Nutritionist Tanzin Tababy

Directions

Nutritionist Tanzin Tababy Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Nutritionist Tanzin Tababy, Doctor, AR Tower (8th floor), 24 Kamal Ataturk Avenue, Banani, Dhaka.

Nutrition Consultant
PCOS & Hormonal Health • Gut Health • Metabolic Health |
Personalized Nutrition for Sustainable Wellness
📩 Book Your Consultation

অনেকেই জানতে চান,“আপু, আপনিও কি ডায়েট মেনে চলেন? সাপ্লিমেন্ট নেন?” তাদের জন্য আজকের এই ছবি! জি, আমিও নিজের খাবার, ঘুম, আ...
12/10/2026

অনেকেই জানতে চান,
“আপু, আপনিও কি ডায়েট মেনে চলেন? সাপ্লিমেন্ট নেন?”

তাদের জন্য আজকের এই ছবি!

জি, আমিও নিজের খাবার, ঘুম, আর লাইফস্টাইলের দিকে খেয়াল রাখার চেষ্টা করি। আর হ্যাঁ, প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু সাপ্লিমেন্টও নিই।

তবে একটা কথা মনে রাখবেন নিউট্রিশনিস্ট হলেও আমি কিন্তু সবকিছু পারফেক্টভাবে করতে পারি না । চেষ্টা করি শরীরের প্রয়োজন বুঝে ভালো অভ্যাসগুলো ধরে রাখার।

আর সাপ্লিমেন্টের ক্ষেত্রে? সব সাপ্লিমেন্ট সবার জন্য নয়। কোনটা প্রয়োজন, কতটুকু প্রয়োজন সেটা নির্ভর করে ব্যক্তির খাদ্যাভ্যাস, শারীরিক অবস্থা ও প্রয়োজনের ওপর।

নিজের যত্ন নেওয়া কোনো ট্রেন্ড নয়, এটা একটা অভ্যাস।

আচ্ছা, এবার আপনারা বলুন আমাকে নিয়ে আপনাদের আর কী কী প্রশ্ন আছে? কমেন্টে জানাতে পারেন আপনারাও কে কি সাপ্লিমেন্ট নিচ্ছেন কি কি অভ্যাসের পরিবর্তন করছেন নিজেকে ভালো রাখতে ।

আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই দেখা যায়“এই জুস ৭ দিনে লিভার পরিষ্কার করবে!”“এই হারবাল টি খেলেই লিভারের সব টক্সিন বের হ...
11/10/2026

আজকাল সোশ্যাল মিডিয়ায় প্রায়ই দেখা যায়
“এই জুস ৭ দিনে লিভার পরিষ্কার করবে!”
“এই হারবাল টি খেলেই লিভারের সব টক্সিন বের হয়ে যাবে!”
শুনতে খুব ভালো লাগে। কিন্তু প্রশ্ন হলো লিভার কি সত্যিই এত নোংরা হয়ে যায়, যেটাকে মাঝে মাঝে ধুয়ে পরিষ্কার করতে হয়?
উত্তর হলো “না”।
ধরুন, আপনার বাসায় প্রতিদিন একজন পরিচ্ছন্নতাকর্মী এসে সব ময়লা পরিষ্কার করে, ডাস্টবিন খালি করে চলে যায়। তাহলে কি প্রতিদিন আবার সেই ডাস্টবিন পরিষ্কার করার জন্য আরেকজনকে ডাকতে হবে?
আমাদের লিভারও ঠিক এমনই। লিভার আমাদের শরীরের নিজস্ব “পরিষ্কারক কর্মী”। প্রতিদিন, ২৪ ঘণ্টা এটি রক্ত থেকে ওষুধের অবশিষ্টাংশ, অ্যালকোহল, শরীরে তৈরি হওয়া বর্জ্য পদার্থ এবং অন্যান্য ক্ষতিকর রাসায়নিককে এমনভাবে পরিবর্তন করে, যাতে সেগুলো প্রস্রাব বা পায়খানার মাধ্যমে শরীর থেকে বের হয়ে যেতে পারে। অর্থাৎ, ডিটক্স করাই লিভারের স্বাভাবিক কাজ।
তাহলে ডিটক্স জুস বা হারবাল টি কী করে?
এ পর্যন্ত হওয়া গবেষণায় এমন কোনো শক্ত প্রমাণ পাওয়া যায়নি যে কোনো ডিটক্স জুস বা টি লিভারকে “পরিষ্কার” করে বা তার কাজ বাড়িয়ে দেয়।
অনেকে বলেন, “ডিটক্স জুস খাওয়ার পর শরীর অনেক হালকা লাগে।” এটি হতে পারে। কিন্তু এর কারণ সাধারণত জুস নয়। কারণ ডিটক্স করার সময় মানুষ একসঙ্গে সফট ড্রিংক, ফাস্ট ফুড, অতিরিক্ত চিনি ও তেল-চর্বিযুক্ত খাবার কমিয়ে দেন, বেশি পানি পান করেন এবং কিছুটা নিয়ম মেনে চলেন। ফলে শরীর ভালো লাগতে শুরু করে। এই পরিবর্তনের কৃতিত্ব স্বাস্থ্যকর অভ্যাসের, ডিটক্স জুসের নয়।
বরং একটি বিষয় মনে রাখা জরুরি
সব হারবাল টি নিরাপদ নয়। বিশ্বজুড়ে এমন অনেক ঘটনার তথ্য রয়েছে, যেখানে কিছু ভেষজ সাপ্লিমেন্ট বা ডিটক্স টি খাওয়ার পর মানুষের লিভারের ক্ষতি হয়েছে। তাই চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া এসব পণ্য নিয়মিত খাওয়া ঠিক নয়।
তাহলে ফ্যাটি লিভার হলে কী করবেন?
এখানেই সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা। ফ্যাটি লিভার মানে লিভারে টক্সিন জমে যায় না।
ফ্যাটি লিভার হয় যখন লিভারের কোষে ধীরে ধীরে অতিরিক্ত চর্বি জমতে থাকে। এর সঙ্গে বেশি সম্পর্ক রয়েছে
ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স
ওজন বৃদ্ধি
অতিরিক্ত চিনি ও আল্ট্রা-প্রসেসড খাবার
উচ্চ ট্রাইগ্লিসারাইড
কোনও রকম ব্যায়াম না করা
তাই ফ্যাটি লিভারের সমাধান কোনো ডিটক্স জুস নয়।
এবার আসি গবেষণা কী বলছে?
বিশ্বের বড় বড় লিভার বিশেষজ্ঞ সংস্থা এবং গবেষণাগুলো বলছে, লিভার ভালো রাখতে সবচেয়ে কার্যকর উপায় হলো
✔️ ওজন বেশি থাকলে ধীরে ধীরে কমানো
✔️ নিয়মিত হাঁটা ও সপ্তাহে ২–৩ দিন স্ট্রেংথ ট্রেনিং করা
✔️ অতিরিক্ত চিনি ও কোমল পানীয় কমানো
✔️ পর্যাপ্ত প্রোটিন, শাকসবজি ও আঁশযুক্ত খাবার খাওয়া
✔️ ডায়াবেটিস, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ও ট্রাইগ্লিসারাইড নিয়ন্ত্রণে রাখা
মনে রাখবেন, লিভারকে “ডিটক্স” করার দরকার নেই। বরং এমন জীবনযাপন করুন, যাতে লিভারকে অতিরিক্ত চাপ নিয়ে কাজ করতে না হয়। কারণ লিভারের সবচেয়ে ভালো ডিটক্স হলো স্বাস্থ্যকর জীবনযাপন, কোনো জাদুকরী জুস বা চা নয়।

Tanzin Tababy
Nutritionist and Diet Consultant
Trained in Clinical Nutrition and Dietetics
Mindsheba

অনলাইন বা অফলাইন কনসালটেশন নিতে ইনবক্স করুন

সিম্পল ১০টি টিপস যা আপনার ইনস্যুলিন রেসিস্টেন্স রিভার্স করতে সাহায্য করবে । ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমাতে সবসময় কঠিন ডায়েট...
11/10/2026

সিম্পল ১০টি টিপস যা আপনার ইনস্যুলিন রেসিস্টেন্স রিভার্স করতে সাহায্য করবে ।

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স কমাতে সবসময় কঠিন ডায়েট দরকার হয় না। প্রতিদিনের ছোট ছোট অভ্যাসই বড় পরিবর্তন আনতে পারে।

খাবার, হাঁটা, ঘুম, ব্যায়াম ও স্ট্রেস এই অভ্যাস দিয়ে শুরু করুন আজ থেকেই।

Tanzin Tababy
Nutritionist and Diet Consultant
Trained in Clinical Nutrition and Dietetics
Mindsheba

অনলাইন বা অফলাইন কনসালটেশন নিতে ইনবক্স করুন

পরপর দুবার ৪–৫ মাসে প্রেগন্যান্সি লস। ৩২ বছর বয়সী তনিমা আপুর গল্পটা বলি আজকে। প্রথমবার প্রায় ৪ মাসে, আর দ্বিতীয়বার প্রায়...
09/10/2026

পরপর দুবার ৪–৫ মাসে প্রেগন্যান্সি লস।

৩২ বছর বয়সী তনিমা আপুর গল্পটা বলি আজকে। প্রথমবার প্রায় ৪ মাসে, আর দ্বিতীয়বার প্রায় ৫ মাসে। দুবারই প্রেগন্যান্সি লসের শিকার হন আপু। আপুর কথায়, দুবারই গর্ভের শিশুর বৃদ্ধি ভালো ছিল। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সন্তানকে আর ধরে রাখতে পারেননি।

তবে আগে আপুর ওভারিতে সিস্ট ছিল। নিয়মিত অভ্যুলেশন হতো না, পিরিয়ডও অনিয়মিত ছিল। হরমোনাল ইমব্যালেন্স তো ছিলই সাথে অনেক বেশি ইনফ্লেমেশন। চিকিৎসকের পরামর্শে চিকিৎসা নিয়ে দুবারই গর্ভধারণ করেছিলেন। কিন্তু প্রতিবারই একই কষ্টের মধ্য দিয়ে যেতে হয়েছে আপুকে। পর পর দুবার এমন অভিজ্ঞতার পর চিকিৎসক আপুকে পরবর্তী গর্ভধারণের আগে ওজন কমানোর পরামর্শ দেন। পরেরবার প্রেগন্যান্সি হলে জরায়ুমুখে সেলাই দেওয়ার কথাও বলেন।

কিন্তু একটা প্রশ্ন থেকেই যায়- অভ্যুলেশন এর সমস্যা, হরমোনের সমস্যা কিংবা ওজন বেশি থাকলেই কি প্রেগন্যান্সি লস হয়? আর শুধু ওজন কমালেই কি সব সমস্যার সমাধান হবে?
বিষয়টা এত সহজ নয়।

আমার কাছে যখন আপু এলেন, প্রথম কনসালটেশনে তার আগের চিকিৎসার ইতিহাস শুনে আমরা কাজ শুরু করি।
আমাদের লক্ষ্য শুধু ওজন কমানো ছিল না। আমরা চেয়েছিলাম আপুর খাবার, জীবনযাপন এবং শরীরের সামগ্রিক অবস্থা বুঝে একটি উপযুক্ত পরিকল্পনা তৈরি করতে।

আপুর জন্য ডায়েট, ব্যায়াম এবং প্রয়োজন অনুযায়ী কিছু পুষ্টি উপাদানের সাপ্লিমেন্ট সাজেস্ট করি। সাথে তার পিল অফ করে দেই। তবে আপু শুরু থেকেই সবকিছু নিয়মিত করতে পারেননি। ডায়েট পুরোপুরি মেনে চলা হয়নি, কিছু সাপ্লিমেন্টও নিয়মিত নেওয়া হয়নি। তারপরও প্রথম দুই মাসে তার ওজন প্রায় ৩ কেজি কমে। ওজন কমার পরিমাণ আমাদের প্রত্যাশার তুলনায় কিছুটা কম ছিল। কিন্তু শরীরের বিভিন্ন জায়গার মাপ প্রায় ১.৫–২ ইঞ্চি কমেছিল। এখানে একটা বিষয় মনে রাখা জরুরি ওজন কমানোর অগ্রগতি শুধু দাঁড়িপাল্লার সংখ্যা দিয়ে বিচার করা যায় না। শরীরের মাপসহ অন্যান্য পরিবর্তনও দেখতে হয়।যেহেতু পিল অফ তাই পিরিয়ড হয়নি ২/৩ মাস তবে একবার স্পটিং হয়েছে। হরমোনাল
ইমব্যালেন্স ঠিক করতে ধর্য্য অনেক বড় ভূমিকা রাখে।

এবার দ্বিতীয় ফলোআপের সময় ।

এবার আপুর মেটাবলিক স্বাস্থ্য বোঝার জন্য ইনসুলিন-সম্পর্কিত পরীক্ষা করানো হয়। রিপোর্টে দেখা যায়, ফাস্টিং ইনসুলিন বেশি। আল্ট্রাসনোগ্রামেও গ্রেড ১ ফ্যাটি লিভার পাওয়া যায়। তবে এবার একটি ভালো খবরও ছিল আল্ট্রাসনোগ্রামে কোনো সিস্ট দেখা যায়নি। অবশ্য আগের সিস্ট আর এখন নেই বলে অভ্যুলেশন এর সমস্যা পুরোপুরি ঠিক হয়ে গেছে, এমনটা নিশ্চিত করে বলা যায় না।
সব রিপোর্ট ও আগের ইতিহাস বিবেচনা করে এবার ডায়েট আরও মডিফিকেশন করি এবং প্রয়োজন অনুযায়ী থেরাপিউটিক সাপ্লিমেন্টেশন শুরু করি।

সবচেয়ে আনন্দের খবরটা কী জানেন?

দীর্ঘদিন পিরিয়ড নিয়ে দুশ্চিন্তায় থাকা আপুর এবার কোনো রকম পিল ছাড়াই স্বাভাবিকভাবে পিরিয়ড হয়েছে। এটা আপুর জন্য অবশ্যই আনন্দের খবর।

আমরা আপুর খাদ্যাভ্যাস ও জীবনযাপনের পরিবর্তনের পাশাপাশি স্বাস্থ্যগত পরিবর্তনগুলোও পর্যবেক্ষণ করছি। তবে স্বাভাবিকভাবে পিরিয়ড হওয়া মানেই অভ্যুলেশন বা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স পুরোপুরি ঠিক হয়ে গেছে, এমন নয়। আপুর আরও কিছু ফলো আপ লাগবে। হরমোনাল প্রোফাইল চেক করতে হবে। টার্গেটেড ওয়েট নিয়ে প্রেগন্যান্সি প্ল্যান করতে হবে।

এই কেস থেকে আমাদের কী শেখার আছে?
অনেক নারী পিসিওএস, অনিয়মিত পিরিয়ড, ওজন বৃদ্ধি কিংবা ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স নিয়ে ভুগছেন। তাদের অনেকেই ভবিষ্যতে মা হতে পারবেন কি না, তা নিয়ে দুশ্চিন্তা করেন।
কিন্তু মনে রাখতে হবে, সন্তান ধারণের সক্ষমতা শুধু ওজনের ওপর নির্ভর করে না। এখানে হরমোন, অভ্যুলেশন, জরায়ু ও জরায়ুমুখের অবস্থা এবং অন্যান্য শারীরিক কারণও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

বিশেষ করে পরপর দুবার ৪–৫ মাসে প্রেগন্যান্সি লস হলে কিংবা আর্লি মিসক্যারেজ হলেও পরবর্তী গর্ভধারণের আগে বিস্তারিত পরীক্ষা করা প্রয়োজন।

তনিমা আপুর জন্য দোয়া করি, তিনি যেন সুস্থ থাকেন, প্রয়োজনীয় চিকিৎসা পান এবং ভবিষ্যতে তার মাতৃত্বের স্বপ্ন পূরণ হয়।

আপনারও কি পিসিওএস, অনিয়মিত পিরিয়ড বা ওজন নিয়ে সমস্যা হচ্ছে? নিজের শরীরের সমস্যাগুলো বুঝে সঠিক পুষ্টি পরিকল্পনা তৈরি করতে কনসালটেশন নিতে পারেন।

Tanzin Tababy
Nutritionist and Diet Consultant
Trained in Clinical Nutrition and Dietetics
Mindsheba

08/10/2026

মেটাবলিজম কি ?

আপনি কি জানেন সব পেটের চর্বি এক রকম নয়। সবচেয়ে ক্ষতিকর চর্বিটা অনেক সময় চোখেই দেখা যায় না।আমরা অনেকেই ভাবি, শুধু পেট বড় ...
07/10/2026

আপনি কি জানেন সব পেটের চর্বি এক রকম নয়। সবচেয়ে ক্ষতিকর চর্বিটা অনেক সময় চোখেই দেখা যায় না।
আমরা অনেকেই ভাবি, শুধু পেট বড় হলেই সমস্যা। কিন্তু এমন অনেক মানুষ আছেন, যাদের দেখতে খুব একটা মোটা লাগে না। কারণ আমাদের শরীরে এক ধরনের চর্বি আছে, যেটা ত্বকের নিচে নয় বরং পেটের ভেতরে লিভার, অগ্ন্যাশয় আর অন্ত্রের চারপাশে জমে। একে ভিসেরাল ফ্যাট বলা হয়। পেটের ভেতরে লুকিয়ে থাকা চর্বিটাই সবচেয়ে ক্ষতিকর। এই চর্বি শুধু জমে থাকে না। এটি শরীরে এমন কিছু রাসায়নিক বার্তা পাঠায়, যা প্রদাহ বা ইনফ্লেমেশন বাড়ায় এবং ইনসুলিনকে ঠিকমতো কাজ করতে দেয় না।
ফলে ধীরে ধীরে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, ফ্যাটি লিভার, টাইপ–২ ডায়াবেটিস, উচ্চ রক্তচাপ, হৃদরোগ এবং পিসিওএস এর ঝুঁকি বাড়তে পারে।
তবে ভালো খবর হলো, ভিসেরাল ফ্যাট কমানো সম্ভব।
✔️ পর্যাপ্ত প্রোটিন খান
✔️ সপ্তাহে অন্তত ২–৩ দিন স্ট্রেন্থ ট্রেনিং করুন
✔️ প্রতিদিন হাঁটুন বা শরীরচর্চা করুন
✔️ মিষ্টি ও অতিরিক্ত প্রসেসড খাবার কমান
✔️ ৭–৯ ঘণ্টা ভালো ঘুমান
মনে রাখবেন, শুধু ওজন কমানো নয় পেটের ভেতরের এই ক্ষতিকর চর্বি কমানোই দীর্ঘমেয়াদে সুস্থ থাকার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ লক্ষ্য।

Tanzin Tababy
Nutritionist and Diet Consultant
Trained in Clinical Nutrition and Dietetics
Mindsheba

“টেস্টোস্টেরন?”এই শব্দটা শুনলেই আমরা ধরে নিই এটা শুধু পুরুষদের হরমোন। কিন্তু যদি বলি, একজন নারীর শরীরে টেস্টোস্টেরন না থ...
06/10/2026

“টেস্টোস্টেরন?”

এই শব্দটা শুনলেই আমরা ধরে নিই এটা শুধু পুরুষদের হরমোন। কিন্তু যদি বলি, একজন নারীর শরীরে টেস্টোস্টেরন না থাকলে তার এনার্জি, লিবিডো, মাসল, এমনকি হাড়ের স্বাস্থ্যের ওপরও প্রভাব পড়তে পারে?

শুনতে অবাক লাগছে?
গতকালের ফটোকার্ডে আমরা দেখেছিলাম, পিসিওএস-এর ক্ষেত্রে ইনসুলিন, ইস্ট্রোজেন, প্রোজেস্টেরন এবং টেস্টোস্টেরনের ভারসাম্য নষ্ট হতে পারে। তখন অনেকেই প্রশ্ন করেছেন
“মেয়েদের শরীরে আবার টেস্টোস্টেরন কেন?”
প্রশ্নটা খুবই স্বাভাবিক। কারণ আমরা ছোটবেলা থেকেই টেস্টোস্টেরনকে “পুরুষের হরমোন” হিসেবেই জেনে এসেছি।

কিন্তু বাস্তবতা একটু ভিন্ন। আমরা যেগুলোকে সাধারণভাবে “পুরুষের হরমোন” বা “নারীর হরমোন” বলি, সেগুলো আসলে নারী-পুরুষ উভয়ের শরীরেই তৈরি হয়। পার্থক্য শুধু কোন হরমোন কত পরিমাণে থাকে এবং কীভাবে কাজ করে। যেমন, পুরুষদের শরীরেও ইস্ট্রোজেন থাকে, আবার নারীদের শরীরেও টেস্টোস্টেরন থাকে। আমাদের শরীর কোনো হরমোন অকারণে তৈরি করে না। প্রতিটি হরমোনেরই নির্দিষ্ট কাজ রয়েছে।

তাহলে নারীর শরীরে টেস্টোস্টেরনের কাজ কী? ভাবুন তো

সকালে ঘুম থেকে উঠেও সারাক্ষণ ক্লান্ত লাগে?
কোনো কাজেই আগ্রহ পান না?
জিমে বা হাঁটতে গেলেও আগের মতো শক্তি অনুভব হয় না?
লিবিডো আগের তুলনায় কমে গেছে?

এসব সমস্যার অনেক সম্ভাব্য কারণ থাকতে পারে। তবে টেস্টোস্টেরনও সেই স্বাভাবিক শারীরবৃত্তীয় ব্যবস্থার একটি অংশ, যা একজন নারীর

* এনার্জি ও কর্মক্ষমতা বজায় রাখতে,
* মাসল মাস ও পেশিশক্তি ধরে রাখতে,
* হাড়ের ঘনত্ব (Bone Density) রক্ষা করতে,
* যৌন আকাঙ্ক্ষা (Libido) স্বাভাবিক রাখতে,
* এবং মুড ও মানসিক সুস্থতায় ভূমিকা রাখে।

অর্থাৎ, টেস্টোস্টেরন কোনো “অপ্রয়োজনীয় পুরুষ হরমোন” নয়; এটি নারীর সুস্থ শরীরেরও একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

তাহলে পিসিওএস-এ সমস্যা কোথায়?

সমস্যা টেস্টোস্টেরন থাকার মধ্যে নয়।
সমস্যা হলো এর ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাওয়া।
পিসিওএস-এ অনেক নারীর শরীরে ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকে। এর ফলে শরীরকে একই কাজ করতে স্বাভাবিকের তুলনায় বেশি ইনসুলিন তৈরি করতে হয়। কিন্তু ইনসুলিন শুধু রক্তের গ্লুকোজ নিয়ন্ত্রণ করে না। এটি ডিম্বাশয়ের সঙ্গেও সংকেত আদান-প্রদান করে। যখন দীর্ঘদিন ইনসুলিনের মাত্রা বেশি থাকে, তখন ডিম্বাশয় সেই সংকেতের প্রভাবে স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি অ্যান্ড্রোজেন, বিশেষ করে টেস্টোস্টেরন, তৈরি করতে শুরু করে।
একই সঙ্গে লিভার থেকে সেক্স হরমোন বাইন্ডিং গ্লোবিউলিন(SHBG) নামের একটি প্রোটিন কম তৈরি হয়। সহজ করে বললে, SHBG-এর কাজ হলো রক্তে থাকা অতিরিক্ত টেস্টোস্টেরনকে বেঁধে রেখে তার কার্যকারিতা নিয়ন্ত্রণ করা। kintu যখন SHBG কমে যায়, তখন ফ্রি টেস্টোস্টেরনের পরিমাণ আরও বেড়ে যায়।

এরপরই ধীরে ধীরে দেখা দিতে পারে

* মুখ, থুতনি বা বুকে অতিরিক্ত লোম
* ব্রণ ও ত্বক অতিরিক্ত তেলতেলে হয়ে যাওয়া
* মাথার চুল পাতলা হয়ে যাওয়া বা পুরুষদের মতো হেয়ার লস
* মাসিক অনিয়মিত হওয়া
* অভ্যুলেশন সমস্যা, ফলে গর্ভধারণে জটিলতা

কিন্তু এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আছে।
অনেকেই মনে করেন, পিসিওএস মানেই টেস্টোস্টেরনের সমস্যা। আসলে অনেক ক্ষেত্রে টেস্টোস্টেরন বেড়ে যাওয়া আগুন নয়, বরং ধোঁয়া। ধোঁয়া সরিয়ে দিলেই যেমন আগুন নেভে না, তেমনি শুধু টেস্টোস্টেরনের সংখ্যা কমিয়ে দিলেই সমস্যার মূল কারণ দূর হয় না।
যদি ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, অতিরিক্ত ওজন, ঘুমের ঘাটতি, দীর্ঘদিনের মানসিক চাপ, কম শারীরিক কার্যকলাপ এবং অন্যান্য মেটাবলিক সমস্যাগুলো ঠিক না করা হয়, তাহলে হরমোনের ভারসাম্য বারবার নষ্ট হওয়ার ঝুঁকি থেকেই যায়।

তাই পিসিওএস এর চিকিৎসার লক্ষ্য শুধু একটি রিপোর্টের সংখ্যা কমানো নয়। লক্ষ্য হলো পুরো শরীরের মেটাবলিক ও হরমোনাল ভারসাম্য ফিরিয়ে আনা। কারণ একজন নারীর শরীরকে সুস্থ রাখে কোনো একটি “ম্যাজিক হরমোন” নয় বরং সব হরমোনের সঠিক সমন্বয়।

সমস্যা হরমোনে নয়। সমস্যা তার ভারসাম্য নষ্ট হয়ে যাওয়ায়। আর সেই ভারসাম্য ফিরিয়ে আনতে হলে শুধু রিপোর্ট নয়, পুরো মানুষটিকে বুঝতে হবে।

Tanzin Tababy
Nutritionist and Diet Consultant
Trained in Clinical Nutrition and Dietetics
Mindsheba

আসসালামু আলাইকুম অনেকেই কনসালটেশন কীভাবে নিবেন এবং কোথায় পাবেন এটা জানতে চান।আমার মূল চেম্বার বনানীতে। তবে আমি জানি, ঢাক...
05/10/2026

আসসালামু আলাইকুম

অনেকেই কনসালটেশন কীভাবে নিবেন এবং কোথায় পাবেন এটা জানতে চান।

আমার মূল চেম্বার বনানীতে। তবে আমি জানি, ঢাকার এক প্রান্ত থেকে আরেক প্রান্তে এসে নিয়মিত কনসালটেশন নেওয়া সবার জন্য কনভেনিয়েন্ট নাও হতে পারে।

তাই আপনাদের জন্য আরও কিছু কনভেনিয়েন্ট লোকেশন অ্যাভেলেবল রেখেছি।

📍 বনানী
📍 বনশ্রী
📍 উত্তরা

আপনার বাসা বা কর্মস্থলের কাছাকাছি যে লোকেশনটি কনভেনিয়েন্ট, সেখান থেকেই আমার সাথে নিউট্রিশন কনসালটেশন নিতে পারবেন MindSheba-এর মাধ্যমে।

আপনার যদি
• ওজন কমানোর জন্য বারবার ডায়েট শুরু করে আবার বন্ধ হয়ে যায়
• পিসিওএস, ইনসুলিন রেজিস্টেন্স বা থাইরয়েড-এর কারণে ডায়েট নিয়ে কনফিউশন থাকে
• ফ্যাটি লিভার, গাট ইস্যু বা মেটাবলিক হেলথ নিয়ে কাজ করতে চান
• অথবা নিজের জন্য একটি পারসনালাইজড, সাসটেইনেবল নিউট্রিশন প্ল্যান চান

তাহলে কনসালটেশন এ আপনার বর্তমান হেলথ স্ট্যাটাস, লাইফসটাইল, ইটিং প্যাটার্ন এবং গোল অনুযায়ী পরিকল্পনা করা হবে।

📞 অ্যাপয়েন্টমেন্ট বুক করতে MindSheba-এর হটলাইন নম্বরে যোগাযোগ করুন।
হটলাইন নম্বরটি এই পোস্টের সাথে দেওয়া আছে।
হটলাইন নাম্বার : +880 18 8026 6200

Tanzin Tababy
Nutritionist and Diet Consultant
Trained in Clinical Nutrition and Dietetics
Mindsheba

বেশিরভাগ মানুষ থাইরয়েড মানেই শুধু TSH লেভেল দেখে সন্তুষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আপনার শরীরের কার্যক্ষমতা নির্ভর ...
04/10/2026

বেশিরভাগ মানুষ থাইরয়েড মানেই শুধু TSH লেভেল দেখে সন্তুষ্ট হয়ে যায়। কিন্তু বাস্তবতা হলো, আপনার শরীরের কার্যক্ষমতা নির্ভর করে T4 আর T3 হরমোনের ওপর - আর এই দুইটার ভূমিকা একেবারেই আলাদা। T4 (thyroxine) হলো মূলত একটি ইনএক্টিভ বা স্টোরেজ হরমোন। থাইরয়েড গ্রন্থি এটিই বেশি তৈরি করে, এবং এটাকে বলা যায় “র ম্যাটেরিয়াল।” কিন্তু শরীর এই T4 ব্যবহার করতে পারে না যতক্ষণ না এটাকে এক্টিভ হরমোন T3 (triiodothyronine)-এ রূপান্তর করা হয়। আর T3 হলো সেই হরমোন যা সরাসরি আপনার মেটাবলিজম, ওজন নিয়ন্ত্রণ, এনার্জি লেভেল, শরীরের তাপমাত্রা, মুড, হেয়ার ফল, স্কিন, পিরিয়ড সাইকেল, ফার্টিলিটি এমনকি মস্তিষ্কের ফোকাস ও মেমোরি পর্যন্ত নিয়ন্ত্রণ করে।

সমস্যা হলো, অনেক মানুষের রিপোর্টে TSH ও T4 নরমাল থাকলেও তারা সব ক্লাসিক হাইপোথাইরয়েড উপসর্গে ভুগে - যেমন ক্লান্তি, ঠান্ডা সহ্য না হওয়া, ওজন না কমা, চুল পড়া, কোষ্ঠকাঠিন্য, ডিপ্রেশন, ব্রেন ফগ। কেন? কারণ তাদের শরীর ঠিকমতো T4 কে T3-তে কনভার্ট করতে পারছে না। এটাকে বলা হয় পেরিফেরাল কনভার্সন প্রবলেম। এবং এই জায়গাটাতেই নিউট্রিশন সবচেয়ে বড় ভূমিকা রাখে।

T4 থেকে T3 কনভারশন হওয়ার জন্য শরীরকে নির্দিষ্ট কিছু মাইক্রোনিউট্রিয়েণ্ট দরকার। সেলেনিয়াম এই প্রক্রিয়ার সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কোফ্যাক্টর , কারণ deiodinase এনজাইম(যেটা T4 কে T3-তে রূপান্তর করে) সেলিনিয়াম ছাড়া কাজই করতে পারে না। জিংক দরকার থাইরয়েড হরমোন রিসেপ্টরের কার্যকারিতা ঠিক রাখতে। আয়রন দরকার অক্সিজেন পরিবহন এবং হরমোন সিন্থেসিস ও অ্যাকটিভেশন -এর জন্য। ভিটামিন এ থাইরয়েড রিসেপ্টরকে সঠিকভাবে কাজ করতে সাহায্য করে। ভিটামিন বি 12 ও ফলেট স্নায়ু ও শক্তি উৎপাদনে সহায়ক, আর প্রোটিন ছাড়া কোনো হরমোনই ঠিকভাবে কাজ করতে পারে না কারণ হরমোন রিসেপ্টর ও ট্রান্সপোর্ট প্রোটিন সবই প্রোটিন দিয়ে তৈরি।

কিন্তু এখানেই সবচেয়ে বড় ভুলটা হয় । থাইরয়েড থাকলেই ভয় পেয়ে আমরা খাবার কমিয়ে দেই , কার্ব একেবারে বাদ দেই, দিনের পর দিন ক্যালোরি ডেফিসিটে থাকি। শরীর তখন এটাকে “ফ্যামিন সিগন্যাল” হিসেবে নেয়। ফলাফল? শরীর বাঁচার জন্য মেটাবলিজম ধীর করে দেয়, T4 থেকে T3 কনভার্সন কমিয়ে দেয় এবং ইনস্টেড রিভার্স T3 (rT3) বাড়িয়ে দেয় যেটা একই রিসেপ্টরে বসে T3-এর কাজ ব্লক করে রাখে। মানে আপনি রিপোর্টে হয়তো “নরমাল” দেখবেন, কিন্তু শরীর ভেতরে ভেতরে মেটাবলিক শাটডাউন মোডে চলে যাবে। এটাই হলো সেই অবস্থা যেখানে মানুষ বলে, “আমি তো কম খাচ্ছি, তবু ওজন কমছে না।” কারণ সমস্যা ফ্যাট নয়, সমস্যা হরমোন অ্যাক্টিভেশন।

এছাড়াও ইনফ্ল্যামেশন, ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স, ফ্যাটি লিভার, গাট ডিসবায়োসিস, ক্রনিক স্ট্রেস, ঘুমের অভাব — সবকিছুই T4 থেকে T3 কনভার্সন কমিয়ে দেয়। কর্টিসোল বেশি থাকলে শরীর সার্ভাইভাল মোড -এ থাকে, তখন সে এনার্জি কনজারভেশন করে, বার্নিং না। আবার লিভার ঠিকভাবে কাজ না করলে কনভার্সন ঠিক হয় না, কারণ লিভারই হলো T4 থেকে T3 কনভার্সন -এর প্রধান অর্গ্যান। গাট হেলথ খারাপ হলে মাইক্রোনিউট্রিয়েণ্ট এবসর্পশন কমে যায়, ফলে কনভার্সন মেশিনারি - ই দুর্বল হয়ে পড়ে।

এখন আসি প্র্যাকটিক্যাল নিউট্রিশন - এর কথায়। থাইরয়েড ঠিক রাখতে আপনাকে শুধু আয়োডিন খেতে হবে এই ধারণা খুবই বিপজ্জনক। আয়োডিন দরকার, কিন্তু বেশি হলে উল্টো অটোইমিউন থাইরয়েড সমস্যা বাড়াতে পারে। আসল প্রয়োজন হলো ব্যালেন্সড ডায়েট - যেখানে পর্যাপ্ত প্রোটিন থাকবে (প্রতিদিন কমপক্ষে ০.৮-১.০ গ্রাম পার কেজি বডি ওয়েট), কমপ্লেক্স কার্ব থাকবে যাতে শরীর ফ্যামিন মোড -এ না যায়, হেলথি ফ্যাট থাকবে যাতে হরমোন সিনথেসিস ঠিক থাকে, এবং মাইক্রোনিউট্রিয়েণ্ট - রিচ খাবার থাকবে। যেমন: ডিম, মাছ, দই, লিভার, বাদাম-বীজ, শাকসবজি, ডাল এগুলো শুধু “হেলথি ” না, এগুলো বায়োকেমিকেল লেভেল -এ আপনার থাইরয়েডকে কাজ করতে সাহায্য করে।

আসল কথা হচ্ছে আপনি শুধু লেভোথাইরক্সিন (T4) খেয়ে থাইরয়েড ঠিক করতে পারবেন না, যদি আপনার শরীর সেই T4 কে T3-তে রূপান্তর করার ক্ষমতা হারিয়ে ফেলে। তখন ওষুধ বাড়ানো হবে, কিন্তু উপসর্গ কমবে না। কারণ সমস্যা থাইরয়েড গ্রন্থি বা গ্ল্যান্ডে নয় আপনার মেটাবলিক এনভায়রনমেন্ট এ। আর সেই এনভায়রনমেন্ট বানায় আপনার খাবার, ঘুম, স্ট্রেস লেভেল, গাট ও লিভার হেলথ।

সুতরাং থাইরয়েড মানেই শুধু “হরমোন কম” না। থাইরয়েড মানে “হরমোন কাজ করছে কিনা।” আর হরমোন কাজ করবে কিনা, সেটা নির্ভর করে আপনি কী খাচ্ছেন, কতটা খাচ্ছেন, কতটা ঘুমাচ্ছেন, আর কতটা নিজের শরীরকে সার্ভাইভাল মোড থেকে বের করে আনতে পারছেন।

যদি আপনি সত্যিই থাইরয়েড ঠিক করতে চান, তাহলে প্রশ্ন হওয়া উচিত “আমি শুধু ওষুধ নিচ্ছি, নাকি আমি আমার শরীরকে হরমোন-ফ্রেন্ডলি পরিবেশ দিচ্ছি?”

Tanzin Tababy
Nutritionist and Diet consultant
Trained in Clinical Nutrition and Dietetics
MindSheba

✔️অনলাইন বা অফলাইন অ্যাপয়েন্টমেন্ট নিতে চাইলে ইনবক্স করুন

Address

AR Tower (8th Floor), 24 Kamal Ataturk Avenue, Banani
Dhaka
1213

Opening Hours

Monday 10:00 - 21:00
Tuesday 10:00 - 21:00
Wednesday 10:00 - 21:00
Thursday 10:00 - 21:00
Saturday 10:00 - 21:00
Sunday 10:00 - 21:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Nutritionist Tanzin Tababy posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share