Islamic Matrimony fb page

Directions Contact the practice

Islamic Matrimony fb page way to get married

15/09/2026

এক হি*ন্দু বললোঃ "তগো মুসলিম নারীগো তো আমরা খেয়ে দিচ্ছি"!!!
আমি বললামঃ "কে মুসলিম? যাদের খাচ্ছিস তারা তো আমাদের কেহ নয়।
হিজাব তো মিয়া খলিফাও পড়ে আবার আফিয়া সিদ্দিকাও পড়ে।
[মিয়া খলিফা-পর্ন তারকা] আর আফিয়া সিদ্দিকার মধ্যে তফাৎ করতে না পারলে বেশ্যা আর মু'মিনা চিনবি কেমনে?

হিন্দুটি বললোঃ তোদের মুসলিম নারীর চরিত্র কেমন? কিভাবে চিনবো?

আমি বললামঃ সহীহ মুসলিমের এই হাদিসটি দেখ!!

عَنْ أَنَسِ ، أَنَّ أَمَّ سُلَيْمِ اتَّخَذَتْ يَوْمَ حُنَيْنٍ خِنْجَرًا فَكَانَ مَعَهَا، فَرَآهَا أَبُو طَلْحَةَ، فَقَالَ : يَا رَسُولَ اللَّهِ، هَذِهِ أَمُّ سُلَيْمٍ مَعَهَا خِنْجَرٌ. فَقَالَ لَهَا رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " مَا هَذَا الْخِنْجَرُ ؟ ". قَالَتِ : اتَّخَذْتُهُ إِنْ دَنَا مِنِّي أَحَدٌ مِنَ الْمُشْرِكِينَ بَقَرْتُ بِهِ بَطْنَهُ. فَجَعَلَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَضْحَكَ، قَالَتْ : يَا رَسُولَ اللَّهِ، اقْتُلْ مَنْ بَعْدَنَا مِنَ الطَّلَقَاءِ : انْهَزَمُوا بِكَ. فَقَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ : " يَا أُمَّ سُلَيْمٍ، إِنَّ اللَّهَ قَدْ كَفَى وَأَحْسَنَ ".

হিন্দুটিকে হাদিসটি বের করে দেখাতেই ১ম লাইনেই আটকিয়ে গেলো,
লাইনটা ছিলো উম্মে সুলাইম রাঃ এর মুখে উচ্চারিত।
রাসূল (সাঃ) জিজ্ঞেস করলেনঃ এ "খানজার" কিসের জন্য?

তখন উম্মে সুলাইম (রাঃ) বললেন-
এটি এজন্য নিয়েছি যদি কোন বিধর্মী মুশরিক আমার কাছাকাছি আসে,
তবে তলোয়ার দিয়ে আমি তার পেট চিরে ফেলবো।

হিন্দুটি এই লাইনটি পড়ে থরথর করে কাঁপতে লাগলো।
আমি বললামঃ এই হলো আমাদের মুসলিম নারীদের চরিত্র।আর যাকে খাচ্ছিস ওটা বড়জোর মিয়া খলিফা টাইপের।

এই নারী আমাদের নয়,
আমরা আমাদের নারীদের ইজ্জত রক্ষার্থে বনু কাইনুকা বানাইছিলাম,
কিন্তু এই নারী আমাদের নয়।

বোনেরা উম্মে সুলাইম হবে কবে বলো আর?
নিজের কলিজা ছিড়ে নয়,
শপথ করিবে মুশরিকদের কলিজা ছি(ড় ফেলার।।⚔️⚔️

সংগৃহীত✍️

14/09/2026

প্রশ্ন:
আসসালামু আলাইকুম ওয়া রহমাতুল্লাহ শাইখ।

কোনো মেয়ের স্বামী সম্পদশালী থাকা সত্ত্বেও, সেই মেয়ে যদি পিতা-মাতার সম্পদে তার হক না ছাড়ে,
বাব- মা বলার পরেও দাবি না ছাড়ে, নিজের হক নিতে চায়, তাহলে কী তা নাজায়েজ হবে, তার জন্য কি সে গুনাহগার হবে?

এক্ষেত্রে বাবা মার কথা অমান্য করলে কি আল্লাহ তাআলা আখেরাতে তাকে পাকড়াও করবেন?

উত্তর:
কোনো বিবাহিত মেয়ের স্বামী যত সম্পদশালী হোক না কেন, পিতা-মাতার সম্পত্তিতে মেয়ের যে উত্তরাধিকার বা হক রয়েছে তা ঠিক থাকে। এতে কোনো পরিবর্তন ঘটে না।

তাই ওই মেয়ের জন্য তার প্রাপ্য অধিকার দাবি করা শরিয়তসম্মত। এতে সে মোটেও গুনাহগার হবে না।

এমনকি পিতা-মাতা জীবিতাবস্থায় যদি মেয়েকে তাদের মৃত্যুর পরে তার হক ছেড়ে দিতে বলেন (নাদাবি দেওয়ার নির্দেশ দেন), তাহলেও পিতা-মাতার এই নির্দেশ পালন করা আবশ্যক নয়। এর জন্য আল্লাহ তাআলা আখেরাতে তাকে পাকড়াও বা শাস্তি দেবেন না।

কারণ কুরআনে আল্লাহ তাআলা পুরুষদের পাশাপাশি নারীদেরও মিরাসের অধিকার সুনির্দিষ্ট করে দিয়েছেন। তিনি বলেন,

لِّلرِّجَالِ نَصِيبٌ مِّمَّا تَرَكَ الْوَالِدَانِ وَالْأَقْرَبُونَ وَلِلنِّسَاءِ نَصِيبٌ مِّمَّا تَرَكَ الْوَالِدَانِ وَالْأَقْرَبُونَ مِمَّا قَلَّ مِنْهُ أَوْ كَثُرَ ۚ نَصِيبًا مَّفْرُوضًا

"পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে পুরুষদের অংশ আছে এবং পিতা-মাতা ও আত্মীয়-স্বজনের পরিত্যক্ত সম্পত্তিতে নারীদেরও অংশ আছে; তা অল্পই হোক কিংবা বেশি, এ অংশ নির্ধারিত ফরজ।" [সূরা নিসা: ৭]

সুতরাং হকদার ব্যক্তি স্বেচ্ছায় তার প্রাপ্য হক না ছাড়লে মা-বাবা কিংবা অন্য কেউ তাকে ছাড়ার জন্য বাধ্য করতে পারে না; বাবা-মা ছাড়তে নির্দেশ দিলেও তা পালন করা আবশ্যক নয়। বরং এক্ষেত্রে চাপ সৃষ্টি করে নাদাবি নেওয়া সম্পূর্ণ অন্যায় ও জুলুম।

▪️ অন্যায় আদেশে পিতা-মাতার আনুগত্য করা আবশ্যক নয়:

পিতা-মাতা যদি আল্লাহর নির্ধারিত কোনো ফরজের বিরুদ্ধে আদেশ করেন তবে তা মানা জায়েজ নয়।

রসুলুল্লাহ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম) বলেছেন:

لَا طَاعَةَ فِي مَعْصِيَةٍ، إِنَّمَا الطَّاعَةُ فِي الْمَعْرُوفِ

"আল্লাহর অবাধ্যতার কাজে কোনো আনুগত্য নেই; আনুগত্য কেবল সৎ ও ন্যায়সঙ্গত কাজে।" [সহীহ বুখারী: ৭২৫৭, সহীহ মুসলিম: ১৮৪০]

মেয়েটি নিজের অধিকার দাবি করে কোনো গুনাহ করছে না। তাই তাকে নাদাবি দিতে বাধ্য করা পিতা-মাতা বা ভাইদের জন্য কোনোভাবেই বৈধ নয়।

সুতরাং মেয়েটি নিজের শরিয়তসম্মত মিরাসি হক দাবি করার অধিকার রাখে। শরিয়তে এতে কোনো বাধা নেই।

তবে হক ছেড়ে দিতে নির্দেশ বা অনুরোধের প্রেক্ষাপটে পিতা-মাতা ও ভাই-বোনদের সাথে সম্পর্ক অটুট রাখতে নম্রতা ও প্রজ্ঞার সাথে বিষয়টি বোঝানো উচিত যে, এই হক আল্লাহর নির্ধারিত ফরজ বিধান। তার স্বামীর আর্থিক অবস্থার সাথে এর কোনো সম্পর্ক নেই। কোন কারণে স্বামীর সাথে মনোমালিন্য হওয়ার কারণে তালাক ঘটলে ভবিষ্যতে তার নিজের অর্থের প্রয়োজন হতে পারে।

আর সে আদতে অন্যায্য কিছু দাবি করছে না। এটা মহান আল্লাহ কর্তৃক নির্ধারিত তার পাওনা।

তবে হ্যাঁ, কোনো নারী যদি চায় প্রয়োজন না থাকলে তার প্রাপ্য হক পুরোটা কিংবা আংশিক তার অন্যান্য গরিব উত্তরাধিকারীদের জন্য ছাড় দিতে পারেন। এতে তিনি সওয়াবের অধিকারী হবেন।

কিন্তু কোনো অবস্থাতেই কেউই তাকে তার প্রাপ্য অংশ ছাড় দিতে বা নাদাবি দিতে বাধ্য করতে পারবে না। কেউ এমনটি করলে সে গুনাহগার হবে। তার উচিত আল্লাহকে ভয় করা এবং প্রাপককে তার প্রাপ্য কোনো ধরণের দ্বিধা-সংকট ছাড়া নিঃশর্তভাবে প্রদান করা।

আল্লাহু আলাম।

উত্তর প্রদানে:
আব্দুল্লাহিল হাদী বিন আব্দুল জলীল মাদানি
দাঈ,জুবাইল দাওয়াহ অ্যাসোসিয়েশন, সৌদি আরব।

#সংক্ষিপ্ত_প্রশ্নোত্তর

14/09/2026

এক যুগে অত্যন্ত এক ধনী ব্যবসায়ী ছিল। তার ধন-সম্পদ ও ব্যবসার পরিধি এতই বিশাল ছিল যে, সে নিজেই তার সম্পদের সঠিক হিসাব জানত না।

কিন্তু লোকটি ছিল প্রচণ্ড কৃপণ। সে তার পরিবার, গরিব-দুঃখী বা নিজের আরামের জন্যও কখনো একটি পয়সা খরচ করতে চাইত না। তার একমাত্র নেশা ছিল স্বর্ণ জমানো।

নিজের সম্পদের নিরাপত্তার জন্য সে তার প্রাসাদের মাটির নিচে এক গোপন কুঠুরি নির্মাণ করেছিল। সেই কুঠুরির দরজা ছিল ভারী লোহার তৈরি, যা খুলতে একটি বিশেষ চাবি লাগত। কেউ জানত না এই কুঠুরির কথা।

প্রতিদিন গভীর রাতে সবাই যখন ঘুমিয়ে পড়ত, তখন ব্যবসায়ী চুপিচুপি সেই কুঠুরিতে যেত। সেখানে রাখা পাহাড়সমান স্বর্ণমুদ্রা ও হীরা-জহরত নেড়েচেড়ে দেখত আর এক অদ্ভুত আনন্দে তার বুক ভরে যেত।

একদিন সে একইভাবে তার গোপন কুঠুরিতে ঢুকে স্বর্ণমুদ্রা গুনতে বসল। চাবিটি সে দরজার বাইরেই ভুল করে রেখে এসেছিল। হঠাৎ অসাবধানতাবশত ভারী লোহার দরজাটি বন্ধ হয়ে গেল!

ব্যবসায়ী চমকে উঠে দরজার কাছে ছুটে গেল। সে প্রাণপণে ধাক্কা দিতে লাগল, কিন্তু ভারী দরজা একটুও নড়ল না। বাইরে থেকে চাবি না দিলে ভেতর থেকে এই দরজা খোলার কোনো উপায় ছিল না।

সে পাগলের মতো চিৎকার করতে লাগল, "বাঁচাও! কেউ দরজা খোলো!" কিন্তু কুঠুরিটি মাটির এত গভীরে ছিল যে, তার সেই আর্তনাদ বাইরের কারও কানেই পৌঁছাল না।

তার পরিবার ভাবল, সে হয়তো ব্যবসার কাজে দূরবর্তী কোনো শহরে গেছে, যা সে প্রায়ই করত।
দিনের পর দিন পার হতে লাগল। ব্যবসায়ীটি সেই অন্ধকার ঘরে আটকা পড়ে রইল।

তার চারদিকে থরে থরে সাজানো রাশি রাশি স্বর্ণমুদ্রা, ঝলমলে হীরা আর মণি-মুক্তা। কিন্তু তার পেটে প্রচণ্ড ক্ষুধা আর তৃষ্ণায় তার গলা ফেটে রক্ত বের হওয়ার উপক্রম।

সে ক্ষুধার জ্বালায় কয়েকটা স্বর্ণমুদ্রা চিবানোর চেষ্টা করল, কিন্তু তাতে তার দাঁত ভেঙে মুখ দিয়ে রক্ত বের হয়ে গেল।

সে বুঝতে পারল, তার সারাজীবনের জমানো এই বিশাল সম্পদ তাকে এক ফোঁটা পানি বা এক টুকরো রুটিও কিনে দিতে পারছে না!

কয়েকদিন পর, যখন তার মৃত্যুর সময় ঘনিয়ে এল, তখন সে চরম অনুশোচনায় নিজের আঙুল কেটে বের হওয়া রক্ত দিয়ে কুঠুরির দেয়ালে জীবনের সবচেয়ে বড় সত্য কথাটি লিখে রেখে গেল:

"আজ আমার কাছে পৃথিবীর সব ধন-সম্পদ আছে। কিন্তু কেউ যদি আজ আমাকে মাত্র এক গ্লাস পানি আর এক টুকরো শুকনো রুটি দেয়, তবে আমি হাসিমুখে আমার এই পুরো সম্পদের পাহাড় তাকে দিয়ে দেব!"

কয়েক মাস পর তার পরিবার যখন সেই কুঠুরির সন্ধান পেয়ে দরজা ভাঙল, তখন তারা দেখল,

স্বর্ণমুদ্রার পাহাড়ের ওপর লোকটির শুকনো কঙ্কাল পড়ে আছে, আর দেয়ালে লেখা আছে রক্তে ভেজা সেই করুণ সত্যটি।

আমরা সারাজীবন পাগলের মতো শুধু টাকা আর সম্পদের পেছনে ছুটি।

কিন্তু আমরা ভুলে যাই যে, টাকা বা সম্পদ নিজে থেকে আমাদের কোনো সুখ বা শান্তি দিতে পারে না। এর আসল মূল্য হলো এটিকে সঠিক জায়গায় ব্যবহার করায়।

এক বুযুর্গ বলেন,

যে সম্পদ দিয়ে আপনি নিজের পরিবারের মুখে হাসি ফোটাতে পারলেন না...

যে সম্পদ দিয়ে কোনো গরিবের ক্ষুধা মেটাতে পারলেন না...

যে সম্পদ দিয়ে পরকালের জন্য কোনো নেক আমল জমা করতে পারলেন না...

সেই জমানো সম্পদের কোনোই দাম নেই!

কখনোই টাকার 'দাস' হয়ে নিজের জীবন ও আখেরাতকে ধ্বংস করবেন না।

Salman Farsi
-- মেসালি হেকায়াত

13/09/2026

❝মেট্রিক পরীক্ষায় ফেল করলেও জীবনসঙ্গী বাছাই করতে বাজিমাৎ করলেন অনামিকা❞ -- সাংবাদিক সাহেব এমন শিরোনামেই সংবাদ বানিয়েছেন।

এভাবে সংবাদ পরিবেশন করে আপনারা আসলে কী বার্তা দিচ্ছেন?

খবরটি পড়ে মনে হলো, চীনা নাগরিককে বিয়ে করাটাই যেন একটি মেয়ের জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন! সঙ্গে রোমান্টিক ব্যাকগ্রাউন্ড মিউজিক।

অথচ সংবাদটির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নগুলো কোথায়?

মেয়েটি এ বছর মেট্রিক পরীক্ষায় ফেল করেছে, অপ্রাপ্ত্যবয়স্ক । তাহলে ৩২ বছর বয়সী একজন বিদেশি নাগরিকের সঙ্গে তার বিয়ে কীভাবে হলো?

এই বিয়ে কোন কাজী বিয়ে পড়ালেন?
কোন রেজিস্টারে বিয়েটি নিবন্ধিত হলো?
বয়স যাচাই করা হয়েছিল কি?
স্থানীয় জনপ্রতিনিধিদের ভূমিকা কী ছিল?
প্রশাসন বিষয়টি জানত কি না?
জানলে তাদের পদক্ষেপ কী ছিল?

এসব প্রশ্ন নিয়ে অনুসন্ধানী সংবাদ হওয়ার কথা ছিল।

বাংলাদেশের অন্য কোনো এলাকায় বাল্যবিবাহের খবর পেলে দেখি প্রশাসন ছুটে যায়, বিয়ে বন্ধ করে, জরিমানা করে, মামলা হয়, বিষয়টি নিয়ে বড় বড় সংবাদও হয়।

তাহলে এই ঘটনায় সেই প্রশ্নগুলো কোথায়?

বিদেশি নাগরিক হলেই কি বাংলাদেশের আইনও বদলে যায়?

একটি অবৈধ বিয়ে নিয়ে প্রশ্ন না করে বরং মেয়েটির প্রেমকাহিনি তুলে ধরে রোমান্টিক আবহ তৈরি করা হয়েছে।

বালপাকনা মেয়েটি সাংবাদিকদের বলছে -
‘আমার ছোটবেলা থেকেই একটু ইচ্ছে ছিল বাইরের দেশে সেটেলড হবো। যেহেতু আমি দেখলাম বাংলাদেশের অবস্থা খুবই খারাপ! তাই আমি মজা করে একটা অ্যাপ নামাই। ওর সঙ্গে পরিচয় হয়। আমাকে গার্লফ্রেন্ড হওয়ার জন্য প্রপোজ করে।’

বাহ! কী চমৎকার বার্তা!

দেশের অবস্থা খারাপ মনে হলো → একটা অ্যাপ নামালাম → বিদেশি ছেলের সঙ্গে পরিচয় হলো → প্রেম → বিয়ে → বিদেশে সেটেলমেন্ট।

একজন উঠতি বয়সী মেয়ে যখন এমন সংবাদ দেখে, তখন তার কাছে বিষয়টি নিছক একটি বিয়ে থাকে না। ঐ মেয়েটির মনে তৈরি হয় একটি ধারণা। বিদেশি নাগরিককে বিয়ে মানেই উন্নত জীবন, গাড়ি, সুন্দর বাড়ি, আর বিদেশে সেটেলমেন্ট।

মাথামোটা মেয়েগুলো হয়তো বুঝবেই না, যেটাকে আমাদের দেশে বিলাসিতা মনে হয়, সেটা অন্য দেশে হয়তো একেবারেই স্বাভাবিক জীবনযাত্রা। বেসিক নিড।

আর এখানেই সাংবাদিকদের আরও দায়িত্বশীল হওয়া প্রয়োজন।

কোথাও কোনো চীনা নাগরিকের সঙ্গে বাংলাদেশি মেয়ের বিয়ে হলেই আঞ্চলিক প্রতিনিধি যেন বুম হাতে দৌড়ে চলে যান। তারপর সেটি ধুমধাম করে প্রচার!

সংবাদ করুন। অবশ্যই করুন।

কিন্তু সঙ্গে এটাও দর্শকদেরকে জানান, বিয়ের ফাঁদে ফেলে চীনা নাগরিক দ্বারা এর কীভাবে মেয়েরা পাচার হয়, বিক্রি হয়, শারীরিক নির্যাতনের শিকার হয়। এসব সম্ভাব্য ঝুঁকি সম্পর্ক জানান।

আমি আগে ‘চীনা বিয়ে বিরোধী’ একটি লেখা লিখেছিলাম, যেটি কয়েক কোটি মানুষ পড়েছিল। উদ্দেশ্য ছিল কাউকে অপমান করা নয়, বরং মেয়েদের সতর্ক করা। আমার পরিচিত যেই মেয়েটাকে সতর্ক করতে পোস্টটা করেছিলাম।

আজ সেই মেয়েটির টিকটকে প্রায় ২ লাখ ফলোয়ার্স। সত্যি বলতে সে খুব ভালোই আছে।

সে টিপস দেয় কীভাবে, কোন এপ্সে চীনা ছেলেকে বিয়ে করা যাবে। সে বাংলাদেশের ছেলেদেরকে ছোট করে ভিডিও বানায়। কেউ ওর এসবের বিরুদ্ধে কথা বললেও বাজে ভাষায় গালমন্দ করে। ইয়েস! সে এখন টিকটক সেলেব্রেটি।

কিন্তু এই একজনের সুন্দর জীবন দেখে, চীনা বিয়ে করলে আপনার নিজের জীবনও এতটা সুন্দর হবে। তা ভাবলেই কিন্তু ধরা।

ঐ ক্যামেরার ফ্রেমের বাইরে কী ঘটে তা কিন্তু আপনি জানেন না।

কমনসেন্স যাদের আছে তারা বুঝবে। ৯৯% দিন আনে দিন খায় টাইপের পরিবারের মেয়েরাই কেন এদের টার্গেট হয়?

এমনও কেস দেখেছি এরা কাজের বুয়াকেও বিয়ে করে নিয়ে যায়। চেহারা সুরুত, শিক্ষা-দীক্ষা, পারিবারিক স্ট্যাটাস, কিছুর ধার ধারে না। মেয়ে হলেই হলো।

দু একজন মেয়ের টিকটকে আনন্দময় জীবন দেখে নাচতে নাচতে আমারও চাইনিজ জামাই চাই। এই চিন্তা মাথায় আনা আর নিজেকে বিপদে ফেলা একই কথা।

২০১৯ সালের রিপোর্ট অনুযায়ী, পাকিস্তানে ২ বছরে ৬০০ অধিক মেয়েকে বিয়ের নামে পাচার করে বিক্রি করলে সেই দেশের সরকারের টনক নড়ে। ওরা শক্ত অবস্থান নেয়। সেখানে বেশীরভাগ দরিদ্র খ্রিস্টান ধর্মের মেয়েকে টার্গেট করতো। আমাদের সরকারের টনক এখনও কেন নড়ছে না?

এদের টার্গেট দেশ: বাংলাদেশ, নেপাল, ভারতে, পাকিস্তানের দরিদ্র বা লোভী মেয়েগুলো! যাদের পটানো অনেকটা সহজ। ঐ দেশগুলোতে স্ক্যাম করা খুব কঠিন হয়ে যাওয়ায় এখন বাংলাদেশকেই এরা সবচেয়ে নিরাপদ ভাবছে। ওদের আসা তো বন্ধ হচ্ছে না? হচ্ছে কী?

চীনারা কখনও নিজ দেশে আকাম কুকাম করতে পারে না। ওদের দেশের আইন খুব কঠিন। ভয়ঙ্কর সাজা দেওয়া হয়। নিজ দেশ বাদে ওরা দুনিয়ার সবদেশেই আকাম কুকাম করে।

গত বছর ২৫শে মে, ঢাকার চীনা দূতাবাস থেকে সতর্ক করে দিয়েছে চীনা নাগরিকদের ভালোবাসা, বিয়ে এবং অন্যান্য বিষয়ে।

এসব নিয়ে লেখালেখি হচ্ছে বহুদিন ধরেই। সরকার এই ব্যাপারে স্পষ্ট ও উপযুক্ত কোন ব্যবস্থা এখনও গ্রহণ করেনি। এসব ব্যাপারে সতর্ক করতে সরকার, জনপ্রতিনিধি, প্রশাসন এবং মিডিয়ায় শক্ত প্রচারনা প্রয়োজন।

গরীব হোক, লোভী হোক, এরা আমাদের দেশেরই সন্তান। এদেরকে রক্ষা করা আমাদের দায়িত্ব। এদের একজনের দ্বারা আরও ১০টা মেয়ে ম্যানুপুলেট হবে। ক্ষতিগ্রস্থ হবে। সেটা হতে দেওয়া উচিত না।

- অন্তর মাশঊদ

13/09/2026

আপনার মেয়ে বাচ্চাকে কখনোই অন্যকারো কোলে দেবেন না।

আপনি হয়তো রিকশায় উঠার আগে আপনার ছোট্ট মেয়ে বাবুকে রিকশাওয়ালার হাতে দিলেন।
আপনি রিকশায় উঠে ঠিকঠাক মতো বসে বাবুকে আপনার কোলে নিবেন। অথবা আপনি বাচ্চাকে দাঁড়িয়ে রেখে নিজে আগে রিকশায় উঠে ঠিকঠাক মতো বসে রিকশাওয়ালাকে বললেন, "ভাই, বাচ্চাটাকে একটু কোলে উঠিয়ে দেন তো।"

এই কয়েক সেকেন্ডের সুযোগের জন্য অনেক রিকশাওয়ালা মুখিয়ে থাকে, আপনাকে বুঝতেই দেবে না, মুহূর্তের মধ্যে সে তার হাত বা আঙ্গুল দিয়ে আপনার বাবুর যৌনাঙ্গের স্পর্শ নিয়ে ফেলেছে।

বাসের হেল্পার, ডাক্তারের গেটম্যান অনেকেই এই সুযোগটা কাজে লাগায়।

হয়তো কোলে নিয়েই আছে, স্বাভাবিক ভাবেই আদর করছে, কথা বলছে, কিন্তু তার হাত বা আঙ্গুল চলে গেছে পৈশাচিক আনন্দের নেশায়, আপনি বুঝতেই পারবেন না।

ঠিক একইভাবে মেয়ে বাচ্চাকে কারো কোলে বসতে দেবেন না। সে যেইই হোক। নানা, দাদা, চাচা, মামা কারো কোলেই না। কোনোভাবেই না।

বাচ্চাকে কোলে নেওয়ার পরে পুরুষের যৌনাঙ্গ যখন উপর থেকে চাপ অনুভব করে, আর সেই চাপটা বিপরীত লিঙ্গের মনুষ্য শরীরের স্পর্শকাতর অংশের হয়!!

হোক সে বাচ্চা মানুষ, শয়তান যে কতরকম কল্পনা এনে ভীর করায়!! এরপরে আমরা যখন নিউজ দেখি, চার বছরের বাচ্চা ধর্ষিতা হয়, ধর্ষণের সুবিধার জন্য ব্লেড দিয়ে যৌনাঙ্গ কেটে বড় করা হয়, আমরা অবাক হই।

জেনে রাখা ভালো, এদেশের ৯০% মেয়ে প্রথমবার যৌন উৎপীড়নের শিকার হয় পরিবারের মানুষজন দ্বারা।

আপন মামা, চাচা, কাজিন এদের দ্বারা। নিজের বাবাও যেখানে নিরাপদ নয়, সেখানে আপনি আর কাকে বিশ্বাস করবেন? কেন বিশ্বাস করবেন?

পুরুষ হল বাঘের মতো, ক্ষুধা লাগলে নিজের সন্তানকেই খেয়ে ফেলে। আপনি মায়ের জাত, নিজের সন্তানকে আগলে রাখুন, কখনোই আরেকজনের স্পর্শের নাগালে যাওয়ার সুযোগ রাখবেন না।

মেয়েকে কখনোই একাকী কোনো আত্মীয়ের বাড়িতে যেতে দিবেন না। আপনার বোন ভাসতি বা অন্যকোনো মেয়ের সাথেও পাঠাবেন না।

কারণ আপনার বোন বা অন্যকেউ আপনার মেয়ের জন্য কখনোই আপনার মতো করে চিন্তা করে না।

নানী-দাদী এরা হল আরেক প্রকার অথর্বের জাত, এদের হাওলায় মেয়েকে কোথাও যেতে দিলেন তো সর্বনাশ ডেকে আনলেন।
ওনাদের বয়স হয়েছে, ওনারা নিজেরাই নিজেদের খেয়াল রাখতে পারেন না, আপনার মেয়ের কী খেয়ার রাখবে?

নানী-দাদীর সাথে একসাথে শুয়েছে, পরে সেই বিছানাতেই কতশত ঘটনা ঘটে যায়, তারা ঘুমে বেহুঁশ থাকেন।

ছোটো বাচ্চাদের সামনে পোশাক চেঞ্জ করবেন না। অন্য কাউকে চেঞ্জ করতে দেবেন না। ঠোঁটে চুমু খেতে দিবেন না। গালেও না। এত পিরিতির দরকার নাই। মেয়ের নিরাপত্তা সবার আগে। ছোট্ট বাচ্চাকে চুমু খেতে গিয়ে কত পুরুষ নিজেকে ভিজিয়ে ফেলে, শুনতে কেমন লাগবে আপনার?

এভাবে খোলামেলা না বললে অনেক কথা বুঝানো সম্ভব হতো না। এরপরেও যদি আপনি জেগে জেগে ঘুমান, সন্তানের সর্বনাশের জন্য আপনিই দায়ী।

- মাঈদুল ইসলাম শুভ

12/09/2026

বিসমিল্লাহ

আমাদের ই - মেইল সার্ভিস আপাতত বন্ধ।
আপনারা ফর্ম পূরণ করে পেইজের ইনবক্সে পাঠাবেন।

পেজে পোস্ট করতে না চাইলেও ফর্ম পূরণ করে পাঠাতে পারবেন।
ইনশাআল্লাহ
এডমিন গ্রুপে বায়োডাটা শেয়ার করা হবে।
ফী লাগবে না।

11/09/2026

নাউযুবিল্লাহ মিন যালিক।

নীচের ঘটনা সত্যি হলে খুবই দুঃখজনক।

বাংলাদেশ কি স্বাধীন দেশ
নাকি ভারতের অধীনস্থ কোন অঙ্গরাজ্য?

নও মুসলিম প্রাপ্তবয়স্ক আমাদের বোনকে কিভাবে তার ইচ্ছার বিরুদ্ধে কাফেরদের হাতে তুলে দেয়া হলো?

তীব্র প্রতিবাদ জানাই।

ইসলামিক দলগুলো এগিয়ে আসুন।

***

নওমুসলিমার বাড়ী ঝিনাইদাহ জেলা শৈলাকুপা থানা নিপকানন্দপুর ইউনিয়ন খালফুলিয়া গ্রামে।

এটা বাংলাদেশ, মুসলিম হওয়ার পরও শৈলাকুপা থানা গতকাল নওমুসলিমাকে হিন্ডুদের হাতে তুলে দিয়েছে। নওমুসলিমদের সংগঠনগুলো করে কি?

প্রাপ্তবয়স্ক নওমুসলিমাকে থানা কিভাবে হিন্ডুদের হাতে তুলে দেয়? ঝিনাইদহে কি কোন মুসলিম নেই?

না সব হিন্ডু হয়ে গিয়েছে?

দেশে তোমাদের আদালত নেই? মেয়ে সাবালিকা, ১৮ বছর+[ 18 years 7 months 9 days ]।

সে মুসলিম হতে পারবে, তাকে আটকানোর কোন সুয়োগ নেই।

এই নওমুসলিমাকে অবিলম্বে উ_দ্ধার দেখতে চাই। ওসি, আর পুলিশ সুপারকে কল দেন।

শৈলকুপা থানার বর্তমান অফিসার ইনচার্জ (ওসি) হুমায়ূন কবির মোল্লার মোবাইল নম্বর: 01320144200

মোঃ আখতারুজ্জামান সহকারী পুলিশ সুপার, শৈলকুপা সার্কেল, ঝিনাইদহ 01320144154

মোঃ মাহফুজ হোসেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার, ঝিনাইদহ সার্কেল, ঝিনাইদহ 01320144144

মোঃ মোসফেকুর রহমান অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অপস্ ), পুলিশ সুপারের কার্যালয়, ঝিনাইদহ।01320144103

নাম শেখ বিল্লাল হোসেন অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (প্রশাসন ও অর্থ), পুলিশ সুপারের কার্যালয়, ঝিনাইদহ।
01320144102

মিয়া মোহম্মদ আশিস বিন্ হাছান, পিপিএম-সেবা
পুলিশ সুপার, 01320144100

Copy Jamsed Hossain

#জনসচেতনতা #নারী_নিরাপত্তা

বিসমিল্লাহসবাইকে অনুরোধ থ্যালাসেমিয়া রোগের বিরুদ্ধে প্রিয়জনকে সচেতন করুন। https://www.facebook.com/share/p/1DPEHuffQG/
09/09/2026

বিসমিল্লাহ

সবাইকে অনুরোধ থ্যালাসেমিয়া রোগের বিরুদ্ধে প্রিয়জনকে সচেতন করুন।

https://www.facebook.com/share/p/1DPEHuffQG/

দেশে প্রতি ৮জন ব্যক্তির ১জন থ্যালাসেমিয়ার বাহক।

অরফানেট জার্নাল অব রেয়ার ডিজিজেস জার্নালে প্রকাশিত বায়োমেডিকেল রিসার্চ ফাউন্ডেশনের একটি রিপোর্ট এ তথ্য নিশ্চিত করে।

থ্যালাসেমিয়া একটি বংশগত রক্তস্বল্পতার রোগ। যিনি এ রোগের বাহক, তার দেহে কোনো লক্ষন দেখা যায় না। কিন্তু দুজন বাহক বিয়ে করলে সন্তানের থ্যালাসেমিয়া মেজর নিয়ে জন্ম নেওয়ার সম্ভাবনা ২৫ শতাংশ, সন্তানের থ্যালাসেমিয়ার বাহক হওয়ার সম্ভাবনা ৫০ শতাংশ এবং সুস্থ সন্তান হওয়ার সম্ভাবনা ২৫ শতাংশ।

শিশু থ্যালাসেমিয়া মেজর নিয়ে জন্মালে দেহে হিমোগ্লোবিন উৎপন্ন হয় না। ফলে মৃ/ত্যুর আগ পর্যন্ত রক্ত ট্রান্সফিউশন দরকার হয় এবং আজীবন আয়রন কিলেশন থেরাপি দিতে হয়। যা অত্যন্ত ব্যয়বহুল।

তবে জন্মের দুই বছরের মধ্যে বোনম্যারো ট্রান্সপ্লান্ট করলে থ্যালাসেমিয়া থেকে মুক্তি পাওয়া যেতে পারে। প্রতিবেদন: বিজ্ঞানপ্রিয়।

09/09/2026

হলিক্রস কলেজে বিবাহিত ছাত্রীদের ভর্তি নেওয়া হয় না। যদি কোনো ছাত্রীর বিয়ে হয়ে যায়, তবে তাকেও বহিষ্কারের কথা বলা হয়েছে।

সপ্তাহ খানেক আগেও বেশ মোটাসোটা হু'মকি দেওয়া হয়েছে—ছাত্রীদের বিবাহ না বসতে! বিয়ে হওয়া মাত্রই বের করে দেওয়া হবে।

হলিক্রস কলেজের ভিন্নতার কারণ হলো, এটি খুব সম্ভবত খ্রিস্টান সন্ন্যাসী সংগঠন থেকে পরিচালিত হয়।
যেহেতু তারা সিস্টারদের বিয়ে থেকে মুক্ত রাখার বিশ্বাস লালন করে, এজন্যই হয়তো আমাদের মেয়েদের বিয়ের ক্ষেত্রেও কড়াকড়ি করে।
যাদের কলেজ, তাদের নিয়মে হওয়াই বাঞ্ছনীয়। এটা নিয়ে কথা নাই।

কথা হলো—হলিক্রস কলেজ নারীদের প্রতিষ্ঠান। সেখানে অনিমেষ সাহার মতো লু'চুরা কি করে? বিয়ে বসলে প্রবলেম, স্যারদের দ্বারা প্রেগন্যান্ট হলে সমস্যা হয় না?

ভিক্টিম ছাত্রীর অপারগ হয়ে শেষ পর্যন্ত এগুলো প্রকাশ করেছে।

তার দাবি মতে, অনিমেষ সাহার দ্বারা আরো ছাত্রীদের ক্ষতি হয়েছে/হচ্ছে! প্রতিষ্ঠান কর্তৃপক্ষ শুধু বিয়ে বসলে মাথা গরম করে, এগুলো নিয়ে পদক্ষেপ নেয় না কেনো?

ভিক্টিম চেপে গেলে কেউ হয়তো কল্পনাও করত না।

Mustafiz Gazi

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Matrimony fb page posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Islamic Matrimony fb page:

Shortcuts

Share