Dr Jahir Lalat

Dr Jahir Lalat MBBS(DU)

হাড় একদিনে দুর্বল হয়না। বছরের পর বছর নিষ্ক্রিয়তা, কম চলাফেরা আর শরীরকে পর্যাপ্ত চাপ না দেওয়ার ফলেই ধীরে ধীরে হাড় তার...
18/05/2026

হাড় একদিনে দুর্বল হয়না। বছরের পর বছর নিষ্ক্রিয়তা, কম চলাফেরা আর শরীরকে পর্যাপ্ত চাপ না দেওয়ার ফলেই ধীরে ধীরে হাড় তার শক্তি হারাতে থাকে।

বাইরে থেকে সব স্বাভাবিক মনে হলেও ভেতরে ভেতরে হাড়ের ঘনত্ব কমতে পারে, যা ভবিষ্যতে ফ্র্যাকচার ও চলাচলের সমস্যার ঝুঁকি বাড়ায়।

নিয়মিত ব্যায়াম, বিশেষ করে weight-bearing exercise যেমন হাঁটা, দৌড়, স্কোয়াট বা হালকা resistance training হাড়কে সক্রিয় রাখে।

শরীর যখন নিয়ন্ত্রিত চাপ অনুভব করে, তখন হাড় নতুন টিস্যু তৈরি করতে উদ্দীপ্ত হয়।

এ কারণেই শারীরিকভাবে সক্রিয় মানুষের হাড় সাধারণত বেশি শক্তিশালী ও স্থিতিশীল থাকে।

তাই সুস্থ থাকতে নিয়মিত ব্যায়াম করুন।

17/05/2026

জরুরি সতর্কতা: ভ্যাক্সিন নিয়েছিলেন, তবুও মারা গেলেন কেন?

গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে মাত্র এক সপ্তাহে ৫ জনের মৃত্যু। একটি পাগলা কুকুরের কামড়ে জলাতঙ্ক রোগে আক্রান্ত হয়ে গত এক সপ্তাহে পাঁচজনের মৃত্যু হয়েছে, অসুস্থ হয়ে চিকিৎসাধীন রয়েছেন শিশু ও নারীসহ আরও ৯ জন।

অনেকেই জিজ্ঞেস করছেন — ভ্যাক্সিন নিয়েও কেন মরলেন?

উত্তরটা লুকিয়ে আছে একটাই জায়গায়: সাবান-পানি দিয়ে ধোয়া হয়নি।

❓ মুখে কামড় কেন বেশি বিপজ্জনক?

কুকুরের কামড় বা আঁচড় যদি ঘাড় বা মাথায় হয় তাহলে ইনকিউবেশন পিরিয়ড কমে আসে। সেন্ট্রাল নার্ভাস সিস্টেমের যত কাছাকাছি কামড় বা আঁচড়, তত দ্রুত রোগ ছড়ায়।

অর্থাৎ, পায়ে কামড় দিলে হয়তো ৩ মাস সময় থাকে — কিন্তু মুখ বা মাথায় কামড় দিলে ভাইরাস দিন কয়েকের মধ্যেই মস্তিষ্কে পৌঁছে যেতে পারে। ভ্যাক্সিন সেই দ্রুততার সাথে কাজ করার সুযোগ পায় না।

🧼 সাবান-পানি কেন এত গুরুত্বপূর্ণ?

এটা শুধু "পরিষ্কার করা" নয়। এটা ভাইরাস সরানো।

সঠিকভাবে ধোয়ার মাধ্যমে শরীরে প্রবেশের আগেই ভাইরাসের উল্লেখযোগ্য পরিমাণ দূর করা সম্ভব।

কামড় দিলে বা আঁচড় কাটলে যদি কোনো ধরনের ক্ষত তৈরি হয়, তাহলে ক্ষতস্থান তাৎক্ষণিকভাবে ১৫ থেকে ২০ মিনিট সময় নিয়ে কাপড় ধোয়ার ক্ষারযুক্ত সাবান দিয়ে ফেনা উঠিয়ে ধুতে হবে।

ভাবুন — ভ্যাক্সিন হলো শেষ প্রতিরক্ষা। আর সাবান-পানি হলো প্রথম প্রতিরক্ষা। প্রথম প্রতিরক্ষা না থাকলে শেষ প্রতিরক্ষা একা কাজ করতে পারে না।

*** বিশেষ সতর্কতা: ক্যাটাগরি ৩ মানে RIG ইনজেকশনও লাগবে

মাথায়, বুকে বা ঘাড়ে কুকুরের কামড় বা আঁচড়ে রক্তপাত হোক বা না হোক, সেটিকে ক্যাটাগরি ৩ ধরা হয়। বিশেষ করে ক্যাটাগরি ৩ কামড়ের জন্য অ্যান্টি র‌্যাবিস ইমিউনোগ্লোবিউলিন (RIG) ইনজেকশনও নিতে হবে।

শুধু সাধারণ ভ্যাক্সিন নয়, RIG ইনজেকশন না নিলে সুরক্ষা অসম্পূর্ণ থাকে — এই তথ্যটি অনেকেরই জানা নেই।

✅ কুকুর কামড় দিলে সঠিক ক্রম:

১. সাথে সাথে সাবান-পানি দিয়ে ১৫-২০ মিনিট ধুন

২.যত দ্রুত সম্ভব ভ্যাক্সিন নিন

৩. মুখ/মাথা/ঘাড়ে কামড় হলে অবশ্যই RIG ইনজেকশনও নিন

৪. হলুদ, চুন, মরিচ গুঁড়া কখনো লাগাবেন না⁉️

চূড়ান্ত কথা:

জলাতঙ্ক শতভাগ প্রতিরোধযোগ্য, আবার শতভাগ প্রাণঘাতী।বিড়ালের সামান্য আঁচড় কিংবা কুকুরের কামড়কে তুচ্ছ মনে করার যে সংস্কৃতি সমাজে প্রচলিত, তা অনেক ক্ষেত্রেই জীবননাশের কারণ হয়ে দাঁড়াচ্ছে।

এই পোস্টটি শেয়ার করুন। একটি শেয়ার একটি জীবন বাঁচাতে পারে।

17/05/2026
17/05/2026

পেটের মেদ বাড়লে
শরীরে কী হয়?
শুধু চেহারার সমস্যা নয় — পেটের অতিরিক্ত মেদ আপনার ভেতরে ভেতরে যে ক্ষতি করছে, তা জানলে এখনই সচেতন হবেন।

পেটের গভীরে জমা মেদকে বলে ভিসেরাল ফ্যাট। এটি লিভার, কিডনি ও অন্ত্রের চারপাশে জমে এবং শরীরে ক্ষতিকর রাসায়নিক ছড়িয়ে দেয় — যা নীরবে একাধিক রোগ তৈরি করে।

যে ক্ষতিগুলো হযঃ

হৃদরোগ ও স্ট্রোকের ঝুঁকি বাড়ে

পেটের মেদ রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল বাড়ায় ও ভালো কোলেস্টেরল কমায়। রক্তনালী সরু হয়ে হার্ট অ্যাটাক ও স্ট্রোক হওয়ার সম্ভাবনা দ্বিগুণ হয়।

টাইপ-২ ডায়াবেটিস দেখা দেয়

অতিরিক্ত মেদ ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স তৈরি করে। ফলে রক্তে শর্করার মাত্রা নিয়ন্ত্রণের বাইরে চলে যায় এবং ডায়াবেটিস হওয়ার পথ তৈরি হয়।

উচ্চ রক্তচাপ ও দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ

ভিসেরাল ফ্যাট ক্ষতিকর সাইটোকাইন নিঃসরণ করে, যা শরীরে প্রদাহ তৈরি করে ও রক্তচাপ বাড়িয়ে ধমনীর ক্ষতি করে।

ফ্যাটি লিভার ও শ্বাসকষ্ট

পেটের মেদ লিভারে চর্বি জমায় এবং ফুসফুসে চাপ দেয়। এতে ফ্যাটি লিভার রোগ, ঘুমের মধ্যে শ্বাস বন্ধ হওয়া (স্লিপ অ্যাপনিয়া) দেখা দেয়।

স্মৃতিশক্তি ও মস্তিষ্কে প্রভাব

গবেষণা বলছে, পেটের মেদ মস্তিষ্কের স্মৃতিকেন্দ্র সংকুচিত করে। দীর্ঘমেয়াদে ডিমেনশিয়া ও মনোযোগ হ্রাসের ঝুঁকি তৈরি করে।

হাড় ও জয়েন্টে ক্ষতি

পেটের অতিরিক্ত ভার মেরুদণ্ড ও হাঁটুতে চাপ ফেলে। দীর্ঘমেয়াদে হাঁটু ব্যথা, কোমর ব্যথা ও অস্টিওআর্থ্রাইটিস হওয়ার ঝুঁকি থাকে।

হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়

পেটের মেদ ইস্ট্রোজেন ও টেস্টোস্টেরনের মাত্রা এলোমেলো করে দেয়। পুরুষে যৌনশক্তি হ্রাস এবং নারীতে পিরিয়ডের সমস্যা দেখা দেয়।

ক্যান্সারের ঝুঁকি বাড়ে

কোলন, স্তন, অগ্ন্যাশয় ও জরায়ুর ক্যান্সারের সঙ্গে পেটের মেদের সরাসরি সম্পর্ক প্রমাণিত। দীর্ঘস্থায়ী প্রদাহ ক্যান্সার কোষের বৃদ্ধিকে উৎসাহ দেয়।

এই লক্ষণগুলো দেখলে সতর্ক হন

বসলে পেট তিন ভাঁজ হয়, সিঁড়িতে উঠলে হাঁপিয়ে যান, কোমর হিপের চেয়ে বড় — এগুলো উপেক্ষা করার সময় নেই। আজই পদক্ষেপ নিন।

যা করবেন

চিনি, ময়দা ও ভাজাপোড়া খাবার কমান

প্রতিদিন ৩০ মিনিট হাঁটুন বা ব্যায়াম করুন

রাত ৭–৮ ঘণ্টা পরিপূর্ণ ঘুম নিশ্চিত করুন

সারাদিন পর্যাপ্ত পানি পান করুন

মানসিক চাপ কমান — স্ট্রেস মেদ বাড়ায়

16/05/2026

ফ্যাটি লিভার (Fatty Liver) বর্তমানে খুবই কমন একটি সমস্যা। অনেকেই শুধু আল্ট্রাসোনোগ্রাম রিপোর্টে “Fatty Liver Grade-1 বা Grade-2” দেখে ভয় পেয়ে যান। কিন্তু শুধু আল্ট্রাসোনোগ্রাম করলেই যথেষ্ট নয়।

এর সাথে ১০-১২ ঘণ্টা ফাস্টিং বা না খেয়ে সকালে কিছু গুরুত্বপূর্ণ রক্ত পরীক্ষা করা প্রয়োজন, যেমনঃ

• Fasting Lipid Profile
• SGPT / ALT
• Fasting Blood Sugar / HbA1c

যদি রিপোর্টে LDL (খারাপ কোলেস্টেরল), Triglyceride (TG) এবং SGPT বেড়ে যায়, তাহলে বুঝতে হবে লিভার ঝুঁকির মধ্যে আছে।

সাধারণত নরমাল রিপোর্টের মাত্রাঃ
• LDL: 100 mg/dL এর নিচে ভালো
• Triglyceride (TG): 150 mg/dL এর নিচে
• SGPT / ALT: সাধারণত 40 U/L এর নিচে
• HDL: পুরুষে 40+, নারীতে 50+ ভালো
• HbA1c: 5.7% এর নিচে স্বাভাবিক

আমরা যখন প্রয়োজনের তুলনায় বেশি চিনি, কোমল পানীয়, মিষ্টি, সাদা ভাত, ময়দা বা প্রসেসড খাবার খাই, তখন লিভার অতিরিক্ত শর্করাকে চর্বিতে রূপান্তর করে। এই চর্বি ধীরে ধীরে লিভারে জমে Fatty Liver তৈরি করে।

ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স থাকলে শরীরের কোষ ইনসুলিনকে ঠিকভাবে কাজ করতে দেয় না। ফলে লিভারের ভেতরে চর্বি আরও দ্রুত জমতে থাকে। অতিরিক্ত ফ্রুক্টোজ বা চিনি লিভারে সরাসরি নতুন চর্বি তৈরির প্রক্রিয়া বাড়িয়ে দেয়।

তাই শুধু ওষুধের উপর নির্ভর না করে জীবনযাত্রার পরিবর্তনই ফ্যাটি লিভারের সবচেয়ে কার্যকর চিকিৎসা।

ফ্যাটি লিভার প্রতিরোধ ও নিয়ন্ত্রণে করণীয়ঃ

১| লো-কার্ব ডায়েট অনুসরণ করুন। চিনি, মিষ্টি, কোমল পানীয়, সাদা আটা, ফাস্টফুড ও অতিরিক্ত ভাত কমান। শাকসবজি, ডাল, ডিম, মাছ ও প্রোটিন বাড়ান।

২| নিয়মিত ব্যায়াম করুন। প্রতিদিন অন্তত ৩০-৪০ মিনিট দ্রুত হাঁটা, সাইক্লিং বা Aerobic Exercise ইনসুলিন সেনসিটিভিটি বাড়ায় এবং লিভারের চর্বি কমাতে সাহায্য করে।

৩| ওজন কমান। শরীরের মোট ওজনের ৭-১০% কমাতে পারলেও অনেক ক্ষেত্রে Fatty Liver উল্লেখযোগ্যভাবে কমে যায়।

৪| ইন্টারমিটেন্ট ফাস্টিং। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী Intermittent Fasting অনেকের ক্ষেত্রে উপকারী হতে পারে।

৫| পর্যাপ্ত ঘুম ও স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ। রাত জাগা, অনিদ্রা ও অতিরিক্ত মানসিক চাপ ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স বাড়াতে পারে।

৬| ধূমপান ও অ্যালকোহল বর্জন করুন। এগুলো লিভারের ক্ষতি আরও বাড়িয়ে দিতে পারে।

৭| ডায়াবেটিস, থাইরয়েড ও কোলেস্টেরল নিয়ন্ত্রণে রাখুন। এই রোগগুলো নিয়ন্ত্রণে না থাকলে Fatty Liver দ্রুত খারাপ হতে পারে।

৮| অযথা হারবাল বা সাপ্লিমেন্ট খাবেন না। অনেক তথাকথিত “লিভার ক্লিনিং” ওষুধ উল্টো লিভারের ক্ষতি করতে পারে।

ফ্যাটি লিভার শুরুতেই নিয়ন্ত্রণ করা গেলে অধিকাংশ ক্ষেত্রেই লিভার আবার স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরে আসতে পারে। তাই আতঙ্ক নয়, প্রয়োজন সচেতনতা, সঠিক খাদ্যাভ্যাস ও নিয়মিত ফলোআপ।















#ডাঃ_নাসরিন_নিপা

গাজর ও শসা একসাথে খেলে লিভারের চর্বি গলে যাওয়ার জাদুকরী পদ্ধতিটি শিখুনলিভারে চর্বি জমে যাওয়া বা ফ্যাটি লিভার বর্তমান সময়...
28/04/2026

গাজর ও শসা একসাথে খেলে লিভারের চর্বি গলে যাওয়ার জাদুকরী পদ্ধতিটি শিখুন

লিভারে চর্বি জমে যাওয়া বা ফ্যাটি লিভার বর্তমান সময়ের সবচেয়ে বড় স্বাস্থ্যঝুঁকি হয়ে দাঁড়িয়েছে। এই রোগের অবহেলা আপনাকে লিভার সিরোসিসের মতো মারাত্মক পরিণতির দিকে ঠেলে দিতে পারে। তবে জানলে অবাক হবেন গাজর ও শসার সঠিক মিশ্রণ আপনার লিভারের চর্বি নিমিষেই গলিয়ে দিতে পারে।

লিভারের চারপাশে চর্বির আস্তরণ আপনার মেটাবলিজম কমিয়ে দেয় এবং আপনাকে সবসময় ক্লান্ত করে রাখে। এই চর্বি রক্তে ইনসুলিনের কার্যকারিতা নষ্ট করে আপনাকে দ্রুত ডায়াবেটিসের রোগী বানিয়ে ফেলে। লিভারকে পরিষ্কার না করলে শরীরের কোনো অঙ্গই তার সঠিক কাজ করতে পারবে না।

দক্ষিণ কোরিয়ার সিউল ন্যাশনাল ইউনিভার্সিটি ২০১৮ সালে হেপাটিক লিপিড মেটাবলিজম নামক একটি গবেষণা সম্পন্ন করে। গাজরের বিটা ক্যারোটিন এবং শসার উচ্চ জলীয় উপাদান লিভারের কোষ থেকে জমে থাকা অতিরিক্ত ট্রাইগ্লিসারাইড দূর করতে সাহায্য করে। সপ্তাহে অন্তত পাঁচ দিন দুপুরে সালাদ হিসেবে সমপরিমাণ গাজর ও শসা লেবুর রস দিয়ে খেলে লিভার পরিষ্কার হয়।

আপনার লিভারকে সুস্থ এবং কর্মক্ষম রাখতে এই প্রাকৃতিক টোটকা জাদুর মতো কাজ করবে। ফাস্টফুডের বদলে প্রকৃতির এই উপহার গ্রহণ করলে আপনি ফিরে পাবেন তারুণ্য ও প্রাণশক্তি। সুস্থ জীবন গড়ার লক্ষে আজই আপনার খাদ্যতালিকায় এই স্বাস্থ্যকর পরিবর্তনটি যোগ করুন।

Address

Kunia , National University
Gazipur

Telephone

+8801976703636

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Jahir Lalat posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Jahir Lalat:

Shortcuts

Share

Category