Psychologist Sujan Neel Sir

Directions

Psychologist Sujan Neel Sir Registered Psychologist of BDP ID:201129( Clinical section)|writer|Mental health speaker |Host| Trauma Therapist

আগামী ৬ অক্টোবর ইউনিভার্সিটি অফ অক্সফোর্ড সারাদিন ব্যাপী ওয়েভিনারের আয়োজন করেছে। আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। আপনি আমন্ত্রণ ...
25/09/2026

আগামী ৬ অক্টোবর ইউনিভার্সিটি অফ অক্সফোর্ড সারাদিন ব্যাপী ওয়েভিনারের আয়োজন করেছে। আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছে। আপনি আমন্ত্রণ পেয়েছেন কি?

মানসিক ব্যাধি: উপসর্গ আর রোগ এক জিনিস নয়লেখক: সাইকোলজিস্ট সুজন নীলRegistered Psychologist, Berufsverband Deutscher Psych...
21/09/2026

মানসিক ব্যাধি: উপসর্গ আর রোগ এক জিনিস নয়

লেখক: সাইকোলজিস্ট সুজন নীল

Registered Psychologist, Berufsverband Deutscher Psychologinnen und Psychologen, Germany
(ID: 201129, Clinical Section)
International Member of APA ( American psychological Association)
BPA Life Member ( Bangladesh Psychological Association)
Founder & CEO, Psychological Review Foundation
লেখক | মানসিক স্বাস্থ্য বক্তা | হোস্ট
©®

আমরা অনেক সময় খুব সহজেই বলে ফেলি—“আমার ডিপ্রেশন আছে”, “ওর OCD আছে”, “লোকটা বোধহয় সিজোফ্রেনিক”, “ওর তো মুডই ঠিক থাকে না, নিশ্চয়ই বাইপোলার।” কিন্তু মানসিক স্বাস্থ্যের ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ একটি বিষয় হলো—একটি উপসর্গ আর একটি মানসিক ব্যাধি এক জিনিস নয়। মন খারাপ হওয়া মানেই Depression নয়, ভয় পাওয়া মানেই Anxiety Disorder নয়, বারবার হাত ধোয়া মানেই OCD নয়, আর আচরণে অস্বাভাবিকতা দেখা দিলেই Schizophrenia বলা যায় না।

DSM-5-TR এবং ICD-11 আমাদের ঠিক এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা দেয়। মানসিক ব্যাধির diagnosis কোনো অনুমান, সামাজিক ধারণা কিংবা কয়েকটি উপসর্গ দেখে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়ার বিষয় নয়। একজন মানুষের উপসর্গ কী, কতদিন ধরে আছে, কতটা তীব্র, তার দৈনন্দিন জীবন ও সম্পর্কের ওপর কী প্রভাব ফেলছে, অন্য কোনো শারীরিক অসুস্থতা বা substance-এর ভূমিকা আছে কি না এবং একই উপসর্গ অন্য কোনো mental disorder দিয়ে ভালোভাবে ব্যাখ্যা করা যায় কি না—এসব বিষয় একসঙ্গে বিবেচনা করেই clinical diagnosis-এর দিকে এগোতে হয়।

ধরা যাক, একজন মানুষ কয়েক দিন ধরে খুব মন খারাপ করে আছেন। তিনি কোনো সম্পর্ক হারিয়েছেন, চাকরি হারিয়েছেন অথবা প্রিয় কাউকে হারিয়েছেন। তাঁর কষ্ট হওয়া খুবই স্বাভাবিক। কিন্তু শুধু এই কষ্টকে দেখে তাকে Major Depressive Disorder-এর রোগী বলে দেওয়া ঠিক নয়। অন্যদিকে, যদি depressive symptoms একটি নির্দিষ্ট clinical pattern তৈরি করে, যথেষ্ট সময় ধরে থাকে এবং তার ব্যক্তিগত, সামাজিক বা পেশাগত functioning-এ clinically significant distress বা impairment তৈরি করে, তখন একজন qualified professional depressive disorder-এর diagnostic criteria বিবেচনা করতে পারেন। অর্থাৎ মন খারাপ আর depression-এর মধ্যে পার্থক্য বুঝতে clinical context গুরুত্বপূর্ণ।

একই বিষয় Anxiety-এর ক্ষেত্রেও প্রযোজ্য। জীবনে ভয়, উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা আমাদের স্বাভাবিক মানবিক অভিজ্ঞতা। পরীক্ষার আগে nervous হওয়া, চাকরির interview-এর আগে দুশ্চিন্তা করা কিংবা অনিশ্চিত ভবিষ্যৎ নিয়ে চিন্তা করা—এসব নিজে থেকেই কোনো anxiety disorder প্রমাণ করে না। কিন্তু যখন ভয় বা উদ্বেগের মাত্রা, স্থায়িত্ব ও প্রভাব একটি clinically significant pattern তৈরি করে, তখন Anxiety Disorder-এর বিভিন্ন diagnosis বিবেচনায় আসতে পারে। তাই “আমি খুব anxious” বলা এবং “আমার Anxiety Disorder আছে”—এই দুটি বাক্যের মধ্যে clinical অর্থে যথেষ্ট পার্থক্য রয়েছে।

Schizophrenia নিয়েও আমাদের সমাজে অসংখ্য ভুল ধারণা আছে। অনেক সময় মানুষ “পাগল” শব্দটি ব্যবহার করে এমন কাউকে বোঝাতে, যার আচরণ তাদের কাছে অস্বাভাবিক মনে হয়। অথচ Schizophrenia একটি নির্দিষ্ট mental disorder, যার diagnosis-এর জন্য নির্দিষ্ট clinical features ও criteria বিবেচনা করতে হয়। কারও hallucination হয়েছে বলেই তাকে Schizophrenia বলা যায় না।
Psychotic symptoms বিভিন্ন psychiatric condition, substance use কিংবা কিছু medical বা neurological condition-এর সঙ্গেও সম্পর্কিত হতে পারে। তাই একটি symptom দেখে diagnosis দেওয়ার বদলে পুরো clinical picture বোঝা জরুরি।
Bipolar Disorder নিয়েও একই ধরনের ভুল ধারণা রয়েছে। আজ মন ভালো, কাল মন খারাপ—এটাই যদি bipolar হয়, তাহলে পৃথিবীর প্রায় সবাই bipolar হয়ে যেত! মানুষের mood পরিবর্তন হয়। কখনো আনন্দ, কখনো দুঃখ, কখনো রাগ, কখনো হতাশা—এসব মানবিক আবেগের অংশ। কিন্তু Bipolar Disorder-এর ক্ষেত্রে manic বা hypomanic episode-এর মতো নির্দিষ্ট clinical features, duration, severity এবং functioning-এর ওপর প্রভাব বিবেচনা করা হয়। তাই সাধারণ mood swing আর bipolar disorder-কে এক করে দেখা ঠিক নয়।

Trauma-এর ক্ষেত্রেও আমাদের আরও সতর্ক হওয়া দরকার। জীবনে কোনো traumatic event ঘটলে একজন মানুষ ভয় পেতে পারেন, দুঃস্বপ্ন দেখতে পারেন, অস্থির হতে পারেন বা কিছুদিন emotional distress-এর মধ্য দিয়ে যেতে পারেন। কিন্তু প্রত্যেক trauma survivor-এর PTSD হয় না। PTSD-এর diagnosis-এর জন্য নির্দিষ্ট symptom pattern, duration এবং functional impact বিবেচনা করা হয়। অর্থাৎ Trauma exposure এবং PTSD একই জিনিস নয়।

OCD শব্দটিও আমরা দৈনন্দিন কথাবার্তায় খুব সহজে ব্যবহার করি। কেউ খুব পরিষ্কার-পরিচ্ছন্ন হলে বলি, “ওর OCD আছে।” কেউ জিনিসপত্র খুব গোছানো রাখলে বলি, “ও তো একেবারে OCD!” কিন্তু clinical OCD-এর বিষয়টি এত সরল নয়। Obsessions এবং compulsions-এর প্রকৃতি, এগুলোর কারণে তৈরি distress, এগুলো নিয়ন্ত্রণ করা কতটা কঠিন এবং ব্যক্তির জীবনে এগুলোর কী ধরনের প্রভাব পড়ছে—এসব বিষয় clinical assessment-এর অংশ। তাই পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতা পছন্দ করা কিংবা perfectionist হওয়া আর Obsessive-Compulsive Disorder থাকা এক বিষয় নয়।

Personality নিয়েও আমাদের একই ভুল হয়। কেউ চুপচাপ, কেউ খুব মিশুক, কেউ অত্যন্ত সংগঠিত, কেউ impulsive—এসব personality traits হতে পারে। কিন্তু একটি personality trait এবং Personality Disorder এক জিনিস নয়। Personality Disorder বোঝার ক্ষেত্রে ব্যক্তির দীর্ঘমেয়াদি interpersonal pattern, self-functioning, personality functioning এবং বিভিন্ন পরিস্থিতিতে তার আচরণ ও অভিজ্ঞতার ধারাবাহিকতা গুরুত্বপূর্ণ। ICD-11 এই জায়গায় personality disorder-কে আরও dimensional বা মাত্রাভিত্তিকভাবে বোঝার সুযোগ তৈরি করেছে, যা personality dysfunction-এর তীব্রতা ও trait-এর বৈশিষ্ট্যকে আরও সূক্ষ্মভাবে বিবেচনা করতে সাহায্য করে।

শিশুদের ক্ষেত্রেও বিষয়টি অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কোনো শিশু অমনোযোগী হলেই তাকে ADHD বলা যাবে না। কোনো শিশু সামাজিকভাবে একটু আলাদা হলেই Autism Spectrum Disorder বলা যাবে না। কোনো শিশু বেশি চঞ্চল হলেই তাকে “দুষ্ট” বা “অসুস্থ”—কোনোটাই বলে দেওয়া উচিত নয়।

Neurodevelopmental conditions বোঝার জন্য শিশুর developmental history, behaviour, communication, learning, social functioning এবং বয়স-উপযোগী developmental pattern বিবেচনা করা প্রয়োজন। একটি শিশুর আচরণকে label করার আগে তাকে বোঝার চেষ্টা করাই বেশি গুরুত্বপূর্ণ।

এখানে DSM-5-TR এবং ICD-11-এর পার্থক্য ও ভূমিকা বোঝাও জরুরি। DSM-5-TR হলো American Psychiatric Association-এর diagnostic manual, যেখানে mental disorders-এর diagnostic criteria ও classification একটি structured framework-এর মধ্যে উপস্থাপন করা হয়েছে। অন্যদিকে ICD-11 হলো World Health Organization-এর আন্তর্জাতিক classification system, যা শুধু mental disorders নয়, বরং health conditions-এর একটি বিস্তৃত আন্তর্জাতিক classification ও coding system হিসেবে ব্যবহৃত হয়।

ICD-11-এর Mental, Behavioural and Neurodevelopmental Disorders-এর জন্য WHO-এর Clinical Descriptions and Diagnostic Requirements বা CDDR clinical professionals-কে diagnosis আরও নির্ভরযোগ্যভাবে করতে সহায়তা করার জন্য তৈরি করা হয়েছে। এতে lifespan এবং cultural context-এর বিষয়ও গুরুত্ব পেয়েছে। আর এখানেই আমরা একটি গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা পাই—মানসিক স্বাস্থ্যকে শুধু symptoms-এর তালিকা দিয়ে বোঝা যায় না; মানুষটির জীবন, সংস্কৃতি, পরিবেশ ও functioning-ও বুঝতে হয়।

আর একটি বিষয় খুব পরিষ্কারভাবে বলা দরকার—একজন মানুষের একাধিক mental disorder একই সময়ে থাকতে পারে। একে আমরা comorbidity বলি। একজন ব্যক্তির depressive disorder-এর পাশাপাশি anxiety disorder থাকতে পারে; আবার substance use-এর সমস্যাও থাকতে পারে। তাই একটি diagnosis পাওয়া মানেই অন্য সব সম্ভাবনা শেষ হয়ে গেল—এমন নয়। Clinical assessment-এর একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ হলো differential diagnosis এবং co-occurring conditions বিবেচনা করা।

সবচেয়ে বড় ভুল হয় যখন আমরা diagnosis-কে একজন মানুষের পরিচয় বানিয়ে ফেলি। একজন মানুষ “depression” নন; তার depression থাকতে পারে। একজন মানুষ “schizophrenic” নন; তার schizophrenia থাকতে পারে। একজন মানুষ “OCD person” নন; তার OCD থাকতে পারে। Diagnosis একজন মানুষের পুরো পরিচয় নয়। এটি তার clinical picture-এর একটি অংশ মাত্র।

একজন মানুষের diagnosis-এর পাশাপাশি তার সম্পর্ক আছে, পরিবার আছে, স্বপ্ন আছে, দক্ষতা আছে, মূল্যবোধ আছে, ব্যক্তিত্ব আছে, সংস্কৃতি আছে এবং পরিবর্তনের সম্ভাবনাও আছে। তাই mental health professional-এর কাজ শুধু একটি label খুঁজে বের করা নয়; বরং মানুষটিকে তার সম্পূর্ণ context-এর মধ্যে বোঝা।

সবশেষে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ কথাটি হলো—Mental disorder diagnosis কোনো online quiz-এর ফলাফল নয়। কয়েকটি YouTube ভিডিও দেখা, একটি social media checklist পড়া কিংবা Google-এ নিজের symptoms search করে নিজেকে কোনো disorder-এর রোগী ঘোষণা করা clinical diagnosis নয়। DSM-5-TR-এর criteria clinical judgment-এর সঙ্গে ব্যবহার করার জন্য তৈরি। একজন qualified mental health professional প্রয়োজনীয় history, symptoms, duration, severity, functioning, differential diagnosis এবং relevant medical বা substance-related factors বিবেচনা করে diagnosis-এর দিকে এগিয়ে যান।

তাই আমরা যদি সত্যিই mental health নিয়ে সচেতন হতে চাই, তাহলে আমাদের ভাষাটাও বদলাতে হবে।
“ও পাগল”—এর বদলে বলি, “ওর কিছু mental health difficulties থাকতে পারে।”
“ওর OCD আছে”—বলার আগে ভাবি, সত্যিই কি clinical criteria পূরণ করে?
“ও তো bipolar”—বলার আগে বুঝি, mood fluctuation আর bipolar disorder এক নয়।
“Trauma পেয়েছে, তাই PTSD”—এমন সরল সমীকরণ থেকেও বের হয়ে আসি।
কারণ মানসিক স্বাস্থ্য কোনো label-এর খেলা নয়; এটি একজন মানুষের জীবনের গল্প বোঝার একটি দায়িত্বশীল প্রক্রিয়া।

DSM-5-TR আমাদের diagnostic framework দেয়। ICD-11 আমাদের আন্তর্জাতিক classification-এর ভাষা দেয়। কিন্তু শেষ পর্যন্ত সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ জিনিসটি কোনো বই, manual বা classification নয়।
সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হলো—
মানুষটিকে দেখা। তার কথা শোনা। তার context বোঝা। এবং diagnosis-এর আড়ালে থাকা মানুষটিকে কখনো হারিয়ে না ফেলা।
— সাইকোলজিস্ট সুজন নীল

Peter Pan Syndrome: বড় হয়ে গিয়েও কি কেউ সত্যিই বড় হতে পারে না?বয়স বাড়লেই কি মানুষ বড় হয়ে যায়?শরীরের বয়স বাড়ে। চেহারায় পর...
21/09/2026

Peter Pan Syndrome: বড় হয়ে গিয়েও কি কেউ সত্যিই বড় হতে পারে না?

বয়স বাড়লেই কি মানুষ বড় হয়ে যায়?

শরীরের বয়স বাড়ে। চেহারায় পরিবর্তন আসে। চাকরি হয়, আয় হয়, সম্পর্ক তৈরি হয়, পরিবার হয়—কিন্তু এর সবকিছুর মধ্যেও একজন মানুষ হয়তো জীবনের গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্বগুলো নিতে বারবার পিছিয়ে যান। সিদ্ধান্ত নেওয়ার সময় অন্যের ওপর নির্ভর করেন, নিজের ভুলের দায় এড়িয়ে যান, ভবিষ্যতের পরিকল্পনা করতে অস্বস্তি বোধ করেন, commitment থেকে দূরে থাকেন কিংবা কঠিন পরিস্থিতি এলেই কোনোভাবে সেখান থেকে বেরিয়ে আসার চেষ্টা করেন।

তখন আমরা খুব সহজেই বলে ফেলি—“ও তো Peter Pan Syndrome-এ ভুগছে!”

কিন্তু একজন psychologist হিসেবে এখানেই আমার প্রথম প্রশ্ন হবে—সত্যিই কি তার কোনো “syndrome” আছে? নাকি আমরা একটি জটিল মানবিক আচরণকে একটি সহজ নাম দিয়ে বোঝার চেষ্টা করছি?

এই প্রশ্নটির উত্তর জানা গুরুত্বপূর্ণ। কারণ Peter Pan Syndrome একটি জনপ্রিয় psychological term, কিন্তু এটি কোনো স্বীকৃত স্বতন্ত্র psychiatric diagnosis নয়। DSM-5-TR কিংবা ICD-11-এ “Peter Pan Syndrome” নামে কোনো independent mental disorder নেই। তাই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে আমরা যেভাবে শব্দটি ব্যবহার করি, সেটিকে clinical diagnosis হিসেবে ব্যবহার করা বৈজ্ঞানিকভাবে সঠিক নয়।

“Peter Pan” নামটির উৎস J. M. Barrie-এর বিখ্যাত fictional character Peter Pan—যে বড় হতে চায় না এবং Neverland-এ থেকে যেতে চায়। পরবর্তীতে ১৯৮৩ সালে Dan Kiley-এর The Peter Pan Syndrome: Men Who Have Never Grown Up বইয়ের মাধ্যমে শব্দটি popular psychology-তে আরও পরিচিত হয়ে ওঠে। পরবর্তী গবেষণায় এই ধারণার কিছু behavioural characteristics পরিমাপের চেষ্টাও হয়েছে। কিন্তু কোনো psychological construct নিয়ে গবেষণা হওয়া আর সেটি একটি officially recognized psychiatric disorder হওয়া—দুটি সম্পূর্ণ ভিন্ন বিষয়।

তাহলে মানুষ যখন “Peter Pan Syndrome” বলে, তখন আসলে কী বোঝাতে চায়?

সাধারণত এমন কিছু আচরণকে বোঝানো হয়, যেখানে একজন adult মানুষ adulthood-এর কিছু দায়িত্ব ও বাস্তবতার সঙ্গে ধারাবাহিকভাবে struggle করেন। যেমন—দায়িত্ব এড়িয়ে চলা, দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনা করতে অনীহা, financial dependence, commitment এড়িয়ে যাওয়া, নিজের সমস্যার সমাধানের জন্য সবসময় অন্যের ওপর নির্ভর করা, ভুলের দায় অন্যের ওপর দেওয়া, frustration সহ্য করতে না পারা, কঠিন পরিস্থিতি থেকে পালিয়ে যাওয়া কিংবা তাৎক্ষণিক আনন্দকে দীর্ঘমেয়াদি দায়িত্বের চেয়ে বেশি গুরুত্ব দেওয়া।

কিন্তু এখানেই সবচেয়ে বড় ভুলটি আমরা করি।

এই আচরণগুলোর একটি বা কয়েকটি থাকলেই কোনো মানুষকে “Peter Pan” বলা যায় না।

কারণ একই আচরণের পেছনে সম্পূর্ণ ভিন্ন psychological কারণ থাকতে পারে।

একজন মানুষ দায়িত্ব এড়িয়ে যাচ্ছেন—কিন্তু কেন?

হয়তো তিনি ব্যর্থতার ভয় পাচ্ছেন। হয়তো criticism সহ্য করতে পারেন না। হয়তো নিজের ওপর তার বিশ্বাস কম। হয়তো anxiety এত বেশি যে সিদ্ধান্ত নেওয়াই তার কাছে overwhelming মনে হয়। হয়তো তিনি ছোটবেলা থেকে অন্যের ওপর নির্ভর করে সমস্যার সমাধান করতে শিখেছেন। হয়তো কোনো traumatic experience-এর পর avoidance তার coping mechanism হয়ে গেছে। আবার কখনো ADHD-সহ executive-function difficulties, depression, anxiety, adjustment difficulties কিংবা অন্য কোনো psychological বা environmental factor-এর সঙ্গেও এমন behaviour দেখা যেতে পারে।

অর্থাৎ—

> একই behaviour মানেই একই psychological cause নয়।

এখানে psychology-র একটি খুব গুরুত্বপূর্ণ বিষয় আসে—behaviour-এর পেছনের function বোঝা।

বাইরে থেকে আমরা দেখি, “সে দায়িত্ব নেয় না।”

কিন্তু একজন psychologist হয়তো জানতে চাইবেন—

দায়িত্ব সামনে এলে তার ভেতরে কী হয়?

ভয়?

Anxiety?

অপরাধবোধ?

অযোগ্যতার অনুভূতি?

ব্যর্থতার আশঙ্কা?

নাকি শুধু দায়িত্ব এড়িয়ে যাওয়ার অভ্যাস?

ধরা যাক, একটি মানুষ কোনো গুরুত্বপূর্ণ কাজ শুরু করতে যাচ্ছেন। কাজটি কঠিন মনে হলো। তার anxiety বাড়ল। তিনি কাজটি এড়িয়ে গেলেন। কিছুক্ষণের জন্য তার anxiety কমে গেল। ফলে তার brain শিখে গেল—“Avoid করলে আমি আপাতত স্বস্তি পাই।”

এভাবে avoidance একটি reinforcing cycle তৈরি করতে পারে।

তাই বাইরে থেকে যে behaviour-টিকে আমরা “অপরিণত” বলছি, তার ভেতরে হয়তো একটি psychological coping process কাজ করছে।

এ কারণেই একজন মানুষকে label করার আগে তার story বোঝা জরুরি।

আরেকটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—childlike হওয়া আর childish হওয়া এক নয়।

একজন adult মানুষ playful হতে পারেন। তিনি cartoon দেখতে পারেন, gaming করতে পারেন, বন্ধুদের সঙ্গে হাসতে পারেন, নতুন কিছু নিয়ে excited হতে পারেন, imagination ব্যবহার করতে পারেন, adventure ভালোবাসতে পারেন। এগুলো adulthood-এর বিরুদ্ধে কোনো অপরাধ নয়।

বরং curiosity, creativity, playfulness এবং sense of wonder একজন মানুষের জীবনে মূল্যবান psychological qualities হতে পারে।

সমস্যা তখনই, যখন একজন মানুষ নিজের জীবনের প্রয়োজনীয় দায়িত্ব, accountability এবং বাস্তবতার মুখোমুখি হওয়ার ক্ষমতা ধারাবাহিকভাবে এড়িয়ে যেতে থাকেন এবং তার ফলে নিজের বা অন্যের জীবনে উল্লেখযোগ্য সমস্যা তৈরি হয়।

Adult হওয়া মানে serious হয়ে যাওয়া নয়।

Adult হওয়া মানে সবসময় formal পোশাক পরা, বিয়ে করা, আলাদা বাসায় থাকা কিংবা সারাক্ষণ কাজ করা নয়।

Psychological maturity অনেক বেশি গভীর একটি বিষয়।

এতে আছে—নিজের সিদ্ধান্তের দায় নেওয়া, নিজের emotion বুঝতে শেখা, frustration সহ্য করতে পারা, ভুল হলে accountability নেওয়া, প্রয়োজন হলে “না” বলতে পারা, অন্যের boundary সম্মান করা, নিজের প্রয়োজন প্রকাশ করা এবং নিজের জীবনের দায়িত্ব ধীরে ধীরে গ্রহণ করা।

বাংলাদেশের মতো সমাজে বিষয়টি আরও nuanced।

একজন ৩০ বা ৩৫ বছর বয়সী মানুষ বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকছেন—এটি নিজে থেকে psychological dependence-এর প্রমাণ নয়। আমাদের পারিবারিক কাঠামো, অর্থনৈতিক বাস্তবতা, intergenerational responsibility এবং সাংস্কৃতিক মূল্যবোধ অনেক ক্ষেত্রেই পশ্চিমা সমাজের থেকে ভিন্ন।

তাই—

বাবা-মায়ের সঙ্গে থাকা ≠ Peter Pan Syndrome।

আবার আলাদা বাসায় থাকা মানেই psychological independence—এটিও সত্য নয়।

ঠিকানা নয়, functioning গুরুত্বপূর্ণ।

একইভাবে বিয়ে না করতে চাওয়া, gaming পছন্দ করা, নিজের মতো জীবনযাপন করা কিংবা conventional adulthood-এর কিছু expectation প্রত্যাখ্যান করাও নিজে থেকে mental disorder-এর প্রমাণ নয়।

কারণ একজন মানুষের জীবনপদ্ধতি আর psychological dysfunction—দুটিকে এক করে ফেললে আমরা খুব সহজেই ভুল diagnosis-এর দিকে চলে যাই।

আজকের social media culture-এ এই সমস্যাটি আরও বড়।

আমরা খুব দ্রুত মানুষকে label করে ফেলি—“Narcissist”, “Toxic”, “Gaslighter”, “Emotionally Unavailable”, “Trauma”, “Peter Pan” ইত্যাদি।

কিছু শব্দ psychological discussion-এর জন্য গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে। কিন্তু clinical assessment ছাড়া এগুলো কাউকে চিহ্নিত করার অস্ত্র হয়ে গেলে psychology আর understanding-এর জায়গায় থাকে না; তখন এটি হয়ে যায় labelling।

একজন partner দায়িত্ব নিচ্ছেন না—তখন শুধু “তোমার Peter Pan Syndrome আছে” বললে সমস্যার সমাধান হবে না।

বরং প্রশ্ন হতে পারে—

কোন দায়িত্বটি তিনি এড়িয়ে যাচ্ছেন?

কতদিন ধরে?

কোন পরিস্থিতিতে?

এর ফলে সম্পর্কের ওপর কী প্রভাব পড়ছে?

তিনি কি নিজের behaviour সম্পর্কে aware?

তিনি কি পরিবর্তন করতে চান?

এই আচরণের পেছনে anxiety, fear, learned dependence বা অন্য কোনো factor আছে কি?

এগুলো অনেক বেশি psychologically meaningful প্রশ্ন।

কারণ একজন psychologist-এর কাজ শুধু একটি label খুঁজে বের করা নয়।

একজন মানুষ কী করছে—তার পাশাপাশি কেন করছে, কীভাবে করছে এবং সেই behaviour কীভাবে তার জীবনকে প্রভাবিত করছে—সেটিও বোঝা।

আর এখানেই একটি গুরুত্বপূর্ণ মানবিক জায়গা আছে।

আমরা অনেক সময় বলি—

“সে বড় হতে চায় না।”

কিন্তু হয়তো আরও গভীর প্রশ্নটি হওয়া উচিত—

> “বড় হয়ে ওঠা তার কাছে এত কঠিন কেন?”

হয়তো সে failure-কে ভয় পায়।

হয়তো সে rejection-কে ভয় পায়।

হয়তো সে কখনো healthy independence শেখার সুযোগ পায়নি।

হয়তো responsibility তার কাছে freedom নয়, threat-এর মতো অনুভূত হয়।

হয়তো childhood-এর কোনো coping strategy এখনও adulthood-এ কাজ করছে।

আবার এমনও হতে পারে—তার কোনো mental disorder নেই; সে শুধু এমন একটি জীবন বেছে নিয়েছে যা সমাজের প্রচলিত “successful adulthood”-এর ধারণার সঙ্গে মেলে না।

তাই Peter Pan Syndrome-কে নিয়ে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ শিক্ষা হয়তো Peter Pan সম্পর্কে নয়—বরং psychological labelling সম্পর্কে।

একটি label কখনো একজন মানুষকে পুরোপুরি ব্যাখ্যা করতে পারে না।

মানুষ diagnosis-এর চেয়েও বড়।

কেউ যদি দীর্ঘদিন ধরে responsibility, relationship, work বা daily functioning-এ সমস্যায় থাকেন এবং এতে distress বা significant impairment তৈরি হয়, তাহলে social media diagnosis নয়—একজন qualified mental-health professional-এর proper assessment প্রয়োজন।

কারণ একই behaviour-এর চিকিৎসা বা intervention একই নাও হতে পারে।

কেউ হয়তো emotional regulation নিয়ে কাজ করবেন। কেউ anxiety নিয়ে। কেউ self-efficacy নিয়ে। কেউ relationship pattern নিয়ে। কেউ avoidance cycle নিয়ে। আবার কারও ক্ষেত্রে কোনো clinical intervention-এর প্রয়োজনই নাও হতে পারে।

আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত কাউকে “Peter Pan” থেকে “adult” বানানো নয়।

বরং মানুষটিকে সাহায্য করা যেন তিনি—

ভয়কে বুঝতে পারেন,
নিজের emotion সামলাতে পারেন,
দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেন,
ভুল থেকে শিখতে পারেন,
স্বাধীনতা ও সম্পর্কের মধ্যে ভারসাম্য তৈরি করতে পারেন,
এবং নিজের জীবনের সিদ্ধান্তগুলো আরও সচেতনভাবে নিতে পারেন।

শেষ পর্যন্ত, বড় হয়ে ওঠা শুধু বয়সের ব্যাপার নয়।

বয়স আমাদের বড় করে।

কিন্তু self-awareness, accountability, emotional regulation, autonomy এবং responsibility আমাদের পরিণত করে।

তাই পরেরবার যখন কাউকে দেখে মনে হবে—

“এই মানুষটা তো Peter Pan!”

একটু থামুন।

তারপর নিজেকে প্রশ্ন করুন—

> “আমি কি সত্যিই একজন মানুষকে বুঝছি, নাকি শুধু তার behaviour-কে একটি নাম দিচ্ছি?”

আর হয়তো আরও গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্নটি হলো—

> “সে বড় হতে চায় না—নাকি বড় হয়ে ওঠার পথে কোথাও সে আটকে গেছে?”

কারণ একজন মানুষকে label করা সহজ।
একজন মানুষকে বোঝা—সেটাই psychology।

✍️ Psychologist Sujan Neel

Registered Psychologist, Berufsverband Deutscher Psychologinnen und Psychologen (BDP), Germany
International Member, American Psychological Association (APA)
Life Member, Bangladesh Psychological Association (BPA)
Founder & CEO, Psychological Review Foundation
Writer | Mental Health Speaker | Host

📌 এই পোস্টটি কেন Like, Comment, Share ও Save করবেন?

❤️ Like করুন — যদি মনে করেন psychology শুধু diagnosis নয়, মানুষকে বোঝার একটি উপায়।

💬 Comment করুন — আপনার মতে একজন মানুষ কখন সত্যিকার অর্থে “পরিণত” হয়—বয়সে, দায়িত্বে, নাকি emotional maturity-তে?

↗️ Share করুন — কারণ social media-তে psychological labels ব্যবহারের আগে এই distinction-টি জানা গুরুত্বপূর্ণ।

🔖 Save করুন — ভবিষ্যতে “Peter Pan Syndrome” নিয়ে কোনো পোস্ট বা কথোপকথন দেখলে যেন মনে থাকে: informal psychological label আর clinical diagnosis এক জিনিস নয়।

একজন মানুষকে বিচার করার আগে তার আচরণের পেছনের গল্পটি বোঝার চেষ্টা করি।

#মনোবিজ্ঞান #মানসিকস্বাস্থ্য #মনস্তত্ত্ব #মনোবৈজ্ঞানিক_সচেতনতা #পরিণতিমন #সাইকোলজি

আমার অধরা স্বপ্নবডিবিল্ডার হওয়া—একসময় এটা শুধু একটি ইচ্ছা ছিল না, ছিল আমার ভেতরের এক গভীর স্বপ্ন। সেই স্বপ্নের টানেই ২০০...
21/09/2026

আমার অধরা স্বপ্ন

বডিবিল্ডার হওয়া—একসময় এটা শুধু একটি ইচ্ছা ছিল না, ছিল আমার ভেতরের এক গভীর স্বপ্ন। সেই স্বপ্নের টানেই ২০০৪ সালে প্রথম এক্সারসাইজ শুরু করি। এরপর বিভিন্ন সময়ে বিভিন্ন জিমে গিয়েছি, চেষ্টা করেছি, পরিশ্রম করেছি; কিন্তু সেভাবে একজন ভালো ট্রেনারের অধীনে প্রপার ট্রেনিং নেওয়ার সুযোগ হয়ে ওঠেনি।

২০০৯ সালে এসে সেই জায়গাটা কিছুটা পূর্ণ হয়। সেন্ডো জিমে মনা দা ও মুকুল দার কাছ থেকে নিয়মিত ও সুশৃঙ্খল প্রশিক্ষণ নেওয়ার সুযোগ পাই। তাঁদের প্রশিক্ষণের একটি বিষয় আমার বিশেষভাবে ভালো লাগত—তাঁরা শরীরের গঠনকে শুধু বড় করার দিকে নয়, বরং অলিম্পিক বডি স্ট্রাকচারের মতো proportion, symmetry এবং aesthetics-এর দিকেও গুরুত্ব দিতেন। সেই সময়টাতে শরীরচর্চা আমার জীবনের একটি নিয়মিত অংশ হয়ে উঠেছিল।

২০১৫ সাল পর্যন্ত নিয়মিত এক্সারসাইজ করেছি। তারপর পেশাগত জীবনের ব্যস্ততা, দায়িত্ব এবং নানা কারণে সেই ধারাবাহিকতায় ছেদ পড়ে। অনেকটা বিরতির পর ২০২০ সালে আবার যথেষ্ট ওজন নিয়ে নতুন করে শুরু করি। ২০২২ সালের দিকে আমার লক্ষ্যেও কিছুটা পরিবর্তন আসে—বডিবিল্ডারের বিশাল কাঠামোর পরিবর্তে আমি fitness model-এর মতো একটি athletic, proportionate এবং aesthetically balanced physique-এর দিকে বেশি মনোযোগ দিতে শুরু করি। ছবিটি সেই সময়ের।

কিন্তু এত বছর পরও আমার সেই পুরোনো স্বপ্নটি কোথাও হারিয়ে যায়নি।

আজও মনে হয়—একদিন মঞ্চে দাঁড়িয়ে নিজের তৈরি শরীরটাকে প্রদর্শন করব। এটি হয়তো কোনো বড় প্রতিযোগিতা জেতার স্বপ্ন নয়; বরং নিজের কাছে দেওয়া একটি পুরোনো প্রতিশ্রুতি। বহু বছর ধরে যে শরীরকে তৈরি করার স্বপ্ন দেখেছি, একদিন অন্তত সেই স্বপ্নের একটি পূর্ণাঙ্গ রূপ দেখতে চাই।

আমি জানি, একটি সুন্দর শরীর তৈরি করতে শুধু জিমে যাওয়াই যথেষ্ট নয়। এর জন্য প্রয়োজন বছরের পর বছর discipline, nutrition, sleep, recovery, consistency এবং নিজের সঙ্গে প্রতিদিনের এক ধরনের লড়াই। সবচেয়ে বড় কথা, প্রয়োজন এমন dedication—যেটা শুধু কয়েক মাস নয়, দীর্ঘ সময় ধরে ধরে রাখা যায়।

সত্যি বলতে, আজ নিজের দিকে তাকালে মনে হয়, হয়তো আমি এখনো আমার স্বপ্নের জন্য প্রয়োজনীয় সেই সম্পূর্ণ effort দিতে পারিনি। জীবনে অন্য অনেক স্বপ্ন, দায়িত্ব ও কাজকে সময় দিয়েছি; কিন্তু এই স্বপ্নটিকে বারবার পিছিয়ে দিয়েছি।

তবুও স্বপ্নটা মরেনি।

হয়তো কিছু স্বপ্ন সময় নেয়। হয়তো কিছু স্বপ্নের কাছে পৌঁছাতে আমাদের বয়সের চেয়ে বেশি প্রয়োজন হয় commitment-এর। আর হয়তো জীবনের কোনো এক পর্যায়ে আবার নিজেকেই প্রশ্ন করতে হয়—“আমি কি সত্যিই আমার সেই স্বপ্নের জন্য এবার পুরোপুরি প্রস্তুত?”

আমার বডিবিল্ডার হওয়ার স্বপ্ন আজও অধরা। কিন্তু অধরা মানেই শেষ হয়ে যাওয়া নয়।

কিছু স্বপ্ন আমাদের জীবনে থেকে যায়—আমাদের মনে করিয়ে দেওয়ার জন্য যে, আমরা এখনও নিজেদের জন্য কিছু করতে চাই।

হয়তো একদিন সেই মঞ্চে দাঁড়াব।
আর সেদিন প্রতিদ্বন্দ্বিতা হবে অন্য কারও সঙ্গে নয়—আমার আজকের আমি আর আমার সেই ২০০৪ সালের স্বপ্ন দেখা ছেলেটির সঙ্গে।









selfie
17/09/2026

selfie

🚨 PRF সতর্কবার্তা | গবেষক ও নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য“১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা দিলেই Scopus/Q1 Journal-এ গবেষণা প্রকাশে...
09/09/2026

🚨 PRF সতর্কবার্তা | গবেষক ও নবীন শিক্ষার্থীদের জন্য

“১০ হাজার থেকে ৫০ হাজার টাকা দিলেই Scopus/Q1 Journal-এ গবেষণা প্রকাশের সুযোগ”—এ ধরনের অফার দেখলে সতর্ক হোন।

বাংলাদেশের অনেক নবীন শিক্ষার্থী, Aspiring Psychologist এবং তরুণ Researcher গবেষণায় আগ্রহী হচ্ছেন—এটি অত্যন্ত ইতিবাচক। কিন্তু গবেষণায় আপনার আগ্রহ ও স্বপ্নকে কেন্দ্র করে কেউ যেন ভুল প্রতিশ্রুতি দিয়ে আপনার অর্থ, গবেষণা বা একাডেমিক ভবিষ্যৎ ঝুঁকিতে না ফেলে।

একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় মনে রাখুন—কোনো Journal-এ টাকা দিলেই আপনার গবেষণা Q1, Scopus বা আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত Journal-এ প্রকাশিত হবে—এমন নিশ্চয়তা স্বাভাবিক Academic Publishing-এর বৈশিষ্ট্য নয়। বৈধ Journal-এ Article Processing Charge (APC) থাকতে পারে, কিন্তু অর্থ প্রদান আর গবেষণার Quality, Peer Review এবং Acceptance—একটি বিষয় নয়।

কেউ যদি বলে—

🔴 “টাকা দিলেই Publication Guaranteed”
🔴 “Q1 Journal-এ নিশ্চিত Publication”
🔴 “Scopus Publication নিশ্চিত”
🔴 “Peer Review লাগবে না”
🔴 “আমরা সব করে দেব, শুধু টাকা দিন”
🔴 “আজ টাকা না দিলে সুযোগ শেষ”

তাহলে সঙ্গে সঙ্গে টাকা পাঠাবেন না।

প্রথমে যাচাই করুন—Journalটির Official Website, ISSN, Publisher, Editorial Board, Peer-Review Policy, Publication Ethics, APC এবং Indexing Status। Scopus-এর ক্ষেত্রে সরাসরি Scopus-এর নিজস্ব source-এ Journal/Source-এর বর্তমান status যাচাই করুন। শুধু কোনো Facebook পোস্টার, Certificate, Screenshot বা কারও কথাকে প্রমাণ হিসেবে গ্রহণ করবেন না।

আরও গুরুত্বপূর্ণ—Predatory Journal বা সন্দেহজনক Publication Service আপনার CV-তে একটি Publication যোগ করার পরিবর্তে ভবিষ্যতে আপনার Academic Reputation-এর ক্ষতি করতে পারে।

প্রিয় বাংলাদেশের ছেলে-মেয়েরা, গবেষণায় shortcut খুঁজবেন না। একটি ভালো গবেষণা তৈরি হয় সময়, Methodology, Statistical Understanding, Academic Writing, Ethics, Supervisor-এর Guidance এবং কঠোর Peer Review-এর মধ্য দিয়ে।

আপনাকে যদি কেউ এমন কোনো অফার দেয়, অন্যদেরও Alert করুন। তবে যাচাই না করে কোনো ব্যক্তি বা প্রতিষ্ঠানকে প্রতারক হিসেবে প্রকাশ্যে অভিযুক্ত করবেন না। প্রথমে তথ্য যাচাই করুন, প্রয়োজন হলে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষক/গবেষক বা সংশ্লিষ্ট Journal-এর Official Authority-এর সঙ্গে যোগাযোগ করুন।

PRF-এর পক্ষ থেকে আমাদের অনুরোধ—আপনার টাকা যেমন মূল্যবান, আপনার Academic Identity তার চেয়েও মূল্যবান।

Research করুন। Publish করুন। কিন্তু Shortcut-এর বিনিময়ে আপনার ভবিষ্যৎকে ঝুঁকিতে ফেলবেন না।

🇧🇩 সচেতন গবেষকই বাংলাদেশের গবেষণার ভবিষ্যৎ।

— Psychological Review Foundation (PRF)

09/09/2026

প্রিয় নবীন Aspiring Psychologists, একটি কথা খুব শ্রদ্ধার সঙ্গে বলতে চাই—একটি Weekend Course আপনাকে সেই বিষয়ের Expert বানিয়ে দেবে না। পাঁচ দিনের একটি CBT Training, কিংবা কয়েকদিনের কোনো Therapy Training নিঃসন্দেহে আপনার শেখার পথকে এগিয়ে নিতে পারে, নতুন কিছু জানার দরজা খুলে দিতে পারে; কিন্তু সেটি আপনাকে সেই বিষয়ে একজন পূর্ণাঙ্গ Expert করে না।

আজকাল আমরা দেখি, কোনো একটি Training শেষ করার পরই কারও পোস্টারে লেখা হচ্ছে—“CBT Expert”, “Therapy Expert” কিংবা কোনো নির্দিষ্ট বিষয়ে “Expert”। এতে হয়তো আপনার ভালো লাগছে, নিজের ছবিসহ সুন্দর পোস্টার দেখে গর্বও হচ্ছে। কিন্তু একবার নিজেকেই প্রশ্ন করুন—আমি কি সত্যিই Expert, নাকি আমাকে দিয়ে অন্য কেউ তার Training Program-এর Marketing করছে?

একজন দক্ষ Mental Health Professional হওয়া একটি দীর্ঘমেয়াদি যাত্রা। এর জন্য একাডেমিক শিক্ষা, তাত্ত্বিক জ্ঞান, Supervised Clinical Training, Case Formulation, Ethical Practice, Continuous Professional Development এবং অসংখ্য বাস্তব কেস নিয়ে দীর্ঘ সময় অনুশীলন প্রয়োজন। বহুল উদ্ধৃত “১০,০০০ ঘণ্টা” ধারণাটিকেও কোনো নির্দিষ্ট পেশাগত Expert হওয়ার বৈজ্ঞানিক সার্টিফিকেট হিসেবে না দেখে দীর্ঘমেয়াদি deliberate practice-এর একটি প্রতীক হিসেবে দেখা ভালো। বাস্তব দক্ষতার জন্য শুধু ঘণ্টা নয়—সঠিক supervision, feedback এবং ethical practice অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ।

কারণ, প্রিয় নবীন বন্ধু, ক্লায়েন্টের বাস্তব জীবন কোনো বইয়ের Case Study-এর মতো নয়। একটি ক্লায়েন্টের সঙ্গে কাজ করতে গিয়ে Trauma, Comorbidity, Risk, Family Dynamics, Culture, Personality এবং অনেক অপ্রত্যাশিত বিষয় সামনে আসতে পারে। তখন শুধু একটি পাঁচ দিনের Training-এর Certificate হয়তো আপনাকে যথেষ্ট প্রস্তুত করবে না।

আর এখানেই আমার সবচেয়ে বড় উদ্বেগ।

যদি কোনো প্রতিষ্ঠান আপনাকে প্রয়োজনীয় প্রশিক্ষণ ও Supervision ছাড়াই “Expert” হিসেবে প্রচার করে, তাহলে আজ আপনি হয়তো সেই পোস্টারের জন্য খুশি হচ্ছেন; কিন্তু ভবিষ্যতে কোনো জটিল ক্লায়েন্টের ক্ষেত্রে আপনিই সেই Marketing-এর দায় বহন করতে পারেন। তখন প্রশ্ন উঠবে—আপনি যে Expert হিসেবে পরিচিত হয়েছেন, সেই Expertise-এর ভিত্তি কোথায়?

আমার অনুরোধ—কেউ আপনাকে Expert লিখে দিলেই নিজেকে Expert ভাববেন না। বরং আরও পড়ুন, আরও শিখুন, Supervision নিন, নিজের সীমাবদ্ধতা বুঝুন এবং প্রয়োজন হলে ক্লায়েন্টকে অন্য উপযুক্ত Professional-এর কাছে Refer করুন। একজন সত্যিকারের Professional-এর শক্তি শুধু সে কত কিছু পারে তা জানায় না; সে কোথায় থামবে এবং কখন সাহায্য চাইবে—সেটাও জানে।

আমাদের Physical Health Sector নিয়ে নানা সময়ে আমরা অনেক প্রশ্ন তুলেছি। অন্তত Mental Health Field-টাকে যেন আমরা অতিরিক্ত Marketing, অতিরঞ্জিত দাবি এবং অপর্যাপ্ত প্রশিক্ষণের সংস্কৃতির কারণে নষ্ট না করি।

আর যারা Training পরিচালনা করেন, আপনাদের প্রতিও শ্রদ্ধার সঙ্গে একটি অনুরোধ—আপনারা অবশ্যই Marketing করবেন, Business করবেন; কিন্তু Mental Health Professional তৈরির ক্ষেত্রে Ethics-কে Marketing-এর ওপরে রাখুন। একজন প্রশিক্ষণার্থীকে এমন পরিচয় দেবেন না, যা তার বর্তমান দক্ষতার চেয়ে অনেক বড়।

কারণ আমরা শুধু একটি Certificate বা একটি Training Program নিয়ে কাজ করছি না—আমরা মানুষের জীবন, মানসিক স্বাস্থ্য এবং বিশ্বাস নিয়ে কাজ করছি।

বাংলাদেশের Mental Health Profession আরও শক্তিশালী, আন্তর্জাতিক মানসম্পন্ন এবং Ethical হোক—এই প্রত্যাশাই করি।

নবীনরা শিখুক।
অভিজ্ঞরা Supervision দিক।
প্রতিষ্ঠানগুলো দায়িত্বশীল হোক।
আর আমাদের সবার আগে থাকুক—Client-এর নিরাপত্তা ও Mental Health Profession-এর মর্যাদা।

বাংলাদেশের Mental Health Field ভালো থাকুক।
আমরা যেন সেটিকে ভালো রাখার অংশ হই—ক্ষতির কারণ না হই।

When Trauma Remains Untold: What Art Can Teach Us About the Stories We CarryYesterday, I visited the “Untold Story” exhi...
09/09/2026

When Trauma Remains Untold: What Art Can Teach Us About the Stories We Carry

Yesterday, I visited the “Untold Story” exhibition, and I left with a thought that stayed with me—not only as a visitor, but also from the perspective of a psychologist.

The exhibition explores something deeply human: the stories we carry but cannot always put into words.

Some experiences live quietly inside us—in photographs, objects, gestures, fabrics, family traditions, memories, losses, longing and even in the things we deliberately avoid talking about.

And this is where I found a powerful connection with psychological trauma.

Trauma is not always a dramatic story that someone can clearly narrate. Sometimes, the experience is fragmented. Sometimes there are no words. Sometimes a person remembers a sensation, an image, a place, a smell, a body reaction—or simply a feeling of “something happened to me, but I don't know how to explain it.”

That is why healing does not always begin with “Tell me everything that happened.”

Sometimes, it begins with:

“What does this experience mean to you?”

The artists of Untold Story transform private memories and personal narratives into visual forms through painting, drawing, collage, stitching, textile, found materials, handwriting and experimental book forms.

As a psychologist, I found this particularly meaningful.

Because human beings do not communicate only through language.

We communicate through symbols.
We communicate through the body.
We communicate through silence.
We communicate through what we create.

In trauma-informed psychological practice, we also recognize that some experiences may be difficult to access or organize into a coherent verbal narrative. Creative expression can sometimes provide another pathway for reflection and meaning-making—not as a replacement for evidence-based psychotherapy, but as a potentially meaningful form of expression.

What impressed me most about Untold Story was that it does not force every story to have a neat explanation.

Perhaps that is one of the most psychologically profound aspects of the exhibition.

Not every wound has a perfect narrative.
Not every memory needs immediate explanation.
And not every silence means there is nothing to say.

Sometimes, a person simply needs a safe space where their experience can exist without judgment.

Standing among these artworks, I was reminded of something important in psychological practice:

> We should never measure the depth of someone's experience by how well they can explain it.

Behind many people we meet every day may be an untold story—a story of loss, childhood experiences, rejection, migration, family conflict, grief, abuse, identity, resilience or simply a life that was never fully witnessed.

Perhaps our responsibility is not always to make people speak.

Sometimes, it is to create enough safety for them to choose when, how, and whether they want to be heard.

Untold Story reminded me that art can become a bridge between memory and meaning, silence and expression, private experience and collective understanding.

And perhaps that is the real power of an untold story:

It does not always need to be explained.
Sometimes, it simply needs a form through which it can finally be seen.

— Sujan Neel
Psychologist | Founder & CEO, Psychological Review Foundation (PRF)

What do you think?

Can art sometimes communicate something about human experience that words cannot?

Address

Dhanmondi,
Dhaka
1209

Opening Hours

Monday 10:00 - 20:00
Tuesday 10:00 - 20:00
Wednesday 10:00 - 20:00
Thursday 10:00 - 20:00
Saturday 11:00 - 17:00
Sunday 10:00 - 20:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Psychologist Sujan Neel Sir posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category