Healing Heart

Healing Heart Healing Heart offers individual, children, couple, family sessions It provides training for mental health professionals and offers counseling services for all.

একটি ফোন কল যে মানুষের জীবনের মোড় এভাবে ঘুরিয়ে দিতে পারে, তা সেদিন রিমনকে না শুনলে বুঝতাম না। রিমনের রিসিভারের ওপাশ থেকে...
09/09/2026

একটি ফোন কল যে মানুষের জীবনের মোড় এভাবে ঘুরিয়ে দিতে পারে, তা সেদিন রিমনকে না শুনলে বুঝতাম না। রিমনের রিসিভারের ওপাশ থেকে ভেসে আসা গলাটা চিনতেই কষ্ট হচ্ছিল। ভেঙে পড়া, কান্নায় ভেজা এক কণ্ঠ—বলল, তার ছোট বোনটা আর নেই। মাত্র ২৪ বছর বয়স ছিল মেয়েটার। সামান্য জ্বরে ভুগে হুট করেই চলে গেল না-ফেরার দেশে।

একমাত্র বোনকে আগলে রাখাই যেন ছিল রিমনের আনন্দ। ওদের সম্পর্কের বাঁধনটা ছিল খুব গভীর। বোনের এই আকস্মিক বিদায় রিমনের ছক-বাঁধা গোছানো জীবনে প্রলয় নিয়ে এলো। সবকিছু মুহূর্তে তাসের ঘরের মতো এলোমেলো হয়ে গেল।

রিমন একজন আধুনিক ও সফল ব্যবসায়ী। কাজের ব্যস্ততা আর নতুন নতুন ভাবনায় যার দিন কাটত, সেই মানুষটা যেন রাতারাতি বদলে গেল। প্রতিষ্ঠানে যাওয়া বন্ধ করে দিল সে। সারা দিন ঘরের চারদেওয়ালে বন্দি হয়ে একা একা টিভির পর্দার দিকে চেয়ে থাকা কিংবা চুপচাপ বসে থাকা—এই ছিল তার দিনপঞ্জি। আত্মীয়স্বজন, সামাজিক অনুষ্ঠান—সবকিছু থেকে নিজেকে পুরোপুরি গুটিয়ে নিল।

এর চেয়েও ভয়াবহ সংকট তৈরি হলো তার রাতে। সারারাত রিমন জেগে থাকত। অন্ধকারের সাথে সাথে নেমে আসত এক অজানা আতঙ্ক। মৃত্যুভয় তাকে কুঁড়ে কুঁড়ে খেত—মনে হতো, বোন যেভাবে হঠাৎ চলে গেল, সে-ও কি তবে এভাবেই মরে যাবে? ঘুমের অভাবে শরীরে ও মনে জমতে শুরু করল চরম যন্ত্রণা। কারও সাথে ফোনে কথা বলাও বন্ধ করে দিল সে।

সেদিন ফোনে আমায় আকুতি জানিয়ে বলছিল—
"জানিস, মাঝে মাঝে মনে হয় রাস্তার মাঝখানে গিয়ে দাঁড়িয়ে চিৎকার করি। মানুষ এসে আমাকে মেরে ফেলুক... কিংবা চলন্ত কোনো গাড়ির সামনে গিয়ে দাঁড়াই, গাড়িটা এসে আমায় পিষে দিয়ে যাক।"
কথাগুলো সরাসরি 'আত্মহত্যা' শব্দটা উচ্চারণ না করলেও রিমনের ভেতরে মরার এক তীব্র সুপ্ত বাসনা কাজ করছিল। জীবনের প্রতি তার তীব্র বিতৃষ্ণা চলে এসেছিল, কোনোকিছুতেই আর আগ্রহ খুঁজে পাচ্ছিল না। নিজের জীবনকে উদ্দেশ্যহীন মনে হচ্ছিল তার। সত্যি, আত্মহত্যা এক ভয়াবহ মানসিক যন্ত্রণার নাম—যা মানুষকে নিঃশব্দে গ্রাস করে ফেলে।

পরিস্থিতির ভয়াবহতা বুঝে আমি দেরি না করে ওর পরিবারকে সব জানালাম। পরিবারও রিমনের ভেতরের এই গভীর ক্ষত ও অস্থিরতা বুঝতে পারল। তারা বুঝতে পারল, বোনকে হারানোর এই শোক রিমন একা সামলাতে পারছে না, তার জরুরি চিকিৎসা প্রয়োজন।

আল্লাহর অশেষ রহমতে, সঠিক মেডিকেল ট্রিটমেন্ট এবং নিয়মিত প্রফেশনাল কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে ধীরে ধীরে আলোর মুখ দেখতে শুরু করল রিমন। দীর্ঘ দুই বছরের লড়াই ও চেষ্টার পর সে পুরোপুরি সুস্থ হয়ে উঠল। আবার সে ফিরে পেল জীবনের ছন্দ, ফিরে গেল তার প্রিয় ব্যবসা-বাণিজ্যে।

আমার জীবনের অন্যতম বড় স্বস্তি—আমার বন্ধুটি হারিয়ে যেতে চেয়েও শেষ পর্যন্ত অন্ধকার পথ থেকে ফিরে এসেছে।

ফাতেমা তুজ জোহরা

Farewell and Welcome, all together.To our outgoing interns who have completed their time with us, thank you for all your...
08/09/2026

Farewell and Welcome, all together.

To our outgoing interns who have completed their time with us, thank you for all your hard work and contribution to Healing Heart. We wish you every success in your future endeavors.

To our new interns starting their journey, a very warm welcome to the Healing Heart family! We hope this journey brings you great learning and memorable experiences.

Best wishes to each and every one of you.

08/09/2026

সাইকোলজিতে পড়াশোনা করে ক্যারিয়ার কীভাবে গড়বেন? | Healing Heart

আপনি কি কখনো এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন, যেখানে আপনার কোনো ভুল না থাকা সত্ত্বেও অন্য কেউ আপনাকে অহেতুক সন্দেহ করছে বা...
08/09/2026

আপনি কি কখনো এমন অভিজ্ঞতার মুখোমুখি হয়েছেন, যেখানে আপনার কোনো ভুল না থাকা সত্ত্বেও অন্য কেউ আপনাকে অহেতুক সন্দেহ করছে বা দোষারোপ করছে?
সাইকোলজিতে এই মানসিক ফাঁদকে বলা হয় Projection (প্রজেকশন)।
সহজ কথায়, মানুষ যখন নিজের ভেতরের কোনো নেতিবাচক অনুভূতি, অপরাধবোধ বা দুর্বলতা নিজের কাছে স্বীকার করতে পারে না তখন সে না জেনেই সেই অনুভূতিগুলো অন্য মানুষের ওপর চাপিয়ে দেয়।

একটি বাস্তব উদাহরণ বা গল্প:
রহিম এবং শায়লা দম্পতি। কিছুদিন ধরে রহিম তার অফিসে কাজের প্রতি বেশ অমনোযোগী এবং নিজের পারফরম্যান্স নিয়ে চরম অপরাধবোধে ভুগছে। তার মনে হচ্ছে সে আগের মতো আর সফল নয় কিন্তু নিজের এই ব্যর্থতা বা ভয় সে নিজের কাছে স্বীকার করতে পারছে না।

একদিন রাতে শায়লা ল্যাপটপে নিজের একটি প্রজেক্টের কাজ শেষ করার চেষ্টা করছিল। হঠাৎ করেই রহিম রেগে গিয়ে বলে উঠল-
তুমি আজকাল সংসার বা আমার প্রতি একদম যত্নশীল নও। সারাক্ষণ শুধু নিজের কাজ আর নিজেকে নিয়েই ব্যস্ত থাকো, অন্য কারও কথা তোমার মনেই থাকে না।

এখানে আসলেই কী ঘটল?

প্রকৃতপক্ষে শায়লা কিন্তু নিজের কাজই করছিল। কিন্তু রহিমের নিজের মনে যে "আমি পিছিয়ে পড়ছি/আমি অবহেলা করছি" ধরনের অপরাধবোধ জমা হয়েছিল, সে নিজের সেই অনুশোচনা সরাসরি ফেস করতে না পেরে শায়লার ওপর চাপিয়ে দিল। রহিমের অবচেতন মন নিজের দোষ ঢাকার জন্য শায়লাকে স্বার্থপর বানিয়ে দিল!

প্রজেকশন থেকে আমরা কী শিখতে পারি?

১. কারো মন্তব্যে সরাসরি ভেঙে পড়বেন না: কেউ যখন আপনাকে অহেতুক কড়া ভাষায় বিচার করে বা দোষ দেয়, তখন থামুন। নিজেকে প্রশ্ন করুন- “এই রাগ বা অভিযোগটা কি সত্যি আমার নাকি সে নিজের ভেতরের অস্থিরতা বা অপরাধবোধ আমার ওপর প্রজেক্ট করছে?"

২. নিজের অনুভূতি চিনতে শিখুন: আমরা যখন অন্যদের অতিরিক্ত সমালোচনা করা শুরু করি তখন নিজেদের ভেতরেও একবার তাকানো উচিত। আমার ভেতরের কোন ভয় বা দুর্বলতা আমি অন্যের মধ্যে আবিষ্কার করার চেষ্টা করছি না তো?
অন্যের মনস্তাত্ত্বিক বোঝা নিজের ঘাড়ে নেবেন না, আবার নিজের ভেতরের অন্ধকার অন্যের ওপর চাপাবেন না। আত্ম-সচেতনতাই হলো মানসিক শান্তির প্রথম ধাপ!

ফারিয়া মাহযাবিন নোভা

আপনার পার্টনার যখন আপনার উপর তীব্র রাগ করে, তখন কি মনে হয় সম্পর্কটা শেষ হয়ে যাচ্ছে? কিন্তু খেয়াল করে দেখুন, তার এই রাগ...
08/09/2026

আপনার পার্টনার যখন আপনার উপর তীব্র রাগ করে, তখন কি মনে হয় সম্পর্কটা শেষ হয়ে যাচ্ছে? কিন্তু খেয়াল করে দেখুন, তার এই রাগ বা ক্ষোভ আসলে কোনো আক্রমণ নয়, বরং এই রাগের পিছনে লুকিয়ে আছে তার একটি চাহিদা।

ঝগড়ার সময় আমরা প্রায়ই একে অপরকে দোষারোপ করি। ফলে নিজেদের মধ্যে দুরুত্ব আরো বেড়ে যায়। আসলে সম্পর্ক ভাঙ্গার মূল কারণ কিন্তু দন্ধ নয়, বরং এটি হলো সঠিকভাবে কমিউনিকেশন করতে না পারার ফল।

তাই আজ খুব মনোযোগ সহকারে কমিউনিকেশনের কার্যকরি এই চারটি স্টেপ ফলো করুন:

১. পর্যবেক্ষণ: পরিস্থিতি বিচার বা মূল্যায়ন না করে, হুবুহু ঘটনাটি তুলে ধরাই হলো পর্যবেক্ষণ। আমরা প্রায়ই কথায় কথায় "তুমি সবসময় এমন করো" বা "তুমি কখনোই আমার কথা শোনো না" জাতীয় শব্দ ব্যবহার করি। এগুলো পর্যবেক্ষণ নয়, বরং জাজমেন্ট বা বিচার।

এই ক্ষেত্রে করণীয় হলো, কোনো লেবেল না লাগিয়ে শুধু ঘটনাটি বলুন। যেমন, "তুমি সবসময় আমাকে ইগনোর করো" এটা না বলে, "গত তিন দিন তুমি আমার মেসেজের রিপ্লাই দাওনি" বলা।

২. অনুভূতি: অপরকে দোষ না দিয়ে নিজের প্রকৃত অনুভূতিটা চিহ্নিত করা। আমরা অনেক সময় চিন্তাকে অনুভূতি ভেবে ভুল করি। যেমন, "আমার মনে হচ্ছে তুমি আমাকে অবহেলা করছ" এটি কোনো অনুভূতি নয়, এটি অপর ব্যক্তি সম্পর্কে আপনার একটি ধারণা।

এই ক্ষেত্রে করণীয় হলো, আপনি নিজে কেমন অনুভব করছেন, তার নাম দিন। যেমনঃ আমি কষ্ট পেয়েছি, আমি ভয় পাচ্ছি, আমি হতাশ বা আমি একাকী বোধ করছি।

৩. চাহিদা: আমাদের প্রতিটি নেতিবাচক অনুভূতির পেছনে একটি অপূর্ণ Need লুকিয়ে থাকে। কেউ যখন আমাদের কথায় গুরুত্ব দেয় না, তখন আমরা কষ্ট পাই কারণ আমাদের সম্মানের চাহিদাটি পূরণ হয় না।
এই ক্ষেত্রে করণীয় হলো, অপরকে দোষারোপ না করে, নিজের অনুভূতির সাথে নিজের চাহিদাকে যুক্ত করা।

৪. অনুরোধ: অভিযোগ বা হুকুম না করে, সম্পর্ককে সুন্দর করার জন্য স্পষ্ট ও ইতিবাচক ভাষায় অনুরোধ করা। "তুমি এমন করবে না" বলার চেয়ে "তুমি কি এই কাজটি করতে পারো?" বলাটা অনেক বেশি কার্যকর।

এই ক্ষেত্রে করণীয় হলো, অনুরোধটি হতে হবে সুনির্দিষ্ট এবং পালনযোগ্য। আর মনে রাখতে হবে, এটি একটি 'অনুরোধ'; অপরপক্ষ 'না' বললেও তাকে সম্মান জানানোর মানসিকতা থাকতে হবে।

💠 সবগুলো কম্পোনেন্ট একসাথে ব্যবহার করুন:

ধরে নিন, স্ত্রী চাকরি করতে চান, কিন্তু স্বামী চান স্ত্রী বাসায় থেকে বাচ্চাদের দেখাশোনা করুক। এই বিষয়টি নিয়ে তাদের মধ্যে মতবিরোধ চলছে।

ক্ষতিকর প্রতিক্রিয়া (যেভাবে সাধারণত তর্ক শুরু হয়):

স্ত্রী: "তুমি সবসময় আমাকে আটকে রাখতে চাও। তুমি শুধু নিজের আর বাচ্চাদের কথাই ভাবো, আমার ক্যারিয়ারের কোনো দাম নেই।"

স্বামী: "তুমি অনেক স্বার্থপর। ক্যারিয়ারের জন্য তুমি নিজের বাচ্চাদের অবহেলা করতে চাইছ।"

(এর ফলে দুজনের মধ্যে শুধু দোষারোপই বাড়বে, কোনো সমাধান আসবে না এবং তারা ডিফেন্সিভ হয়ে যাবে।)

স্বাস্থ্যকর প্রতিক্রিয়া (এনভিসির ৪টি কম্পোনেন্ট একসাথে):

স্ত্রীর দিক থেকে: "তুমি যখন বলো যে আমার চাকরি না করে শুধু বাচ্চাদের দেখাশোনা করা উচিত (পর্যবেক্ষণ), তখন আমার খুব হতাশ লাগে (অনুভূতি)। কারণ, নিজের একটি ক্যারিয়ার ও আত্মনির্ভরশীল হওয়ার চাহিদা আমার কাছে খুব গুরুত্বপূর্ণ (চাহিদা)। আমরা কি এমন কোনো উপায় নিয়ে কথা বলতে পারি, যেখানে আমার চাকরি এবং বাচ্চাদের যত্ন দুটোই নিশ্চিত করা যায়? (অনুরোধ)"

স্বামীর দিক থেকে: "আমি যখন তোমার চাকরির কথা শুনি (পর্যবেক্ষণ), তখন আমি সত্যিই একটু দুশ্চিন্তা বোধ করি (অনুভূতি)। কারণ, বাচ্চাদের সঠিক যত্ন ও নিরাপত্তার বিষয়ে আমার মনে একটা শান্তি ও নিশ্চয়তা প্রয়োজন (চাহিদা)। তুমি কি আমাকে বিস্তারিত বলতে পারবে, তোমার চাকরি চলাকালীন আমরা কীভাবে বাচ্চাদের দেখাশোনার দিকটা সামলাতে পারি? (অনুরোধ)"

সবচেয়ে বড় কথা হলো, শুধু অন্যদের সাথে নয়, আমাদের নিজের সাথেও সহানুভূতিশীল হওয়া খুব জরুরি। নিজেকে "আমার এটা করা উচিত হয়নি" বলে বারবার শাস্তি দেওয়ার বদলে, নিজের ভুলগুলো থেকে শেখাটাই হলো নিজেকে প্রকৃতঅর্থে ভালোবাসা।

বেশিরভাগ সময় শুধুমাত্র কথার কারণে মানুষের সাথে মানুষের দন্ধ তৈরি হয়। তাই উল্লেখিত বিষয়গুলো নিয়মিত প্র্যাকটিস করার মাধ্যমে আয়ত্তে নিয়ে আসুন এবং প্র্যাক্টিকাল লাইফে এপ্লাই করার চেষ্টা করুন। দেখবেন, অনেক কঠিন দন্ধও খুব সহজেই সমাধান হয়ে যাচ্ছে।

— Showkat Jubayer

07/09/2026

কাউন্সেলিং, ওয়ার্কশপ ও কেস স্টাডি শিখার ৬ মাস

রাতের বেলা রাফি তার মায়ের পাশে বসে ছিল।হঠাৎ তার মাথায় এলো—"একদিন তো মা-বাবা বুড়ো হয়ে যাবেন... একদিন ওরা থাকবে না। আম...
07/09/2026

রাতের বেলা রাফি তার মায়ের পাশে বসে ছিল।

হঠাৎ তার মাথায় এলো—

"একদিন তো মা-বাবা বুড়ো হয়ে যাবেন... একদিন ওরা থাকবে না। আমি তখন কী করব?"

কিছুক্ষণ আগেও যে সন্ধ্যাটা স্বাভাবিক ছিল, হঠাৎ সেটাই ভারী হয়ে গেল।

কিন্তু একটা বিষয় খেয়াল করুন—

মা তখনও তার পাশেই বসে ছিলেন।

কিছুই হারিয়ে যায়নি।
তবুও রাফি যেন ভবিষ্যতের একটা কষ্ট আজকেই অনুভব করতে শুরু করেছিল।

আপনারও কি কখনো এমন হয়?

কাউকে খুব ভালোবাসেন বলেই মনে হয়—

"একদিন তো তাকে হারাব..."

আর সেই ভয় এতটাই বড় হয়ে যায় যে, মানুষটা পাশে থাকার বর্তমান মুহূর্তটাও উপভোগ করা কঠিন হয়ে পড়ে।

জীবনে সময়, পরিবর্তন, বিচ্ছেদ এবং মৃত্যু—সবকিছু আমাদের নিয়ন্ত্রণে নেই।

কিন্তু আজ কীভাবে ভালোবাসব, কীভাবে সময় দেব, কীভাবে যত্ন নেব—সেটা আমাদের হাতে।

তাই এমন চিন্তা এলে নিজেকে জিজ্ঞেস করুন—

"আমি কি আজকের কোনো বাস্তব সমস্যার মুখোমুখি, নাকি ভবিষ্যতের একটি সম্ভাব্য কষ্ট এখনই অনুভব করছি?"

যা করতে পারেন—

ভবিষ্যতের ভয় এলে নিজেকে বলুন, "এটা ভবিষ্যতের বিষয়। এই মুহূর্তে আমি এখানে আছি।"

প্রিয় মানুষদের সঙ্গে অর্থপূর্ণ সময় কাটান।

যা আপনার নিয়ন্ত্রণে আছে, সেদিকে মনোযোগ দিন।

চিন্তা খুব বেশি বেড়ে গেলে শ্বাস-প্রশ্বাসে মনোযোগ দিয়ে নিজেকে বর্তমান মুহূর্তে ফিরিয়ে আনুন।

কারণ কাউকে হারানোর ভয়ে তার সঙ্গে থাকা সময়টুকু হারিয়ে ফেলা—এটাও এক ধরনের হারিয়ে ফেলা।

এবার আপনার কথা বলুন।

আপনার কি কখনো এমন হয়েছে যে, কাউকে হারানোর ভয়ে তাকে হারানোর আগেই তার জন্য কষ্ট পেতে শুরু করেছেন?

A. হ্যাঁ, আমার এমন হয়।
B. মাঝে মাঝে হয়, কিন্তু সামলে নিতে পারি।
C. না, আমি বর্তমানেই থাকার চেষ্টা করি।
D. আমার অভিজ্ঞতা অন্যরকম—কমেন্টে লিখব।

হয়তো আপনার অভিজ্ঞতা এমন কাউকে সাহায্য করবে, যে আগামীকালের বিচ্ছেদের ভয়ে আজকের ভালোবাসাটুকু উপভোগ করতে পারছে না।

— Muhammad Hasan Radiyo

সচেতনতা শুধু ধ্যানের সময় নয়, দৈনন্দিন কাজের মধ্যেও চর্চা করা যায়। এর অর্থ হলো যে কাজটি করছি, সেটির প্রতি সম্পূর্ণ মনো...
07/09/2026

সচেতনতা শুধু ধ্যানের সময় নয়, দৈনন্দিন কাজের মধ্যেও চর্চা করা যায়। এর অর্থ হলো যে কাজটি করছি, সেটির প্রতি সম্পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া এবং বর্তমান মুহূর্তে উপস্থিত থাকা।

আমরা প্রায়ই অভ্যাসবশত কাজ করি—খাই, হাঁটি বা কথা বলি, কিন্তু মন অন্য কোথাও থাকে। সচেতন উপস্থিতির অনুশীলন আমাদের মনকে বর্তমান কাজে ফিরিয়ে আনতে সাহায্য করে। যেমন, খাওয়ার সময় খাবারের স্বাদ লক্ষ্য করা, হাঁটার সময় শরীরের নড়াচড়া অনুভব করা, অথবা কোনো কাজ করার সময় সেটির প্রতি পূর্ণ মনোযোগ দেওয়া।

নিয়মিত এই অভ্যাস মনোযোগ ও একাগ্রতা বাড়াতে, কাজকে আরও কার্যকর করতে এবং মানসিক চাপ কমাতে সহায়তা করতে পারে। পাশাপাশি এটি আমাদের জীবনের ছোট ছোট মুহূর্তগুলোকে আরও গভীরভাবে অনুভব করার সুযোগ দেয়।

সচেতনতা কোনো নিখুঁত অবস্থা নয়; এটি একটি চলমান অনুশীলন। মন অন্যদিকে চলে গেলে শুধু ধীরে ধীরে বর্তমান কাজের দিকে ফিরে আসুন। প্রতিদিনের সাধারণ কাজগুলোকেই সচেতনতার সুযোগ হিসেবে গ্রহণ করুন।

আজ একটি কাজ বেছে নিন এবং কয়েক মিনিটের জন্য সেটি সম্পূর্ণ মনোযোগ দিয়ে করুন। বর্তমান মুহূর্তের অভিজ্ঞতাকে অনুভব করুন।

✍️ লিনুস রোজারিও

First batch of interns completed their  six months supervised internship at Healing Heart. The venue is MAWTS, Mirpur. T...
06/09/2026

First batch of interns completed their six months supervised internship at Healing Heart. The venue is MAWTS, Mirpur. The interns presented their report to the admin and the representative teachers.

06/09/2026

স্বপ্ন পূরণের কোনো বয়স নেই! | ৬০ বছর বয়সে পিএইচডি ও সফলতার গল্প

Address

House 121, Road 6, Block-B, Bashundhra R/A
Dhaka
1229

Opening Hours

Monday 09:00 - 17:00
Tuesday 09:00 - 17:00
Wednesday 09:00 - 17:00
Thursday 09:00 - 17:00
Friday 09:00 - 17:00
Saturday 09:00 - 17:00

Telephone

+8801752074497

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Healing Heart posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Healing Heart:

Shortcuts

Share