Dr. Arman Reza Chowdhury - Cancer Specialist

Dr. Arman Reza Chowdhury - Cancer Specialist Senior Consultant - Radiation Oncology, Evercare Hospital Dhaka

27/04/2026

সঠিক প্রস্তুতি, চিকিৎসকের পরামর্শ এবং কিছু সাধারণ সতর্কতা মেনে চললে এই পবিত্র যাত্রা নিরাপদ ও সুন্দরভাবে সম্পন্....

ক্যান্সারে “গ্রেড” আর “স্টেজ” এক জিনিস না!অনেকে রিপোর্ট হাতে পেয়েই বলেন,“ডাক্তার সাহেব, Grade 3 মানে কি Stage 3?”না ভাই,...
27/04/2026

ক্যান্সারে “গ্রেড” আর “স্টেজ” এক জিনিস না!

অনেকে রিপোর্ট হাতে পেয়েই বলেন,
“ডাক্তার সাহেব, Grade 3 মানে কি Stage 3?”
না ভাই, একদম না।

Stage হলো ক্যান্সারের “লোকেশন রিপোর্ট”
মানে ক্যান্সার কোথায় আছে, কতদূর ছড়িয়েছে।

Grade হলো ক্যান্সারের “আচরণ রিপোর্ট”
মানে ক্যান্সার কোষগুলো কতটা দুষ্টু, দ্রুত বাড়তে চায় কি না।

সহজ করে বললে:
Stage = ক্যান্সার কতদূর গেছে
Grade = ক্যান্সার কতটা বদমেজাজি

তাই Grade 3 শুনেই মাথায় হাত দেওয়ার দরকার নেই।
আবার Stage কম মানেই সবসময় খুব আরাম করে বসে থাকার সুযোগ নেই।

ক্যান্সারের চিকিৎসা শুধু এক লাইনের রিপোর্ট দেখে হয় না।
বায়োপসি, CT/MRI/PET-CT, IHC, রোগীর বয়স, শারীরিক অবস্থা, অপারেশন হয়েছে কি না, সব মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নিতে হয়।

তাই রিপোর্ট দেখে গুগল-ডাক্তার, পাশের বাসার বিশেষজ্ঞ, আর ফেসবুক মেডিকেল বোর্ডের পরামর্শে ভয় পাবেন না।
সঠিক রিপোর্ট বুঝুন, সঠিক চিকিৎসকের সঙ্গে কথা বলুন।

ক্যান্সারকে হারানোর প্রথম ধাপ হলো ক্যান্সারকে ঠিকভাবে বোঝা।

My write-up on colorectal cancer has been published in The Daily Star today.Colorectal cancer is one of the important ca...
26/04/2026

My write-up on colorectal cancer has been published in The Daily Star today.

Colorectal cancer is one of the important cancers where awareness, timely screening, early diagnosis and proper treatment planning can make a real difference. I hope this article helps create more discussion and awareness among the general public.

Colorectal cancer is quietly becoming a growing concern in Bangladesh.

শিরোনাম: হেড-নেক ক্যানসারে নতুন আশার আলো—ইমিউনোথেরাপি এবং বাংলাদেশের বাস্তবতাহেড-নেক ক্যানসার আমাদের দেশে খুবই পরিচিত এক...
22/04/2026

শিরোনাম: হেড-নেক ক্যানসারে নতুন আশার আলো—ইমিউনোথেরাপি এবং বাংলাদেশের বাস্তবতা

হেড-নেক ক্যানসার আমাদের দেশে খুবই পরিচিত একটি রোগ। মুখ, গলা, জিহ্বা, স্বরযন্ত্র—এই অংশগুলোতে যে ক্যানসার হয়, তাকে সাধারণভাবে হেড-নেক ক্যানসার বলা হয়। তামাক, জর্দা, পান খাওয়া, ধূমপান এবং কিছু ভাইরাস সংক্রমণ এই রোগের প্রধান কারণ। অনেক সময় রোগটি দেরিতে ধরা পড়ে, ফলে চিকিৎসা কঠিন হয়ে যায়।

দীর্ঘদিন ধরে এই ক্যানসারের চিকিৎসা ছিল অপারেশন, রেডিওথেরাপি এবং কেমোথেরাপির ওপর নির্ভরশীল। কিন্তু এখন চিকিৎসায় এসেছে নতুন একটি পদ্ধতি—ইমিউনোথেরাপি, যা অনেক ক্ষেত্রে নতুন আশার আলো দেখাচ্ছে।

ইমিউনোথেরাপি কী?
সহজভাবে বললে, ইমিউনোথেরাপি এমন একটি চিকিৎসা যেখানে শরীরের নিজের প্রতিরোধ ক্ষমতাকে শক্তিশালী করে ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াই করানো হয়। আমাদের শরীরে স্বাভাবিকভাবেই রোগ প্রতিরোধ করার ক্ষমতা আছে। কিন্তু ক্যানসার কোষ অনেক সময় এই সিস্টেমকে ফাঁকি দিয়ে বেঁচে থাকে। ইমিউনোথেরাপির ওষুধ সেই ফাঁকিটা বন্ধ করে দেয়, ফলে টি-সেল সক্রিয় হয়ে টিউমারকে আক্রমণ করতে পারে। পেমব্রোলিজুম্যাব ও নিভোলুম্যাব এই গ্রুপের প্রধান ওষুধ।

কখন ব্যবহার করা হয়?
রিকারেন্ট বা পূনরায় ফিরে আসা কিংবা মেটাস্টেটিক বা ছড়িয়ে পড়া হেড-নেক ক্যান্সার এ ইমিউনোথেরাপি এখন স্ট্যান্ডার্ড চিকিৎসার অংশ। বিশেষ করে PD-L1 এক্সপ্রেশন বেশি থাকলে পেমব্রোলিজুম্যাব এককভাবে বা কেমোথেরাপির সাথে ব্যবহার করা হয়। যেসব রোগী প্লাটিনাম-ভিত্তিক কেমোথেরাপিতে ব্যর্থ হন, তাদের জন্য নিভোলুম্যাব একটি কার্যকর বিকল্প।

সুবিধা ও সীমাবদ্ধতাঃ
ইমিউনোথেরাপির বড় সুবিধা হলো—
১. দীর্ঘমেয়াদে কিছু রোগীর ক্ষেত্রে টেকসই রেসপন্স
২. তুলনামূলকভাবে কম পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া
৩. উন্নত জীবনমান

তবে কিছু সীমাবদ্ধতাও আছে—
১. সব রোগী একইভাবে সাড়া দেয় না
২. বায়োমার্কার নির্ভর রোগী নির্বাচন জরুরি (PD L1)
৩. কিছু ক্ষেত্রে ইমিউন-সম্পর্কিত পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া দেখা যেতে পারে

বর্তমানে চিকিৎসকরা চেষ্টা করছেন ইমিউনোথেরাপিকে রেডিওথেরাপি বা কেমোথেরাপির সাথে মিলিয়ে আরও ভালো ফল পাওয়ার। এতে কিছু ক্ষেত্রে ক্যানসারের ওপর আরও বেশি নিয়ন্ত্রণ পাওয়া যায়।

বাংলাদেশের প্রেক্ষাপট: আমরা কোথায় দাঁড়িয়েঃ
বাংলাদেশে ইমিউনোথেরাপির ব্যবহার ধীরে ধীরে বাড়ছে, তবে এখনও সীমিত। প্রধান চ্যালেঞ্জগুলো হলো—
১. উচ্চ ব্যয়, যা অধিকাংশ রোগীর নাগালের বাইরে
২. PD-L1 ও অন্যান্য বায়োমার্কার টেস্টিং ব‍্যাবস্হার অপ্রতুলতা
৩. অধিকাংশ রোগীর দেরিতে উপস্থিতি (advanced stage)

তবে ইতিবাচক দিকও রয়েছে—
১. কিছু টারসিয়ারি পর্যায়ের হাসপাতাল ও প্রাইভেট সেন্টারে ইতোমধ্যে নিয়মিত ব্যবহার শুরু হয়েছে
২. অনকোলজিস্টদের মধ্যে সচেতনতা বৃদ্ধি পাচ্ছে
৩. মাল্টিডিসিপ্লিনারি টিম (MDT) ভিত্তিক চিকিৎসা ধীরে ধীরে শক্তিশালী হচ্ছে

আগামী দিনের করণীয়ঃ
বাংলাদেশে ইমিউনোথেরাপিকে কার্যকরভাবে অন্তর্ভুক্ত করতে হলে—
১. খরচ কমানোর জন্য নীতিগত উদ্যোগ ও ইন্স্যুরেন্স কাভারেজ
২. বায়োমার্কার টেস্টিং সহজলভ্য করা
৩. ক্লিনিক্যাল ট্রায়ালে অংশগ্রহণ বাড়ানো
৪. চিকিৎসকদের প্রশিক্ষণ ও গাইডলাইনভিত্তিক চিকিৎসা নিশ্চিত করা

উপসংহারঃ
ইমিউনোথেরাপি হেড-নেক ক্যানসার চিকিৎসায় একটি যুগান্তকারী সংযোজন। তবে এটি একক সমাধান নয়। সঠিক রোগী নির্বাচন, গাইডলাইন ভিত্তিক ব্যবহার এবং দেশের বাস্তবতার সাথে সামঞ্জস্য রেখে পরিকল্পনা করতে পারলেই এর পূর্ণ সম্ভাবনা বাস্তবায়ন সম্ভব। বাংলাদেশেও ধীরে ধীরে এই আধুনিক চিকিৎসা পদ্ধতি প্রতিষ্ঠা পাচ্ছে—এখন দরকার সুসংগঠিত উদ্যোগ এবং নীতিগত সহায়তা।

ডাঃ আরমান রেজা চৌধুরী
ক‍্যান্সার বিশেষজ্ঞ
এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা

এপ্রিল মাস—Head and Neck Cancer Awareness Month উপলক্ষে আমার এই লেখা Daily Jugantor-এ প্রকাশিত হয়েছে।https://www.jugant...
17/04/2026

এপ্রিল মাস—Head and Neck Cancer Awareness Month উপলক্ষে আমার এই লেখা Daily Jugantor-এ প্রকাশিত হয়েছে।

https://www.jugantor.com/viewers-opinion/1089717

শিরোনাম: হেড-নেক ক্যানসার চিকিৎসায় আধুনিক রেডিওথেরাপি: সম্ভাবনা, বাস্তবতা ও করণীয়

বাংলাদেশে হেড-নেক ক্যানসার একটি নীরব মহামারী । মুখ, জিহ্বা, গলা, ল্যারিংস ও ন্যাসোফ্যারিংস—এই অঙ্গগুলোর ক্যানসার আমাদের দেশে উল্লেখযোগ্য হারে দেখা যায়। তামাক, জর্দা, পান-সুপারি, ধূমপান ইত্যাদি এই রোগের প্রধান কারণ। কিন্তু আশার কথা হলো—আধুনিক রেডিওথেরাপি এই রোগের চিকিৎসায় এক যুগান্তকারী পরিবর্তন এনেছে, যা শুধু রোগ নিয়ন্ত্রণই নয়, রোগীর জীবনের মানও উন্নত করছে।

আগে রেডিওথেরাপি যে উপায়ে দেয়া হতো তাতে ক্যানসারের পাশাপাশি আশপাশের সুস্থ টিস্যুও ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার সম্ভাবনা বেশি থাকত । কিন্তু বর্তমানে ইনটেনসিটি মডুলেটেড রেডিওথেরাপি (IMRT) এবং ভলিউমেট্রিক মডুলেটেড আর্ক থেরাপি (VMAT) প্রযুক্তির মাধ্যমে টিউমারের গঠন অনুযায়ী রেডিয়েশন প্রয়োগ করা সম্ভব হচ্ছে। এর ফলে টিউমারে যথাযথ উচ্চ ডোজ দেওয়া যায়, আবার লালাগ্রন্থি, স্পাইনাল কর্ড, ওরাল ক্যাভিটি—এসব গুরুত্বপূর্ণ অঙ্গ সুরক্ষিত রাখা যায়। এর বাস্তব ফলাফল হচ্ছে—মুখ শুকিয়ে যাওয়া, খাওয়ায় সমস্যা, কথা বলার অসুবিধা—এসব জটিলতা উল্লেখযোগ্যভাবে কমে গেছে।

ইমেজ-গাইডেড রেডিওথেরাপি (IGRT) এই নির্ভুলতাকে আরও এক ধাপ এগিয়ে নিয়েছে। প্রতিদিন চিকিৎসার আগে ইমেজিং করে রোগীর অবস্থান নিশ্চিত করা হয়, ফলে প্রতিটি সেশনই নির্ভুলভাবে দেওয়া সম্ভব হয়। এতে চিকিৎসার কার্যকারিতা বাড়ে এবং পুনরাবৃত্তির ঝুঁকি কমে।

হেড-নেক ক্যানসারের চিকিৎসায় একটি বড় লক্ষ্য হলো অঙ্গ সংরক্ষণ (Organ Preservation) । অনেক ক্ষেত্রে আগে যেখানে সার্জারি করে কণ্ঠনালী বা মুখের অংশ অপসারণ করতে হতো, এখন আধুনিক কনকারেন্ট কেমোরেডিওথেরাপির মাধ্যমে সেই অঙ্গ অক্ষত রেখেই চিকিৎসা সম্ভব হচ্ছে। এটি শুধু শারীরিক নয়, রোগীর মানসিক ও সামাজিক জীবনের জন্যও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

এখন প্রশ্ন হলো—এই উন্নত প্রযুক্তির বাস্তব প্রয়োগ আমাদের দেশে কতটা হচ্ছে? বাস্তবতা হলো, কিছু উন্নত কেন্দ্র ছাড়া এখনও অনেক জায়গায় এই সুবিধা সীমিত। ফলে অনেক রোগী আধুনিক চিকিৎসার পূর্ণ সুবিধা থেকে বঞ্চিত হন। এখানেই প্রয়োজন একটি সুসংগঠিত জাতীয় পরিকল্পনা ।

প্রথমত, ক্যানসার চিকিৎসায় বিকেন্দ্রীকরণ জরুরি। ঢাকা-কেন্দ্রিক সেবা থেকে বের হয়ে বিভাগীয় ও জেলা পর্যায়ে ধাপে ধাপে আধুনিক রেডিওথেরাপি ইউনিট স্থাপন করতে হবে।

দ্বিতীয়ত, প্রশিক্ষিত জনবল তৈরি করতে হবে। শুধু যন্ত্রপাতি থাকলেই হবে না—রেডিয়েশন অনকোলজিস্ট, মেডিক্যাল ফিজিসিস্ট, রেডিওথেরাপি টেকনোলজিস্ট—সবাইকে আধুনিক প্রযুক্তিতে দক্ষ করে তুলতে হবে।

তৃতীয়ত, কোয়ালিটি অ্যাসিউরেন্স বা মাননিয়ন্ত্রণ নিশ্চিত করতে হবে। রেডিওথেরাপি অত্যন্ত সংবেদনশীল চিকিৎসা, এখানে সামান্য ভুলেরও বড় প্রভাব থাকতে পারে। তাই প্রতিটি কেন্দ্রে নিয়মিত মান যাচাই বাধ্যতামূলক করা উচিত।

চতুর্থত, রোগীদের জন্য খরচ সহনীয় করা জরুরি। আধুনিক রেডিওথেরাপি অনেক ক্ষেত্রে ব্যয়বহুল, ফলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত রোগীদের জন্য এটি একটি বড় বাধা। সরকারি সহায়তা, স্বাস্থ্যবীমা বা পাবলিক-প্রাইভেট পার্টনারশিপের মাধ্যমে এই খরচ কমানো সম্ভব।

পঞ্চমত, দ্রুত রোগ নির্ণয় নিশ্চিত করতে হবে। অনেক রোগী দেরিতে আসেন, ফলে চিকিৎসা জটিল হয়ে যায়। প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করা গেলে রেডিওথেরাপির ফলাফল অনেক ভালো হয়।

আধুনিক রেডিওথেরাপির আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হলো হাইপোফ্র্যাকশনেশন, যেখানে কম সংখ্যক সেশনে চিকিৎসা সম্পন্ন করা যায়। এটি রোগীর জন্য সময় সাশ্রয়ী, খরচ কমায় এবং চিকিৎসা ব্যবস্থার ওপর চাপও কমায়—যা বাংলাদেশের মতো দেশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

সবকিছু বিবেচনায়, আধুনিক রেডিওথেরাপি এখন আর বিলাসিতা নয়, বরং প্রয়োজন। এটি শুধু একটি প্রযুক্তিগত উন্নয়ন নয়, বরং ক্যানসার চিকিৎসার একটি কার্যকর পথ।

যদি আমরা সচেতনতা বৃদ্ধি, দ্রুত রোগ নির্ণয়, আধুনিক প্রযুক্তির বিস্তার এবং দক্ষ জনবল তৈরিতে গুরুত্ব দিই—তাহলে হেড-নেক ক্যানসারের বিরুদ্ধে লড়াইয়ে আমরা উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি অর্জন করতে পারব।

এখন সময় এসেছে—নীতিনির্ধারক, চিকিৎসক এবং সমাজ একসাথে কাজ করার। কারণ, সঠিক পরিকল্পনা ও প্রয়াস থাকলে আধুনিক রেডিওথেরাপি হাজারো রোগীর জীবনে নতুন আশার আলো জ্বালাতে পারে।

ডাঃ আরমান রেজা চৌধুরী
ক‍্যান্সার বিশেষজ্ঞ
এভারকেয়ার হাসপাতাল ঢাকা

বাংলাদেশে হেড-নেক ক্যানসার একটি নীরব মহামারি। মুখ, জিহ্বা, গলা, ল্যারিংস ও ন্যাসোফ্যারিংস—এই অঙ্গগুলোর ক্যানসার ...

18/01/2026
রংপুরে ক্যান্সার রোগীদের পরামর্শ সেবা।৯ অক্টোবর ২০২৫(রোগীর অনুমতি নিয়ে ছবি তোলা হয়েছে)
13/10/2025

রংপুরে ক্যান্সার রোগীদের পরামর্শ সেবা।
৯ অক্টোবর ২০২৫

(রোগীর অনুমতি নিয়ে ছবি তোলা হয়েছে)

আমার ‘বিশ্ব হসপিস অ্যান্ড প্যালিয়েটিভ কেয়ার ডে ২০২৫’ নিয়ে লেখা নিবন্ধটি গতকাল দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছ...
13/10/2025

আমার ‘বিশ্ব হসপিস অ্যান্ড প্যালিয়েটিভ কেয়ার ডে ২০২৫’ নিয়ে লেখা নিবন্ধটি গতকাল দৈনিক যুগান্তর পত্রিকায় প্রকাশিত হয়েছে।

প্রতি বছর অক্টোবর মাসের দ্বিতীয় শনিবার পালিত হয় বিশ্ব প্যালিয়েটিভ কেয়ার ও হসপিস দিবস (World Hospice and Palliative Care Day)। এই দিবসের ম....

স্তন ক্যান্সার নির্ণয়ে আল্ট্রাসোনোগ্রাফির (USG) ভূমিকাবাংলাদেশে স্তন ক্যান্সারের হার দ্রুত বাড়ছে, আর প্রাথমিক পর্যায়ে সঠ...
08/10/2025

স্তন ক্যান্সার নির্ণয়ে আল্ট্রাসোনোগ্রাফির (USG) ভূমিকা

বাংলাদেশে স্তন ক্যান্সারের হার দ্রুত বাড়ছে, আর প্রাথমিক পর্যায়ে সঠিকভাবে শনাক্ত করা গেলে সম্পূর্ণ নিরাময়ের সম্ভাবনা অনেক বেশি। এজন্য শুধুমাত্র “ম্যামোগ্রাফি” নয়, আল্ট্রাসোনোগ্রাফি (USG)-ও এখন ব্রেস্ট ক্যান্সার ম্যানেজমেন্টে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ একটি উপাদান।

*** USG কীভাবে কাজ করে?

USG বা আল্ট্রাসোনোগ্রাফি শব্দতরঙ্গের মাধ্যমে স্তনের টিস্যুর ভেতরের গঠনকে দৃশ্যমান করে। এটি রেডিয়েশন-মুক্ত, ব্যথাহীন, এবং নিরাপদ একটি পদ্ধতি — যা টিস্যুর ঘনত্ব, টিউমারের প্রকৃতি এবং অবস্থান স্পষ্টভাবে দেখাতে পারে।

*** স্তন ক্যান্সার নির্ণয়ে USG এর ভূমিকা:

১. Dense Breast এ বেশি কার্যকর:
যেসব মহিলার স্তন টিস্যু dense বা ঘন (সাধারণত ৪০ বছরের নিচে বয়স), তাদের ক্ষেত্রে ম্যামোগ্রাফিতে ছোট ক্ষুদ্র টিউমার খুঁজে পাওয়া নাও যেতে পারে। সেখানে USG অনেক সময় সেই টিউমার শনাক্ত করতে সক্ষম হয়।

২. Solid vs Cystic পার্থক্য নির্ণয়:
USG দ্বারা বোঝা যায় চাকা বা দলাটি solid নাকি তরল (cystic) — যা পরবর্তী চিকিৎসা পরিকল্পনা নির্ধারণে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

৩. বায়োপসি গাইড হিসেবে ব্যবহৃত হয়:
যখন টিস্যু সংগ্রহ (core biopsy / FNAC) প্রয়োজন হয়, তখন USG-guided biopsy সবচেয়ে নিরাপদ ও নির্ভুল উপায়।

৪. চিকিৎসার পর ফলো-আপ:
কেমোথেরাপির পর রোগীর টিউমারের আকার কমছে কি না, বা নতুন কোনো লেশান তৈরি হয়েছে কি না, তা পর্যবেক্ষণের জন্য USG খুব কার্যকর।

৫. নোডাল ইনভলভমেন্ট মূল্যায়ন:
বগলের (axillary) লিম্ফ নোডে ছড়িয়েছে কি না, সেটিও USG দ্বারা প্রাথমিকভাবে মূল্যায়ন করা যায়।

*** USG এর বিশেষ সুবিধাসমূহ:

ক. কোনো রেডিয়েশন ঝুঁকি নেই
খ. গর্ভবতী নারী ও তরুণ রোগীদের জন্য নিরাপদ
গ. সাশ্রয়ী ও সহজলভ্য
ঘ. রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসা পরিকল্পনা উভয় ক্ষেত্রেই সহায়ক

প্রাথমিক স্তরে ব্রেস্ট ক্যান্সার শনাক্ত করতে “Triple Assessment” অর্থাৎ
1️⃣ ক্লিনিক্যাল পরীক্ষা
2️⃣ ইমেজিং (USG ± Mammography)
3️⃣ বায়োপসি
— এই তিনটি ধাপই সবচেয়ে নির্ভরযোগ্য সমন্বিত পদ্ধতি।

তাই স্তনে কোনো চাকা বা দলা , ব্যথা বা চামড়ার পরিবর্তন অনুভব করলে অবহেলা করবেন না। প্রথম ধাপে একটি ব্রেস্ট USG করান এবং অভিজ্ঞ অনকোলজিস্ট বা সার্জনের পরামর্শ নিন।সময়মতো সঠিক পদক্ষেপই বাঁচাতে পারে একটি জীবন।

স্তন ক্যান্সার নারীদের মধ্যে সবচেয়ে কমন ক্যান্সারগুলোর একটি। কিন্তু সুখবর হলো — প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে এটি সম্পূর্...
07/10/2025

স্তন ক্যান্সার নারীদের মধ্যে সবচেয়ে কমন ক্যান্সারগুলোর একটি। কিন্তু সুখবর হলো — প্রাথমিক পর্যায়ে ধরা পড়লে এটি সম্পূর্ণভাবে নিরাময়যোগ্য এবং এই প্রাথমিক পর্যায়ে শনাক্ত করার একটি কার্যকর উপায় হলো — ম্যামোগ্রাফি (Mammography)।

*** ম্যামোগ্রাফি কী?

ম্যামোগ্রাফি হলো স্তনের একটি বিশেষ এক্স-রে পরীক্ষা যা খুব সূক্ষ্ম পরিবর্তন বা অস্বাভাবিকতা ধরতে পারে — এমনকি যখন কোনো লক্ষণও বোঝা যায় না। এটি স্তনের অভ্যন্তরীণ টিস্যুর উচ্চ-রেজোলিউশনের ছবি দেয়, যার মাধ্যমে চিকিৎসক ছোট ছোট ক্যালসিফিকেশন বা অস্বাভাবিক কোষ বৃদ্ধি সনাক্ত করতে পারেন।

*** কেন ম্যামোগ্রাফি জরুরি?

১. স্তন ক্যান্সার যখন খুব ছোট অবস্থায় থাকে, তখন চিকিৎসা সহজ ও সফলতার হার প্রায় ৯৫% পর্যন্ত।
২. টিউমার ছোট অবস্থায় ধরা পড়লে স্তন সংরক্ষণ করে চিকিৎসা সম্ভব হয় (Breast Conserving Surgery)
৩. গবেষণায় দেখা গেছে, নিয়মিত ম্যামোগ্রাফি করানো নারীদের স্তন ক্যান্সারজনিত মৃত্যুহার ৩০–৪০% পর্যন্ত কম।
৪. দীর্ঘ চিকিৎসা বা কেমোথেরাপি ছাড়াই প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা শেষ করা সম্ভব হয়।

৪০ বছর বা তার বেশি বয়সী নারীদের প্রতি ১–২ বছর অন্তর ম্যামোগ্রাফি করা উচিত।

*** ম্যামোগ্রাফি কিভাবে করা হয়?

অনেকে ভাবেন এই পরীক্ষা খুব জটিল বা ব্যথাদায়ক — আসলে তা নয়।পুরো প্রক্রিয়াটি নিরাপদ, দ্রুত, এবং সাধারণত ১৫–২০ মিনিটের মধ্যেই শেষ হয়।

প্রস্তুতি ধাপ:
রোগীকে একটি বিশেষ গাউন পরানো হয়।
গলার চেইন, ব্রা খুলে ফেলতে বলা হয়, কারণ এগুলো ছবিতে দাগ (artefact)ফেলতে পারে।

ছবি তোলার ধাপ (Imaging):
রোগীকে একটি বিশেষ মেশিনের সামনে দাঁড়াতে বা বসতে বলা হয়। মেশিনের দুটি সমতল প্লেটের মধ্যে স্তনটি কয়েক সেকেন্ডের জন্য হালকা চাপে ধরা হয়, যাতে ভেতরের টিস্যুগুলো পরিষ্কারভাবে দেখা যায়। সাধারণত প্রতি স্তনের দুই দিক থেকে (উপরে–নিচে ও পাশ থেকে) ছবি তোলা হয়। কিছু সময়ের জন্য অল্প চাপ লাগলেও এটি সহনীয় এবং খুব দ্রুত শেষ হয়।

বিশ্লেষণ ধাপ (Interpretation):
তোলা ছবিগুলো একজন রেডিওলজিস্ট বা ব্রেস্ট ইমেজিং বিশেষজ্ঞ বিস্তারিতভাবে পর্যবেক্ষণ করেন। প্রয়োজনে তুলনা করার জন্য আগের ম্যামোগ্রাফি ছবিও দেখা হয়। রিপোর্টে স্তনের গঠন, ঘনত্ব, কোনো অস্বাভাবিকতা আছে কিনা—তা উল্লেখ করা হয়।

রিপোর্ট ও পরবর্তী ধাপ:
সাধারণত ২৪–৪৮ ঘণ্টার মধ্যে রিপোর্ট পাওয়া যায়।
রিপোর্টে কোনো অস্বাভাবিকতা থাকলে ডাক্তার আল্ট্রাসাউন্ড বা বায়োপসি করার পরামর্শ দিতে পারেন।

স্তন ক্যান্সার মানেই শেষ নয়।
সচেতনতা, নিয়মিত পরীক্ষা, এবং প্রাথমিক পর্যায়ে চিকিৎসা—এই তিনটি বিষয় জীবন বাঁচাতে পারে।

স্তন ক্যান্সার নির্ণয়ে কেন বায়োপসি জরুরি? FNAC (Fine Needle Aspiration Cytology):এটি একটি সূচ ফোটানো টেস্ট, যেখানে টিউমা...
02/10/2025

স্তন ক্যান্সার নির্ণয়ে কেন বায়োপসি জরুরি?

FNAC (Fine Needle Aspiration Cytology):
এটি একটি সূচ ফোটানো টেস্ট, যেখানে টিউমার থেকে অল্প কিছু রসের মাধ্যমে কোষ সংগ্রহ করা হয়। এতে ক্যান্সার আছে কি না ধারণা পাওয়া যায়, কিন্তু—
টিউমারের ধরন (ductal / lobular)
গ্রেড (low / high)
রিসেপ্টর স্ট্যাটাস (ER, PR, HER2) - এসব জানা যায় না।

বায়োপসি (Biopsy):
এতে টিউমারের একটি অংশ বা পুরো টিস্যু নিয়ে পরীক্ষা করা হয়। এর মাধ্যমে—
✔️ টিউমারের সঠিক ধরণ
✔️ ক্যান্সার কতটা গভীরে ছড়িয়েছে
✔️ গ্রেড
✔️ হরমোন রিসেপ্টর / HER2 স্ট্যাটাস
সব তথ্যই নির্ভুলভাবে পাওয়া যায়।

কেন এটা জরুরি?
কারণ চিকিৎসার ধাপ (অস্ত্রোপচার, কেমোথেরাপি, রেডিওথেরাপি, হরমোন থেরাপি) নির্ভর করে এই তথ্যগুলোর ওপর।

FNAC হলো প্রাথমিক পরীক্ষা, কিন্তু চূড়ান্ত ও সঠিক চিকিৎসা পরিকল্পনার জন্য বায়োপসি অপরিহার্য।

Address

Evercare Hospital
Dhaka
1229

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Arman Reza Chowdhury - Cancer Specialist posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Arman Reza Chowdhury - Cancer Specialist:

Shortcuts

Share