Dr.Farjana Kabir Katha

Directions

Dr.Farjana Kabir Katha Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr.Farjana Kabir Katha, Paediatrician, Ibn Sina Lab, DIT Road, Malibagh, Dhaka.

MBBS(DU),DCH(BMU),DMU(USA) Reg.No:A82235
Child specialist
IBN SINA DIAGNOSTIC AND CONSULTATION CENTRE
Malibagh
MORNING TIME:11AM-2PM

15/07/2026

আপনার শিশুর সুস্থ বৃদ্ধি নিশ্চিত করুন বিশেষজ্ঞের পরামর্শে।

নবজাতক ও শিশুদের সুস্থ বৃদ্ধি এবং যেকোনো স্বাস্থ্য সমস্যার সঠিক ও সময়োপযোগী চিকিৎসার জন্য অভিজ্ঞ শিশু বিশেষজ্ঞের পরামর্শ অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়মিত রোগী দেখছেন ডা. ফারজানা কবির কথা, নবজাতক ও শিশু রোগ বিশেষজ্ঞ।

শিশুর জন্মের পর থেকে বেড়ে ওঠার প্রতিটি ধাপে—নবজাতকের পরিচর্যা, জ্বর, শ্বাসকষ্ট, সংক্রমণ, পুষ্টি, টিকাদান, বৃদ্ধি ও বিকাশসহ বিভিন্ন স্বাস্থ্য সমস্যায় বিশেষজ্ঞ পরামর্শ ও আধুনিক চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করুন।

বিশেষজ্ঞ চিকিৎসক, অত্যাধুনিক প্রযুক্তি ও পূর্ণাঙ্গ টারশিয়ারি কেয়ার—সুস্থতার প্রতিটি ধাপে আপনার বিশ্বস্ত সঙ্গী।

অ্যাপয়েন্টমেন্ট অথবা যেকোনো পরামর্শের জন্য ফোন করুন:
📞 ১০৬০৩, ০১৭১৬৩৫৮১৪৬, ০২২২৩৩৭১১৯৬-৯৮

বিস্তারিত জানতে ভিজিট করুন:
🌐 www.emch.com.bd

আমাদের হাসপাতালের লাইভ লোকেশন পেতে ভিজিট করুন:
📍 https://maps.app.goo.gl/pt2HLrWnv3LWqXw

এনাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল
আপনার সুস্বাস্থ্যই আমাদের অঙ্গীকার।

Ensure Your Child’s Healthy Growth with Expert Pediatric Care.

The healthy growth and development of newborns and children require timely diagnosis and expert medical care. Consulting an experienced pediatric specialist is essential for ensuring your child’s overall well-being.

At Enam Medical College Hospital, Dr. Farzana Kabir Kotha, Specialist in Neonatology and Pediatrics, is regularly providing consultation and treatment for newborns and children.

From newborn care to the management of fever, respiratory problems, infections, nutrition, immunization, growth and developmental concerns, receive expert guidance and advanced medical care for every stage of your child’s journey.

Expert physicians, advanced technology, and comprehensive tertiary care—your trusted partner at every step toward better health.

For appointments or any medical inquiries, call:
📞 10603, +8801716358146, +8802223371196-98

Visit our website:
🌐 www.emch.com.bd

Find our live location:
📍 https://maps.app.goo.gl/pt2HLrWnv3LWqXw

Enam Medical College Hospital
Your Health, Our Commitment.

  / মাউথ ব্লিস্টারHerpangina হলো একটি acute viral infection, যা সাধারণত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এতে মুখের ভিতরে বিশ...
22/06/2026

/ মাউথ ব্লিস্টার

Herpangina হলো একটি acute viral infection, যা সাধারণত শিশুদের মধ্যে বেশি দেখা যায়। এতে মুখের ভিতরে বিশেষ করে soft palate, tonsil ও posterior pharynx-এ ছোট ছোট painful vesicle (blister) বা ulcer তৈরি হয়।

এটি মূলত Enterovirus infection, বিশেষ করে Coxsackie A virus দ্বারা হয়।

কারণ (Causes):

* প্রধান কারণ: Coxsackie A virus (Enterovirus group)
* অন্যান্য Enterovirus (rarely)
* সংক্রমণ হয়:
* Droplet infection (কাশি/হাঁচি)
* Fecal-oral route
* দূষিত হাত/খাবার

ঝুঁকিপূর্ণ কারণ (Risk Factors):

* 1–10 বছর বয়সী শিশু
* স্কুল বা daycare-এ থাকা শিশু (crowding)
* দুর্বল হাইজিন
* গরম ও বর্ষাকাল
* ইমিউনিটি কম থাকলে
* আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে আসা

ক্লিনিক্যাল ফিচার (Clinical Features):

শুরুতে (Prodromal phase)-

* হঠাৎ জ্বর (high grade fever)
* গলা ব্যথা (sore throat)
* দুর্বলতা, মাথাব্যথা
* খাবারে অনীহা (loss of appetite)

মুখের লক্ষণ -

* Soft palate, tonsil, uvula-তে ছোট vesicle (blister)
* পরে এগুলো painful ulcer এ পরিণত হয়
* গিলতে কষ্ট (odynophagia)
* মুখে অতিরিক্ত লালা (drooling in children)

অন্যান্য লক্ষণ-

* Neck lymph node mild swelling
* Dehydration (pain এর কারণে পানি কম খাওয়া হলে)
* কখনো vomiting

এড়িয়ে চলা (Avoid):

* ঝাল, টক, গরম খাবার
* শক্ত খাবার (hard food)
* খুব গরম পানীয়

Mouth care:

* লবণ পানিতে গার্গল (বড়দের ক্ষেত্রে)
* মুখ পরিষ্কার রাখা
* Soft diet (নরম খাবার)

Management:
It usually resolves on its own within 3-7 days. Only give supportive treatment under the supervision of a doctor.

ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া pharmacy বা নিজে থেকে কোন ওষুধ গ্রহণ করবেন না, এতে রোগ আরও জটিলতা ধারণ করবে.

07/06/2026
07/06/2026

শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ: শিশুর সুস্থ জীবনের নির্ভরযোগ্য সহযাত্রী

👩‍⚕️ শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ (Pediatrician), যিনি জন্ম থেকে কিশোর বয়স পর্যন্ত শিশুদের শারীরিক, মানসিক ও সামাজিক স্বাস্থ্যের যত্ন নেন। শিশুর বৃদ্ধি, রোগ প্রতিরোধ, টিকা, রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা—সবকিছুতেই শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের ভূমিকা অপরিসীম।

শিশুরোগ বিশেষজ্ঞরা যে সেবা দিয়ে থাকেন:

✅ নবজাতকের স্বাস্থ্য পরীক্ষা: জন্মের পরপরই শিশুর ওজন, শ্বাসপ্রশ্বাস, খাওয়ার অভ্যাস ও প্রাথমিক স্বাস্থ্য পরিস্থিতি মূল্যায়ন করা।

✅ টিকাদান সেবা (Vaccination): শিশুকে বিভিন্ন সংক্রামক রোগ থেকে সুরক্ষা দিতে প্রয়োজনীয় টিকা সঠিক সময়ে দেওয়ার পরামর্শ ও ব্যবস্থা।

✅ সাধারণ রোগের চিকিৎসা: সর্দি-কাশি, জ্বর, ডায়রিয়া, বমি, ত্বকের সমস্যা ইত্যাদির সঠিক নির্ণয় ও চিকিৎসা।

✅ শিশুর বৃদ্ধি ও বিকাশ পর্যবেক্ষণ: উচ্চতা, ওজন, দাঁত ওঠা, হাঁটা বা কথা বলার অগ্রগতি ঠিক আছে কি না তা নিয়মিত পর্যবেক্ষণ করা।

✅ পুষ্টি ও খাদ্যাভ্যাস নিয়ে পরামর্শ: শিশুর সঠিক পুষ্টি নিশ্চিত করতে খাবারের তালিকা তৈরি ও খাওয়ার অভ্যাস গড়ে তুলতে অভিভাবকদের দিকনির্দেশনা দেওয়া।

✅ অ্যালার্জি ও হাঁপানি নিয়ন্ত্রণ: শ্বাসকষ্ট, অ্যালার্জি বা হাঁপানি সমস্যায় আক্রান্ত শিশুদের জন্য কার্যকর চিকিৎসা ও ফলো-আপ।

✅ জটিল ও দীর্ঘমেয়াদি রোগের চিকিৎসা: থ্যালাসেমিয়া, ডায়াবেটিস, রিউমাটিক জ্বরসহ দীর্ঘমেয়াদি রোগে আক্রান্ত শিশুদের বিশেষায়িত সেবা।

✅ মানসিক ও আচরণগত সমস্যা নিরসন: অতিরিক্ত চঞ্চলতা, পড়াশোনায় মনোযোগ কমে যাওয়া বা অন্যান্য মানসিক সমস্যা চিহ্নিত করে প্রয়োজনীয় পরামর্শ প্রদান।

🔹 শিশু সুস্থ থাকলেই পরিবার সুস্থ থাকে। তাই প্রতিটি শিশুর সুস্থ ও স্বাভাবিক বিকাশ নিশ্চিত করতে একজন শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের নিয়মিত পরামর্শ নেওয়া অত্যন্ত জরুরি। সুস্থ শিশু মানেই সুন্দর ভবিষ্যৎ।

🩺 শিশুরোগ বিশেষজ্ঞ
👩‍⚕️ ডাঃ ফারজানা কবির কথা
🎓 এমবিবিএস (ডিইউ)
🎓 ডিসিএইচ (বিএমইউ)
🎓 ডিএমইউ (ইউএসএ)
কনসালটেন্ট ইবনে সিনা ডায়াগনস্টিক এন্ড কনসালটেশন সেন্টার, মালিবাগ।

⏰ সাক্ষাতের সময়:-
শনিবার থেকে বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা - দুপুর ২টা পর্যন্ত।

যোগাযোগ:

📌 হটলাইন: 09610009611
☎️ 02-58315769-73
📞 01844-141717 📞 01844-141718

📍 চেম্বার:
ইবনে সিনা ডি. ল্যাব মালিবাগ (ভবন-১): বাড়ী নং- ৪৭৯, ডিআইটি রোেড মালিবাগ, ঢাকা-১২১৭, বাংলাদেশ।






06/04/2026

গত কয়েকদিন ধরেই অনেকে আমাকে ফোন বা মেসেজ করে হামের টিকার সম্পর্কে জানতে চাচ্ছেন তাদের জন্য --

আপনার সকল প্রশ্ন ও উত্তর:

বর্তমানে এর প্রাদুর্ভাব বেড়ে যাওয়ায় ৬ মাস থেকে ৫ বছর বয়সী সকল শিশুকে অতিরিক্ত হামের টিকা দেওয়ার উদ্যোগ নিয়েছে। এ নিয়ে অনেক অভিভাবকের মনে প্রশ্ন আছে। চলুন সহজভাবে সব প্রশ্ন ও উত্তর জেনে নিই

১. আমার শিশু আগে ৯ মাস ও ১৫ মাসে নিয়মিত টিকা (EPI) নিয়েছে। আবার কি টিকা দিতে হবে?

হ্যাঁ। এই বিশেষ ক্যাম্পেইনের টিকা “অতিরিক্ত সুরক্ষা” দেয়। আগের টিকা নেওয়া থাকলেও আবার দেওয়া নিরাপদ ও প্রয়োজনীয়।

২. আগে যদি হাম হয়ে থাকে, তবুও কি টিকা দিতে হবে?

বেশিরভাগ ক্ষেত্রে হ্যাঁ। কারণ টিকা ভবিষ্যতে পুনরায় সংক্রমণের ঝুঁকি আরও কমায় এবং ইমিউনিটি শক্তিশালী করে।

৩. ৬–৯ মাস বয়সী শিশুকে কেন টিকা দেওয়া হচ্ছে?

এই বয়সে ঝুঁকি বেশি থাকে। তাই আগাম সুরক্ষার জন্য একটি “অতিরিক্ত ডোজ” দেওয়া হচ্ছে। তবে ৯ মাস ও ১৫ মাসের নিয়মিত টিকা পরে আবার নিতে হবে।
৪. এই টিকা কি নিরাপদ?

সম্পূর্ণ নিরাপদ। এবং এর নির্দেশনা অনুযায়ী দেওয়া হচ্ছে।

৫. টিকা নিলে কি পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হতে পারে?

হালকা জ্বর, ইনজেকশনের জায়গায় ব্যথা বা হালকা র‍্যাশ হতে পারে—যা সাধারণত ১–২ দিনের মধ্যে সেরে যায়।

৬. শিশুর ঠান্ডা-কাশি থাকলে কি টিকা দেওয়া যাবে?

হালকা অসুস্থতায় (ঠান্ডা/কাশি/জ্বর কম থাকলে) টিকা দেওয়া যায়। তবে গুরুতর অসুস্থ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।
৭. এই টিকা কি নিয়মিত EPI টিকার বিকল্প?

না। এটি অতিরিক্ত সুরক্ষা মাত্র। নিয়মিত ৯ মাস ও ১৫ মাসের টিকা অবশ্যই নিতে হবে।

৮. একাধিকবার টিকা দিলে কি কোনো ক্ষতি হবে?

না। বরং এটি শরীরের প্রতিরোধ ক্ষমতা আরও বাড়ায়।

৯. এক মাস আগে যদি হামের (MR/MMR) প্রথম বা দ্বিতীয় ডোজ নেওয়া হয়ে থাকে, এখন কি আবার এই ক্যাম্পেইনের টিকা নিতে হবে?

হ্যাঁ, নিতে হবে। এই ক্যাম্পেইনের ডোজটি “Supplementary dose” হিসেবে দেওয়া হচ্ছে এবং এটি আগের ডোজের সাথে সংঘর্ষ করে না। ৪ সপ্তাহ বা তার বেশি ব্যবধান থাকলে নির্দ্বিধায় দেওয়া নিরাপদ এবং অতিরিক্ত সুরক্ষা প্রদান করে।

১০. কোথায় এই টিকা পাওয়া যাবে?

নিকটস্থ সরকারি হাসপাতাল, কমিউনিটি ক্লিনিক ও টিকাদান কেন্দ্রে বিনামূল্যে দেওয়া হচ্ছে।
গুরুত্বপূর্ণ বার্তা:
হাম একটি অত্যন্ত সংক্রামক রোগ, যা নিউমোনিয়া, ডায়রিয়া, এমনকি মৃত্যুর কারণ হতে পারে। তাই সময়মতো টিকা দিয়ে আপনার শিশুকে সুরক্ষিত রাখুন।
একজন সচেতন অভিভাবক হোন — টিকা দিন, হাম প্রতিরোধ করুন।

হাম (রুবেওলা) কী?হাম, যা রুবেওলা নামেও পরিচিত, একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাল সংক্রমণ যা মূলত শ্বাসযন্ত্রকে প্রভাবিত করে। ...
03/04/2026

হাম (রুবেওলা) কী?

হাম, যা রুবেওলা নামেও পরিচিত, একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাল সংক্রমণ যা মূলত শ্বাসযন্ত্রকে প্রভাবিত করে। এটি আক্রান্ত ব্যক্তির কাশি বা হাঁচির সময় নির্গত ফোঁটার মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে এবং ভাইরাসটি বাতাসে বা পৃষ্ঠতলে কয়েক ঘন্টা ধরে সক্রিয় থাকতে পারে। কেবল বাসনপত্র, পানীয় ভাগ করে নেওয়া, অথবা আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে একই ঘরে থাকার ফলে সংক্রমণ হতে পারে।
রুবেওলা ভাইরাসের কারণে সৃষ্ট হাম, ফুসকুড়ি দেখা দেওয়ার চার দিন আগে থেকে চার থেকে পাঁচ দিন পরে পর্যন্ত সংক্রামক। টিকা না দেওয়া শিশুদের জন্য এই সংক্রমণ বিশেষভাবে বিপজ্জনক এবং বিশ্বের অনেক জায়গায় এটি প্রতিরোধযোগ্য মৃত্যুর একটি প্রধান কারণ হিসেবে রয়ে গেছে।
ভাইরাসটি প্রথমে নাক এবং গলার শ্লেষ্মা ঝিল্লিকে সংক্রামিত করে এবং সাধারণত সংস্পর্শে আসার ১০ থেকে ১৪ দিন পরে লক্ষণগুলি দেখা দেয়। এটি জ্বর, নাক দিয়ে পানি পড়া এবং কাশির মতো সাধারণ লক্ষণগুলির সাথে শুরু হতে পারে, তারপরে হামের ফুসকুড়ি দেখা দেয় যা সারা শরীরে ছড়িয়ে পড়ে।
যদিও টিকাদান বিশ্বব্যাপী হামের সংখ্যা অনেকাংশে হ্রাস পেয়েছে, তবুও কম টিকাদানের হারযুক্ত অঞ্চলে এখনও হাম দেখা যায়। বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (ডব্লিউএইচও) মতে, ২০১৪ সালে বিশ্বব্যাপী ১,১৪,০০০ এরও বেশি মানুষের মৃত্যু হয়েছিল, যার বেশিরভাগই ৫ বছরের কম বয়সী শিশু।
যদি আপনার এক্সপোজার সন্দেহ হয়:

যদি আপনি মনে করেন যে আপনি সংক্রামিত হয়েছেন এবং টিকা গ্রহণ করেননি, তাহলে এটি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ:
সংক্রমণ প্রতিরোধে সাহায্য করার জন্য সংস্পর্শে আসার ৭২ ঘন্টার মধ্যে হামের টিকা নিন।
বিকল্পভাবে, রোগের তীব্রতা কমাতে সংস্পর্শে আসার ছয় দিনের মধ্যে ইমিউন গ্লোবুলিন দেওয়া যেতে পারে।
প্রাথমিক সনাক্তকরণ এবং সময়মত চিকিৎসা সেবা উল্লেখযোগ্যভাবে ফলাফলের উন্নতি করে এবং জটিলতার ঝুঁকি হ্রাস করে।
হামের কারণ কি?

হাম রুবেওলা ভাইরাসের কারণে হয়, এটি একটি অত্যন্ত সংক্রামক ভাইরাস যা শ্বাসযন্ত্রকে প্রভাবিত করে। ভাইরাসটি একবার শরীরে প্রবেশ করলে, সাধারণত নাক বা গলার মিউকাস মেমব্রেনের মাধ্যমে, এটি দ্রুত বৃদ্ধি পায় এবং ছড়িয়ে পড়ে, যার ফলে জ্বর, কাশি এবং ফুসকুড়ির মতো লক্ষণ দেখা দেয়।
ভাইরাসটি প্রাথমিকভাবে দুটি উপায়ে ছড়িয়ে পড়ে:
বায়ুবাহিত সংক্রমণ: যখন একজন সংক্রামিত ব্যক্তি কাশি, হাঁচি, এমনকি কথা বলা, ভাইরাস বহনকারী ক্ষুদ্র ক্ষুদ্র কণাগুলি বায়ুবাহিত হয়ে যায়। কাছাকাছি থাকা যে কেউ এগুলি শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে গ্রহণ করতে পারে এবং সংক্রামিত হতে পারে।
পৃষ্ঠের সংস্পর্শ: এই ফোঁটাগুলি দরজার হাতল, টেবিল বা খেলনার মতো পৃষ্ঠে বসতি স্থাপন করতে পারে। ভাইরাসটি পৃষ্ঠের উপর ২ ঘন্টা পর্যন্ত বেঁচে থাকেযদি কোনও ব্যক্তি এই পৃষ্ঠগুলি স্পর্শ করে এবং তারপর তাদের মুখ (বিশেষ করে মুখ, নাক, বা চোখ) স্পর্শ করে, তাহলে ভাইরাসটি শরীরে প্রবেশ করতে পারে।
হাম কত সহজে ছড়িয়ে পড়ে তার কারণে, এটি সবচেয়ে সংক্রামক রোগগুলির মধ্যে একটি। এমনকি যদি আপনার টিকা না দেওয়া হয় তবে সংক্রামিত ব্যক্তির সাথে বা দূষিত পৃষ্ঠের সাথে সংক্ষিপ্ত যোগাযোগের ফলেও সংক্রমণ হতে পারে।
হাম কিভাবে ছড়ায়?

হাম বিশ্বের সবচেয়ে সংক্রামক ভাইরাল সংক্রমণগুলির মধ্যে একটি। এই ভাইরাসটি আক্রান্ত ব্যক্তির নাক এবং গলার মিউকাস মেমব্রেনে বাস করে এবং মূলত কাশি, হাঁচি, এমনকি অন্যদের কাছাকাছি শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে ছড়িয়ে পড়ে।
একবার বাতাসে ছেড়ে দিলে, হামের কণাগুলি পৃষ্ঠের উপর বা বাতাসে দুই ঘন্টা পর্যন্ত থাকতে পারে। দূষিত পৃষ্ঠ স্পর্শ করে চোখ, নাক বা মুখ ঘষলেই সংক্রমণ হতে পারে।
হাম ছড়ানোর সাধারণ উপায়:

সংক্রামিত ব্যক্তির সাথে সরাসরি যোগাযোগ।
শ্বাস-প্রশ্বাসের ফোঁটার মাধ্যমে (কাশি বা হাঁচি থেকে) বায়ুবাহিত সংক্রমণ।
দরজার হাতল বা আসবাবের মতো দূষিত জিনিস স্পর্শ করা এবং তারপর আপনার মুখ স্পর্শ করা।
লক্ষণ দেখা দেওয়ার আগেই, সংক্রামিত ব্যক্তি অজান্তেই ভাইরাসটি ছড়িয়ে দিতে পারে। ফুসকুড়ি দেখা দেওয়ার 4 দিন আগে থেকে 4 দিন পরে পর্যন্ত হাম সংক্রামক।
একবার শরীরের ভেতরে প্রবেশ করলে, ভাইরাসটি দ্রুত গলা, ফুসফুস, লিম্ফ নোডের মতো অঞ্চলে বৃদ্ধি পায় এবং পরে চোখ, মূত্রনালী, রক্তনালী এমনকি মস্তিষ্কেও ছড়িয়ে পড়ে। সাধারণত সংস্পর্শে আসার ৯ থেকে ১১ দিন পরে লক্ষণগুলি দেখা দেয়।
তুমি কি জানতে?
টিকা না নেওয়া প্রায় ৯০% মানুষ যদি আক্রান্ত ব্যক্তির সাথে একই বাড়িতে বাস করেন, তাহলে তাদের হাম হয়ে যাবে।
উচ্চ সংক্রমণ হারের কারণে, হামের প্রাদুর্ভাব দ্রুত ছড়িয়ে পড়তে পারে, বিশেষ করে কম টিকাদানের আওতাভুক্ত সম্প্রদায়গুলিতে। এই কারণেই এর বিস্তার রোধ করার জন্য টিকাদান এবং প্রাথমিকভাবে আক্রান্তদের আলাদা করা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
হামের বিভিন্ন পর্যায় কী কী?

হাম একটি পূর্বাভাসযোগ্য ধরণে অগ্রসর হয়, সাধারণত প্রায় স্থায়ী হয় 2 থেকে 3 সপ্তাহ সংস্পর্শে আসা থেকে আরোগ্য লাভ পর্যন্ত। এই পর্যায়গুলি বোঝা সময়মত সনাক্তকরণ এবং যত্নের ক্ষেত্রে সাহায্য করতে পারে।

03/04/2026

🦠 হাম (Measles) – সহজ ভাষায়

🔹 হাম কী?

হাম একটি অত্যন্ত ছোঁয়াচে ভাইরাসজনিত রোগ, যা সাধারণত শিশুদের হয়।

🔹 কিভাবে ছড়ায়?
• কাশি / হাঁচি দিয়ে
• আক্রান্ত ব্যক্তির কাছাকাছি থাকলে
• বাতাসের মাধ্যমে খুব দ্রুত ছড়ায়

🔹 লক্ষণ (Symptoms)

১️⃣ প্রথম ধাপ (৩–৫ দিন)
• জ্বর (বেশি, ১০৩–১০৪°F পর্যন্ত)
• কাশি
• সর্দি (নাক দিয়ে পানি)
• চোখ লাল (conjunctivitis)
• মুখের ভিতরে সাদা দাগ (Koplik spot)

২️⃣ ফুসকুড়ি ধাপ
• প্রথমে মুখে → তারপর সারা শরীরে ছড়ায়
• জ্বর থাকে বা বাড়ে

🔴 বিপদজনক লক্ষণ (Danger signs)

👉 এগুলো থাকলে হাসপাতালে ভর্তি করতে হবে
• খেতে না পারা / বুকের দুধ না খাওয়া
• শ্বাসকষ্ট / বুক ঢোকা
• বারবার বমি
• খিঁচুনি
• অতিরিক্ত ঘুম / অচেতন
• প্রস্রাব কম

💊 চিকিৎসা (Treatment)

🟢 ১. প্রধান চিকিৎসা (Essential)
• Paracetamol (Napa) → জ্বর কমাতে
• প্রচুর পানি / বুকের দুধ
• ORS (প্রয়োজনে)

🟡 ২. Vitamin A (খুব গুরুত্বপূর্ণ)

👉 রোগের জটিলতা কমায়

ডোজ:
• ৬–১১ মাস → 100,000 IU
• ১ বছর বা বেশি → 200,000 IU

📅 দুই দিন দিতে হবে
• Day 1
• Day 2

🔵 ৩. অন্যান্য
• কাশি/সর্দির জন্য supportive treatment
• চোখ পরিষ্কার রাখা
• পুষ্টিকর খাবার

🔴 ৪. Antibiotic

👉 শুধুমাত্র secondary bacterial infection হলে (যেমন pneumonia, ear infection)

🏠 বাড়িতে যত্ন
• শিশুকে আলাদা রাখুন (সংক্রমণ কমাতে)
• নরম, সহজপাচ্য খাবার দিন
• চোখ পরিষ্কার রাখুন
• নিয়মিত জ্বর মাপুন

💉 প্রতিরোধ (Prevention)
• MMR vaccine / MR vaccine
• বাংলাদেশে সাধারণত ৯ মাসে দেওয়া হয়

🔑 সংক্ষেপে

👉 হাম = জ্বর + কাশি + সর্দি + চোখ লাল + পরে ফুসকুড়ি
👉 সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ওষুধ = Vitamin A
👉 বিপদ লক্ষণ থাকলে = হাসপাতালে ভর্তি

03/04/2026

Measles (Rubeola) is a highly contagious viral disease that mainly affects children but can occur at any age. 

🔹 Cause
• Caused by measles virus (airborne spread)
• Spread by coughing, sneezing, droplets, and contaminated surfaces 
• Very infectious → ~90% of non-immune contacts get infected 

🔹 Incubation Period
• Usually 7–14 days after exposure 

🔹 Clinical Features (Important for exams & practice)

1️⃣ Prodromal phase (3–5 days)
• High fever (often >40°C)
• 3 C’s:
• Cough
• Coryza (runny nose)
• Conjunctivitis
• Koplik spots (pathognomonic) → white spots in buccal mucosa 

2️⃣ Rash phase
• Starts behind ears/face → spreads downward
• Maculopapular rash
• Fever persists or increases 

3️⃣ Recovery phase
• Rash fades in same order (cephalocaudal)

🔹 Infectivity
• Infectious 4 days before to 4 days after rash 

🔹 Complications (very important clinically)
• Pneumonia (most common cause of death)
• Otitis media
• Diarrhea
• Encephalitis
• SSPE (late complication)
• Severe in:
•

27/01/2026

অ্যাডিনয়েড কী?
অ্যাডিনয়েড হলো নাকের পেছনে (নাসোফ্যারিংক্সে) থাকা লিম্ফয়েড টিস্যু, যা শিশুদের শরীরকে সংক্রমণ থেকে রক্ষা করতে সাহায্য করে।

অ্যাডিনয়েড বড় হলে কী হয়? (Adenoid hypertrophy)
অ্যাডিনয়েড বড় হয়ে গেলে নাক ও কানের স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হয়।

লক্ষণগুলো:
• নাক দিয়ে শ্বাস নিতে কষ্ট
• সব সময় মুখ খুলে শ্বাস নেওয়া
• ঘুমের সময় নাক ডাকা
• ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হয়ে যাওয়া (Sleep apnea)
• বারবার সর্দি–কাশি
• কথা নাসাল শোনায়
• কান ব্যথা বা বারবার কানে ইনফেকশন
• শুনতে কম পাওয়া
• শিশুদের মুখের গঠন বদলে যাওয়া (Adenoid facies)

কারণ:
• বারবার উপরের শ্বাসনালীর সংক্রমণ
• অ্যালার্জি
• দীর্ঘদিনের সর্দি
• জেনেটিক কারণ

রোগ নির্ণয়:
• ENT পরীক্ষা
• ন্যাসোএন্ডোস্কপি
• এক্স-রে (নাসোফ্যারিংক্স ল্যাটারাল ভিউ)

চিকিৎসা:
• হালকা ক্ষেত্রে:
• নাকের স্প্রে (স্টেরয়েড)
• অ্যান্টিহিস্টামিন
• সংক্রমণ থাকলে অ্যান্টিবায়োটিক
• গুরুতর ক্ষেত্রে:
• অ্যাডিনয়েডেকটমি (অ্যাডিনয়েড অপারেশন)

Address

Ibn Sina Lab, DIT Road, Malibagh
Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Farjana Kabir Katha posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category