Dr. Md Rakibul Islam

Call Directions Contact the practice

Dr. Md Rakibul Islam Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Md Rakibul Islam, Doctor, Dhaka.

Evidence-Based Health | Nutrition | Lifestyle Medicine | Exercise | Stable Mind with Stable Soul.
বিজ্ঞানভিত্তিক স্বাস্থ্য, পুষ্টি ও জীবনধারা
রোগের মূল কারণ খুঁজে সুস্থ জীবনের পথে, ইনশাআল্লাহ।

ফ্যাটি লিভার হলে কি তেল-চর্বি পুরোপুরি বাদ দিতে হবে?অনেকেই এখনও মনে করেন, ফ্যাটি লিভার মানেই তেল-চর্বি একেবারে নিষিদ্ধ। ...
23/08/2026

ফ্যাটি লিভার হলে কি তেল-চর্বি পুরোপুরি বাদ দিতে হবে?

অনেকেই এখনও মনে করেন, ফ্যাটি লিভার মানেই তেল-চর্বি একেবারে নিষিদ্ধ। কিন্তু আধুনিক নিউট্রিশন সায়েন্স আমাদের ভিন্ন কথা বলছে।

গবেষণায় দেখা গেছে, লিভারে জমা হওয়া চর্বির (Fatty Liver) সাথে খাদ্য থেকে সরাসরি খাওয়া চর্বির সম্পর্ক খুবই সীমিত। বরং অতিরিক্ত চিনি, ফ্রুক্টোজ, সফট ড্রিংকস, প্রসেসড কার্বোহাইড্রেট এবং ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ফ্যাটি লিভারের প্রধান চালিকাশক্তি।

ফ্যাটি লিভারে কোন তেলগুলো ভালো হতে পারে?

✅ ১. এক্সট্রা ভার্জিন অলিভ অয়েল (Extra Virgin Olive Oil)

ওমেগা-৯ ফ্যাটি এসিডে সমৃদ্ধ
শক্তিশালী অ্যান্টি-ইনফ্ল্যামেটরি বৈশিষ্ট্য রয়েছে
মেটাবলিক স্বাস্থ্য ও লিভার ফাংশন উন্নত করতে সহায়ক
মেডিটেরেনিয়ান ডায়েটের অন্যতম প্রধান উপাদান

✅ ২. ওমেগা-৩ সমৃদ্ধ ফিশ অয়েল (EPA & DHA)

লিভারের প্রদাহ কমাতে সাহায্য করতে পারে
ট্রাইগ্লিসারাইড কমাতে কার্যকর
ফ্যাটি লিভার রোগীদের ক্ষেত্রে পর্যাপ্ত EPA ও DHA গ্রহণ গুরুত্বপূর্ণ
সাপ্লিমেন্ট নেওয়ার আগে লেবেলে EPA ও DHA-এর পরিমাণ দেখে নিন

✅ ৩. এক্সট্রা ভার্জিন কোকোনাট অয়েল

MCT (Medium Chain Triglycerides) সমৃদ্ধ
লো-কার্ব বা কিটোজেনিক ডায়েটে শক্তির ভালো উৎস
সঠিক ডায়েটারি প্রেক্ষাপটে ব্যবহার করলে উপকারী হতে পারে
ঘি ও মাখন কি খাওয়া যাবে?

যদি আপনার খাদ্যাভ্যাসে—
✔ অতিরিক্ত চিনি না থাকে
✔ সফট ড্রিংকস ও প্রসেসড ফুড বাদ থাকে
✔ কার্বোহাইড্রেট নিয়ন্ত্রিত থাকে
✔ ওজন ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্সের দিকে নজর রাখা হয়

তাহলে পরিমিত পরিমাণে ঘি ও মাখন অনেক ক্ষেত্রেই খাদ্যতালিকায় রাখা যেতে পারে।

মনে রাখুন

ফ্যাটি লিভারের চিকিৎসা শুধু “তেল কমানো” নয়। মূল লক্ষ্য হওয়া উচিত—

🔹 ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমানো
🔹 চিনি ও ফ্রুক্টোজ নিয়ন্ত্রণ করা
🔹 ওজন স্বাভাবিক রাখা
🔹 পর্যাপ্ত প্রোটিন গ্রহণ করা
🔹 নিয়মিত শারীরিক কার্যক্রম বজায় রাখা

ফ্যাটি লিভারের আসল শত্রু অনেক সময় তেল নয়, বরং অতিরিক্ত চিনি ও প্রসেসড কার্বোহাইড্রেট।
Dr. Md Rakibul Islam

ভিটামিন D-এর সাথে কি সবারই ম্যাগনেসিয়াম খেতে হবে?সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি বক্তব্য খুব জনপ্রিয় হয়েছে— “ম্...
22/08/2026

ভিটামিন D-এর সাথে কি সবারই ম্যাগনেসিয়াম খেতে হবে?

সাম্প্রতিক সময়ে সামাজিক মাধ্যমে একটি বক্তব্য খুব জনপ্রিয় হয়েছে— “ম্যাগনেসিয়াম ছাড়া ভিটামিন D কাজ করে না” অথবা “ভিটামিন D খেলেই ম্যাগনেসিয়াম ও K2 অবশ্যই খেতে হবে।” চিকিৎসাবিজ্ঞানের বর্তমান প্রমাণ অনুযায়ী বিষয়টি এতটা সরল নয়।

প্রথমেই একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় পরিষ্কার করা দরকার।

ভিটামিন D শোষিত (absorb) হওয়ার জন্য ম্যাগনেসিয়াম বাধ্যতামূলক নয়। ভিটামিন D একটি fat-soluble vitamin, তাই এর শোষণ মূলত অন্ত্রের স্বাস্থ্য, পিত্তরস (bile) এবং খাদ্যে পর্যাপ্ত চর্বির উপস্থিতির উপর নির্ভর করে। তবে ম্যাগনেসিয়াম ভিটামিন D-এর সক্রিয়করণ (activation) এবং বিপাকীয় কার্যক্রমে (metabolism) গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। লিভার ও কিডনিতে ভিটামিন D-কে সক্রিয় রূপে রূপান্তরিত করার জন্য যেসব এনজাইম কাজ করে, সেগুলোর অনেকগুলোই ম্যাগনেসিয়াম-নির্ভর।

এখানেই সবচেয়ে বড় ভুল বোঝাবুঝির জন্ম হয়।

ম্যাগনেসিয়াম ভিটামিন D-এর কার্যকারিতায় ভূমিকা রাখে মানেই এই নয় যে প্রত্যেক মানুষকে ভিটামিন D-এর সাথে আলাদা করে ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্ট খেতেই হবে।

মানবদেহে ম্যাগনেসিয়ামের নিজস্ব একটি রিজার্ভ বা body pool রয়েছে। শরীর প্রয়োজন অনুযায়ী এই ম্যাগনেসিয়াম ব্যবহার করতে পারে। তাই শুধুমাত্র ভিটামিন D শুরু করার কারণে সবার জন্য রুটিন ম্যাগনেসিয়াম সাপ্লিমেন্টেশন বাধ্যতামূলক—এমন কোনো শক্তিশালী ক্লিনিক্যাল গাইডলাইন বর্তমানে নেই।

আরেকটি বিষয় হলো, ম্যাগনেসিয়াম ডেফিসিয়েন্সি, ভিটামিন D ডেফিসিয়েন্সি, ভিটামিন B-গ্রুপের কিছু ঘাটতি, পটাসিয়াম ঘাটতি কিংবা অন্যান্য পুষ্টিগত সমস্যার উপসর্গের মধ্যে উল্লেখযোগ্য মিল থাকতে পারে। ফলে শুধুমাত্র লক্ষণ দেখে সবসময় সুনির্দিষ্ট কারণ নির্ধারণ করা সহজ নয়। অনেক ক্ষেত্রেই প্রয়োজন হয় ক্লিনিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট, খাদ্যাভ্যাস বিশ্লেষণ এবং কখনো কখনো বায়োকেমিক্যাল পরীক্ষার।

বাস্তবে ম্যাগনেসিয়াম ডেফিসিয়েন্সি মূল্যায়ন করাও সহজ নয়। কারণ রক্তে স্বাভাবিক magnesium level থাকলেও শরীরের মোট ম্যাগনেসিয়াম স্টোর কম থাকতে পারে। তাই একজন রোগীর প্রকৃত অবস্থা বুঝতে শুধু একটি রিপোর্ট নয়, পুরো ক্লিনিক্যাল প্রেক্ষাপট বিবেচনা করতে হয়।

তাহলে করণীয় কী?

যদি আপনার লক্ষ্য শুধু ভিটামিন D-এর ঘাটতি পূরণ করা হয়, তাহলে চিকিৎসক বা পুষ্টিবিদের পরামর্শ অনুযায়ী ভিটামিন D গ্রহণ করাই সাধারণত যথেষ্ট। পরবর্তীতে দেখা গেলে যে পর্যাপ্ত ডোজ নেওয়ার পরও ভিটামিন D-এর মাত্রা প্রত্যাশামতো বাড়ছে না, অথবা মাত্রা বাড়লেও উপসর্গের উন্নতি হচ্ছে না, তখন ম্যাগনেসিয়ামসহ অন্যান্য পুষ্টি উপাদানের মূল্যায়ন বিবেচনা করা যেতে পারে। বিশেষ করে যারা ভিটামিন D সাপ্লিমেন্টেশনে প্রত্যাশিত সাড়া পান না, তাদের ক্ষেত্রে ম্যাগনেসিয়াম ডেফিসিয়েন্সি একটি সম্ভাব্য কারণ হতে পারে।

চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি মৌলিক নীতি হলো:

“Treat the patient, not the trend.”

সোশ্যাল মিডিয়ার ট্রেন্ড নয়, রোগীর ক্লিনিক্যাল অবস্থা, খাদ্যাভ্যাস, রোগ-ইতিহাস এবং প্রয়োজনীয় পরীক্ষার ফলাফলের ভিত্তিতেই সিদ্ধান্ত নেওয়া উচিত যে ভিটামিন D-এর সাথে ম্যাগনেসিয়াম বা অন্য কোনো সাপ্লিমেন্টের প্রয়োজন আছে কি না।

Evidence first. Opinion later.
Dr. Md Rakibul Islam

ম্যাগনেসিয়াম ঘাটতি: কেন শুধু রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া সবসময় যথেষ্ট নয়ম্যাগনেসিয়াম আমাদের শরীরের অ...
21/08/2026

ম্যাগনেসিয়াম ঘাটতি: কেন শুধু রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে সিদ্ধান্ত নেওয়া সবসময় যথেষ্ট নয়
ম্যাগনেসিয়াম আমাদের শরীরের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ মিনারেল। এটি ৩০০-এরও বেশি বায়োকেমিক্যাল বিক্রিয়ায় অংশগ্রহণ করে এবং হৃদযন্ত্র, মস্তিষ্ক, পেশী, স্নায়ুতন্ত্র, হাড়ের স্বাস্থ্য ও রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। অথচ বাস্তবতা হলো, ম্যাগনেসিয়াম ঘাটতি নির্ণয় করা অনেক সময় চিকিৎসাবিজ্ঞানের একটি চ্যালেঞ্জিং বিষয়।
অনেকেই মনে করেন, রক্ত পরীক্ষায় ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা স্বাভাবিক থাকলে শরীরে কোনো ঘাটতি নেই। কিন্তু বিষয়টি এতটা সরল নয়।
শরীরের মোট ম্যাগনেসিয়ামের প্রায় ৬০% থাকে হাড়ে, প্রায় ৩৯% থাকে কোষের ভেতরে এবং বিভিন্ন অঙ্গ-প্রত্যঙ্গে—বিশেষ করে মস্তিষ্ক, হৃদযন্ত্র ও অ্যাড্রেনাল গ্রন্থিতে। রক্তের সিরামে থাকে মাত্র প্রায় ০.৩% ম্যাগনেসিয়াম। অথচ সাধারণ ল্যাব পরীক্ষায় আমরা মূলত এই ক্ষুদ্র অংশটুকুই পরিমাপ করি।
এখানেই মূল সীমাবদ্ধতা।
শরীর অত্যন্ত দক্ষতার সঙ্গে রক্তে ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রা স্থিতিশীল রাখার চেষ্টা করে, কারণ এই মাত্রা কমে গেলে হৃদযন্ত্র ও স্নায়ুতন্ত্রের স্বাভাবিক কার্যক্রম ব্যাহত হতে পারে। ফলে দীর্ঘদিন ধরে শরীরের কোষ বা হাড়ে ম্যাগনেসিয়ামের ঘাটতি থাকলেও রক্তের রিপোর্ট অনেক সময় স্বাভাবিক দেখা যেতে পারে।
অর্থাৎ, স্বাভাবিক সিরাম ম্যাগনেসিয়াম রিপোর্ট সবসময় শরীরের মোট ম্যাগনেসিয়াম অবস্থা প্রতিফলিত করে না।
তবে কিছু বিশেষ পরিস্থিতিতে—যেমন অনিয়ন্ত্রিত উচ্চ রক্তে শর্করা, দীর্ঘমেয়াদি উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ, গুরুতর পরিপাকতন্ত্রের সমস্যা বা কিছু ওষুধের দীর্ঘমেয়াদি ব্যবহারে—রক্তের ম্যাগনেসিয়ামের মাত্রাও কমে যেতে পারে। তখন ঘাটতি পরীক্ষায় ধরা পড়ার সম্ভাবনা বেশি থাকে।
চিকিৎসাবিজ্ঞানে তাই শুধু ল্যাব রিপোর্ট নয়, রোগীর উপসর্গ, খাদ্যাভ্যাস, জীবনযাপন এবং ঝুঁকিপূর্ণ কারণগুলোও মূল্যায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ।
ম্যাগনেসিয়াম ঘাটতির সঙ্গে যেসব উপসর্গ প্রায়ই সম্পর্কিত দেখা যায়, তার মধ্যে রয়েছে—
পেশীতে টান ধরা বা ক্র্যাম্প
সারাক্ষণ ক্লান্তি বা দুর্বলতা
ঘুমের সমস্যা
উদ্বেগ ও অস্থিরতা
মাইগ্রেইন বা মাথাব্যথা
হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া
কোষ্ঠকাঠিন্য
উচ্চ রক্তচাপ
রক্তে শর্করা নিয়ন্ত্রণে অসুবিধা
হাড়ের দুর্বলতা
অবশ্যই মনে রাখতে হবে, এসব উপসর্গের পেছনে অন্য কারণও থাকতে পারে। তাই নিজে নিজে সিদ্ধান্ত না নিয়ে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়াই সর্বোত্তম।
গবেষণায় দেখা গেছে, যাদের খাদ্যতালিকায় পর্যাপ্ত ম্যাগনেসিয়াম নেই বা যাদের প্রকৃত ঘাটতি রয়েছে, তারা ম্যাগনেসিয়ামসমৃদ্ধ খাবার এবং চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সাপ্লিমেন্ট গ্রহণ করলে অনেক ক্ষেত্রে উপসর্গের উন্নতি অনুভব করতে পারেন।
সুতরাং, শুধুমাত্র একটি স্বাভাবিক রক্ত পরীক্ষার রিপোর্ট দেখে ম্যাগনেসিয়াম ঘাটতির সম্ভাবনাকে সম্পূর্ণভাবে উড়িয়ে দেওয়া উচিত নয়। আবার কোনো উপসর্গ থাকলেই যে নিশ্চিতভাবে ম্যাগনেসিয়াম ঘাটতি রয়েছে, সেটাও ধরে নেওয়া ঠিক নয়।
সঠিক পদ্ধতি হলো—বৈজ্ঞানিক মূল্যায়ন, ক্লিনিক্যাল পর্যবেক্ষণ, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষা এবং খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাত্রার যথাযথ সংশোধনের মাধ্যমে সমস্যার মূল কারণ খুঁজে বের করা।
স্বাস্থ্যসেবায় ভালো সিদ্ধান্তের ভিত্তি হলো তথ্য, পর্যবেক্ষণ এবং যুক্তিনির্ভর চিকিৎসা—শুধু রিপোর্ট নয়, পুরো মানুষটিকে মূল্যায়ন করা।
Dr. Md Rakibul Islam

28/03/2024
18/09/2023

★যে ঈমান আপনাকে ফজরের ওয়াক্তে ঘুম ভাঙায় না উল্টো ঘুম পাড়ায়।

★যে ঈমান আপনার মুখে দাড়ি গজায় না উল্টো দাড়ি কাটায়।

★যে ঈমান আপনার টাকনুর নিচের কাপড় কাটতে পারল না।

★যে ঈমান আপনাকে ওয়াক্তমত জামাতে সালাত পড়াতে পারল না কাজের চাপে।

★যে ঈমান নারীকে রাজরানী থেকে চাকরানী হতে বাঁধা দিল না।

★যে ঈমান রাতের আঁধারে গোপন পাপ রুখতে পারল না।

★যে ঈমান আপনাকে পর্দা করাতে ব্যর্থ সমাজের চাপে।

★যে ঈমান আপনার প্রবৃত্তিকে(মন) দমাতে ব্যর্থ প্রতিনিয়ত।

কি করে ভাবলেন এই ঈমান আপনাকে জান্নাতে পৌঁছে দিবে কোনমতে???

সত্যি আমরা কতোই না বোকা
পুরো দুনিয়াটাই ধোকা।

Dr.MR ISLAM Salafi

07/03/2023

হিজামার ইতিহাস

হিজামার ইতিহাস নিয়ে কথা হবে আজকে। হিজামা কাপিং থেরাপি নামেও পরিচিত। এই প্রাচীন চিকিৎসা পদ্ধতিটা ৫,০০০ বছরেরও বেশি সময় ধরে ব্যবহার করা হয়েছে এবং এটি ইতিহাস জুড়ে বিভিন্ন সংস্কৃতিতে চিকিৎসার একটি অবিচ্ছেদ্য অংশ হিসেবেই লিপিবদ্ধ হয়েছে।

হিজামার উৎপত্তি খুঁজতে গেলে ফিরে যেতে হয় প্রাচীন মিশরে। মিশরীয় সভ্যতায় অবিচ্ছেদ্যভাবে মিশে আছে এই চিকিৎসা পদ্দতির নাম। এটি বিভিন্ন রোগ নিরাময়ের চিকিৎসা হিসেবে ব্যবহৃত হত।

প্রাচীন গ্রীসেও প্রচলিত ছিল কাপিং থেরাপি। গ্রীসে এটি বিখ্যাত গ্রীক চিকিৎসক হিপোক্রেটিস এর নামানুসারে "হিপোক্রেটিক কাপিং" নামে পরিচিত ছিল। তিনি এটি বিভিন্ন রোগের চিকিৎসার জন্য ব্যবহার করেছিলেন।

ইসলামী বিশ্বে, হিজামা মহানবী মুহাম্মদ (সাঃ) এর সময়ে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করেছিল। যিনি নিজেও এর মাধ্যমে চিকিৎসা করেছিলেন এবং অসংখ্য স্বাস্থ্য সমস্যার প্রতিকার হিসাবে তার অনুসারীদের কাছে এটি সুপারিশ করেছিলেন। তাঁর কাজ ও কথা মুসলিমদের কাছে নিজের জীবনের চেয়ে দামী। তাই, হিজামা/কাপিং ইসলামী চিকিৎসার একটি অপরিহার্য অংশ হয়ে উঠেছিল। এবং এটি বহু শতাব্দী ধরে মুসলিম পন্ডিত এবং চিকিৎসকদের দ্বারা ব্যাপকভাবে প্র্যাকটিস করা হয়েছে।

মধ্যযুগে, কাপিং থেরাপি ইউরোপে প্রবর্তিত হয়েছিল বিখ্যাত চিকিৎসক অ্যাভিসেনা বা, ইবনে সিনা এর মাধ্যমে। তিনি একজন মুসলিম পণ্ডিত ও চিকিৎসা বিজ্ঞানী ছিলেন। চিকিৎসাশাস্ত্রে অ্যাভিসেনার কাজ অত্যন্ত প্রভাবশালী ছিল এবং তাকে চিকিৎসার ইতিহাসে সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিত্ব হিসেবে গণ্য করা হয়।

১৯ শতকে, হিজামা পশ্চিমা বিশ্বে ফরাসি চিকিৎসক ড. চার্লস-এডুয়ার্ড ব্রাউন-সিকার্ড দ্বারা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। ডাঃ চার্লস মাথাব্যথা, বাত এবং এমনকি যক্ষ্মা সহ বিভিন্ন রোগের জন্য তার রোগীদের চিকিৎসা করার জন্য এই পদ্ধতি ব্যবহার করেছিলেন। কাপিং থেরাপি ইউরোপীয় এবং আমেরিকান চিকিৎসকদের মধ্যে জনপ্রিয় হয়ে ওঠে এবং ২০ শতক পর্যন্ত এটি ব্যাপকভাবে চিকিৎসা হিসাবে ব্যবহৃত হত।

আধুনিক সময়ে, হিজামা একটি পরিপূরক এবং বিকল্প ঔষধ হিসাবে একটি পুনরুত্থান করেছে। ব্যথা উপশম, প্রদাহ এবং স্ট্রেস ম্যানেজমেন্টের মতো বিভিন্ন স্বাস্থ্য অবস্থার জন্য প্রাকৃতিক প্রতিকার খোঁজার লোকদের মধ্যে এটি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছে। কাপিং মূলধারার চিকিৎসা প্রতিষ্ঠান থেকেও স্বীকৃতি লাভ করেছে। কিছু গবেষণায় কিছু স্বাস্থ্য অবস্থার চিকিৎসায় এর কার্যকারিতা প্রমাণ করে।

উপসংহারে, হিজামার ইতিহাস হাজার হাজার বছর ধরে থেরাপিউটিক প্র্যাকটিস হিসাবে এর জনপ্রিয়তার একইভাবে রয়েছে। যদিও অনুশীলনটি সময়ের সাথে সাথে পরিবর্তন এবং অভিযোজনের মধ্য দিয়ে গেছে, এর মৌলিক নীতিগুলি একই রয়ে গেছে।

হাজার বছরের পুরানো এই চিকিৎসা পদ্ধতি ও সর্বাধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতির মিশেলে আপনার অসুস্থটার কার্যকর সমাধান দিতে কাজ করে যাচ্ছে ডক্টর্স কাপিং কর্নারের ডাক্তাররা। যারা ডাক্তার হিসেবে যেমন দক্ষ ও অভিজ্ঞ, তেমনি একই ভাবে কাপিং থেরাপি নিয়েও অগাধ জ্ঞান রাখেন ও চর্চা করেন। আপনার অসুস্থতার সমাধানে এর থেকে ভালো অপশান আর কি হতে পারে?

এপয়েন্টমেন্টের জন্য কল করুনঃ 01775565572

লেখাটি ভালো লাগলে শেয়ার দিয়ে দিন এখনই।

, , , ,

Address

Dhaka
1216

Telephone

+8801971833902

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Md Rakibul Islam posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Md Rakibul Islam:

Shortcuts

Share

Category