09/06/2026
Intellectual disability (বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধকতা) হলো এমন একটি অবস্থা যেখানে একজন ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতা (IQ) স্বাভাবিকের তুলনায় কম থাকে, দৈনন্দিন জীবনের দক্ষতা (adaptive behavior) যেমন- যোগাযোগ, নিজের যত্ন নেওয়া, সামাজিক আচরণ এসবেও সমস্যা থাকে, শেখার ক্ষমতা ধীর থাকে, নতুন বিষয় বুঝতে সময় লাগে, দৈনন্দিন কাজ (যেমন পোশাক পরা, কথা বলা, সিদ্ধান্ত নেওয়া) করতে অসুবিধা হতে পারে। যেমন- পড়াশোনা বুঝতে কষ্ট হয় , সহজ কাজ শিখতে বেশি সময় লাগে, সামাজিকভাবে মানিয়ে নিতে সমস্যা ইত্যাদি। তবে শুধু এই লক্ষণ গুলো থাকলেই আমরা ধরে নিতে পারি না যে কোনো ব্যাক্তির Intellectual Disability আছে।
ডিএসএম-৫ (DSM-5) অনুযায়ী Intellectual Disability (বুদ্ধিবৃত্তিক প্রতিবন্ধকতা) নির্ণয়ের জন্য তিনটি মূল ক্রাইটেরিয়া (A, B, C) অনুসরণ করা হয়। কোনো ব্যাক্তির Intellectual Disability থাকার জন্য এই তিনটি ক্রাইটেরিয়াই (A, B, C) অবশ্যই মিলতে হবে। DSM-5 অনুযায়ী Intellectual Disability নির্ণয় করা হয় এই তিনটি বিষয়ের উপর ভিত্তি করে:
* বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতার ঘাটতি (A)
* অভিযোজনমূলক দক্ষতার ঘাটতি (B: conceptual, social, practical)
* বিকাশকালীন সময়ে শুরু (C)
A. বুদ্ধিবৃত্তিক কার্যকারিতায় ঘাটতি (Deficits in Intellectual Functions):
ব্যক্তির বুদ্ধিবৃত্তিক ক্ষমতায় (intellectual functions) উল্লেখযোগ্য ঘাটতি থাকতে হবে, যেমন-
* যুক্তি (Reasoning)
* সমস্যা সমাধান (Problem solving)
* পরিকল্পনা (Planning)
* বিমূর্ত চিন্তাভাবনা (Abstract thinking)
* শেখার ক্ষমতা (Learning from experience)
* বিচার-বিশ্লেষণ ক্ষমতা (Judgment)
এই ঘাটতিগুলো ক্লিনিক্যাল অ্যাসেসমেন্ট এবং স্ট্যান্ডার্ডাইজড আইকিউ টেস্ট দ্বারা নিশ্চিত হতে হবে।
B. অ্যাডাপটিভ ফাংশনিং-এ ঘাটতি (Deficits in Adaptive Functioning):
ব্যক্তির দৈনন্দিন জীবনে স্বাধীনভাবে কাজ করার ক্ষমতায় ঘাটতি থাকতে হবে, যা তিনটি ডোমেইনে দেখা যায়-
১. Conceptual Domain (ধারণাগত ক্ষেত্র):
* ভাষা ও পড়াশোনার দক্ষতা
* সংখ্যা বোঝা, সময় ধারণা
* সমস্যা বুঝে সিদ্ধান্ত নেওয়া
* একাডেমিক পারফরম্যান্স দুর্বলতা
২. Social Domain (সামাজিক ক্ষেত্র):
* সামাজিক যোগাযোগে সমস্যা
* সম্পর্ক গড়তে ও বজায় রাখতে অসুবিধা
* সামাজিক সংকেত (social cues) বুঝতে সমস্যা
* আবেগ নিয়ন্ত্রণে দুর্বলতা
৩. Practical Domain (ব্যবহারিক ক্ষেত্র):
* ব্যক্তিগত যত্ন (self-care)
* দৈনন্দিন কাজ (খাওয়া, পোশাক, পরিচ্ছন্নতা)
* অর্থ ব্যবস্থাপনা
* নিরাপত্তা বজায় রাখা
* কাজের দক্ষতা (job skills)
এই ঘাটতিগুলোর কারণে ব্যক্তি তার বয়স ও সামাজিক প্রত্যাশা অনুযায়ী স্বাধীনভাবে কাজ করতে পারে না।
C. বিকাশকালীন সময়ে শুরু (Onset during Developmental Period):
* বুদ্ধিবৃত্তিক ও অভিযোজনগত ঘাটতি অবশ্যই শৈশব বা বিকাশকালীন সময়ে (developmental period) শুরু হতে হবে।
* সাধারণত এটি শৈশব থেকেই প্রকাশ পায়, ১৮ বছর বয়সের আগেই।
Severity Level (অ্যাডাপটিভ ফাংশনিং অনুযায়ী তীব্রতা নির্ধারণ):
DSM-5 অনুযায়ী severity (মাইল্ড, মডারেট, সিভিয়ার/প্রফাউন্ড) নির্ধারণ করা হয় মূলত adaptive functioning এর ঘাটতির মাত্রা অনুযায়ী বা অভিযোজন ক্ষমতার ভিত্তিতে অর্থাৎ ব্যক্তি কতটা স্বনির্ভরভাবে দৈনন্দিন জীবন পরিচালনা করতে পারে তার ভিত্তিতে।
১. Mild Intellectual Disability (মাইল্ড স্তর):
Conceptual Domain-
প্রি-স্কুল বয়সে সাধারণত কোনো স্পষ্ট কনসেপ্টুয়াল (ধারণাগত) পার্থক্য বোঝা নাও যেতে পারে। তবে স্কুলে যাওয়ার বয়সী শিশু ও প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে পড়া, লেখা, গণিত, সময় বোঝা, টাকার হিসাব ও ব্যবহার করার মতো একাডেমিক দক্ষতায় সমস্যা দেখা যায় এবং বয়স অনুযায়ী প্রত্যাশা পূরণে অন্যের সহায়তার প্রয়োজন হয়।
প্রাপ্তবয়স্কদের ক্ষেত্রে বিমূর্ত চিন্তা, পরিকল্পনা, সিদ্ধান্ত নেওয়া, প্রায়োরিটি নির্ধারণ, কগনিটিভ ফ্লেক্সিবিলিটি ও শর্ট টার্ম স্মৃতিতে ঘাটতি থাকে। পাশাপাশি একাডেমিক দক্ষতার বাস্তব ব্যবহার (যেমন পড়া ও অর্থ ব্যবস্থাপনা) দুর্বল হয়। সাধারণত তারা সমবয়সীদের তুলনায় সমস্যার সমাধানে বেশর কঠিন ভাবে চিন্তা করে।
Social Domain-
সমবয়সীদের তুলনায় ব্যক্তি সামাজিক আচরণে অপরিপক্ব থাকে। যেমন- সহপাঠীদের সামাজিক সংকেত (social cues) সঠিকভাবে বুঝতে সমস্যা হয় এবং যোগাযোগ, কথোপকথন ও ভাষা ব্যবহার বয়স অনুযায়ী তুলনায় বেশি সরল ও শিশুসুলভ হয়।
এছাড়া আবেগ ও আচরণ নিয়ন্ত্রণে সমস্যা দেখা যায়। সামাজিক পরিস্থিতিতে ঝুঁকি বোঝার ক্ষমতা কম থাকে এবং সামাজিক বিচারবোধ (social judgment) অপরিপক্ব হয়, ফলে অন্যের দ্বারা সহজে প্রভাবিত বা প্রতারিত হওয়ার (gullibility) ঝুঁকি থাকে।
Practical Domain-
personal care বয়স অনুযায়ী তুলনামূলক স্বাভাবিকভাবে করতে পারে। তবে প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় সমবয়সীদের সঙ্গে তুলনা করলে কিছু ক্ষেত্রে সহায়তার প্রয়োজন হয়। যেমন— কেনাকাটা, যাতায়াত, বাসা ও শিশু দেখাশোনায় সিদ্ধান্ত, পুষ্টিকর খাবার প্রস্তুত, এবং ব্যাংকিং বা অর্থ ব্যবস্থাপনায় অন্যের সহায়তা লাগে। বিনোদনমূলক দক্ষতা অনেক সময় সমবয়সীদের মতো হলেও, তা লিড করা ও নিজের নিরাপত্তা বিবেচনায় সিদ্ধান্ত নিতে অন্যের সাহায্যের প্রয়োজন হয়।
এছাড়া স্বাস্থ্য ও আইনগত সিদ্ধান্ত নেওয়া, দক্ষ পেশা শেখা ও তা দক্ষভাবে করা, এবং পরিবার পরিচালনায়ও সাধারণত অন্যের সহায়তা প্রয়োজন হয়। অধিকাংশ ক্ষেত্রে তারা এমন কাজে যুক্ত থাকে যেখানে উচ্চমাত্রার কনসেপ্টুয়াল দক্ষতা কম প্রয়োজন।
২. Moderate Intellectual Disability (মডারেট স্তর):
Conceptual Domain-
পুরো বিকাশকাল জুড়েই ব্যক্তির কনসেপ্টুয়াল (ধারণাগত) দক্ষতা সমবয়সীদের তুলনায় উল্লেখযোগ্যভাবে পিছিয়ে থাকে। প্রি-স্কুল বয়সে ভাষা ও প্রাক-একাডেমিক দক্ষতার বিকাশ ধীরগতিতে হয়।
স্কুল বয়সে পড়া, লেখা, গণিত, সময় ও টাকার হিসাব বোঝার দক্ষতা ধীরে উন্নত হয় এবং সমবয়সীদের তুলনায় অনেক সীমিত থাকে। প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় একাডেমিক দক্ষতা সাধারণত প্রাথমিক স্তরেই সীমাবদ্ধ থাকে এবং দৈনন্দিন জীবন ও কাজের ক্ষেত্রে এসব দক্ষতা ব্যবহারে সহায়তা প্রয়োজন হয়।
দৈনন্দিন জীবনের কনসেপ্টুয়াল কাজ সম্পন্ন করতে নিয়মিত সহায়তা লাগে, এমনকি অনেক ক্ষেত্রে এসব দায়িত্ব অন্যরা সম্পূর্ণভাবে নিয়ে করে দিতে হয় ।
Social Domain-
পুরো বিকাশকাল জুড়েই ব্যক্তি সামাজিক ও যোগাযোগমূলক আচরণে সমবয়সীদের তুলনায় স্পষ্ট পার্থক্য দেখায়। কথা বলা প্রধান যোগাযোগ মাধ্যম হলেও তা সমবয়সীদের তুলনায় বেশি সরল ও কম জটিল হয়। তবে পরিবার ও বন্ধুদের সঙ্গে সম্পর্ক গড়ে তুলতে সক্ষম হয় এবং জীবনের বিভিন্ন পর্যায়ে বন্ধুত্ব, এমনকি প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় রোমান্টিক সম্পর্কও থাকতে পারে। কিন্তু সামাজিক সংকেত সঠিকভাবে বোঝা ও ব্যাখ্যা করার ক্ষমতা সীমিত থাকে।
ফলে সামাজিক বিচারবোধ ও সিদ্ধান্ত গ্রহণে ঘাটতি দেখা যায় এবং জীবনের গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্তে সহায়তার প্রয়োজন হয়। সমবয়সীদের সঙ্গে বন্ধুত্বও অনেক সময় যোগাযোগ ও সামাজিক সীমাবদ্ধতার কারণে প্রভাবিত হয়। কাজের পরিবেশেও সফলতার জন্য উল্লেখযোগ্য সামাজিক ও যোগাযোগমূলক সহায়তা দরকার হয়।
Practical Domain-
প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় ব্যক্তি খাওয়া, পোশাক পরা, টয়লেট ব্যবহার ও ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতার মতো কাজ নিজে করতে পারে, তবে এসব দক্ষতা অর্জনে দীর্ঘ সময় ধরে শেখানো লাগে এবং মাঝে মাঝে মনে করিয়ে দেওয়ার প্রয়োজন হয়।
একইভাবে ঘরের কাজও শিখে করতে পারে, কিন্তু এতে দীর্ঘমেয়াদি প্রশিক্ষণ ও নিয়মিত সহায়তা দরকার হয়। সীমিত কনসেপ্টুয়াল ও যোগাযোগ দক্ষতা প্রয়োজন এমন কাজে চাকরি করা সম্ভব হলেও, সহকর্মী ও সুপারভাইজারের সহায়তা লাগে - কাজের জটিলতা, সামাজিক প্রত্যাশা, যাতায়াত, সময়সূচি, স্বাস্থ্য সুবিধা ও অর্থ ব্যবস্থাপনা সামলাতে।
বিনোদনমূলক দক্ষতাও অর্জন করা যায়, তবে তা শিখতে অতিরিক্ত সময় ও সহায়তা প্রয়োজন হয়। কিছু ক্ষেত্রে অপ্রত্যাশিত বা সমস্যাজনক আচরণ দেখা যেতে পারে, যা সামাজিক সমস্যার সৃষ্টি করতে পারে।
৩. Severe Intellectual Disability (সিভিয়ার):
Conceptual Domain-
ব্যক্তির কনসেপ্টুয়াল (ধারণাগত) দক্ষতা খুব সীমিত থাকে। সাধারণত লিখিত ভাষা, সংখ্যা, পরিমাণ, সময় ও টাকা সম্পর্কিত ধারণা বোঝার ক্ষমতা কম থাকে। ফলে সবসময়ই সমস্যা সমাধানে তাদের জন্য অন্যদের ব্যাপক সহায়তা প্রয়োজন হয়।
Social Domain-
কথ্য ভাষার শব্দভান্ডার ও ব্যাকরণগত দক্ষতা খুব সীমিত থাকে। অনেক সময় একক শব্দ বা ছোট বাক্য ব্যবহার করা হয় এবং প্রয়োজন হলে বিকল্প যোগাযোগ মাধ্যম (augmentative means) ব্যবহার করা হতে পারে।
যোগাযোগ সাধারণত বর্তমান পরিস্থিতি ও দৈনন্দিন ঘটনার মধ্যেই সীমাবদ্ধ থাকে। ভাষা মূলত সামাজিক যোগাযোগের জন্য ব্যবহৃত হয়, ব্যাখ্যামূলক চিন্তার জন্য নয়। সহজ কথা ও অঙ্গভঙ্গি তারা বুঝতে পারে।
পরিবার ও পরিচিত ব্যক্তিদের সঙ্গে সম্পর্ক তাদের জন্য আনন্দদায়ক ও সহায়ক ভূমিকা পালন করে।
Practical Domain-
ব্যক্তি দৈনন্দিন জীবনের সব কাজেই সহায়তার উপর নির্ভরশীল থাকে, যেমন—খাওয়া, পোশাক পরা, গোসল ও টয়লেট ব্যবহার। সব সময় তত্ত্বাবধান (supervision) প্রয়োজন হয়।
নিজের বা অন্যের সম্পর্কে দায়িত্বশীল সিদ্ধান্ত নেওয়ার ক্ষমতা থাকে না। প্রাপ্তবয়স্ক অবস্থায় বাসা, কাজ ও বিনোদনমূলক কার্যক্রমেও নিয়মিত সহায়তা লাগে। সব ধরনের দক্ষতা অর্জনে দীর্ঘমেয়াদি শেখানো ও ধারাবাহিক সহায়তা দরকার হয়। কিছু ক্ষেত্রে আত্মক্ষতিসহ (self-injury) অপ্রাসঙ্গিক আচরণও দেখা যেতে পারে।
৪.Profound Intellectual Disability :
Coceptual Domain-
কনসেপ্টুয়াল দক্ষতা সাধারণত প্রতীকী চিন্তার চেয়ে বাস্তব বা ভৌত (physical) জগতের সাথে বেশি সম্পর্কিত থাকে। ব্যক্তি লক্ষ্যভিত্তিকভাবে বস্তু ব্যবহার করতে পারে, যেমন নিজের যত্ন, কাজ বা বিনোদনের জন্য।
কিছু ভিজুয়ো-স্পেশাল দক্ষতা, যেমন আকৃতি বা বৈশিষ্ট্য অনুযায়ী মিলানো ও শ্রেণিবিন্যাস করা, তুলনামূলকভাবে সঠিক হতে পারে। তবে একই সাথে মোটর বা সংবেদনগত (sensory) সমস্যার কারণে অনেক সময় কোনো বস্তু কার্যকরভাবে ব্যবহার করতে সমস্যা হয়।
Social Domain-
ব্যক্তির প্রতীকী যোগাযোগ (symbolic communication), যেমন ভাষা বা অঙ্গভঙ্গির অর্থ বোঝার ক্ষমতা খুব সীমিত থাকে। তবে সহজ নির্দেশনা বা কিছু অঙ্গভঙ্গি বুঝতে পারে।
নিজের চাহিদা ও আবেগ মূলত nonverbal ও সরল আচরণের মাধ্যমে প্রকাশ করে। পরিচিত পরিবার, পরিচর্যাকারী ও ঘনিষ্ঠদের সঙ্গে সম্পর্ক পছন্দ করে এবং ইশারা ও আবেগের মাধ্যমে সামাজিক যোগাযোগ করতে পারে।
তবে শারীরিক বা সংবেদনগত (sensory) সমস্যার কারণে অনেক সামাজিক কার্যক্রমে অংশগ্রহণ সীমিত হতে পারে।
Practical Domain-
ব্যক্তি দৈনন্দিন শারীরিক যত্ন, স্বাস্থ্য ও নিরাপত্তার ক্ষেত্রে সম্পূর্ণভাবে অন্যের উপর নির্ভরশীল থাকে, যদিও কিছু কাজ আংশিকভাবে নিজে করতে পারে।
গুরুতর শারীরিক প্রতিবন্ধকতা না থাকলে কিছু সহজ ঘরের কাজে অংশ নিতে পারে, যেমন থালা-বাসন বহন করা।
বিনোদনমূলক কাজে যেমন গান শোনা, সিনেমা দেখা, হাঁটতে যাওয়া বা পানিতে কিছু কার্যক্রমে অংশ নেওয়া, সবকিছুই অন্যের সহায়তায় করতে হয়। তবে শারীরিক ও সংবেদনগত সমস্যার কারণে ঘরের বাইরে সক্রিয় অংশগ্রহণ অনেক সময় সীমিত থাকে। কিছু ক্ষেত্রে অপ্রত্যাশিত আচরণ (maladaptive behavior) দেখা যেতে পারে।
~ MD Imon Hossain,
President, Dhaka College Psychology Society.