয়াটা ভুল হবে ।

পরের দিন দুই বন্ধুর দেখা হলে মিন্টু বলে ” ভাই পিন্টু , মহিষ যদি মরে তাহলে…. ? “

পিন্টু বলে , ” এসব বাজে কথা ভাবছিস কেন ? কেনার আগেই মহিষ মরার কথা ভাবছিস ? আর মহিষ কোন কারণেই বা মরতে যাবে ? ”

মিন্টু একই সুরে হতাশ জবাব দেয় , ” তা তো বুঝলাম যে মহিষ মরবে না । কিন্তু ধর , যদি মরে ? তাহলে কী হবে ? “

পিন্টু অত্যন্ত স্নেহ ভ’রে জবাব দেয় , “তোর ‘তাহলে’র জবাব আমার কাছে নেই । ”

মিন্টু বলে ” এই তাহলে’র জবাব আমার কাছে আছে । আমরা বরবাদ হয়ে যাবো । সব হারিয়ে নিঃস্ব হয়ে যাবো । “

অত্যন্ত বেদনাহত হয়ে পিন্টু বলে , ” কিন্তু তুই কেন বার বার ভাবছিস যে মহিষটা মরে যাবে …..একটু অন্যভাবে ভেবে দেখ , মহিষটা দুধ দেবে । আমরা বিক্রি করবো । প্রথমে পয়সাগুলো জমাবো । তারপর আরও মহিষ কিনবো । অনেক পয়সা হবে যখন , তখন অনেক গয়না কেনা যাবে , বাড়িও বানানো যাবে । এভাবে দুধের বড় ব্যবসায়ী হয়ে উঠব দুজন । ”

কিন্তু মিন্টুর ওই এক বুলি এক জিকির ” ব্যবসা টাকা বাড়ি গয়না সব হবে তখনই , যখন মহিষটা বেঁচে থাকবে । ”

এরপর অনেক বোঝানোর পরেও মিন্টু তোতাপাখির মতো বলতে থাকে মহিষ মরার কথা ।

পিন্টু আর বোঝাতে পারে না শুধু বলে , ” দেখ মিন্টু , ঐরকম ভাবলে তুই কোনোদিনও কোনো কাজ করতে পারবি না । এই ধরণের ভাবনা ঠিক নয় । কারণ তুই আগে অন্ধকার দিকটাই দেখছিস । ” এইভাবে দুই বন্ধুর তর্কের পর কয়েকদিন গেল । পিন্টু একাই একটা দুগ্ধবতী মহিষ কিনে ফেলে । সে এখন আর দিন মজুরের কাজে যায় না । সকাল থেকে সন্ধ্যা মহিষের দেখাশুনা করে , দুধ দোয় । প্রথম কিছুদিন দুধের গ্রাহক খুঁজতে , মহিষের পরিচর্যা করতে কষ্ট হয়েছিল । ধীরে ধীরে পিন্টু এই কাজগুলোতে দক্ষ হয়ে উঠতে লাগলো ।

আর দিনমজুরের কাজের শেষে মিন্টু রোজ তার কাছে আসতো , আর পিন্টুর সংঘর্ষ করার , পরিশ্রমের বিষয়টি দেখতো । আর ভাবতো তাদের দিনমজুরের জীবন কত ভালো ছিল । রোজ সকালে কাজে যেত আর বিকেলে ফিরে এসে সন্ধ্যায় কাজ কর্মহীন আড্ডা দিতে পারত । এখন পিন্টুর জীবনে আড্ডা দেবার অবসর নেই । তার উপর এত ঝুঁকি নিয়ে কেন যে মহিষ কিনলো । যদি মরেই যায় । সবই যাবে তার ।

আর ঐ দিকে কালো মহিষের মধ্যেই জীবনের আলো দেখতে পায় পিন্টু । সে দ্বিগুন উৎসাহে কাজ করতে লাগলো । এটা ঠিক যে তার কাছে এখন অবসর নেই । কিন্তু সুন্দর ভবিষ্যতের কল্পনায় সময় নষ্ট করতে সে রাজি নয় ।

এইভাবে দিন যায় । আস্তে আস্তে তার গ্রাহক বাড়তে থাকে । মহিষ বাড়তে থাকে । কাজের লোকও বাড়তে থাকে । মহিষও তার মরে নি ।অন্যদিকে মিন্টু মহিষের মরার কথা ভাবে আর একইভাবে দিনমজুরের কাজ করে যায় । পিন্টু ধনী হতে থাকে ক্রমশঃ।

টানা ৯-১০ দিনের আগুনে পুড়ে ছাই ৮-১০ টি অঙ্গরাজ্য। শত শত বন্যপ্রাণী পুড়ে কাবাব হয়েছে, কয়েকজন সেচ্ছাসেবীও শাহাদাৎ বরণ করেছ...
12/08/2021

টানা ৯-১০ দিনের আগুনে পুড়ে ছাই ৮-১০ টি অঙ্গরাজ্য। শত শত বন্যপ্রাণী পুড়ে কাবাব হয়েছে, কয়েকজন সেচ্ছাসেবীও শাহাদাৎ বরণ করেছেন দাবানলে।

আগুন নেভাতে আন্তর্জাতিক কোন ফর্মুলা বাদ রাখেনি তুর্কি সরকার। কাজের কাজ কিছুই হয়নি।

আলী আঁরবাশ, তুর্কি ধর্ম মন্ত্রণালয়ের প্রধান ঘোষণা দিলেন। আল্লাহ ছাড়া কেউ আগুন নেভাতে পারবেনা, আল্লাহর রহমত ছাড়া এই দাবানল নেভানো সম্ভব না। সুতরাং বৃষ্টির জন্যে দেশব্যাপী 'সালাতুল ইসতিসক্বা' পড়ার আহ্বান জানালেন।

দেশব্যাপী মানুষ যখন কাঁন্নারত 'মোনাজাতে'

আর একশ্রেণীর মানুষ তখন সোশ্যাল মিডিয়াতে ব্যাস্ত ধর্মপ্রাণ তুর্কিদের 'সালাত' নিয়ে ট্রল- আর সারকাজমে।

দোয়া করা দেখে টুইটারে একজন লিখেছে- তুরস্কে বসবাসরত সবাই জানে যে আনতালিয়া অঞ্চলে আগষ্ট মাসে বৃষ্টি হওয়ার কোন সম্ভাবনা নেই। দু'য়া নয় বিজ্ঞানে বিশ্বাস করুন।

কারণ:- এএফপি, রয়টার্স সহ সব বড় বড় আন্তর্জাতিক মিডিয়ার আবহাওয়া নিউজে বৃষ্টি না হওয়ার শতভাগ সম্ভাবনার রিপোর্ট ছাপা হয়েছে।

এর পর পরই শুরু হয়েছে-আল্লাহর রহমতের বৃষ্টি। টানা ৯-১০ দিনের আগুন এক নিমিষে নিভে গেছে।

এক হাদিসে এসেছে:- তোমরা যদি আল্লাহকে জানতে আর বুঝতে তাহলে তোমাদের দু'য়ায় পাহাড় নড়ে উঠতো।

(সংগ্রহীত)

একজন ভদ্রলোক একটি আস্ত গরু গ্রীল করে তার ছেলেকে ডেকে বললেন– 'আমাদের আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীসহ প্রিয়জনদের ভোজের জন্য...
11/08/2021

একজন ভদ্রলোক একটি আস্ত গরু গ্রীল করে তার ছেলেকে ডেকে বললেন– 'আমাদের আত্মীয়-স্বজন, পাড়া-প্রতিবেশীসহ প্রিয়জনদের ভোজের জন্য দাওয়াত করে নিয়ে এসো'।

ছেলেটি রাস্তায় গিয়ে চিৎকার করতে থাকলো– 'আমাদের বাসায় আগুন লেগেছে। আপনারা আগুন নিভাতে সাহায্য করুন'।

কিছুক্ষণ পরে অল্প কিছু সংখ্যক মানুষ সাহায্যের জন্য এগিয়ে আসলো। বাকিরা এমন ভাব করলো যেনো তারা কিছু শুনতেই পায়নি! যারা আসলেন তারা পেট পুরে মজাদার সেই খাবার খেলেন।

লোকটি খুব আশ্চর্য্য হয়ে ছেলেকে জিজ্ঞেস করলেন– 'এই যে অল্প সংখ্যক মানুষ যারা এসেছেন তাদেরকে প্রায় কাউকেই আমি চিনিনা এবং অনেককেই কখনোও দেখিনি। আমাদের আপনজনেরা সব কোথায়?'।

ছেলেটি উত্তর দিলো– 'এই যে যারা এসেছেন, তারা কিন্তু খাবার খেতে আসেননি। বরং এসেছেন আমাদের বাসায় আগুন নিভানোর কাজে সাহায্য করতে। তারাই আসলে আমাদের আতিথেয়তার যোগ্য'।

মোদ্দাকথাঃ যারা তোমার বিপদের সময় তোমার পাশে থাকেনি, তারা তোমার আনন্দের অংশীদারী হওয়ার যোগ্যতাও রাখেনা।

(সংগৃহীত)

খুব সহজে 'লাইফ ইজ ভেরি ইজি' বই কিনুন। ❤️
20/01/2021

খুব সহজে 'লাইফ ইজ ভেরি ইজি' বই কিনুন। ❤️

Address

Dhaka

Telephone

+8801672672829

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when LIVE- Life Is Very Easy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to LIVE- Life Is Very Easy:

Share