Dr. R H Faruk

Dr. R  H  Faruk এমবিবিএস(ঢাকা),বিসিএস(স্বাস্থ্য)

30/07/2026

দুই সপ্তাহ আগে চেম্বারে এসেছিলো, হাঁটাহাঁটি করলে নাকি বুকে চিনচিন ব্যথা হয়, হাঁসফাঁস লাগে। আমার ব্যাচমেট, ভালো ব্যবসা করে, বুঝিয়ে বললামঃ বন্ধু আমার তো এই বিষয়ে জ্ঞান সীমিত, একজন কার্ডিওলজিস্ট দেখাও।হেসে বললো, এজন্যই তো আসছি, তুমি বলে দাও কার কাছে দেখাবো, জানি তোমার বিষয় না।

কার্ডিওলজির পরিচিত স্পেশালিস্টের কাছে পাঠালাম। উনি দেখলেন, রুটিন চেকাপ সহ প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করলেন, এই সময়ে ডায়াবেটিস, ব্লাড প্রেশার ধরা পড়লো, ইসিজি চেঞ্জ পাওয়ায় ইটিটি (এক্সার্সাইজ টলারেন্স টেস্ট) করতে বললেন, তখন রোগী ট্রেডমিলে দৌঁড়াতে পারছিলো, কিন্তু কষ্ট হয়। এমন অবস্থায় সবাই যা করতে বলতো, কার্ডিওলজিস্ট বললেন, এঞ্জিওগ্রাম করা লাগবে।

এই এঞ্জিওগ্রাম করাতে রোগী রাজি না, আমার সাথে আবার চেম্বারে দেখা করলো, বললো এঞ্জিওগ্রাম করাবো না, ইন্ডিয়ার ভিসা পাইছি, দেবী শেঠী কে দেখাবো। বললাম, দেখাও, এঞ্জিওগ্রাম করায়ে রিপোর্ট নিয়ে যাও. কিন্তু আমার মনে হয় দেরী করা ঠিক হবে না। তার স্ত্রীও সাথে ছিলো, বলে উঠলো, ভাই আমাদের ভিসা আছে, আমরা দেশে চিকিৎসা করাতে চাচ্ছি না, ইন্ডিয়া নিয়ে যাই, ওখানে যা করার করুক।

এরপর আর আমার কোন কথা থাকেনা, বললাম তাহলে আর আসলে কেন কষ্ট করে, চলে যাও, প্রেসক্রিপশনে দেখলাম ডাক্তার প্রয়োজনীয় ঔষধ লিখে দিয়েছেন।জিজ্ঞেস করলো এই ওষুধ কি খাবো নাকি খাবো না? আমি বললামঃ খাওয়া উচিত।

এস্পিরিন-ক্লোপিডোগ্রেল, ডায়াবেটিসের ঔষধ, প্রেশারের ঔষধ এগুলো দেয়া আর লাল অক্ষরে লিখে দিয়েছেন, এডমিট ফর এঞ্জিওগ্রাম। যাই হোক, বললো ঔষধ খাবে না, একেবারে ইন্ডিয়াতে ডাক্তার দেখায়ে ঔষধ খাবে. পরিবারে কারো হার্টের অসুখ নাই, ডায়াবেটিস নাই। এইসব টেস্ট, ঔষধ তারা "বিশ্বাস করে না". ডাক্তাররা পরীক্ষা করে কমিশন খায়, এঞ্জিওগ্রাম করলে বলবে "রিং লাগাইতে", বয়স মাত্র বেয়াল্লিশ, এখন আবার কিসের হার্টের অসুখ? গ্যাস ট্যাস হইছে আরকি...

আজকে সকালে ফোন দিয়েছে, তীব্র বুকে ব্যথা, ধানমন্ডি থাকে। বললাম দ্রুত এনআইসিভিডি অথবা ল্যাব এইডে যাও। দ্রুত... সাড়ে দশটার সময়ে তার বৌ জানালো সে মারা গেছে। হাসপাতালে নেয়ার পর ডাক্তাররা মেরে ফেলেছে...

কাজটা ভালো করে নাই। অত্যন্ত অন্যায় করেছে... ইমার্জেন্সি কার্ডিয়াক কেয়ার সবাই ডিজার্ভও করেনা।কার্ডিয়াক কেন, কিছু মানুষ কোন কেয়ার ই ডিজার্ভ করেনা...

[লেখক : ডা. মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবির, নিউরোসার্জন]

25/07/2026
৫ টি শিশু হাসপাতালসমূহকে বিশেষায়িত হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণাঃ
10/07/2026

৫ টি শিশু হাসপাতালসমূহকে বিশেষায়িত হাসপাতাল হিসেবে ঘোষণাঃ

২৮ জুন ২০২৬: জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইনআগামী ২৮ জুন ২০২৬ (রবিবার) সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ভিটামিন ‘...
22/06/2026

২৮ জুন ২০২৬: জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন

আগামী ২৮ জুন ২০২৬ (রবিবার) সারাদেশে একযোগে অনুষ্ঠিত হবে জাতীয় ভিটামিন ‘এ’ প্লাস ক্যাম্পেইন। সকাল ৮টা থেকে বিকেল ৪টা পর্যন্ত দেশের সকল নির্ধারিত স্থায়ী ও অস্থায়ী কেন্দ্রে ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের বিনামূল্যে ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল খাওয়ানো হবে।

🔹 ৬–১১ মাস বয়সী শিশু
একটি নীল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (১ লক্ষ IU)

🔹 ১২–৫৯ মাস বয়সী শিশু
একটি লাল রঙের ভিটামিন ‘এ’ ক্যাপসুল (২ লক্ষ IU)

কেন ভিটামিন ‘এ’ খাওয়ানো জরুরি?

✅ রাতকানা ও ভিটামিন ‘এ’-জনিত অন্ধত্ব প্রতিরোধ করে
✅ রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি করতে সাহায্য করে
✅ হাম, ডায়রিয়া ও অন্যান্য সংক্রমণের জটিলতা কমাতে সহায়তা করে
✅ শিশুর স্বাভাবিক বৃদ্ধি ও বিকাশে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে
✅ শিশু মৃত্যুঝুঁকি কমাতে সহায়তা করে

গুরুত্বপূর্ণ বিষয়:
• শিশুকে খালি পেটে কেন্দ্রে নিয়ে যাবেন না
• ক্যাপসুল খাওয়ানোর আগে হালকা খাবার খাওয়ান
• ৬ মাসের কম ও ৫ বছরের বেশি বয়সী শিশুদের এই ক্যাপসুল দেওয়া হবে না

আপনার আশেপাশের ৬ মাস থেকে ৫ বছরের কম বয়সী কোনো শিশুই যেন এই গুরুত্বপূর্ণ কর্মসূচি থেকে বাদ না যায়, তা নিশ্চিত করুন।

Address

Jurain

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. R H Faruk posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share

Category