Monochikitshaloy

Monochikitshaloy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Monochikitshaloy, Mental Health Service, B-37, Block E, Zakir Hossain Road, Dhaka.

সবাইকে ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা
16/12/2023

সবাইকে ১৬ই ডিসেম্বর বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

01/01/2023
বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা
16/12/2022

বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

12/02/2022

কনভারসন ডিসওর্ডার (Conversion Disorder): মানসিক কষ্টের শারিরীক বহিঃপ্রকাশ

লেখক,
শুভ সরকার
ট্রেইনি ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট
ক্লিনিক্যাল সাইকোলজি বিভাগ
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়

কনভারসন ডিসওর্ডার হলো এমন এক ধরনের মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা যাতে ব্যক্তি বিভিন্ন রকমের শারিরীক লক্ষণ নিয়ে (symptom) নিয়ে কষ্ট পেয়ে থাকেন। লক্ষণ গুলো হলোঃ
ক) শারীরিক লক্ষণ গুলো দুই প্রকারে দেখা যায়ঃ

১)সংবেদীয় লক্ষণ( Sensory symptoms)ঃ চোখে দেখতে না পাওয়া বা দেখতে অসুবিধা হওয়া, স্পর্শ অনুভূতি না পাওয়া।
২) অঙ্গসঞ্চালন মূলক লক্ষণ (motor symptoms)ঃ শরীর পুরোপুরি বা কোন নির্দিষ্ট অঙ্গ প্যারালাইজড হয়ে যাওয়া, হাত, পা বা শরীর বাঁকা হয়ে যাওয়া, ব্যালেন্স ঠিক রাখতে অসুবিধা হয় হাঁটতে গেলে পড়ে যায়, শরীর দুর্বল হয়ে যাওয়া, বোবার মতো হয়ে যাওয়া বা খুবই সামান্য কথা বলা, ঢোক গিলতে সমস্যা হয়, যেন গলায় কিছু একটা আটকে আছে, খিঁচুনি হওয়া, হঠাৎ করে অজ্ঞান হয়ে যাওয়া।
লক্ষণ গুলো দেখে কেউ কেউ মনে করতে পারে যে ব্যক্তি ইচ্ছা করে করছেন এসব অথবা জ্বীন-ভূত এর আছড় হয়েছে।যা সম্পুর্ন ভূল ধারণা।

খ) লক্ষন গুলো দেখে স্নায়ুবিক সমস্যা (Neurological problem) মনে হতে পারে। তবে নিউরোলজিক্যাল বা অন্যান্য শারিরীক পরীক্ষা করে কোন অস্বাভাবিকতা ধরা পড়ে না।
তাই কনভারসন ডিসওর্ডার নির্নয় করতে হলে প্রথমেই নিউরোলজিক্যাল, বা শারিরীক অন্যান্য পরীক্ষা করে তবেই নিশ্চিত হতে হয়। এ সকল বিষয়ে ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট এবং সাইকিয়াট্রিস্টরা সজাগ থাকেন।

গ) এক বা একাধিক লক্ষণ যদি ছয় মাস বা ততোধিক সময় ধরে পরিলক্ষিত হয় এবং ব্যক্তির জীবনে ব্যক্তিগত, পেশাগত, সামাজিক এবং অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্রে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে এবং ব্যক্তির কাছের মানুষদের চরম দুর্দশায় পরতে হয় তখন বলা যায় ব্যক্তি কনভারসন ডিসওর্ডার এ আক্রান্ত। সবচেয়ে বড় কষ্ট হলো, দেশে বিদেশে অনেক ডাক্তার কবিরাজ দেখিয়েও যখন কোন সুফল পাওয়া যায় না তখন অত্যন্ত হতাশা কাজ করে যেটা রোগী ছাড়াও তার কাছের মানুষদের মাঝে দেখা যায়।

ঘ) গবেষণায় দেখা গিয়েছে কনভারসন ডিসওর্ডার পুরুষদের তুলনায় মহিলাদের মাঝে বেশি দেখা যায়।
১০ থেকে ৩৫ বছর বয়সের মধ্যে এই রোগ হবার প্রবনতা বেশি থাকে।

ঙ) কনভারসন ডিসওর্ডার এর কারণঃ
এর কোন প্রকৃত কারণ মেডিক্যাল সাইন্স এখনো খুঁজে পায়নি। তবে সিগমুন্ড ফ্রয়েড এর সাইকো এনালাইটিক তত্ত্ব (Psychoanalytic theory) দ্বারা ব্যাখ্যা করা যায়। এছাড়াও অন্যান্য মনোবৈজ্ঞানিক তত্ত্ব দ্বারাও এর রোগের কারণ ব্যাখ্যা করা যায়।

চিকিৎসাঃ কনভারসন ডিসওর্ডার এ সাইকোথেরাপি অনেক বেশি কার্যকরী। তবে ঔষধ এবং সাইকোথেরাপি এক সাথে নেয়া উত্তম।
সাইকোথেরাপি এর জন্য ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট এর সঙ্গে যোগাযোগ করতে হয়।

এ বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে কমেন্ট বক্সে অথবা ইনবক্সে প্রশ্ন করতে পারেন।
আর ঔষধের জন্য সাইকিয়াট্রিস্ট।

05/02/2022

প্যানিক ডিসওর্ডার (Panic Disorder)

লেখক,
মোঃ নাসিম বিল্লাহ্
অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট

প্যানিক ডিসওর্ডার একটি মৃদু (neurotic) মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যা।

দুটো বিষয় থাকে প্যানিক ডিসওর্ডারে
১) প্যানিক এ্যটাক
২) প্যানিক এ্যটাকের ভয়

প্যানিক এ্যটাকঃ প্যানিক এ্যটাকে (অন্তত চারটি লক্ষণ থাকে ডিসওর্ডারে) কিছু লক্ষণ উপস্থিতি থাকে যেমন
ক) বুক ধড়ফড় করা
খ) দম বন্ধ হয়ে আসে বা গলা টিপে ধরলে যেমন অনুভুতি হয়
গ) গা ঘামতে থাকে
ঘ) শরীর বা (হাত-পা) থর থর করে কাঁপে বা ঝাকুনি দেয়
ঙ) মনে হয় অক্সিজেন কমে গেছে আসেপাশে, বিষম লাগার মত,কথা বলাও কষ্টকর হয়ে যায়
চ) বুকে ব্যাথা বা প্রচণ্ড অস্বস্তি লাগে
ছ) বমি বমি ভাব বা পেটের ভেতর প্রচন্ড অস্বস্তি লাগে
জ) হতবুদ্ধি, নিস্তেজ, মাথা একেবারে হাল্কা লাগে, অতিষ্ট লাগে, দৃষ্টিশক্তি ক্ষিণ হয়ে আসে
ঝ) ঠান্ডা বা শিরশির অনুভব অথবা তাপ অনুভব (জালাপোড়া) হয়
ঞ) শরীরে সুঁই ফুটানোর মতো অনুভূতি, অসাড় অবস্থা হয়
ট) নিজের চার পাশে অন্যরকম বা অবাস্তব মনে হয়, অথবা নিজের নিজেকে আলাদা মনে হতে পারে।
ঠ) নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলছি বলে মনে হয় অথবা মনে হয় পাগল হয়ে যাচ্ছি
ড) এবং মনে হয় মারা যাচ্ছি এখনি

লক্ষণ গুলো মিনিটের মধ্যে চরম আকার ধারণ করে, প্রচন্ড কষ্ট দেয়।

প্যানিক এ্যটাকের ভয়ঃ ব্যাক্তি সারাক্ষণ একটা ভয়ে ভয়ে থাকে যে আবার যদি প্যানিক এ্যটাক হয়। কারণ, লক্ষণ অনুযায়ী ভয় কাজ করে যেমন মারা যাবার ভয় হয়, হার্ট এটাক, স্ট্রোক করবার ভয়, নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে লোকের সামনে মাতাল প্রমাণ হবার ভয়, পাগল হয়ে যাবার ভয়, অন্ধ হয়ে যাবার ভয় অথবা বড় কোন শারিরীক অসুখের ভয় ইত্যাদি।

যার জন্য ব্যক্তি বিভিন্ন হসপিটালে গিয়ে গিয়ে অনেক ডাক্তার দেখান, অনেক রকম পরীক্ষাও করান যদিও ডাক্তার বলেন কিছু হয়নি। এই ভয়ের কারণে আবার প্যানিক এ্যটাক হয় (মাসে অন্তত একবার এ্যটাক হয়)।
ব্যক্তি সেসব জায়গা, ঘটনা এড়িয়ে চলার চেষ্টা করেন এবং সতর্কতা অবলম্বন করেন।যেমন বাসের মদ্ধে একবার কারো প্যানিক এ্যাটাক হলো, পরবর্তীতে তিনি বাসে উঠা এড়িয়ে চলা শুরু করলেন এবং সতর্কতা হিসেবে হস্পিটালের আশেপাশে দিয়ে চলা শুরু করলেন, অথবা সবসময় অষুধ সাথে করে রাখলেন।

এসবের কারনে ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবনে, সামাজিক, কর্মজীনে খুব খারাপ ভাবে প্রভাব ফেলে এবং জীবন দুর্বিষহ হয়ে ওঠে। তখন বলা যায় ব্যক্তিটি প্যানিক ডিসওর্ডারএ আক্রান্ত।
(বিদ্রঃ নেশাজাত দ্রব্য সেবন করলেও এমনটা হতে পারে)
প্যানিক ডিসওর্ডার একটি সতন্ত্র মানসিক অসুস্থতা। এছাড়া প্যানিক এ্যটাক আরো কিছু মানসিক অসুস্থতায় উপস্থিত থাকতে পারে যেমন, পি,টি,এস,ডি, সোস্যাল ফোবিয়া, জেনারেলাইজড এংজাইটি ডিসওর্ডার এবং ও,সি,ডি, ক্লাস্ট্রোফোবিয়া ইত্যাদি।
ব্যক্তি আসলে কোন ধরনের অসুস্থতায় ভুগছেন তা চিকিৎসক ঠিক করবেন এসেসমেন্ট করে।

এধরণের অসুবিধা হলে দ্রুত সাইকিয়াট্রিস্ট অথবা ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট এর কাছে যোগাযোগ করুন।
এর দু ধরনের চিকিৎসা রয়েছে
১) ঔষধ (সাইকিয়াট্রিস্ট দিয়ে থাকেন)
২) সাইকোথেরাপি (ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট দিয়ে থাকেন)

ঔষধ এবং সাইকোথেরাপি নিয়মিত এক সংগে নিলে এই অসুখ দ্রুত সেরে যায়।

এ বিষয়ে কোন প্রশ্ন থাকলে ইনবক্সে অথবা কমেন্ট বক্সে কমেন্ট করুন

সাইকোথেরাপির জন্য এ্যপয়েন্টমেন্ট নিতে হোয়াটসঅ্যাপ করুন ০১৮৮০৫৭২৪৮৭ এই নাম্বারে অথবা পেইজে এসেমেস করুন।







সবাইকে ৫০তম বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা
15/12/2021

সবাইকে ৫০তম বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা

29/11/2021

৷৷৷৷৷ ৷ ঘুম এবং ঘুম ব্যবস্থাপনা।।।।।।

Writer
Mst. Swampa
Clinical Psychologist
Working at Mohammadpur Preparatory School and College
Practicing at Monochikitsaloy
WhatsApp:01717616120(sms first)
Email:[email protected]

ঘুম কেন দরকার?

শরীর মন সুস্থ রাখতে পরিমান মত ঘুমের কোন বিকল্প নেই।এছাড়াও
#সারাদিনের ক্লান্তি দূর করে পরের দিনের শক্তি যোগাতে
#সারাদিনের রুটিন ঠিক রাখতে
#মন মেজাজ ভালো রাখতে
#মনোযোগ ঠিক রাখতে
#পড়াশোনার ক্ষমতা বাড়াতে
#অন্যান্য কর্মক্ষমতা বাড়াতে

ঘুমের ঘাটতি হলে কি হয়?

হটাৎ কখনো বিশেষ কারণে ঘুমের ঘাটতি হলে সেটা পুষিয়ে নেয়া যায় এবং তাতে শরীর অভ্যস্ত হয়ে যায়। কিন্তু দিনের পর দিন কারো শরীরে ঘুমের ঘাটতি হলে বিভিন্ন ধরনের শারীরিক মানসিক স্বাস্থ্য সমস্যার ঝুঁকি বেড়ে যায়, যেমন (ওজন বেড়ে যাওয়া, ডায়বেটিস, হার্টের অসুখ, মেজাজ খিটখিটে থাকা,স্ট্রেস, অস্থিরতা,ডিপ্রেশন সহ নানা ধরনের বিষয়)।

একজন সুস্থ স্বাভাবিক মানুষের ঘুমের জন্য আদর্শ সময় কতটুকু সেটা নিয়ে অনেকের প্রশ্ন। যদিও অনেকে ৩/৪ ঘন্টা ঘুমিয়ে স্বাভাবিক জীবন যাপন করতে পারেন আবার কেউ ৮ ঘন্টা ঘুমিয়ে অপর্যাপ্ত অনুভব করেন, তাই প্রত্যেকের শরীরের চাহিদা অনুযায়ী বুঝে নিতে হবে কতঘন্টা ঘুমালে তিনি পর্যাপ্ত বোধ করছেন। তবে বিজ্ঞানীদের গবেষণা থেকে বয়স ভেদে দৈনিক ঘুমের একটা গড় সময়ের পরিমাণ উল্লেখ করা হয়েছে যা বেশিরভাগ মানুষের জন্য প্রযোজ্য। সেটা হলোঃ

০-৩ মাস বয়সে ১৪-১৭ ঘন্টা
৪-১১ মাস বয়সে ১২-১৫ ঘন্টা
১-২ বছর বয়সে ১১-১৪ ঘন্টা
৩-৪ বছর বয়সে ১০-১৩ ঘন্টা
৫-১২ বছর বয়সে ৯-১১ ঘন্টা
১৩-১৭ বছর বয়সে ৮-১০ ঘন্টা
১৮-৬৪ বছর বয়সে ৭-৯ ঘন্টা
৬৫+ বয়সে ৭-৮ ঘন্টা

নিজেকে ব্যতিক্রম দের দলে না ফেলে পর্যাপ্ত পরিমাণে ঘুমিয়ে নেয়া বুদ্ধিমানের কাজ হবে।

ঘুমের সাথে মাঝে মধ্যেই যুদ্ধ করতে হয় না এমন মানুষ পাওয়া মুশকিল। শুধু তাই না বিভিন্ন ধরনের মানসিক অসুস্থতার সাথেও ঘুমের সমস্যা থাকে। তাই ঘুম ব্যবস্থাপনায় করনীয় বিষয়গুলো আলোচনা করা হলো যার প্রতিটি একটা আরেকটার সাথে সম্পর্কিত। আপনি যখন আপনার ঘুম ঠিক করার কথা ভাববেন তখন সবগুলোই পরিকল্পনার মধ্যে রাখতে হবে।

১.মানসিক প্রস্তুতি নিন যে আমি এতদিন যেভাবে ঘুমাতাম এখন থেকে ভিন্নভাবে ঘুমাবো।

২. প্রতিদিন একটি নির্দিষ্ট সময় ঘুম থেকে উঠে পড়বেন। আপনার কতক্ষণ ঘুমালে পরিতৃপ্তি বোধ করেন সেই সময় ঠিক করে ঘুম থেকে উঠার সময় এর সাথে এডজাস্ট করে নিন। যেমন আপনি যদি সকাল ৬টায় উঠতে চান এবং ৭ঘন্টা ঘুমের দরকার হয় তাহলে ১১ টায় ঘুমানোর পরিকল্পনা করতে হবে। ঘুম থেকে উঠার জন্য এলার্ম সেট করা জরুরী। প্রয়োজনে একাধিক এলার্ম সেট করতে পারেন।

৩. এবার আপনার পরিকল্পনার সময়ের ২ ঘন্টা আগে থেকে মোবাইল, টিভি, ল্যাপটপ, ট্যাব সহ যে কোন ধরনের ইলেক্ট্রিক ডিভাইস/ প্রযুক্তি ব্যবহার বন্ধ করে দিতে হবে। যেমন ১১ টায় ঘুমানোর পরিকল্পনা থাকলে ৯টার পরে এগুলো বাদে পরিবারের সাথে গল্পগুজব, বই পড়া, পরের দিনের কাজের পরিকল্পনা, এক্সারসাইজ, পছন্দের কাজ(প্রযুক্তিবিহীন) ইত্যাদি করবেন।

৪. এরপর বাসায় ঘুমের পরিবেশ তৈরি করবেন। যেমন, বিছানা রেডি করা, লাইট,ফ্যান,এসি ইত্যাদি এডজাস্ট করবেন, শব্দের উৎস বন্ধ/কমানো বা নিরিবিলি পরিবেশ তৈরি করবেন।
বিছানা এবং বালিশ যেন স্বাস্থ্যকর হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে এবং প্রয়োজনে অভ্যাস করতে হবে।
আরো ভালো হয় যদি আপনি ঘুমের জন্য আলাদা পোশাক, আলাদা করে কিছু এরোমা, আলাদা লাইট দিয়ে একটা আরামদায়ক পরিবেশ সৃষ্টি করতে পারেন। প্রতিদিন না পারলেও সপ্তাহে বা মাসে একদিন তো চেষ্টা করতেই পারেন।

৫. বিছানা ঘুম ছাড়া অন্য কোন কাজে ব্যবহার করবেন না৷
যেমন, বিছানায় খাবার খাওয়া, ল্যাপটপ এ কাজ করা, টিভি দেখা ইত্যাদি।
এতে বিছানার সাথে ঘুমের একটি সংযোগ
তৈরি হয় যা ঘুমের জন্য জরুরী। আপনার মস্তিষ্ক এটা বুঝতে শুরু করবে যে এটা ঘুমের জায়গা।

৬. ঘুম থেকে উঠে নিজের হাতে বিছানা গোছাতে পারলে খুব ভালো। তাতে মস্তিষ্ক বুঝে যায় ঘুমের সময় শেষ এবার সারাদিনের কাজে মন দিতে হবে।

৭. ঘুমানোর জন্য বিছানায় গিয়ে নিজের চিন্তা ভাবানাগুলোকে অবজার্ভ করুন। লক্ষ্য করুন কি কি বিষয়ের চিন্তা এই মুহুর্তে আপনার মাথায় আসা-যাওয়া করছে এবং এগুলোকে সকাল পর্যন্ত ছুটি দিন। এরপর নিজের শরীর ও বিছানা বালিশ এর দিকে মনোযোগ দিন। জোর করে ঘুমানোর চেষ্টা না করে শরীর রিলাক্স রাখার দিকে মনোযোগ দিন।

৭. যদি দেখেন ঘুম আসছে না তবে অস্থির না হয়ে উঠে হাটাহাটি করতে পারেন, হালাকা ব্যয়াম করতে পারেন। এরপর ঘুমভাব আসলে বিছানায় যাবেন। এই সময় অবশ্যই ফোন চেক করবেন না। এমনকি ঘড়ি ও দেখার দরকার নাই।

৮. দৈনন্দিন খাবারের অভ্যাসের সাথে ও ঘুমের সম্পর্ক রয়েছে। তাই স্বাস্থ্যকর খাবার অভ্যাস জরুরী। প্রয়োজনে পুষ্টিবিদ এর পরামর্শ নিন। এছাড়াও চা কফি জাতীয় পানীয়তে আপনার ঘুমের অসুবিধা হলে যতদুর সম্ভব কমিয়ে ফেলুন।

৯. যদি দেখেন যে দিনে ঘুমালে রাতে ঘুম আসতে সমস্যা হয় তাহলে দিনে একদম বিছানায় যাবেন না এমনকি সোফায় গা এলিয়ে চোখ বন্ধ করে আরামও করা যাবেনা।
আর যদি সমস্যা না থাকে তাহলে দিনে আধাঘন্টা থেকে একঘন্টা ঘুমিয়ে নিতে পারেন বা চোখ বন্ধ করে শুয়ে আরাম করতে পারেন।

১০. এগুলোর বাইরেও যেটা করতে পারেন সেটা হলো ঘুমানোর আগে গোসল করতে পারেন ঠান্ডা/উষ্ণ (যেটাতে আপনি রিলাক্স বোধ করেন) পানিতে। গোসল করবেন মনোযোগ দিয়ে।

১১. বিছানায় শুয়ে নিশ্বাসের ব্যয়াম করতে পারেন। বুক ভরে নিশ্বাস নিয়ে ধীরে ধীরে ছেড়ে দিবেন। এভাবে ১৫-২০ বার। ব্যয়ামটা অনেকভাবে করা গেলেও এটা সবচেয়ে সহজ উপায়।

১২. অনেকে দিনের ৮ ঘন্টা ঘুম ভেঙে ভেঙে ঘুমান যেমন, রাতে ৩/৪ ঘন্টা আবার দিনে কাজের ফাঁকে ৩/৪ ঘন্টা। এটা বিশেষ পরিস্থিতিতে ঠিক আছে কিন্তু সবসময়ের জন্য নয়। আপনাকে টানা ঘুমাতে হবে। দিনের আরাম করাকে রাতের ঘুমের সাথে মিলিয়ে ফেলা যাবে না।

এতক্ষণ যেগুলো বলা হয়েছে তা অনেকের কাছে অসম্ভব মনে হতে পারে কারন অনেকে সারাদিন কাজ করে বাসায় ফেরেন ১০/১১/১২ টা বাজে। কিন্তু আপনার জীবনযাত্রা যেমন ই হোক না কেন একটু চেষ্টা করলেই আপনার জীবনযাত্রার সাথে ঘুমের বিষয়গুলোকে ফিট করাতে পারবেন। আর ঘুম টা ঠিক হলে দেখবেন নতুন উদ্যোম ফিরে পাবেন এবং অনেক ধরনের শারীরিক অসুখ বিসুখ বিশেষ করে হার্টের অসুখ প্রতিরোধে খুব সহায়ক হবে।

এছাড়াও আমরা যেহেতু পরিবারে বাস করি এবং পরিবারের সকলের জন্যই পর্যাপ্ত ঘুম দরকার, তাই এই ব্যপারে একে অপরের সহযোগিতা করতে হবে।

সবশেষে এটাই বলব এক সপ্তাহের একটা ট্রায়াল করেই না হয় দেখেন যে জীবনকে ভিন্নভাবে অনুভব করছেন কিনা।

বিশেষ নোট

১.এগুলো মেনে চলার পরেও যদি ঘুম এর সাইকেল ঠিক না হয় বা ঠিকঠাক ঘুম না হয় বুঝতে হবে আপনার অন্য কোন সমস্যা আছে যার জন্য কোন ডাক্তার, সাইকিয়াট্রিস্ট বা সাইকোলোজিষ্ট এর সাথে আলাপ করে নিতে পারেন।

২.পিতামাতা দের জন্যঃ

আপনি পর্যাপ্ত ঘুমালে নিজে যেমন শান্ত থাকতে পারবেন এবং শান্তভাবে সন্তানের সাথে আচরণ করতে পারবেন, ঠিক তেমনি আপনার সন্তানের পর্যাপ্ত ঘুমের প্রতি গুরুত্ব দিন দেখবেন ওরা আগের তুলনায়
#শান্ত হবে,
#মনোযোগী হবে,
#মনে রাখার ক্ষমতা বাড়বে,
#পড়ালেখায় আগ্রহ বাড়বে,
#উদ্যোমী হবে,
#চিন্তাশক্তির বিকাশ হবে,
#শারীরিকভাবে সুস্থ্য থাকবে

সবাই ভালো থাকবেন 👏

25/11/2021

OCD (Obsessive Compulsive Disorder) শুচিবাই

লেখক,
মোঃ নাসিম বিল্লাহ
অ্যাসিস্ট্যান্ট ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট

শুচিবাই একধরনের মৃদু (neurotic) মানসিক অসুস্থতা।

দু'ধরনের বিষয় লক্ষ্য করা যায় শুচিবাই অসুখে।
(১)(Obsession)কোন চিন্তা,ছবি,ইচ্ছা মনের মাঝে চলে আসে।যেগুলো ব্যক্তি কখনোই চায়না তার মনে আসুক।আর এই অনিচ্ছাকৃত চিন্তা, ছবি বা ইচ্ছা ব্যক্তিকে প্রচন্ড কষ্ট দেয়।
(২)(compulsion) সেই প্রচন্ড কষ্ট থেকে বাঁচার জন্য ব্যক্তি সে ছবি, চিন্তা, ইচ্ছা গুলো প্রাণপণ ভাবে তাড়ানোর চেষ্টা করেন।কিন্তু বার বার চেষ্টা করে সাময়িক শান্তি লাগলেও পুরোপুরি শান্তি লাগে না। আবার ফিরে আসে সেই সব চিন্তা(এই চেষ্টা মনে মনে করতে পারে আবার কোন কাজের দ্বারাও করতে পারে)

এতে ব্যাক্তির অনেক বেশি সময় নস্ট হয়। এইসবের পেছনে অন্তত একঘন্টার বেশি সময় লেগে যায় দিনে। আর এতে ব্যাক্তির জীবনে মারাত্মক কষ্টকর পরিস্থিতির সৃষ্টি করে ব্যক্তিজীবনে সামাজিক, কর্ম জীবনে এবং জীবনের অন্যান্য গুরুত্বপূর্ণ এরিয়াতে অসুবিধার সৃষ্টি করে।

আরো বিস্তারিত যদি বলা হয়,
যেমন,
🌱গোসলের সময় মনে হয় গোসল ভালোভাবে হয়নি, তাই ব্যক্তি বার বার ভালোভাবে চেষ্টা করেন গোসল সম্পন্ন করার।

🌱হাত ধোবার সময় মনে হয় পরিস্কার হয়নি তাই বার বার হাত ধুতে হয়।
পরীক্ষার খাতা বার বার চেক করতে হয়।

🌱অযাচিত কোন নোংরা কাজের ছবি মনের মাঝে ভেসে উঠে ব্যাক্তি মনে মনে বা কিছু করে তা তাড়ানোর চেষ্টা করেন কিন্তু সেটি আবার ফিরে আসে।

🌱মুখ দিয়ে না চাইতেও মনে হয় গালি বা কটু কথা বের হয়ে যাবে।তাই বার বার চেষ্টা করেন যেন এমন কথা না বের হয়।

🌱চুলা বন্ধ, ফ্যান বা লাইটের সুইচ, তালা লাগানো হয়নি মনে করে বার বার চেক করতে হয়।

🌱বার বার মনে হয় কাউকে আঘাত করে ফেলবো হয়তো।তাই সাবধানে থাকতে হয়। বার বার চেক করতে হয় আঘাত করে ফেললাম কি না।

🌱এইবুঝি নোংরা লেগে গেলো জীবাণু লেগে গেলো
ভালো কাজ (খাবার সময়) নোংরা জিনিসের ছোবি ভাসে চোখে।তাই সেটি তাড়ানোর অনেক চেষ্টা করেন কিন্তু যায় না।

🌱কোন একটা নির্দিষ্ট নাম্বারের সাথে বিপদের সংযোগ আছে বলে মনে হয় তাই সেই সংখ্যা এড়িয়ে চলতে হয়।কখনো কখনো নির্দিষ্ট কোন অক্ষর বা শব্দও হতে পারে।

🌱রাস্তায় হাঁটতে হাঁটতে কোন ছবি বা চিন্তা যা ব্যক্তি চায় না মনে ভাসলে পিছিয়ে গিয়ে আবার হাঁটতে হয়।
কোন কাজ নির্দিষ্ট সংক্ষক বার করতে হয় যেমন, ৪বার বা ১০ বার হাত ধুয়া।

ধর্মীয় বিষয় নিয়ে অনেকের অসুবিধা হয় যেমন,

🌱অজু করতে বা নামাজে মনে হয় ভুল হয়েছে, বা মিস হয়ে গেছে এক রাকাত তাই আবার পড়তে হয় বার বার এমন হয়। বা উচ্চারণ ঠিক হচ্ছে না তাই ভার বার ঠিক করতে হয়।
🌱নামাযের সময় বা অন্য সময়ে আল্লাহ, রাসুলের নামে খারাপ কথা, চিন্তা, ছবি ভেসে উঠে মনে।তাই অনেক চেষ্টা করতে হয় তাড়ানোর।
🌱বার বার মনে হয় অন্যের হক নষ্ট করে ফেললাম।
বার বার মনে হয় পাপ করে ফেললাম।
কুরআন শরীফ পায়ের নিচে চলে আসলো এমন ছবি ভাসে মনে।

হিন্দু ধর্মের যারা আছেন তাদের ক্ষেত্রে, ধর্ম নিয়ে, সৃষ্টিকর্তাকে নিয়ে, বাজে চিন্তা আসে।
🌱মনে হয় ঠাকুরের মাথায় লাথি দিচ্ছি এমন ছবি ভাসে মনে। বা ঠাকুরের সাথে নোংরা কিছু করছি বলে মনে হয়।
🌱এছাড়াও অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের মাঝেও ধর্মীয় বিষয়গুলো নিয়ে অসুবিধা হয়ে থকে।
এধরনের অসুবিধা হলে সময় নষ্ট না করে সাইকিয়াট্রিস্ট বা ক্লিনিক্যাল সাইকোলজিস্ট এর সংগে যোগাযোগ করুন।
এর দুধরনের চিকিৎসা রয়েছে।
১. ঔষধ
২. সাইকোথেরাপি
ঔষধ এবং সাইকোথেরাপি এক সংগে নিলে দ্রুত সুস্থ হয়ে উঠতে পারে মানুষ।

সাইকোথেরাপির জন্য এপয়েন্টমেন্ট নিতে হোয়াটসঅ্যাপ করুন ০১৮৮০৫৭২৪৮৭ এই নাম্বারে অথবা পেইজে এসেমেস করুন।






ঈদ মুবারাকমনোচিকিৎসালয় পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে পবিত্র  ঈদুল ফিতর এর শুভেচ্ছা । সবাই সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন। সামাজিক দ...
13/05/2021

ঈদ মুবারাক
মনোচিকিৎসালয় পরিবারের পক্ষ থেকে সবাইকে পবিত্র ঈদুল ফিতর এর শুভেচ্ছা ।
সবাই সুস্থ থাকুন, ভালো থাকুন।

সামাজিক দুরত্ব মেনে চলুন।
মাস্ক পরুন।

#মনোচিকিৎসালয়

26/03/2021

বাংলাদেশ 🇧🇩
স্বাধীনতার ৫০ বছর পূর্তি উপলক্ষে সবাইকে জানাই আন্তরিক অভিনন্দন ও শুভেচ্ছা । আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধের সকল শহীদদের প্রতি রইল বিনম্র শ্রদ্ধা।

Address

B-37, Block E, Zakir Hossain Road
Dhaka
1207

Telephone

+8801873333393

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Monochikitshaloy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Monochikitshaloy:

Share