Dr. Ruckshana Liza's Gynae & Obs Care

Dr. Ruckshana Liza's Gynae & Obs Care নারীর স্বাস্থ্য ও মাতৃত্বের যত্নে বিশ্বস্ত সঙ্গী, দিনাজপুরে আপনার পাশে সর্বদা।
(1)

👩‍⚕️ "আমি ডা. রুখসানা লিজা — আপনার সুস্থতা, নিরাপদ মাতৃত্ব ও হাসি আমার প্রথম অগ্রাধিকার।"

🤝 "প্রতিটি রোগী আমার কাছে পরিবার, আর পরিবারের জন্যই সবচেয়ে যত্নশীল চিকিৎসা।"

💐 "দিনাজপুরে আধুনিক ও আন্তরিক গাইনী ও অবস সেবা — আপনার পাশে, সবসময়।"

💖 "শুধু চিকিৎসা নয়, প্রতিটি মায়ের জন্য ভালোবাসা, যত্ন আর নিরাপত্তা।"

📍 "আপনার গল্প শুনি, আপনাকে বুঝি, আর আপনাকে নিয়ে হাঁটি সুস্থতার পথে।"


👩‍⚕️ ডাঃ রুখসানা মমত

াজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
📞 সিরিয়ালের জন্য 01755-305253

সম্ভব হলে আপনার ছোট্ট বারান্দাটিতে, জানালার পাশে, কিংবা ঘরের এক কোণে, একটা গাছ রাখুন।কারণ কখনও কখনও ভালো থাকার জন্য খুব ...
20/08/2026

সম্ভব হলে আপনার ছোট্ট বারান্দাটিতে,
জানালার পাশে,
কিংবা ঘরের এক কোণে,
একটা গাছ রাখুন।

কারণ কখনও কখনও ভালো থাকার জন্য খুব বেশি কিছু প্রয়োজন হয় না। একটু সবুজ, একটু আলো, একটু নিজের মতো সময়।
শরীরের যত্ন যেমন জরুরি, মনের যত্নও তেমনই জরুরি।

আমার ছোট্ট বাগানের সবুজ থেকে আপনাদের জন্য রইল... একটা শান্ত সকাল, আর অনেক ভালো থাকার শুভকামনা।
শুভ সকাল 💖💖

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
গাইনী,বন্ধ্যাত্ব ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

ম্যাডাম,গাইনী ডাক্তার দেখাতে ভয় লাগে!গেলেই নাকি সিজার!!কয়েকদিন আগে একজন রোগীর মুখে কথাটা শুনে মনে হলো এই কথাটা এখন অনেকে...
17/08/2026

ম্যাডাম,গাইনী ডাক্তার দেখাতে ভয় লাগে!
গেলেই নাকি সিজার!!
কয়েকদিন আগে একজন রোগীর মুখে কথাটা শুনে মনে হলো এই কথাটা এখন অনেকেরই মনে গেঁথে গেছে।

কিন্তু একটা labour room-এ দাঁড়িয়ে বাইরে থেকে যেটাকে খুব সহজ মনে হয়, ভেতরের পরিস্থিতি সবসময় তেমন থাকে না। একজন মা ঘণ্টার পর ঘণ্টা labour pain সহ্য করছেন। Cervix আগাচ্ছে না।
Baby-র heart rate বারবার কমে যাচ্ছে।
অথবা এমন কোনো complication দেখা দিলো, যেখানে আরও অপেক্ষা করলে মা কিংবা শিশুর ক্ষতি হওয়ার আশঙ্কা তৈরি হচ্ছে।

সেই মুহূর্তে ডাক্তার যদি বলেন,এখন সিজার করাই নিরাপদ, তাহলে সেটাকে শুধু 'ডাক্তার সিজার করতে চান ' বলে ব্যাখ্যা করলে পুরো ঘটনাটাই ভুলভাবে দেখা হবে।

আবার উল্টোদিকটাও সত্যি। প্রতিটি pregnancy-তেই সিজার দরকার হয় না। অনেক মায়ের ক্ষেত্রেই vaginal delivery-এর জন্য অপেক্ষা করা যায়, labour naturally progress করার সুযোগ দেওয়া যায় এবং নিরাপদভাবে normal delivery সম্ভব হয়।

এখানেই আসলে ডাক্তারের ব্যক্তিগত clinical judgement-এর পার্থক্য আসে। একই রোগীকে দেখে দুজন obstetrician-এর management approach কিছুটা আলাদা হতে পারে।
কারও কাছে আরও কিছুক্ষণ অপেক্ষা করা reasonable মনে হতে পারে, অন্যজন হয়তো available information অনুযায়ী intervention-এর দিকে যাবেন।

'আমি নরমাল ডেলিভারি চাই ' এটা একজন মায়ের ইচ্ছা। কিন্তু নরমাল ডেলিভারি হবেই...এটা কোনো ডাক্তারও আগে থেকে guarantee দিতে পারেন না।
কারণ delivery কোনো fixed script মেনে চলে না।
কিন্তু সব গাইনী ডাক্তারই সিজার করতে চান...এই একটি ধারণা দিয়ে পুরো চিকিৎসক সমাজকে বিচার করা ঠিক হবে না।

আমাদেরও ভুল হতে পারে, আমাদের মধ্যেও ভালো-মন্দের পার্থক্য আছে।
কিন্তু অসংখ্য গাইনী ডাক্তার প্রতিদিন অনেক রাত জেগে, দীর্ঘ labour monitor করে, শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত vaginal delivery-এর চেষ্টা করেন, শুধু একজন মা যেন নিরাপদে তার সন্তানকে পৃথিবীতে আনতে পারেন।

নরমাল ডেলিভারি গুরুত্বপূর্ণ, কিন্তু নিরাপদ ডেলিভারি তার চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ। এটি আমার ব্যক্তিগত মতামত।

ছবি গল্প -
এই রাজকন্যার মা প্রথম থেকেই রেগুলার গর্ভকালীন চেকআপে থাকা আমার রোগী। স্বাভাবিকভাবেই প্রসব ব্যথা উঠার পর আমি তাকে সবকিছু দেখে জানালাম, নরমাল ডেলিভারির চেষ্টা করা যাবে। ১ম বাচ্চা। ধৈর্য্য ধরতে হবে। বেচারী সারারাত ব্যথা সহ্য করল। ভোরবেলা তার হাজবেন্ড আমাকে ফোন করে জানালো,"ম্যাডাম সিজার করে দেন...ও আর সহ্য করতে পারছে না! আমরা অপেক্ষা করতে চাই না। আমি সিজারের জন্য প্রয়োজনীয় ওষুধপত্র কিনে ফেলেছি।"
আমি আবারও উনাকে বললাম, সবকিছু স্বাভাবিকভাবেই আগাচ্ছে। আর দু এক ঘন্টা ধৈর্য্য ধরলে নরমাল ডেলিভারিতেই বাচ্চা হবে।
আলহামদুলিল্লাহ এই রাজকন্যা নরমাল ডেলিভারিতেই পৃথিবীতে এসেছে।
ওর মত আমার আরো অনেক রোগীর বাচ্চাই নরমাল ডেলিভারির মাধ্যমে পৃথিবীতে এসেছে।
সবার জন্য ভালোবাসা অবিরাম ❤️❤️

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
গাইনী,বন্ধ্যাত্ব ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

ডাক্তার দেখিয়েছেন, প্রেসক্রিপশনও নিয়েছেন।কিন্তু ওষুধগুলো কি ঠিকমতো খাচ্ছেন?অনেক রোগী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ...
13/08/2026

ডাক্তার দেখিয়েছেন, প্রেসক্রিপশনও নিয়েছেন।
কিন্তু ওষুধগুলো কি ঠিকমতো খাচ্ছেন?

অনেক রোগী বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধের প্রেসক্রিপশন নেন ঠিকই, কিন্তু সবগুলো ওষুধ নিয়মিত এবং নির্ধারিত সময় পর্যন্ত খান না। ২/৩ দিন খেয়ে একটু ভালো লাগলেই বন্ধ করে দেন। কেউ একটা ওষুধে সমস্যা হলে নিজের মতো করে সেটি বাদ দেন। আবার কেউ পরিচিত কারও পরামর্শে প্রেসক্রিপশন থেকে একটা-দুটো ওষুধ বাদ দিয়ে দেন। আবার অনেকের ক্ষেত্রে খরচের কারণেও নিয়মিত ওষুধ খাওয়া সম্ভব হয় না।

কিন্তু সমস্যা হলো...
আপনি যে কারণে ওষুধটি বন্ধ করেছেন, রোগটি কিন্তু সেই কারণ বুঝবে না। ফলে দেখা যায়, রোগ পুরোপুরি ভালো হচ্ছে না, বারবার ফিরে আসছে, চিকিৎসার সময় আরও দীর্ঘ হচ্ছে; কোনো কোনো ক্ষেত্রে পরবর্তীতে আরও জটিল চিকিৎসার প্রয়োজনও হতে পারে।
বিশেষ করে অ্যান্টিবায়োটিক, হরমোনাল ওষুধ বা দীর্ঘমেয়াদি চিকিৎসার ক্ষেত্রে নিজের ইচ্ছায় ডোজ কমানো, বাড়ানো বা বন্ধ করা একেবারেই ঠিক নয়।

ওষুধে কোনো পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া হচ্ছে?
খেতে কষ্ট হচ্ছে?
খরচ বেশি মনে হচ্ছে?
কোনো ওষুধ নিয়ে সন্দেহ হচ্ছে?

নিজে থেকে বন্ধ করবেন না। ডাক্তারকে বলুন।
প্রয়োজনে ডাক্তার ওষুধ পরিবর্তন করবেন, কমাবেন, বাড়াবেন বা অন্য বিকল্প দেবেন।
কিন্তু নিজের সিদ্ধান্তে প্রেসক্রিপশন কাটাছেঁড়া করলে অনেক সময় রোগ সারতে দেরি হয়, চিকিৎসা দীর্ঘ হয়, আর শেষ পর্যন্ত ভোগান্তিটাও রোগীরই বেশি হয়।

চিকিৎসা শুধু ভালো একজন বিশেষজ্ঞ দেখানোতেই শেষ নয়। চিকিৎসকের পরামর্শটা সঠিকভাবে অনুসরণ করাও চিকিৎসারই একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
অনুগ্রহপূর্বক নিজের মতো করে প্রেসক্রিপশন বদলাবেন না।
আপনার সামান্য অসচেতনতা যেন আপনার চিকিৎসাটাকেই ব্যর্থ না করে।

লেখাটা প্রয়োজন মনে হলে শেয়ার করতে পারেন।

ছবিগল্প-
নিয়মিত গর্ভকালীন চেকআপে থেকে সকল প্রেসক্রিপশন ও পরামর্শ সঠিকভাবে মেনে চলা আমার অতি লক্ষ্মী রোগীর জমজ পুত্র সন্তান কোলে আমি।
গতকাল সেলাই কেটে দিলাম।৩ জনই সুস্থ আছে আলহামদুলিল্লাহ।



ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
গাইনী,বন্ধ্যাত্ব ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

রাজকন্যার বয়স চার বছর।৪ বছর আগে আমার হাত ধরে সে পৃথিবীতে এসেছিলো। কর্মক্ষেত্র ও চেম্বার দুটোই পরিবর্তন হওয়ায় তার মা আ...
11/08/2026

রাজকন্যার বয়স চার বছর।
৪ বছর আগে আমার হাত ধরে সে পৃথিবীতে এসেছিলো। কর্মক্ষেত্র ও চেম্বার দুটোই পরিবর্তন হওয়ায় তার মা আমাকে হারিয়ে ফেলে।
এই চার বছরে উনি আমাকে অনেক খুঁজেছেন।
অবশেষে খুঁজে পেয়েছেন। বর্তমানে উনি আবার গর্ভবতী। উনি চান আমার হাতেই তার ২য় সন্তানের আগমন ঘটুক।

এই ভালোবাসা আর ভরসাটুকুই আমার চিকিৎসক জীবনের সবচেয়ে বড় অর্জন।
রোগী কে দেখা শেষ হওয়ার পর যখন তারা চলে যাবেন,এই রাজকন্যা কিছুতেই তার মায়ের সাথে বাসায় যাবে না। আমার সাথে এখানেই থাকবে। জেদ ধরে অনেক কান্নাকাটির পর বুঝিয়ে শুনিয়ে তাকে নিয়ে গেলো।

আলহামদুলিল্লাহ।
অনেক দোয়া আমার রোগী,তার রাজকন্যা ও অনাগত সন্তানের জন্য।

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
গাইনী,বন্ধ্যাত্ব ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

রোগী স্যালাইন চলছে, আর পাশে চলছে ভুরিভোজ!প্রতিদিন সরকারি হাসপাতালের ওয়ার্ডে কাজ করতে গিয়ে এমন দৃশ্য প্রায়ই দেখি।একজন রোগ...
09/08/2026

রোগী স্যালাইন চলছে, আর পাশে চলছে ভুরিভোজ!
প্রতিদিন সরকারি হাসপাতালের ওয়ার্ডে কাজ করতে গিয়ে এমন দৃশ্য প্রায়ই দেখি।
একজন রোগী অসুস্থ হয়ে বেডে শুয়ে আছেন। কারও জ্বর, কারও অপারেশন হয়েছে, কেউ অজ্ঞান বা আধা-চেতন অবস্থায়। অথচ তার চারপাশে ৮-১০ জন স্বজন বসে একসাথে খাওয়া-দাওয়ায় ব্যস্ত।

অনেকেই ভাবেন, এতে সমস্যা কী?
চলুন দেখি কি কি সমস্যা হয়ঃ

১) রোগীর বিশ্রাম নষ্ট হয়। শব্দ, কথাবার্তা, ভিড়...এসব রোগীর সুস্থ হওয়ার পথে বড় বাধা।

২) ভিড়ের কারণে চিকিৎসক ও নার্সদের রোগীর কাছে পৌঁছাতে দেরি হয়। জরুরি মুহূর্তে কয়েক সেকেন্ডের দেরিও গুরুত্বপূর্ণ হতে পারে।

৩)খাবারের উচ্ছিষ্ট ও অপরিচ্ছন্নতা সংক্রমণের ঝুঁকি বাড়ায়। রোগ জটিল আকার ধারণ করে।
হাসপাতাল কোনো পিকনিক স্পট নয়।

৪) অনেক সময় স্যালাইনের লাইন, অক্সিজেনের পাইপ বা চিকিৎসার সরঞ্জাম অসাবধানতাবশত টেনে যায়, যা বিপজ্জনক হতে পারে।

৫) খাবারের গন্ধে অনেক রোগীর বমি বমি ভাব বেড়ে যায়। বিশেষ করে অপারেশনের পর, গর্ভবতী মা বা গুরুতর অসুস্থ রোগীদের ক্ষেত্রে।

একজন রোগীর সবচেয়ে বড় প্রয়োজন হলো শান্ত পরিবেশ, পরিচ্ছন্নতা, পর্যাপ্ত বিশ্রাম এবং সময়মতো চিকিৎসা।

আপনি যদি সত্যিই আপনার প্রিয় মানুষটিকে ভালোবাসেন, তাহলে তার বেডের পাশে ভোজের আয়োজন না করে-
-প্রয়োজনীয় একজন বা দুজন সেবাদানকারী থাকুন।
- খাবার হাসপাতালের নির্ধারিত স্থানে গিয়ে খান।
- ওয়ার্ড পরিষ্কার রাখুন।
- চিকিৎসক ও নার্সদের কাজ করতে সহযোগিতা করুন।

আপনার একটি ছোট সচেতনতা হয়তো আপনার নিজের রোগীসহ আরও অনেক রোগীর দ্রুত সুস্থ হতে সাহায্য করবে।
পোস্টটি শেয়ার করুন। সচেতনতা ছড়িয়ে দিন।

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
গাইনী,বন্ধ্যাত্ব ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

'একটা ইমার্জেন্সি পিলই তো খেয়েছি! এতে আবার কী হবে?'চেম্বারে এই কথাটা আমি খুব প্রায়ই শুনি।কেউ ভয়ে খেয়ে ফেলেন, কেউ বন্...
28/07/2026

'একটা ইমার্জেন্সি পিলই তো খেয়েছি! এতে আবার কী হবে?'
চেম্বারে এই কথাটা আমি খুব প্রায়ই শুনি।
কেউ ভয়ে খেয়ে ফেলেন, কেউ বন্ধুর পরামর্শে, আবার কেউ প্রায় প্রতি মাসেই এটাকে জন্মনিয়ন্ত্রণের উপায় হিসেবে ব্যবহার করেন।

কিন্তু একটা বিষয় মনে রাখা জরুরী....
Emergency contraceptive pill জরুরি পরিস্থিতির জন্য। নিয়মিত ব্যবহারের জন্য নয়।
মাঝে মধ্যে জরুরী প্রয়োজন হলে এই ওষুধ খাওয়া যায়। কিন্তু বারবার খেলে শরীরকে অযথা হরমোনের ধাক্কা দেওয়া হয়।

কি কি সমস্যা হতে পারে ঃ
🔸 মাসিক আগে বা পরে হতে পারে,
🔸 অনিয়মিত রক্তপাত হতে পারে,
🔸 বমি বমি ভাব, মাথাব্যথা বা দুর্বল লাগতে পারে।

আর পিল খাওয়ার পরও যদি গর্ভধারণ হয়ে যায়, তাহলে সেটি জরায়ুর ভেতরে নাকি বাইরে (Ectopic), সেটা অবশ্যই পরীক্ষা করে নিশ্চিত হতে হবে।
পিল খাওয়ার পর যদি-
-মাসিক অনেক দিন বন্ধ থাকে,
-প্রেগন্যান্সি টেস্ট পজিটিভ আসে,
- একপাশে তীব্র তলপেটে ব্যথা হয়,
- - অস্বাভাবিক রক্তপাত শুরু হয়।
তাহলে অপেক্ষা করবেন না। দ্রুত একজন গাইনি বিশেষজ্ঞের কাছে যান।

সবশেষে একটা কথা...
Emergency pill কোনো 'ম্যাজিক পিল' নয়।
এটি শুধু জরুরি সময়ের জন্য একটি বিকল্প।
কিন্তু যদি বারবার এর প্রয়োজন হয়, তাহলে বুঝতে হবে আপনার জন্য একটি ভালো, নিরাপদ ও নিয়মিত জন্মনিয়ন্ত্রণ পদ্ধতি বেছে নেওয়ার সময় এসেছে।

সঠিক তথ্য জানুন, নিজের শরীরকে ভালোবাসুন।

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
গাইনী,বন্ধ্যাত্ব ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

আমি মনে করি, একজন চিকিৎসকের জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি কোনো সার্টিফিকেট, পদোন্নতি বা পুরস্কার নয়...বরং সেই মুহূর্ত, যখন দ...
26/07/2026

আমি মনে করি, একজন চিকিৎসকের জীবনের সবচেয়ে বড় প্রাপ্তি কোনো সার্টিফিকেট, পদোন্নতি বা পুরস্কার নয়...
বরং সেই মুহূর্ত, যখন দীর্ঘদিনের অপেক্ষা, অশ্রু, দোয়া আর সংগ্রামের পর একজন মা প্রথমবারের মতো তার সন্তানের মুখ দেখে।

বিয়ের পর দীর্ঘ ৪ বছর ধরে একটি সন্তানের জন্য কত আশা, কত নির্ঘুম রাত, কত পরীক্ষা-নিরীক্ষা, কত চিকিৎসা... সবকিছুর মধ্যেও তারা আশা ছাড়েননি। একসময় তারা আমার চিকিৎসায় আস্থা রাখলেন।

অবশেষে, গত শুক্রবার মহান আল্লাহর অসীম রহমতে তাদের ঘর আলো করে এসেছে ৩.৬ কেজি ওজনের একটি ফুটফুটে পুত্রসন্তান।

মায়ের কোলে যখন প্রথমবারের মতো সেই ছোট্ট শিশুটিকে তুলে দেওয়া হলো, তখন তাদের চোখের আনন্দাশ্রু যেন বলে দিচ্ছিল....এই অপেক্ষার প্রতিটি দিন সার্থক।

এই দৃশ্যের সাক্ষী হতে পারা, এই আনন্দের সামান্য অংশীদার হতে পারা, একজন গাইনি ও বন্ধ্যাত্ব চিকিৎসক হিসেবে আমার জীবনের সবচেয়ে বড় সৌভাগ্যগুলোর একটি।

প্রতিদিনই এমন অসংখ্য গল্প আমার জীবনের সঙ্গে যুক্ত হয়। প্রতিটি গল্পের পেছনে থাকে অজস্র কষ্ট, ধৈর্য, বিশ্বাস আর মহান আল্লাহর অশেষ রহমত।
আমি জানি, চিকিৎসক শুধু চেষ্টা করতে পারেন। ফলাফলের মালিক একমাত্র মহান আল্লাহ। তিনিই আমার মতো ক্ষুদ্র একজন মানুষকে এই কাজের উপলক্ষ বানিয়েছেন, বন্ধ্যাত্বে ভেঙে পড়া অসংখ্য দম্পতির মুখে হাসি ফোটানোর সুযোগ দিয়েছেন।
আলহামদুলিল্লাহ।

যারা এখনও সন্তান লাভের অপেক্ষায় আছেন, তাদের জন্য একটি কথাই বলব, আশা হারাবেন না। সঠিক সময়ে সঠিক চিকিৎসা এবং আল্লাহর ওপর অটল ভরসা....অলৌকিক আনন্দের দরজা খুলে দিতে পারে।

সবাই ছোট্ট শিশুটির জন্য দোয়া করবেন। আল্লাহপাক যেন তাকে নেক, সুস্থ ও কল্যাণময় জীবন দান করেন এবং তার বাবা-মায়ের জীবন চিরদিন আনন্দে ভরে রাখেন।

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
গাইনী,বন্ধ্যাত্ব ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

21/07/2026

অনিবার্য কারণবশত আজ ও আগামীকাল,২১ ও ২২ জুলাই (মঙ্গল ও বুধবার) দিনাজপুর চেম্বার বন্ধ থাকবে।
যেকোনো জরুরী প্রয়োজনে মাইক্রোল্যাব এর ফোন নাম্বারে অথবা সরাসরি আমাকে whatsapp করুন।
সাময়িক এ অসুবিধার জন্য আন্তরিকভাবে দুঃখিত।

13/07/2026

আলট্রাসনোগ্রাম তো যেকোনো জায়গায় করালেই হয়! সত্যিই কি তাই??

অনেকেই ভাবেন, আলট্রাসনোগ্রাম শুধু একটি রিপোর্ট। কিন্তু একজন গাইনী ও প্রসূতি বিশেষজ্ঞ যখন নিজেই আলট্রাসনোগ্রাম করেন, তখন সেটি শুধু একটি পরীক্ষা থাকে না, সেটি হয়ে ওঠে রোগ নির্ণয় ও চিকিৎসার একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

রোগী এমন কিছু সুবিধা পান, যা শুধু একটি রিপোর্ট দিয়ে কখনোই পাওয়া সম্ভব নয়ঃ

১) রোগের ইতিহাস, শারীরিক পরীক্ষা ও আলট্রাসনোগ্রামের তথ্য, সব একসাথে মিলিয়ে সিদ্ধান্ত নেওয়া যায়।

২) ছোট ছোট পরিবর্তনও সহজে ধরা পড়ে, কারণ চিকিৎসক জানেন ঠিক কী খুঁজতে হবে এবং কেন খুঁজতে হবে।

৩) এক ডাক্তার দেখালেন, অন্য কেউ আলট্রাসনোগ্রাম করলেন, পরে আবার রিপোর্ট বুঝতে প্রথমজনের কাছে যেতে হলো, এই বিভ্রান্তি কমে যায়। অপ্রয়োজনীয় দৌড়ঝাঁপ কমে।

৪) রোগী সরাসরি স্ক্রিনে নিজের সমস্যাটি বুঝতে পারেন। এতে ভয় ও বিভ্রান্তি অনেকটাই কমে যায়।

৫) প্রয়োজনে সঙ্গে সঙ্গেই চিকিৎসার পরিকল্পনা বদলানো যায়। রিপোর্টের জন্য আলাদা করে অপেক্ষা বা আবার দেখানোর ঝামেলা কমে।

৬) গর্ভাবস্থায় মা ও শিশুর অবস্থা তাৎক্ষণিক মূল্যায়ন করে দ্রুত সিদ্ধান্ত নেওয়া সম্ভব হয়, যা অনেক ক্ষেত্রে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। কারণ পুরো ক্লিনিক্যাল চিত্রটি একজন চিকিৎসকের কাছেই থাকে।

রিপোর্ট গুরুত্বপূর্ণ। কিন্তু রিপোর্টের চেয়েও গুরুত্বপূর্ণ হলো... সেটি কে করছেন, কেন করছেন এবং কীভাবে ব্যাখ্যা করছেন।
ভালো চিকিৎসা শুরু হয় সঠিক রোগ নির্ণয় থেকে, আর সঠিক রোগ নির্ণয় শুরু হয় রোগীকে সম্পূর্ণভাবে বোঝার মাধ্যমে।

নিজের স্বাস্থ্য সম্পর্কে সচেতন থাকুন। সঠিক সময়ে সঠিক সিদ্ধান্তই অনেক বড় জটিলতা এড়িয়ে যেতে সাহায্য করতে পারে।

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
গাইনী,বন্ধ্যাত্ব ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

আমরা হাজার হাজার টাকা খরচ করি চিকিৎসার জন্য। কিন্তু প্রতিদিন এমন একটি 'ওষুধ' কে অবহেলা করি, যার কোনো দাম নেই।সেই ওষুধের ...
06/07/2026

আমরা হাজার হাজার টাকা খরচ করি চিকিৎসার জন্য। কিন্তু প্রতিদিন এমন একটি 'ওষুধ' কে অবহেলা করি, যার কোনো দাম নেই।
সেই ওষুধের নাম....ঘুম।
ঘুম বিশ্বের সবচেয়ে শক্তিশালী প্রাকৃতিক ওষুধগুলোর একটি।

সুস্থ থাকতে তাই আজ থেকেই এই অভ্যাসগুলো গড়ে তুলুনঃ
১) প্রতিদিন অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা ঘুমানোর চেষ্টা করুন।

২) প্রতিদিন একই সময়ে ঘুমাতে যান। সম্ভব হলে রাত ১২টার আগেই।

৩) ঘুমানোর অন্তত ২ ঘণ্টা আগে রাতের খাবার শেষ করুন।

৪) রাতের খাবার হালকা ও সহজপাচ্য রাখুন।

৫) ঘুমানোর অন্তত ১ ঘণ্টা আগে মোবাইল, টিভি ও অন্যান্য স্ক্রিন থেকে দূরে থাকুন।

৬) বিকেল বা সন্ধ্যার পর অতিরিক্ত চা, কফি ও এনার্জি ড্রিংক এড়িয়ে চলুন।

৭) প্রতিদিন অন্তত ২০–৩০ মিনিট হাঁটা বা হালকা ব্যায়াম করুন। তবে ঘুমানোর ঠিক আগে ভারী ব্যায়াম করবেন না।
৮) দিনের বেলায় ২০–৩০ মিনিটের বেশি ঘুমানোর অভ্যাস থাকলে রাতের ঘুম ব্যাহত হতে পারে।

৯) শোবার ঘর অন্ধকার, শান্ত ও আরামদায়ক রাখুন। ঘুমের পরিবেশও ভালো ঘুমের একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।

১০) বিছানাকে শুধু ঘুম ও দাম্পত্য জীবনের জন্য ব্যবহার করুন। বিছানায় বসে দীর্ঘক্ষণ কাজ বা সোশ্যাল মিডিয়া স্ক্রল করার অভ্যাস কমান।

১১) প্রতিদিন একই সময়ে ঘুম থেকে ওঠার চেষ্টা করুন.....এমনকি ছুটির দিনেও।

১২) দুশ্চিন্তা নিয়ে বিছানায় যাবেন না। প্রয়োজনে পরের দিনের কাজের তালিকা আগে থেকেই লিখে রাখুন।

১৩) অকারণে ঘুমের ওষুধ খাবেন না। দীর্ঘদিন ঘুমের সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ নিন।

ভালো ঘুম শুধু ক্লান্তি দূর করে না, এটি হৃদ্‌রোগ, ডায়াবেটিস, স্থূলতা, উচ্চ রক্তচাপ, মানসিক চাপ এবং রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতার সাথেও গভীরভাবে সম্পর্কিত।

তাই আজ রাত থেকেই একটি সিদ্ধান্ত নিন। নিজের শরীরকে প্রতিদিন অন্তত ৭–৮ ঘণ্টা 'মেরামতের সময়' উপহার দেবেন।

ডাঃ রুখসানা মমতাজ (লিজা)
আবাসিক সার্জন (গাইনী)
গাইনী,বন্ধ্যাত্ব ও প্রসূতিবিদ্যা বিশেষজ্ঞ ও সার্জন।
২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতাল,
সদর, দিনাজপুর।

চেম্বারঃ
মাইক্রোল্যাব ডায়াগনস্টিক সেন্টার
আইন কলেজ গেট,বালুবাড়ি
দিনাজপুর।
সিরিয়ালের জন্য 01755-305253.

Address

MicroLab Diagnostic Centre, Law College More
Dinajpur
5200

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Ruckshana Liza's Gynae & Obs Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Ruckshana Liza's Gynae & Obs Care:

Shortcuts

Share