07/09/2026
চর্ম রোগের চিকিৎসার সতর্কতা ও করণীয়!
রোগী
চার বছরের শিশু। বিসদৃশ্য চিকিৎসার ফলে চর্ম রোগের লক্ষণ গুলি চাপা পড়ে। তবে কিছু চর্মরোগ থেকে যায়। রোগী দেখতে অনেকটা বয়স্ক মানুষের মতো মনে হচ্ছিল। কেমন যেন এবনরমাল ভাব।
যথাযথ লক্ষণ অনুযায়ী হোমিওপ্যাথিক ওষুধ প্রয়োগ করার ফলে রোগীর অযাচিত বৃদ্ধি দেখা দেয়। এটাকে বলা হয় হোমিওপ্যাথিক বৃদ্ধি। এটি রোগের জন্য ভালো।
যাইহোক রোগীর পরিবার তাড়া দিচ্ছিল। আমি বুঝিয়ে বললাম। চর্মরোগ বৃদ্ধি এবং পুজোর স্রাবের পরে রোগী সম্পন্ন সুস্থ হয়ে উঠবে।
রোগী অবশেষে সুস্থ হয়ে ওঠে। মজার বিষয় হল
হোমিওপ্যাথিতে আসার পরে রোগীদের তারা যেমন বেড়ে যায় তেমনি ভাবে অস্থিরতা বেড়ে যায়। অপরদিকে এলোপ্যাথিতে বছরের পর বছর চিকিৎসা চালিয়ে যেতে পারে সাময়িক উপশমের মাধ্যমে এবং নতুন রোগ বরণ করে নিতে পারে।
তাই নতুন চিকিৎসকদের অনুরোধ সব সময় রোগীকে কাউন্সিলিং করবেন এবং কাউন্সিলিং যারা গ্রহণ করতে রাজি না তাদেরকে চিকিৎসা করা থেকে বিরত থাকুন।
রোগীদের জন্য সতর্কতা
এরকম চর্মরোগ যথাযথ এবং সঠিক হোমিও চিকিৎসা ছাড়া সম্পূর্ণ আরোগ্য করা প্রায় অসম্ভব। তাই স্থায়ী আরোগ্যের জন্য একজন ক্লাসিক্যাল হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
সঠিক হোমিও চিকিৎসা নিন সুস্থ থাকুন।
চর্ম রোগের আজীবন ওষুধ না খেয়ে অন্তত ৩-৪ মাস ওষুধ গ্রহণ করুন।