01/10/2026
আপনি যদি ফ্যাটি লিভারের পেশেন্ট হয়ে থাকেন তবে এই খাবারগুলো এড়িয়ে চলবেন!
১)ফল: ফল অবশ্যই একটি আদর্শ খাবার তবে ফলের জুস ফ্যাটি লিভারের পেশেন্ট দের জন্য একপ্রকার শত্রু বলা চলে।ফল থেকে আসা ফ্রুক্টোজ মূলত লিভারে গিয়ে প্রসেস হয়।যা অল্প মাত্রায় হলে লিভার প্রসেস করতে পারে তবে তা বেশি মাত্রায় হয়ে গেলে লিভার তা মেটাবোলাইজ করে পুনরায় ফ্যাট হিসেবে জমা করে।এর ফলে ফ্যাটি লিভার বাড়তে পারে এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সও বাড়তে পারে।ফলের জুস একদমই কম খাবেন।খুব বেশি ইচ্ছে করলে গোটা বা পুরো ফল মাঝে মাঝে খেতে পারেন।
২) রিফাইন্ড কার্বোহাইড্রেট: অতিরিক্ত সাদা ভাত,সাদা পাউরুটি
ময়দার তৈরি খাবার(পরোটা,নান,পেস্ট্রি),বেকারির খাবার।
এগুলো দ্রুত রক্তে শর্করা বাড়ায়, ফলে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ও লিভারে চর্বি জমার ঝুঁকি বাড়তে পারে।
৩) অতিরিক্ত চিনি ও মিষ্টি জাতীয় খাবার:কোমল পানীয়
প্যাকেটজাত জুস,কেক, পেস্ট্রি, ডোনাট ইত্যাদি। এগুলোতে প্রচুর Added Sugar থাকে,যা লিভারে অতিরিক্ত চর্বি জমার ঝুঁকি বাড়াতে পারে।
৪)অতিরিক্ত তেলে ভাজা খাবার ও ফাস্ট ফুড:
*ফ্রেঞ্চ ফ্রাই
*ফ্রাইড চিকেন বার্গার,
*পিজ্জা
*চিপস
৫)প্রসেসড মাংস:
* সসেজ
* সালামি
* নাগেটস
* প্রসেসড মিট
৬)অতিরিক্ত অ্যালকোহল:অ্যালকোহল লিভারের ক্ষতি আরও বাড়াতে পারে,তাই সম্পূর্ণ এড়িয়ে চলবেন।
ফ্যাটি লিভার থাকলে খাদ্যতালিকায় বেশি রাখুন-
প্রচুর শাকসবজি,whole grain(লাল চাল,ব্রাউন রাইস,ওটস)স্বাস্থ্যকর প্রোটিন(মাছ, ডিম, ডাল)এবংGood fats(বাদাম,সীডস,অলিভ অয়েল)
নিয়মিত ব্যায়াম করুন, পর্যাপ্ত পানি পান করুন এবং প্রয়োজনে শরীরের ওজন ৫–১০% কমানোর চেষ্টা করুন।এই পরিবর্তনগুলোই ফ্যাটি লিভার নিয়ন্ত্রণে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।
কানিজ আলম
নিউট্রিশন&ডায়েট কনসালটেন্ট
বি.এস.সি(অনার্স), এম.এস.সি ( খাদ্য ও পুষ্টিবিজ্ঞান) ঢাবি,
সিএনডি (বাংলাদেশ মেডিকেল কলেজ&হাসপাতাল),নিউট্রিশনিস্ট (Health Revolution)
আপনার personalised ডায়েট প্ল্যানের জন্য ইনবক্স করুন।
゚