07/06/2026
আজকে রইদ মুভি দেখে আসলাম।মুভি নিয়ে অনেক তর্ক বিতর্ক কনফ্লিক্ট থাকলেও মুভিটা দারুন হয়েছে।
নাজিফা তুষি আর মোস্তাফিজুর নুর ইমরান যে তাদের ক্যারিয়ারের বেস্ট অভিনয় করেছে এতে কন সন্দেহ নেই। এরপর তারা যত মুভি করুক তাদের অভিনয় তাদেরকে চ্যালেঞ্জের সম্মুখিন করবে নিসন্দেহে।মেজবাউর রহমান সুমন যেভাবে চিত্রায়ন করেছেন বলতেই হবে চার বছরের পরিশ্রম তার স্বার্থক।
এখন আসি মুভি থেকে আমি কতটুকু বুঝলাম।
১ স্ত্রী কে তার স্বামী যতই দূরে ঠেলে দিক অবিশ্বাস করুক না কেন দিন শেষে কেউ কাউকে ছাড়তে পারেনা। যদিও সেই টান টাকে নির্মাতা হয়ততাল দিয়ে রূপায়ন করেছেন।
২ মেটাফর হিসাবে এখানে মা দুর্গার বির্সজন এবং নতুন বউয়ের আগমনি দিয়ে নির্মাতা বুঝাতে চেয়েছেন মানুষের জীবন সুখ দুখ নিয়েই গড়ে।কিছু হারানো পাওয়া নিয়েই মানুষের জীবন।
৩ গন্ধম' (বা গন্দম) বলতে সাধারণত সেই নিষিদ্ধ ফলকে বোঝানো হয়, যা খেয়েছিলেন হজরত আদম (আ.) ও হজরত হাওয়া (আ.).নির্মাতা এখানে এই তালকে গন্ধম হিসাবেও দেখাতে পারেন যে যতবার নায়ক তাল খুজে পায় ততবার নায়িকা তার কাছে ফিরে আসে।
৪ ঋতু পরিবর্তন বৃষ্টি ঝড় আগুন সব কিছু এত চমৎকার চিত্রায়ন করেছেন মনে হয়েছে আমিও তাদের সেই চির তলা গ্রামে ছিলাম
৫ এখানে ছাগলের নামও ছিল কিন্তু নায়িকার নাম ছিলনা। বার বার সাদু জিজ্ঞাসা করলেও সাদুর বউ নিজের নাম বলতে পারেনা।একে পাগলি দুই এতিম মেয়ে এর মধ্য দিয়ে আমাদের দেশের গ্রামের মেয়েদের অবস্থান ফুটে উঠেছে।মেয়েদের পরিচয় নেই তারা কখনও বাবা কখনও স্বামী এবং তারপর সন্তানের মা হিসাবেই পরিচিতি পেয়ে থাকে আমাদের সমাজে।
৬ এখানে নায়ক যখন নায়িকার পেটের বাচ্চা নিয়ে প্রশ্ন তুলে তখন নায়িকা জোর গলায় বলে এটা আমার সন্তান আল্লাহ্দান।এখানে মেটাফর হিসাবে আমার মনে হয়েছে খ্রিস্টানরা যিশু খ্রিস্ট বা জিসাস ক্রাইস্ট বলে অভিহিত করে, তাঁর জন্ম সম্পর্কে পবিত্র বাইবেলে উল্লেখ আছে যে, তিনি কোনো পুরুষের সংগম ছাড়াই অলৌকিকভাবে কুমারী মা মেরির গর্ভে জন্মগ্রহণ করেছিলেন। এটাও বুঝাতে পারে
আবার পাগলি হোক আর যাই হোক মা এর কাছে সন্তান আসলেই শ্রেষ্ঠতম উপহার। সন্তান জন্ম নেয়ার আগেই যে টান অনুভব করেন মা তার প্রতিফলন ঘটেছে নিজে বার বার আঘাত করেছেন তথাপি সন্তান কে একবারও নয়।
অনেক গুলা কিন্তু তবু হয়ত অথবা হতে পারত নিয়ে মুভিটা শেষ হয়েছে।এমন মুভি বাংলাদেশে আরও হোক সেই অপেক্ষায় আজকের মত বাই
# #রইদ