02/05/2026
বারবার বা দীর্ঘস্থায়ী সংক্রমণ, যেমন শ্বাসযন্ত্রের ব্যাকটেরিয়া বা ভাইরাল সংক্রমণের (সাধারণ সর্দি, সাইনাস সংক্রমণ বা কানের সংক্রমণ) কারণে অথবা অ্যালার্জির কারণে শিশুর অ্যাডিনয়েড স্বাভাবিকের চেয়ে বড় হয়ে যেতে পারে। তখন বিভিন্ন ধরনের লক্ষণ দেখা দিতে পারে। অ্যাডিনয়েড বড় হয়ে যখন বিভিন্ন সমস্যা তৈরি করে, তখন সেটি শিশুর জন্য ঝুঁকির কারণ হয়ে দাঁড়ায়।
অ্যাডিনয়েড স্বাভাবিকের চেয়ে বড় হলে -
শিশুর চেহারায় একধরনের পরিবর্তন আসে, যা চিকিৎসাবিজ্ঞানের ভাষায় ‘অ্যাডিনয়েড ফেসিস’ নামে পরিচিত। এসব শিশু সাধারণত মুখ হাঁ করে শ্বাস নেয়, নাক দিয়ে শ্বাস নিতে কষ্ট হয়।
দীর্ঘদিন মুখ হাঁ করে শ্বাস নেওয়ার ফলে শিশুর সামনের পাটির দাঁত স্বাভাবিকের চেয়ে উঁচু এবং মাড়ি নরম হয়ে যায়।
মুখ দিয়ে লালা পড়তে পারে।
দীর্ঘদিন শ্বাস নিতে কষ্ট হওয়ার কারণে নাকের ছিদ্রগুলো ছোট হয়ে যায়।
শিশুর বিষণ্নতা থাকতে পারে।
এ ছাড়া ঘন ঘন ইনফেকশনের কারণে শিশুর কানে ব্যথা হয়, কানে কম শোনে, কান পাকে এবং কান দিয়ে পানি পড়ে।
অ্যাডিনয়েড বেশি বড় হলে শিশুর শরীরে অক্সিজেনস্বল্পতার কারণে সব সময় ঘুম ঘুম ভাব থাকে।
অমনোযোগী ও বুদ্ধিমত্তা কমে যাওয়ার সমস্যা দেখা দিতে পারে।
মুখ দিয়ে শ্বাস নিতে হয় বলে খাবার খেতে অসুবিধা হয়।
শিশুর ওজন স্বাভাবিকের চেয়ে কমে যেতে পারে।
অনেক শিশুর বড় হয়ে যাওয়ার পরও রাতে বিছানায় প্রস্রাব করার প্রবণতা থাকতে পারে।
শিশুর ঘুমেও সমস্যা দেখা দেয়। কিছুক্ষণ পরপর ঘুম থেকে উঠে যায়। ঘুমের মধ্যে ১০ থেকে ২০ সেকেন্ড বা কিছু সময়ের জন্য শ্বাস একদম বন্ধ হয়ে যাবে, এটাকে ‘অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া’ বলা হয়।
হোমিওপ্যাথিতে অ্যাডিনয়েডের চিকিৎসা আছে। ধন্যবাদ