Dr. Morshed Alam Pediatrics update and Nutrition

Dr. Morshed Alam Pediatrics update and Nutrition শিশুর পুষ্টি মায়ের তুষ্টি।শিশুদের যাবতীয় সমস্যার সমাধান পাবেন ইনশাআল্লাহ।
(1)

29/07/2026

কার কার বাচ্চার পায়ে ব্যাথা করে?

৮টি নিরাপদ টুথপেস্ট এর লিস্ট।
27/07/2026

৮টি নিরাপদ টুথপেস্ট এর লিস্ট।

25/07/2026

শত কষ্টেও যখন কেউ পাশে থাকে না, তখন মায়ের একটা ডাক সব ক্লান্তি দূর করে দেয়।

22/07/2026

আপনার বাচ্চা কাকে বেশি ভালোবাসে—মাকে, নাকি বাবাকে? 😊

21/07/2026

কারা কারা বাচ্চাকে পরিপূরক খাবার খাওয়ান? পরবর্তী পোস্ট পরিপূরক খাবার নিয়ে।

21/07/2026

রাসূল ﷺ বলেছেন:
"যে আমাদের ছোটদের প্রতি দয়া করে না এবং বড়দের সম্মান করে না, সে আমাদের অন্তর্ভুক্ত নয়।"
📖 — (সুনানে আবু দাউদ, হাদিস: ৪৯৪৩; জামে তিরমিজি, হাদিস: ১৯২১

20/07/2026

ব্যর্থ মানুষকে কেউ তেমন মূল্য দেয় না। কিন্তু আপনি যখন সফল হবেন, তখন পুরো পৃথিবীই আপনার সাফল্যের গল্প শুনতে চাইবে। তাই মানুষের কথায় থেমে না গিয়ে নিজের লক্ষ্য অর্জনের পথে এগিয়ে চলুন।

💚নবজাতক শিশুর যত্ন নেওয়ার কৌশলঃএটি আপনার প্রথমবার হলে, একটি নবজাতকের যত্ন নেওয়া স্পষ্টতই একটি চ্যালেঞ্জ। সুতরাং, এখানে ...
20/07/2026

💚নবজাতক শিশুর যত্ন নেওয়ার কৌশলঃ

এটি আপনার প্রথমবার হলে, একটি নবজাতকের যত্ন নেওয়া স্পষ্টতই একটি চ্যালেঞ্জ। সুতরাং, এখানে দশটি উপায় রয়েছে যা আপনাকে নবজাতকের যত্ন নিতে সহায়তা করবে:

❤১. খাওয়ানো
শিশুকে সঠিক সময়ে খাওয়ানো খুব গুরুত্বপূর্ণ। নবজাতককে প্রতি ২ থেকে ৩ ঘণ্টায় খাওয়ানো উচিত, যার অর্থ ২৪ ঘণ্টার মধ্যে আপনাকে ৮-১২ বার দুধ খাওয়াতে নিতে হবে। শিশুর জীবনের প্রথম ৬ মাসে, শিশুকে শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়ানো উচিত। স্তনের দুধের মধ্যে অত্যাবশ্যক পুষ্টি এবং অ্যান্টিবডি রয়েছে যা শিশুর বেঁচে থাকা এবং বৃদ্ধির জন্য প্রয়োজনীয়। কমপক্ষে ১০ মিনিট ধরে শিশুকে বুকের দুধ খাওয়ান। আপনার শিশুর ঠোঁটের কাছে স্তনটি ধরে রাখুন যতক্ষণ পর্যন্ত না সে দৃঢ়ভাবে সেটির সাথে সংযুক্ত হয় এবং চোষা শুরু করে। শিশুর সঠিকভাবে স্তনের সাথে সংযুক্ত হলে, মা তার স্তনে কোনো ব্যথা অনুভব করবে না। শিশুর খাওয়া শেষ হলে স্তনটি কম পূর্ণ বোধ করা উচিত। এই একটি ইঙ্গিত যে শিশু যথেষ্ট দুধ পাচ্ছে। স্তনের দুধ যদি না খাওয়ান, তবে শিশুকে ডাক্তারের পরামর্শ নিয়ে একটি ফরমূলা খাওয়ান। প্রতিবার খাওয়ানোতে বাচ্চাকে ৬০ থেকে ৯০ মিলিলিটার ফরমূলা খাওয়াতে হবে।

💚2. ঢেঁকুর তোলা
বাচ্চাকে খাওয়ানো হয়ে গেলে, তাকে ঢেঁকুর তোলাতে হবে। বাচ্চারা খাওয়ানোর সময় বায়ু গিলে ফেলে, যা তাদের পেটে গ্যাস এবং শূলবেদনা ঘটায়। ঢেঁকুর এই অতিরিক্ত বায়ু বের করে দেয়, এইভাবে পাচনে সাহায্য করে এবং উগরে দেওয়া ও পেট ব্যথা আটকায়। শিশুটিকে আস্তে আস্তে আপনার বুকের কাছে এক হাত দিয়ে ধরে রাখুন। তার চিবুক আপনার কাঁধে এলিয়ে দিন। আপনার অন্য হাত দিয়ে খুব আস্তে আস্তে তার পিঠে টোকা দিন বা চাপড়াতে থাকুন যতক্ষণ না সে ঢেঁকুর তোলে।

💚৩. কিভাবে আপনার নবজাতককে ধরতে হবেঃ

এটা নিশ্চিত করা খুব গুরুত্বপূর্ণ যে তাকে ধরে রাখার সময় আপনি তার মাথা এবং ঘাড়কে আপনার এক হাত দিয়ে অবলম্বন দেবেন। এর কারণ হল তার ঘাড়ের পেশী এতটা শক্তিশালী নয় যে মাথাকে কোনো অবলম্বন ছাড়াই ধরে রাখতে পারবে। মেরুদন্ড এখনও বাড়ছে এবং শক্তিশালী হয়ে উঠছে। ৩ মাস বয়স হলে তবেই ঘাড়টি নিজে নিজে মাথাকে অবলম্বন দিতে পারবে। সুতরাং নবজাতক শিশুর যত্ন নেওয়ার সময় আপনার শিশুর মাথা এবং ঘাড়কে অবলম্বন দেওয়ার দিকে মনোযোগ দিন।

❤️৪. আম্বিলিকাল কর্ডের গোঁড়াটির যত্নঃ
১ম মাসে নবজাতক শিশুর যত্নের একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল আম্বিলিকাল কর্ডের গোঁড়াটির যত্ন নেওয়া। প্রথম ২-৩ সপ্তাহে আপনার শিশুকে স্নান করাবেন না। তার বদলে অল্প উষ্ণ জল দিয়ে একটি স্পঞ্জ স্নান দিন। নাভি এলাকা পরিষ্কার এবং শুষ্ক রাখুন। বাচ্চাদের ডায়পারটি ভাঁজ করে নিচে নামিয়ে রাখুন যাতে নাভির গোঁড়াটি শুকিয়ে যায়। নাভি এলাকায় হাত দেওয়ার আগে আপনার হাত নির্বীজিত করুন। পরিষ্কার করতে, একটি আর্দ্র কাপড় ব্যবহার করুন এবং একটি পরিষ্কার, শোষক কাপড় দিয়ে শুকনো করুন। কর্ডের গোড়ায় সংক্রমণের লক্ষণ আছে কিনা দেখুন। যদি নাভি অঞ্চলে লালভাব, ফোলা, গন্ধযুক্ত স্রাব বা পুঁজ থাকে এবং রক্তপাত হয়, তবে শিশুটিকে শিশুরোগ বিশেষজ্ঞের কাছে নিয়ে যান।

💚৫. ডায়পার পরানোঃ

প্রসবের পরে নবজাতক শিশুর যত্ন নেওয়ার সময় একটি গুরুত্বপূর্ণ দিক হল ঘন ঘন ডায়পার পরিবর্তন করা। আপনার শিশু পর্যাপ্ত বুকের দুধ বা ফরমূলা পেলে, নিয়মিত মলত্যাগের সাথে সাথে সে দিনে কমপক্ষে ৬ থেকে ৮ টি ডায়পার ভেজাবে। ডায়পারটি যেই ভর্তি মনে হবে, তখনই সেটি বদলে দিন। আপনাকে এমনকি এটি দিনে ১০ বারও পরিবর্তন করতে হতে পারে। একটি নোংরা ডায়পার পরিবর্তন করার জন্য, আপনার একটি চেঞ্জিং শীট, মৃদু ডায়াপার ওয়াইপ, ডায়াপার ফুসকুড়ি ক্রিম বা শিশুর পাউডার এবং পরিষ্কার ডায়পার প্রয়োজন হবে। ইউটিআই প্রতিরোধের জন্য আপনার কন্যা সন্তানের শরীরের সামনে থেকে পিছনের দিক পর্যন্ত মুছে দিন, পিছনের দিক থেকে সামনের দিক পর্যন্ত নয়। এবং আপনার শিশুকে প্রতিদিন কয়েক ঘন্টা ডায়পার ছাড়া রাখতে হবে।

💚৬. স্নানঃ

নবজাতককে স্নান করানো একটি সূক্ষ্ম কাজ। কর্ডের গোঁড়াটি শুকিয়ে খসে যাওয়ার পর, সপ্তাহে ২ থেকে ৩ বার শিশুকে স্নান করানো উচিত। আপনি স্নানের জন্য শিশুকে নিয়ে যাওয়ার আগে, স্নানের এবং পরিবর্তনের সব সামগ্রী প্রস্তুত রাখুন। ঘুমের ঠিক আগে স্নান করালে শিশুদের আরো গভীর ঘুমে সাহায্য করে। আপনার একটি শিশুর বাথটব, অল্প উষ্ণ জল, হালকা শিশুর সাবান বা বডি ওয়াশ, একটি ওয়াশক্লথ, নরম তোয়ালে, শিশুর লোশন বা ক্রিম, নতুন ডায়পার, এবং শিশুর পরিষ্কার কাপড় প্রয়োজন হবে। আপনার সঙ্গী বা পরিবারের সদস্যকে সাহায্যের জন্য ডেকে নিন, যাতে একজন ব্যক্তি শিশুর ঘাড় ও মাথা জলের উপরে ধরে রাখতে পারেন এবং অন্যজন শিশুকে স্নান করাতে পারেন। সাবধানে সাবান ব্যবহার করুন। বাচ্চাদের জননাঙ্গ, স্কাল্প, চুল, ঘাড়, মুখ, এবং নাকের চারপাশে জমে যাওয়া শুকনো সর্দি ওয়াশক্লথ দিয়ে পরিষ্কার করুন। অল্প উষ্ণ জল দিয়ে আপনার শিশুর শরীর ধুয়ে ফেলুন। এই কাজ হয়ে গেলে, শিশুর দেহ নরম তোয়ালে দিয়ে শুকিয়ে নিন, লোশন প্রয়োগ করুন এবং একটি নতুন ডায়পার এবং জামা পরিয়ে দিন।

❤️৭. মালিশঃ

মালিশ আপনার শিশুর সাথে বন্ধন তৈরি করার একটি দুর্দান্ত উপায়। এটি শিশুকে ঘুমাতে সাহায্য করে এবং রক্ত সঞ্চালন ও হজম উন্নতিতেও সহায়তা করে। আপনার হাতে অল্প পরিমাণে শিশুর তেল বা লোশন ছড়িয়ে নিন। তারপর, আস্তে আস্তে এবং ছন্দময় গতিতে তার শরীরে টোকা দিন। মালিশ করার সময় তার চোখে চোখ রাখুন এবং তার সাথে কথা বলুন। বাচ্চাকে মালিশ করার ভালো সময় হল তার স্নানের আগে।
❤️৮. আপনার নবজাতককে সামলানোঃ

আপনার বাচ্চার সাথে খেলার সময় কিছু বিষয় মনে রাখতে হবে। কখনো আপবার বাচ্চাকে ঝাঁকাবেন না, কারণ তার অভ্যন্তরীণ অঙ্গ কমনীয়, জোরে ঝাঁকালে ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে। বাচ্চাকে বাতাসে উপরের দিকে ছুঁড়ে দেবেন না, কারণ এটি বিপজ্জনক হতে পারে। শিশুকে স্পর্শ করার আগে সর্বদা হাত নির্বীজিত করুন বা ধুয়ে ফেলুন, কারণ তাদের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সম্পূর্ণভাবে বিকশিত নয়, এবং এটি সহজেই সংক্রামিত হতে পারে। আপনি যদি আপনার শিশুকে বাইরে নিয়ে যান তবে অবশ্যই তাকে নিরাপদভাবে স্ট্রলার, গাড়ীর আসন বা বাচ্চার ক্যারিয়ারের সাথে বেঁধে রাখুন। প্রতিদিন কিছুক্ষণের জন্য আপনার বাচ্চাকে উপুড় করে শুইয়ে রাখুন। এটি তার ঘাড় এবং পিঠের পেশীকে শক্তিশালী করবে। এটি তার দৃষ্টিকেও উন্নত করবে, কারণ সে উপরের দিকে ও পাশের দিকে দেখতে পাবে।

💚৯. ঘুমানোঃ

নবজাতকদের প্রথম 2 মাসে প্রায় 16 ঘন্টা করে ঘুমাতে হবে। তারা সাধারণত 2 থেকে 4 ঘন্টা ধরে ছোট ছোট করে ঘুম নেয় এবং তারা ক্ষুধার্ত হলে বা ভিজিয়ে ফেললে জেগে ওঠে। শিশুকে প্রতি 3 ঘণ্টায় যেহেতু খাওয়ানোর প্রয়োজন হয়, তাই আপনাকে তাকে জাগিয়ে তুলে খাওয়ানোর প্রয়োজন হতে পারে। সে নবজাতকদের আদর্শ ঘুমের প্যাটার্ন অনুসরণ না করলে চিন্তা করবেন না। প্রতিটি শিশু আলাদা এবং তার একটি ভিন্ন ঘুমচক্র আছে। ঘুমের সময় আপনার বাচ্চার মাথার অবস্থানটি পালটে দিতে ভুলবেন না। এটি মাথার উপর চ্যাপ্টা দাগ গঠনে বাধা দেয়। শিশুর যাতে দমবন্ধ না হয়ে যায়, তাই ঘুম পাড়ানোর সময় তাকে অবশ্যই চিত করিয়ে শোয়াবেন। মা যেন শিশুর সাথে সাথে ঘুমিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করেন। তিনি বাচ্চা ঘুমানোর সময়টিকে শান্তিতে স্নান করার জন্য বা খাবার খাওয়ার জন্যও ব্যবহার করতে পারেন।

❤️১০. নখ ছাঁটাইঃ

নবজাতকের নখ খুব দ্রুত বৃদ্ধি পায়। বাচ্চা তার হাত নাড়াচাড়া করে তার নিজের মুখ বা শরীর আঁচড়ে ফেলতে পারে। অতএব, শিশুর নখ ছাঁটাই রাখা গুরুত্বপূর্ণ। শিশুর নখ নরম হয়, তাই শিশুর নখের ক্লিপার ব্যবহার করুন। শিশুর ঘুমানোর সময় ধীরে ধীরে নখ ছেঁটে দেওয়ার চেষ্টা করুন। খুব গভীরভাবে ছাঁটবেন না কারণ শিশুর নখ খুব নমনীয় এবং এটি শিশুর জন্য বেদনাদায়ক হতে পারে। নখের প্রান্তগুলি ছাঁটবেন না কারণ এটি নখকুনির কারণ হতে পারে।

নতুন বাবা-মারা পরিবার বা বন্ধুদের কাছ থেকে সাহায্য চাইতে পারেন যাতে তারা বিশ্রাম নিতে পারেন এবং নিজেদের যত্ন নিতে পারেন। প্রথমবার যারা বাবা-মা হয়েছেন তারা নবজাতক শিশুর যত্নের বিভিন্ন দিক সম্পর্কে খুব বিহ্বল হতে পারেন। এই নিবন্ধটি নতুন মায়েদের সাহায্য করবে আস্থার সাথে তাঁদের নবজাতকদের যত্ন নিতে।

ডাঃ মোঃ মোরশেদ আলম।
সহযোগী অধ্যাপক শিশু বিভাগ।
কনসালট্যান্ট ল্যাব এইড।

৷৷৷   😍নবজাতকের যত্ন।😍😍৷৷৷৷৷৷  # জন্মের একঘন্টার মধ্যে শিশুকে বুকের দুধ ( শাল দুধ)খাওয়াতে হবে।মনে রাখবেন শাল দুধ ছাড়া অন...
20/07/2026

৷৷৷ 😍নবজাতকের যত্ন।😍😍৷৷৷৷৷৷

# জন্মের একঘন্টার মধ্যে শিশুকে বুকের দুধ ( শাল দুধ)খাওয়াতে হবে।মনে রাখবেন শাল দুধ ছাড়া অন্য কিছু খাওয়ানো যাবেনা।

# ৬ মাস পর্যন্ত শুধুমাএ বুকের দুধ খাওয়াতে হবে।

# ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৮-১২বার দুধ খাওয়াতে হবে।

# খাওয়ানোর পর ঢেকুর তোলাতে হবে।

# নবজাতক কে ধরে রাখার সময় তার মাথা ও ঘাড়কে আপনার এক হাত দিয়ে অবলম্বন দিতে হবে।

# প্রথম ২-৪ মাসে ১৬-১৮ ঘন্টা ঘুমাবে।

# প্রতিদিন সকালে ১ঘন্টা করে ১মাস ভোরে রোদে দিতে হবে( চোখ ও প্রস্রাবের রাস্তা ঢেকে)।

# নাভি পড়ে গেলে কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছে দিবেন ও ১মাস মধ্যে গোসল করাবেন।

# শরীর মুছা ও গোসল করানোর পর olive oil তেল
ব্যবহার করবেন।

# ২ সপ্তাহ পর গোসল করাবেন।

# ৩ সপ্তাহ পর চুল ফেলে দিবেন।

# দেড় মাস বয়স মধ্যে প্রথম টিকা দিবেন,এর পর থেকে নিয়মিত টিকা দিবেন।

# কোন সমস্যা হলে শিশু ডাক্তারের পরামর্শ নিবেন।



ডাঃ মোঃ মোরশেদ আলম বাবলু
সহযোগী অধ্যাপক শিশু বিভাগ
Cimch গাজীপুর
কনসালট্যান্ট ল্যাব -এইড।

🇧🇩নবজাতকের পায়খানা নিয়ে যত কথা🇧🇩🇧🇩🇧🇩বাচ্চার জন্ম হয়েছে অনেকক্ষণ হয়ে গেছে, এখনো পায়খানা করেনি কেন?🏖️🏖️ শারীরিক অন্য সব দি...
20/07/2026

🇧🇩নবজাতকের পায়খানা নিয়ে যত কথা🇧🇩

🇧🇩🇧🇩বাচ্চার জন্ম হয়েছে অনেকক্ষণ হয়ে গেছে, এখনো পায়খানা করেনি কেন?

🏖️🏖️ শারীরিক অন্য সব দিক দিয়ে সুস্থ নবজাতকের প্রথম পায়খানা চব্বিশ ঘণ্টার মধ্যে করা উচিত। আর প্রসাবের জন্য আটচল্লিশ ঘণ্টা দেখা যেতে পারে। তবে অনেক সুস্থ বাচ্চা চব্বিশ ঘণ্টার কিছু পরেও মল ত্যাগ করতে পারে। আমরা কয়েকটা জিনিস দেখি। প্রথমত, শিশুর পায়ুপথের কোনো ধরনের অস্বাভাবিকত্ব আছে কিনা। হয়ত তার মলদ্বারই জন্মগতভাবে ত্রুটিযুক্ত হয়ে আছে। অনেক সময় রাবারের বিশেষ নল পায়ুপথে প্রবেশ করিয়ে কিংবা এক্সরে করে ভিতরের সমস্যা ধরা পড়ে। দ্বিতীয়ত, জীবনের প্রথম কালো পায়খানা দেরিতে করলে পরবর্তীতে ‘হাইপো-থাইরয়েড’ রোগের ইংগিত বহন করে। শিশু চিকিৎসকের জন্য এটা ধরতে পারা খুব জরুরি। কারণ সময়মত এর চিকিৎসা শুরু করতে পারলে মানসিক প্রতিবন্ধকতা সম্পূর্ণ এড়ানো যায়। তৃতীয়ত, কিছু আপাত দুর্লভ জন্মগত রোগে পায়খানা হতে দেরি হয়। হার্শপ্রাং অসুখ, সিস্টিক ফাইব্রোসিস ইত্যাদি এমন কিছু রোগ।

🇧🇩🇧🇩 বাচ্চা এত ঘনঘন পায়খানা করে কেন? অথবা, চার-পাঁচ দিন হয়ে যায়, বাবু পায়খানা করে না। এটা কোনো সমস্যা?
🏖️🏖️ স্বাভাবিক ওজনের সুস্থ বাচ্চা শুধুমাত্র বুকের দুধ খেয়ে দিনে কুড়ি-পঁচিশবার পর্যন্ত পায়খানা করতে পারে। আপনাকে খেয়াল রাখতে হবে, ওজন ঠিকমত বাড়ছে কিনা এবং চব্বিশ ঘণ্টায় কমপক্ষে আট-দশবার প্রস্রাব করছে কিনা। একইরকম সুস্থ অনেক শিশু চার-পাঁচ দিন পরপর পায়খানা করতে পারে। তবে একটি ব্যাপার জেনে রাখা ভালো। ‘হাইপো-থাইরয়েড’ রোগ হলেও কোষ্ঠকাঠিন্য হতে পারে। এই বাচ্চাগুলো সাধারণত অতিরিক্ত ঘুমকাতুরে শান্ত, বেশিদিন জন্ডিস, জিহ্বা বের করে রাখা, নাভি ফুলে যাওয়া (হার্নিয়া) নিয়েও আসতে পারে। যেসব মা বাচ্চাদের কৌটার দুধ খাওয়ান তাদের দুধে পানির পরিমাণ ঠিকমত হচ্ছে কিনা এটাও আমরা জানতে চাই।

🇧🇩🇧🇩বাচ্চা একেকদিন একেকরকম পায়খানা করে। পায়খানার কোন রঙটা স্বাভাবিক?

🏖️🏖️ অনেকে জেনে অবাক হবেন, শিশু চিকিৎসকের কাছে পায়খানার রঙের চার্ট পর্যন্ত থাকে। স্বাভাবিক পায়খানাই অনেক রঙের হতে পারে। আপনি অযথা দুশ্চিন্তা না করে শুধু দুইটি রঙ খেয়াল রাখবেন। এক- চুনের মত সাদা পায়খানা। নবজাতকের সাদা পায়খানা যকৃতের খুব জটিল কয়েকটি রোগে (বিলিয়ারি এট্রেসিয়া, নিওনেটাল হেপাটাইটিস) হতে পারে। দুই- লাল পায়খানা, অর্থাৎ সাথে রক্ত যাচ্ছে কিনা, খেয়াল রাখুন।

🇧🇩🇧🇩 বাচ্চা অনেকদিন ধরে পানির মত পায়খানা করছে। পায়খানার রাস্তা লাল হয়ে গেছে। অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়ানো হয়েছে, কিন্তু সারছে না কেন?

🏖️🏖️ একটা মজার প্রাকৃতিক ব্যাপার অনেকেই জানেন না। মায়ের বুকের দুধের প্রথম অংশে পানি থাকে বেশি, কিন্তু চর্বি, আমিষ থাকে কম। আর শেষের দিকে ঘন দুধে চর্বি, আমিষে তৃপ্তি হয়, পেট ভরে আর পায়খানা ঘন হয়। অনেক মা শুধুমাত্র বুকের দুধ খাওয়ান, কিন্তু অল্প সময় নিয়ে, অথবা একটু ডান দিকের স্তন, আবার একটু বাম দিকে এভাবে। এই বাচ্চারা প্রকৃতপক্ষে বেশি বেশি পানি খাচ্ছে আর একটু পরপর পানি ছাড়ছে। পেট তাড়াতাড়ি খালি হয়ে পড়ে। তৃপ্তি হয় না। তাই সারাক্ষণ কাঁদতে থাকে। মায়ের করনীয় হচ্ছে, একবারে সময় নিয়ে একদিকের বুক পুরোটা খাওয়াতে হবে। তাহলেই পায়খানা ঘন হয়ে যাওয়ার কথা। অযথা অ্যান্টিবায়োটিক দেওয়া কোনোভাবেই কাম্য নয়।

🇧🇩🇧🇩 বাচ্চার পেটে প্রচুর গ্যাস। সারারাত কান্না করে। গ্যাসের ওষুধ বা পায়খানা নরমের ওষুধ লাগবে?

🏖️🏖️ লাগবে না। এই সমস্যাটির নাম ‘ইনফেন্টাইল কোলিক’। এর কারণ সবসময় জানা যায় না। আমাদের পাঠ্যপুস্তকে সিমেথিকন, গ্রাইপ ওয়াটার জাতীয় ওষুধের ব্যাপারে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে। তিন থেকে ছয় মাসে এই সমস্যা সেরে যাওয়ার কথা। মা বাচ্চাকে ঠিকমত কাত করে ধরে বুকে লাগাচ্ছেন কিনা, বুকের বোটা বেশী করে মুখে প্রবেশ করাচ্ছেন কিনা তা নিশ্চিত করতে হবে। মা বাচ্চাকে কোলে করে ঢেঁকুর তোলাতে পারেন। এক্ষেত্রে একটি পরামর্শ দিতে পারি। আমাদের পাকস্থলি থাকে পেটের বাম দিকে। বুকের খাঁচা যেখানে শেষ হয় তার ঠিক নিচে। ঢেঁকুর তোলানোর সময় লক্ষ্য রাখুন চাপ’টা যেন পেটের বাম দিকে ঠিক এই জায়গাতে পরে। আশা করা যায়, বাবু কিছুটা আরাম পাবে।

একজন শিশু চিকিৎসক হিসেবে জানি, শিশুর ছোট সমস্যা গুলো মায়ের কাছে কতটা দুশ্চিন্তার কারণ হতে পারে। সঠিক পরামর্শই পারে এই উদ্বেগ নিরসন করতে পারে।

courtesy Dr.Ahad Adnan vai.

Address

Chandona Chowrasta, Gazipur City
Gazipur

Telephone

+8801795797107

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Morshed Alam Pediatrics update and Nutrition posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr. Morshed Alam Pediatrics update and Nutrition:

Shortcuts

Share

Category