ChupKotha - Mental Support Helpline

ChupKotha - Mental Support Helpline চুপ থাকা কথাগুলো এবার বলুন। গোপন, না বলা, জমে থাকা কথাগুলো শুনতে চাই আমরা। আপনার সুবিধামতো সময়ে কল করে শেয়ার করুন। Helpline- +88 01974 746 367

চুপকথা কেয়ার বাংলাদেশের প্রথম প্রফেশনাল মানসিক সহায়তা কলিং সার্ভিস, যেখানে একাকীত্বে ডুবে থাকা বা হতাশায় ভোগা যে কেউ কল করে মনের ভেতরের চুপ থাকা কথাগুলো বলতে পারেন — নির্ভয়ে, গোপনে, নির্ভরতার সঙ্গে।

আমাদের সার্ভিসে থাকেন প্রশিক্ষণপ্রাপ্ত ও অভিজ্ঞ মানসিক কাউন্সেলর, যারা আপনার অনুভূতির পাশে থাকেন — শুনে যান মন খুলে, বিচারহীনভাবে।

📞 চুপকথা এমন একটি আশ্রয়, যেখানে –

কেউ আপনাকে থামাবে না,

কেউ আপ

নাকে তুচ্ছ করবে না,

আর আপনি একা থাকবেন না।


আমরা বিশ্বাস করি, প্রথম নিরাময় শুরু হয় যখন কেউ মন খুলে বলতে পারে।
আর তাই আমরা শুনি — যতক্ষণ না আপনি হালকা হন।

আমাদের লক্ষ্য—

হতাশা ও একাকীত্বের বিরুদ্ধে সচেতনতা তৈরি

নিরাপদ কথোপকথনের মাধ্যমে আত্মহত্যা প্রবণতা হ্রাস

মানসিকভাবে বিপর্যস্ত মানুষদের জন্য হাতে ধরা আলোর পথ খুঁজে দেওয়া


চুপকথা সম্পূর্ণ গোপনীয়, পেশাদার ও চার্জভিত্তিক পরিষেবা দিয়ে কাজ করে — যেন মানসিক সেবাকে বাংলাদেশে গ্রহণযোগ্য, প্রাইভেট ও সহজলভ্য করা যায়।

হেল্পলাইন- +88 01974 746 367


ChupKotha Care is Bangladesh’s first professional mental support calling service where anyone struggling with loneliness, anxiety, or emotional distress can speak their unspoken thoughts — freely, confidentially, and without judgment. Our team of trained and empathetic mental health counselors are here to truly listen — not to advise, not to criticize — but to be present with you, as you unload the weight in your heart.

📞 At ChupKotha, you’ll find a safe space where:

No one interrupts your silence,

No one dismisses your feelings,

And above all, you are not alone. We believe that healing begins when you can finally speak your truth out loud. That’s why we exist — to be the ears you need, when your heart has too much to hold.

💠 Our Mission:

To create awareness around emotional well-being and depression

To reduce suicidal thoughts through supportive conversations

To offer a calm, professional space where people can breathe, speak, and begin again


ChupKotha is a confidential, professional, and paid service — designed to make emotional support more acceptable, accessible, and human in the context of Bangladesh.

30/06/2026

যে কথাটা কাউকে যায় না বলা

12/11/2025

এক আপুকে তার স্বামী ডিভোর্স দিতে চাচ্ছেন শারীরিক কারণে -
উনার মেসেজটা হুবুহু দিচ্ছি।

আসসালামু আলাইকুম আপু,
আমার মেসেজটার রিপ্লাইটা দিবেন প্লিজ। আমি আগে অনেক চিকন ছিলাম। আমার Husband মোটা মেয়ে পছন্দ করে, কিন্তু আমি চিকন বলে সে আমাকে পছন্দ করে না। গত ১০ বছর ধরে অনেক চেষ্টা করছি মোটা হওয়ার জন্য। একটা বাচ্চা হওয়ার পরও আমি মোটা হতে পারিনি। এখন সে আমাকে রাখতে চায় না, আমি জোর করে আছি। শুধু চিকন হওয়ার কারণেই ডিভোর্স হবে। এটা আমি কখনো চাইনি।

দ্বিতীয় সন্তান হওয়ার পর আমার ওজন বেড়েছে। ৫৬ কেজি। কিন্তু এখন নতুন সমস্যা দেখা দিয়েছে। ছেলে হওয়ার পরেও আমার স্তনের সাইজ একটুও বাড়েনি। অনেক ডাক্তার দেখিয়েছি, ম্যাসাজ করেছি, এক্সারসাইজ করেছি, এমনকি জিমেও গিয়েছি, কোনো পরিবর্তন হয়নি। সবার সাজেশন ইমপ্লান্ট করানো। আমার হাজব্যান্ড বড় পছন্দ করে। এখন আমি কী করব আপু?

আমার বয়স ২* বছর, উচ্চতা ৫ ফুট ১ ইঞ্চি, ওজন ৫৬ কেজি।
আপনাকে আমার খুব ভালো লাগে আপু, দয়া করে একটু সাজেশন দিন। স্তনের জন্য কী করতে পারি?

পরামর্শ হচ্ছে: আপু। আপনি স্তন না বদল করে স্বামী বদলান। আপনি আপনার স্বামীকে কখনও সুখী করতে পারবেন না। ছুরি কাঁচির নিচে গিয়েও পারবেন না। আজকে স্তন ভালো লাগবে না। কাল আগু পাছু ভালো লাগবে না। এরপর চোখ, নাক, চুল কিছুই ভালো লাগবে না। এরপর বলবে, তুমি বুড়ি হয়ে যাচ্ছো!

এরপর একদিন বলবে, তোরে আমার কোন কালেই ভালো লাগেনি। আমার নতুন লাগবে। এই ভালো না লাগার শেষ নেই।

গতকাল এক মেধাবী চিকিৎসকের স্বামীকে দেখলেন না? কী করেনি তার জন্য? জিজ্ঞেস করেছিলো, আমি কী লম্বা হবো? ফর্সা হবো? একটু ওজন কমাবো? কী করলে তুমি খুশি হবে? তাই করবো। মেডিক্যাল সাইন্সের যুগ। যা চাও তাই সম্ভব।

স্বামীকে এতটা ভালোবাসতে যেই নারী পারে। সেই স্বামী কীনা অন্য এক মেয়েকে এনে তাদেরই বিছানায় শারীরিক সম্পর্ক করেছে মাসের পর মাস। ১০ বছরের সম্পর্ককে মূহুর্তেই নষ্ট করে ফেলেছে। একটুকুও বুক কাঁপেনি। তাই আপনি যত যাই করুন না কেন! এই ধরণের মানুষকে আপনি কলিজা রান্না করে দিলেও খুশি করতে পারবেন না।

আশা করি আপনার উত্তর পেয়েছেন।

🖋️ Sadia Khan Kasas

02/07/2025

আমি একজন মেয়ে বয়স ১৯+ আমি অল্পতে রেগে যাই, এককথা দুইবারের বেশি বলতে ইচ্ছে করেনা আর শুনতেও ইচ্ছে করেনা..এগুলো কি স্বাভাবিক. আমি অতিরিক্ত ওভারথিংক করি, এবং সারাদিন শুয়ে বসে দিন কাটাই, আমার বাবা ছিলেন চুপচাপ স্বভাবের মানুষ, আমিও অনেকটা বাবার মতো, কিন্তু আমার আম্মু বিপরীত, ওনি কথা বলতে অনেক বেশি ভালোবাসেন, এমনকি সকাল থেকে ঘুমানোর আগ পর্যন্ত নন স্টপ কথা বলেন,, কোনো কাজে থাকলেও ওনি কথা বলবেন, যখন স্কুলে সারাদিন থাকতাম তখন আম্মুর কথা শুনতে খারাপ লাগতো না,কিন্তু ২০১৯ সালে যখন করোনার পর থেকে বাড়িতে থাকতে শুরু করি তখন থেকে মাঝেমধ্যে ওনার কথায় রিয়েক্ট করে ফেলি, আম্মুর একটা অভিযোগ ওনি যাই বলেন না কেন ওনার কথা শুনতে হবে,এবং ওনাকে কিছু বলা যাবেনা, হোক সেটা অযথা কথা, ওনি একটা কথা এক জায়গায় বসে ঘুড়ে ফিরে ১০-১২ বার করে বলবেন, যদি ওনাকে কিছু বলি তাহলে ওনি রিলেটিভ দের কাছে গিয়ে আমার বদনাম করবেন, যা মন চায় তাই বলবেন. রিলেটিভ দের উস্কানিমূলক কথায় ওনি আমার সাথে আরো খারাপ ব্যবহার করেন, এগুলো কি স্বাভাবিক, নাকি আমি বেশি ভাবছি. আমি অতিরিক্ত ওভারথিংক করি, একটু অলস টাইপের মানুষ,খাওয়া ঘুম পড়ালেখা ছাড়া ইচ্ছে হলে টুকটাক কিছু করি, আমি ছোটবেলায় বাবাকে হাড়িয়ে ফেলি তার কিছুদিন পর ২২ বছর বয়সী ভাই মারা যায়,আমার জীবন টা সুন্দর ছিলো যখন বাবা ভাইয়া মা আর আমি আমাদের একটা সুন্দর পরিবার ছিলো😭১২ বছর বয়সে ২ জনকে হাঁড়িয়ে আমি ভীষণ এলোমেলো হয়ে যাই, খাওয়া ঘুম জীবনের গতি কোনোটা স্বাভাবিক ভাবে চলছে না,,খুব শান্ত মানুষ থেকে একটা বদরাগী মেয়ে হয়ে গেছি,,বাবা ভাইয়ের মৃত্যুর পর কাছের মানুষদের বিশ্বাসঘাতকতা, আমাকে খুন করার চেষ্টা, তাছাড়া মায়ের কিছু আচরন আমাকে একদম শেষ করে দিয়েছে,রিলেটিভ রা সবসময় উৎ পেতে থাকে ক্ষতি করার জন্য, সব মিলিয়ে গত ৮ বছর ধরে নিজেকে মানিয়ে নিতে নিতে স্ট্রাগল করতে করতে ট্রমার মাঝে থাকতে থাকতে নিজেকে পাগল পাগল লাগে, রিলেশন ছিলো না তবে মন থেকে আল্লাহর কাছে একজনকে জীবনসঙ্গী হিসেবে চাইতাম, সেটাও পাইনি অন্য সব ১০ টা মেয়ের মতো স্বাভাবিক ভাবে চলাফেরা করি, আমাকে দেখে বুঝার উপায় নেই এতো কিছুর মধ্যে আমি বেচে আছি,রিলেটিভদের স্বরযন্ত্র থেকে কীভাবে নিজেকে রক্ষা করবো, রাগ কীভাবে কনট্রোল রাখবো

28/06/2025

“পুরুষ মানুষ কেন চুপ হয়ে যায়?”

পুরুষ মানুষ চুপ হয়ে যায় — কথাটা যতটা সহজ, এর পেছনের কারণগুলো ঠিক ততটাই জটিল আর গভীর। বাইরে থেকে দেখে মনে হয়, হয়তো সে গম্ভীর, রাগী, বা অচল; কিন্তু ভেতরে সে বহমান এক নদীর মতো, যার ঢেউগুলো কেবল নিঃশব্দেই বয়ে যায়।
ছেলেদের ছোটবেলা থেকেই শেখানো হয় — “ছেলে মানে শক্ত, ছেলে মানে নির্ভীক, ছেলে মানে কাঁদে না, ভেঙে পড়ে না।” চোখে জল আসলেও চেপে রাখতে হয়, বুক ফেটে গেলেও হাসিমুখে থাকতে হয়। এই সমাজ পুরুষকে এমন এক আবরণ পরিয়ে দেয়, যেখানে আবেগ দেখানো মানে দুর্বলতা, অনুভূতি প্রকাশ মানে অপূর্ণতা। তাই তারা শেখে—চুপ করে যেতে।
চুপ করে যাওয়া অনেক সময় একটা আত্মরক্ষার চেষ্টা। সে বোঝে, বললে কেউ বুঝবে না, বরং দুর্বল ভাববে। তাই সে বলেও না। জীবনের দুঃখ, মানসিক চাপ, কাজের টেনশন, সম্পর্কের টানাপোড়েন—সবকিছু একা একা পেটে নিয়ে সে শুধু নীরব থাকে। কেউ জিজ্ঞেস করলে বলে, “আছি ভালো।” অথচ সেই “ভালো” শব্দটার পেছনে থাকে হাজারটা না-বলা কথা।
অনেক সময় পুরুষ চুপ হয়ে যায় ভালোবাসার মানুষটির শান্তির জন্য। সম্পর্ক রক্ষা করতে করতে নিজেকে হারিয়ে ফেলে, তবু কাঁদে না। অনেকে আবার চুপ হয়ে যায় কারণ সে বুঝে যায় — তার কথা আর কাউকে ছুঁয়েও যায় না। এই না-ছোঁওয়ার যন্ত্রণা তাকে ক্রমাগত এক নিঃশব্দ যুদ্ধে ঠেলে দেয়।
আরেকটা বড় কারণ — পুরুষ অনেক সময় নিজের কষ্ট বুঝতে পারে না, কিংবা শব্দ খুঁজে পায় না প্রকাশের জন্য। ভেতরের অস্থিরতা, চাপা অভিমান, ভয়, হতাশা — এসব জিনিস মনের গহীনে জমা হতে হতে একসময় নিঃশব্দতাই তার একমাত্র ভাষা হয়ে যায়।
তবুও সমাজ চায়, সে হোক সবার ভরসার স্থান, ছায়া, দেয়াল। কেউ বোঝে না — দেয়ালেরও ফাটল হয়, ছায়ারও বিশ্রাম লাগে।
একজন চুপ করে যাওয়া পুরুষ মানেই সে অনুভূতিহীন নয়। বরং সে অনেক বেশি অনুভব করে বলেই চুপ থাকে। হয়তো সে অপেক্ষা করে কারো — যে এসে বলবে, “তোমার মুখ না বললেও বুঝি, তুমি ঠিক নেই।”
হয়তো সে খুঁজে ফেরে এমন কাউকে, যার পাশে দাঁড়িয়ে চোখের ভাষাতেই বলে ফেলা যাবে, “ভীষণ ক্লান্ত আমি।”
তাই, পুরুষের নীরবতাকে দুর্বলতা ভাববেন না। অনেক শক্তির প্রমাণ লুকিয়ে থাকে তার এই নীরবতার আড়ালে। শুধু একটু বোঝার চেষ্টা করুন, একবার জিজ্ঞেস করুন — “তুমি ঠিক আছো তো?”
কারণ, তার চুপ করে থাকা মানেই সে ঠিক আছে — এমন নয়।

পুরুষ মানুষও মানুষ। তারও আবেগ আছে, কষ্ট আছে, কান্না আছে। শুধু সে প্রকাশ করতে জানে না, বা সাহস পায় না। কখনো কখনো একটু ভালোবাসা, একটু বোঝা, আর একটা নির্ভরতা — এই তিনটিই যথেষ্ট তাকে আবার কথায় ফিরিয়ে আনতে

Send a message to learn more

26/06/2025

কাউকে চিরতরে ভুলে যাওয়ার উপায় কি?
আমি একজন ইন্টার্ন ডাক্তার, যাকে পচ্ছন্দ করি সেও ডাক্তার।
কোন ভাবেই তাকে ভুলে যেতে পারছি না।জীবনের ১ম প্রেম।আল্লাহর কাছে এত করে বলি যেন তাকে ভুলে যায়,কিন্তু ৪/৫ দিন কথা না বলে থাকলেও পরে আমি নিজে থেকেই মেসেজ দি।
সে এক সময় চাইলেও এখন চায় না,এটা বুঝার পরও সরে আসতে পারছিনা,নিজের প্রতি নিজেরই লজ্জা, করুণা হয়।
এক সময় আমাদের কত কথা হত,এখন সে আমার নিজে থেকে খোঁজ খবর নেয়না,আমি মেসেজ দিলে রিপ্লাই দেয়,নয়তো নিজে থেকে দেয়না।আবার ১০/১৫ দিন কথা অফ থাকলে যদি আমি মেসেজ না দি,তাহলে তখন নিজে থেকে মেসেজ দেয়।
আমি নিজে জানিনা সে কি চায়,ক্লিয়ার করেও কিছু বলে না।
একবার জিঙ্গেস করেছিলাম,কবে আমাকে ভালোবাসবেন,কবে আমার কথা শুনবেন?কবে আমাকে কষ্ট দেওয়া বাদ দিবেন?
উত্তরে বলেছিল,দোয়া করো ভালো কিছু হোক,মানে
সে উচ্চতর ডিগ্রীর জন্য পড়াশোনা করছে,সে যেন চান্স পায় সেটা বুঝিয়েছিল।
কিন্তু তাকে কোন দিন বুঝাতে পারলাম না তার ডিগ্রী নিয়ে আমার কোন মাথা ব্যথা নাই,ডিগ্রী তো হবেই,কাউকে মন থেকে ভালোভাসলে সময় খুঁজতে হয়না,তাকে এমনি সময় দেওয়া যায়,
আমরা ২ জন একই শহরে থাকলেও আমাদের দেখা হয়না।
আমাকে নিয়ে তার কোন চিন্তা নায়,সব কিছু বুঝার পরও তারে আমি মন থেকে মুছে ফেলতে পারিনা।
আমি তাকে ভুলে যেতে চাই,তার কথা ভাবতে চাই না।
আমি এটার সমাধান কয় পাবো,আপনারা যারা এই সিচুয়েশনে ছিলেন তারা কিভাবে ওভারকাম করেছেন,প্লিজ হ্লেপ।
অগোছালো কথা আর বানান ভুলের জন্য ক্ষমা প্রার্থী।

25/06/2025

আসসালামু আলাইকুম ।
আমি একজন মেয়ে।
বড় ভাইয়া বিয়ে করেছে ৩ মাস হলো।
ভাবী আমার সমবয়সী । দুজনই ইউনিভার্সিটিতে পড়ি। তাই আমাদের মানসিকতা অনেক মিলে। আমি একটু চঞ্চল,ভাবী একটু চুপচাপ। নতুন বউ বলে হয়তো একটু নিরব থাকে বেশি। কিন্তু আমার সাথে এই তিন মাসে অনেকটা ফ্রেন্ডলি হয়ে গেছে। যতদূর মনে হলো মেয়ে হিসাবে লক্ষ্মী ও সংসারী।
কিন্তু সমস্যা হলো আমার মা জননী।
অনেক শখ,আনন্দে নিজের পছন্দ মতো পাত্রী দেখে ধুমধাম করে ভাইয়াকে বিয়ে করিয়েছে। প্রথম প্রথম ভালোই ছিলো সব। এখন ভাইয়া ভাবির একান্ত সময় এবং সর্বক্ষণ একসাথে থাকাটা ভালোভাবে মেনে নিতে পারছে না। আমার একটাই ভাই।

আগে ভাইয়া অফিস থেকে এসে সোজা মায়ের রুমে চলে যেতো,গল্প করতো। একসাথে খেয়ে আবার মায়ের আর আমার সাথে অনেক গল্প করতো। আবার সাপ্তাহিক ছুটিতে আমাদের বেড়াতে নিয়ে যেতো। ডিনারে নিয়ে যেতো প্রায়ই।বাবা ব্যবসার কাজে বেশিরভাগই দূরে থাকেন।
ভাইয়া বিয়ের পরে অফিস থেকে এসে নিজের ঘরে চলে যায়,খেয়ে দেয়ে আবার ভাবির সাথে ছাদে চলে যায়।ছুটির দিনে রিসোর্টে কিংবা অন্য কোথাও ঘুরতে যায়। সেখানে থেকে পরদিন ব্যাক করে।সর্বক্ষণ ভাবিকে সময় দেয়।

এতে মা বিষণ্ণ হয়ে যায়। মা কে যতোই বোঝাই যে এগুলো স্বাভাবিক,নতুন বিয়ে হলে একটু বেশিই বউকে সময় দেয় তাদের স্বামীরা। কিন্তু মা বোঝে না।সে যৌথ ফ্যামিলিতে কোনোদিন স্বামীকে কাছে পায়নি ।সর্বক্ষণ,ব্যবসার কাজে বাবা বাইরেই থাকতো। আবার দাদীও এই কাজ সেই কাজ দিয়ে মাকে ব্যস্ত রাখতো।
সেই কথার উদাহরণ দেয়।

ভাবী একটু ঘরকোনা ধরণের। ক্লাস না থাকলে ঘর থেকে বের হয় না বেশি। আমাকে মাঝে মাঝে টেক্সট করে গল্প করার জন্য। মা এতে রাগ করে। বউ কেন সারাক্ষণ ঘরে বসে থাকে। কিন্তু আমাদের বাড়িতে কাজ করার বুয়া আছে ২ জন। যাবতীয় কাজ ওরাই করে। মা তেমন কোনো কাজ করে না,আমিও না। তবে মা দু এক আইটেম রান্না শখের বসে করে। মা চায় ভাবিও রান্না করুক। কিন্তু ভাবী রান্না বান্না একদমই জানে না।বিয়ের আগে ভাবীর বাবা মা বলেছিলেন এই কথা। আমরা আপত্তি করিনি। কারণ রান্নার লোক আছে বাসায়,তাছাড়া আমিও আহামরি কোনো রান্না বা কাজ জানিনা। ভাবি আমাদের মতোই স্বচ্ছল পরিবারের মেয়ে।
ভাবি ওয়েস্টার্ন পরলে মা রাগ
করে। কিন্তু বাড়িতে কখনোও পরে না,পরলেও বাইরে ভাইয়ার সাথে বেড়াতে গেলে পরে। ফেসবুকে ভাইয়ের সাথে সেই ছবি দেখে মা রেগে আগুন হয়ে যায়।
ভাবী দেরীতে ঘুম থেকে উঠলে মা ভাইয়ার রুমে নক করে। ভাই ভাবী লজ্জায় কিছু বলে না। কিন্তু আমি জেগে থাকলে মা কে বাঁধা দেই। কিন্তু আমি ঘুমিয়ে থাকলে মা তখনই এই কাজগুলো করে। ভাবী দেখতে বেশ সুন্দরী হলেও মা প্রায়ই আমার সাথে তুলনা করে ভাবীর খুঁত ধরে। এতে আমি ভাবীর সামনে লজ্জায় পড়ে যাই।এমন অনেক কিছুই করে যা আসলে করা উচিৎ নয়।
আমার বিয়ের কথা চলছে। ভাবছি আমার বিয়ে হলে মা আরো একা হয়ে যাবে,তখন ভাবীর সাথে কি না কি করে!
আমিও থাকবো না বোঝানোর জন্য। আমার মা আগে এমন ছিলো না। খুব ভদ্র ও শিক্ষিত মানুষ উনি। কখনো কারো সাথে ঝগড়াও হয়নি। কিন্তু ভাইয়ের বিয়ের পরে এমনভাবে বদলে যাবে ভাবতে পারিনি। আমি চাইনা আমার এমন ভালো মা একজন খারাপ শাশুড়ি হয়ে যাক। চাইনা এমন শান্ত হাসিখুশি ভাবীটা ঝগড়াটে হয়ে যাক। এমন অবস্থায় মা কে কিভাবে বুঝিয়ে ভাই ভাবীর মাঝখানে ঝামেলা করা থেকে মা কে দূরে রাখতে পারি?
মা কখনো আলাদা থাকবে না। ভাইয়াও মা কে অনেক ভালোবাসে,ভাবিকেও ভালোবাসে।
কিভাবে মা বুঝতে পারবে নিজের ভুলগুলো?

হতাশা, দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতায় আপনার মানসিক সাপোর্ট দিতে আছে Chupkotha । পেশাদার কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্টরা, শুধুমাত্র শুন...
24/06/2025

হতাশা, দুশ্চিন্তা, উদ্বিগ্নতায় আপনার মানসিক সাপোর্ট দিতে আছে Chupkotha । পেশাদার কাউন্সেলিং সাইকোলজিস্টরা, শুধুমাত্র শুনতে চায় আপনার না বলা কথাগুলো।
আপনি কখন কথা বলতে চান, আমাদের মেসেজে জানান প্লিজ

Address

Dhaka
1216

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ChupKotha - Mental Support Helpline posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share