Crescent Gastroliver & General Hospital

Call Directions Website Contact the practice

Crescent Gastroliver & General Hospital This is a super-specialized hospital providing complete GI & hepatology specialty services, as well

17/09/2026

ERCP-এর মাধ্যমে পিত্তনালির পাথর অপসারণ

ERCP (Endoscopic Retrograde Cholangiopancreatography) হলো এমন একটি আধুনিক এন্ডোস্কোপিক পদ্ধতি, যার মাধ্যমে পিত্তনালিতে আটকে থাকা পাথর শনাক্ত করে প্রয়োজন অনুযায়ী তা বের করা যায়।

পিত্তনালিতে পাথর আটকে গেলে জন্ডিস, পেটের উপরিভাগে ব্যথা, বমি, জ্বর, পিত্তনালির সংক্রমণ (Cholangitis) ইত্যাদি সমস্যা হতে পারে। অনেক ক্ষেত্রে পাথর অপসারণের জন্য ERCP একটি গুরুত্বপূর্ণ চিকিৎসা পদ্ধতি।

কীভাবে Stone Extraction করা হয়?

প্রথমে মুখ দিয়ে একটি বিশেষ ডুডেনোস্কোপ প্রবেশ করিয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রথম অংশে পৌঁছানো হয়। এরপর পিত্তনালির মুখ বা Major Papilla শনাক্ত করে সেখানে ক্যানুলেশন করা হয়।

প্রয়োজন অনুযায়ী Sphincterotomy/Papillotomy করার পর কনট্রাস্ট দিয়ে পিত্তনালির ছবি নেওয়া হয় এবং পাথরের সংখ্যা, আকার ও অবস্থান নির্ণয় করা হয়।

এরপর বিশেষ Extraction Balloon অথবা Dormia Basket ব্যবহার করে পাথরকে পিত্তনালির ভেতর থেকে ধীরে ধীরে বের করে আনা হয়।

পাথর বের করার পর আবার পরীক্ষা করে দেখা হয়—পিত্তনালি যথাসম্ভব Clear হয়েছে কি না এবং কোনো অবশিষ্ট পাথর বা বাধা রয়েছে কি না।

বড় বা একাধিক পাথর, পাথরের অবস্থান বা পিত্তনালির গঠনের কারণে সব পাথর একবারে বের করা সম্ভব নাও হতে পারে। সেক্ষেত্রে পরিস্থিতি অনুযায়ী Balloon Dilatation, Mechanical Lithotripsy বা Biliary Stenting প্রয়োজন হতে পারে।

আমাদের সম্মানিত কনসালটেন্ট বিশিষ্ট পেডিয়াট্রিক গ্যাস্ট্রোএন্টরালোজিষ্ট  ও  ঢাকা মেডিকেল কলেজের পেডিয়াট্রিক গ্যাস্ট্রোএন্...
03/09/2026

আমাদের সম্মানিত কনসালটেন্ট বিশিষ্ট পেডিয়াট্রিক গ্যাস্ট্রোএন্টরালোজিষ্ট ও ঢাকা মেডিকেল কলেজের পেডিয়াট্রিক গ্যাস্ট্রোএন্টারালোজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. কানিজ সুলতানা ম্যাডাম অধ্যাপক হিসাবে পদোন্নতি হওয়ায় ক্রিসেন্ট গ্যাস্ট্রোলিভার এন্ড জেনারেল হসপিটালের পক্ষ থেকে ম্যাডামকে ফুলেল শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানানো হয়।

আমাদের সম্মানিত কনসালটেন্ট, বিশিষ্ট পরিপাকতন্ত্র, লিভার রোগ বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যাস্ট্রোএন্ট...
01/09/2026

আমাদের সম্মানিত কনসালটেন্ট, বিশিষ্ট পরিপাকতন্ত্র, লিভার রোগ বিশেষজ্ঞ ও বাংলাদেশ মেডিক্যাল বিশ্ববিদ্যালয়ের গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিভাগের সহযোগী অধ্যাপক ডা. মোহাম্মাদ আসাদুর রহমান স্যার অধ্যাপক হিসাবে পদোন্নতি হওয়ায় ক্রিসেন্ট গ্যাস্ট্রোলিভার এন্ড জেনারেল হসপিটালের পক্ষ থেকে স্যারকে ফুলেল শুভেচছা ও অভিনন্দন জানান হসপিটালের মেডিকেল ডিরেক্টর ডা.আলমগীর হায়দার স্যার সহ অন্যান্যরা।

26/08/2026

ERCP-এর মাধ্যমে পিত্তনালির চিকিৎসা

বাইল ডাক্টে পূর্বে স্থাপিত স্টেন্টের পাশাপাশি একাধিক পাথর থাকায় ERCP-এর মাধ্যমে চিকিৎসা করা হয়। বাইল ডাক্টে পাথরের উপস্থিতি পিত্ত চলাচলে বাধা সৃষ্টি করতে পারে এবং এর ফলে জন্ডিস, পেটব্যথা, ইনফেকশনসহ বিভিন্ন জটিলতা দেখা দিতে পারে। তাই ধাপে ধাপে এন্ডোস্কোপিক পদ্ধতিতে চিকিৎসা সম্পন্ন করা হয়।

প্রথম ধাপে— Stent Removal

ERCP-এর মাধ্যমে পূর্বে স্থাপিত বাইল ডাক্টের পুরোনো স্টেন্টটি সফলভাবে অপসারণ করা হয়। স্টেন্ট অপসারণের পর বাইল ডাক্টে থাকা পাথরের অবস্থা ও অবস্থান মূল্যায়ন করা হয়।

দ্বিতীয় ধাপে— Multiple Stone Extraction

এরপর বাইল ডাক্টে থাকা একাধিক পাথর অপসারণের প্রক্রিয়া শুরু করা হয়। বিশেষ এন্ডোস্কোপিক সরঞ্জাম, যেমন balloon বা basket-এর সাহায্যে পাথরগুলো বের করে আনার চেষ্টা করা হয়। প্রক্রিয়ার মাধ্যমে বেশ কয়েকটি পাথর সফলভাবে অপসারণ করা সম্ভব হয়।

তবে বাইল ডাক্টে থাকা পাথরের সংখ্যা, আকার ও অবস্থানের কারণে সবগুলো পাথর একই সেশনে সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করা সম্ভব হয়নি। অবশিষ্ট পাথরগুলো সম্পূর্ণভাবে বের করতে আরও সময় ও পরবর্তী সেশনে অতিরিক্ত এন্ডোস্কোপিক চিকিৎসার প্রয়োজন হতে পারে।

তৃতীয় ধাপে— Re-stenting

যেহেতু কিছু পাথর বাইল ডাক্টে রয়ে গেছে, তাই বাইল ডাক্টের পিত্ত নিষ্কাশন বজায় রাখা এবং অবশিষ্ট পাথরের কারণে সম্ভাব্য বাধা কমানোর জন্য নতুন একটি স্টেন্ট পুনরায় স্থাপন করা হয়।

এই স্টেন্টটি বাইল ডাক্টের মাধ্যমে পিত্ত চলাচলে সহায়তা করবে এবং পরবর্তী সময়ে অবশিষ্ট পাথর অপসারণের জন্য পুনরায় ERCP করার সুযোগ তৈরি করবে।

পুরো প্রক্রিয়াটি ছিল—

Stent Removal → Multiple Stone Extraction → Incomplete Stone Clearance → Re-stenting

অর্থাৎ, প্রথমে পুরোনো স্টেন্ট অপসারণ করা হয়, এরপর বাইল ডাক্ট থেকে একাধিক পাথর বের করে আনা হয়। তবে সব পাথর সম্পূর্ণভাবে অপসারণ করা সম্ভব না হওয়ায় রোগীর নিরাপদ বাইল ড্রেনেজ বজায় রাখতে নতুন স্টেন্ট পুনরায় স্থাপন করা হয়।

পরবর্তী পর্যায়ে রোগীর অবস্থা, বাইল ডাক্টের পরিস্থিতি এবং অবশিষ্ট পাথরের অবস্থান বিবেচনা করে প্রয়োজনে ফলো-আপ ERCP-এর মাধ্যমে অবশিষ্ট পাথর অপসারণ ও পরবর্তী স্টেন্ট ম্যানেজমেন্ট করা যেতে পারে।

একটি জটিল ERCP প্রক্রিয়ায়—
পুরোনো স্টেন্ট অপসারণ, একাধিক পাথর বের করে আনা এবং প্রয়োজনে পুনরায় স্টেন্ট স্থাপনের মাধ্যমে ধাপে ধাপে চিকিৎসা সম্পন্ন করা হয়েছে।

19/08/2026

ক্রিসেন্ট গ্যাস্ট্রোলিভার এন্ড জেনারেল হসপিটাল লিঃ

ঢাকার ধানমন্ডিতে অবস্থিত একটি পরিচিত বেসরকারি চিকিৎসাসেবা প্রতিষ্ঠান। বিশেষ করে পরিপাকতন্ত্র, লিভার ও পিত্তথলির রোগের বিশেষায়িত চিকিৎসার জন্য হাসপাতালটি বেশ সমাদৃত।

মূল বৈশিষ্ট্য ও সেবাসমূহ:

বিশেষায়িত বিভাগ: গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি, হেপাটোলজি (লিভার), পিত্তথলি ও প্যানক্রিয়াসের রোগের চিকিৎসায় এই হাসপাতালটি বিশেষভাবে পরিচিত।

জেনারেল ও বিশেষজ্ঞ চিকিৎসা: লিভার ও গ্যাস্ট্রিকের পাশাপাশি এখানে জেনারেল মেডিসিন, সার্জারি, গাইনি, ইউরোলজি এবং অন্যান্য সাধারণ রোগের চিকিৎসাও প্রদান করা হয়।

ডায়াগনস্টিক সুবিধা: হাসপাতালটিতে রয়েছে এন্ডোস্কোপি, কোলনস্কোপি, আল্ট্রাসনোগ্রাফি, ডিজিটাল এক্স-রে এবং আধুনিক প্যাথলজিক্যাল ল্যাব সুবিধা।

জরুরি সেবা : রোগী ভর্তির সুবিধা, ২৪ ঘণ্টা জরুরি সেবা ।

অভিজ্ঞ চিকিৎসক: দেশের শীর্ষস্থানীয় গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্ট ও লিভার বিশেষজ্ঞ ডাক্তাররা এখানে নিয়মিত চেম্বার ও চিকিৎসা সেবা দেন।

যোগাযোগ ও অবস্থান

ঠিকানা: ২৫/আই গ্রিনরোড, ধানমন্ডি, ঢাকা ।
হটলাইন: ০১৯২৬১০০১০০

06/08/2026

ERCP (Endoscopic Retrograde Cholangiopancreatography) বা এন্ডোস্কোপিক রেট্রোগ্রেড কোলাঞ্জিওপ্যানক্রিয়াটোগ্রাফি হলো একটি বিশেষ চিকিৎসা ও পরীক্ষা পদ্ধতি। এর মাধ্যমে যকৃৎ (Liver), পিত্তথলি (Gallbladder), পিত্তনালী (Bile Duct) এবং অগ্ন্যাশয় (Pancreas)-এর ভেতরের নালীগুলোর সমস্যা সনাক্ত ও চিকিৎসা করা হয়।

এটি মূলত এন্ডোস্কোপি এবং এক্স-রে (X-Ray)—এই দুটি প্রযুক্তির একটি সমন্বিত রূপ।

১. ERCP কেন করা হয়? (ব্যবহার)
পূর্বে এটি কেবল রোগ নির্ণয়ের জন্য ব্যবহার করা হলেও বর্তমানে এমআরসিপি (MRCP) বা আল্ট্রাসাউন্ড দিয়ে রোগ নির্ণয় সহজে করা যায়। তাই ERCP এখন মূলত রোগের চিকিৎসার (Therapeutic) কাজেই বেশি ব্যবহৃত হয়।

পিত্তনালীর পাথর (Bile Duct Stones): পিত্তনালীতে কোনো পাথর আটকে থাকলে তা বের করে আনার জন্য।

পিত্তনালী সরু হয়ে যাওয়া (Bile Duct Stricture): প্রদাহ বা দাগের কারণে নালী সরু হয়ে গেলে তা চওড়া করা।

জন্ডিস বা বাধা (Obstructive Jaundice): পিত্তনালীতে টিউমার বা পাথরের কারণে পিত্তরস প্রবাহে বাধা তৈরি হলে সেই বাধা দূর করা।

স্টেন্ট স্থাপন (Stenting): ক্যানসার বা টিউমারের কারণে বন্ধ হয়ে যাওয়া পিত্তনালী বা অগ্ন্যাশয়ের নালীতে প্লাস্টিক বা মেটালিক স্টেন্ট বসিয়ে নালী সচল রাখা।

বায়োপসি (Biopsy): সন্দেহজনক স্থান থেকে টিস্যু সংগ্রহ করা।

২. পদ্ধতিটি কীভাবে সম্পন্ন হয়?
১. প্রস্তুতি: রোগীকে সাধারণ অবশকারী ওষুধ (Sedation বা General Anesthesia) দেওয়া হয় যেন প্রক্রিয়া চলাকালীন ব্যথা বা অস্বস্তি না হয়।
২. এন্ডোস্কোপ প্রবেশ: একটি নমনীয় টিউব (যা টিউবের মুখে ক্যামেরা ও আলোযুক্ত) মুখ দিয়ে প্রবেশ করিয়ে পাকস্থলী পার হয়ে ক্ষুদ্রান্ত্রের প্রথম অংশ (Duodenum)-এ নিয়ে যাওয়া হয়।
৩. ডাই (Contrast Dye) প্রয়োগ: পিত্তনালী এবং অগ্ন্যাশয়ের নালীর মুখে একটি ছোট ক্যাথেটার প্রবেশ করিয়ে বিশেষ এক ধরনের রং (Dye) ইনজেক্ট করা হয়।
৪. এক্স-রে পর্যবেক্ষণ: ডাই প্রয়োগের ফলে এক্স-রে স্কিনে পিত্তনালী ও অগ্ন্যাশয়ের ছবি পরিষ্কার দেখা যায় এবং পাথর বা বাধা শনাক্ত করা হয়।
৫. চিকিৎসা: প্রয়োজন অনুযায়ী পাথর বের করা, ছোট করে কেটে দেওয়া (Sphincterotomy), কিংবা স্টেন্ট স্থাপন করে পুরো প্রক্রিয়াটি শেষ করা হয়।

৩. ERCP-এর সম্ভাব্য ঝুঁকি বা জটিলতা
এটি একটি অত্যন্ত কার্যকর পদ্ধতি হলেও এতে সামান্য কিছু ঝুঁকি থাকে:

রক্তপাত (Bleeding): বিশেষ করে যদি পিত্তনালীর মুখ কাটা (Sphincterotomy) হয়।

সংক্রমণ (Infection): পিত্তনালী বা অগ্ন্যাশয়ে ইনফেকশন হওয়া।

৪. রোগীর জন্য কিছু সাধারণ সতর্কতা

পরীক্ষার আগে সাধারণত ৬-৮ ঘণ্টা খালি পেটে থাকতে হয়।

রক্ত পাতলা করার কোনো ওষুধ খেলে ডাক্তারকে আগে থেকেই জানাতে হবে।

প্রক্রিয়া শেষে অবশ ভাব পুরোপুরি না যাওয়া পর্যন্ত মুখে কিছু খাওয়া বারণ থাকে।

01/08/2026

এন্ডোস্কোপিক পলিপেকটমি (Endoscopic Polypectomy)

আপনার পাকস্থলী বা অন্ত্রে যদি পলিপ ধরা পড়ে, তাহলে ভয়ের কোনো কারণ নেই। সঠিক সময়ে চিকিৎসা নিলে ভবিষ্যতের বড় ঝুঁকি অনেকটাই কমানো সম্ভব।
এন্ডোস্কোপিক পলিপেকটমি হলো এমন একটি আধুনিক পদ্ধতি, যেখানে কোনো বড় অপারেশন ছাড়াই এন্ডোস্কোপের মাধ্যমে পলিপ নিরাপদে কেটে ফেলা হয়।

এই পদ্ধতির সুবিধাসমূহ:
✅ পেট কাটা লাগে না
✅ তুলনামূলকভাবে কম ব্যথা ও দ্রুত সুস্থতা
✅ ক্যান্সারে রূপ নেওয়ার ঝুঁকি কমাতে সহায়ক
✅ রোগী সাধারণত অল্প সময়ের মধ্যেই বাসায় ফিরতে পারেন (রোগীর অবস্থা অনুযায়ী)

Crescent Gastroliver & General Hospital-এ অভিজ্ঞ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজি বিশেষজ্ঞদের তত্ত্বাবধানে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহার করে নিরাপদ ও মানসম্মত Endoscopic Polypectomy করা হয়।
আপনার বা পরিবারের কারও এন্ডোস্কোপিতে পলিপ ধরা পড়লে দেরি না করে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

Crescent Gastroliver & General Hospital
আধুনিক প্রযুক্তি • অভিজ্ঞ চিকিৎসক • বিশ্বস্ত সেবা

World Hepatitis Day - 2026
28/07/2026

World Hepatitis Day - 2026

13/07/2026

ঘুম পাড়িয়ে ব্যথামুক্ত ও নিরাপদ এন্ডোস্কোপি

এন্ডোস্কোপি করতে হবে শুনেই অনেক রোগী ভয় পেয়ে যান। অনেকের মনে প্রশ্ন থাকে—ব্যথা লাগবে না তো? কষ্ট হবে না তো?

এখন আর চিন্তার কোনো কারণ নেই। আধুনিক সেডেশন পদ্ধতির মাধ্যমে রোগীকে হালকা ঘুমের মধ্যে রেখে সম্পূর্ণ ব্যথামুক্ত ও নিরাপদভাবে এন্ডোস্কোপি করা সম্ভব।

প্রক্রিয়া চলাকালীন রোগী কোনো অস্বস্তি অনুভব করেন না এবং বেশিরভাগ ক্ষেত্রেই পরীক্ষার কথা মনে থাকে না। অভিজ্ঞ চিকিৎসক ও প্রশিক্ষিত অ্যানেস্থেসিয়া টিমের তত্ত্বাবধানে রোগীর শ্বাস-প্রশ্বাস, হার্টবিট ও অক্সিজেনের মাত্রা সার্বক্ষণিক পর্যবেক্ষণ করা হয়, যা নিশ্চিত করে সর্বোচ্চ নিরাপত্তা।
পাকস্থলীর আলসার, গ্যাস্ট্রিক, রক্তক্ষরণ, টিউমারসহ বিভিন্ন রোগ দ্রুত ও নির্ভুলভাবে নির্ণয়ের জন্য এন্ডোস্কোপি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি পরীক্ষা।
তাই এন্ডোস্কোপি নিয়ে ভয় নয়। আধুনিক প্রযুক্তির সহায়তায় ঘুম পাড়িয়ে, ব্যথামুক্ত ও নিরাপদভাবে করান এন্ডোস্কোপি এবং নিশ্চিত করুন আপনার সুস্থতা।

04/07/2026

Emergency Hemostasis (ইমার্জেন্সি হেমোস্ট্যাসিস): জরুরি রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণের আধুনিক এন্ডোস্কোপিক চিকিৎসা
Emergency Hemostasis হলো এন্ডোস্কোপির মাধ্যমে পরিপাকতন্ত্র (GI tract) থেকে হওয়া জরুরি রক্তক্ষরণ দ্রুত ও কার্যকরভাবে বন্ধ করার একটি আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি। অতিরিক্ত রক্তক্ষরণ রোগীর জীবনকে ঝুঁকির মধ্যে ফেলতে পারে, তাই দ্রুত সঠিক চিকিৎসা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কেন Emergency Hemostasis করা হয়?
রক্তবমি (Hematemesis)
কালো পায়খানা (Melena)
মলদ্বার দিয়ে তাজা রক্ত যাওয়া (Hematochezia)
পাকস্থলী বা ডুওডেনামের আলসার থেকে রক্তক্ষরণ
ইসোফেজিয়াল বা গ্যাস্ট্রিক ভ্যারিসেস থেকে রক্তপাত
টিউমার বা পলিপ থেকে রক্তক্ষরণ
এন্ডোস্কোপিক প্রক্রিয়ার পর রক্তক্ষরণ

কীভাবে করা হয়?
রোগীর অবস্থা মূল্যায়ন করে প্রয়োজনে সেডেশন বা অ্যানেস্থেশিয়া দেওয়া হয়।
এন্ডোস্কোপের মাধ্যমে রক্তক্ষরণের স্থান শনাক্ত করা হয়।
রক্তপাতের কারণ অনুযায়ী উপযুক্ত পদ্ধতিতে রক্তক্ষরণ বন্ধ করা হয়।
রক্তক্ষরণ বন্ধ করার পদ্ধতি
Adrenaline Injection
Hemoclip (Endoclip) প্রয়োগ
Argon Plasma Coagulation (APC)
Thermal Coagulation (Heater Probe/Bipolar Coagulation)
Endoscopic Band Ligation (EVL) – বিশেষ করে ভ্যারিসেসের ক্ষেত্রে

সুবিধা
দ্রুত রক্তক্ষরণ নিয়ন্ত্রণ করা যায়।
জীবনরক্ষাকারী চিকিৎসা হিসেবে অত্যন্ত কার্যকর।
জরুরি অস্ত্রোপচারের প্রয়োজন অনেক ক্ষেত্রে কমে যায়।
পুনরায় রক্তক্ষরণের ঝুঁকি কমাতে সাহায্য করে।
হাসপাতালে থাকার সময় ও জটিলতা কমাতে সহায়ক।

চিকিৎসার পর করণীয়
চিকিৎসকের নির্দেশনা অনুযায়ী ওষুধ সেবন করুন।
কিছু সময় পর্যবেক্ষণে থাকুন।
নির্ধারিত সময় পর্যন্ত খাবার ও পানীয় সম্পর্কে নির্দেশনা মেনে চলুন।
পুনরায় রক্তবমি, কালো পায়খানা, মাথা ঘোরা বা দুর্বলতা দেখা দিলে দ্রুত হাসপাতালে যোগাযোগ করুন।

কখন জরুরি হাসপাতালে যাবেন?
বারবার রক্তবমি হলে
কালো বা রক্তমিশ্রিত পায়খানা হলে
অজ্ঞান হওয়ার মতো অবস্থা বা অতিরিক্ত দুর্বলতা দেখা দিলে
রক্তচাপ কমে যাওয়া বা শ্বাসকষ্ট হলে
উপসংহার
Emergency Hemostasis একটি নিরাপদ, আধুনিক ও অত্যন্ত কার্যকর এন্ডোস্কোপিক চিকিৎসা পদ্ধতি, যা পরিপাকতন্ত্রের জরুরি রক্তক্ষরণ দ্রুত নিয়ন্ত্রণ করে রোগীর জীবন রক্ষায় গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। সময়মতো অভিজ্ঞ গ্যাস্ট্রোএন্টারোলজিস্টের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা নেওয়া সর্বোত্তম ফলাফল নিশ্চিত করতে সাহায্য করে।

Address

25/i, Green Road, Dhanmondi
Dhaka
1205

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Crescent Gastroliver & General Hospital posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Crescent Gastroliver & General Hospital:

Shortcuts

Share

Category