Hijama & Ruqyah Foundation Bangladesh

Hijama & Ruqyah  Foundation Bangladesh Hjama Cupping Therapy Training & Research n Ruqiya Center @ Dhaka & Sylhet Bangladesh.

উত্তর: এ বিষয়ে কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ নেই যে মানুষের সাথে থাকা কারীন জ্বীন তার ব্যক্তিগত তথ্...
11/07/2026

উত্তর: এ বিষয়ে কুরআন ও সহীহ সুন্নাহর আলোকে নির্দিষ্ট কোনো প্রমাণ নেই যে মানুষের সাথে থাকা কারীন জ্বীন তার ব্যক্তিগত তথ্য অন্য মানুষকে পৌঁছে দেয়। তাই এমন বিশ্বাস বা দাবি করা সঠিক নয়।

আল্লাহ তাআলা বলেন:

“বলুন, আসমানসমূহ ও পৃথিবীতে যারা আছে, তারা কেউই গায়েব জানে না, একমাত্র আল্লাহ ছাড়া।”

[আল কুরআন, সূরা আন-নামল, ২৭/৬৫]

এ আয়াত স্পষ্টভাবে প্রমাণ করে যে জ্বীনও গায়েব জানে না।

কারীনের কাজ কী?

রাসূল ﷺ বলেছেন:

“তোমাদের প্রত্যেকের সাথেই একজন জ্বীন সঙ্গী (কারীন) নিযুক্ত রয়েছে।”
সাহাবীগণ জিজ্ঞেস করলেন, “আপনার সাথেও?”
তিনি বললেন, “হ্যাঁ, তবে আল্লাহ আমাকে তার ওপর সাহায্য করেছেন, ফলে সে আমার অনুগত হয়েছে এবং সে আমাকে ভালো ছাড়া কিছুই বলে না।”
[সহীহ মুসলিম]

এ হাদীস থেকে বোঝা যায়, কারীনের কাজ মানুষকে কুমন্ত্রণা ও পাপের দিকে আহ্বান করা। মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য অন্যদের কাছে সরবরাহ করা তার কাজ বলে কোনো সহীহ দলিল নেই।

তাহলে জাদুকর বা গণক কিছু তথ্য কীভাবে বলে?

কখনো কখনো তারা:

* মানুষের কাছ থেকেই তথ্য সংগ্রহ করে।
* অনুমান, মনস্তাত্ত্বিক কৌশল বা প্রতারণা ব্যবহার করে।
* কিছু শয়তান পরস্পরের মধ্যে সীমিত তথ্য আদান-প্রদান করতে পারে।

কিন্তু এ থেকে কখনোই বলা যাবে না যে “আমার কারীন আমার তথ্য দিয়ে দিয়েছে।” এ দাবির পক্ষে কোনো শরয়ী প্রমাণ নেই।

রুকইয়ার ক্ষেত্রে গুরুত্বপূর্ণ সতর্কতা

বর্তমানে কিছু রাক্বী বা রোগী সামান্য মিল পেলেই বলেন, “তোমার কারীন সব তথ্য অন্য জ্বীনকে বলে দিচ্ছে।” এটি দলিলবিহীন বক্তব্য। আকীদার বিষয় কেবল কুরআন, সহীহ সুন্নাহ এবং সালাফে সালেহীনের বুঝ অনুযায়ী গ্রহণ করতে হবে। অনুমান, অভিজ্ঞতা বা কাহিনীর ওপর আকীদা প্রতিষ্ঠিত করা বৈধ নয়।

আমাদের করণীয়

* আল্লাহর ওপর তাওয়াক্কুল করা।
* সকাল-সন্ধ্যার মাসনূন যিকির নিয়মিত পড়া।
* আয়াতুল কুরসী, সূরা ইখলাস, ফালাক ও নাস পড়া।
* জাদুকর, গণক, তাবিজ ও কুসংস্কার থেকে দূরে থাকা।
* কোনো অদ্ভুত ঘটনা ঘটলেই কারীনের ওপর দোষ চাপিয়ে না দিয়ে শরয়ী দলিল অনুসরণ করা।

শেষকথাঃ
“কারীন জ্বীন মানুষের ব্যক্তিগত তথ্য অন্য কাউকে দেয়” এই বিশ্বাসের পক্ষে কুরআন বা সহীহ সুন্নাহয় কোনো স্পষ্ট প্রমাণ নেই। তাই এটিকে নিশ্চিত সত্য হিসেবে প্রচার করা বা মানুষের মাঝে ছড়িয়ে দেওয়া উচিত নয়। মুসলিমের কর্তব্য হলো দলিলভিত্তিক আকীদা গ্রহণ করা এবং গায়েবের বিষয়ে আল্লাহ ও তাঁর রাসূল ﷺ যতটুকু জানিয়েছেন, ততটুকুতেই সীমাবদ্ধ থাকা।
01972-668345

রুকইয়াহ করার মূলনীতি হলো কুরআনের আয়াত ও সহিহ দোআ পাঠ করে তাতে হালকাভাবে ফুঁ (نفث) দেওয়া। এটি নবী ﷺ থেকে প্রমাণিত একটি...
09/07/2026

রুকইয়াহ করার মূলনীতি হলো কুরআনের আয়াত ও সহিহ দোআ পাঠ করে তাতে হালকাভাবে ফুঁ (نفث) দেওয়া। এটি নবী ﷺ থেকে প্রমাণিত একটি বৈধ ও সুপরিচিত আমল।

📌 রুকইয়াহর জন্য ব্যবহারযোগ্য বস্তু

* পানি (যমযম হলে উত্তম)
* অলিভ অয়েল
* মধু
* অন্যান্য বৈধ খাবার বা পানীয়

📖 রুকইয়াহ করার পদ্ধতি

১. নিয়ত করুন

আল্লাহর সন্তুষ্টি ও তাঁর নিকট শিফা প্রার্থনার উদ্দেশ্যে নিয়ত করুন।

২. বস্তুটি সামনে রাখুন

পানি, অলিভ অয়েল, মধু বা যে বৈধ খাদ্যদ্রব্যের উপর রুকইয়াহ করতে চান তা সামনে রাখুন।

৩. নিম্নোক্ত আয়াত ও সূরাগুলো পাঠ করুন

(প্রতিটি ৩ বার বা প্রয়োজনমতো। তবে কোনো নির্দিষ্ট সংখ্যাকে আবশ্যক মনে করা যাবে না।)

* أعوذ بالله من الشيطان الرجيم
* بسم الله الرحمن الرحيم
* সূরা আল-ফাতিহা
* আয়াতুল কুরসী (সূরা আল-বাকারাহ: ২৫৫)
* সূরা আল-ইখলাস
* সূরা আল-ফালাক
* সূরা আন-নাস
* অন্যান্য কুরআনের আয়াত ও সহিহ দোআ

৪. হালকাভাবে ফুঁ (نفث) দিন

আয়াত বা দোআ পাঠের সময় বা শেষে হালকাভাবে ফুঁ দিন। ফুঁয়ের সাথে সামান্য লালার আর্দ্রতা থাকা স্বাভাবিক।

৫. ব্যবহার করুন

* রুকইয়াহকৃত পানি পান করতে পারেন বা গোসলে ব্যবহার করতে পারেন।
* অলিভ অয়েল পান করবেন এবং শরীরে মালিশ করবেন ।
* মধু খেতে পারেন।
* অন্যান্য খাবার বা পানীয় স্বাভাবিকভাবে গ্রহণ করতে পারেন।


📚 এ বিষয়ে দলিল

১. নবী ﷺ ফুঁ দিয়ে রুকইয়াহ করতেন

উম্মুল মুমিনীন আয়িশা (রা.) বর্ণনা করেন:

“রাসূলুল্লাহ ﷺ যখন অসুস্থ হতেন, তখন তিনি মু’আউয়িযাত (ইখলাস, ফালাক ও নাস) পাঠ করে নিজের উপর ফুঁ দিতেন।”
— সহিহ আল-বুখারী, সহিহ মুসলিম

২. রুকইয়াহতে সামান্য লালার আর্দ্রতা থাকা বৈধ

আয়িশা (রা.) থেকে বর্ণিত:

নবী ﷺ কখনো কখনো নিজের লালার সামান্য আর্দ্রতা আঙুলে নিয়ে দোআ পড়তেন।
— সহিহ আল-বুখারী, সহিহ মুসলিম

আলেমগণ বলেন, রুকইয়াহর সময় যে “نفث” করা হয় তা হলো হালকা ফুঁ, যার সাথে অতি সামান্য লালার আর্দ্রতা থাকতে পারে।

৩. কুরআন শিফা

আল্লাহ তাআলা বলেন:

“আমি কুরআনে এমন বিষয় নাযিল করি যা মুমিনদের জন্য শিফা ও রহমত।”
— আল-কুরআন

আরও বলেন:

“বলুন, এটি মুমিনদের জন্য হিদায়াত ও শিফা।”
— আল-কুরআন



🤲 নবী ﷺ এর শেখানো কিছু দোআ

أَعُوذُ بِكَلِمَاتِ اللَّهِ التَّامَّاتِ مِنْ شَرِّ مَا خَلَقَ

উচ্চারণ:
আউযু বি কালিমাতিল্লাহিত তাম্মাতি মিন শাররি মা খালাক।

অর্থ:
“আমি আল্লাহর পরিপূর্ণ বাণীর মাধ্যমে তাঁর সৃষ্ট বস্তুর অনিষ্ট থেকে আশ্রয় চাই।”

— সহিহ মুসলিম

بِسْمِ اللَّهِ أَرْقِيكَ مِنْ كُلِّ شَيْءٍ يُؤْذِيكَ

অর্থ:
“আল্লাহর নামে আমি তোমার জন্য রুকইয়াহ করছি, যা কিছু তোমাকে কষ্ট দেয় তা থেকে।”
— সহিহ মুসলিম

⚠️ গুরুত্বপূর্ণ কিছু কথা

* শিফা একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে।
* নির্দিষ্ট সংখ্যাকে আবশ্যক বা সুন্নাহর নির্ধারিত সংখ্যা মনে করা যাবে না, যদি তার স্পষ্ট দলিল না থাকে।
* রুকইয়াহ কোনো যাদুকরী প্রক্রিয়া নয়; এটি কুরআন, দোআ এবং আল্লাহর উপর তাওয়াক্কুলের একটি মাধ্যম।
* কুরআন তিলাওয়াত নিজে করা উত্তম, তবে অন্য কেউ পড়েও রুকইয়াহ করতে পারে।
* রুকইয়াহকৃত পানি, মধু বা তেলের মধ্যে নিজস্ব কোনো অলৌকিক ক্ষমতা নেই; বরং বরকত ও শিফা আল্লাহর পক্ষ থেকে আসে।

আল্লাহ তাআলা সকল অসুস্থ মুসলিমকে পূর্ণ শিফা দান করুন। আমীন। 🤲🏻
01972-668345

রুকইয়াহ (শরিয়তসম্মত ঝাড়ফুঁক) মূলত একটি দ্বীনি চিকিৎসা ও ইবাদত। একে পুঁজি করে যখন বাণিজ্যিক লালসা ও প্রতারণার জাল বিস্...
05/07/2026

রুকইয়াহ (শরিয়তসম্মত ঝাড়ফুঁক) মূলত একটি দ্বীনি চিকিৎসা ও ইবাদত। একে পুঁজি করে যখন বাণিজ্যিক লালসা ও প্রতারণার জাল বিস্তার করা হয়, তখন তা মানুষের ঈমান ও আমল উভয়কেই ক্ষতিগ্রস্ত করে।

কুরআন, সুন্নাহ এবং সালাফদের অনুসৃত নীতির আলোকে বিষয়টি পর্যালোচনা করা যাক।

১. পারিশ্রমিক গ্রহণের বৈধতা এবং তার সীমা

ইসলামে রুকইয়াহর বিনিময়ে পারিশ্রমিক বা হাদিয়া গ্রহণ করা মূলগতভাবে বৈধ। তবে এর একটি নির্দিষ্ট সীমা ও শর্ত রয়েছে।

হাদিসের দলিল

সহিহ বুখারী ও মুসলিমে বর্ণিত হয়েছে, এক সফরে সাহাবায়ে কিরামের একটি দল সূরা ফাতিহা দ্বারা এক গোত্রপ্রধানের চিকিৎসা করেন। বিনিময়ে তারা এক পাল ছাগল গ্রহণ করেন। পরে রাসূলুল্লাহ ﷺ-এর কাছে বিষয়টি উপস্থাপন করলে তিনি তা অনুমোদন করেন এবং বলেন:

“তোমরা যে সমস্ত জিনিসের বিনিময়ে পারিশ্রমিক গ্রহণ করো, তার মধ্যে আল্লাহর কিতাব (কুরআন) সবচেয়ে বেশি হকদার।”
[সহিহ বুখারী, হা/৫৭৩৭]

শিক্ষণীয় বিষয়

এই হাদিস থেকে পারিশ্রমিক গ্রহণের বৈধতা প্রমাণিত হয়। কিন্তু লক্ষণীয় যে, সাহাবীগণ রুকইয়াহকে পেশাদার ব্যবসায় রূপ দেননি, কিংবা মানুষের দুর্বলতাকে পুঁজি করে অর্থ উপার্জনের মাধ্যম বানাননি।

২. “১০০% গ্যারান্টি” ও অতিরঞ্জিত দাবির নিষেধাজ্ঞা

বর্তমানে কিছু রাক্বী দাবি করেন:

* “১০০% জিন তাড়িয়ে দেব”
* “নিশ্চিত জাদু কাটিয়ে দেব”
* “এক সেশনেই সমস্যার সমাধান”

এ ধরনের দাবি শরিয়তসম্মত নয়। কারণ শিফার মালিক একমাত্র আল্লাহ।

কুরআনের দলিল

আল্লাহ তাআলা বলেন:

“আর যখন আমি অসুস্থ হই, তখন তিনিই আমাকে আরোগ্য দান করেন।” [আল কুরআন, সূরা আশ-শু‘আরা: ৮০]

হাদিসের দলিল

রাসূলুল্লাহ ﷺ দোয়া করতেন:

“হে মানুষের রব! কষ্ট দূর করে দিন, আরোগ্য দান করুন। আপনিই আরোগ্যকারী। আপনার শিফা ছাড়া আর কোনো শিফা নেই।”[সহিহ বুখারী]

অতএব, রাক্বী কেবল একটি মাধ্যম। শিফা দানকারী একমাত্র আল্লাহ।

৩. মানুষের ভয় ও দুর্বলতাকে পুঁজি করে ব্যবসা করা

কিছু লোক রোগীকে ভয় দেখিয়ে বলে:

* “আপনার ওপর ভয়ংকর জাদু করা হয়েছে”
* “চিকিৎসা না করলে সর্বনাশ হয়ে যাবে”
* “অমুক সংখ্যক সেশন না নিলে মুক্তি নেই”

এর মাধ্যমে অযৌক্তিক অর্থ আদায় করা হয়, যা ইসলামের দৃষ্টিতে জুলুম ও প্রতারণার অন্তর্ভুক্ত।

কুরআনের দলিল

আল্লাহ তাআলা বলেন:

“হে ঈমানদারগণ! তোমরা একে অপরের সম্পদ অন্যায়ভাবে গ্রাস করো না।” [আল কুরআন, সূরা আন-নিসা: ২৯]

মানুষের কষ্ট ও দুর্বলতার সুযোগ নিয়ে অর্থ উপার্জন করা শরিয়তের উদ্দেশ্যের পরিপন্থী।

৪. সব সমস্যাকে জাদু বা জিনের ঘাড়ে চাপানো

আজকাল অনেক সাধারণ রোগ ও সমস্যাকেও জাদু, জিন বা বদনজরের ফল হিসেবে উপস্থাপন করা হয়। যেমন:

* ডিপ্রেশন
* উদ্বেগ (Anxiety)
* থাইরয়েড সমস্যা
* হরমোনজনিত জটিলতা
* পারিবারিক সমস্যা

কোনো সুস্পষ্ট প্রমাণ ছাড়া এসব বিষয়ে সিদ্ধান্ত দেওয়া গায়েব সম্পর্কে অনুমান করার শামিল।

কুরআনের দলিল

আল্লাহ তাআলা বলেন:

“যে বিষয়ে তোমার কোনো জ্ঞান নেই, তার পেছনে পড়ো না।”
(সূরা আল-ইসরা: ৩৬)

রাসূলুল্লাহ ﷺ নিজে অসুস্থ হলে বা সাহাবীরা অসুস্থ হলে যেমন রুকইয়াহ করতেন, তেমনি প্রাকৃতিক বা ভেষজ চিকিৎসাও (যেমন: কালোজিরা, মধু, কাপিং বা হিজামা) গ্রহণ করতেন। সব কিছুকে জিন-ভূতের কাজ মনে করা সালাফদের পদ্ধতি ছিল না।

৫. রুকইয়াহর সাথে শিরক ও বিদআতের মিশ্রণ

কিছু ক্ষেত্রে রুকইয়াহর নামে:

* তাবিজ (তামিমা)
* সুতা/তাগা
* লোহা
* রহস্যময় চিহ্ন
* অজ্ঞাত ভাষার লেখা
* বিশেষ ধূপ বা অদ্ভুত বস্তু

ব্যবহার করা হয়।

এসব শরয়ি রুকইয়াহর অন্তর্ভুক্ত নয়।

রাসূলুল্লাহ ﷺ বলেছেন:

“যে ব্যক্তি তামিমা (তাবিজ) ঝুলালো, সে শিরক করলো।”[মুসনাদ আহমাদ, হা/১৭৪৫৮; শাইখ আলবানী রহ. সহিহ বলেছেন)

সহিহ রুকইয়াহর ভিত্তি হলো কুরআন, সহিহ দোয়া এবং আল্লাহর নাম ও গুণাবলী।

সালাফদের আদর্শ ও একজন প্রকৃত রাক্বীর বৈশিষ্ট্য

সালাফদের মূল নীতি ছিল:

* তাওহীদ
* তাওয়াক্কুল
* ইখলাস
* সুন্নাহর অনুসরণ

তারা মানুষকে নিজেদের ওপর নির্ভরশীল বানাতেন না; বরং আল্লাহর ওপর ভরসা করতে শেখাতেন।

একজন আদর্শ রাক্বী:

✓ রোগীকে সেলফ-রুকইয়াহ শেখাবেন।
✓ কুরআনের সাথে সম্পর্ক দৃঢ় করতে উৎসাহিত করবেন।
✓ চিকিৎসাগত সমস্যায় ডাক্তার দেখানোর পরামর্শ দেবেন।
✓ নিজের জন্য অলৌকিক ক্ষমতার দাবি করবেন না।
✓ রোগীকে আল্লাহমুখী করবেন, রাক্বীমুখী নয় বা সেন্টারমূখী নয়।

শেষকথা

রুকইয়াহর সার্ভিস চার্জ গ্রহণের বৈধতা রয়েছে, যদি তা সততা, ন্যায্য পারিশ্রমিক এবং শরয়ি সীমারেখার মধ্যে হয়। কিন্তু যখন রুকইয়াহকে ভয়, অজ্ঞতা ও মানুষের দুর্বলতাকে পুঁজি করে একটি বাণিজ্যিক শিল্পে পরিণত করা হয়, তখন তা ইবাদতের রূহকে ক্ষতিগ্রস্ত করে এবং উম্মাহর মাঝে বিভ্রান্তি সৃষ্টি করে।

সুতরাং একজন মুসলিমের কর্তব্য হলো কুরআন-সুন্নাহভিত্তিক রুকইয়াহ গ্রহণ করা, অতিরঞ্জিত দাবি থেকে সতর্ক থাকা এবং সর্বদা মনে রাখা যে প্রকৃত শিফা একমাত্র আল্লাহর পক্ষ থেকেই আসে। প্রতিটি মুসলিমের এটি অনুধাবন করা উচিত।

@ 01972-668345

04/07/2026

📖 Understanding Ruqyah – Online Seminar 2026

আপনি কি Ruqyah সম্পর্কে authentic Islamic guidance জানতে চান?

Join our Online Seminar to learn:
✅ Correct Understanding of Ruqyah
✅ Common Misconceptions
✅ Practical Guidance from the **Qur'an & Sunnah**

🗓️ 18 July 2026 (Saturday)
🕰️ After Maghrib | In Sha Allah

💳 Course Fee: 250 BDT
📲 Bkash Merchant:
01704992056

👉 Register Now:
https://hijamaruqyahbd.com/ruqyah-seminar

🤍 *Since 2013*

From 5th to 15th July 2026 in Dhaka
02/07/2026

From 5th to 15th July 2026 in Dhaka

01/07/2026
28/06/2026

📖 রুকিয়াহ: সঠিক ধারণা, করণীয় ও দিকনির্দেশনা
UNDERSTANDING RUQYAH: GUIDANCE & PRACTICAL STEPS

📅 তারিখ: ১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার
🕰️ সময়: বাদ মাগরিব
💻 অনলাইন পেইড সেমিনার
ইন শা আল্লাহ

আপনি কি দীর্ঘদিন ধরে কোনো সমস্যা নিয়ে চিন্তিত এবং সঠিক দিকনির্দেশনা খুঁজছেন?
অনেকেই বিভিন্ন শারীরিক, মানসিক ও আত্মিক সমস্যার ক্ষেত্রে জানতে চান—ইসলামি দৃষ্টিকোণ থেকে করণীয় কী হতে পারে।

যেমন—
• অতিরিক্ত রাগ ও অস্থিরতা
• আয়-রোজগারে বিভিন্ন বাধা অনুভব করা
• চিকিৎসার পরও বারবার অসুস্থতা নিয়ে চিন্তা
• বিয়ে সংক্রান্ত জটিলতা বা বাধা
• ঘুমের সমস্যা ও খারাপ স্বপ্ন
• OCD / ওসওয়াসা ও অনাকাঙ্ক্ষিত চিন্তা
• নামাজ, কুরআন তিলাওয়াত ও ইবাদতে মনোযোগের সমস্যা
• বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক কষ্ট

রুকিয়াহ সম্পর্কে মানুষের আগ্রহ দিন দিন বাড়ছে। তবে এর পাশাপাশি সঠিক জ্ঞান অর্জন করা, ভুল ধারণা থেকে বেঁচে থাকা এবং বিষয়টি সঠিকভাবে বোঝাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।
আলহামদুলিল্লাহ, দীর্ঘ এক যুগেরও বেশি সময় ধরে কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক রুকিয়াহ সম্পর্কে সচেতনতা তৈরি এবং সঠিক তথ্য ও দিকনির্দেশনা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে।

📌 এই সেমিনারে জানতে পারবেন:
✅ রুকিয়াহ সম্পর্কে সঠিক ধারণা
✅ রুকিয়াহ নিয়ে প্রচলিত ভুল ধারণা ও বিভ্রান্তি
✅ বিভিন্ন সমস্যার ক্ষেত্রে করণীয় সম্পর্কে দিকনির্দেশনা
✅ সমস্যার সঠিক মূল্যায়ন ও বোঝার পদ্ধতি
✅ আক্রান্ত ব্যক্তির জন্য রুকিয়াহ ভিত্তিক করণীয় ও চিকিৎসা গাইডলাইন

💳 কোর্স ফি: ২৫০ টাকা
📅 ফি জমা দেওয়ার শেষ সময়:
১৮ জুলাই ২০২৬, শনিবার
🕑 দুপুর ০২:০০ টা পর্যন্ত

📲 Bkash Merchant:
01704992056

📝 নিবন্ধন প্রক্রিয়া:
১️⃣ প্রথমে কোর্স ফি জমা দিন।
২️⃣ এরপর Google Form পূরণ করুন।
৩️⃣ Form সম্পন্ন করার পর WhatsApp গ্রুপে যুক্ত হোন।

👉 **আসন সীমিত। তাই দ্রুত রেজিস্ট্রেশন সম্পন্ন করুন।**
👉রেজিস্ট্রেশন লিংক: https://forms.gle/2or1VSKbVPWvjqw59
👉More Info: https://hijamaruqyahbd.com/ruqyah-seminar

📞 যোগাযোগ:
01972668345
01704992056
01715525747

🌐 hijamaruqyahbd.com
**Since 2013**
জাযাকুমুল্লাহু খাইরান 🤍

যুবাইর বিন হাফিজ
26/06/2026

যুবাইর বিন হাফিজ

রুকইয়াহর নামে ব্যবসা নয়, চাই কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসারুকইয়াহ একটি ইবাদত ও শরয়ি চিকিৎসা। এর উদ্দেশ্য মানুষের উপকার ...
24/06/2026

রুকইয়াহর নামে ব্যবসা নয়, চাই কুরআন ও সুন্নাহভিত্তিক চিকিৎসা

রুকইয়াহ একটি ইবাদত ও শরয়ি চিকিৎসা। এর উদ্দেশ্য মানুষের উপকার করা, দীর্ঘমেয়াদি নির্ভরশীলতা সৃষ্টি করা নয়।

কোনো রোগী যদি বছরের পর বছর চিকিৎসা নিয়েও উন্নতি না পান, তবে তার অবস্থা নতুনভাবে মূল্যায়ন করা প্রয়োজন। একই সঙ্গে শারীরিক ও মানসিক রোগের সম্ভাবনাও গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করা উচিত।

আমাদের বিশ্বাস, কুরআন, সহিহ সুন্নাহ এবং বৈধ চিকিৎসা পদ্ধতিই একজন মুসলিমের পথনির্দেশক। তাই রুকইয়াহর নামে অপ্রমাণিত পদ্ধতি, অতিরিক্ত বাণিজ্যিকীকরণ এবং মানুষের অসহায়ত্বকে পুঁজি করার প্রবণতা থেকে সতর্ক থাকা প্রয়োজন।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সত্যকে সত্য হিসেবে গ্রহণ করার এবং বাতিল থেকে বেঁচে থাকার তাওফিক দান করুন। আমিন।
01972-668345

Address

Pollobi
Dhaka
1216

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Hijama & Ruqyah Foundation Bangladesh posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Hijama & Ruqyah Foundation Bangladesh:

Shortcuts

Share