Quranic Healing Bd

Quranic Healing Bd Jin,black magic,Evil eye,Eye Hasad(Mental And Physical disease Cure By Ruqyah and Ayat of quran.

25/08/2026

🔴সুলাইমান সংক্রান্ত মিরা,কল আয়াত 'জিন ও যাদু,নজর,হাসাদ,গিট সহ যত রোগ আছে সবকিছু শরীর থেকে বের করার নিয়তে পড়তে হবে:- (১-৩) ঘন্টা করে সময় নিয়ে যত বেশি পারা যায় তেলাওয়াত করতে থাকে+সাথে অরগ্যানে প্রেশার দেওয়া

সূরা নিসা ১৬৩ নম্বর আয়াত :-

إِنَّآ أَوْحَيْنَآ إِلَيْكَ كَمَآ أَوْحَيْنَآ إِلَىٰ نُوحٍ وَٱلنَّبِيِّۦنَ مِنۢ بَعْدِهِۦۚ وَأَوْحَيْنَآ إِلَىٰٓ إِبْرَٰهِيمَ وَإِسْمَٰعِيلَ وَإِسْحَٰقَ وَيَعْقُوبَ وَٱلْأَسْبَاطِ وَعِيسَىٰ وَأَيُّوبَ وَيُونُسَ وَهَٰرُونَ وَسُلَيْمَٰنَۚ وَءَاتَيْنَا دَاوُۥدَ زَبُورًا

ইন্না আওহায়না ইলাইকা কামা আওহায়না ইলা নুহিন ওয়ান নাবিয়িন্না মিম বা'দিহি ওয়া আওহায়না ইলা ইবরাহিমা ওয়া ইসমায়িলিয়া ওয়া ইসহাক্বা ওয়া ইয়াকুবা ওয়াল আসবাতি ওয়া ইসা ওয়া আয়য়ুবা ওয়া ইউনুসা ওয়া হারুনা ওয়া সুলাইমানা ওয়া আতায়না দাউুদা যাবূরা।

আনআম :-৮৪ নম্বর আয়াত

وَوَهَبْنَا لَهُۥٓ إِسْحَٰقَ وَيَعْقُوبَۚ كُلًّا هَدَيْنَاۚ وَنُوحًا هَدَيْنَا مِن قَبْلُۖ وَمِن ذُرِّيَّتِهِۦ دَاوُۥدَ وَسُلَيْمَٰنَ وَأَيُّوبَ وَيُوسُفَ وَمُوسَىٰ وَهَٰرُونَۚ وَكَذَٰلِكَ نَجْزِى ٱلْمُحْسِنِينَ

উচ্চারন:- ওয়া ওয়া হাবনা লাহু ইসহাকা ওয়া ইয়ুকুবা কুল্লা হাদায়না ওয়া নুহান হাদায়না মিন ক্ববলু ওয়া মিন জুররিএতিহি দাউুদা ওয়া সুলাইমানা ওয়া আইয়ুবা ওয়া ইউসূফা ওয়া মূসা ওয়া হারুনা ওয়া কাযালিকা নাজ'যিলিল মুহসিনিন।

আম্বিয়া :-৭৮ নম্বর আয়াত

وَدَاوُۥدَ وَسُلَيْمَٰنَ إِذْ يَحْكُمَانِ فِى ٱلْحَرْثِ إِذْ نَفَشَتْ فِيهِ غَنَمُ ٱلْقَوْمِ وَكُنَّا لِحُكْمِهِمْ شَٰهِدِينَ
উচ্চারন:- ওয়া দাউুদা ওয়া সুলাইমানা ইয ইয়াহকুমানি ফিল হারছি ইয নাফাশাত ফিহি গনামুল কওমি ওয়া কুন্না লি হুকমিহিম শাহিদিন।

আম্বিয়া :-৭৯ নম্বর আয়াত।

فَفَهَّمْنَٰهَا سُلَيْمَٰنَۚ وَكُلًّا ءَاتَيْنَا حُكْمًا وَعِلْمًاۚ وَسَخَّرْنَا مَعَ دَاوُۥدَ ٱلْجِبَالَ يُسَبِّحْنَ وَٱلطَّيْرَۚ وَكُنَّا فَٰعِلِينَ

উচ্চারন:- ফা ফাহ্হামনাহা সুলাইমানা ওয়া কুল্লা আতায়না হুকমাও ওয়া ইলমান ওয়া সাখখরনা মায়া দাউুদাল জিবালা ইউসাব্বিহনা ওয়াত তয়রা ওয়া কুন্না ফায়িলিন

সূরা নমল:- ১৫

وَلَقَدْ ءَاتَيْنَا دَاوُۥدَ وَسُلَيْمَٰنَ عِلْمًاۖ وَقَالَا ٱلْحَمْدُ لِلَّهِ ٱلَّذِى فَضَّلَنَا عَلَىٰ كَثِيرٍ مِّنْ عِبَادِهِ ٱلْمُؤْمِنِينَ

ওয়া লাক্বদ আতায়না দাউুদা ওয়া সুলাইমানা ইলমান ওয়া ক্বলাল হামদু লিল্লাহিল লাযি ফাদদলানা আলা কাছিরিম মিন ইবাদিহিল মুমিনিন

সূরা নমল ৩৬ নম্বর আয়াত

فَلَمَّا جَآءَ سُلَيْمَٰنَ قَالَ أَتُمِدُّونَنِ بِمَالٍ فَمَآ ءَاتَىٰنِۦَ ٱللَّهُ خَيْرٌ مِّمَّآ ءَاتَىٰكُم بَلْ أَنتُم بِهَدِيَّتِكُمْ تَفْرَحُونَ

ফালাম্মা যায়া সুলাইমানা ক্বলা আতুমিদ্দুনানি বিমালিন ফা'মা আতানিল্লাহু খয়রুম মিম্মা আতাকুম বাল আনতুম বিহাদিইয়াতিকুম তাফরাহুন।

সূরা নমল ৪৪ নম্বর আয়াত :-

قِيلَ لَهَا ٱدْخُلِى ٱلصَّرْحَۖ فَلَمَّا رَأَتْهُ حَسِبَتْهُ لُجَّةً وَكَشَفَتْ عَن سَاقَيْهَاۚ قَالَ إِنَّهُۥ صَرْحٌ مُّمَرَّدٌ مِّن قَوَارِيرَۗ قَالَتْ رَبِّ إِنِّى ظَلَمْتُ نَفْسِى وَأَسْلَمْتُ مَعَ سُلَيْمَٰنَ لِلَّهِ رَبِّ ٱلْعَٰلَمِينَ

উচ্চারন:- ক্বিলা লাহাদখুলিস সরহা ফালা'ম্মা রআতহু হাসিবাতহু লুজ্জাতাও ওয়া কাশাফাত আন সাক্বয়হা ক্বলা ইন্নাহু সরহুম মুমাররাদুম মিন কওয়ারিরা ক্বলাত রব্বি ইন্নি যলামতু নাফসি ওয়া আসলামতু মায়া সুলাইমানা লিল্লাহি রব্বিল আলামিন।

সূরা সদ ৩০ নম্বর আয়াত

وَوَهَبْنَا لِدَاوُۥدَ سُلَيْمَٰنَۚ نِعْمَ ٱلْعَبْدُۖ إِنَّهُۥٓ أَوَّابٌ

ওয়া ওয়া হাবনা লিদাউুদা সুলাইমানা নিইমাল আবদু ইন্নাহু আওওয়াব।

সূরা সোয়াদ :৩৪ নম্বর আয়াত।

وَلَقَدْ فَتَنَّا سُلَيْمَٰنَ وَأَلْقَيْنَا عَلَىٰ كُرْسِيِّهِۦ جَسَدًا ثُمَّ أَنَابَ

ওয়া লাক্বদ ফাতান্না সুলাইমানা ওয়া আলক্বয়না আলা কুরসিয়য়িহি জাছাদান ছুম্মা আনাব।

সূরা নমল :১৬ নম্বর আয়াত

وَوَرِثَ سُلَيْمَٰنُ دَاوُۥدَۖ وَقَالَ يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّاسُ عُلِّمْنَا مَنطِقَ ٱلطَّيْرِ وَأُوتِينَا مِن كُلِّ شَىْءٍۖ إِنَّ هَٰذَا لَهُوَ ٱلْفَضْلُ ٱلْمُبِينُ

ওয়া ওয়ারিছা সুলাইমানু দাউুদা ওয়া ক্বলা ইয়া আইয়ুহান্নাছু উল্লিমনা মানতিকাত ত্বয়রি ওয়া উতিয়না মিন কুল্লি শায়য়িন ইন্না হাযা লাহুয়াল ফাদ্বলুল মুবিন।

সূরা নমল :-১৮ নম্বর আয়াত:-

حَتَّىٰٓ إِذَآ أَتَوْا۟ عَلَىٰ وَادِ ٱلنَّمْلِ قَالَتْ نَمْلَةٌ يَٰٓأَيُّهَا ٱلنَّمْلُ ٱدْخُلُوا۟ مَسَٰكِنَكُمْ لَا يَحْطِمَنَّكُمْ سُلَيْمَٰنُ وَجُنُودُهُۥ وَهُمْ لَا يَشْعُرُونَ

উচ্চারন:- হাত্তা ইযা আতাও আলা ওয়াদিন নামলি ক্বলাত নামলাতুন ইয়া আইয়ুহান নামলুদখুলু মাছাকিনাকুম লা ইয়াহতিমান্নাকুম সুলাইমানু ওয়া জুনুদুহু ওয়া হুম লা ইয়াশউরুন

সম্পূর্ণ গবেষণাটি আমার দেওয়া আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার রহমতে। 'মহান আল্লাহ আল্লাহর কালামকে সকলের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করে দিক।আমিন

🖊️Muhammad Ali

23/08/2026

✅হাদীসে সুবহানাল্লাহ বলার মাধ্যমে চিকিৎসকরা রোগীদেরকে চিকিৎসা করার জন্য ক্লিনিকগুলোতে(বা বিশাল একটি স্থানে) রোগীদের দেখতো এবং তাদেরকে চিকিৎসা দিতো ইমাম নববী(৬৭৬ হিজরী) হাদীস নিয়ে এসেছে:- (ইলাহি তথা আল্লাহর দেওয়া যেকোনো চিকিৎসা বিশেষ করে রুকইয়াহ এবং যিকির দিয়ে চিকিৎসা রোগীদের দেওয়ার জন্য ক্লিনিক পর্যন্ত ভাড়া করা জায়েয)

قَوْلُهُ عَادَ رَجُلًا مِنَ الْمُسْلِمِينَ قَدْ خَفَتَ مِثْلُ الْفَرْخِ أَيْ ضَعُفَ وَفِي هَذَا الْحَدِيثِ النَّهْيُ عَنِ الدُّعَاءِ بِتَعْجِيلِ الْعُقُوبَةِ وَفِيهِ فَضْلُ الدعاء باللهم آتنا في الدنيا حسنة وفي الْآخِرَةِ حَسَنَةً وَقِنَا عَذَابَ النَّارِ وَفِيهِ جَوَازُ التَّعَجُّبِ بِقَوْلِ سُبْحَانَ اللَّهِ وَقَدْ سَبَقَتْ نَظَائِرُهُ وَفِيهِ اسْتِحْبَابُ عِيَادَةِ الْمَرِيضِ وَالدُّعَاءِ لَهُ وَفِيهِ كَرَاهَةُ تَمَنِّي الْبَلَاءِ لِئَلَّا يَتَضَجَّرُ مِنْهُ وَيَسْخَطُهُ وَرُبَّمَا شَكَا وَأَظْهَرُ الْأَقْوَالِ فِي تَفْسِيرِ
الْحَسَنَةِ فِي الدُّنْيَا أَنَّهَا الْعِبَادَةُ وَالْعَافِيَةُ وَفِي الْآخِرَةِ الْجَنَّةُ وَالْمَغْفِرَةُ وَقِيلَ الْحَسَنَةُ تَعُمُّ الدُّنْيَا وَالْآخِرَةَ

তিনি বলেন ব্যপক পুরুষদের গননা হিসেবে সংশ্লিষ্ট মুসলিমদের উদ্দেশ্য অবশ্যই সেই(বলা কথা গুরুত্বহীন) অনুরুপ যেখানে (কথার কোনো) কোনো কিছুই থাকে না :এর দ্বারা মূলত বুঝায় :- দুর্বল বলেছে অনেকেই (উক্ত কথাকে)। এবং এই হাদীসের মধ্যে যেখানে নির্দিষ্ঠভাবে নিষেধ করা হয়েছে ' সেসব ব্যক্তিদের দ্রুত দোয়া করা হতে ও নির্দিষ্ঠ (শাস্তির) পরিনাম হতে এবং তাদের(ব্যক্তিদের) মধ্যে রয়েছে এমন যারা উত্তমভাবে দোয়া করে থাকে আল্লাহর বিষয়ে যে ' আল্লাহুমা আতিনা ফিদ দুনিয়া হাসানাতাও ওয়া ফিল আখিরাতি হাসানাতাও ওয়া কিনা আযা'বান নার '। এবং তাদের (উত্তম দোয়া চর্চাকারীদের) বিষয়ে এমন দোয়া করা জায়েয রয়েছে নির্দিষ্ঠ সেসব (দোয়াকারী) ব্যক্তিদের দোয়া তখন বিষ্ময়কর ভাবে(দোয়া করে থাকে অনবরত) সেসব ব্যক্তির ' সুবহানাল্লাহ ' বলার মাধ্যমে বিষ্ময়কর ও আশ্চর্যতা অনুভব করে থাকে। এবং সেসব ( সুবহানাল্লাহ পড়া ব্যক্তিরা) এমন কিছু অতিক্রম করেছে যা দেখার মত বা সূক্ষদর্শীর মত ব্যপক বিষয় এবং তার(সুবহানাল্লাহ পড়ার মধ্যে রয়েছে) পছন্দনীয় চলমান এক কর্ম যা রোগীদের ক্লিনিকগুলোতেও অথবা রোগী পরিদর্শনে ডক্টররাও(সুবহানাল্লাহ বলার মাধ্যমে রোগীদের দেখে থাকে) এবং তাদের(রোগীদের জন্য) সেসব ডক্টররা(সুবহানাল্লাহ) পড়ার মাধ্যমে দোয়াও করে থাকে। এবং তাদের(রোগীদের) মধ্যে অপছন্দনীয় বিষয় থাকে তখন সেসব ডক্টররা আশা করে থাকে যে, বিপদগুলো যেনো তাদের(রোগীদের) মধ্যে না থাকে এবং সেসব বিরক্তির বিষয়গুলো যেনো তাদের মধ্যে না থাকে(রোগীদের) মধ্যে এবং রাগের সমস্যাগুলোও যাতে না থাকে তাদের উপর। এ সত্বেও তখন সন্দেহমূলক বিভিন্ন সমস্যা থাকে সেগুলোও যাতে না থাকে তাদের মধ্যে। এবং সেসব ডক্টরদের বিভিন্ন কথাগুলো (যেগুলো রোগীদের রোগ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য সুবহানাল্লাহ তারা পড়তো) সেগুলো তাফসীরে এসেছে নির্দিষ্ঠ উত্তম হিসেবে যেখানে দুনিয়ার মধ্যে নিশ্চয় তা (সুবহানাল্লাহ) বলার মাধ্যমে(ডক্টররা) ইবাদতও করতে পারবে এবং সুস্থতাও পাবে (অথবা ডক্টররা সুবহানাল্লাহ বলার মাধ্যমে রোগীদের সুস্থতার জন্যেও চিকিৎসা করতে পারবে) এবং আখেরাতে জান্নাত পাবে এবং তাদেরকে মাফ করা হবে এবং তাদেরকে বলা হবে ব্যপক উত্তম বিষয় সম্পর্কে যা দুনিয়া ও আখেরাতে তারা পাবে।

১৭/১৩ পৃষ্ঠা

الكتاب: المنهاج شرح صحيح مسلم بن الحجاج
المؤلف: أبو زكريا محيي الدين يحيى بن شرف النووي (ت ٦٧٦هـ)
الناشر: دار إحياء التراث العربي - بيروت
الطبعة: الثانية، ١٣٩٢
عدد الأجزاء: ١٨ (في ٩ مجلدات)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع]

বই:- আল মানহাজ শারহুন সহিহী মুসলিম বিন আল হাজ্জাজ।
লেখক:- আবু যাকারিয়া মুহয়ীউদ্দীন ইয়াহিয়া বিন শারাফ আন নববী (৬৭৬ হিজরী)
প্রকাশক:- দারুন ইহইয়া আত তুরাছুল আরাবী - বৈরুত।
মুদ্রন:- দ্বিতীয়, ১৩৯২(হিজরী)
সংখ্যার দিক দিয়ে খন্ড:- বইটি ১৮ খন্ডে রয়েছে(যা ৯ টি পুস্তিকা দ্বারা সংকলন করা হয়েছে)।

🖋️Muhammad Ali

22/08/2026

🔴আল্লাহর বিষ্ময়কর নাম হচ্ছে ' আন নূর ' এব্যপারে সালাফ সহ ও ইমাম নববী সহ ইও ইবনুল কাইয়্যাুম সহ আরো অনেকেই হাদীসকে সামনে রেখে ব্যাখ্যা করার মাধ্যমে স্পষ্ট প্রমান করেছে 'আন নূর ' এটা আল্লাহর নাম:-(পার্ট :-০২)

وهذا الحديث دل على ثبوت نوعين من النور:
الأول: نور الحجاب، وهو مستفاد من قوله: (حجابه النور) .
والثاني: نور الذات، وهو وصف قائم به سبحانه ومستفاد من قوله: «لو كشفه لأحرقت سبحات وجهه».
والسبحات: جمع سبحة، وهي النور والجلال والبهاء.
وقد نقل الإمام النووي اتفاق شراح الحديث من اللغويين والمحدثين على أن معنى «سبحات وجهه»: نوره وجلاله وبهاؤه.٢

এবং এই নির্দিষ্ঠ হাদীসটিতে দলিল রয়েছে উক্ত বিষয়ের উপর প্রমানিত হয় যেখানে দুইটি প্রকার থাকে সংশ্লিষ্ট আন নূর এর:-
প্রথমত:- সেই নূর(আলো)হচ্ছে হিজাব এবং সেটা(নূর সম্পর্কে) প্রাপ্ত তথ্য বা যেটার উপরে আলোচনা এসেছে সংশ্লিষ্ট সেটা সম্পর্কে তিনি বলেন ( তার হিজাব(আবরন) হচ্ছে আন নূর(আলো)।
দ্বিতীয়ত:- নূর আয যাত। এবং সেটা (নূর) হচ্ছে প্রতিষ্ঠিত এক বৈশিষ্ট্য আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার ব্যপারে এবং সেই(নূর)এর বিষয়ে প্রাপ্ত তথ্য সংগ্রহ বা এর উপরে(থাকা বিষয়গুলো হচ্ছে এমন বিষয়) সংশ্লিষ্ট এ সম্পর্কে তিনি বলেন (যদি সেই(আন নূর)প্রকাশ পেয়ে যায় তবে অবশ্যই পু,ড়ে যেতে থাকবে পবিত্র তার চেহারা (যেদিকে যায়)।
ওয়াস সুবহাত দ্বারা বুঝানো হয়েছে:- সকল সেই পবিত্র বিষয় এবং সেটা হচ্ছে আন নূর এবং মহাত্মা এবং নির্দিষ্ঠ জৌর্তি ও উজ্জ্বলতা।
এবং নিশ্চিতভাবে আমি বলি যে, ইমাম নববী রহ. তিনি ঐক্যমত করেছেন এই হাদীসের ব্যাখ্যার বিষয়ে যেটি লুগাতের অন্তর্ভুক্ত ব্যাখ্যা এবং মুহাদ্দিসরা এর(আন নূর)এর উপর যেই ব্যাখ্যা করেছে আরো যে, সেটার অর্থ হচ্ছে( পবিত্র তার চেহারা) এটা দ্বারা বুঝানো হয়েছে :- তার(আল্লাহর)নূর এবং তার(আল্লাহর)মহাত্ব এবং তার (আল্লাহর)জৌতি ও উজ্জলতা (ইমাম নববী এই ব্যাখ্যার সাথে ঐক্যমত পোষন করেছে)

ويؤكد أن المراد بالسبحات النور المضيء استخدام لفظ الإحراق في قوله: «لأحرقت».
فيكون معنى الحديث: لو كشف سبحانه الحجاب وتجلى لمخلوقاته لأحرق نوره المتجلى من وجهه ما انتهى إليه بصره من خلقه

এবং সেটার উদ্দেশ্য হচ্ছে যে উক্ত সেটির নির্দিষ্ঠ অর্থ হচ্ছে পবিত্র সেই আন নূর নির্দিষ্ঠভাবে আলোকিত করে থাকে বরং সেটি(আন নূর) পরিচালনা বা নিয়োজিত থাকে ক্রমধারায় উক্ত শব্দ হচ্ছে আল ইহরাক(পু,ড়িয়ে দিতে থাকে) সেটির ব্যপারে তিনি বলেন( অবশ্যই সেসব বিষয় পু,ড়ে যেতে থাকবে)।
অত:পর তারা সকলেই এমনটা বলে থাকে উক্ত হাদীসের অর্থ হচ্ছে:- যদি প্রকাশ পেয়ে যায় তার(আল্লাহর)পবিত্র পর্দা এবং তখন সেটার উজ্জলতা প্রকাশ পেতে থাকবে তার সৃষ্টি জগৎ এর জন্য ' আর অবশ্যই পু,ড়ে যেতে থাকবে তার নূর এর(আলোতে) নির্দিষ্ঠভাবে উজ্জল আলো প্রকাশিত হওয়ার মাধ্যমে যেটি তার চেহারার অন্তর্ভুক্ত যেটির(চেহারার)শেষটা সেদিকেই গিয়ে থাকে তার চোখ যেদিকে যায় আর তা হচ্ছে তার সকল সৃষ্টির অন্তর্ভুক্ত (সকল সৃষ্টির পুরো অংশে আল্লাহর চোখের দৃষ্টি যেতে থাকে পাশাপাশি তার চেহারাও ততটুকুই গিয়ে থাকে পাশাপাশি পুরো সৃষ্টি জগৎ যেনো পু,ড়ে যেতে থাকে)

ودلالة هذا الحديث قاطعة في ثبوت صفة النور لله عز وجل لمن تأمله وسلم من مرض التعطيل والتأويل.
وهذه الصفة - صفة النور - كغيرها من الصفات، تثبت لله مع التنزيه، على حد قوله سبحانه: ﴿لَيْسَ كَمِثْلِهِ شَيْءٌ وَهُوَ السَّمِيعُ البَصِيرُ﴾

এবং দলিল রয়েছে এই হাদীসটিতে বিচ্ছিন্নভাবে উক্ত বিষয়টি প্রমানিত হয় আল্লাহ আয'যা ওয়া যাল এর 'আন নূর' সিফাত(হিসেবে প্রমানিত হয়), যার জন্য তা(সিফাত)পরিপূর্ণ হয় এবং নিরাপদ হয়(আন নূর 'আল্লাহর সিফাতটি) সকল ধরনের অস্বীকার করার রোগ থেকে এবং তাবিল করার রোগ থেকে।
এবং এটি হচ্ছে সিফাত আর এই (আল্লাহর)সিফাত হচ্ছে ' আন নূর, অনুরূপ তা ব্যতীতও আরো সিফাতের অন্তর্ভুক্ত (আল্লাহর সিফাত রয়েছে), যেগুলো আল্লাহর জন্য প্রমানিত তার(আল্লাহর)পবিত্রতার সাথে। উক্ত সেই বিষয়ের উপর সীমানা রয়েছে (আল্লাহর সিফাতের ব্যপারে) তিনি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেন:- (তার(আল্লাহর)মত কেউ নয় বা কোনো বিষয়ের মত তিনি নন এবং তিনি শুনেন ও দেখেন।

فليس النور الثابت له سبحانه كنور الشمس والقمر أو غيرها من الأنوار المخلوقة. بل هو نور يليق به سبحانه لا يماثل المخلوق، فلكل ذات ما يناسبها من الصفات ولله المثل الأعلى والوصف الأكمل الذي ليس كمثله شيء، فيثبت ما أثبت الله وأثبت رسوله ﷺ من اتصاف الله بالنور، وينفي ما نفى الله من مماثلة المخلوق.

অত:পর আন নূর নির্দিষ্ঠভাবে প্রমানিত হয়না তার(আল্লাহর)জন্য সূর্যের আলোর মত এবং চাদের আলোর মত অথবা তা ব্যতীতও(যত আলো আছে সেগুলোর মত) যেগুলো মূলত অসংখ্য সৃষ্টির আলোর অন্তর্ভুক্ত। বরং নূর(আলো) সেটা মানানসই হয়ে থাকল তার(আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার)বিষয়ে, তিনি(আল্লাহ)সৃষ্টির সাথে অনুরুপ সাদৃশ্য রাখেন না বা সৃষ্টির মত নয়। অত:পর অবশ্যই প্রত্যেক সেই (আল্লাহর) যাত যেটি তা(আল্লাহর সত্তা) সম্পর্ক রাখতে থাকে আল্লাহর সিফাতের সাথে এবং আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ঠ উদাহরন বা বর্ণনা সেটা অতি উচ্চ বিষয় এবং তিনি(আল্লাহ) নির্দিষ্ঠভাবে পরিপূর্ণ বৈশিষ্ট্যের অধিকারী,' যিনি(আল্লাহ)এমনটা নই তিনি কোনো বিষয়েরও মত নই। অত:পর সেটি(আল্লাহর নূর)প্রমানিত হয় যেটিকে আল্লাহ প্রমানিত করেছেন এবং তার রাসূল প্রমানিত করেছেন সংশ্লিষ্ট আল্লাহর বৈশিষ্ট্য নূর (আলো)হিসেবে [তথা নূর এর বিষয়টি আল্লাহর সিফাতের অন্তর্ভুক্ত]। এবং সেসকল (আল্লাহর বিষয়গুলো) বাতিলকৃত বিষয় যেগুলোকে আল্লাহ বাতিল করেছে যেগুলো মাখলুক(সৃষ্টির)সাদৃশ্য তৈরি করে(আল্লাহর সিফাতের ব্যপারে) [তথা আল্লাহর সিফাতের ব্যপারে যেগুলো সৃষ্টির সাথে সাদৃশ্য বহন করে এগুলোকে আল্লাহ বাতিল করে দিয়েছে]

النوع الثاني: النور المضاف إلى الله إضافة مفعول إلى فاعله:
وذلك كما في قوله تعالى: ﴿اللهُ نُورُ السماوات وَالأرْضِ﴾ .
وقد تقدم٢ بيان ما ورد عن السلف من تفسيرها بأنه منور السماوات والأرض، أو هادي أهل السماوات والأرض بما يجعل لهم من النور، كما في نحو قوله سبحانه: ﴿وَمَنْ لَمْ يَجْعَلْ اللَّه لَهُ نُورًا فَمَا لَهُ مِنْ نُورٍ﴾ .
وفي الحديث أن النبي ﷺ كان يدعو من الليل: "اللهم لك الحمد أنت رب السماوات والأرض، لك الحمد أنت قيّم السماوات والأرض ومن فيهن، لك الحمد أنت نور السماوات والأرض، قولك الحق، ووعدك الحق، ولقاؤك حق

দ্বিতীয় প্রকার:- :- আন নূর হচ্ছে যা সম্পর্কযুক্ত করে থাকে আল্লাহর দিকে সেসকল কর্ম সম্পর্কযুক্ত করে থাকে তার(আল্লাহর)কর্ম পরিচালনার দিকে। এবং সেই বিষয়ে যেমনটা তিনি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেন:- (আল্লাহ আকাশ ও জমিনের আলো)।
এবং নিশ্চিতভাবে সেই(আন নূর)এর ব্যপারে আলোচনা এসেছে যেটি মূলত সালাফদের থেকে আলোচনা এসেছে তাদের তাফসীর হতে, নিশ্চয় তার(আন নূর এর তাফসীর দ্বারা) বুঝানো হয়:- নির্দিষ্ঠ আকাশ ও নির্দিষ্ঠ জমিন আলোকিত হয়ে থাকে অথবা আকাশ ও জমিনের অধিবাসীদের জন্য হেদায়েতকারী যেটি (আল্লাহর) নূর দ্বারা সেসকল ব্যক্তিরা তাদের জন্য (হেদায়েত এর কর্ম করতে থাকে অনবরত) তখন সেটাইও মূলত তাদের জন্য নূর(আলোর) অন্তর্ভুক্ত হয়। যেমনটা তিনি আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা বলেন:- এবং যে ব্যক্তির জন্য আল্লাহ রাখেননি কোনো নূর অত:পর তাদের জন্য কোনো নূর নেই।

এবং হাদীসে এসেছে যে, নবী স বলেন:- তিনি রাতে দোয়া করতেন :- হে আল্লাহ তোমার জন্য প্রশংসা তুমি নির্দিষ্ঠ আকাশ ও জমিনের প্রতিপালক তোমার জন্যেই সকল প্রশংসা আর তুমি আকাশ ও জমিনের তত্বাবধায়ক এবং সংশ্লিষ্ট তার মধ্যে যা কিছু আছে(সবকিছুর তত্বাবধায়ক তুমি)।তোমার(আল্লাহর)জন্যেই সকল প্রশংসা তুমি আকাশ জমিনের আলো আর তোমার কথাই নির্দিষ্ঠভাবে সত্য এবং তোমার ওয়াদা নির্দিষ্ঠভাবে সত্য এবং তোমার সাক্ষাৎ (সত্য)

والجنة حق، والنار حق، والساعة حق، اللهم لك أسلمت، وبك آمنت، وعليك توكلت، وإليك أنبت، وبك خاصمت، وإليك حاكمت، فاغفر لي ما قدمت وما أخرت، وأسررت، وأعلنت، أنت إلهي لا إله لي غيرك»١.

এবং জান্নাত সত্য এবং সময় সত্য হে আল্লাহ তোমার জন্য আমি ইসলাম গ্রহন করেছি এবং তোমার সকল বিষয়ে আমি ঈমান এনেছি এবং তোমার উপরই আমি ভরসা রাখি এবং তোমার দিকেই বপন করি(সকল কর্ম) এবং তোমার বিষয়েই আমি শ,ক্র হয়(অন্যের সাথে) এবং তোমার কাছেই আমি বিচার চাই বা তোমার শা,সন চাই। অত:পর আমাকে ক্ষমা করো যেগুলো শুরুর(গুনাহ) এবং যেগুলো(শেষের)গুনাহ(সেগুলো ক্ষমা করো) এবং আমি বন্দীত্ব হওয়ার(সামগ্রিক অবস্থার গুনাহ মাফ করো) এবং প্রকাশ্য(গুনাহ মাফ করো) তুমি আমার ইলাহ কোনো ইলাহ নেই আমার জন্য তুমি ব্যতীত।

قوله: «لك الحمد أنت نور السماوات والأرض» هو الشاهد لهذا النوع من النور المضاف إلى الله.
فالله نور السماوات والأرض: أي منورهما وبه يهتدي من فيهما.٢

তিনি বলেন:- তোমার (আল্লাহর)জন্যেই সকল প্রশংসা তুমি নির্দিষ্ঠ আকাশ এবং জমিনের আলো। সে সাক্ষ্যদাতা এই বিষয়টির জন্য যেখানে নির্দিষ্ঠ প্রকার রয়েছে সংশ্লিষ্ট 'আন নূর' এর যা সংযোগ বা সম্পর্ক করে আল্লাহর দিকে।
অত:পর আল্লাহ তিনি হচ্ছেন নির্দিষ্ঠ আকাশ এবং জমিনের আলো :- অর্থাৎ, তারা আলোকিত এবং তা(আন নূর) দিয়ে সেসকল ব্যক্তিরা হেদায়েত পেয়ে থাকে অথবা হেদায়েত চর্চা করে সংশ্লিষ্ট তাদের সামগ্রিক বিষয়গুলোতে।

وقد بين شيخ الإسلام ابن تيمية - رحمه الله - أن تفسير النور المضاف إلى السماوات والأرض والمخبر به عن الله: بكونه منور السماوات والأرض أو هادي أهل السماوات والأرض، لا يمنع من إثبات ما ثبت في النصوص الأخرى من اتصافه بالنور وكونه اسما من أسمائه. قال - رحمه الله -:

এবং নিশ্চিতভাবে শায়খুল ইসলাম ইবনে তায়মিয়াহ রহ. আলোচনা করেছে যে, সেই তাফসীর 'আন নূর' যেটা নির্দিষ্ঠভাবে সংযোজিত বা সম্পর্কযুক্ত করে থাকে নির্দিষ্ঠ আকাশ ও জমিনের দিকে।এবং খবর দিয়েছেন তার(আন নূর এর) ব্যপারে আল্লাহর পক্ষ হতে :- তা(আন নূর) প্রকাশ হওয়ার মাধ্যমে মূলত নির্দিষ্ঠ আকাশ আলোকিত হয়ে থাকে এবং জমিন আলোকিত হয়ে থাকে অথবা নির্দিষ্ঠ আকাশ ও জমিনের অধিবাসীরা হেদায়েত পেয়ে থাকে(অথবা হেদায়েত ছড়িয়ে দিয়ে থাকে)। তবে সেটা নিষেধ করে না সংশ্লিষ্ট প্রমানিত হয়ে যায় সবসময় যেটা প্রমানিত হয়েছে নুসূস(দলিলের)মধ্যে আর অন্যত্র সংশ্লিষ্ট নূর দ্বারা তার বৈশিষ্ট্য বা গুনের বিষয়টি স্পষ্ট হয় এবং তা(আন নূর) এর অস্তিত্ব মূলত সেটা একটি নাম যেটা তার(আল্লাহর) নামের অন্তর্ভুক্ত।

ثم قول من قال من السلف»هادي أهل السماوات والأرض" لا يمنع أن يكون في نفسه نورًا، فإن من عادة السلف في تفسيرهم أن يذكروا بعض صفات المفَسَّر من الأسماء أو بعض أنواعه، ولا ينافي ذلك ثبوت بقية صفات المسمى، بل قد يكونان متلازمين»١.
ثم قال: «وكذلك من قال منور السماوات والأرض، لا ينافي أنه نور وكل منَوِّر نور، فهما متلازمان»٢.

অত:পর সেসব(ব্যক্তিরা)বলেন সংশ্লিষ্ট সেসকল ব্যক্তি যারা মূলত সালাফ ছিলো(তারা তাফসীর করেন)। তিনি হেদায়েতকারী নির্দিষ্ঠ আকাশ ও জমিনের অধিবাসীদের :- সেটা(আল্লাহর নূর) নিষেধ করার বিষয় হয়না যে, তারা(আল্লাহর নূর) হয়ে থাকে তার নিজের ব্যপারে এটা নূর প্রযোজ্য হয়।অত:পর যদিও সেটা(আল্লাহর নূর এর ব্যপারটি) সালাফদের রীতির অন্তর্ভুক্ত ছিলো যেখানে তারা(সালাফরা আল্লাহর নূর সম্পর্কে) তাফসীর করেছে যে, তারা(তাফসীরকারক)আলোচনা করেছে ক্রমধারায় কিছু(আল্লাহর) সিফাতের অংশ হিসেবে এই (সিফাতকে) স্পষ্ট ব্যাখ্যা করেছে যেই(সিফাতগুলো মূলত আল্লাহর) নামের অন্তর্ভুক্ত অথনা তার(নামের) কিছু প্রকার মাত্র। এবং সেটা(আল্লাহর নূর) নিষেধ করে না কোনোক্রমেই যেটিতে প্রমাণিত হয় বাকী ব্যপক (আল্লাহর)সিফাতগুলো নির্দিষ্ঠভাবে যেগুলোর নাম রয়েছে।বরং নিশ্চিতভাবে দুইটি(মত) দুইভাবে তারা(তাফসীরকারকরা) বাধ্যতামূলক বলে থাকে (তথা আল্লাহর নামকে সিফাত ও তার নামের প্রকার হিসেবে সাব্যস্ত করা হয়)।অত:পর তিনি বলেন:- এবং এভাবে যে ব্যক্তি বলে আলোকিত হয়ে থাকে নির্দিষ্ঠ আকাশ ও জমিন তখন সেটা(আল্লাহর নূর) নিষেধ করে না নিশ্চয় তা হচ্ছে(আল্লাহর নূর) এবং প্রত্যেকে বিষয় আলোকিত হয়ে থাকে আলোর(মাধ্যমে)।অত:পর তারা দুইটি দাবি প্রয়োজনীয় ভাবে বলে থাকে:-

আল আমছা'লুল কুরআনিয়্যাতিল কিয়াসিয়্যাতিল মাদরুবাতি লিল ঈমানি বিল্লাহ (পৃষ্ঠা ২/৩৫১)

লেখক- আব্দুল্লাহ বিন আব্দুর রহমান আল জারবু

🖋️Muhammad Ali

21/08/2026

তেলাওয়াত করার ব্যপারে তেলাওয়াত অশুদ্ধ হলেও তেলাওয়াত করে যেতেই হবে ব্যক্তির নিজস্ব চেষ্টারত তেলাওয়াত এর ভিত্তিতেই দিগুণ সওয়াব লেখা হয়ে থাকে,বলেছেন শামসুদ্দিন আল বিরমাবি, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুদ দায়েম বিন মূসা আন নাঈমী আল আসক্বালানী আল মিসরী আশ শাফেঈ রহ(মৃ,ত্যু:-৮৩১ হিজরী)

٤٩٣٧ - حَدَّثَنَا آدَمُ، حَدَّثَنَا شُعبة، حَدَّثَنَا قتادَةُ، قَالَ: سَمِعْتُ زُرَارَةَ بْنَ أَوْفَى يُحَدِّثُ، عَنْ سَعْدِ بْنِ هِشَامٍ، عَنْ عَائِشَةَ، عَنِ النَّبِيِّ ﷺ قَالَ: «مَثَلُ الَّذِي يَقْرَأُ الْقُرآنَ وَهْوَ حَافظٌ لَهُ، مَعَ السَّفَرَةِ الْكِرَامِ، وَمَثَلُ الَّذِي يَقْرَأُ وَهْوَ يتعَاهدُهُ وَهْوَ عَلَيْهِ شَدِيدٌ، فَلَهُ أَجْرَانِ».
(مثل السفرة) في بعضها: (مع السَّفَرة)، قيل: معناه صفة كما في: ﴿مَّثَلُ الجَنَّةِ﴾ ﴿الرعد: ٣٥].
(يتعاهده)؛ أي: يَضبطُه، ويَتفقَّدُه، والأفضل: مِنْهما هو الأَوَّل؛ لاعتِنائه بالحِفْظ.
والرَّابط بين المُبتدأ وهو: مَثَل، وخبَره وهو: مع السَّفَرة، وكذا في القِسْم الآخَر: أنَّ المَثَل بمعنى المَثِيْل؛ يعني: شَبيهُه مع السَّفَرة، فكيف به.
قال (خ): السَّفَرة الكَتَبة، وهم الملائكة، واحدُهم: سَافِرٌ ككاتِب وكَتَبَة، وقيل للكِتاب السِّفْر؛ لأنَّه يُسفِر عن الشَّيء، أي: يُوضحُه.
وقيل: الذي يَقرأُ على الوَجْه الذي ذكَره من سُهولة القرآن، وتعذُّرها كأنَّه قال: صِفَتُه وهو حافظٌ له كأنَّه مع السَّفَرة الكرام في قِراءته، أو فيما يَستحقُّه من الثَّواب، وصفتُه وهو عليه شديدٌ أنْ يَستحقَّ عليه أَجْرَين.

আমাদেরকে বলেছেন আদম তিনি বলেন আমাদেরকে বলেছেন শুবা'হ তিনি বলেন আমাদেরকে বলেছেন কাতাদাহ, তিনি বলেন আমি শুনেছি যুরারাহ বিন আওফা তিনি বলেছেন সাইদ বিন হিশাম থেকে তিনি বলেন আয়েশাহ রা: থেকে তিনি বলেন রাসূল স. থেকে, রাসূল স. বলেন অনুরপ সেসব ব্যক্তি যারা কুরআন তেলাওয়াত করতে থাকে এবং সে ব্যক্তিরা সংরক্ষণ/মুখস্থ করে থাকে তাদের জন্য (কুরআন মুখস্থ করে থাকে) তখন সে ব্যক্তিরা সফরকারী হিসেবে থাকবে সম্মানিত ব্যক্তিদের সাথে। এবং এর অনুরুপ যারা শুধু কুরআন তেলাওয়াত করে এবং সে ব্যক্তিরা তাদের(তেলাওয়াত করার সময়) তখন সে ব্যক্তিরা তাদের তেলাওয়াত এর উপর তীব্র বা কঠিন মনে হয়, অত:পর তাদের(এসব তেলাওয়াতকারীর জন্য রয়েছে দিগুণ সওয়াব)
(অনুরূপ সফরকারী এর মানে হচ্ছে) তাদের মধ্যে কেউ থাকবে যাদের সাথে সফর করতে থাকবে ব্যক্তিরা।( সফরকারীর সাথে উক্ত সফর করা হবে, এর অর্থ হচ্ছে) সেটা সম্পর্কে বলা হয় যে, তার অর্থ হচ্ছে এমন বৈশিষ্ট্য যেমনটা এসেছে কুরআনে ( অনুরূপ তা হচ্ছে জান্নাতে(তথা সফরকারী জান্নাতে সফর করবে)(রদ:-৩৫ নম্বর আয়াত)। (তাদের 'তেলাওয়াত করার' সময় বলতে বুঝানো হয়েছে) অর্থাৎ, তা হচ্ছে (তেলাওয়াত ঠিক করা/শুদ্ধ করা) এবং পাশাপাশি যে ব্যক্তিরা তেলাওয়াত করতে গিয়ে অসুন্দর করে তেলাওয়াত করে থাকে এবং যারা উত্তমভাবে তেলাওয়াত করে থাকে। তাদের মধ্যে হতে সেটা হচ্ছে প্রথম মতটি, যারা হিফজের জন্য তেলাওয়াত করে থাকে।
এবং নির্দিষ্ঠ বাঁধা উক্ত উদ্দেশ্যের মাঝে আর সেটা হচ্ছে এবং তার খবর হচ্ছে সেটাই যেটা 'সফরকারী হিসেবে (যারা এর সাথে থাকবে) এইরুপ ভিন্ন প্রকারের মধ্যে সীমাবদ্ধ রয়েছে, নিশ্চয় অনুরুপ অর্থের মধ্যে নির্দিষ্ঠ যেই উদাহরন রয়েছে, সেটা হচ্ছে, তাদের সাদৃশ্য সফরকারীদের সাথে দেখা গেলো, তখন তাদের বিষয়টি কেমন? তিনি বললেন, নির্দিষ্ঠ সফরকারী হচ্ছে লেখক এবং তারা হচ্ছে ফেরেশতা। এবং তাদের মধ্যে কেউ,সফরকারী হিসেবে অনুরুপ লেখক এবং তারা লিখতেছিলো। এবং বলা হলো সফরকারী কিতাবের জন্য, এরজন্য নিশ্চয় তিনি সফর করতে থাকে যেকোনো বিষয় হতে, অর্থাৎ, তারা ব্যাখ্যা করতে থাকে স্পষ্ট (সফরকারী যারা আছে যারা লেখক তারা স্পষ্ট লিখার মাধ্যমে ব্যাখ্যা করতে থাকে)।
এবং আরো বলা হয় যে, যারা তেলাওয়াত করবে তাদের মুখ দিয়ে, তা(তেলাওয়াত করার সময়) সংশ্লিষ্ট কুরআন (তেলাওয়াত) সহজ হয় এবং তাদের ওজর(অজুহাত) রয়েছে কুরআন তেলাওয়াত এর ব্যপারে,অনুরুপ নিশ্চিয় তিনি তাদের ব্যপারে বলেন,তাদের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এবং সে ব্যক্তিরা হাফেজ/সংরক্ষনকারী তাদের জন্য (তেলাওয়াতকে) অনুরূপ নিশ্চয় তারা সম্মানিত সফরকারীদের সাথে থাকবে তাদের কিরায়াত(তেলাওয়াত করার কারনে)। অথবা যাদের মধ্যে, সেসব ব্যক্তিরা ঠিক করার চেষ্টায় (তেলাওয়াত করতে থাকবে সওয়াবের উদ্দেশ্য) এবং তাদের বৈশিষ্ট্য হচ্ছে এবং সে ব্যক্তিরা তাদের উপর তেলাওয়াত করার সময় কঠিন অনুভব করে/বাঁধা অনুভব করে ও তা(কুরআন তেলাওয়াত) ঠিক করার লক্ষ্যে তেলাওয়াত করতে থাকলেও কঠিন অনুভব করে / বাঁধা অনুভব করে তাদের নিজেদের উপর তখনও এসব তেলাওয়াতকারী ব্যক্তি(তেলাওয়াত করে গেলো আর তখন এসব তেলাওয়াতকারীর জন্যই দিগুন সওয়াব(পুরুষ্কার) রয়েছে।
[যারা কুরআন তেলাওয়াত করতে গিয়ে বাঁধাগ্রস্থ হবে তারা শুধু এমন না যে, তেলাওয়াত সারাবছর ঠিক করার লক্ষ্যেই তেলাওয়াত করে যাবে বরং কুরআন তেলাওয়াত করার সময় বাঁধা পেলে বা কষ্টকর মনে হলে সেসব কষ্টকর বিষয়গুলো অনুভব করার পরেও তেলাওয়াত করা বন্ধ না করে বরল যারা ক্রমধারায় যারা তেলাওয়াত করেই যাবে মূলত তাদের জন্যেই রয়েছে দিগুণ সওয়াব। কারন এখানে শাফেঈ ইমাম এটাই বুঝিয়েছে যে, তেলাওয়াত করার ক্ষেত্রে একজন ব্যক্তির নিকট তেলাওয়াত কষ্টকর মনে হলেও বা তেলাওয়াত করতে গিয়ে বাঁধা পেলেও তখন তেলাওয়াত বন্ধ করে দিতে হবে তেলাওয়াত কারীকে এমন কোনো কথা শাফেঈ ইমাম বলেনি বরং শাফেঈ ইমাম বলেছে, তেলাওয়াত করতে গিয়ে উক্ত যেই বাঁধা পাবে বা তেলাওয়াত করতে গিয়ে যেই কষ্টগুলো অনুভব করে মূলত সেসব অনুভব করা সমস্যাগুলো অনুভব করার পর একজন তেলাওয়াত কারী তবুও মানুষের কটুকথায় বা আশাহত কুরআন তেলাওয়াত বন্ধ না করে বরং ব্যক্তির তেলাওয়াতে সমস্যা বা বাধা অনুভব করার কারনে তেলাওয়াত স্পষ্ট বা তেলাওয়াত বিচ্ছিন্ন হয়ে গিয়েছে তবুও তেলাওয়াত কারী ব্যক্তি 'আশাহত হয়ে তেলাওয়াত বন্ধ না করে বরং তেলাওয়াত ক্রমধারায় চালিয়ে গেলে মূলত এসব তেলাওয়াতকারীদেরকেই আল্লাহ দুইগুণ সওয়াব বেশি দিবে এবং এসব তেলাওয়াত কারী ব্যক্তিরা জান্নাতের সম্মানিত লেখক ফেরেশতাদের সাথে থাকতে পারবে, কারন এসব তেলাওয়াত কারী ব্যক্তি চেষ্টা ছাড়ে নি বরং চেষ্টা প্রচেষ্টার মাধ্যমে এবং বারবার চেষ্টা চালিয়ে চালিয়ে তেলাওয়াত করেই গিয়েছে আর আল্লাহ এজন্য এসব চেষ্টারত তেলাওয়াত কারী যারা তাদের তেলাওয়াতে বাঁধা পাওয়া ও কষ্ট অনুভব করা সত্বেও তেলাওয়াত করেই গিয়েছে তাই এদেরকে এভাবে সম্মানিত করা হবে]
(১৩/২৯)

الكتاب: اللامع الصبيح بشرح الجامع الصحيح
المؤلف: شمس الدين البِرْماوي، أبو عبد الله محمد بن عبد الدائم بن موسى النعيمي العسقلاني المصري الشافعي (ت ٨٣١ هـ)
تحقيق ودراسة: لجنة مختصة من المحققين بإشراف نور الدين طالب
الناشر: دار النوادر، سوريا
الطبعة: الأولى، ١٤٣٣ هـ - ٢٠١٢ م
عدد الأجزاء: ١٨ (١٧ جزءا ومجلد للفهارس)
أعده للشاملة: فريق رابطة النساخ برعاية (مركز النخب العلمية)
[ترقيم الكتاب موافق للمطبوع](১৩/২৯)

বই:- আল লামেউ আস সাবিহি বিশারহিল জামিউ আস সহীহ।
লেখক:-শামসুদ্দিন আল বিরমাবি, আবু আব্দুল্লাহ মুহাম্মদ বিন আব্দুদ দায়েম বিন মূসা আন নাঈমী আল আসক্বালানী আল মিসরী আশ শাফেঈ রহ.(মৃত্যু :-৮৩১ হিজরী)
তাহক্বিক ওয়া দিরাসাতুন:- লাজনাহ মুখতাছাতুন মিনাল মুহাক্কিনা বি ইশরাফি নূরুদ্দীন তালেব।
প্রকাশনা:- দারুন নাওয়াদিরি, সিরিয়া
মুদ্রন:- প্রথম মুদ্রন(১৪৩৩ হিজরী- ২০১২ খ্রি.)

🖋️Muhammad Ali

20/08/2026

শ*ক্র যখন আপনাকে বারবার কষ্ট দিবে তখন ভয়া*বহ অবস্থা করে দিন
সূরা ফাতির ২৬ নম্বর আয়াতটা প্রচুর বেশি তেলাওয়াত করবেন। নিয়ত ইয়া আল্লাহ আমাকে কষ্টদান কারী ওইসব জালে*ম শ*ক্রকে ভয়া*বহ অবস্থা করে দিন এবং যারা কৌশল করে যত ক্ষ,তি আমাকে করেছে সকল কৌশল ঘুরিয়ে ঐই শ*ক্রর লাইফস্টাইলে পৌছিয়ে দিন।
(আয়াতের উচ্চারন:- ছুম্মা আখা'যতুল লাযিনা কাফারু ফা'কায়ফা কানা নাকির)

আয়াত প্রতিদিন ৫ মিনিট করে পড়ুন

🖊️Muhammad Ali

19/08/2026

🔷জিন দ্বারা আক্রান্ত হলে কমন লক্ষন থাকবে ' শ্বাসকষ্ট পাশাপাশি গলা টি,পে নিজেকে নিজে মার*তে থাকা ' এমন লক্ষনগুলো থাকবে

عن سعيد بن جبير -من طريق جعفر- ﴿الذين يأكلون الربا لا يقومون إلا كما يقوم الذي يتخبطه الشيطان من المس﴾ الآية، قال: يُبْعَث آكل الربا يوم القيامة مجنونًا يُخْنَق(

সাইদ বিন জুবাইর হতে বর্ণনা তিনি জাফ'র থেকে বর্ননা করেন :
যারা সুদ খেতে থাকে তারা দাড়াবে না তবে সেভাবে তারা দাঁড়াবে (কিয়ামেতর মাঠে) যা তাকে(ব্যক্তিকে) শয়তা,ন আঘা,ত করতে থাকল তার স্পর্শ দিয়ে। উক্ত আয়াত সম্পর্কে সাহাবী সাইদ বিন জুবাইর তিনি বলেন :- সূ,দ খাওয়া ব্যক্তিরা উঠবে বা পুনরুজ্জীবিত হবে কিয়ামদের পাগ,ল অবস্থায় এবং সেই(কেউ)শ্বাসরু,দ্ব করে মারা,র চেষ্টা করে ও গলা টি,পে মা,রার চেষ্টা করে (দুনিয়াতে এমন অবস্থার লক্ষনগুলো নিয়ে জিনের এই রোগীগুলোর মত সূূ,দ খোররা কিয়ামদের দিন উঠবে)

মাওসুয়াতুত তাফসীরী লিল মা'ছূর (সূরা বাকারাহ ২৭৫ নম্বর আয়াতের তাফসীর)

🖋️Muhammad Ali

17/08/2026

🔷বিচ্ছেদ এর যাদুর কিছু লক্ষন সম্পর্কে 'স্বামী ও স্ত্রী একে অপরকে দেখলে ঘৃণা করবে' এটা বিচ্ছেদ এর যাদুতে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষন ইবনে কাসির রহ. এ সম্পর্কে বলেন:-

وَسَبَبُ التَّفَرُّقِ بَيْنَ الزَّوْجَيْنِ بِالسِّحْرِ: مَا يُخَيَّلُ إِلَى الرَّجُلِ
أَوِ الْمَرْأَةِ مِنَ الْآخَرِ مِنْ سُوءِ مَنْظَرٍ، أَوْ خُلُقٍ أَوْ نَحْوِ ذَلِكَ أَوْ عَقد أَوْ بَغْضه، أَوْ نَحْوِ ذَلِكَ مِنَ الْأَسْبَابِ الْمُقْتَضِيَةِ لِلْفُرْقَةِ.
وَالْمَرْءُ عِبَارَةٌ عَنِ الرَّجُلِ، وَتَأْنِيثُهُ امْرَأَةٌ، وَيُثَنَّى كُلٌّ مِنْهُمَا وَلَا يُجْمَعَانِ، وَاللَّهُ أَعْلَمُ.

ইবনে কাছির রহ. সূরা বাকারাহ ১০২ নম্বর আয়াতের তাফসীরে স্বামী ও স্ত্রী বিচ্ছেদ এর কয়েকটি সিমটমস লিখেছেন এবং কিছু হাদীসকে সামনে নিয়ে এসেছেন:-

১. স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ এর মূল কারন হলো যাদু।

যার মূল হচ্ছে স্বামী ও স্ত্রীর নিকট একে অপরে খারাপ দৃষ্টিভঙ্গি রাখা বা মনে করা।অথবা একে অপরের দিকে তাকালে খারাপ মনে করা। এবং আচরনের ক্ষেত্রে একে অপরকে খারাপ মনে করবে।অথবা সেটা গিটের(যাদুর)মাধ্যমে এই সমস্যাগুলো হচ্ছে,স্বামী ও স্ত্রী এটাও মনে করবে। অথবা সেটা ঘৃণার মাধ্যমে স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে বিচ্ছেদ হচ্ছে স্বামী ও স্ত্রী এমনটা(ইউখয়য়াল)মনে করবে।

ফলে, স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে এরকম সমস্যাগুলোর দেখা যাবে যেগুলো একটি দৃষ্টান্ত - আলামত,যেগুলো একত্রিত হয় না(তথা স্বামী ও স্ত্রীর সম্পর্ক সুন্দর হয়না)

বরং বিচ্ছেদ হয় যাদুর মাধ্যমে এটাই বুঝানো হয়েছে।
[অর্থাৎ, স্বামী ও স্ত্রীর বিচ্ছেদ কিভাবে হবে ইবনে কাসীর তার তাফসীরে স্পষ্ট উল্লেখ করেছে, যখন স্বামী ও স্ত্রীর মধ্যে দেখা যাবে যে, স্বামী ও স্ত্রী একে অপরে রাগ করতেছে তখন বুঝে নিবেন তারা বিচ্ছেদ এর যাদুতে আক্রান্ত আছে, কারন রাগের স্তর আছে আর রাগের পরিমান দিন যত যায় তত বাড়তে বাড়তে একটা পর্যায়ে রাগের সর্বোচ্চ স্তরে রাগ পৌছে গেলে মূলত তখন স্বামী ও স্ত্রীর মাধ্যে স্পেসিফিক রাগের মাধ্যমে তালাক কার্যকর হয়ে যায়, কারন অতি রাগের ওই মুহুর্তে, বিশেষ করে হাসবেন্ড বা ওয়াইফ এত বেশি রাগান্বিত থাকে যে, তাদেরকে কাউন্সিলিং বা বুঝানো সম্ভবপর হয়না, আর এই রাগটা একদিনেই হয়না, একটা সুস্থ দম্পতির হাসবেন্ড অথনা স্ত্রী জিন দ্বারা যাদুতে আক্রান্ত হলে রাগের পয়েন্টে তখন রাগের পরিমান প্রথম দিকে অল্প থাকবে, এরপর কয়েক মাস পর রাগের পরিমান আরো বেড়ে যাবে এরপর আরো কয়েক মাস পর রাগের পরিমান আরো বেড়ে যাবে এভাবে রাগ যখন চরম বেশি পর্যায়ে পৌছে যাবে, তখন রাগের প্রভাবে কোনো হাসবেন্ড রাগের তীব্রতা মাথায় জমিয়ে রাগের প্রভাবে আচরন করা শুরু করবে স্ত্রীর প্রতি, রাগের প্রভাব নিতে মারা,মারি করা শুরু করবে, রাগের প্রভাব নিয়ে স্ত্রীর সাথে বাজে আচরন করা শুরু করবে, রাগের প্রভাব নিয়ে হাসবেন্ড বাচ্চাদের সাথেও রাগ দেখাবে, রাগের প্রভাব নিয়ে হাসবেন্ড প্রতিটা মুহুর্তে সন্তান ও স্ত্রীদের সাথে রাগ দেখাবে,এরপর স্ত্রীর যেকোনো কাজেই স্বামী রাগ দেখালো,এরপর স্ত্রী বাচ্চাদের ভবিষ্যৎ এর কথা চিন্তার কথা বললে তখন স্বামী রাগ দেখাবে, এরপর স্ত্রী অবসর সময়ে একটু শুয়ে বসে থাকলে তখন স্বামী রাগ দেখাবে, এরপর স্ত্রী ধর্মীয় বিষয় পালন করলে তখন হাসবেন্ড রাগ দেখাবে। সেইম স্ত্রীর মাথায় রাগ প্রচুর মাত্রায় জমে থাকলে তখন 'মাথা রাগে গরম হয়ে থাকবে তখন স্ত্রীও সেইম আচরন করা শুরু করবে, তবে স্ত্রীদের থেকে হাসবেন্ডের এফেক্টেটের সংখ্যা বেশি থাকে। রাগ মানে তীব্র গরম এক অনূভুতি সবসময় মাথায় জমে থাকা, তখন এই ব্যক্তি ওই রাগান্বিত প্রভাব নিয়েই লাইফস্টাইল পরিচালনা করে থাকে ফলে ' হিতাহিত জ্ঞান তখন থাকে না,এখানে শুধু রাগের পয়েন্ট নিয়ে আলোচনা করলাম, আরো বিস্তারিত পরের পর্ব ঘৃণা ও খারা,প কিভাবে প কতগুলো পয়েন্টে স্বামী তার স্ত্রীকে মনে করে থাকে সেগুলো নিয়ে আলোচনা করব ইনশাআল্লাহ।

🖊️Muhammad Ali

13/08/2026

🔴আশিক জিন দ্বারা যাদুতে আক্রান্ত হওয়ার লক্ষন

১.মাথায় আজেবাজে চিন্তা আসবে যেটা রোগী কন্ট্রোল করতে পারবে না
২.সারাক্ষন পর্ণ এডিকশন কাজ করবে, মাথায় এসব চিন্তা বারবার আসতে থাকবে
৩.হৈস্তমৈথুন এডিকশনে জড়িয়ে যাবে,রোগী কন্ট্রোল করতে চায় কিন্তু কন্ট্রোল করতে পারবে না
৪.পার্ভাটনেস চিন্তা মাথায় বারবার আসবে,পূর্বে এমন এডিকশন ভিক্টিমের ছিল না
৫.স্বপ্নে অপরিচিত কেউ বারবার সহবাস করতেছে এমন বাজে স্বপ্ন দেখা
৬.অতিরিক্ত স্বপ্নদোষ হওয়া
৭.ছেলেদের লিঙ্গ ধীরে ধীরে দুর্বল হয়ে যাওয়া,মেডিকেল চিকিৎসায় ভালো না হওয়া
৮.মেয়েরা বাজে এডিকশন বারবার অনুভব করবে যেটা থেকে বের হয়ে আসতে পারে না
০৯.কাছের মানুষদের সাথে খারাপ কাজ করতে মন চায় এমনটা মাথায় বারবার ঘুরতে থাকবে
১০.তলপেটে প্রায়ই কোন কারন ছাড়াই ব্যথা করা
১১.মাসিক অনিয়মিত হয়ে যাওয়া,মেডিসিন খেয়েও স্থায়ী সুস্থ না হওয়া
১২.তলপেট ভার হয়ে থাকা,প্রচুর ওজন অমুভব হওয়া
১৩.তলপেট কেন্দ্রীক শারীরিক ও মানসিক রোগ হওয়া
১৪.বাচ্চা কনসিভ না করা
১৫.বাচ্চা কনসিভ করলে অধিকাংশ সময় ৩ মাস বা ৫ মাস বা ৭ মাসের সময় বাচ্চা নষ্ট হয়ে যাওয়া
১৬.সহবাস করতে বাঁধা পাওয়া।
১৭.স্বামী ও স্ত্রী একে অপরকে ঘৃণা করা।
১৮.তলপেটে চাকার মত গোল কিছু ঘুরাঘুরি করা ফলে তলপেট প্রচুর ওজন হয়ে থাকে
১৯.জরায়ুতে ইনফেকশন হওয়া এবং এর ফলে বিভিন্ন শারীরিক ও মানসিক রোগ হওয়া যেটা মেডিকেল ট্রিটমেন্টে স্থায়ী ভালো হবে না
২০.প্রাইভেট পার্টে কেউ স্পর্শ করা বা কেউ আঘাত করতেছে এমনটা অনুভব হওয়া।
২১. রোগীর সাথে স্বপ্নে সহবাস করে এমনটা দেখা,এবং রোগী এটা বাস্তবের মত ফিল করে থাকে
২২.জটিল রোগীদের সাথে আশিক জিন যিনার যাদু করার মাধ্যমে সরাসরি ভিন্ন পুরুষের রুপ ধারন করে সহবাস করে,তখন রোগী বাস্তবের ন্যয় বুঝতে পারে যে আমার সাথে খারাপ কাজ করা হচ্ছে পরে রোগীর হুশ ফিরে আসলে বেশধারণ কারী সেই ব্যক্তিকে দেখতে পায় না কিন্তু রোগীর সাথে যেই খারাপ কাজ হয়েছে এটা রোগী অনুভব করতে থাকে।

এইসকল সিমটমসগুলো শরীর থেকে স্থায়ী বের করার জন্য ' নিয়মিত রুকইয়াহ সেশন করতে হবে '। যারা এসকল প্রত্যেকটা সিমটমসগুলোকে শরীর থেকে স্থায়ী বের করতে চান তারা নিয়মিত পেই,ড সেশন করতে চাইলে। প্রতিদিন রাত ৯ টা থেকে টানা ৪০ মিনিটের সেশন রুকইয়াহ ক্লাস অনুষ্ঠিত হয় অনলাইন ফিমেইল পেই,ড গ্রুপে 'তেলাওয়াত+অরগ্যান প্রেশার 'প্র্যাক্টিসের মাধ্যমে। যারা টানা কয়েক মাস ৬০ ঘন্টা বা ১০০ ঘন্টা বা আরো বেশি টানা সেশন ক্লাসে থাকতে চান মূলত ' তারা যোগাযোগ করে 'পেই,ড গ্রুপে এড হয়ে নিয়মিত সেশন ক্লাস করতে পারবেন ইনশাআল্লাহ।

যোগাযোগ, (What's app -01629800223)

🖊️Muhammad Ali

Address

Gazipur

Opening Hours

Monday 09:00 - 20:00
Tuesday 09:00 - 20:00
Wednesday 09:00 - 20:00
Thursday 09:00 - 20:00
Friday 09:00 - 20:00
Saturday 09:00 - 20:00
Sunday 09:00 - 20:00

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Quranic Healing Bd posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Quranic Healing Bd:

Shortcuts

Share