ডাঃ মোঃ জয়নাল আবেদীন জুয়েল

ডাঃ মোঃ জয়নাল আবেদীন জুয়েল ডাঃ মোঃ জয়নাল আবেদীন জুয়েল এর অফিসিয়াল পেজ। He admitted to MBBS at Dinajpur Medical College in 1999 & completed MBBS under Rajshahi University in 2004.

He was selected for MD in Cardiology in 2007 as one of the youngest candidates in Bangladesh & completed FCPS 1st part in July 2007. He was selected in the 27th BCS exam with merit position 50.

আলহামদুলিল্লাহ, বিগত ২০০৫ সাল থেকে আপনাদের ভালোবাসায় ও ভালোবাসাকে সাথে নিয়ে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছি। আল্লাহ তায়ালার কাছ...
01/09/2026

আলহামদুলিল্লাহ, বিগত ২০০৫ সাল থেকে আপনাদের ভালোবাসায় ও ভালোবাসাকে সাথে নিয়ে রোগীদের সেবা দিয়ে যাচ্ছি। আল্লাহ তায়ালার কাছে অশেষ শুকরিয়া আলহামদুলিল্লাহ।

পরিবার, আত্মীয়-স্বজন, শ্রদ্ধাভাজন শিক্ষক, বন্ধু-বান্ধব, সহকর্মী ও শুভাকাঙ্ক্ষী—আপনাদের সকলের প্রতি আমার আন্তরিক কৃতজ্ঞতা ও ভালোবাসা প্রকাশ করছি।

পরম করুণাময় আল্লাহ যেন আমাকে দীর্ঘায়ু ও সুস্থতা দান করেন, যেন শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত আপনাদের সেবায় নিজেকে নিয়োজিত রাখতে পারি। আমার জন্য সবাই দোয়া করবেন।

— সহকারী অধ্যাপক ডাঃ মো: জয়নাল আবেদীন (জুয়েল)

28/08/2026

আজকে শুক্রবার সারাদিন গোবিন্দগঞ্জে থাকবো
সিরিয়েল এর জন্যে 01711874495

12/07/2026

সুস্থতার বার্তা || পর্ব -১ || উচ্চ রক্তচাপ কেন হয়? প্রতিরোধের সহজ উপায় || অতিথি : সহকারী অধ্যাপক (হৃদরোগ) || ডাঃ জয়নাল আবেদীন জুয়েল || উপস্থাপক রাসেল কবির || Rasel Kabir

01/01/2026

একজন চিকিৎসকের ফেসবুক ওয়াল থেকে সংগৃহীত -

" দেশনেত্রী খালেদা জিয়ার ইনফেকশন ও মৃত্যুবরণ: আমাদের জন্য কিছু জরুরি বার্তা-

খালেদা জিয়ার মৃত্যু এবং তাঁর ইনফেকশনের খবরটি আমাদের একটি বড় সর্তকবার্তা দিয়ে গেল। ইনফেকশন থেকে সেপসিস হয়ে তাঁর এই চলে যাওয়া আমাকে আমার আব্বার কথা মনে করিয়ে দিচ্ছে।

আমার আব্বাকে শেষ কয়েক মাস মূত্রনালির ক্যাথেটার ব্যবহার করতে হতো, আর সেখান থেকেই বারবার ইনফেকশন হতো। আমি নিজে মাইক্রোবায়োলজি ও ইমিউনোলজির মানুষ হওয়ায় আব্বার জন্য কোন এন্টিবায়োটিক কাজ করবে, তা খুঁজে পেতে ঘণ্টার পর ঘণ্টা পাগলের মতো লিটারেচার পড়েছি। কারণ, আমাদের দেশের অধিকাংশ ব্যাকটেরিয়া এখন সাধারণ এন্টিবায়োটিকের ধার ধারে না।

নেদারল্যান্ডসে আসার পর আমার চোখ খুলে গেল। এখানে এন্টিবায়োটিক ব্যবহারে তারা বিশ্বের মধ্যে সবচেয়ে কঠোর। বছর দেড়েক আগে আমার প্রচণ্ড সাইনাস ইনফেকশন হলো, সাথে তীব্র ব্যথা। আমি ধারণা করেছিলাম এটি ব্যাকটেরিয়ালই হবে। কিন্তু ডাক্তার ব্লাড টেস্ট করে দেখলেন ইনফেকশনের মার্কার অত বেশি নয়। তিনি জানিয়ে দিলেন, এন্টিবায়োটিক দেওয়া যাবে না, অপেক্ষা করতে হবে।

আমার খুব কষ্ট হচ্ছিল, কিন্তু অবাক হলাম যখন দেখলাম মাত্র ২ দিন পর কোনো ওষুধ ছাড়াই আমি সুস্থ হয়ে গেলাম! অথচ দেশে থাকতে আমরা মুড়ি-মুড়কির মতো এন্টিবায়োটিক খেতাম। এখন আমি ড্রাগ ডিসকভারি নিয়ে কাজ করি, কিন্তু বিদেশে আসার পর থেকে খুব প্রয়োজন ছাড়া একটা প্যারাসিটামলও আর খাই না। সাধারণ সর্দি-জ্বরে মা আমাকে জিজ্ঞেস করেন, প্যারাসিটামল খেয়েছি কিনা, কেননা মা জানে আমি আর প্যারাসিটামলও খাই না ;) , জ্বর বেশি হলে তো অন্য কথা।

আমার কিছু বিশেষ অনুরোধ:

১. শরীরের ওপর আস্থা রাখুন: সাধারণ সর্দি-জ্বরে হুটহাট এন্টিবায়োটিক না খেয়ে শরীরের ইমিউন সিস্টেমের ওপর আস্থা রাখুন। পর্যাপ্ত বিশ্রাম নিন, পানি খান এবং ভিটামিন-সি সমৃদ্ধ ফল খান।
২. নিজের সিদ্ধান্তে ওষুধ নয়: চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়া ফার্মেসি থেকে নিজের ইচ্ছায় কোনো এন্টিবায়োটিক কেনা বা খাওয়া বন্ধ করুন।

৩. চিকিৎসকদের প্রতি আহ্বান: একান্ত প্রয়োজন নিশ্চিত না হয়ে এন্টিবায়োটিক দেবেন না। রোগী আসলেই এক হালি ওষুধ লিখে দিতে হবে, এই কালচার পাল্টানো এখন সময়ের দাবি। ওষুধ প্রয়োজন না হলে রোগীকে বুঝিয়ে বলুন কেন তাঁর এন্টিবায়োটিক লাগবে না।
৪. কঠোর আইন প্রণয়ন: এন্টিবায়োটিকের অপব্যবহার রোধে কর্তৃপক্ষকে নেদারল্যান্ডসের মতো কঠোর আইন করতে হবে"।
Collected

16/11/2025

বাংলাদেশের কোন কোন খাবারে শুকরের চর্বি আছে এবং কিভাবে আছে তার বর্ণনা
=============================

[অতি গুরুত্বপূর্ণ পোস্ট, আজ সকালে ইগলুর বক্স মিলিয়ে দেখলাম সত্যিই সেখানে এমন একটি কোড E-471 লেখা আছে যেটি শুকরের চর্বি থেকে উৎপাদিত]

শূকরের মাংস ইউরোপ জুড়ে তাদের প্রোটিন বা আমিষ সরবরাহের অন্যতম একটা মাধ্যম। এক হিসেবে দেখা গেছে যে, একমাত্র ফ্রান্সেই প্রায় বিয়াল্লিশ হাজারেরও বেশী শূকরের খামার রয়েছে। ইংল্যন্ডরও আনাচে কানাচে রয়েছে শূকরের খামার। বাণিজ্যিকভাবে এইসব খামারগুলো পুরো ইংল্যন্ড জুড়েই শূকরের মাংস সরবরাহ করে আসছে। আর ইংল্যন্ডে বসবাস করার কারণে নিত্যদিন চোখের সামনেই দেখতে পাচ্ছি ইংরেজদের খাদ্য তালিকায় শূকরের মাংস একটি অতি আবশ্যকীয় ও উপাদেয় তালিকা। কেবল ইংল্যন্ডই নয় বরং পুরো ইউরোপ, আমেরিকা আর প্রাচ্য, অর্থাৎ পুরো খৃষ্ট বিশ্বেই প্রকৃত অবস্থাটি এমনই। এমনকি মুসলিম বিশ্বের কোথাও কোথাও, বিশেষ করে, মুসলিম দেশসমুহে বসবাসকারী অমুসলিম ধর্মালম্বীদের কাছে শূকরের মাংস অতি কাংক্ষিত একটি খাদ্য মাধ্যম।

এই মাধ্যমটি যে আজ নতুন সৃষ্টি হয়েছে তা নয় বরং সেই মধ্যযুগের কিংবা তারও আগে থেকেই এটি বিদ্যমান। শূকরের দেহে সবচেয়ে বেশী চর্বি থাকে এবং সেই চর্বির মধ্যে মানুষের স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্বক ক্ষতিকর চর্বিও রয়েছে। বস্তুুতান্ত্রিক চিন্তা চেতনায় উজ্জীবিত ইউরোপ জ্ঞান বিজ্ঞানের অগ্রগতির সাথে এইসব চর্বিকে বিভিন্নভাবে প্রক্রিয়াজাতের মাধ্যমে এ থেকে ব্যবহার্য বা খাদ্য জাতিয় বিভিন্ন প্রকার উপকরণ যেমন উদ্ভাবন করেছে তেমনি তা সারা বিশ্ব জুড়েই বাজারজাতও করেছে। আজকাল পুরো ইউরোপ, আমেরিকা আর পশ্চিমা বিশ্ব, এমনকি সমগ্র বিশ্বব্যাপি স্বাস্থ সচেতনতা বৃদ্ধির ফলে মানুষ খাদ্যে অতিরিক্ত ফ্যাট নিয়ে বড় বেশী চিন্তিত এবং সজাগ। খাদ্যে চর্বির আধিক্যই হৃদরোগের প্রধান কারণ, সেটা বিশ্ববাসী খুব ভালো করেই জেনে গেছে বিজ্ঞানের সুবাদে। শূকরের দেহে সবচেয়ে বেশী চর্বিই কেবল থাকে না বরং সেই চর্বির মধ্যে ক্ষতিকারক উপাদানটির আধিক্যও সবচেয়ে বেশী। ফলে ইউরোপের সচেতন মানুষ শূকরের মাংস খেলেও এর চর্বিকে সব সময় যথাসম্ভব এড়িয়ে চলে বা চলার চেষ্টা করে। এর ফলে শূকর ব্যবসায়ী ও তার মাংস সরবরাহকারীদের একটা বড় অংশই অপচয় হবার সম্ভাবনা দেখা দেয়।

এইসব অপচয় থেকে বাঁচার জন্যই ইউরোপ শূকরের চর্বির বিকল্প ব্যবহার উদ্ভাবন করেছে। শূকরের চর্বিকে তারা বিভিন্নভাবে বাজারজাত করেছে। এর বহুবিধ ব্যবহারকে নিশ্চিত করেছে প্রসাধনী সামগ্রীর কাঁচামাল, ঔষধের মাধ্যম বা ঔষধ হিসেবে ব্যবহার, শল্য চিকিৎসায় ব্যবহার্য প্রয়োজনীয় সরঞ্জামাদি নির্মাণ এবং সবচেয়ে বড় কথা হলো মনুষ্য ও পশু খাদ্য সামগ্রির বিভিন্ন উপাদান হিসেবে এই ক্ষতিকারক বস্তুটিকে ব্যবহার করছে। প্রথমে শূকরের চর্বি দিয়ে সাবান বানানো হয় এবং তা জনপ্রিয় হয়ে ওঠে। এর পরে একইভাবে ঐ চর্বিকে কাজে লাগিয়ে বিভিন্ন রকম তরল প্রসাধনী, ক্রিম ইত্যাদি উৎপাদন এবং বাজারজাত করা হয়, এটাও ব্যবসায়িক সফলতা পায়। বন্দুকের কার্তুজে এই শূকরের চর্বি ব্যবহার শুরু হয় সর্বপ্রথমে, উনবিংশ শতাব্দীর মাঝামাঝি কিংবা তারও আগে।

যা হোক, ফার্মাসিউটিক্যাল কোম্পানীগুলোও তাদের উৎপাদিত ঔষধ ও চিকিৎসা সামগ্রীতে এর ব্যবহার শুরু করে। সর্বপ্রথমে শরীরের অভ্যন্তরে সেলাই করার জন্য এমন এক ধরনের সুতোর দরকার পড়ে, যা ক্ষত শুকোনোর পরে খূলে ফেলার প্রয়োজন পড়বে না, এবং শরীরের ভেতরে হবার কারণে তা সম্ভবও নয়, বরং সেলাই কাজে ব্যবহৃত এই সুতো আপনা আপনিই মানুষের মাংসের সাথে মিশে যাবে। এ চিন্তা থেকেই চিকিৎসকরা বেড়ালের অন্ত্রের চর্বি দিয়ে তৈরী করেন এক বিশেষ ধরনের সুতো, যা দিয়ে মানুষের দেশে অস্ত্রোপচারের সময় আভ্যন্তরীণ ক্ষত জোড়া দিতে ব্যবহার করা যাবে। শল্য চিকিৎসক বা সার্জনরা মানুষের শরীরে এরকম যে সুতোর ব্যবহার করেন তাকে ‘ক্যটগাট’ বলা হয়। বেড়ালের চেয়ে শূকরের প্রচলন বেশী এবং শূকরের মাংস ও চর্বি সহজ লভ্য হবার সুবাদে ইউরোপের শূকর খামার ব্যবসায়ী ও চিকিৎসকরা এগিয়ে আসেন এই সুতো নির্মাণে বেড়ালের পরিবর্তে শূকরের চর্বি ব্যবহারে। এবং তারা তা শুরুও করেন।

কিন্তু কিছু সচেতন মুসলমান ইউরোপীয় পণ্যসামগ্রীর গা’এ লিপিবব্ধ উপাদানের তালিকায় pig fat শব্দটি দেখে আঁতকে উঠেন। কারণ যে কোন মুসলমানের কাছে এই pig fat বা শূকরের চর্বি, তার মাংস বা রক্ত সকল কিছুই হারাম, এর যে কোন ধরনের পরোক্ষ ব্যবহারও হারাম। তারা তাদের ভাষণে-বিবৃতিতে, লেখা-লেখনীতে এ ব্যপারে জনগণকে যেমন সতর্ক করেন, তেমনি সরকারের কাছেও দাবী জানাতে থাকেন এইসব ইউরোপীয় পণ্য দেশে আমদানী করারা অনুমতি না দেবার। এর ফলে ইউরোপীয়রা তাদের পণ্যতে pig fat শব্দটির পরিবর্তে ‘animal fat’ শব্দটি ব্যবহার শুরু করে।

ফলে ইউরোপীয়ান বাবস্যায়ীরা তাদের উৎপাদিত পণ্যের বাজার হারাতে বসে। ব্যবসা টিকিয়ে রাখতেই তারা বিকল্প পন্থা উদ্ভাবন করে। আর এই বিকল্প পন্থাটইি হলো উৎপাদিত কোন বস্তু, তা খাদ্য সামগ্রী হোক বা ঔষধ পথ্য কিংবা প্রসাধনী কিংবা অন্য কিছু, তার গা’এ ইউরোপীয়ান আঈন অনুযায়ী উপাদান সমুহের নাম লেখা হবে বটে তবে সেই সব নামগুলো লেখা থাকবে বৈজ্ঞানিক কোন টার্ম কিংবা সাংকেতিক নাম ব্যবহার করে যেন সাধারণ জনগণ সেই সব নাম, সেইসব টার্ম পড়ে বুঝে উঠতে না পারে, আসলে এই জিনিসগুলো কী?

করপোরেট বাণিজ্যের এই বিশ্বে ব্যবসাীয় মহলের চাপে নতী স্বীকার করে সরকার উৎপাদকদের সাথে আপোষ করে এবং উৎপাদিত পণ্যের গা’এ সাংকেতিক ভাষায় উপাদানসমুহের নাম লিপিবদ্ধ করার অনুমিত দেয়। সেই থেকে শিল্পকারখানায় উৎপাদিত পণ্য, বিশেষ করে, খাদ্য সামগ্রী কিংবা তা প্রস্তুতে ব্যবহৃত উপাদানসমুহে, প্রসাধনী, ঔষধ কিংবা পথ্যের উৎপাদনে সাংকেতিক ভাষায় বিশেষ নাম বা E-Codes ব্যবহার করা হয়, যা আমাদের মত সাধারণ মানুষের কাছে দুর্বোধ্য একটি বিষয়।

এরকমই একজন মুসলিম টেকনিশিয়ান কাজ করতেন ফ্রান্সের Pegal শহরে অবস্থিত Departments of Food Administration এর মান নিয়ন্ত্রণ কেন্দ্রে বা ল্যবরেটরিতে। তিনি অনূসন্ধিৎষূ মন নিয়ে দীর্ঘদিনের প্রচেষ্টায় বের করেছেন বেশ ক’টি E-Codes যার প্রত্যেকটিই শূকরের চর্বিকে ভিত্তি করেই গড়ে উঠেছে। একটি ওয়েব সাইটে Are we eating Pork? শিরোণামে মুসলমানদের উদ্দেশ্যে এক পাকিস্থানী বিজ্ঞানী ড: এম আমজাদ খান কর্তৃক প্রচারিত উক্ত তালিকায় শুকরের চর্বি থেকে প্রস্তুত E-Codes এর তালিকা নিম্নরুপ:

E100, E110, E120, E 140, E141, E153, E210, E213, E214, E216, E234, E252, E270, E280, E325, E326, E327, E334, E335, E336, E337, E422, E430, E431, E432, E433, E434, E435, E436, E440, E470, E471, E472, E473, E474, E475, E476, E477, E478, E481, E482, E483, E491, E492, E493, E494, E495, E542, E570, E572, E631, E635, E904. I

উক্ত তালিকায় উল্লেখিত E-Codes গুলোর বেশ ক’টি আমাদের দেশে প্রাত্যহিক ও দৈনন্দিন জীবনে ব্যবহৃত জনপ্রিয় খাদ্যতালিকায় উপস্থিত দেখতে পাওয়া যায়। তার দু‘একটা নমুণা দেখুন, যেমন; নিচে উল্লেখিত তালিকায় খাদ্য দ্রব্যের নামের পাশে তাতে ব্যবহৃত E-Codes ও তুলে দেয়া হলো:

1 Cadburrys chocolate – E476

2 Igloo Ice Cream -E471,E433

3 Baskin Robbins Ice Cream E471

4 Foster Clarks Custard Powder-E110

5 Fadeco Ice Cream-E471

6 Nova Chewing Gum -E422

7 Demah Fresh -E422

8 Big Babool Chewing Gum

বলা বাহুল্য, উপরের তালিকায় উল্লেখিত প্রায় সবকটিই আমাদের দেশসহ প্রায় সকল মুসলিম দেশে ছেলে বুড়ো’সহ সকলের কাছেই খুবই প্রিয়।

আল কুরআনে অন্তত চারটি জায়গায় মহান আল্লাহ রাব্বুল আলামিন শূকরের মাংস এবং মৃত জন্তু জানোয়ার আর সেইসব জানোয়ার যা আল্লাহ ছাড়া অন্য কারো নাম নিয়ে জবাই করা হয়েছে, মুসলমানদের জন্য হারাম করেছেন। তারই একটি আয়াত দেখুন:

তিনি তোমাদের উপরে হারাম করেছেন, মৃত জীব, রক্ত শূকর মাংশ এবং সেসব জীব জন্তু যা আল্লাহ ব্যতিত অপর কারো নামে উৎসর্গ করা হয়। অবশ্য যে লোক অনন্যোপায় হয়ে পড়ে এবং না-ফরমানী ও সীমালংঘনকারী না হয়, তার জন্য কোন পাপ নেই। নি:সন্দেহে আল্লাহ মহান ক্ষমাশীল, অত্যন্ত দয়ালু (সুরা আল বাক্বারা- ১৭৩)

এটা মোটমুটি অমুসলিম ব্যবসায়ীরা জানে, অন্তত তাদের সরকার ও জনগোষ্ঠির সচেতন অংশটি খুব ভালো করেই জানে, কিন্তু তারপরেও তারা ভিন্ন কৌশলে মুসলমানদেরকে আকর্ষণীয় উপস্থাপনায় সেই হারাম বস্তু খাওয়াতে মনে হয় উঠে পড়ে লেগেছে। এর পেছনে কেবল যে তাদের আর্থিক ও ব্যবসায়িক স্বার্থই আছে তাই নয় বরং এর পেছনে রয়েছে ধর্মীয় বিদ্বেষজনিত এক আগ্রাসী মনোভাব, যার মিল রয়েছে একমাত্র ক্রসেডের সাথেই।

সংগৃহীত পোস্ট
Tahmina Akter

10/10/2025

আজ থেকে বন্ধ হচ্ছে আগারগাঁও এর কেকপট্টি!
জনদূর্ভোগ কমাতে এ উদ্যোগ নেয়া হয়েছে।
প্রসঙ্গত,
কেকের প্রধান উপাদান হলো চিনি।অতিরিক্ত চিনি রক্তে গ্লুকোজের মাত্রা বাড়িয়ে দেয়।
এর ফলে ডায়াবেটিস, স্থূলতা (obesity), হৃদরোগ, ও দাঁতের ক্ষয় হওয়ার ঝুঁকি বাড়ে।
🧈 অধিকাংশ কেকেই বাটার, মার্জারিন বা ক্রিম ব্যবহার হয়।
এগুলোতে স্যাচুরেটেড ও ট্রান্স ফ্যাট থাকে, যা
→ রক্তে খারাপ কোলেস্টেরল (LDL) বাড়ায়
→ হৃদরোগ ও স্ট্রোক এর ঝুঁকি বাড়ায়।

🍞 কেক তৈরি হয় ময়দা (white flour) দিয়ে, যাতে ফাইবার কম থাকে। এটি দ্রুত হজম হয়ে রক্তে চিনি বাড়ায় এবং দীর্ঘমেয়াদে ওজন বৃদ্ধি ও ইনসুলিন রেজিস্ট্যান্স ঘটাতে পারে।

🧁 অনেক কেকে কৃত্রিম রং, ফ্লেভার ও প্রিজারভেটিভ দেওয়া হয়। এগুলোতে অ্যালার্জি, হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট, এমনকি ক্যান্সারের ঝুঁকি পর্যন্ত থাকতে পারে (দীর্ঘমেয়াদে)।
⚖️অল্প এক টুকরা কেকেই থাকে অনেক ক্যালোরি।
নিয়মিত খেলে ওজন বৃদ্ধি, মেটাবলিক সিন্ড্রোম, ও ফ্যাটি লিভার হতে পারে।

🧃 ক্রিম বা পুরনো কেক খেলে হতে পারে গ্যাস, বদহজম, এমনকি খাদ্যে বিষক্রিয়া।
তবে—
হোল-গ্রেইন বা ওটস কেক, চিনি ও ক্রিম কমানো কে খেলে তেমন ক্ষতি নাই।
Collection

আগামীকাল সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত গোবিন্দগঞ্জ রুগী দেখবেন
18/09/2025

আগামীকাল সকাল ১০ টা থেকে রাত ৮ টা পর্যন্ত গোবিন্দগঞ্জ রুগী দেখবেন

15/09/2025

এক কেজি সয়াবিন থেকে সর্বোচ্চ ২০০ মিলি তেল পাওয়া যেতে পারে। কিন্তু সয়াবিন মেশিনে ঢোকানোর আগে বিভিন্ন কেমিক্যাল মিশিয়ে নেওয়া হয়। ফলস্বরূপ এক কেজি সয়াবিন (+কেমিক্যাল) থেকে মোটামুটি এক লিটার তেল পাওয়া যায় (যেটা আসলে ভোজনযোগ্য তেল নয়, কেমিক্যালের মিশ্রণ)। যদি শুধুমাত্র সয়াবিন থেকে তেল বের করে বাজারজাত করা হতো, সেক্ষেত্রে প্রতি লিটারের মূল্য হতো কয়েক হাজার টাকা।

একইভাবে এক লিটার ভেজিটেবল অয়েল তৈরি করতে এক মিনি ট্রাক শাক-সবজি দরকার- যার বাজার মূল্য অর্ধ লক্ষাধিক টাকা।

আখের রস থেকে গুড় বানালে যে দাম হয়, বাজারে তার চাইতে সস্তায় সাদা চকচকে (কেমিক্যাল যুক্ত) চিনি পাওয়া যায়!

কিভাবে সম্ভব?!? আসলে ভোগ্যপণ্য উৎপাদন ও বাজারজাতকরণের ক্ষেত্রে ঘটছে-টা কী?

কনজিউমারিজম আপনাকে সস্তায় সয়াবিন তেল, রিফাইন্ড চিনি, প্রসেসড চাল, রিফাইন্ড আটা ইত্যাদি খাওয়াচ্ছে বটে, কিন্তু হেলথ কেয়ার-এর নামে সুদে-আসলে লাভ তুলে নেওয়া হচ্ছে..!

সয়াবিন তেল, চিনি, পলিশড চাল, ময়দা- এসব খাবার উচ্চমাত্রায় প্রক্রিয়াজাত এবং পুষ্টিহীন। আর এগুলোই বাজারে সবচেয়ে সস্তা ও সহজলভ্য। কারণ এগুলো বিপুল পরিমাণে উৎপাদন, ট্রান্সপোর্টেশন ও স্টোরেজ করা সহজ। অনেক সময় সরকারি ভর্তুকি থাকে। আবার কর্পোরেট লবিং সরকারের খাদ্য-নীতি প্রভাবিত করে (যেমন রিফাইন্ড ভোজ্যতেলের আমদানি বাধ্যতামূলক করা)।

ভোজন-রসিক মানুষ এগুলো বেশি বেশি খেয়ে দীর্ঘমেয়াদে ডায়াবেটিক, উচ্চ রক্তচাপ, স্থূলতা, হরমোনাল সমস্যা, ক্যান্সার ইত্যাদি রোগে আক্রান্ত হয়। আর এখানেই হেলথ কেয়ার ইন্ডাস্ট্রির লাভের খেলা!

আপনি যখন ওইসব সস্তা অখাদ্যের কারণে অসুস্থ হন, তখন আপনাকে যেতে হয় হেলথ কেয়ার সিস্টেমে। সেখান থেকে চিকিৎসা, ওষুধ, ল্যাব টেস্ট, সার্জারি ইত্যাদির মাধ্যমে দীর্ঘমেয়াদি মুনাফা উঠে আসে। কেননা সেখানে রোগ নিরাময় না করে উপশমের ব্যবস্থা করা হয় যেন রোগী আজীবন অসুস্থ থাকে। ইনসুলিন, রক্তচাপ বা কোলেস্টেরল কমানোর ড্রাগসের বেশিরভাগই আজীবন খাওয়ার জন্য নকশাকৃত!

Consumer capitalism মানুষকে প্রথমে সস্তা খাবারে অভ্যস্ত করে, তারপর তাদের অসুস্থতাকে পুঁজি করে মূল লাভটা উসুল করে নেয়। এজন্যই আপনি বাজারে সয়াবিন তেল, চিনি, পলিশড চাল, ময়দা এসব সস্তায় পান। অন্যদিকে Whole food বা অপ্রক্রিয়াজাত প্রাকৃতিক খাবার (যেমন লাল চাল, ঘানির তেল, দেশি ফলমূল, শাকসবজি, লাল আটা, গুড় ইত্যাদি)-এর দাম তুলনামূলক বেশি (এখানে তো profit cycle নেই)!

সস্তা, অস্বাস্থ্যকর, উচ্চ প্রক্রিয়াজাত খাদ্য দীর্ঘমেয়াদে ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, স্থূলতা, গ্যাস্ট্রিকের কারণ হয়ে জনস্বাস্থ্যের অবনতি ঘটায়। মানুষ অসুস্থ হলে ফার্মা কোম্পানিগুলো ওষুধ/চিকিৎসা সরবরাহ করে। ক্রনিক রোগের চিকিৎসা চলে আমৃত্যু। এদেশে শুধু গ্যাস্ট্রিকের ওষুধের বাজারই বছরে ১২,০০০+ কোটি টাকার!

লোকাল জায়ান্ট গ্রুপগুলো সমান্তরালভাবে ফুড, ফার্মা, হাসপাতালে বিনিয়োগ করেছে.. ফুড ডিভিশন অস্বাস্থ্যকর খাদ্যপণ্য বিক্রি করে রোগ সৃষ্টি করে, ফার্মা ডিভিশন তা ম্যানেজ করে মুনাফা কামায়!

যারা প্রক্রিয়াজাত খাদ্যপণ্য consume করছে, এরাই কিছুদিন পর কর্পোরেশনগুলোতে রোগীর জোগান দেবে। সাধারণ মানুষ তো আর ফুড-ফার্মা কমপ্লেক্স-এর ইনভেস্টমেন্ট সাইকেল বোঝে না?

সস্তা খাদ্যপণ্য গরিব, মধ্যবিত্ত, অসচেতন মানুষদেরকে আকৃষ্ট করে। দীর্ঘমেয়াদে তাঁদের চিকিৎসা ব্যয়ে দারিদ্র্য বাড়ে (শুধুমাত্র চিকিৎসা সেবা গ্রহণ করতে গিয়ে বাংলাদেশে প্রত্যেক বছর সাড়ে ৫২ লাখ মানুষ দারিদ্র্যসীমার নিচে নেমে যাচ্ছেন)!

সস্তার খাবার আর হাসপাতালের বিল একই কর্পোরেটের হাতে। এই চক্র ভাঙতে ভোক্তা সচেতনতা আর নীতিগত হস্তক্ষেপ (যৌথ প্রয়াস) প্রয়োজন। আপনি সস্তা খাবারের প্রলোভন এড়িয়ে স্থানীয়, ঐতিহ্যবাহী, অপ্রক্রিয়াজাত, পুষ্টিকর খাদ্য বেছে নিন। এটাই হোক হোক কর্পোরেট লাভ চক্রের ফাঁদ ভাঙার প্রথম পদক্ষেপ..!
©

26/08/2025

পিজি হাসপাতালের আউটডোর অনলাইন টিকেট সেবা বেশ আগেই চালু হয়েছে, সম্প্রতি আলট্রাসনোগ্রাম, সিটি স্ক্যান, এম আরআই এসব রেডিওলোজী সার্ভিসের সিরয়াল অনলাইনে শুরু হয়েছে, ঝামেলা এড়াতে অনলাইনে এসব পরীক্ষার সিরিয়াল নিতে পারেন, নীচে দুটি লিংক দিয়ে রাখলাম।
বিএমইউ হাসপাতালে সকালের আউটডোর টিকেট Online বুকিং লিংক-
appointment.bmu.ac.bd/ticketing
রেডিওলজি সেবা ( X-Ray, MRI, CT Scan, Ultrasound (USG), Contrast X-Ray) এর Online সিরিয়াল লিংকঃ
appointment.bmu.ac.bd/radiology_ticketing

Ticketing, e-Ticketing, BMU, Bangladesh Medical University, Medical, Best Medical in Bangladesh, Low Costing, Surgery Center, Eye Hospital, Opticals, medicine, clinics, doctors

12/08/2025

ইসলামে অসুস্থতা একটি পরীক্ষা হিসেবে বিবেচিত হয়, যা মুমিনের ধৈর্য ও আল্লাহর উপর ভরসাকে শক্তিশালী করে। অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দোয়া করা একটি ফজিলতপূর্ণ আমল, যা রোগীর জন্য শান্তি ও সুস্থতা নিয়ে আসে এবং দোয়াকারীর জন্য আল্লাহর রহমত অর্জনের মাধ্যম।
মহানবী (সা.) অসুস্থ ব্যক্তিদের জন্য বিশেষ দোয়া ও আমল শিখিয়েছেন, যা হাদিসে বর্ণিত আছে।
রোগীকে দেখতে গিয়ে তার জন্য দোয়া করা এবং মনোবল বাড়ানো সুন্নাহ। রোগীকে ধৈর্য ধরতে এবং আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করতে উৎসাহিত করা উচিত।
অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দোয়া
ইসলামে অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দোয়া করার ব্যাপারে নবীজি (সা.) কয়েকটি নির্দিষ্ট দোয়া শিখিয়েছেন। এই দোয়াগুলো রোগী নিজে পড়তে পারেন বা অন্য কেউ রোগীর জন্য পড়তে পারেন। নিচে কয়েকটি প্রধান দোয়া উল্লেখ করা হলো:
১. নবীজি (সা.)-এর শেখানো দোয়া
আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) অসুস্থ ব্যক্তির জন্য এই দোয়া পড়তেন:
অর্থ: হে আল্লাহ! মানুষের প্রভু, রোগ দূর করো, সুস্থতা দাও, তুমিই সুস্থতা দানকারী। তোমার সুস্থতা ছাড়া কোনো সুস্থতা নেই, এমন সুস্থতা দাও যা কোনো রোগ রাখে না। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৭৪৩)
পড়ার নিয়ম:
• রোগীর ডান হাত দিয়ে তার কপাল বা শরীরের ব্যথার স্থানে হাত রেখে এই দোয়া পড়া।
• তিনবার বা সাতবার পড়া উত্তম।
• রোগী নিজে পড়তে পারেন বা অন্য কেউ রোগীর জন্য পড়তে পারেন।
২. সুরা ফাতিহা পড়া
সুরা ফাতিহা রোগ নিরাময়ের জন্য অত্যন্ত ফজিলতপূর্ণ। হাদিসে আছে, সুরা ফাতিহা শিফা বা নিরাময়ের জন্য পড়া যায়। আবু সাঈদ খুদরি (রা.) থেকে বর্ণিত, একজন সাহাবি সুরা ফাতিহা পড়ে একজন রোগীকে সুস্থ করে দিয়েছিলেন, এবং নবীজি (সা.) এটি অনুমোদন করেছেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫৭৩৬)
যখন তুমি কোনো মুসলিম ভাইয়ের জন্য তার অনুপস্থিতিতে দোয়া করো, ফেরেশতারা বলে, ‘আমিন, তোমার জন্যও তা–ই হোক।
সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২,৭৩২
পড়ার নিয়ম:
• সুরা ফাতিহা সাতবার পড়ে রোগীর শরীরে ফুঁ দেওয়া।
• রোগীর কপালে বা ব্যথার স্থানে হাত রেখে পড়া উত্তম।
৩. সুরা ইখলাস, ফালাক ও নাস
এই তিনটি সুরা (সুরা ইখলাস: ১১২, সুরা ফালাক: ১১৩, সুরা নাস: ১১৪) অসুস্থতা থেকে সুস্থতা ও সুরক্ষার জন্য পড়া হয়। আয়েশা (রা.) থেকে বর্ণিত, নবীজি (সা.) অসুস্থ হলে এই তিনটি সুরা পড়তেন এবং শরীরে ফুঁ দিতেন। (সহিহ বুখারি, হাদিস নং: ৫,০১৭)
• তিনটি সুরা তিনবার করে পড়া।
• পড়ার পর হাতে ফুঁ দিয়ে রোগীর শরীরে মুছে দেওয়া।
৪. সাধারণ দোয়া
অসুস্থ ব্যক্তির জন্য নিজের ভাষায়ও দোয়া করা যায়। উদাহরণ: ‘হে আল্লাহ! আমার/তার রোগ দূর করো, সুস্থতা দান করো, তুমি সব ক্ষমতার মালিক।’ নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘দোয়া ইবাদতের মূল।’ (সুনান তিরমিজি, হাদিস: ৩,৩৭১)
নিজের ভাষায় দোয়া করার সময় আন্তরিকতা ও আল্লাহর ওপর ভরসা রাখা জরুরি।
অসুস্থ ব্যক্তির জন্য আমল
নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যে ব্যক্তি কোনো অসুস্থ ব্যক্তিকে দেখতে যায়, তার জন্য ফেরেশতারা দোয়া করেন: তুমি পবিত্র হও, তোমার পথ পবিত্র হোক এবং তুমি জান্নাতে প্রবেশ করো।’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২,৫৬৮)
রোগীকে দেখতে গিয়ে তার জন্য দোয়া করা এবং মনোবল বাড়ানো সুন্নাহ। রোগীকে ধৈর্য ধরতে এবং আল্লাহর প্রতি শুকরিয়া আদায় করতে উৎসাহিত করা উচিত। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যে মুমিন ধৈর্যের সঙ্গে অসুস্থতা সহ্য করে, আল্লাহ তার গুনাহ মাফ করেন।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫,৬৫২)
অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দোয়া আল্লাহর কাছে কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, কারণ রোগী দুর্বল অবস্থায় থাকে এবং তার দোয়া আল্লাহর কাছে বিশেষ মর্যাদা পায়।
অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দোয়া করার ফজিলত অপরিসীম। নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘যখন তুমি কোনো মুসলিম ভাইয়ের জন্য তার অনুপস্থিতিতে দোয়া করো, ফেরেশতারা বলে, ‘আমিন, তোমার জন্যও তা–ই হোক।’’ (সহিহ মুসলিম, হাদিস: ২,৭৩২)
এছাড়া, অসুস্থ ব্যক্তির জন্য দোয়া আল্লাহর কাছে কবুল হওয়ার সম্ভাবনা বেশি, কারণ রোগী দুর্বল অবস্থায় থাকে এবং তার দোয়া আল্লাহর কাছে বিশেষ মর্যাদা পায়।
দোয়ার পাশাপাশি চিকিৎসা গ্রহণ করা, কারণ নবীজি (সা.) বলেছেন, ‘প্রতিটি রোগের জন্য চিকিৎসা রয়েছে।’ (সহিহ বুখারি, হাদিস: ৫,৬৭৮)
দোয়া করার সময় শিরক বা অপ্রমাণিত পদ্ধতি এড়ানো দরকার। শুধু কোরআন ও হাদিসে বর্ণিত দোয়া ব্যবহার করব আমরা।
[Collected]

Address

GOBINDAGANJ
Gobindaganj
5747

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডাঃ মোঃ জয়নাল আবেদীন জুয়েল posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ডাঃ মোঃ জয়নাল আবেদীন জুয়েল:

Shortcuts

Share

Category