Mymoon homeo center, satkhira

Mymoon homeo center, satkhira সেবাই পরম ধর্ম

https://youtu.be/PvaFlJ3xyTI
17/01/2023

https://youtu.be/PvaFlJ3xyTI

ইনশাআল্লাহ হোমিওপ্যাথি মেডিসন দ্বারা পাইলস নিরাময় সম্ভব

15/01/2023


*শোক বা অন্য কোনরুপ মানসিক আঘাতের ফলে পক্ষাঘাত।
*বহুকালস্থায়ী শোক ও দুঃখের ফলে মন বিষণ্ণ ক্ষুব্ধ ও নিরাশাপূর্ণ।
*শরীর ছিরে ফেলার মতো বাতের ব্যথা, রাতে কোন অবস্থাতেই শান্তি পায় না, একটুও চুপ করে থাকতে পারে না
*বার বার প্রস্রাবের বেগ, হাঁচি, কাশি (ঠান্ডা পানিতে কমে এবং স্বরভঙ্গ সকালে বাড়ে) বা নাক ঝড়লে অসাড়ে প্রস্রাব হয়ে যায়।
*ডান পাশে কোমরের ভিতরের দিকে সূচ ফোটানোর মত ব্যথা ও লিভারের নিচে, কিন্তু ইলিয়ামের উপরে, হাতের মুঠার ভিতর চেপে ধরার মতো সর্বদা ব্যথা।
*পোড়ার দাগ আবার পাকে ও উহাতে ব্যথা হয়।
*বসে পায়খানা করতে কষ্ট হয় কিন্তু দাড়িয়ে করলে সহজেই পায়খানা করা যায়।*অর্শ।
*দিনে স্রাব রাতে বন্ধ।
*সঙ্কোচক পেশীগুলো কুঁকড়ে থাকে, সন্ধিগুলিতে আড়ষ্টভাব, টানভাব, যেন ছোট হয়ে গেছে (এমন-মি, সাইমেক্স, গুয়াইকাম, নেট-মি)।
*আঁচিল, বড় এবড়ো, থেবড়ো, বোটার মত ঝুলে থাকে, একটুতেই রক্ত বার হয় রস বার হয়, সারাদেহ ছোট ছোট আঁচিলে ভর্তি, চোখের পাতায়, মুখে, নাকের উপর আঁচিল।

15/01/2023

#কস্টিকাম
মায়াজমঃ সোরিক, সাইকোটিক, সিফিলিটিক, টিউবারকুলার।
কাতরতাঃ শীতকাতর ।
উপযোগিতাঃ কস্টিকাম বিশেষভাবে ভীরু, স্নায়বিক এবং উদ্বিগ্ন প্রকৃতির লোকের প্রতি উত্তম কাজ করে, যারা সব সময় ভয়ের বিষয় কল্পনা করে। কালো বর্ণ, কালো চুল, কালো চক্ষুতারকা, পেশি শক্ত অথচ দুর্বল, যাদের বাত, পক্ষাঘাত, শ্বাসযন্ত্র, ও মূত্রযন্ত্র সংক্রান্ত, অসুখ হওয়ার প্রবণতা। জৈব উত্তাপ ও প্রতিক্রিয়াহীনতার অভাব।

ক্রিয়াস্থলঃ মস্তিক, স্নায়ুগুলো, মূত্রথলী ও শ্বাসযন্ত্রের মাংসপেশি, ফুসফুস, স্বরযন্ত্র, পাকাশয়, শ্লৈষ্মিক ঝিল্লি, মুখ, চামড়া। ওপরে ডানপাশ নিচে বামপাশ, ডানপাশ হতে বামপাশ

বৈশিষ্ট্যঃ কস্টিকামের প্রধান ক্ষেত্র পক্ষাঘাতের ওপর, স্বৈরপেশি ও স্বাধীন পেশির ওপর এর কার্যকারিতা দেখা যায়। সর্বজন বিধিত যে, অ্যালোপ্যাথিক পদ্ধতিতে পটাসিয়ামের অত্যধিক প্রয়োগে দুর্বলতা দেখা দেয় এবং কস্টিকাম প্রমাণে এটি তা শক্তিশালীভাবে প্রমাণিত হয়েছে। পক্ষাঘাতের দুর্বলতা একক অঙ্গ বা একক স্নায়ুর পক্ষাঘাত।

সারসংক্ষেপঃ ভীরু, স্নায়বিক এবং উদ্বিগ্ন প্রকৃতির লোক, প্রতিক্রিয়াহীনতার অভাব। পক্ষাঘাত (স্বৈরপেশি ও স্বাধীন পেশি), শ্লৈষ্কিক ঝিল্লি ও পরিপাক যন্ত্রের দুর্বলতা। ব্যথাযুক্ত পক্ষাঘাতে জ্বালা, ঝিঁ-ঝিঁ লাগা ও সংকোচনবোধ। সন্ধাকালে, ঠান্ডায়, শুকনো আবহাওয়ায়, জাগরণে ও কফিপানে বাড়ে। শীতল পানীয়ে, গরমে ও ভেজা স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায় উপশম। সহানুভূতিশীল, অশ্রুপূর্ণ ভাব, অন্যমনষ্ক, উৎকন্ঠা ও ভয়, অস্হিরতা ও সন্দেহযুক্ত মন। আহারকালে তাড়াতাড়ি করা। না দাঁড়িয়ে মলত্যাগে অসুবিধা। ধীরে ধীরে হাত-পায়ের পক্ষাঘাত দেখা দেয়।

অদ্ভূত লক্ষণঃ সবিরাম জ্বরের অদ্ভূত লক্ষণ হচ্ছে ” শীতের পরে ঘাম হয় মাঝখানে উত্তপ্ত ছাড়াই “।

বিশেষ লক্ষণঃ পানিতে ভেজার পর চেহারার পক্ষাঘাত।

অনুভূতিঃ * যেনো মাথার খুলির হাড় ও মাথার মাঝখানে একটি শূন্যস্থান রয়েছেে, গরমে উপশম।
* অনবর অনুভূতি যেনো পাকস্থালীতে চুন ফুটছে বা জ্বলছে ; তার সাথে মুখে পানি ওঠা। তলপেটে চাপ ও পূর্ণতা মনে হয় যেনো এটি ফেটে যাবে।

লক্ষণঃ ১) অপারেশন বা সার্জারির পর হতে মূত্ররুদ্ধতা তথা প্রস্রাব বন্ধ হয়ে যাওয়া। ২) ধীরে ধীরে হাত-পায়ের পক্ষাঘাত দেখা দেয়। ৩) নাক ঝাড়লে দৃষ্টিতে ঝাপসা দেখে। ৪) বিরক্তি হতে তোতলামি ভাব হয়।

বৃদ্ধিঃ প্রাতে, পূবাহ্নে, বিকেল ৪টা, সন্ধাকালে, গোধূলিকালে, পানিতে গোসলে, পরিষ্কার আবহাওয়ায়, সাধারণভাবে ঠান্ডায় ও ঠান্ডা বাতাসে, শুকনো আবহাওয়ায়, জাগরণে প্রকোপ, কফিপানে, উদ্ভেদ অবরুদ্ধে, আগুনে পোড়ার পর, শীতকালে, অমাবস্যায়, শরীরের ডানদিকে।

হ্রাসঃ শীতল পানীয়ে, ঝাঁকুনি লাগায়, বিছানায় শুলে, একপাশে চেপে শুলে, ব্যথাযুক্ত পাশে শুলে, সঞ্চালনে, ঠান্ডা পানীয় পানে ( কাশি), ভেজা স্যাঁতসেঁতে আবহাওয়ায়, গরমে, গরম বিছানায়, গরম বাতাসে, ধৌত করলে, দ্বিপ্রহর রাতে, মৃদু সঞ্চালনে, উনুনের গরমে।

কারণঃ ঠান্ডা, টাইফয়েড বা ডিপথেরিয়া পরবর্তী পক্ষাঘাত, পোড়া অথবা জলীয়দগ্ধ, যুদ্ধ করা, দুঃখ অথবা শোক, রাত জাগা, ভয়, উদ্ভেদের অবরুদ্ধ ক্ষত অথবা শিসাজনিত, ঘুম কম হলে, শিসা বিষাক্ততা, আনন্দ, ক্রোধ।

ইচ্ছাঃ শুকনো মাংস বা আগুনে ঝলসানো মাংস, সীম, ধূমযুক্ত মাংস, ঠান্ডা পানীয়, লবণ, বলকারক ওষুধ, প্রচুর ক্ষুধা কিন্তু সামান্য অথবা দু ‘ এক গ্রাস খেলেই ক্ষুধা থাকে না। ঝাল খাদ্য খেতে ইচ্ছে। চুরি করার।

অনিচ্ছাঃ মাছ, মাংস, মিষ্টি, চর্বিযুক্ত খাদ্য, কফি, অম্ল।

15/01/2023


সমনামঃ ফ্লোরিক অ্যাসিড, হাইড্রোফ্লোরিক অ্যাসিড।
মায়াজমঃ সোরিক, সাইকোটিক, সিফিলিটিক, টিউবারকুলার।

ক্রিয়াস্থলঃ ফাইব্রোয়াস টিস্যুগুলো, শিরা ও চামড়া, অস্থি, শ্লৈষ্মিকঝিল্লি, রক্ত, গ্ল্যান্ড, ম্যাসটয়েড, চুল, নখ, দাঁত, চোখ, উপাস্থি।

* এ ওষুধে সোরিক, সিফিলিটিক, সাইকোটিক এ তিনটি দোষই বর্তমান রয়েছে

সারসংক্ষেপঃ
কী মনে কী দেহে এর কার্যাবলী অতিমাত্রায় নিম্নগামী। স্রাব অত্যন্ত ক্ষতকর ও দুর্গন্ধযুক্ত। গরমকাতর, উত্তাপের অনুভূতি ও জ্বালা।
শত্তি/ত্যাজ বাড়ার অনুভূতি। ঠান্ডায়, ঠান্ডা পানিতে, মুক্ত বাতাসে ও নড়াচড়ায় উপশম। গরমে, রাতে, দাঁড়ালে, চা ও কফি পানে বাড়ে। আনন্দিত, ঔদাসীনতা, স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা, অত্যানুভূতিযুক্ত, গোলমালে বিরক্তি জন্মে। অস্থিক্ষত, শীর্ণতা, অস্থিবাড়ে, সঙ্গমেচ্ছার প্রাবল্য। প্রস্রাব বাধাপ্রাপ্ত হলেই মাথাব্যথা।

অদ্ভূত লক্ষণঃ অত্যাধিক ব্যায়াম করলে ও তার মাংসপেশিতে দুর্বলতা আসে না ।

অনুভূতিঃ
১) চোখের পাতার মাঝ দিয়ে ঠাণ্ডা বাতাস প্রবাহিত হবার অনুভূতি, এমন কি গরম ঘরের মাঝেও ; যেনো বাতাস কাঁধের সন্ধির মাঝ দিয়ে আঙুলের সন্ধির দিকে প্রবাহিত।
২) মনে হয় যেনো শরীরের ওপরিভাগ হতে একটি তাপের ঝলকা ওঠছে – অনুভূতিতেও তাপ অনুভব হয়।

ইচ্ছাঃ শীতল পানীয়, ঝাল ও মসলাযুক্ত খাদ্য, পুনঃ পুনঃ গোসল, ঠাণ্ডা চায়ই।

বৃদ্ধিঃ গরমে, গরম ঘরে, গরম খাদ্যে বা পানীয়ে, কোষ্ঠকাঠিন্য থাকলে, অম্ল খাদ্যে, সাকলে, সন্ধাকালে/রাতে, বিশ্রামে, দাড়ালে, বসলে, মদপানে, চা ও কফিপানে, । গ্রীষ্মকালে, আলাপ- আলোচনায় বৃদ্ধি ।

হ্রাসঃ ঠাণ্ডায়, ঠাণ্ডা পানিতে গোসলে, ঠাণ্ডা ও মুক্ত বাতাসে, দ্রুত সঞ্চালনে, সামান্য ঘুমে, আহারে, মাথা পেছন দিকে বাঁকালে, ঘুরে বেড়ালে, কাপড় এঁটে পরলে, নড়াচড়ায় ।

কারণঃ সিফিলিস, সাইকোসিস, অথবা মার্কারীর অপব্যবহারে, মদপানে, গনোরিয়া ।

ক্রিয়ানাশকঃ ক্যাম্ফর কফি, কলো, কেলি-কা, ওপি, সাইলি ।
প্রয়োগঃ

আমি এটি ৩x এবং ৬x শক্তিতে দারুণ ফল পেয়েছি । -ডাঃ ফার্টিয়াল ফের্নোভিল

চোখের ছানিতে- থিওসিনামিনাম ও ক্যাল্ক-ফ্লোর ব্যবহার করে দেখবেন। – ডাঃ এন.সি.ঘোস

12/01/2023

Bacillinum (ব্যাসিলিনাম)- ডাঃ হাসান মির্জা

Bacillinum (ব্যাসিলিনাম):
* টিউবারকুলার যুক্ত ক্ষয়কাশিগ্রস্ত রোগীর ক্ষতস্থানের পুঁজ থেকে ঔষধটি তৈরি হয়। মনীষী ফিঙ্কে ও মনীষী সোয়ান যক্ষাক্রান্ত ক্ষতস্থানের পুঁজ বা গযার থেকে ঔষধটি প্রস্তুত করেন। আবার মনীষী হিদ ব্যাসিলাস টিউবারকিউলোসিস নামের অনুদেহীযুক্ত ফুসফুস দ্বারা তার ঔষধটি প্রস্তুত করেন। সেই কারণে ডাঃ হিদ কর্তৃক আবিষ্কৃত ঔষধটির নাম ব্যাসিলিনাম এবং ডাঃ ফিঙ্কে ও ডাঃ সোয়ান কর্তৃক আবিষ্কৃত ঔষধটিকে টিউবারকুলিনাম বলে।
* শারীরিক কিছু দুষ্ট ধর্মের সংশোধন করে রোগীকে শৃঙ্খলায় আনতে ঔষধটি অপ্রতিদ্বন্দী। মনীষী সোয়ান-হিদদের অজস্র ধন্যবাদ যে তারা টিউবারকুলিনাম ব্যাসিলিনামের মধ্য দিয়ে রোগীচরিতের স্বরূপ উদঘাটন করে চিকিৎসার জগৎকে কতইনা স্বাচ্ছন্দ করে দিয়েছেন।
* মনীষী কেন্ট বলেন, “ইহা একটি গভীরক্রিয়, ধাতুগত গভীক্রিয়া ঔষধ। কারণ ইহাও রোগবিষ হইতে প্রস্তুত, …ইহা জীবনের গভীরে প্রবেশ করে। …ইহাকে ‘সোরিনাম’ যে শ্রেণীর ঔষধ সেই শ্রেণীর ঔষধ বলিয়া মনে করা যাইতে পারে।”
# ক্ষয়দোষ/রোগান্তর:
* ব্যাসিলিনামের প্রথম ও প্রধান কথা- বংশগত বা পুরুষানুক্রমিক ক্ষয়দোষ। বংশগত ক্ষয়দোষে রোগী ক্রমাগত রোগ থেকে রোগান্তরে ভুগতে থাকে।
* আমরা যদি রোগির ইতিহাস পাঠে এ সত্য অবগত হই যে, রোগির পিতা-মাতা, তার ভ্রাতাভগ্নি বা পূর্বপুরুষের কেহ কখনো অর্শ, ভগন্দর, নালিঘা, ডায়াবেটিস, যক্ষা বা ম্যালেরিয়া রোগে ভুগেছেন বা তৎকারণে মৃত্যু হয়েছে তাহলে অনুসন্ধানে নিশ্চয় জানা যাবে যে বংশানুক্রমিক ক্ষয়দোষে আক্রান্ত এইশ্রেণীর রোগি কখনো বাত, কখনো অর্শ, কখনো উদরাময় বা আমাশয়, কখনোবা শিরঃপীড়া ইত্যাদি রোগে ভুগতে থাকে।
* রোগ থেকে রোগান্তরপ্রাপ্তির কারণে রোগি ক্রমশঃ দুর্বল, ক্ষীণ ও নিস্তেজ হয়ে পড়ে। কোন ঔষধই রোগীকে স্বাভাবিক অবস্থায় ফিরিয়ে আনতে পারবেনা। ঠিক ঐরকম অবস্থায় রোগীকে উচ্চ শক্তির ব্যাসিলিনাম দিয়ে চিকিৎসা শুরু করা উচিৎ।
* যদি রোগি দেহে কখনো ফুসফুস, পাকস্থলী, স্নায়ুকেন্দ্র, কিডনি বা মস্তিষ্ক- একটির পর অন্যটি পীড়িত হয়, হঠাৎ একটি উপসর্গ দেখা দেয় তাহলে ব্যাসিলিনাম উচ্চশক্তি দিয়ে তার চিকিৎসা করবেন।
# যক্ষারোগ/ক্ষয়কাশি:
* ক্ষয়দোষের স্বাভাবিক পরিবর্তনশীলতার পরিচয়ে আমরা দেখতে পাই যক্ষাক্রান্ত কোন পরিবারে উম্মাদরোগী বা উম্মাদগ্রস্ত পরিবারে যক্ষারোগী।
* যদি আমরা কখনো এমন দেখি যে কোন উদর আক্রান্ত রোগী তার রোগমুক্তির পর বাত বা পক্ষাঘাতে আক্রান্ত হয়েছে-কিংবা স্নায়ুশুল থেকে মুক্তি পেয়ে রক্তস্রাবে ভুগছে বা যক্ষা ভালো হয়ে উম্মাদ বা জ্বর ভালো হয়ে শ্বাসকষ্ট বা হাঁপানি রোগে ভুগছে তাহলে সর্বাগ্রে ব্যাসিলিনামকে বিচার করা উচিৎ।
* যখনই শোনা যাব যক্ষা রোগির সেবা করেছে তখন আমরা রোগির ফুসফুসটি উত্তমরূপে পরীক্ষা করে দেখবো। ক্ষয়দোষে অল্পে ঠান্ডা লাগা বা দুর্বলতার লক্ষণটি স্পষ্ট।
# শীর্ণতা:
* ব্যাসিলিনামের রোগিকে যতই প্রোটিন-ভিটামিন-ক্যালসিয়াম যুক্ত খাদ্য দিন না কেন রোগি ক্রমশঃ শীর্ণ হতে থাকে, শুকিয়ে যায়।
* ছোট শিশুরা নিম্নাঙ্গ থেকে শুকাতে থাকে, পেটটি জয়ঢাকের মত মনে হয়, সর্দি লেগেই থাকে, গ্রন্থিবৃদ্ধি ঘটে তখন এই ঔষধটি শিশুকে শৃঙ্খলায় ফিরিয়ে আনতে পারে।
* যদি দেখা যায় যে, বালিকারা উপযুক্ত সময়ে ঋতুমতী হচ্ছেনা, দেহ শীর্ণ, কঙ্কালসার, তৎপরিবর্তে শুষ্ক কাশি লেগেই আছে কিংবা অতিরিক্ত দূর্বলতাবশতঃ উদরাময়ে ভুগে ভুগে শুকিয়ে যায় অথবা বিদ্যালয় বড়–য়ারা পড়তে বসলেই শিরঃশুলে ভুগছে তাহলে ব্যাসিলিনাম ও ক্যাল্কে.ফস তাদের জন্য উত্তম।
# ঠান্ডা অসহ্য:
* কু-চিকিৎসিত সোরাদোষে আক্রান্ত রোগী চিরকাল স্বাস্থ্যসুখে বঞ্চিত থাকে। এ রোগীর নিকট শৈত্য একেবারেই অসহ্য। রোগী চেষ্টা করে নিজেকে ঠান্ডার হাত থেকে বাঁচাতে চেষ্টা করে, মোটা পোষাক পরে থাকতে চেষ্টা করে, ঝড়বৃষ্টি বা জলো বাতাস থেকে নিজেকে দূরে রাখতে চেষ্টা করে। কিন্তু সহ¯্র সাবধানতা সত্তে¡ও তার ঠান্ডা লাগে। কেন এমন হয় রোগীর বোঝার কথা নয়। কিন্তু চিকিৎসকলে বুঝতে হবে এবং তদ্রুপ ব্যবস্থাপত্র গ্রহণ করতে হবে।
* প্লুরিসি, নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস, পুরাতন সর্দি, কাশি, হাঁপানি ইত্যাদি রোগে টিউবারকুলার ব্যাসিলিনাম যে অদ্বিতীয় ঔষধ তা মনে রাখতে হবে। এইসকল রোগে সালফারও অসাধারণ, তবে লক্ষণ থাকা চাই।
# চুলেজট:
* ক্লাসটারিং বা চুলে জট পাকিয়ে যায় অনেকের। মাথায় চিরুনি দিতে পারেনা। এই রোগে সোহাগার খই বা বোরাক্স উত্তম ঔষধ। সোরিনামও কম নয়। মনে রাখতে হবে ব্যাসিলিনাম এক্ষেত্রে অদ্বিতীয়।
# বাচালতা:
* ক্ষয়দোষ মানে বাচালতা আর বাচালতা মানে ক্ষয়দোষ। আর এই বৈশিষ্ট্যটি টিউবারকুলিনাম ব্যাসিলিনামেরও অন্যতম পরিচয়। ইনার ক্ষয়দোষ যেমন স্পষ্ট, শরীর শুকিয়ে যাওয়া যেমন স্পষ্ট, অলে।ফ ঠান্ডালা বা দুর্বলতা যেমন স্পষ্ট তেমনি বাচালতা লক্ষণটিও স্পষ্ট।
* জ্বরের প্রখর তাপে যখন গা পুড়ে যায় তখনও রোগী বকতে থাকে বা আবোলতাবোলভাবে বকে যায়। চিকিৎসক হিসেবে রোগীর চিত্তবিভ্রাট বা তার মননশীলতা খুঁজে নিতে হবে। কেন একজন রোগী এত বকবক করে তার উৎস খুঁজতে এবং সদৃশ ঔষধটি বেছে নিতে হোমিওপ্যাথিক সাধক হতে হয়। ব্যাসিলিনাম বকবক করবে, তার বাচালতা প্রকাশ করেব- এটাই তো স্বাভাবিক। যদি আমরা দেখতাম যে, টিউবারকুলারযুক্ত ক্ষয়দোষগ্রস্ত রোগীর মাঝে বাচালতা নেই তাহলে বিস্ময়ের সীমা থাকতোনা।
* ক্রমাগত বকবক করা বা বাচালতার লক্ষণটি ল্যাকেসিসের মধ্যেও লক্ষ্য করা যায়। এর রোগী বিষয় থেকে বিষয়ান্তরে নিরন্তর বকতে থাকে। কথা না বলে থাকতে পারেনা, মনও ভরেনা। একজন ছেড়ে অন্যজন, এক প্রসঙ্গ থেকে অন্য প্রসঙ্গ সে অনবরত বকেই যায়। গ্রহে যখন এক থাকে তখনও আপনমনে বকে যায়। স্ট্রামোনিয়ামের বকবকানি একটু ভিন্নতর। সে অন্য প্রকৃতির। এমন কার্ব বা এব্রোটেনামেও বাচালতা কম নয়। এই যে বকবকানি বা বাচালতা- এটি ক্ষয়দোষের অনিবার্য পরিণতি।
# চর্মরোগ/দাদরোগ:
* চর্মরোগের উপর কোনরকম বাহ্যিক মলম লাগানোর কারণে চর্মরোগটি যখন দমন করা হয় তখন সেটি আত্মগোপন করে দেহাভ্যন্তরে তান্ডব সৃষ্টি করে। সুচিকিৎসার দ্বারা যতদিন না সেটি বাহিরে পুনঃপ্রকাশিত হয় ততদিন রোগী রোগ থেকে রোগে ভুগতে থাকে। রোগী হতাশ হয়। সে বুঝতেই পারেনা কেন তার এত রোগ, এত কষ্ট। চিকিৎসকরাও ধাঁধাঁয় পড়েন। প্যাথলজির কোন রিপোর্টই সদুত্তর দিতে পারেনা। একটি আন্দাজ অনুমানের উপর নির্ভর করে চিকিৎসা চলতে থাকে।
* টিউবারকিউলোসিসের একটি বিশিষ্ট্য পরিচয় হল তার দাদরোগ। দাদ বা চর্মরোগের উপর মলম-প্রলেপের দ্বারা অবরুদ্ধ মনঃকণ্ডুয়ন চিকিৎসা করতে না পারলে হোমিওপ্যাথির বুকে ছুরিকাঘাত কারা হবে। পুরাতন বা চিররোগের স্বরূপ কদাচিৎ পূর্ণভাবে প্রকাশ পায় বলে কখনো কখনো বিশেষ একটি লক্ষণ রোগের চিত্র উদঘাটন করে দেয়।
# কৃমিরোগ:
* অনেকে ঘুমঘোরে কথা বলেন, কেউবা ঘুমন্ত অবস্থায় দন্ত কড়মড় করে, অনেক শিশু ক্রমাগত মলদ্বার চুলকায়। এসব কৃমিরোগের লক্ষণ হলেও ব্যাসিলিনামের প্রকৃত পরিচয়, কৃমিরোগ মানেই অনেকে সিনার কথা ভাবেন। কিন্তু চিররোগ বা ক্ষয়দোষগ্রস্থ রোগীর জন্য সিনা কিছুই করতে পারবেনা, তার জন্য চাই ব্যাসিলিনাম, ক্যাল. ফস, লাইকো ইত্যাদি।
# সবিরাম জ্বর:
* ইহা সর্বাপেক্ষা প্রধান ব্যবহারের একটি অবস্থা সবিরাম জ্বর। আমাদের কতকগুলি অতি দূর্দ্দম্য প্রকৃতির সবিরাম জ্বর ঘুরিয়া আসে। পুনঃপুনঃ জ্বর ঘুরিয়া আসে। …জ্বরটি তাড়াইয়া দিবার পরেও কয়েক সপ্তাহ মধ্যে ঠান্ডা লাগিয়া বায়ু প্রবাহের মধ্যে বসিয়া থাকিয়া, অতিপরিশ্রান্ত হইয়া মানসিক পরিশ্রমের ফলে, অতি আহারের ফলে এবং পাকস্থলীর বিশৃঙ্খলতা উৎপাদন করার ফলে জ্বরটি ঘুরিয়া আসে। যখন এইরূপভাবে কোন দূর্দম প্রকৃতির সবিরাম জ্বর ঘুরিয়া আসে তখন টিউবারকুলিনাম প্রয়োজন হয়।
# গ্রন্থিবৃদ্ধি: ইহা অধিকাংশ ক্ষেত্রে গৃন্থিবৃদ্ধি এবং এবং ঘাড়ের গুটিকা রোগগ্রস্থ গ্রন্থিগুলিকে আরোগ্য করে।
# মন:
* রাত্রিকালে কষ্টদায়ক ও সদাস্থায়ী চিন্তা।
# শিরঃপীড়া:
* মস্তিষ্কের ও মস্তিষ্কঝিল্লীগুলির ক্ষয়রোগ। অতি ভয়ঙ্কর এবং অতি পুরাতন, নির্দিষ্টকাল ব্যবধানে বমনসহ শিরঃপীড়া।
# পাকস্থলী:
* সর্বপ্রকার খাদ্যে বিতৃষ্ঞা। গোস্ত এত বিতৃষ্ঞা যে উহা খাওয়া অসম্ভব হইয়া পড়ে।
# কোষ্ঠবদ্ধতা:
* কোষ্ঠবদ্ধতায় কষ্ট পাওয়া একটি সাধারণ লক্ষণ।
# বাত-ব্যাথা:
* সর্বাঙ্গে ক্ষততা ও থেঁৎলাইয়া যাওয়ার ন্যায় অনুভূতি। হাড়গুলির মধ্যে কনকনানি। ডান কনুইয়ে বাতের যন্ত্রণা। উরুদ্বয়ে টানিয়া ধরার ন্যায় যন্ত্রণা।
# স্ত্রীরোগ:
* মহিলাদের জরায়ু ঝুলিয়া পড়ে এবং ভারিবোধ হয়। ঋতুকালে এক প্রকার শিথিলতাবোধ, যেন অভ্যন্তরিক যন্ত্রগুলি বাহির হইয়া আসিবে- এরূপ অনুভুতি।
# ইতিকথা:
* টিউবারকুলিনাম ব্যাসিলিনামে ছোটছোট ব্যথাপূর্ণ অসখ্য ফোঁড়া আছে, শিরঃপীড়া আছে- ছাত্র-ছাত্রীদের শিরঃপীড়া, হস্তপদে জ্বালা আছে, প্লুরিসি, নিউমোনিয়া, ব্রংকাইটিস, এপেন্ডিসাইটিস, গলক্ষত, কানচটা ঘা, নেফ্রাইটিস, মেনিঞ্জাইটিস, দৃষ্টিশক্তিহীনতা, মূত্রকষ্ট, সাইনোভাইটিস, ঋতু¯্রাবের গোলযোগ, টনসিল বৃদ্ধি ইত্যাদি সবই আছে। কিন্তু যেখানে যাই থাক ক্ষয়দোষ ও রোগ থেকে রোগের রূপান্তর প্রাপ্তির কথা কখনো ভুলবেন না।
এতএব, যে ব্যাক্তি উত্তাধিকারসূত্রে যক্ষারোগ পাইয়াছে, যে লোক দুর্বলতার অবস্থায় আসিয়া পড়িয়াছে, যাহারই সবিরাম জ্বর পুনঃপুনঃ নতুন করিয়া দিয়েছে এবং যাহারই এইরূপ মানসিক লক্ষণগুলি বর্তমান আছে তাহার জন্য তোমরা টিউবারকুলিনামের চিন্তা করিতে পার।

12/01/2023

Merc Sol (মার্কসল):
♣ সমনামঃ মেটালিকাম মার্কারি, ব্ল্যাক অক্সাইড অব মার্কারি, এমোনিয়েটেড নাইট্রেট-অব মার্কারি।
♣ মায়াজমঃ সোরিক, সাইকোটিক, টিউবারকুলার, সিফিলিটিক।
♣ সাইডঃ ডানপাশ, বামপাশ, ওপরে বামপাশ, নিচে ডানপাশ, বিপরীত পাশ।
♣ কাতরতাঃ উভয়কাতর।
♣ উপযোগিতাঃ মোটা রক্তপ্রধান ধাতু বিশিষ্ট ব্যক্তি, স্তনদুগ্ধপায়ী শিশু। যে কোনো স্রাব বন্ধ হয়ে বিশেষতঃ সোরিক রোগীদের স্নায়বিক রোগে উপযোগী। যাদের চুল হালকা, গায়ের চামড়া ও পেশিগুলো ঢিলা তাদের অসুখে প্রযোজ্য।
♣ ক্রিয়াস্থলঃ রক্ত, মাংস, মিউকাস মেমব্রেন, গ্ল্যান্ড, মুখ গহ্বর, লালা নিঃসরণ, টনসিল, গলা, লিম্ফেটিকস, লিভার, কিডনি, মিউকাস, জননেন্দ্রিয়, সেলুলার টিস্যু, সন্ধি, অস্হি, চামড়া, শরীরের সকস যন্ত্র ও তন্ত, মেদ ও মজ্জা।
♣ বৈশিষ্ট্যঃ নীতি বাক্য ” লালাস্রাবী মুক্তি “। তেলতেলে অবস্হা।
১নং মূল সুর হলো- যেমন, থার্মোমিটার ঠান্ডা ও গরমের পরিবর্তনের সাথে স্পর্শকাতর তেমনি এর রোগীও ঠান্ডা ও গরমের সাথে অতি স্পর্শকাতর। ২নং হলো- রাতে বৃদ্ধি।
৩নং হলো- অত্যধিক ঘাম সকল লক্ষণের সাথে থাকে কিন্তু তাতে উপশম নেই।
৪নং হলো- পারদীয় বা মার্কিউরাল গন্ধ সকল স্রাবেই। ৫নং হলো- শিহরণ।
♣ সারসংক্ষেপঃ ঠান্ডা লাগার প্রবণতা। মোটা রক্তপ্রধান ধাতু বিশিষ্ট ব্যক্তি, স্ক্রোফুলাদূষযুক্ত শিশু।
যাদের চুল হালকা, গায়ের চামড়া ও পেশিগুলো ঢিলা। স্রাব হাজাকর ও দুর্গন্ধযুক্ত। পাকস্হলী ডুবে যাবার অনুভূতি ; চাপে বাড়ে। সন্ধাকালে, রাতে, খোলা বাতাসে, ঠান্ডা ও গরমে, বিছানায় শুলে, বিছানার গরমে, সঞ্চালনে, ঘুমের আগে, শুরুতে, সময়ে ও পরে, স্পর্শে ও ডানপাশে শয়নে বাড়ে। ঠান্ডা লাগালে, গরম খাদ্যে, তামাকে ও বামপাশে শয়নে কমে। স্নায়বিকতা, অস্থিরতা, বিষন্নতা, মানসিক অবসাদ, অত্যানুভূতিযুক্ত, স্মৃতিশক্তির দুর্বলতা, দ্রুত বা ধীরে ধীরে কথা বলে, অসন্তুষ্ট : নিজের ওপর, অলসভাব, জীবন সম্বন্ধে হতাশ, প্রলাপ, ভ্রান্ত বিশ্বাস ও কাঁদে : হাসির সাথে পর্যায়ক্রমে। অতিরিক্ত ঘাম, লালা নিঃসরণ ও পিপাসা। জিহ্বা পুরু ও দাঁতের ছাপযুক্ত। দুর্বলতা, মাথায়, হাতে ও জিহ্বায় কম্পন।
♣ অনুভূতিঃ ১) মাথার সামনের ভাগে কম্পন ; মাথা যেনো কোনো যন্ত্র দিয়ে এঁটে ধরছে ; যেনো বড়ো হচ্ছে। ২) ধাতব প্লেটে আঘাতে যেমন শব্দ হয় তেমনি মাথার মাঝে হঠাৎ তীক্ষ্ণ শব্দ।
♣ ক্রম ও সহচর লক্ষণঃ ১) সকালের দিকে জিব গরম পোশাকের মতো সাদা হয়ে যায়। ২) দিনের বেলায় বমি বমি ভাব ও ক্লান্তি/ অবসন্নতার সাথে ঘাম হতে থাকে। ৩) মলত্যাগকালে গরম ঘাম হয় কিন্তু পরে ঠান্ডা ও আঠালো হয়ে যায়।
< বৃদ্ধিঃ সন্ধাকালে, রাতে, মধ্য রাতের আগে ও পরে, বায়ু প্রবাহে, খোলা বাতাসে, মেঘলা আবহাওয়ায়, ঠান্ডা লাগালে পরে, বিছানায় শুলে, সঞ্চালনে, ঘুমের আগে, শুরুতে ও সময়ে, সামান্য স্পর্শে, বাতাসে, বিছানার গরমে, মলত্যাগের আগে, সময়ে ও পরে, ঘামের সাথে সাথে, স্রাব অবরুদ্ধে।
> হ্রাসঃ ঠান্ডা লাগালে, গরম খাদ্যে, শুয়ে থাকার পরে, মর্দনে, বসে থাকলে, ঘুমের পরে, তামাকে, হাঁটলে, প্রাতে, নাতিশীতোষ্ণ আবহাওয়ায়, বামপাশে শয়নে, বিশ্রামে, সঙ্গমের পর, কাজে নিয়োজিত থাকলে।
♣ কারণঃ ভয়, গনোরিয়া চাপা দিলে, পায়ের ঘাম অবরুদ্ধে, আর্সেনিক, পারদঘটিত ওষুধের অতিরিক্ত ব্যবহার, অতিরিক্ত চিনি খেলে, পোকা-মাকড়ের কামড়, হস্তমৈথুন।
♣ ইচ্ছাঃ দুধ, রুটি, মাখন, তরল খাবার, মদ, মিষ্টি, ঠান্ডা পানীয়ে।
♣ অনিচ্ছাঃ কফি, মাংস, মায়ের দুধ, গরম খাবার।
♣ শত্রুভাবাপন্নঃ অ্যাসি-অ্যাসে, সাইলি, মার্ক বা সাইলি একটির পর অন্যটি কখনই ব্যবহার হবে না।
♣ ক্রিয়ানাশকঃ অ্যাসিড-নাই, আর্স, অরাম, অ্যারেনি, অ্যাসাফ, বেল, ব্রায়ো, ক্যালাডি, কার্বো-ভে, চায়না, কুপ্রা, কোনি, ডালকা, কোরালি-রুব্রাম, ক্লিমে, ড্যাফনি, ফেরাম, গুয়েকাম, হিপার, আয়োড, কেলি-বাই, কেলি-ক্লোর, ল্যাকে, মেজের, নাক্স-ম, ওপি, পডো, ফাইটো, র্যাটান, সার্সা, স্ট্যাফি, সিপি, স্কুই, স্পাইজে, সালফ, স্ট্র্যামো, ভ্যালেরি।
♣ এটি ক্রিয়ানাশকঃ আর্স, অরাম, অ্যান্টি-টা, ল্যাকে, বেল, ওপি, ফাইটো, ভ্যালের, চায়না, ডালকা, মেজের, থুজা।
♣ সতর্কীকরণঃ চামড়া শুষ্ক থাকাবস্থায় ‘মার্কারি ‘ কখনও দেবে না। — ডা. টি. কে. মুর।
♣ প্রয়োগঃ নিম্নশক্তি ব্যবহারে তাড়তাড়ি পেকে যায়, আর উচ্চশক্তি ব্যবহারে পূঁজোৎপত্তি বন্ধ হয়, বিশেষ করে তালুমূল প্রদাহ রোগে। — ডা. ন্যাশ।
= উপরোক্ত লক্ষণ সাদৃশ্যে যে কোন রোগেই আমরা মার্ক-সল প্রয়োগ করতে পারবো।

12/01/2023

Mercurius Sol (মার্ক-সল)
# কিছু য়কথাঃ
১। অতিরিক্ত ঘর্ম, অতিরিক্ত লালা নিঃসরণ ও অতিরিক্ত পিপাসা।
২। জিহ্বা পুরু ও দাঁতের ছাপ যুক্ত।
৩। দুর্গন্ধ ও ডান পার্শ্বে চেপে শুতে অসুবিধা।
৪। উভয় কাতরতা।
৫। রাত্রে বৃদ্ধি, শয্যার উত্তাপে বৃদ্ধি, ঘর্মাবস্থায় বৃদ্ধি।
# উপযোগিতাঃ
১। যাদের চুল হালকা, গায়ের চামড়া ও পেশীগুলো ঢিলা তাদের অসুখে প্রযোজ্য। অঙ্গ-প্রত্যঙ্গের কাঁপুনি বিশেষ করে হাত-দু’টো কাঁপে, প্যারালাইসিস এজিটান্স রোগ হলে ব্যবহার্য।
২। হাড়ের অসুখ- ব্যথাযন্ত্রণা রাতে বাড়ে, গ্ল্যান্ড ফোলে, পুঁজ হয় আবার পুঁজ না হলেও প্রযোজ্য। যদি পুঁজ হয় তাহলে অত্যন্ত বেশী (হিপার, সাইলি)। ফোলা অথচ তাতে ঠান্ডাভাব, ফোঁড়া হলে পুঁজ জন্মাতে দেরী হয়।
৩। প্রায়সব রোগলক্ষণের সাথে প্রচুর ঘাম বের হতে থাকে, যদিও ঘাম হয়ে উপশম হয়না, বরং রোগের কষ্ট বাড়িয়ে দিতে পারে (প্রচুর ঘাম হয়ে উপশম- নেট-মি, সোরিন, ভিরেট্রাম)। সামান্য পরিশ্রমে প্রচন্ড দূর্বলাত ও শরীর কাঁপতে থাকে। দেহ হতে, নিঃশ্বাস হতে- দূর্গন্ধ বের হয় (সোরিন)। তাড়াহুড়ো করে, দ্রুত কথা বলে (হিপার)।
৪। সর্দিশ্লেষ্মা: সর্দির সাথে অত্যন্ত হাঁচি, তরল সর্দি ঘা হয়ে যায়। ক্ষতকারী- নাকের ফুটোয় কাঁচা ঘা বা ক্ষত হয়। হলদে সবুজ দূর্গন্ধময় পুঁজের মত শ্লেষ্মা। নাকের হাড় ফুলে যায়। সর্দি রাতে বাড়ে ও ভেজা আবহাওয়ায় বাড়ে।
৫। দাঁতেযন্ত্রণা: দপদপ করে- যেন ছিঁড়ে যাচ্ছে, তীর বিদ্ধকর ব্যথা, ব্যথা দাঁত হতে মুখে বা কান দুটোতে ছড়িয়ে পড়ে। ভেজা আবহাওয়ায় ও সন্ধ্যার বাতাসে বাড়ে, বিছানার গরমে, ঠান্ডা বা গরম সবকিছুতে বেড়ে যায়। গাল দুটো ঘষলে দাঁতের যন্ত্রণা করে যায়। দাঁতের শীর্ষভাগ ক্ষয়ে যায়, গোড়া ঠিক থাকে (শীর্ষভাগ ঠিক থাকে, গোড়া ক্ষয়ে যায়- মেজেরি)।
৬। মুখে লালা আসে- চটচটে, সাবানের ফেনার মত, দড়ির মত, প্রচুর পরিমানে, দূর্গন্ধযুক্ত, তামার আস্বাদযুক্ত, ধাতব আস্বাদের মত লালাস্রাব হয়। সকালে গা বমি বমি করে, প্রচুর লালা বের হয়ে ঘুমের মধ্যে বালিশ ভিজিয়ে য়ে (এসি-ল্যাক)। পানি যতটুকু খায় তার থেকে প্রস্রাবের পরিমাণ বেশী হয়, বারবার প্রস্রাবের বেগ আসে।
৭। জিহ্বা বড়, থলথলে, লাল বা সাদা, দাঁতের দাগ পড়ে (চেলিডো, পডো, রাসটক্স), ঘা হয়, ব্যথা হয়। মানচিত্রের মত ফাটা ফাটা জিহ্বা (ল্যাকে, নেট-মি, ট্যারাক্সাকাম)। যদিও জিহ্বা দেখতে ভেজা ভেজা ও প্রচুর পরিমাণে লালাস্রাব হয় তবুও প্রচন্ড পানির পিপাসা থাকে (মুখ জিহ্বা শুষ্ক অথচ পিপাসাহীন-পালস)।
৮। কর্ণমূল ফোলে (মাম্পস রোগ), ডিপথেরিয়া, টনসিলরাইটিস (টনসিল প্রদাহ) প্রভৃতি রোগে প্রচুর পরিমাণে দূর্গন্ধযুক্ত লালাস্রাব হয়। ডিপথেরিয়া রোগে টনসিল ফোলে, আলজিব ফোলে, বড় হয়, অবিরত ঢোক গিলতে থাকে, কৃত্রিম পর্দা হয়- তাতে ছাই রঙের পুরু পর্দা পড়ে, কিনারাগুলো ঝুলের মত আটকানো বা ছাড়াছাড়া।
৯। দাঁতের মাড়ি, জিহ্বা, গলা ও গালের ভিতরে ঘা হয়, ঐসাথে প্রচুর পরিমানে লালা বের হয়, ঘা-এর আকৃতি অসমান, ধারগুলো এবডো থেবড়ো, দেখতে নোংরা ও অপরিষ্কার। ঘায়ের ভেতরটা চর্বির মত জমে ও ঘায়ের চারপাশে কালো হয়ে থাকে, ঘা-গুলো একসাথে জুড়ে যেতে থাকে। (সিফিলিসদোষ হেত ঘা হলে ঐ ঘা গোলমত হয- মুখ ও গলার ভেতরদিকে আক্রমণ করে, ঘায়ের ধারগুলো স্পষ্টভাবে বোঝা যায়, চারধারে তামার রঙের মত দাগ পড়ে। প্রথম যে স্থান আক্রান্ত হয় সেখান হতে অন্যত্র বেড়ে যায় না)।
১০। আমাশয়: মল পিচ্ছিল, রক্তমেশানো- সেই সাথে পেটে খামচানো শূলবেদনা ও মূর্চ্ছাভাব হয়। মলত্যাগের সময় ও পরে প্রচন্ড কোঁথানি, মলত্যাগে ঐ কোঁথানি বা ব্যথার উপশম হয় না (মলত্যাগে কোঁথানির উপশম- নাক্সভম)। মলত্যাগের পরে শীত শীত বোধ হয়, পায়খানা যেন পরিষ্কারভাবে শেষ হয়েও হল না- এমন মনে হয়। মলে রক্ত যত বেশী বের হয় ততই এ ঔষধের উপযোগিতা বাড়ে।
১১। শ্বেতপ্রদর হেজে যায়, জ্বালা করে, ঘায়ের মত হয়ে চুলকায়, সর্বদা রাতে বাড়ে। যোনিতে চুলকানি- প্রস্রাব এর ছোঁয়া লাগলেই ঐ চুলকানি বাড়ে, অবশ্যই ধুয়ে ফেলতে হয় (সালফ)। রাতে স্বপ্নদোষ হলে তাতে কাপড়ে রক্তের মত দাগ পড়ে (লিডাম, সার্সা)।
১২। স্তনে ব্যথা- যেন ঘা হয়েছে, প্রতিবার ঋতুস্রাবের সময় এমন হয় (কোনি, ল্যাক-ক্যান), ঋতুস্রাবের পরিবর্তে স্তনে দুধ আসে।
১৩। শুষ্ক কাশি, ক্লান্তিকর, কাশিতে গলায় তীব্র যন্ত্রণা হয়, দু’বার কাশির বেগ আসে- কাশি রাতে বাড়ে, বিছানার গরমে বাড়ে, ঐ সময় ডানদিকে কিছুতেই শুতে পারে না। ডান ফুসফুসের নীচের দিন আক্রান্ত হয়- সূঁচফোটানো ব্যথা, ঐস্থান হতে পিঠ অবধি যায় (চেলিডো, কেলি-কা)। নিউমোনিযারোগে রক্তক্ষরণ হয়ে ফুসফুসে পূঁজ হয় (কেলি-কা)।
১৪। সম্বন্ধ: বেলাডোনা, হিপার, ল্যাকেসিস, সালফারের পর দিলে ভাল কাজ করে কিন্তু সাইলিসিয়ার আগে ও পরে ব্যবহার্য নয়। নিম্নশক্তিতে প্রয়োগে পুঁজ হওয়া বন্ধ না করে পূঁজ জন্মে, ফোঁড়া ফাটিয়ে দেয়। অরাম, হিপার, ল্যাকেসিস, মেজেরি, এসি-নাই, সালফার ও উচ্চশক্তি মার্কসল লক্ষণ সাদৃশ্যে প্রয়োগ হলে মার্ক-এর অপব্যহারের কুফল নষ্ট করে। মেজেরিয়ামের উদ্ভিদ্জ সমগুন, তাই মার্ক বেশী পরিমাণে বা বারে বারে প্রয়োগ হয়ে তার কুফল মেজেরিয়ামে নষ্ট করে।
১৫। চিনি খেয়ে, পোকামাকড়ের কামড়ে, আর্সেনিক বা তামার ধোঁয়ায়, শীতকালে রোগ হলে মার্ক প্রযোজ্য। বৃদ্ধি: রাতে, আদ্র ও স্যাতসেতে আবহাওয়ায় (রাসটক্স), শরৎকালে, দিনে গরম রাতে ঠান্ডা আবহাওয়ায়, ডানদিকে শুয়ে থাকলে, ঘাম হলে রোগ লক্ষণ বাড়ে। বিছানার উত্তাপে বাড়ে কিন্তু বিছানায় বিশ্রামে মার্ক-এর উপশম। আর্স-এর বিছানার উত্তাপে কমে অথচ বিছানায় বিশ্রামে বৃদ্ধি।

11/01/2023

Mind of Arsenic.--Great anguish and restlessness. Changes place continually. Fears, of death, of being left alone. Great fear, with cold sweat. Thinks it useless to take medicine. Suicidal. Hallucinations of smell and sight. Despair drives him from place to place. Miserly, malicious, selfish, lacks courage. General sensibility increased (Hep). Sensitive to disorder and confusion.

ইহা একপ্রকার সেঁকো বিষ! 😱
11/01/2023

ইহা একপ্রকার সেঁকো বিষ! 😱

ইউরোপ এর একপ্রকার ক্ষুদ্রতম গাছড়া!
11/01/2023

ইউরোপ এর একপ্রকার ক্ষুদ্রতম গাছড়া!

Address

সাতক্ষীরা
Khulna
1205

Telephone

01721196674

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Mymoon homeo center, satkhira posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Mymoon homeo center, satkhira:

Shortcuts

Share

Category