ডাঃ মো: মামুন রেজা- হৃদরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

  • Home
  • Bangladesh
  • Dhamoirhat
  • ডাঃ মো: মামুন রেজা- হৃদরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ

ডাঃ মো: মামুন রেজা- হৃদরোগ  ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ MBBS from Rajshahi medical college. D Card from BMU. Now working as Consultant Cardiology.

তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।ডাঃ মোঃ মামুন রেজা। সহকারী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি)
27/05/2026

তাকাব্বালাল্লাহু মিন্না ওয়া মিনকুম।
ডাঃ মোঃ মামুন রেজা।
সহকারী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি)

26/03/2026
সবাই কে ঈদ মোবারক
20/03/2026

সবাই কে ঈদ মোবারক

আজ আমার চেম্বারে সদ্য মেডিক্যাল কলেজে (সিলেট)চান্সপ্রাপ্ত নাহিদ।সে আমার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোকিল ও রুপনারায়ণপুর ...
19/12/2025

আজ আমার চেম্বারে সদ্য মেডিক্যাল কলেজে (সিলেট)চান্সপ্রাপ্ত নাহিদ।সে আমার প্রাথমিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান কোকিল ও রুপনারায়ণপুর সম্মিলিত মাদ্রাসার ছাত্র।
সম্ভবত আমার পর সে এই মাদ্রাসা থেকে সরকারি মেডিক্যাল কলেজে চান্সপ্রাপ্ত।সে আমার পাশ্ববর্তী গ্রামের ছেলে। খুবই মেধাবী ও ভদ্র ছেলে। শুভ কামনা ওর জন্য।

সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।
16/12/2025

সবাইকে মহান বিজয় দিবসের শুভেচ্ছা।

শীতকালে হার্টের রোগ বেশী হয়। বিশেষ করে হার্ট এট্যাকের প্রবণতা বেড়ে যায়।বিশেষ করে অতিরিক্ত শীতের সময় শরীরের রক্তনালী গুলো...
04/12/2025

শীতকালে হার্টের রোগ বেশী হয়। বিশেষ করে হার্ট এট্যাকের প্রবণতা বেড়ে যায়।
বিশেষ করে অতিরিক্ত শীতের সময় শরীরের রক্তনালী গুলো সংকুচিত হয়,তেমনি হার্টের রক্তনালীও সংকুচিত হয়।ফলে আগে থেকে যাদের রক্তনালীতে চর্বি জমে রক্তনালীর গহ্বর সরু হয়ে যায়,তাদের শীতে রক্তনালী অধিক পরিমাণে সংকুচিত হলে রক্ত চলাচল বিঘ্নিত হয় এবং হার্টে অক্সিজেন সরবরাহ কমতে থাকে।তখন বুক ব্যাথা হয় এবং একসময় হার্ট এট্যাক হয়।

এছাড়াও যাদের আগে থেকে হার্ট ফেইলিউর থাকে,তাদের ঠান্ডাজনিত কারণে ইনফেকশন হলে হার্ট ফেইলিউর অধিক খারাপ হয়,রোগীদের শ্বাসকষ্ট বেশি হয়।

সুতরাং শীতকালে বয়স্ক ব্যক্তিদের অধিক যত্ন নিতে হবে,শরীরে ঠান্ডা লাগানো যাবে না।পাশাপাশি স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে। চর্বিযুক্ত খাবার পরিহার করতে হবে,উচ্চ রক্তচাপ ও ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ রাখতে হবে।

ইনশাআল্লাহ আগামীকাল নিজ উপজেলায়। ডা: মো: মামুন রেজা।এমবিবিএস,বিসিএস(স্বাস্থ্য),ডি-কার্ড(বিএমইউ)সহকারী অধ্যাপক (কার্ডিওলজ...
20/11/2025

ইনশাআল্লাহ আগামীকাল নিজ উপজেলায়।
ডা: মো: মামুন রেজা।
এমবিবিএস,বিসিএস(স্বাস্থ্য),
ডি-কার্ড(বিএমইউ)
সহকারী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি)।

17/11/2025

আলহামদুলিল্লাহ। আল্লাহর অশেষ রহমতে পদোন্নতি পেলাম।
সহকারী অধ্যাপক (কার্ডিওলজি)

সারাদিন  সরকারি হেলথ ক্যাম্পে রোগী দেখার ঠেলায় মেয়ের জন্মদিনের কথায় ভুলে গেছিলাম। পরে এক প্রতিষ্ঠানের ফোন কল,আজ কে আপনার...
15/11/2025

সারাদিন সরকারি হেলথ ক্যাম্পে রোগী দেখার ঠেলায় মেয়ের জন্মদিনের কথায় ভুলে গেছিলাম। পরে এক প্রতিষ্ঠানের ফোন কল,আজ কে আপনার মেয়েকে জন্মদিনের শুভেচ্ছা।
শুভ জন্মদিন মা

11/10/2025

কেন জানি অতীতের কথা মনে পড়ছে।
এক অনুন্নত গ্রামে জন্ম,সাধারণ স্কুল শিক্ষকের ছেলে তবে গ্রামের অন্য বাচ্চাদের তুলনায় এমনকি ভাইবোনদের তুলনায় ভালভাবে বড় হয়েছি।পড়ালেখা শুরু স্থানীয় মাদ্রাসায়,বাড়িতে সন্ধ্যায় হারিকেন/বাতি জ্বালিয়ে পড়াশোনা করতাম,মা পড়াত। মা সম্ভবত ওই সময়ে সবচেয়ে মেধাবী ও বেশি ক্লাস (ক্লাস ৮ পাশ)পর্যন্ত লেখাপড়া জানা মহিলা ছিলেন।
আমরা ছোটবেলায় রুমাল বা স্যালাইন এর তার দিয়ে বই বেঁধে মাদ্রাসায় যেতাম। এবং গ্রামের প্রথম এমনকি মাদ্রাসার প্রথম স্কুল ব্যাগ বহনকারী ছাত্র ছিলাম।আব্বা চট্টগ্রাম /ঢাকা থেকে কিনে এনেছিল ক্লাস টু/থ্রীতে পড়ার সময়। ক্লাস ফাইভে ফাইনাল পরীক্ষায় পুরা মাদ্রাসায় ক্লাস টেন পর্যন্ত সর্বোচ্চ নাম্বার পেয়ে জীবনের প্রথম পুরস্কার পেয়েছিলাম।
যাহোক ক্লাস ফাইভ পাশ করে মাদ্রাসায় তখন সাইন্স বিভাগ না থাকার জন্য হাইস্কুলে ভর্তি হলাম উপজেলার স্বনামধন্য চকময়রাম স্কুলে। ভর্তি পরীক্ষায় সব প্রাইমারী সিলেবাস থেকে প্রশ্ন হয়েছিল, আমার কাজিনের প্রাইমারী বই নানা বাড়ীতে গিয়ে পড়তাম বলে পরীক্ষায় অনেক কিছু কমন পড়েছিল। এভাবে স্কুল জীবন শুরু হল,উপজেলার অনেক মেধাবীরা পড়ত স্কুলে,ডাক্তার /ব্যাংকার/পুলিশ /নেতার সন্তান।
আমি অজ পাঁড়া গ্রামের যদিও শিক্ষকের ছেলে।ক্লাস বাই ক্লাসে পরিচিতির কাতারে আসতে শুরু করলাম। ক্লাস এইটে বৃত্তি পাওয়ার পর শিক্ষকদের কাছে কদর বাড়ল। এসএসসি তে তুলনামূলক ভাবে ভালো রেজাল্ট হলনা।
এসএসসির পর চলে গেলাম রাজশাহীতে ২০০২ সালে ভর্তি কোচিং করতে,এডমিশন টেস্ট দিয়ে নিউ গভ: ডিগ্রী তে ভর্তির সুযোগ পেলাম।যথারিতি এইচএসসি তে জিপিএ ৫ পেয়ে পাশ করে এসএসসির দুঃখ ঘুচল।
এরপর শুরু হল মেডিক্যাল কোচিং।
বাড়িতে এসে তখনও হারিকেনের আলোতে পড়তে হত।ভাগ্যক্রমে রাজশাহী মেডিক্যাল কলেজে চান্স পেলাম,ভর্তি হলাম।
তখন থেকে গ্রামের এমনকি উপজেলার অনেক পরিচিত /আব্বার পরিচিত রা চিকিৎসার জন্য রাজশাহী মেডিক্যালে গেলে তাদের সামান্যতম হেল্প করার সুযোগ পেতাম।
৫ বছর শেষে এমবিবিএস পাশ করলাম,যদিও চতুর্থ বর্ষে রাজনৈতিক অস্থিরতায় বাড়িতে এসে ছিলাম,গ্রামে কারেন্ট তখনও আসেনি,বোনের বাড়িতে গিয়ে পড়েছি।
এরপর প্রথম বিসিএস দিয়ে জীবনের প্রথমবারের মত অকৃতকার্য হলাম।
ইন্টার্নশিপ শেষে জীবনের প্রথম ঢাকা শহরে গেলাম। একদিকে বিসিএস প্রিপারেশন ও অন্য দিকে এফসিপিএস প্রিপারেশন সাথে পার্ট টাইম ক্লিনিকে সপ্তাহে ১/২ দিন জব।
বিসিএস ও এফসিপিএস দুটাতেই পাশ করলাম।
এফসিপিএস ট্রেনিং শুরু আর সাথে বিসিএস এ গেজেটেড হয়ে চাকরিতে যোগদান করার অপেক্ষা।

২০১৪ সালের ১০ জুলাই।
জীবনের সবচেয়ে কষ্টের দিন। বিসিএস গেজেট হল,অথচ আমার নাম খুঁজে পেলাম না।
তখন পর্যন্ত জানতাম না যে চূড়ান্ত পরীক্ষায় পাশ করেও চাকরিতে জয়েন করার সুযোগ হয়না।

শুরু হল ক্যারিয়ার প্লানিং এর লাইনচ্যুত।
৬ মাস শুধু বাড়ি আর ঢাকা আসা যাওয়া করলাম,ট্রেনিং এ ঢুকলাম না।প্রশ্ন একটায় কেন আমার চাকরি হলনা,আমার উপজেলায় আমার থেকে পরের মেধাক্রমে যারা ছিল,তারা চাকরি করে।
সমাজের ও উপজেলার পরিচিত জনের তীর্যক সমালোচনা। বাড়ির সাথে দূরত্ব বেড়ে গেল।৬ মাস পর বিসিএস, এফসিপিএস এর আশা ছেড়ে গেলাম ফেনীতে ক্লিনিকে জব করতে।
সময়ের সাথে সাথে নিজেকে মানিয়ে নিলাম।প্রায় ২ বছর পর সেই বিসিএস এ গেজেটেড হয়ে চাকরি হল। পোস্টিং হল পার্বত্য জেলা রাঙ্গামাটির এক দূর্গম উপজেলায়।
আবার শুরু হল হতাশা।একবছর পর এফসিপিএস ট্রেনিং এ আসতে চাইলে ট্রান্সফার নিতে পারলাম না।
অবশেষে ডি কার্ড পরীক্ষা দিয়ে দিনাজপুরে চান্স পেলাম।
শুরু হল আর এক বিড়ম্বনা,নির্বাচনের জন্য ডেপুটেশন দিবে না।অনেক আন্দোলন এর পর ২ মাস পর ডেপুটেশন পেয়ে রাঙ্গামাটি ছেড়ে দিনাজপুরে আসলাম।
এতদিনে কিছুটা স্বাভাবিক জীবনে ফিরে আসা।ভাঙ্গা লাইন ঠিক করে পুনরায় শুরু হল পড়ালেখা। কোর্স শেষে করোনা আসল,আবার অস্থিরতা। ৬ মাস পিছিয়ে ডি কার্ড ফাইনাল পরীক্ষায় অংশগ্রহণ করে পাশ করে অনেকটা স্বস্তি পেলাম।

পাশ করার ২ বছর পর পেলাম অনাকাঙ্ক্ষিত ভাবে প্রমোশন।
প্রমোশন পাওয়ার পর থেকে শুধু মনে হয় কেন প্লানিং মত এগুতে পারলাম না।
আসলে প্লানিং করে ক্যারিয়ার সবার হয়না। আল্লাহ যেভাবে চাইছেন,সেভাব হয়েছে। লাইনচ্যুত হয়ে গেছিলাম কিছু মানুষের ষড়যন্ত্রে।
আজ তারা ফেরারী,ঘড় বাড়ি ছাড়া।

দিনশেষে এখন যখন সাপ্তাহিক চেম্বারে পাড়া প্রতিবেশী, আত্মীয় স্বজনের ও এলাকার মানুষের চিকিৎসার করার/ পরামর্শ দেওয়ার সুযোগ পাচ্ছি তখন ভালই লাগে।

আলহামদুলিল্লাহ।

ডাঃ মো. মামুন রেজা।
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য),
ডি-কার্ড,
এফসিপিএস -এফ পি (মেডিসিন)
কনসালটেন্ট (কার্ডিওলজি)।

Address

Dhamoirhat

Opening Hours

09:00 - 17:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাঃ মো: মামুন রেজা- হৃদরোগ ও মেডিসিন বিশেষজ্ঞ posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share