05/08/2026
ব্রেস্ট টিউমার! ভীষণ ভয়ে সালমা আক্তার — এরপর কী?
কেনিয়ার প্রবাসজীবন সালমা আক্তারের কাছে ছিল পরিশ্রম আর স্বপ্নের এক মিশ্র অধ্যায়। দূর প্রবাসে থেকেও দেশে পরিবারের জন্য দিনরাত কাজ করে যাচ্ছিলেন তিনি। কিন্তু একদিন গোসলের সময় নিজের অজান্তেই হাতে ঠেকে গেল একটা শক্ত দলা — বুকের মধ্যে টিউমার! মুহূর্তেই বুকটা ছ্যাঁৎ করে উঠল তার।
দিন যত গড়াল, ভয় তত বাড়তে লাগল। প্রবাসে একা, পরিবার হাজার মাইল দূরে — এই দুশ্চিন্তা কাকে বলবেন? রাতের পর রাত ঘুম হতো না, মনে শুধু একটাই প্রশ্ন ঘুরপাক খেত — "এটা কি খারাপ কিছু, নাকি...?" গুগলে সার্চ করে যা যা পড়েছিলেন, তাতে ভয় আরও বেড়ে গিয়েছিল। মন খারাপ, অস্থিরতা আর নিঃসঙ্গতার মধ্যে দিন কাটছিল তার।
এমন সময় মনে পড়ে যায় দেশে থাকতে তার তীব্র মাইগ্রেন আর কোমর ব্যথায় শান্তি হোমিও কেয়ারের ডা. মো. ওয়ালিউল বারীর চিকিৎসায় দারুণ উপকার পাওয়ার কথা। ভয়ার্ত মন নিয়ে তিনি ফোন করেন ডাক্তার বারীকে। কান্নাজড়িত কণ্ঠে বলেন, "ডাক্তার সাহেব, আমার একমাত্র মেয়ের ভবিষ্যতের কথা ভেবে হলেও আমি সুস্থ হতে চাই। আগে আপনি যেমন যত্ন নিয়ে আমার চিকিৎসা করেছিলেন, এবারও তেমন ভরসা নিয়ে আপনার কাছে এলাম।"
ডাক্তার বারী তাকে আশ্বস্ত করেন, প্রয়োজনীয় পরীক্ষা-নিরীক্ষার পরামর্শ দিয়ে সঠিকভাবে বিষয়টি যাচাই করে নেন, এবং এরপর শুরু করেন সুচিন্তিত হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা। প্রথমে দ্বিধা ছিল সালমা আক্তারের মনে — এত দূর প্রবাস থেকে চিকিৎসা কীভাবে সম্ভব? কিন্তু ডাক্তারের আন্তরিকতা আর যত্নশীল পরামর্শে ধীরে ধীরে সেই দ্বিধা কেটে গিয়ে জায়গা করে নেয় বিশ্বাস।
ধৈর্য ধরে, বিশ্বাস নিয়ে তিনি চিকিৎসা চালিয়ে যান। ধীরে ধীরে টিউমারটা ছোট হতে থাকে, আর তার সাথে সাথে কমতে থাকে তার মনের ভেতরের সেই দীর্ঘদিনের ভয় আর উৎকণ্ঠাও।
আজ সালমা আক্তার সম্পূর্ণ সুস্থ। বুকের সেই টিউমার আর নেই, মনের সেই ভয়ও আর নেই। প্রবাসে আবার আগের মতোই স্বাভাবিক, প্রাণবন্ত জীবনযাপন করছেন তিনি — নিজের কাজে, নিজের মেয়ের স্বপ্নে।
আলহামদুলিল্লাহ — এটা শুধু একটা সুস্থতার গল্প নয়, এটা একজন প্রবাসী মায়ের সাহস, বিশ্বাস আর ভালোবাসার গল্প।
"সঠিক চিকিৎসা, সঠিক যত্ন — এটাই শান্তি হোমিও কেয়ারের প্রতিশ্রুতি।"