Islamic Matrimony fb page

Islamic Matrimony fb page way to get married

09/06/2026

ঘটনাটা সত্যিই বিস্ময়কর। নাটোরের ২৫০০ শয্যার জেনারেল হাসপাতালে ৩ জন সুইপার বা পরিচ্ছন্নতা কর্মী, একজন রিকশাচালকের ২ বছর বয়সী অসুস্থ কন্যাশিশুর মাকে বাচ্চার জন্য ঔষধ দেয়ার নাম করে ৬ষ্ঠ তালায় নিয়ে গিয়ে ধর্ষণ করেছে।

এইসময় সুইপার অমিত ধর্ষণ করে আর অনিল এবং প্রাঙ্গণ পরবর্তীতে ব্ল্যাকমেইল করার জন্য ধর্ষণের ভিডিও ধারণ করে। অমিতের পর তারা দুজনেও ধর্ষণ করার প্রস্তুতি নিচ্ছিল। কিন্তু লোকজন জড় হয়ে গেলে তারা পালিয়ে যায়।

৩ জনই অমুসলিম এবং হিন্দু ধর্মাবলম্বী। ওদের এত সাহস কিভাবে হল যে, জনসাধারণে গমগম করা,এরকম একটা পাবলিক হাসপাতালে একজন অসুস্থ শিশুর মা'কে এভাবে যৌন নির্যাতন বা ধর্ষণ করা যায়?

আচ্ছা, ভারতে ৩ জন মুসলিম যুবক, যদি কোন হিন্দু কিশোরী বা, নারীকে এভাবে গণধর্ষণ করে, কি ঘটবে?

ওদের এত সাহস হওয়ার পিছনে দুই ধরনের ইন্ধন কাজ করছে। এক, বাংলাদেশের বর্তমান বিচার ব্যবস্থা আর ২য়, হিন্দুদের গুরুতর অপরাধে লঘু শাস্তি দেয়া কিংবা বিচার না হওয়া৷

চট্টগ্রামের আইনজীবী আলিফ হত্যার কোন বিচার কি আজ অবধি হয়েছে? মেজর সিনহা হত্যার আসামী ওসি প্রদীপ কুমার দাশ এর কোন শাস্তি আজ অবধি হয়েছে? অথচ ওসি প্রদীপের নামে ধর্ষণ আর হত্যা মামলা আছে ৫০+...

৩ জনকেই পুলিশ ধরেছে। এখন আমরা দেখব, এদের কি শাস্তি হয় আর কত দ্রুত সেই শাস্তি কার্যকর করা যায়৷

Atique UA Khan

09/06/2026

(১) Dr. .......... মৃত্যুর আগে মহিলা চিকিৎসকদের গ্রুপে পরিচয় গোপন করে পোস্ট করে লিখেছিলেন -

❝আমার ২ বছরের সন্তান আছে। তাকে নিয়েই সারাদিন থাকি।

সামনে FCPS ফাইনাল পরীক্ষা, কিন্তু পড়তে পারি না। কেউ সাহায্য করে না। আমার স্বামী ডাক্তার। সেও নিজের কাজ নিয়ে ব্যস্ত।

বাসায় শাশুড়ির সঙ্গে থাকি। আমার শাশুড়ি আমার দেখা সবচেয়ে খারাপ মানুষগুলোর একজন। জানি না অন্যদের কাছে কেমন, তবে উনি শাশুড়ি হিসেবে খুবই খারাপ।

আমার সন্তান জন্মের পরের সময়টা (পোস্টপার্টাম পিরিয়ড) খুব কঠিন ছিল।
এখনও ডিপ্রেশন থেকে বের হতে পারি
নি। থেরাপি নিচ্ছি। খুব ব্যয়বহুল। আমার নিজের আয় না থাকায় নিয়মিত নিতে পারি না।

অনেক কথা কাটাকাটি হয়েছে, হাতাহাতিও হয়েছে। এক পর্যায়ে আমার স্বামী আমাকে বলেছিল, “ফকিন্নির বাচ্চা, দেখ তোর আশেপাশে কেউ নেই।”

এত গালাগালির মধ্যেও এই কথাটাই আমাকে সবচেয়ে বেশি কষ্ট দিয়েছে। সত্যিই তো, আমার কেউ নেই।

শাশুড়ি অত্যাচার করলে বাবা-মা আমায় সাপোর্ট করে না, স্বামী অত্যাচার করলে কেউ আমায় সাপোর্ট করে না।
সবাই বলে, “এসব তো হয়ই। মেনে নাও।” সত্যিই আমি আসলেই একা।

ছোটবেলা থেকেই আমার মায়ের সিজোফ্রেনিয়া দেখে বড় হয়েছি। অনেক কষ্ট করে এত দূর এসেছি। এমবিবিএস করেছি, পোস্টগ্র্যাজুয়েশন করতে চাই, কিন্তু পারছি না।

আমি আর বাঁচতে চাই না। রাগ করে অনেক ওষুধ খেয়ে ফেলেছি। প্রাণঘাতী কিছু নয়, হাতের কাছে যা পেয়েছি তাই খেয়েছি। কোনো প্রভাবও হচ্ছে না।

আমার খুব কষ্ট হচ্ছে। আমি কি ১০ মিনিটও নিজের জন্য পাব না? আল্লাহ আমাকে এমন ভাগ্য কেন দিলেন?❞

গত ৪ জুন ........... মারা যান। বলা হচ্ছে, হার্ট অ্যাটাক করে মারা গিয়েছেন। তাঁর শ্বশুর একজন বড় হৃদরোগ বিশেষজ্ঞ, স্বামীও হৃদরোগের চিকিৎসক।

কোথায় যেন পড়লাম, ........ তিন দিন না খেয়ে ছিলেন। তাঁর মা গিয়ে দেখেন মুখ দিয়ে ফেনা বেরোচ্ছে। এরপর হাসপাতালে নিলে মারা যান।

এই যে একটা ডাক্তার মেয়ে তিলে তিলে নিঃশেষ হয়ে গেলো, তাও একটি ডাক্তার পরিবারে।

মেয়েটি Post Graduate হওয়ার স্বপ্ন দেখেছিলো। স্ত্রী, পুত্র বধূ হিসেবে চেয়েছিলো একটু ভালোবাসা, আন্তরিকতা, একটু সাহায্যের। চেয়েছিলো নিজের চিকিৎসা করাতে। এর জন্যও শুনতে হয়েছিলো কটু কথা।

এটা কী স্বাভাবিক মৃত্যু? নাকি কাউকে খুঁচিয়ে খুঁচিয়ে মরে যেতে বাধ্য করা? এই হত্যার দায় কী এড়ানো যায়?

(২)
অত্যন্ত হৃদয়বিদারক এই ঘটনা দেখার পর আমার এক ডাক্তারি পড়ুয়া ছোটবোনের কথা মনে পড়ে গেল। এত প্রাণচঞ্চল ছিল মেয়েটি। কত কথা হতো। তার ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নিয়ে বলত। একদিন ডাক্তার হবে, সবার চিকিৎসা করবে।

এই মেয়েটির একদিন এক ডাক্তারের সঙ্গে বিয়ে হলো। প্রায় নয় মাস পর শুনি, সে আর নেই। গর্ভাবস্থায় কোভিডে আক্রান্ত হয়েছিল। মা ও সন্তান, দুজনেই মারা যায়।

মেয়েটা বাচ্চাদের খুব ভালোবাসত। সুবিধাবঞ্চিত শিশুদের সাহায্য করত। একদিন এক শিশু হাফেজের দায়িত্ব নিতে আমাকে নক দিয়েছিল। এটাই ছিল আমাদের শেষ কথা।

ওর মৃত্যুর পর শুনেছিলাম, কোভিডে আক্রান্ত হওয়ার পর তার ডাক্তার স্বামী তাকে হাসপাতালে ভর্তি করেনি। অবহেলা করেছিল। বাসায় চিকিৎসা করতে রেখেছিল।

এরপর অবস্থা ভয়াবহ হয়ে গেলে হাসপাতালে নিয়ে যায়। আইসিইউতে যখন প্রাণ যায় যায় অবস্থা, তখনও তার স্বামী চিল মুডে। কোনো ভয়, শঙ্কা নেই। স্ত্রীর বান্ধবী যখন কাঁদতে কাঁদতে শেষ, তখন সেই বান্ধবীকে হাসতে হাসতে বলে, “চলো, ক্যান্টিনে খেয়ে আসি।”

মেয়েটার মৃত্যুর কয়েক মাসের মাথায় লাভ ম্যারেজ করেছিল তার ডাক্তার স্বামী। এটা শোনার পর বেশ খারাপ লেগেছিল। কীভাবে পারলো?

একটা মানুষ কী এমনও হয়? যার মধ্যে সদ্য স্ত্রী-সন্তান হারানোর কোনো শোক নেই।

মনে মনে বলেছিলাম, আল্লাহ! এই মেয়েটা তো এমন ভাগ্য ডিজার্ভ করে না। এমন এক ছেলের সঙ্গেই কেন ওর বিয়ে হলো!

যে মেয়েকে এত দয়া-মায়া দিয়ে পৃথিবীতে পাঠিয়েছিলে, তার জন্য এমন নির্মম ভাগ্য কেন লিখলে?

(৩)
কদিন আগে এক ডাক্তার আপুর ছবিসহ একটি পোস্ট সামনে এলো। মেরে মুখের আকৃতি পর্যন্ত বদলে দিয়েছে তাঁর ডাক্তার স্বামী। চেহারা চেনা যাচ্ছে না। বেশ বড় বড় সন্তান আছে উনার।

কমেন্টে তাঁর ডাক্তার সহপাঠীরা লিখেছেন, “বিয়ের পর থেকেই তো মার খাচ্ছিস! আর কত? এত কিছুর পরও কেন ওর সঙ্গে সংসার করছিস? জেলের ভাত খাওয়াচ্ছিস না কেন?”

মানে, তাঁরা সবাই জানেন এই অত্যাচারের কথা। সাহায্য করতে চায়। কিন্তু আপু নিজেই ছেড়ে আসতে পারছেন না।

মানুষের মনের অসুখ খুব কঠিন অসুখ। এই অসুখ মেডিসিন দিয়ে দূর করা সহজ নয়। প্রয়োজন ভালোবাসার। যে মানুষটার সঙ্গে আজীবন একসঙ্গে থাকার শপথ নিয়েছিল, সেই মানুষটির কাছ থেকেই যখন শত কষ্ট ও অত্যাচার পায়, তখন সে কষ্টের সমুদ্রে ডুবে যায়।

তখন আশেপাশের মানুষকে হাতড়ে খোঁজে। সেই মানুষগুলো যদি হাতটা ধরে টেনে তোলে, সে প্রাণে বেঁচে যায়। কিন্তু সেই মানুষগুলোও যদি হাত সরিয়ে নেয়, তাহলে তাকে উপরে টেনে তুলবে কে? সে তখন এই নিয়তিকেই মেনে নেয়।

আবার কেউ কেউ আছে, যারা কষ্ট পেতে পেতে কষ্টের সঙ্গেই অভ্যস্ত হয়ে যায়। না পারে ছাড়তে, না পারে মরতে।

আশেপাশের মানুষ সাহায্যের জন্য হাত বাড়ালেও, সেই হাত ধরে বেরিয়ে আসতে পারে না। এটাকেই নিয়তি হিসেবে মেনে নেয়। আর তখন চারপাশের মানুষের হাসির পাত্র হয়ে যায়। মানুষ আর তার কষ্ট দেখে “আহারে” বলে না, কটাক্ষ করে।

এই আপুর অবস্থাও হয়েছে ঠিক তেমন।

(৪)
মানুষের জীবনে সবচেয়ে বড় আশ্রয় কোনো বাড়ি নয়, কোনো সম্পদ নয়, কোনো পদবীও নয়।

সবচেয়ে বড় আশ্রয় আরেকজন মানুষ। এমন একজন মানুষ, যার কাছে নিজের দুর্বলতা, ভয়, ব্যর্থতা আর কান্নাগুলো নির্ভয়ে তুলে ধরা যায়।

জীবনের সবচেয়ে গভীর ক্ষতগুলো অনেক সময় অস্ত্র দিয়ে তৈরি হয় না। তৈরি হয় অবহেলায়, অসম্মানে, তুচ্ছতাচ্ছিল্যে, না-বোঝার মধ্যে। মানুষের হৃদয় খুব অদ্ভুত। সে কষ্টের চেয়েও বেশি ভেঙে পড়ে তখন, যখন তার কষ্টকে কেউ গুরুত্ব দেয় না।

আমরা প্রায়ই ভাবি, ভালোবাসা মানে বড় বড় ত্যাগ, বড় বড় আয়োজন, বিশাল কোনো অনুভূতি। অথচ অধিকাংশ মানুষের প্রয়োজন খুব সামান্য। একটু সম্মান, একটু সময়, একটু মনোযোগ, আর কঠিন দিনে একটি হাত, যে হাত ছেড়ে যাবে না।

দাম্পত্যের সবচেয়ে বড় শত্রু ঝগড়া নয়। মতের অমিলও নয়।

সবচেয়ে বড় শত্রু হলো এমন এক দূরত্ব, যেখানে দুজন মানুষ একই ছাদের নিচে থেকেও একে অপরের কাছে পৌঁছাতে পারে না।

একসময় কথা বলা বন্ধ হয়ে যায়, তারপর অনুভূতি। শেষ পর্যন্ত সম্পর্ক বেঁচে থাকে, কিন্তু মানুষের ভেতরের মানুষটি ধীরে ধীরে হারিয়ে যায়।

আমরা মানুষকে বাঁচাতে পারি না, এমন দাবি করার অধিকার আমাদের নেই। কিন্তু আমরা একজন মানুষের জীবনকে আরও সহনীয় করতে পারি। আমরা তার কথা শুনতে পারি। তাকে বিচার করার আগে বুঝতে চেষ্টা করতে পারি। তার কষ্টকে ছোট না করে, তাকে তার কষ্টের অধিকার দিতে পারি।

সম্ভবত পৃথিবীর সবচেয়ে সুন্দর সম্পর্ক সেই সম্পর্ক নয়, যেখানে কখনও ঝড় আসে না। বরং সেই সম্পর্ক, যেখানে ঝড় এলে দুজন মানুষ একে অপরকে দোষী না খুঁজে, একে অপরের পাশে দাঁড়ানোর সিদ্ধান্ত নেয়।

দিনের শেষে মানুষ নিখুঁত কাউকে খোঁজে না। মানুষ খোঁজে নিরাপদ কাউকে। এমন কাউকে, যার পাশে দাঁড়িয়ে সে বলতে পারে -

"এই পৃথিবীটা খুব কঠিন। কিন্তু আমি পরোয়া করিনা, কারণ তুমি আমার পাশে আছো।"

হয়তো সুখী দাম্পত্যের সবচেয়ে সংক্ষিপ্ত সংজ্ঞাও এটাই - দুজন মানুষের এমন এক বন্ধুত্ব, যেখানে কেউ কারও কারারক্ষী নয়। কেউ কারও মালিক নয়; বরং দুজনই দুজনের আশ্রয়।

- অন্তর মাশঊদ

বিঃদ্রঃ এই লেখাটা বিশেষ কোন পেশা, লিঙ্গের প্রতি বিদ্বেষের বহিঃপ্রকাশ করে লেখা নয়। লেখাটি শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতিত ভিক্টিম সম্পর্কে অবগত ও সচেতন করার উদ্দেশ্যে লেখা। যেকোন পেশার নারীরাই নির্যাতিত হতে পারে, সে সম্পর্কে ধারণা দেওয়া। আবার আমাদের সমাজে পুরুষরাও নির্যাতিত হয়। তা নিয়ে অন্য লেখায় লিখেছি।

08/06/2026

গোপনীয়তা রক্ষার্থে আমি একটা ফে**ইক একাউন্ট খুলি ব্যাবসার প্রোমোশনাল কাজের জন্য।
আমার লাইফের উল্লেখযোগ্য ট্রমা হয়তো এটাই ছিলো, যে "আমি কেন এই আইডি খুললাম? আর কেনই বা এই জঘন্যতম জগতের সাথে আমার পরিচয় হলো?
কেন নিজ চোখে আমার এসব দেখতে হলো?"😰

আইডি সচল রাখতে আমি বেশ কিছু আইডির রিকোয়েস্ট এক্সেপ্ট করি এবং বেছে বেছে কিছু ভালো ভালো গ্রুপে এড হই। মাঝে মাঝে সেই আইডিতে লগ ইন করতাম, মন চাইলে কমেন্ট করতাম।

তবে কখনো ম্যাসেজ রিকোয়েস্ট দেখা বা ইনবক্সে যাওয়া হতো না! একদিন একটা কিছুর দাম জিজ্ঞেস করাতে জানালো তারা দামটা ইনবক্সে বলেছে, সেই সুবাদে প্রথম সেই আইডির ইনবক্সে ঢুকা হয়।

আমি ঠিক কোন জগতে এসে পরলাম আমার মাথায় কাজ করছিলো না প্রথমে।

অসংখ্য অসংখ্য ১৮+ গ্রুপে আমাকে এড করা সেখানে! এবং প্রতিটা গ্রুপ সচল অবস্থায় আছে এবং মেয়েদের লি**ক হওয়া চ্যাটিং ছবি/ভিডিও সব টাকার বিনিময়ে আদান-প্রদান চলছে।😰

কৌতুহলবশত আমি একটা গ্রুপে ঢুকি যার নাম ছিলো "খদ্দের কমিটি"।

আল্লাহ মাফ করুন, সেসব গ্রুপে আমাদের মা বোনদের অজান্তেই তোলা অসং্খ্য ছবি ভিডিও আদান-প্রদান হচ্ছে দশ বিশ টাকায়।

আবার দেখলাম -এডমিন সেখানে অর্ডার দিচ্ছেন সেখানের ''ছেলেদের মা**য়ের ঘুমন্ত ছবি, কা**পড় উঠানো ছবি, দিতে পারলে এতো টাকা বিকাশ দিবো, বোনের সাথে ভিডিও দিতে পারলে এটা দিবো, সেটা দিবো।
আবার অনেকে নিজের মা, বোন, ওয়াইফ, বান্ধবীর অজান্তেই তোলা ছবি ভিডিও বিক্রি করছেন!"😰

গ্রুপ খোলা হয়েছে যেটায় মানুষ এসে খুজছেন বাচ্চার রে%**প ভিডিও বা এক্স ভিডিও আছে কিনা!😰

অনেকে খুজছেন বয়স্কদের/ মা, বোনদের সাথে/কেউ খুজছে ওয়াইফের সাথে বিশেষ মূহুর্তের ভিডিও আছে কিনা ছবি আছে কিনা।😰

অসং্খ্য গ্রুপ আছে ম***দ, ই***য়া*বা কোথায় পাওয়া যায়, কে পার্টনার হয়ে সঙ্গ দিবে সেজন্য লোক খুজছে।

অসংখ্য গ্রুপ আছে প্র**স্টি**টিউশনের জন্য একেক এরিয়া জেলাভিত্তিক।

আমার এ জগৎ সম্পর্কে কখনো জানা ছিলো না, মহামারির মতো এটা ছড়িয়ে গিয়েছে এই ব্যাপারে আমি সম্পূর্ণ লাপাত্তা ছিলাম। উপর ওয়ালা আমাকে বর্তমান যুগের ভ**য়া**বহতা জানার সুযোগ দিয়েছেন।

আমার ও ছোট ছেলে মেয়ে আছে, আমি এসব না দেখলে শুনলে কোনোদিন হয়তো এই জগৎ সম্পর্কে জানতেও পারতাম না, বুঝতাম ও না!

বাচ্চাদের সঠিকভাবে গাইড করতে যেয়ে কোথাও না কোথাও ফাক-ফোকর থেকেই যেত...। আল্লাহ আমাদের সকলকে হিফাজত করুন। 😰🙏

>অন বিহাফ

08/06/2026

রান্নার একটা গ্রুপে একজন আপু পোস্ট দিছে...
আগামীকালকে জীবনে প্রথমবারের মত তাকে ৫ কেজি বিফ রান্না করতে হবে,
রাত্রে গেস্ট খাবে।।

ইন লস রা সব সময় বলে রান্না ভালো না ওনার,
মুখে দেওয়া যায় না।
ভয়ে ওনার হাত পা কাপতেছে। কেউ যেন একটু মশলার পরিমাণটা বলে দেয় আর বলে দেয় কিভাবে কি করবে।

সেই পোস্টের কমেন্টস চেক করতে গিয়ে দেখি একদম অজানা অপরিচিত কিছু মানুষ এসে একদম পরিমাণ থেকে শুরু করে প্রসেসিং এরও ডিটেইলস লিখে দিয়ে গেছে।

অনেকে আবার এটাও বলে গেছে "রান্না আল্লাহ'র নাম নিয়ে করে ফেলবেন, কুরবানির গোশত এমনেই মজা হয়।"

আবার অনেকে লিখসেন "রান্নায় যারা দোষ ধরে তারা ভালো হলেও দোষ ধরবে, আপনি ভয় পাবেন না। নিজের মতো করে রান্না করে ফেলুন।"

বিয়ে কেন টিকে না এটা নিয়ে অনেকে অনেক কথা বলে। তবে বিয়ে কেন টিকে এই প্রশ্ন আসলেই আমার মনে হয় বিয়ে টিকে এইসব মানুষগুলার জন্য
যারা যে কোনো সিচুয়েশনে কোনো জাজমেন্ট ছাড়াই নিজেদের জায়গা থেকে যতোটুকু পারে হেল্প করার ট্রাই করে।
যেন দুইটা মানুষ একসাথে থেকে যেতে পারে।

প্রথমবারের মতো ৫কেজি গোশত রান্না, প্রথমবারের মতো দশজনের দাওয়াত, প্রথমবারের মতো ৩০ জনের দাওয়াত, প্রথম প্রেগন্যান্সি, এগুলো সবই একেকটা মাইলস্টোন যেটা বিয়ের পর আপনি একসময় পার করেই ফেলবেন।

আল্লাহ চাইলে একসময় হয়তো আপনি এসব ম্যানেজ করার ক্ষেত্রে এতোই পটু হয়ে যাবেন যে পাঁচ কেজি গোশত রান্না আপনার বাঁ হাতের খেল হয়ে যাবে।
কিন্তু আপনার মনে গেঁথে থাকবে কে এই জার্নিটা আপনার জন্য সহজ করেছিলো আর কে কঠিন করেছিলো।

কে আপনাকে পেঁয়াজ সব ব্লেন্ড করে ফেলার জন্য কথা শুনিয়েছিলো, আর কে আপনার আড়ালে রান্নাটা চেখে দেখেছিলো, এরপর আপনার অজান্তেই লবণটা এডজাস্ট করে দিয়েছে যেন আপনাকে সবার সামনে বিব্রত হতে না হয়।

প্রেগন্যান্ট অবস্থায় কে আপনাকে সবার সামনে খেতে দেখে ডাক দিয়েছিলো, আর কে আপনার জন্য দুটো ডিম, এক গ্লাস দুধ আলাদা করে রেখে দিয়েছিলো,
আপনি এসব কখনোই ভুলবেন না।

আপনার হয়তো তাদের প্রতি কোনো ক্ষোভ
থাকবে না, কিন্তু আপনার সাবকনশাসে এই দিনগুলো, এই মানুষগুলো একদম ট্যাটুর মতো ছাপা হয়ে যাবে আমৃত্যু।

আমার অত্যন্ত পছন্দের একটা দুয়া হচ্ছে, " May my Lord make things easy for you. Just like you made things easy for me."

আপনি হেল্প করেন বা না করেন, একদিন সবাই সবকিছু ফিগার আউট করে নিবেই।
কিন্তু সেদিন পিছে ফিরে আপনার দিকে আঙ্গুল তাক করে যেন সে বলতে না পারে, "কেন আমার জন্যে আপনি আরেকটু সহজ হলেন না?
কেন আমাকে একটু ভালোবাসলেন না?"

-- শামসুন নাহার প্রিয়া

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম ( পাত্রী  চাই :  প্রাকটিসিং মুসলিম মেডিকেল স্টুডেন্ট )Code: im at m 476১. পাত্র ২. জন্ম তা‌র...
05/06/2026

বিসমিল্লাহির রাহমানির রাহিম

( পাত্রী চাই :

প্রাকটিসিং মুসলিম মেডিকেল স্টুডেন্ট )

Code: im at m 476

১. পাত্র

২. জন্ম তা‌রিখ (আসল): ০৬/০৭/২০০০

৩. উচ্চতা,ওজন ও গায়ের রং :
৫’৯”, ৭৭ কেজি, ফর্সা

১. শিক্ষাগত যোগ্যতা:

ও এবং এ লেভেল (মানারাত ইন্টারন্যাশনাল স্কুল এন্ড কলেজ) ।

বি.এস.সি ইন ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়),

চলমান :
মাস্টার্স ইন ইলেকট্রিক্যাল এন্ড ইলেকট্রনিক্স ইঞ্জিনিয়ারিং (ব্রাক বিশ্ববিদ্যালয়) .

চলমান:
এক্সেকিউটিভ এমবিএ (প্রেসিডেন্সি ইউনিভার্সিটি)।

১. পেশা: ব্যবসা
Managing Director: JNS Group.
Director:A One MarineLimited.

১. বৈবাহিক অবস্থা
: অবিবাহিত

১. বর্তমান ঠিকানা:

গুলশান, ঢাকা

১. স্থায়ী ঠিকানা: গুলশান, ঢাকা
দাদবাড়ি - চাঁদপুর
নানাবাড়ি - গাইবান্ধা

৮. মা বাবার পেশা:
মা - ডক্টর, ২৫th বিসিএস, NITOR পঙ্গু হাসপাতাল .
বাবা - ব্যবসা,

Chairman:
JNS Group.
A One Marine Limited.

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় থেকে অনার্স ও মাস্টার্স

১. মোট ভাই বোন: দুই ভাই

:আমি প্রথম সন্তান
এবং আমার একজন ছোট ভাই আছে ।

১. পাঁচ ওয়াক্ত সালাত নিয়মিত/জামাআতে আদায় করেন?
: জি পাঁচ ওয়াক্ত সালাত নিয়মিত জামায়েতে পড়ি ইন শা আল্লাহ ।

সুন্নত তরিকায় কাপড় চোপড় পরেন?
: জি

টাকনুর উপর কাপড় পরেন কিনা?
: জি

দাড়ি আছে কি? : জি

আমি সুন্নত অনুযায়ী কাপড় চোপড় পড়ি, এবং আমার দাড়ি আছে ।

সহি শুদ্ধভাবে নিয়মিত কুরআন পড়েন ? : জি ইন শা আল্লাহ ।

১. শারীরিক কোন অঙ্গহানী/বড় কোন রোগ/অসুখ আছে কি না: আলহামদুলিল্লাহ নেই ।

১২.আপনার মাযহাব উল্লেখ করুন
: সুন্নি হানাফি

পছন্দের আলেমদের নাম:
ক. শায়েক আবদুল্লাহ জাহাঙ্গীর
খ. শায়েক আহমাদুল্লাহ
গ. শায়েক উসমান from one message foundation

১৩.রক্তের গ্রুপ: B +ve

১. ছেলেদের ক্ষেত্রে স্ত্রীর চাকরি করার অনুমতি আছে কিনা এবং স্ত্রীকে পর্দায় রাখতে পারবেন কি ?

: জি আমার কোন বাধা নেই, কেনোনা আমার স্ত্রী এর উপার্জন তার নিজের । আর আমি পর্দা prefer করি ।

১৫.পাত্রের জন্য প্রশ্ন:

বিয়ের পর কি স্ত্রীকে নিয়ে আলাদা থাকবেন নাকি নিজের পরিবারের সাথে রাখবেন?

: প্রথমে পরিবারের সাথে থাকব।আমার মা পর্দা মেইনটেইন করে চলেন।

মেডিকেল student হলে সংসারের দায়িত্ব চাপানো যাবে না।
আমার মার মেডিকেল ছাত্রী অবস্থায় বিয়ে হয়েছিল। আমার জন্মও মায়ের মেডিকেল 4th year হয়েছিল। আমার দাদী ও নানীর সার্বিক সহযোগিতায় আমার মা পড়াশুনা শেষ করেছেন।
পরে আলাদা থাকবো ।

সেক্ষেত্রে স্ত্রীর পর্দার ব্যাপার কিভাবে রক্ষা করবেন ?

: আমি আমার সর্বোচ্চ চেষ্টা করবো যেনো আমার স্ত্রী সঠিক ভাবে পর্দা করতে পারে ।

কেমন পাত্রী চাচ্ছেন:

১৬ কেমন দ্বীনদারিত্ব চান
: অনেক বেশি দ্বীনদারিত্ব maintain করে যে

১৭. বয়স,উচ্চতা,চেহারা ইত্যাদি
: ২০-২২yrs, above ৫’২”, ফর্সা

১. শিক্ষা: medical স্টুডেন্ট

১৯. পরিবার/অন্যদিক : প্রাকটিসিং মুসলিম, হাইলি educated ফ্যামিলি

১. পাত্র/পাত্রী ডি‌ভোর্সড, বিধবা, বিপত্নিক হলে রাজী হবেন ?
: NO, অবিবাহিত চাই ।

১. জেলা প্রীতি বা অন্য কিছু বলার থাকলে বলুন: প্রবাসী চান কি না?: নাহ

১. বিয়ে কি সুন্নত তরিকায় করতে চান?
: yes

১. যে পাত্র ছবি দেখে যোগাযোগ করতে চান , যে পাত্রী অনলাইনে ছবি দেবেন না -

: আমি একমত, আমি পাত্রীর ছবি দেখতে চাই নাহ, শুধু আমার মা দেখবে ।

২৪. মোহরানা সর্বনিম্ন কত হতে পারে, সর্বোচ্চ কত দিতে পারবেন?
: ৬ লাখ

১. বিশেষ কিছু বলার আছে?
: নাহ

এই প্রশ্নের জবাব অবশ্যই দিতে হবে:

১. আপনি কি থ্যালাসেমিয়া রোগী অথবা বাহক? : নাহ

একটা বিশেষ রক্ত পরীক্ষা( হিমোগ্লোবিন ইলেকট্রোফোরেসিস ) এর মাধ্যমে বাহক শনাক্ত করা যায়। আপনি কি রক্তের এই পরীক্ষা কখনো করেছেন?
: নাহ করা হয় নি ।

যোগাযোগ

পাত্র অভিভাবকের ইমেইল বা ফোন নাম্বার: [email protected]

02/06/2026

আল্লাহ রহম করুন আমাদের

01/06/2026
01/06/2026

একটা আল্ট্রা করতে গিয়ে পড়ছি বিপদে।
পেট ব্যাথা।
আল্ট্রার প্রোব ধরে দেখি পেটে বাচ্চা।

দেখলাম মেয়েটার বয়স খুবই কম। আমি উল্টা বকা দিলাম এতো ছোট বয়সে বেবি নিছো কেন। একটু লেট করে নিতা। জামাই কি করেন!!?

মেয়ের মা আর মেয়ে আকাশ হতে পড়ছে!
বলে স্যার কি বলেন, ও তো বাচ্চা মেয়ে, ১৫ বছর বয়স। বিয়ে হবে কি করে!!?

আমিও আকাশ হতে পড়ছি! তাদের কথা শুনে মনে হলো আল্ট্রা করতে গিয়ে মেসিন হতে বাচ্চা পেটে গেছে!

গার্ডিয়ানদের উদ্দেশ্যে,
যাদের মেয়ে আছে, তারা মেয়ের সাথে ফ্রি হবেন, তাদের বন্ধু হবেন।

ধর্মীয় আচার ব্যবহার রীতি নীতি সুন্দর করে শেখাবেন। না হলে যে কোনো সময় অঘটন
হতে পারে।
এগুলা যে ধর্মীয় দিক হতে নিষেধ সেটা ছেলে মেয়েদেরকে বুঝাতে হবে।

ডা: আল মামুন

30/05/2026

মিনার তাবু থেকে একটি জীবন্ত উপলব্ধি

নিজেকে অনেক ধিক্কার দিচ্ছিলেন বাংলাদেশের একজন স্বনামধন্য ডাক্তার (সরাকারি মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল ছিলেন।)

পবিত্র মিনার তাবু। চারদিকে লাখো লাখো আল্লাহর মেহমানের লাব্বাইক ধ্বনি। হজের এই ক্লান্তিকর কিন্তু আত্মিক প্রশান্তির সফরে আমার ডান পাশে বসে আছেন বাংলাদেশের একজন অত্যন্ত স্বনামধন্য ও সদ্য রিটায়ার্ড সরকারি মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল। পেশাগত জীবনে যিনি হাজারো মানুষের প্রাণ বাঁচিয়েছেন, ব্যস্ততম সময় পার করেছেন মানবসেবায়। আরা বাম পাশের বিছানায় ৭২ বছর বয়সী এক আংকেল।

হঠাৎ করেই দেখি ডাক্তার সাহেবের চোখ বেয়ে অশ্রু গড়িয়ে পড়ছে। নিজেকে নিজে ধিক্কার দিয়ে, ভীষণ অনুতপ্ত হয়ে তিনি বলছিলেন— "আমার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও আরও আগে কেন হজে আসলাম না!"

গতকাল আমাদের হজের অন্যতম প্রধান কাজ ছিল মুজদালিফা থেকে হেঁটে জামারাতে এসে বড় শয়তানকে প্রতীকী পাথর মারা। আমার ঘড়ির হিসেবে প্রায় ১৫ কিলোমিটারের দীর্ঘ পথ।

৪৪ বছর বয়সী একজন সুস্থ, সুঠাম দেহের মানুষ হওয়া সত্ত্বেও আমার আর আমার স্ত্রীর (লুবনা) পা দুটো যখন আর চলছিল না, যখন মনে হচ্ছিল একটু বসতে পারলে পরম শান্তি পেতাম— তখন মনের কোণে একটা প্রশ্ন উঁকি দিল:

আমার এই বয়সেই যদি এত কষ্ট হয়, তবে যারা ৬০, ৭০ বা ৭৫োর্ধ্ব, কিংবা যারা অসুস্থ— তাদের কী অবস্থা হচ্ছে?

জামারার কাজ শেষ করে যখন মিনার তাবুতে ফিরলাম, তখন আমার ডান পাশের সেই প্রিন্সিপাল স্যারকে দেখলাম উনার বিসানায় বসে কাঁদছেন।

ফুসফুসের জটিল রোগ (ILD)-এ আক্রান্ত হওয়ার কারণে গত ৬ মাস ধরে উনাকে প্রায়ই অক্সিজেন সাপোর্ট নিতে হয়। তীব্র শ্বাসকষ্টের কারণে তিনি নিজে হেঁটে বা হুইল চেয়ারে করে জামারাতে পাথর মারতে যেতে পারেননি।

জানতে চাইলাম, আপনার এই রোগ হলো আগে বুঝতে পারেন নাই। আপনি তো একজন ডাক্তার। উনি বললেন না, মোটেই বুঝতে পারি নাই। আমার মেয়ের বিয়ে ১৮ নভেম্বর ২০২৫ আর ৬ নভেম্বর ২০২৫ এ আমি বিকেলে ছাদে গিয়েছি, হঠাৎ করে ই তিব্র শাষকষ্ট শুরু হয়েছে, ডাক্তার রা অনেক পরিক্ষা করে প্রথমে হার্টের অসুখ মনে করেছে, পরে হার্টের কোনো চ্যালেঞ্জ না পেয়ে ফুসফুসের জটিল বিষয় গুলো দেখে আমার এই অবস্থান টা পায়। তার আগেরদিন পর্যন্ত আমি দিব্বি সুস্থ্য ছিলাম।

তিনি আফসোস করে বলছিলেন, "সারাদিন শুধু রোগী আর রোগী! একবার সরকারি হাসপাতাল, আবার প্রাইভেট চেম্বার— এই নিয়েই ব্যস্ত ছিলাম। অথচ এই হজ যদি আরও আগে, শরীরে শক্তি থাকতে আসতাম, তবে আজ আমার এই অবস্থা হতো না।"

আমি উনাকে সান্ত্বনা দিয়ে বললাম, "স্যার, আপনি তো মানবসেবাই করেছেন।"

উনি যা উত্তর দিলেন, তা আমার চোখ খুলে দিল। উনি বললেন

— "ইফতি ভাই, এই হজ করাটা আমার ওপর 'ফরজ' ছিল, আর রোগী দেখা বা রোগী র সেবা করা ছিল আমার 'নফল' ইবাদত এর সামিল। ফরজের আগে রোগী সেবায় এতো প্রাধান্য দেওয়া যে আমার ভুল ছিল, এই বোধটা আসা বড্ড জরুরি ছিল।"

আমি আবারও সান্ত্বনা সরুপ বললাম স্যার
আপনি শেষে হলেও আল্লাহতায়ালা র আমন্ত্রণ পেয়েছেন। আলহামদুলিল্লাহ। অনেকে সেটাও পান নি। উনি আবারও তখন নিজেকেই দোষারোপ করছিলেন, আমি কেনো আরো অনেক বছর আগেই হজ্জে আসলাম না।

আমার বাম পাশে আছেন ৭২ বছর বয়সী আরেকজন প্রবীণ আঙ্কেল। বার্ধক্য আর অসুস্থতা উনাকে কতটা কাবু করেছে, তা আজ সকালে টের পেলাম। ফজরের নামাজের জন্য বারবার ডাকার পরও উনি উঠতে পারলেন না।

আমরা বিছানাতেই নামাজ শেষ করে যখন একটু ফ্রেশরুমে গেলাম, ফিরে এসে দেখি উনার বিছানাটা ফাঁকা, উনিও নেই।

খোঁজ নিয়ে জানলাম, অশ্ব (Piles) রোগের কারণে উনি বিছানাতেই মলত্যাগ করে ফেলেছেন। উনার মোয়াল্লেম এসে উনাকে পরিষ্কার করতে নিয়ে গেছেন। একটু পর যখন তিনি ফ্রেশ হয়ে ফিরে এলেন, উনার চেহারায় এক চরম অসহায়ত্ব।

এখন সবাই হজের আরেকটি প্রধান ফরজ কাজ— 'তাওয়াফ ও সাঈ' করার প্রস্তুতি নিচ্ছে। উনাকে জিজ্ঞেস করলাম, "আঙ্কেল, যাবেন না?"

তিনি অত্যন্ত ক্লান্ত ও মলিন মুখে উত্তর দিলেন, "না রে বাবা, পারবো না। আমাকে দিয়ে আর হবে না..."

হজের এই গুরুত্বপূর্ণ রুকনগুলো শরীর সায় না দিলে আদায় করা কতটা কঠিন, তা আজ চোখের সামনে দেখছি। মহান আল্লাহ নিশ্চয়ই উনার অক্ষমতাকে ক্ষমা করে উনার হজ কবুল করবেন।

আমার উপলব্ধি: "পা থাকতে হেঁটে নাও, সময় থাকতে চলে এসো"

মিনার এই তাবু, ডাক্তার স্যারের অশ্রু আর বৃদ্ধ আঙ্কেলের অসহায়ত্ব আমাকে জীবনের সবচেয়ে বড় শিক্ষাটি দিয়ে গেল।

হজ কেবল একটা ইবাদত নয়, হজ হলো এক প্রচণ্ড শারীরিক ও মানসিক সক্ষমতার পরীক্ষা। এটি যেমন পরম ভালোবাসার জার্নি, তেমনি চরম কষ্টের পরীক্ষা।

আমাদের অনেকের মধ্যেই একটা ভুল ধারণা থাকে— "সংসারের সব দায়িত্ব শেষ করি, বয়স হোক, তারপর শেষ বয়সে গিয়ে আল্লাহর ঘরে ডাকব।" কিন্তু ততদিনে হয়তো টাকা থাকবে, কিন্তু সেই টাকা দিয়ে তাওয়াফ করার মতো পায়ের শক্তি কিংবা মিনার তীব্র গরমে টিকে থাকার মতো ফুসফুসের ক্ষমতা থাকবে না।

হজে আসলে জীবনের হিসাব বদলে যায়। আল্লাহর সাথে যোগাযোগ নিবিড় হয়, বরকত নেমে আসে জীবনে, যা আমি নিজে প্রতি মুহূর্তে অনুভব করছি (সে গল্প নাহয় আরেকদিন বলবো)।

মোরাল অব দ্যা স্টোরি

হে আমার ভাই ও বোনেরা, যাদের আল্লাহ তাআলা আর্থিক ও শারীরিক সামর্থ্য দিয়েছেন— দেরি করবেন না।
ক্যারিয়ার, ব্যবসা, কিংবা ভবিষ্যতের অজুহাতে ফরয ইবাদতকে পিছিয়ে দেবেন না।

যৌবনের শক্তিতে আল্লাহর ঘরে লাব্বাইক বলার যে তৃপ্তি, তা হুইলচেয়ারে বসে আক্ষেপের অশ্রুঝরার চেয়ে কোটি গুণ শ্রেয়।

সামর্থ্য হওয়ার সাথে সাথেই হজের সিদ্ধান্ত নিন।

আল্লাহ আমাদের সবাইকে সঠিক সময়ে, সুস্থ শরীরে উনার পবিত্র ঘর জিয়ারত করার তাওফিক দান করুন। আমিন।

আমাদের মিনা তাবুর একটা ভিডিও কমেন্ট সেকশনে দিলাম।

© ইউসুফ ইফতি

#ঈদুলআজহা

Address

Dhaka

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Islamic Matrimony fb page posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Islamic Matrimony fb page:

Share