PediMedicine.com

PediMedicine.com Pedimedicine.com deals with everything about kids health. Medical related health tips, disease discussion, case photos etc. Stay with us.

Hello, I am Dr. Alamgir Hossain Shemul from a remote area named by Jashore, Bangladesh. I am a doctor and future pediatrician. My website pedimedicine.com and private chamber deals with all kinds of child related diseases and consultation.

01/06/2021
 #দয়া_করে_পড়বেন...আমি ডাক্তার। আমি একজন চিকিৎসা ব্যবসায়ী। কোন সেবক না।নিজের সময়, অর্থ, শ্রম, মেধা ব্যয় করে ডাক্তার হয়েছি...
18/06/2020

#দয়া_করে_পড়বেন...

আমি ডাক্তার। আমি একজন চিকিৎসা ব্যবসায়ী। কোন সেবক না।

নিজের সময়, অর্থ, শ্রম, মেধা ব্যয় করে ডাক্তার হয়েছি। এগুলো হল আমার ব্যবসার বিনিয়োগ। এই বিনিয়োগ আমি করেছি। আমার পরিবার করেছে। কারোর পকেটের টাকায় আমার স্কুল, কলেজ, মেডিকেলের বেতন হয় নি। কেউ এসে আমার হয়ে পরীক্ষার খাতায় লিখে দিয়ে যায় নি। ডাক্তার হতে কষ্ট করতে হয়েছে। এটা ফ্রিতে হওয়া যায় না।

তাই এখন আমি রোগীকে চিকিৎসা দিয়ে টাকা নিব। এটাই তো স্বাভাবিক। ফ্রি চিকিৎসা আর ভিক্ষা একই জিনিস। আমি যদি কাউকে ভিক্ষা না দিই, এতে যেমন কারোর কিছু বলার নাই, তেমনি ফ্রি চিকিৎসা না দিলেও কেউ কিছু বলার অধিকার রাখে না।

৫টি মৌলিক অধিকার হলঃ অন্ন, বস্ত্র, বাসস্থান, শিক্ষা ও চিকিৎসা।

১। দোকানে গিয়ে বলুন, ১ কেজি ফ্রি চাল দিতে। বলতে পারবেন? মনে হবে না, ভিক্ষা চাইছেন? আর চাইলেই কি তা পাবেন? কয়জন দোকানি আপনাকে ফ্রি দিবে? হয়ত কিছু কম দামে দিবে। কিন্তু কখনোই তার কেনা দামের চেয়ে কম টাকায় দিবে না।

২। একটা কাপড়ের দোকানে গিয়ে বলেন, একটা কাপড় ফ্রি দিতে। কি, নিজেকে ভিক্ষুক মনে হচ্ছে? কাপড়ের দোকানী আপনাকে তাড়িয়ে দিলে কি আপনি কিছু বলতে পারবেন?

৩। একটা বাড়িওয়ালাকে গিয়ে ১ টা ঘর চান। ১ মাস ফ্রি থাকার বায়না করুন। অথবা কোন আবাসিক হোটেলে গিয়ে ১ রাত ফ্রি থাকার কথা বলুন। সিকিউরিটি গার্ড আপনাকে গলা ধাক্কা দিয়ে বের করে দিবে।

৪। কোন শিক্ষকের কাছে গিয়ে ফ্রিতে ১ মাস পড়তে চান। কতজন আপনাকে পড়াবে, তা নিশ্চয়ই খুব ভালোই বুঝতে পেরেছেন। খুব গরীব না হলে কেউ আপনাকে ফ্রিতে পড়াবে না।

৫। রইল বাকি চিকিৎসা। নিজেদের টাকা দেবার সামর্থ্য থাকা সত্ত্বেও ফ্রি চিকিৎসার নামে আপনারা যেভাবে ভিক্ষা নিচ্ছেন, অথচ নিজেদের ভিক্ষুক বলে মনে করছেন না - এতে আপনাদের কি কোন বিকার নাই? আশে পাশে কেউ ডাক্তার পরিচয় পেলেই ১ ডজন সমস্যার ঝাঁপি খুলে বসেন। চিকিৎসা চান বিনামূল্যে। এই চিকিৎসা কি আমি স্বপ্নে পেয়েছি? কোন কষ্ট করতে হয় নাই এগুলো শিখতে?

অধিকাংশ চিকিৎসকই এই কথাগুলো বোঝেন না। একেকজন দয়ার সাগর মহাসাগর। কেউ এসে কাঁদো কাঁদো হয়ে সমস্যা বললেই বিনামূল্যে চিকিৎসা দিয়ে দেন। বুঝতে হবে, এখন নকল ভিক্ষুক যেমন বের হয়েছে রাস্তায়, তেমনি নকল গরীব রোগীও বের হয়েছে। তাই ভিক্ষা দেবার আগে যেমন যাচাই করে দিতে হয়, ফ্রি চিকিৎসাও সবাইকে দেয়া ঠিক না।

এমন অনেক ওয়েবসাইট আছে, যেখানে মানুষ ফ্রি চিকিৎসার আবেদন করছে শয়ে শয়ে। এরা আসলে গরীব না। গরীব হলে ইন্টারনেট কিনে ওয়েবসাইটে লিখতে পারত না। আসল গরীবরা কখনো ফ্রি চিকিৎসা চায় না। তারা ১০ টাকা দিয়ে হলেও সরকারী হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেয়।

ফ্রি চিকিৎসা যারা চায়, আমার দৃষ্টিতে তারা শুধুই ভিক্ষুক। এরা ১০ টাকা দিয়ে হাসপাতালে গিয়ে চিকিৎসা নেয়াকে প্রেস্টিজের জন্য হানিকর ভাবে। রাস্তাঘাটে ডাক্তার দেখলেই হাত পেতে দৌড়ে আসে।

এদের চিকিৎসা না দিয়ে হাসপাতালের ঠিকানা ধরিয়ে দিন। চিকিৎসা পেশাটার ওজন বজায় রাখুন। খ্যাতি আর যশের উদ্দেশ্যে ফ্রি ক্যাম্প, ফ্রি চিকিৎসা বন্ধ না করলে মানুষ ভাববে, আমাদের ডাক্তার হতে কোন টাকা পয়সা লাগে নাই। আমরা বসে আছি মানুষকে ভিক্ষা দেবার জন্য।

করোনায় এখন পর্যন্ত প্রায় অর্ধশত ডাক্তার মারা গেলেন, অথচ আজ দেশের এক কথিত প্রথম সারির সংবাদপত্র বিভিন্ন পেশার ১২০ জনের মধ্যে একজন চিকিৎসকের নাম পর্যন্ত রাখল না। বরং খুলনায় পিটিয়ে মাথায় রক্তক্ষরণ ঘটিয়ে এক চিকিৎসককে মেরে ফেলল। এতে আবার ফেসবুকে আনন্দের বন্যা বয়ে গেল। এত কিছুর পরেও যে ডাক্তাররা চিকিৎসা দিচ্ছে, তা দেশের রোগীদের সাত জনমের পুণ্যের ফল, আর দেশের ডাক্তারদের সাত জনমের পাপের ফল।

খুব করে চাই, পরের জন্মে ট্রাক ড্রাইভার হতে। একজন ট্রাক ড্রাইভার মানুষ মারলেও ফাঁসির রায় পাবার পরে সারা বাংলাদেশের পরিবহণ ব্যবস্থা অচল করে দিতে পারে। আর আমাদের একের পর এক ডাক্তার খুন হলেও আমরা মুখ বুজে সেই হামলাকারীদের চিকিৎসা দিই। ট্রাক ড্রাইভারদের মধ্যে যে ইউনিটি আছে, চিকিৎসকদের মধ্যে তা নাই। ইউনিটি ছাড়া কোন পেশা টিকে থাকতে পারে না।

সেবা শব্দটা চিকিৎসা পেশার সাথে আর ব্যবহার করবেন না। সেবা পেতে হলে যোগ্যতা লাগে। সেই যোগ্যতা বাঙালীর কখনোই ছিল না, আর হবেও না।

হে চিকিৎসকগণ, সেবা করার এত ইচ্ছা থাকলে বাসায় বসে নিজের বাবা-মার পা টিপুন। কারণ, তাদের কারণেই আজ আপনি ডাক্তার। বাবা-মাকে বাসায় রেখে এসে ফ্রিতে আরেকজনের চিকিৎসা করার আগে ১০ বার ভাবুন, আপনার ভবিষ্যৎ হত্যাকারীর ফ্রি চিকিৎসা করলেন না তো?
©COPIED

11/05/2020

#বাংলাদেশের_আইসিইউ_ও_তার_ইতিকথা

১৯৮৪ সালের আগে বাংলাদেশে কোন আইসিইউ ছিলনা। ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (ঢামেকহা) একটা আইসিইউ স্থাপনের জন্য ১৯৮৩ সালে তৎকালীন সরকারের কাছ থেকে অধ্যাপক শাহজাহান নুরুস সামাদ ব্যাক্তিগত উদ্দোগে একটা সম্মতিপত্র অর্জন ও কিছু অর্থ বরাদ্দ করান। কিন্তু ঐ টাকা অত্যন্ত অপ্রতূল ছিল। আমি ১৯৮৩র জুলাইতে এনাস্থেসীয়া বিষয়ে বাংলাদেশে প্রথম এফসিপিএস অর্জন করি। ঐ বছরই সেপ্টম্বরে আমাকে ঢামেক হাসপাতালে পদায়ন করে সেখানে একটি আইসিইউ স্থাপনের দ্বায়িত্ব প্রদান করা হয়। সরকার প্রদত্ত টাকায় অত্যন্ত সাধারন ৮টা বেড আর ৪টা ভেন্টিলেটার আমদানী করা গিয়েছিল। কিন্তু ভেন্টিলেটার চালানোর জন্য মেডিকেল গ্যাস পাইপলাইনের কোন ব্যাবস্থা করা যাচ্ছিলনা অর্থাভাবে। তার কিছুদিন আগে স্বাস্থ্য খাতে খরচের জন্য যুক্তরাজ্য সরকার ৮০ হাজার পাউন্ড বরাদ্দ দিয়েছিল। দুক্ষজনক হলেও সত্যি ঐ টাকা খরচ না করার কারনে ফেরত চলে যায়। এই খবরটি দেন যুক্তরাজ্য সরকারের বাংলাদেশের প্রতিনীধি ক্রাউন এজেন্সীসের মিসেস সেন (ডা: শামন্ত সাল সেনের স্ত্রী)। এবং অধ্যাপক শাহজাহান নুরুস সামাদ ও মিসেস সেনের অক্লান্ত পরিশ্রমের ফলে ঐ ফেরত যাওয়া ৮০ হাজার পাউন্ড ফেরত আনা হয়। সেই টাকা খরচ করে ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে আমরা বাংলাদেশের প্রথম মেডিকেল গ্যাস পাইপলাইন স্থাপন করতে সক্ষম হই।

আইসিইউ স্থাপনের কাজ যখন চলছিল তখন আমাকে বৃটিশ কাউন্সিলের অর্থ সহায়তায় পাঠানো হয় যুক্তরাজ্যের এডিনবারার রয়াল ইনফারমারীতে আইসিইউর উপর প্রশিক্ষনের জন্য। ১৯৮৪ সালে দেশে ফিরে ডিসেম্বর মাসে বাংলাদেশের প্রথম মেডিকেল গ্যাস পাইপলাইনের উদ্বোধন করাই।
এর কিছুদিন পরই (জানুয়ারী ১৯৮৫) আমরা আইসিইউতে রুগী ভর্তি করা শুরু করি। লক্ষনীয় যে আইসিইউটির কোন অফিসিয়াল উদ্বোধন হয়নি। কারন এই ইউনিটটিতে সরকারের স্বিকৃতি ছিলনা। অর্থাৎ এটির জন্য কোন বাজেট বরাদ্দ ছিলনা।
অজ্ঞাত কারনে সরকারের কাছে বার বার তাগাদা দেওয়া সত্বেও স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয় আইসিইউ কে তার ডেভলাপমেন্ট বাজেটে অন্তর্ভুক্ত করেনি। যার ফলে এর পরিচালন ব্যায় আমরা সরকারের কাছ থেকে কোন দিনই পাইনি। খোদ স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের যুগ্ম সচিব এবং উপসচিব কয়েকজন বিভিন্ন সময়ে এই আইসিইউতে ভর্তি হয়ে চিকিৎসা নিয়েছেন। যখন তারা ভর্তি ছিলেন তাদেরকে এই ইউনিটটিকে সরকারের স্বিকৃতী প্রদানের জন্য অনুরোধ করা হলে সবাই কথা দিয়ে গেছেন, করে দেবেন বলে। কিন্তু কেউ তাদের কথা রাখেন নি।
সরকারের স্বিকৃতি না পাওয়ার ফলে দেশের প্রথম এই ইন্টেন্সিভ কেয়ার ইউনিটটির জন্য কোন অর্থ বরাদ্দ আসতোনা। হাসপাতালের পরিচালকদের দয়ায় কন্টিন্জেন্সি ফান্ড থেকে বরাদ্দ নিয়ে এই ইউনিট চলে আসছে এতকাল।

এই ইউনিটের স্বিকৃতী না পাওয়ায় এই আইসিইউতে কোন নার্স বরাদ্দ পাওয়া যায়নি। কোন ডাক্তারও পাওয়া যায়নি। বিভিন্ন সময়ে ডিএ এবং এফসিপিএস এর কোর্সের ছাত্রদের দিয়ে এই ইউনিট চালানো হোত। কত শত বার স্বাস্থ্য মন্ত্রনালয়ের সচিব, যুগ্ম সচিব আর উপসচিবদের অফিসে ধরনা দিয়েছি। কিন্তু কোন লাভ হয়নি। আইসিইউ স্বিকৃতি পায়নি। যদি এই আইসিইউটি সময়মত তার স্বিকৃতি পেয়ে যেত তাহলে দেশে আজকে আসিইউ চালানোর জন্য প্রয়োজনীয় প্রচুর জনবল পাওয়া যেত। শুধু তাই না, এর দেখাদেখি প্রাইভেট সেক্টারেও আনেক ভালো আইসিইউ প্রতিষ্ঠা পেয়ে যেতো।

বলতে কষ্ট হলেও বাস্তব চিত্রটা তুলে ধরলাম এই জন্য যে আজকে কোরোনা নিয়ে অনেক কথা শুনছি। আইসিইউর অপ্রতুলতার কথা শুনছি। ভেন্টিলেটার নিয়ে কত কথা হচ্ছে, শত শত কোটি টাকা বরাদ্দ হচ্ছে ভেন্টিলেটার কেনার জন্য, আরো কত কি! কিন্তু আজকে সেই আইসিইউ এর অভাব পরিলক্ষিত হচ্ছে। এর জন্য প্রয়োজনী ইন্টেনসিভিস্টের অভাব দেখা যাচ্ছে। আজকেই দেখলাম একজন উপ সচিব আইসিইউতে বেড না পেয়ে হাসপাতাল থেকে হাসপাতালে ঘুরেছেন। অবশেষে মারা গেছেন।
বাংলাদেশের বুরোক্রাটদের মানসিকতার কারনে দেশের স্বাস্থ্য ব্যাবস্থার আজকে এই বেহাল অবস্থা। তারা আছেন ডাক্তারদের প্রাইভেট প্রাক্টিস নিয়ে। সময়মত শুধু এই একটি আইসিইউটিকে যথাযথ মূল্যায়ন না করায় দেশে আজ আইসিইউর এই দুরবস্থা। এর জন্য কেউকে জবাবদিহী করা যাবেনা কোনদিনই। কিন্তু ওপরওয়ালার কাছে এর জবাব একদিন দিতেই হবে।

(বাংলাদেশের প্রথম FCPS Anaesthesiologist এবং আইসিইউ’র প্রতিস্টাতা অধ্যাপক সেলিম মোঃ জাহাংগীর এর টাইম লাইন থেকে)

20/04/2020

৩৯ বিসিএস এ নিয়োগপ্রাপ্ত দুই মাস যাবৎ সরকার থেকে বেতন না পাওয়া ডাঃ জাকিরের লেখাটা পড়লে বুঝবেন স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয় কিভাবে চলে।

"জীবনটা হয়ে গেছে ফুটবলের মত। কর্তৃপক্ষ যখন, যেভাবে, যেদিকে খুশি কিক মারছে।

৩৯ তম বিসিএসের মাধ্যমে আমার পোস্টিং হয় তুজারপুর ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র, ভাংগা, ফরিদপুরে।

দেশের করোনা পরিস্থিতিতে ২২/০৩/২০ তারিখ হতে অনির্দিষ্টকালের জন্য আমাকে ফরিদপুর মেডিকেল কলেজ আইসিইউ ( ডেডিকেটেড ফর করোনা) তে কাজ করতে আদেশ দেন।

যদিও আমার আইসিইউ বা এনেস্থিসিয়া তে কোনরকম কোন প্রশিক্ষণ নেই, তবুও আমি এই দায়িত্ব মেনে নেই।

এরইমধ্যে হঠাৎ করেই ১৬/০৪/২০ তারিখে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর থেকে আমার বদলির চিঠি আসে। আমাকে বলা হয় ডিভিশনাল ডিরেক্টরের কার্যালয়ে যোগ দিতে।

পরের দিনই আবার চিঠি সংশোধন করে বলা হয়, আমাকে নরসিংদী ১০০ বেডের জেলা হাসপাতালে সংযুক্তি দেওয়া হয়েছে।

আজকে হঠাৎ আরেকটি চিঠি ইস্যু করা হয়, এই চিঠিতে আগের চিঠির সবকথা বহাল রেখে নতুন করে সংযুক্ত করা হয়-

'এই প্রজ্ঞাপন জারীর সময় থেকে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সাথেসাথেই অবমুক্ত হয়েছেন বলে গণ্য করা হবে।'

'সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা আগামী ২০/০৪/২০ তারিখ (অর্থাৎ আগামীকাল) ১০ টার মধ্যে অবশ্যই পদায়িত কর্মস্থলে যোগদান করবেন।'

(আবারো বলছি গত চিঠিতে এই দুটো লাইন ছিল না)

এখন আমার প্রশ্ন হচ্ছে-

আমাকে নিয়ে একেকবার একেক জায়গায় পদায়ন কেন? এটা কি ধরনের সমন্বয়হীনতা?

সারাদেশের এই লকডাউনের ভিতর মাত্র একদিনের নোটিশেই ভাংগা থেকে নরসিংদী যেতে বলা কতটুকু মানবিক?

যেখানে সব গণপরিবহন বন্ধ, আমি এতদূর কিভাবে যাবো?

যারা আদেশ জারী করেছে, তারা কি আমার যাতায়াতের কোন ব্যবস্থা করেছেন?

উপরন্তু আমি গত ২ মাস যাবত বেতন পাই না, বরাদ্দ নাই। আমারও তো পরিবার আছে।

সবাই একজন মানবিক ডাক্তার চান, কিন্তু ডাক্তারের প্রতি কে কতটুকু মানবিক? স্বাস্থ্য প্রশাসন, রাষ্ট্র, সমাজ? "

16/04/2020

যে পিপিই পরে চিকিৎসক রা চিকিৎসা দিচ্ছে তাতে Self Protection হচ্ছে না।হচ্ছে Self Satisfaction।কিছু একটা গায়ে আছে। উহানে যেখানে প্রতি শিফট শেষ হবার পর সব উন্নত মানের পিপিই নষ্ট করার পরেও তাদের ৩৫০০ এর মত স্বাস্থ্য কর্মী আক্রান্ত হয়েছে,মারা গিয়েছে অনেক জন আর আমরা একটা রেইন কোট, কাপড়ের মাস্ক,সার্জক্যাল মাস্ক হুইল পাউডার দিয়ে ধুয়ে ধুয়ে কাজ করছি প্রথম থেকেই।সার্জিক্যাল মাস্ক ও ঠিক মত সাপ্লাই নাই।কিনতে যাও সেখানেও সিন্ডিকেট। এমন না যে আমরা এক দুই মাস পার করেছি, আমাদের পিপিই শেষ হয়ে গিয়েছে।প্রথম থেকেই এই অবস্থা।কি সুন্দর প্রস্তুতি আমাদের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের। জনগণকে সলিম বুঝ দিয়ে ডাক্তার, নার্স দের উপর সব দোষ চাপিয়ে,প্রণোদনা প্যাকেজের বুলি দিয়ে কি সুন্দরভাবে নিজেদের ব্যার্থতাকে ঢাকছে শুধু দেখছি,আর দীর্ঘ শ্বাস ফেলছি।

15/04/2020

Address

Jhikargacha
7420

Opening Hours

Monday 16:00 - 20:00
Tuesday 16:00 - 20:00
Wednesday 16:00 - 20:00
Sunday 16:00 - 20:00

Telephone

+8801515693064

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when PediMedicine.com posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Share

Category