Dr.Muhammad Omar Faruk

Dr.Muhammad Omar Faruk Medical and Health
Assistant professor of paediatrics

খেয়াল রাখুন
26/08/2026

খেয়াল রাখুন

মা বাবারা সবচেয়ে বেশি যে সমস্যা নিয়ে ডাক্তার এর কাছে যান সেটা হলো শিশুর জ্বর, জ্বর কোন রোগ নয়, জ্বর রোগের উপসর্গ, এর বেশির ভাগই ভাইরাস জ্বর।ভাইরাস জ্বর ৩ থেকে ৫ দিন বেশি থাকতে পারে। তাই শুধু মাত্র জ্বর হলে প্রথম ৩ দিন শুধুই প্যারাসিটামল দিবেন, তবে জ্বর এর সাথে অন্য উপসর্গ থাকলে সেই ক্ষেত্রে ডাক্তার দেখিয়ে লাগলে পরীক্ষা করাবেন। তাই শুধুমাত্র জ্বর উপসর্গ হলে জ্বর শরীরে থাকতে দিন একটু সময় কারন জ্বর হলে শরীরের ভিতর এ এন্টিবডি তৈরি হওয়া শুরু হয়। এই সময়ে বাচ্চা খাবার কমিয়ে দিতে পারে সেই ক্ষেত্রে বুকের দুধের পাশাপাশি অন্য তরল খাবার ও ভিটামিন সি যুক্ত ফলের রস খাওয়াতে পারেন । ভাইরাস জনিত উচ্চ মাত্রার জ্বরও হতে পারে, এতে ঘাবড়ে যাবেন না।ভাইরাস জ্বর হলে তিন থেকে ৭ দিন ও স্থায়ী হতে পারে । জ্বর এর জন্য প্রতি ৮ কেজি বাচ্চার জন্য এক চামচ, ১২ কেজিতে দেড় চামচ, ১৬ কেজিতে দুই চামচ যে কোন ভালো কোম্পানির জ্বর এর প্যারাসিটামল সিরাপ ২৪ ঘন্টায় ৪ বার করে খাওয়াতে পারবেন জ্বর থাকলে। জ্বর ১০২ হলে পায়ুপথে প্যারাসিটামল সাপোজিটরি ব্যাবহার করবেন( প্রতি ৮ কেজি বাচ্চার জন্য 125 mg , ১৬ কেজি হলে ২৫০) অনেক ক্ষেত্রে সিরাপ বা সাপোজিটরি দিলে ও জ্বর কমে না সেক্ষেত্রে বার বার কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছাতে হবে যতক্ষন জ্বর না কমে। তবে জ্বর এর সিরাপ খাওয়ালে বা সাপোজিটরি দিলে ও একই সাথে শরীর ও মুছাবেন কিন্তু কোনভাবেই ঠান্ডা বা নরমাল পানি দিয়ে শরীর মুছাবেন না এতে জ্বর বেড়ে যেতে পারে। সে কারনে কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছানো কে একটা ঔষধ ভাবতে হবে। আর জ্বর এর সিরাপ বা সাপোজিটরি দেওয়ার সময়ের ব্যাবধান ৪-৫ ঘন্টা এর আগে দেওয়া যাবে না এইসময়ে ও বার বার কুসুম গরম পানি দিয়ে শরীর মুছাতে হবে আর তরল খাবার দেওয়ার চেষ্টা করতে হবে।
তবে জ্বর ভাইরাস ছাড়াও অন্যান্য কারণেও হতে পারে, তাই ৩ দিনের বেশি জ্বর হলে অবশ্যই ডাক্তার দেখাবেন।
জ্বরের সাধারন কিছু কারন:

১. শ্বাসতন্ত্রের ইনফেকশন এর কারণে জ্বর হতে পারে, এরকম ক্ষেত্রে জ্বরের সাথে সর্দি কাশি থাকবে এবং কিছু ক্ষেত্রে শ্বাসকষ্টও থাকতে পারে। এরকম ক্ষেত্রে অপেক্ষা না করে ডাক্তার দেখাবেন।

২. কানের ইনফেকশনে জ্বরের সাথে কানে ব্যাথা থাকতে পারে । তাই কানে ইনফেকশন সন্দেহ লাগলে অপেক্ষা না করে ডাক্তার দেখাবেন।

৩. বেশি মাত্রার জ্বর প্রস্রাবে ইনফেকশনের কারণে হতে পারে।

৪. পায়খানার ইনফেকশনের কারণে জ্বর হতে পারে। এরকম ক্ষেত্রে জ্বরের সাথে পায়খানার সমস্যা থাকবে।
৫. ম্যালেরিয়া (পাহাড়ি এলাকায় থাকলে বা পার্বত্য এলাকায় সাম্প্রতিক ভ্রমণের ইতিহাস থাকলে অবশ্যই ভাবতে হবে আগে)

৬. সাধারনত উপসর্গহীন জ্বর (শুধুই জ্বর, সাথে অন্য
কোন উপসর্গ নাই) ভাইরাস জ্বর হওয়ার সম্ভাবনা বেশি।
৭. ডেংগু ভাইরাস জ্বর
৭. টাইফয়েড জ্বর

23/08/2026

খাগড়াছড়ি সদর হাসপাতালে ও একই

🚨 বাচ্চাকে নিজের মতো বা আন্দাজে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়াচ্ছেন না তো? জেনে নিন এটি কতটা মারাত্মক! 🚨বাচ্চা একটু কাশছে, জ্বর...
23/08/2026

🚨 বাচ্চাকে নিজের মতো বা আন্দাজে অ্যান্টিবায়োটিক খাওয়াচ্ছেন না তো? জেনে নিন এটি কতটা মারাত্মক! 🚨
বাচ্চা একটু কাশছে, জ্বর এসেছে কিংবা নিউমোনিয়ার লক্ষণ দেখা দিয়েছে—আর অমনি চিকিৎসকের পরামর্শ ছাড়াই দোকান থেকে সেফ-৩ (Cef-3) বা অন্য কোনো অ্যান্টিবায়োটিক কিনে খাওয়ানো শুরু করে দিলেন? কিংবা অ্যান্টিবায়োটিক খাইয়ে শেষ মুহূর্তে ডাক্তারকে মেসেজ বা ফোন দিয়ে জিজ্ঞেস করছেন "ডাক্তার সাহেব, ঠিক আছে তো?"
এই ক্ষতিকর অভ্যাসটি আপনার সন্তানের জীবনকে চরম ঝুঁকিতে ফেলছে।
অ্যান্ডাজে অ্যান্টিবায়োটিক প্রয়োগের মারাত্মক পরিণতি:
অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্স: ভুল মাত্রায় বা অপ্রয়োজনে অ্যান্টিবায়োটিক ব্যবহারে জীবাণু সেই ওষুধের বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ক্ষমতা গড়ে তোলে। ফলে পরবর্তীতে সত্যিই কোনো তীব্র সংক্রমণ হলে এই ওষুধ আর কাজ করে না।
সঠিক রোগ নির্ণয়ে বাধা: ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ওষুধ খাওয়ালে আসল রোগের তীব্রতা ঢাকা পড়ে যায়, যা পরবর্তীতে নিউমোনিয়া বা অন্যান্য জটিল রোগ নির্ণয় কঠিন করে তোলে।
পার্শ্বপ্রতিক্রিয়া ও অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের ক্ষতি: শিশুদের লিভার ও কিডনি অত্যন্ত সংবেদনশীল। ভুল ডোজে ওষুধ দিলে স্থায়ী ক্ষতি হতে পারে।
জরুরি চিকিৎসায় বিলম্ব: আন্দাজে বাসায় ওষুধ খাওয়ানোর কারণে হাসপাতালে বা ডাক্তারের কাছে আসতে দেরি হয়, যা ছোট শিশুদের জীবনের জন্য হুমকি হয়ে দাঁড়ায় (বিশেষ করে ৫ বছরের কম বয়সী শিশুদের ক্ষেত্রে)।
অভিভাবকদের প্রতি বিনীত অনুরোধ:
১. সরাসরি ডাক্তারের পরামর্শ নিন: বাচ্চার কাশি, শ্বাসকষ্ট বা তীব্র জ্বর হলে কোনো ফার্মেসি বা পরিচিত কারো কথায় অ্যান্টিবায়োটিক শুরু করবেন না।
২. মেসেজ বা ফোনে চিকিৎসা নয়: ফোনে বা মেসেজে ছবি পাঠিয়ে নিশ্চিত হওয়া সম্ভব নয় যে বাচ্চার নিউমোনিয়া হয়েছে নাকি সাধারণ সর্দি-কাশি। সশরীরে হাসপাতালে বা চেম্বারে নিয়ে পরীক্ষা করান।
৩. ওষুধের কোর্স সম্পূর্ণ করুন: ডাক্তার যদি সত্যিই অ্যান্টিবায়োটিক প্রেসক্রাইব করেন, তবে সঠিক মাত্রায় ও নির্দিষ্ট মেয়াদ পর্যন্ত তা খাওয়ান। মাঝপথে বন্ধ করা বা মাত্রা কমানো সমান বিপজ্জনক। পরবর্রতীতে যখন হাসপাতালে এডমিট হবে তখন এন্টিবায়োটিক এ উন্নতি না হতে পারে উল্টো নিউমোনিয়া বেড়ে যেতে পারে তখন হাসপাতালের প্রচিলিত অক্সিজেন দেওয়ার পর ও না কমলে টারসিয়ারি হাসপাতালে (মেডিকেল কলেজ এ রেফার লাগতে পারে যা সকলের জন্য ভোগান্তির বিষয়। তাই প্লিজ এন্টিবায়োটিক এর অপব্যাবহার থেকে দেশ কে বাচান🙏🙏🙏

20/08/2026

অতিরিক্ত মানুষ = শিশুর জন্য বাড়তি ঝুঁকি!
হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ড কোনো সামাজিক মিলনায়তন নয়। একটি অসুস্থ শিশুর সুস্থতার জন্য প্রয়োজন শান্ত পরিবেশ ও জীবাণুমুক্ত বাতাস। কিন্তু আমাদের একটু অসচেতনতার কারণে শিশু ওয়ার্ডে অতিরিক্ত ভিড় জমায় যা শিশুর জন্য মারাত্মক বিপদ ডেকে আনে।
কেন শিশু ওয়ার্ডে অভিভাবকের অতিরিক্ত ভিড় ক্ষতিকর?
ইনফেকশনের তীব্র ঝুঁকি: বাইরের মানুষের জামাকাপড় ও শ্বাস-প্রশ্বাসের মাধ্যমে বিভিন্ন ধরণের ভাইরাস ও ব্যাকটেরিয়া ছড়ায়। নিউমোনিয়া বা অন্যান্য জটিলতায় ভুগতে থাকা শিশুর শরীর এই নতুন জীবাণু সামলাতে পারে না।
অক্সিজেনের ঘাটতি: একটি ছোট রুমে অনেক মানুষ একসাথে থাকলে বাতাসের অক্সিজেন কমে যায় এবং কার্বন ডাই অক্সাইড বৃদ্ধি পায়, যা অসুস্থ শিশুর শ্বাসকষ্ট আরো বাড়িয়ে দেয় এতে করে অক্সিজেন একটি নিদিষ্ট মাত্রায় দেওয়ার পর ও উন্নতি না ঘটলে তখন মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফারের প্রয়োজন হতে পারে।
চিকিৎসায় ব্যাঘাত: অতিরিক্ত ভিড়ের কারণে ডাক্তার ও নার্সদের সেবা দিতে সমস্যা হয় এবং জরুরি প্রয়োজনে জরুরি সরঞ্জাম নিয়ে আসা কঠিন হয়ে পড়ে।
ঘুম ও বিশ্রামে বাধা: শব্দ ও হট্টগোলের কারণে শিশুর ঘুম ভেঙে যায়, যা তার দ্রুত সুস্থ হওয়ার পথে বড় বাধা।
আমাদের করণীয়:
১. রোগীর সাথে সবসময় একজন মাত্র নির্দিষ্ট পরিচর্যাকারী থাকুন।
২. শিশু ওয়ার্ডে দেখতে আসার বা ভিড় জমানোর মানসিকতা ত্যাগ করুন। দূর থেকেই দোয়া বা সহানুভূতি প্রকাশ করুন।
৩. কোনো অবস্থায়ই শিশু ওয়ার্ডে ছোট বাচ্চাদের দেখতে নিয়ে আসবেন না।
৪. হাসপাতালে প্রবেশের সময় মাস্ক ব্যবহার করুন এবং হাত জীবাণুমুক্ত রাখুন।

19/08/2026

শিশু কে কখন ক্রিমিনাশক ড্রাগ দিবেন?

18/08/2026

কঠিন দিনে একজন নির্ভরযোগ্য সহকর্মী পাওয়ার চেয়ে বড় স্বস্তি আর কিছু হতে পারে না! 🤝✨
আজকে বেশ কয়েকটি জরুরি মিটিং একসঙ্গে পরে যাওয়ায় কাজের মারাত্মক চাপ ছিল। এর মধ্যেই শিশু ওয়ার্ডে রাউন্ড দেওয়াটা বেশ চ্যালেঞ্জিং হয়ে দাঁড়িয়েছিল। কিন্তু আমার পরম অনুজ ও বিশ্বস্ত সহকর্মী, হাসপাতালের RMO ডা. রিপেল বাপ্পি বরাবরের মতোই বাড়িয়ে দিলো সাহায্যের হাত।
নিজের ওপর প্রশাসনিক কাজের পর্বতসম চাপ থাকার পরেও ও যেভাবে সানন্দে এসে ওয়ার্ডের রাউন্ডে পাশে দাঁড়ালো, তা সত্যিই প্রশংসনীয়। এটা কোনো একদিনের ঘটনা নয়—যে কোনো ব্যস্ততায় বা কঠিন মুহূর্তে ও প্রায়শই এভাবে এগিয়ে আসে।
সত্যি বলতে, রিপেলের মতো একজন ডেডিকেটেড মানুষ পাশে না থাকলে এত সুন্দরভাবে মিলেমিশে শিশু ওয়ার্ডের ব্যবস্থাপনা সামলানো আমাদের জন্য অনেক কঠিন হতো।
ধন্যবাদ ডা. রিপেল বাপ্পি! তোমার এই দায়িত্ববোধ, সহমর্মিতা এবং সহকর্মীসুলভ মনোভাব আমাদের পুরো টিমের শক্তি। শুভকামনা নিরন্তর! 🩺❤️

17/08/2026

অনেক দিন ধরে রুচি নেই শিশুর তাহলে একটি পরীক্ষা করুন

16/08/2026

কখন বুজবেন শিশুর আয়রন জনিত ঘাটতি আছে?

11/08/2026

হাসপাতালে সুস্থ শিশুদের রোগীর কাছে নিয়ে যাওয়ার ঝুঁকি: যা প্রতিটি অভিভাবকের জানা জরুরি
অনেকেই স্বজনদের দেখতে বা সাধারণ প্রয়োজনে হাসপাতালে যাওয়ার সময় সাথে ছোট সুস্থ বাচ্চাদের নিয়ে যান। কিন্তু সচেতনতার অভাবে এই অভ্যাসটি শিশুর স্বাস্থ্যের জন্য মারাত্মক ঝুঁকির কারণ হতে পারে।
কেন সুস্থ বাচ্চাকে হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া বিপজ্জনক?
সংক্রমণের উচ্চ ঝুঁকি: হাসপাতাল হলো নানা ধরনের জীবাণু (ভাইরাস, ব্যাকটেরিয়া, ছত্রাক) এবং সংক্রামক ব্যাধিতে আক্রান্ত রোগীদের স্থান। শিশুদের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা (Immunity) বড়দের মতো শক্তিশালী নয়, তাই যেকোনো জীবাণু তাদের শরীরে দ্রুত আক্রমণ করতে পারে।
অ্যান্টিবায়োটিক রেজিস্ট্যান্ট জীবাণু: হাসপাতালে এমন কিছু জীবাণু বা সুপারবাগ (Superbugs) থাকে যা সাধারণ ওষুধে ভালো হয় না। এসব জীবাণু শিশুদের সংস্পর্শে এলে জটিল স্বাস্থ্যঝুঁকি তৈরি হতে পারে।
শিশুদের কৌতুহল ও অনিয়ন্ত্রিত স্পর্শ: বাচ্চারা স্বভাবগতভাবেই চঞ্চল। তারা হাসপাতালের মেঝে, বেড, চেয়ার বা ট্রলি স্পর্শ করে এবং হাত মুখে বা চোখে দেয়। ফলে খুব সহজেই রোগজীবাণু তাদের শরীরে প্রবেশ করে।
মানসিক আঘাত: হাসপাতালের পরিবেশ, বিভিন্ন যন্ত্রপাতির শব্দ, ইনজেকশন বা রোগীদের কষ্ট পাওয়ার দৃশ্য অনেক সময় ছোট বাচ্চাদের মনে ভয়ের সঞ্চার করতে পারে।
করণীয় ও পরামর্শ:
১. খুব জরুরি কোনো চিকিৎসাজনিত কারণ না থাকলে সুস্থ শিশুকে হাসপাতালে নেওয়া থেকে পুরোপুরি বিরত থাকুন।
২. আত্মীয় বা পরিচিত কাউকে দেখতে যেতে হলে শিশুকে বাসায় অন্য কোনো অভিভাবকের দায়িত্বে রেখে যান।
৩. যদি কোনো বিশেষ পরিস্থিতিতে শিশুকে হাসপাতালে নিতেই হয়:
তাকে সবসময় মাস্ক পরিয়ে রাখুন।
অনাবশ্যক কিছু স্পর্শ করতে দেবেন না।
সাথে হ্যান্ড স্যানিটাইজার রাখুন এবং বারবার হাত পরিষ্কার করে দিন।
হাসপাতাল থেকে বের হয়েই বাসায় ফিরে শিশুর কাপড় বদলে ফেলুন এবং ভালোভাবে হাত-মুখ ধুয়ে দিন।
মনে রাখবেন: আপনার একটু সতর্কতা এবং সচেতনতাই পারে আপনার সুস্থ সন্তানকে বড় ধরনের রোগব্যাধি থেকে সুরক্ষিত রাখতে।

10/08/2026

নবজাতকের জন্ডিস হলে মাকে আখের রস খাওয়ানো? কুসংস্কার নাকি সঠিক চিকিৎসা?
নবজাতক জন্মের ২-৩ দিনের মাথায় ত্বক বা চোখ হালকা হলুদ হয়ে যাওয়া একটি খুবই সাধারণ ঘটনা। চিকিৎসার ভাষায় একে বলা হয় 'ফিজিওলজিক্যাল জন্ডিস' (Physiological Jaundice)। অধিকাংশ ক্ষেত্রে এটি স্বাভাবিক এবং ৭ থেকে ১৪ দিনের মধ্যে নিজে থেকেই সেরে যায়।
কিন্তু আমাদের সমাজে এখনো একটি বহুল প্রচলিত ভুল ধারণা রয়েছে—"বাচ্চার জন্ডিস হলে মাকে প্রচুর আখের রস, ডাবের পানি বা মিষ্টি শরবত খেতে হবে!"
আখের রস খাওয়ালে কি শিশুর জন্ডিস কমে?
একদমই না। মায়ের আখের রস বা মিষ্টি পানীয় খাওয়ার সাথে নবজাতকের রক্তে থাকা বিলিরুবিন (Bilirubin) কমার কোনো বৈজ্ঞানিক সম্পর্ক নেই। অতিরিক্ত আখের রস খেলে উল্টো মায়ের গ্যাস্ট্রিক, হজমের সমস্যা বা রক্তে সুগার বেড়ে যাওয়ার ঝুঁকি থাকে।

Address

Khagrachari Shadar Hospital
Khagrachari
4400

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr.Muhammad Omar Faruk posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr.Muhammad Omar Faruk:

Shortcuts

Share

Category