25/07/2026
গাজী নজরুল মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, দীর্ঘ দিন হাই স্কুল শিক্ষক ছিলেন। তার সহকর্মী, ছাত্র ছাত্রীদের চোখে তিনি ছিলেন আদর্শ শিক্ষক, কোন নারী ঘটিত কেলেংকারির সাথে জড়িত ছিলেন না। এবার নিয়ে তিন বারের এমপি। তার বয়স প্রায় ৭৫। যে বয়সে একজন পুরুষ নারী ঘটিত কেলেংকারির সাথে জড়ায় সেই ভরা যৌবন তিনি বহু আগে পার করে এসেছেন।এখন গত কয়েক মাসে হঠাৎ কি ঘটেছিল? ভিডিওতে গাজী সাহেবের facial expressions, body language, কথা বার্তা, একজন এমপি হয়েও একদল যুবকের সামনে নত হওয়া, অল্প বয়সী মেয়েদের কাছে ঘেঁষা, মেয়ের কাছে যেতে ড্যামকেয়ার ভাব , সিসিটিভির আন্ডারে আছে জেনেও মেয়েটিকে চুমু দিতে চাওয়ার দৃশ্য দেখে কয়েকজন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ইতিমধ্যে মত দিয়েছেন যে তিনি জটিল Neuro psychiatric disorders এ ভুগছেন। এই রোগ ষাটোর্ধ্ব মানুষেরই বেশি হয়। যেহেতু উনি এখন জামায়াতের কেউ না। অন্তত সংগঠনের লোকজনের উচিত তার পরিবারকে ব্যাপারটা জানানো যাতে দ্রুত সম্ভব তাকে একজন Neuro psychiatrist এর কাছে নেয়া হয়।এ প্রসঙ্গে একটি তথ্য দিতে চাই। আমাদের একজন মন্ত্রীর বড় ভগ্নিপতি, বিশিষ্ট গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ভোলা মিয়া বৃদ্ধ বয়সে এসে অল্প বয়সী মেয়েদের নিয়ে পাঁচ তারকা হোটেলে রাত কাটানো শুরু করেন। কোন যৌন কর্ম ছাড়া মেয়েকে চুমাচুমি করে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়তেন। পরদিন সকালে মেয়েটিকে বড় অংকের টাকা দিয়ে বিদায় করতেন। একসময় পরিবারের সদস্যরা জেনে যায়, অবশেষে তাকে সিংগাপুরে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে উঠেন। আমার এক বন্ধু স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ। তার সাথে এতক্ষণ কথা বললাম। সে বললো রোগী তো নিজেই বুঝতে পারছে না যে সে জঘন্য কাজ করছে; কারন এটাই তো তার রোগ। গাজী নজরুলকে নিয়ে অনেক মজা করেছেন; আমরা তাকে গালি গালাজ করেছি। সত্যি বলতে আমার নিজের কাছেই এখন খারাপ লাগছে। পরিবার যদি রাগ করে তার কাছ থেকে দূরে সরে যায় তাহলে সে এরকম করতে থাকবে। আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে সুস্থ করে দিন। আমিন।
কপি পেষ্ট
copy post