Dr Gazi Sabbir Ahmad

Dr Gazi Sabbir Ahmad চিকিৎসা বিজ্ঞানের সব খবরাখবর পেতে সাথে থাকুন

25/07/2026

গাজী নজরুল মুক্তিযোদ্ধা ছিলেন, দীর্ঘ দিন হাই স্কুল শিক্ষক ছিলেন। তার সহকর্মী, ছাত্র ছাত্রীদের চোখে তিনি ছিলেন আদর্শ শিক্ষক, কোন নারী ঘটিত কেলেংকারির সাথে জড়িত ছিলেন না। এবার নিয়ে তিন বারের এমপি। তার বয়স প্রায় ৭৫। যে বয়সে একজন পুরুষ নারী ঘটিত কেলেংকারির সাথে জড়ায় সেই ভরা যৌবন তিনি বহু আগে পার করে এসেছেন।এখন গত কয়েক মাসে হঠাৎ কি ঘটেছিল? ভিডিওতে গাজী সাহেবের facial expressions, body language, কথা বার্তা, একজন এমপি হয়েও একদল যুবকের সামনে নত হওয়া, অল্প বয়সী মেয়েদের কাছে ঘেঁষা, মেয়ের কাছে যেতে ড্যামকেয়ার ভাব , সিসিটিভির আন্ডারে আছে জেনেও মেয়েটিকে চুমু দিতে চাওয়ার দৃশ্য দেখে কয়েকজন মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ ইতিমধ্যে মত দিয়েছেন যে তিনি জটিল Neuro psychiatric disorders এ ভুগছেন। এই রোগ ষাটোর্ধ্ব মানুষেরই বেশি হয়। যেহেতু উনি এখন জামায়াতের কেউ না। অন্তত সংগঠনের লোকজনের উচিত তার পরিবারকে ব্যাপারটা জানানো যাতে দ্রুত সম্ভব তাকে একজন Neuro psychiatrist এর কাছে নেয়া হয়।এ প্রসঙ্গে একটি তথ্য দিতে চাই। আমাদের একজন মন্ত্রীর বড় ভগ্নিপতি, বিশিষ্ট গার্মেন্টস ব্যবসায়ী ভোলা মিয়া বৃদ্ধ বয়সে এসে অল্প বয়সী মেয়েদের নিয়ে পাঁচ তারকা হোটেলে রাত কাটানো শুরু করেন। কোন যৌন কর্ম ছাড়া মেয়েকে চুমাচুমি করে জড়িয়ে ধরে ঘুমিয়ে পড়তেন। পরদিন সকালে মেয়েটিকে বড় অংকের টাকা দিয়ে বিদায় করতেন। একসময় পরিবারের সদস্যরা জেনে যায়, অবশেষে তাকে সিংগাপুরে নিয়ে চিকিৎসা দেয়া হয় এবং তিনি সুস্থ হয়ে উঠেন। আমার এক বন্ধু স্যার সলিমুল্লাহ মেডিকেল কলেজের মানসিক রোগ বিশেষজ্ঞ। তার সাথে এতক্ষণ কথা বললাম। সে বললো রোগী তো নিজেই বুঝতে পারছে না যে সে জঘন্য কাজ করছে; কারন এটাই তো তার রোগ। গাজী নজরুলকে নিয়ে অনেক মজা করেছেন; আমরা তাকে গালি গালাজ করেছি। সত্যি বলতে আমার নিজের কাছেই এখন খারাপ লাগছে। পরিবার যদি রাগ করে তার কাছ থেকে দূরে সরে যায় তাহলে সে এরকম করতে থাকবে। আল্লাহ তাকে ক্ষমা করে সুস্থ করে দিন। আমিন।
কপি পেষ্ট

copy post

আসসালামু আলাইকুম। হাতে তৈরী ১০০℅ অর্গানিক নিম সাবান পাওয়া যাচ্ছে।  আলহামদুলিল্লাহ, স্কীন ডিজিজ ও এলার্জিটিক রোগীদের এক্স...
21/07/2026

আসসালামু আলাইকুম। হাতে তৈরী ১০০℅ অর্গানিক নিম সাবান পাওয়া যাচ্ছে। আলহামদুলিল্লাহ, স্কীন ডিজিজ ও এলার্জিটিক রোগীদের এক্সটার্নাল ইউজ হিসেবে দিয়ে ভালো রেজাল্ট পাচ্ছি। ঔষধের পাশাপাশি এগুলো ব্যবহার করা যায়। কারো প্রয়োজন হলে ইনবক্সে মেসেজ করুন। আলহামদুলিল্লাহ, রয়েছে ভেষজ উপাদান, ভালো রেজাল্ট।
# স্কীন পরিষ্কার করে।
# ব্রনের প্রবনতা কমায়ে দেয়।
#চুলকানী কমাতে সাহায্য করে।
# ত্বক ফাংগাল ইনফেকশন বা খারাপ প্রভাব থেকে মুক্ত থাকে।

26/06/2026
সোরিয়াসিস এবং একজিমা প্রায় সিমিলার স্কিন লক্ষন নিয়ে চেম্বারে আসেন ,রোগিরা তো বুঝেনই না এটা আসলে কি সোরিয়াসিস নাকি একজিমা...
04/05/2026

সোরিয়াসিস এবং একজিমা প্রায় সিমিলার স্কিন লক্ষন নিয়ে চেম্বারে আসেন ,
রোগিরা তো বুঝেনই না এটা আসলে কি সোরিয়াসিস নাকি একজিমা
অনেক সময় ডাক্তার হিসেবে আমরা ও কনফিউজড হয়ে যাই।

চলুন সোরিয়াসিস এবং একজিমার কয়েকটি বেসিক পার্থক্য আলোচনা করি যা দেখে আপনি মোটামুটি কনফার্ম হতে পারবেন আসলে এটি কি?



✍️✍️ একজিমা বনাম সোরিয়াসিস — মূল পার্থক্য

১) চামড়ার প্রকৃতি ও অনুভূতি:
একজিমাতে চামড়া থাকে শুকনো, চুলকানিযুক্ত ও প্রদাহযুক্ত। চুলকানি এত বেশি থাকে যে রোগী ঘুমাতে পারে না।
সোরিয়াসিসে চামড়া হয় পুরু, রুক্ষ, সাদা খোসাযুক্ত ও চকচকে লালচে দাগের মতো, এবং চুলকানি থাকতে পারে, তবে একজিমার তুলনায় সাধারণত কম।



২) ক্ষতের অবস্থান ও ধরন:
একজিমা সাধারণত নরম ত্বকের অংশে (যেমন কনুইয়ের ভাঁজ, হাঁটুর ভাঁজ, ঘাড়, চোখের চারপাশে) দেখা যায়।
সোরিয়াসিস বেশি হয় শরীরের মোটা চামড়ার জায়গায়, যেমন, মাথার ত্বক, কনুই, হাঁটু, পিঠ ইত্যাদিতে।



৩) কারণ ও প্রকৃতি:
একজিমা সাধারণত অ্যালার্জি, ইনফেকশন, ডাস্ট, খাবার বা মানসিক স্ট্রেসে বেড়ে যায়।
সোরিয়াসিস হলো একটি Autoimmune disease, যেখানে শরীরের ইমিউন সিস্টেম নিজেই ত্বকের কোষকে অতিরিক্ত তৈরি করতে শুরু করে।



সোরিয়াসিসে সাধারণত চুলকানি কম থাকে, তবে অনেক ক্ষেত্রে চুলকানি থাকতে পারে।

আচ্ছা বলুন তো, সোরিয়াসিসে যদি চুলকানি থাকে তাহলে কোন মেডিসিনে ইন্ডিকেশন?

18/04/2026

বেশি সময় বির্য ধরে রাখার জন্য কি করবেন?

সহবাসের সময় ছেলেদের যদি ১০মিনিটের মাথায় বীর্যপাত হয়, সেটি সম্পূর্ণ স্বাভাবিক । একে দ্রুত বীর্যপাত বলা যাবে না।এমনকি ৬-৭ মিনিটও স্বাভাবিক বলা হয় ।

চিন্তার বিষয় যখন ১-৫ মিনিটেই বীর্য বের হয়ে যাবে । অনেক নারী ও পুরুষের শারীরিক মিলনের কামনা বেশি থাকে। তবে দীর্ঘসময় অনেক মিলন সময় সম্ভব হয়না নানা কারণে।

প্রাকৃতিক কিছু উপায়েও মিলনের সুখ অনেকক্ষণ উপভোগ করা যায়। এমন কিছু খাবার রয়েছে যা সঙ্গীর সঙ্গে মিলনের আগে খেয়ে নিলে মিলন অনেক বেশি দীর্ঘস্থায়ী হন।

১. রসুন — সেলেনিয়াম অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট বীর্য ঘন করে ও সহবাসের সময় বাড়ায়।
২. আখরোট — ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড দ্রুত বীর্যপাত রোধ করে এবং শুক্রাণু বাড়ায়।
৩. লেবু/টক ফল — ভিটামিন-সি বীর্য ঘন ও শক্তিশালী করে।
৪. টমেটো — লাইকোপিন উপাদান দ্রুত বীর্যপাত কমায় ও রক্ত চলাচল ঠিক রাখে।
৫. ডালিম — অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট দিয়ে বীর্য ঘন এবং ক্ষতিকর পদার্থ কমায়।
৬. তৈলাক্ত মাছ — ওমেগা-৩ ফ্যাটি অ্যাসিড বীর্যের পরিমাণ ও গুণমান বাড়ায়।
৭. কলা — শুক্রাণুর সংখ্যা বাড়ায় ও যৌনশক্তি উন্নত করে।
৮. মধু — দুধের সঙ্গে খেলে যৌন সমস্যা কমায় ও বীর্যের পরিমাণ বাড়ায়।
৯. খেজুর — আয়রন, পটাশিয়াম, জিঙ্ক দিয়ে শরীর ও যৌনশক্তি বাড়ায়।
১০. গরুর মাংস ও কলিজা — প্রচুর জিঙ্ক দিয়ে যৌন উদ্দীপনা বাড়ায়।
১১. ডিম — ভিটামিন বি-৫, বি-৬ ও প্রোটিন যৌন হরমোন ঠিক রাখে।
১২. মসুর ডাল — প্রোটিন ও ভিটামিন-বি শুক্রাণু বাড়িয়ে বীর্য ঘন করে।
১৩. চকোলেট — সেরোটোনিন হরমোন বাড়িয়ে মিলনের আগ্রহ বাড়ায়।

১৪. দুধ — প্রাণীজ ফ্যাট সেক্স হরমোন বাড়িয়ে যৌনশক্তি উন্নত করে।
১৫. তরমুজ — যৌন উত্তেজনা তিনগুণ বাড়িয়ে প্রাকৃতিক ভায়াগ্রার কাজ করে।
১৬. কফি — ক্যাফেইন ও অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট সহবাসের সময় বাড়ায়।
১৭. পালং শাক — আয়রন ও খনিজ যৌন উত্তেজনা বাড়িয়ে টেস্টোস্টেরন ঠিক রাখে।

11/04/2026

মানুষের জীবনে যৌ"ন'তা শুধু শারী"রিক প্রয়োজন নয়;
এটি ভালোবাসার এক নিঃশব্দ ভাষা,
মানসিক ঘনি"ষ্ঠতার এক গভীর প্রকাশ,
এবং আত্মিক প্রশান্তির এক অনন্য মাধ্যম।
মানুষের জীবনে যৌ*ন'তা: শুধু শরীর নয়, অনুভূতির ভাষা

কিন্তু যখন এই স্বাভাবিক চাহিদা অপূর্ণ থেকে যায়—
যখন দেহ ও মনের মাঝে অদৃশ্য এক দেয়াল গড়ে ওঠে,
তখন জন্ম নেয় এক নিঃশব্দ যন্ত্রণা…
যার নাম যৌ*ন হতাশা (Se"xual Frustration)।

এই যন্ত্রণা চোখে পড়ে না,
কাউকে কাঁদায় না—
কিন্তু ধীরে ধীরে ক্ষয়ে দেয় ভালোবাসা, আত্মবিশ্বাস, আর সম্পর্কের ভিত।

💔 যখন সব ঠিক থাকে, তবু কিছু যেন ঠিক থাকে না…

সব কিছু ঠিকঠাক—
সংসার চলছে, কথা হচ্ছে, হাসিও আছে ঠোঁটে…

তবু কোথাও এক অজানা দূরত্ব।

স্পর্শ আছে, কিন্তু তাপ নেই

আলি"ঙ্গন আছে, কিন্তু আকুলতা নেই

সঙ্গী পাশে, কিন্তু হৃদয়ের দরজায় যেন তালা ঝুলে আছে

এই নীরবতাই আসলে সেই হতাশা,
যা ধীরে ধীরে ভালোবাসার শিকড় শুকিয়ে দেয়।

❓ যৌ*ন হতাশা কী?

যৌ*ন হতাশা হলো এমন এক মানসিক ও শারী"রিক অস্বস্তি,
যা তৈরি হয় যখন—

দীর্ঘ সময় যৌ*ন চাহিদা পূরণ হয় না

অথবা যৌ*ন জীবনে তৃপ্তি আসে না
এটি নারী ও পুরুষ উভয়ের ক্ষেত্রেই হতে পারে।

যৌ*ন ইচ্ছা প্রাকৃতিক।
কিন্তু যখন সমাজ, ভয়, লজ্জা বা দূরত্বের কারণে তা দমে যায়—
তখন দেহে জমে ওঠে চাপ,
আর মনে জন্ম নেয় অস্থিরতা, একাকীত্ব, বিরক্তি।

⚠️ কীভাবে বুঝবেন আপনি যৌ*ন হতাশায় ভুগছেন?

এর কোনো সরাসরি চিহ্ন নেই,
কিন্তু কিছু লক্ষণ ধীরে ধীরে প্রকাশ পায়—

1. অকারণে রাগ বা খিটখিটে মেজাজ
2. মনোযোগ কমে যাওয়া, সবসময় ক্লান্ত লাগা
3. ইচ্ছা থাকা সত্ত্বেও তৃপ্তি না পাওয়া
4. সঙ্গীর প্রতি আকর্ষণ কমে যাওয়া
5. ঘুমের সমস্যা, দুশ্চিন্তা বা হালকা বিষণ্ণতা
6. একাকী আচরণ বা প*র্নো"গ্রা'ফি'র প্রতি অতিনির্ভরতা

এসব শুধু শারী*রিক নয়—
গভীর মানসিক চাপেরও ইঙ্গিত দেয়।

🏠 দাম্পত্য সম্পর্কে এর প্রভাব
যৌ*ন হতাশা সম্পর্ককে নিঃশব্দে দূরে সরিয়ে দেয়।

একসময় যা ছিল ভালোবাসা—
তা হয়ে যায় দায়িত্ব, অভ্যাস।

স্ত্রী ভাবে: “সে আর আমাকে চায় না…”

স্বামী ভাবে: “সে আমাকে বোঝে না…”
এরপর শুরু হয়—
অভিমান
নীরবতা
অবিশ্বাস
মানসিক দূরত্ব
কখনো পর*কীয়া
অথচ অনেক সময় সমস্যা শরীরে নয়—
সমস্যা হয় কথার অভাবে, বোঝাপড়ার অভাবে।

🔍 যৌ*ন হতাশার কারণসমূহ

১. মানসিক চাপ ও উদ্বেগ
২. একসাথে সময় না কাটানো
৩. হরমোনজনিত সমস্যা
৪. আবেগীয় দূরত্ব
৫. অতীতের ট্রমা বা ভয়
৬. শারী*রিক ক্লান্তি, ঘুমের অভাব বা অসুস্থতা

🌱 সমাধান কী?

যৌ*ন হতাশা কোনো লজ্জার বিষয় নয়।
এটি সম্পূর্ণ মানবিক—এবং সমাধানযোগ্য।

১. 🗣️ খোলামেলা আলোচনা

নিজের অনুভূতি, চাহিদা—সঙ্গীর সঙ্গে বলুন।
নীরবতা সবচেয়ে বড় বিষ।

২. 🧠 কাউন্সেলিং বা থেরাপি

মনোবিদের সাহায্য অনেক সময় সম্পর্ক ও যৌ*ন জীবনে নতুন ভারসাম্য আনে।

৩. 🏃‍♂️ শরীরের যত্ন
নিয়মিত ব্যায়াম
পর্যাপ্ত ঘুম
প্রয়োজন হলে হরমোন চেকআপ
৪. ❤️ আবেগ ও সংযোগ বাড়ান
যৌ*ন সুখ শুধু শরীর নয়—
এটি শুরু হয় ভালোবাসা, যত্ন আর স্পর্শ থেকে।

👩‍❤️‍👨 নারী ও পুরুষের জন্য কিছু কথা

🔸 নারীদের জন্য:
নিজের চাহিদা নিয়ে লজ্জা পাবেন না।
এটি লালসা নয়—এটি আপনার স্বাভাবিক অনুভূতি।

🔸 পুরুষদের জন্য:
যৌ*ন'তা শুধু নিজের আনন্দ নয়।
এটি দু’জনের অনুভূতির মি*লন।
সঙ্গীর অনুভূতিকে বোঝা—দাম্পত্য সুখের মূল চাবিকাঠি।

যৌ*ন'তা লুকানোর বিষয় নয়—
এটি বোঝার, অনুভব করার, আর সম্মানের বিষয়।

যেখানে ভালোবাসা আছে,
সেখানে স্পর্শের উষ্ণতা থাকা উচিত।

আর যেখানে স্পর্শ নিঃশব্দ হয়ে যায়—
সেখানে কথা বলা খুব জরুরি।

30/03/2026

বিধবা নারীদেরকে দেখবেন অসুস্থ আর মানসিক ডিপ্রেশনে ভুগছে।
আর স্ত্রী মারা গেছে বিয়ে করেনি এমন পুরুষগুলোকে দেখবেন অস্থীরতায়। এরা না পারে নিজের কষ্ট সইতে না পারে কইতে। বুদ্ধিমান বুদ্ধিমতি তারা,যারা বিয়ে বসে গেছে বা করে ফেলেছে।তারা শান্তিতে আছে।

এক বিধবা বোন কিছু তিক্ত মহাকষ্টের কথা জানালেন.....
অসুস্থতার সমাধানে ডাক্তার বলেছেন হয়তো বিয়ে করতে হবে। না হয় ফিংগারিং মা*স্টার*বেশন করতে।
😶একজন নারী যখন বিধবা হয়, বৎসরকে বৎসর স্বামীর সঙ্গ থেকে দুরে থাকে, তখন সে শারীরিকভাবে অসুস্থ হতে থাকে।আয়ুপ্যাথি সহ মর্ডান এলোপ্যাথি বিশেষজ্ঞরা বলেন..স্বামী স্ত্রীর মিলন অনেক অসুস্থতা থেকে বাঁচার মাধ্যম।এক বিধবা স্বামী হারা ১১ বৎসর, সবসময় শারীরিক অসুস্থতা থাকে। ডাক্তার সব জেনে বুঝে বললেন, আপনার এই সমস্যা কাটবে বিয়ে তথা সহ*বাসের মাধ্যমে। আর না হয় আপনাকে ভিন্ন পথে তা রিলিফ করতে হবে. মাস্টা*রবেশন করতে হবে।

কিন্তু অনেক বিধবা সামাজিক জটিলতা ও পারিবারিক সীমাবদ্ধতার কারনে,আনুষ্ঠানিক বিয়ে বসে ধারাবাহিক সংসার করতে অক্ষম।
তারা না পারে বিয়ে বসতে, না পারে গুনাহ করতে। শেষে ধুকে ধুকে ম*রে। সন্তানেরা নিজের জন্য বউ লাগবে বুঝে। কিন্তু মায়ের জন্য স্বামীর প্রয়োজন বুঝেনা। মুখফোটে যদি বলেও অনেক পরিবার এমন ঝামেলা,আর অপবাদ দেওয়া শুরু করে, শেষ পর্যন্ত নারীটাকে চরিত্রহীনা প্রমাণ করে ছাড়ে। মান ইজ্জত সব মিশিয়ে দেয়।

আমাদের বাংগো দেশে
একজন বিধবার জন্য সামাজিক মর্যাদায় ওপেনে বিয়ে বসা কঠিন। তাই অনেক বিধবা নারী গোপনে বিয়ে বসে নিজের জীবন যৌ*বন, ঈমানের সাথে সাথে সুস্থ থাকতে চায়।
✒️আমার দৃষ্টিতে গোপন জে*নার চেয়ে,
গোপন বিয়ে হাজার লক্ষ গুণ উত্তম, হ্যাঁ প্রকাশ্যে বিয়ে করা উচিত। ইসলামে বিধবা বিবাহে উৎসাহিত করে।অথচ আত্নীয় স্বজন সবাই বলে ঘর বাড়ি সম্পত্তি টাকা পয়সা আছে, সন্তান আছে,বিয়ের কি দরকার?এব্যাপারটা এমন যে তারা বলতে চায়....
কোলবালিশ আছে জামাই কি দরকার?

সামাজিক বাংগো সিস্টেম নারীদের কে পরকীয়ার দিকে ঠেলে দিচ্ছে..!তার জন্য পর*কীয়া জে*না ব্যাভি*চার বেড়ে চলেছে।
সত্য কথা বললে সবাই ভুল বুঝে সবাই সুধু অপরাধের সমালোচনা করে কিন্তু সিস্টেমের পরিবর্তন চায় না।আর যারা চায় তাদেরকে অমুক তমুকের দালাল বানিয়ে দেয়।

বিধবার বিয়ে ও সামাজিক মর্যাদা দেওয়া কতটা দরকার মনে করেন?

29/03/2026

ফ্যাটি লিভার দূর করার ৩টি কার্যকর সাপ্লিমেন্ট:

১। মিল্ক থিসল (Milk Thistle / সিলিমারিন):

এটাকে বলা হয় — "লিভারের সবচেয়ে বড় বন্ধু"

✅ লিভারের কোষকে ক্ষতি থেকে রক্ষা করে
✅ লিভারের প্রদাহ (inflammation) কমায়
✅ নতুন লিভার কোষ তৈরিতে সাহায্য করে
✅ শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট হিসেবে কাজ করে

📌 ডোজ: সাধারণত ১৪০ মিলিগ্রাম দিনে ২-৩ বার (চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী)

👉 রিসার্চ বলছে — নিয়মিত সিলিমারিন সেবনে লিভারের এনজাইম (SGPT/SGOT) উল্লেখযোগ্যভাবে কমে আসে।

২। ওমেগা-৩ ফ্যাটি এসিড (Omega-3 Fatty Acid):

হ্যাঁ, চর্বি দিয়েই চর্বি দূর!
শুনতে অবাক লাগলেও — এটাই সত্যি! 💯

✅ লিভারে জমে থাকা ট্রাইগ্লিসারাইড কমায়
✅ লিভারের চর্বি গলাতে সরাসরি সাহায্য করে
✅ শরীরের প্রদাহ কমায়
✅ হার্টের স্বাস্থ্যও ভালো রাখে

📌 ডোজ: দিনে ১০০০-২০০০ মিলিগ্রাম (EPA + DHA)

👉 ২০১৯ সালের একটি গবেষণায় দেখা গেছে — ওমেগা-৩ ফ্যাটি লিভারের চর্বি ৩০-৪০% পর্যন্ত কমাতে পারে!

৩। ভিটামিন ই (Vitamin E):
ফ্যাটি লিভারের বিরুদ্ধে এটা একটা "সাইলেন্ট ওয়ারিয়র"!

✅ লিভারের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়
✅ লিভারের কোষের ক্ষতি মেরামত করে
✅ NASH (Non-Alcoholic Steatohepatitis) প্রতিরোধে কার্যকর
✅ লিভারের ফাইব্রোসিস হওয়া ঠেকাতে সাহায্য করে

📌 ডোজ: দিনে ৪০০ IU (চিকিৎসকের পরামর্শে)

👉 আমেরিকান লিভার অ্যাসোসিয়েশন নিজেই Non-Alcoholic Fatty Liver-এর চিকিৎসায় ভিটামিন ই রেকমেন্ড করে!

🔴 মনে রাখবেন:
🚫 এই তিনটা সাপ্লিমেন্ট কখনোই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া খাবেন না
🚫 এর পাশাপাশি লাইফস্টাইল চেঞ্জ করতেই হবে

✅ সাপ্লিমেন্টের পাশাপাশি যা করবেন:
👉 চিনি ও প্রসেসড ফুড বাদ দিন
👉 প্রতিদিন ৩০-৪৫ মিনিট হাঁটুন
👉 ওজন কমান (৫-১০% ওজন কমালেই লিভার অনেকটা ভালো হয়)
👉 পর্যাপ্ত পানি পান করুন
👉 ভাজাপোড়া ও সফট ড্রিংকস সম্পূর্ণ বাদ দিন

📿জিকিরের শক্তি হলো— • অন্তরের শান্তি • গুনাহ মাফ • আল্লাহর নৈকট্য • বিপদ থেকে সুরক্ষা • ঈমানের শক্তি বৃদ্ধি👉আসুন একসাথে ...
24/03/2026

📿জিকিরের শক্তি হলো—
• অন্তরের শান্তি
• গুনাহ মাফ
• আল্লাহর নৈকট্য
• বিপদ থেকে সুরক্ষা
• ঈমানের শক্তি বৃদ্ধি

👉আসুন একসাথে কিছু জিকির করি —

১. 📿 সুবাহানআল্লাহ — (আল্লাহ অতি পবিত্র)
🍃ফজিলত: ১০০ বার পড়লে ১০০০ সওয়াব লেখা হয় এবং ১০০০ গুনাহ মাফ হয়।

২. 📿 আলহামদুলিল্লাহ — (সমস্ত প্রশংসা আল্লাহর জন্য)
🍃ফজিলত: এটি সর্বোত্তম দোয়া এবং কিয়ামতের দিন নেকির পাল্লাকে সওয়াবে পূর্ণ করে দেয়।

৩. 📿 লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু মুহাম্মাদুর রাসুলুল্লাহ (সাঃ) — (আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, মুহাম্মাদ সাঃ আল্লাহর রাসূল)
🍃ফজিলত: এটি সর্বোত্তম জিকির। ঈমান তাজা হয় এবং জান্নাত ওয়াজিব হয়।

৪. 📿 আল্লাহু আকবর — (আল্লাহ মহান)
🍃ফজিলত: এর মাধ্যমে বান্দার মর্যাদা আল্লাহর কাছে বৃদ্ধি পায়।

৫. 📿 আল্লাহুম্মা সল্লি ওয়া সাল্লিম আলা নাবিয়্যিনা মুহাম্মাদ — (হে আল্লাহ! আমাদের নবী মুহাম্মাদ সাঃ এর ওপর দরুদ ও শান্তি বর্ষণ করুন)
* 🍃ফজিলত: একবার দরুদ পড়লে আল্লাহ বান্দার ওপর ১০ বার রহমত নাজিল করেন।

৬. 📿 আস্তাগফিরুল্লাহ — (আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই)
🍃ফজিলত: এটি বিপদ থেকে মুক্তির পথ করে দেয় এবং রিজিকে বরকত আনে।

৭. 📿 সুবহানাল্লাহি ওয়া বিহামদিহি সুবহানাল্লাহিল আযীম — (আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করছি তাঁর প্রশংসা সহকারে, মহান আল্লাহ অতি পবিত্র)
🍃ফজিলত: এই কালিমাগুলো মুখে উচ্চারণ করা সহজ কিন্তু নেকির পাল্লায় অনেক ভারী।

৮. 📿 লা হাওলা ওয়ালা কুওয়াতা ইল্লা বিল্লাহ — (আল্লাহর সাহায্য ছাড়া কোনো ক্ষমতা নেই, কোনো শক্তি নেই)
🍃ফজিলত: এটি জান্নাতের গুপ্তধনসমূহের একটি এবং ৯৯টি রোগের ওষুধ।

৯. 📿 আল্লাহুম্মাগফিরলি — (হে আল্লাহ, আমাকে ক্ষমা করুন)
🍃ফজিলত: মোনাজাতের শুরুতে বা শেষে এটি পড়লে আল্লাহর রহমত পাওয়া যায়।

১০. 📿 আল্লাহুম্মা আজিরনি মিনান্নার — (হে আল্লাহ, আমাকে জাহান্নাম থেকে মুক্তি দিন)
* আমল: ফজর ও মাগরিবের পর ৭ বার পড়লে জাহান্নাম থেকে মুক্তির নিশ্চয়তা পাওয়া যায়।

১১. 📿 ইয়া হাইয়ু ইয়া কাইয়ুম বিরাহমাতিকা আসতাগিস — (হে চিরঞ্জীব, হে মহাবিশ্বের ধারক! আপনার রহমতের উসিলায় আমি সাহায্য প্রার্থনা করছি)
🍃ফজিলত: এটি নবীজির অতি প্রিয় দোয়া। যেকোনো কঠিন বিপদে পড়লে এটি বেশি পড়তেন।

১২. 📿 ইয়া জাল জালালি ওয়াল ইকরাম — (হে মহিমাময় ও মহানুভব)
* আমল: দোয়া কবুলের জন্য এই নামে আল্লাহকে ডাকতে হাদিসে উৎসাহিত করা হয়েছে।

১৩. 📿 জাযাল্লাহু আন্না মুহাম্মাদান মা হুয়া আহলুহু — (আল্লাহ আমাদের পক্ষ থেকে মুহাম্মাদ সাঃ কে এমন প্রতিদান দিন যার যোগ্য তিনি)
🍃ফজিলত: এটি পড়লে ৭০ জন ফেরেশতা ১০০০ দিন পর্যন্ত পাঠকারীর জন্য সওয়াব লিখতে থাকেন।

১৪. 📿 আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল আফিয়া — (হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে নিরাপত্তা ও সুস্থতা প্রার্থনা করছি)
🍃ফজিলত: দুনিয়া ও আখেরাতে সুস্থতা ও নিরাপত্তা লাভের শ্রেষ্ঠ দোয়া।

১৫. 📿 আস্তাগফিরুল্লাহ ইন্নাল্লাহা গাফুরুর রাহিম — (আমি আল্লাহর কাছে ক্ষমা চাই, নিশ্চয়ই আল্লাহ অতি ক্ষমাশীল ও পরম দয়ালু)
🍃ফজিলত: বারবার তওবা করলে আল্লাহ বান্দার প্রতি অত্যন্ত সন্তুষ্ট হন।

১৬. 📿 লা ইলাহা ইল্লা আনতা সুবহানাকা ইন্নি কুনতু মিনাজ জোয়ালিমিন — (আপনি ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, আপনি পবিত্র! নিশ্চয়ই আমি অপরাধীদের অন্তর্ভুক্ত)
🍃ফজিলত: এটি দোয়ায়ে ইউনুস। বিপদের সময় পড়লে আল্লাহ নিশ্চিত উদ্ধার করেন।

১৭. 📿 ইয়া হালালাল মুশকিলাত — (হে সকল সমস্যা সমাধানকারী)
🍃ফজিলত: কঠিন বিপদ ও সংকট থেকে মুক্তি পেতে আল্লাহর এই গুণবাচক নাম জপ করা হয়।

১৮. 📿 আলহামদুলিল্লাহ আলা কুল্লি হাল — (সর্বাবস্থায় আল্লাহর প্রশংসা)
🍃ফজিলত: কষ্টের সময় এটি পড়লে ধৈর্য বৃদ্ধি পায় এবং নেয়ামত বাড়ে।

১৯. 📿 ইয়া আরহামার রাহিমীন — (হে শ্রেষ্ঠ দয়ালু)
🍃ফজিলত: তিনবার এটি বললে ফেরেশতারা বলেন, "আল্লাহ তোমার দিকে মনোযোগ দিয়েছেন, তুমি চাও।"

২০. 📿 ইয়্যা কানাহ'বুদু ওয়া ইয়্যা কানাসতাঈন — (আমরা কেবল আপনারই ইবাদত করি এবং কেবল আপনারই সাহায্য চাই)
🍃ফজিলত: এটি শিরকমুক্ত হওয়ার এবং আল্লাহর ওপর পূর্ণ ভরসা রাখার শ্রেষ্ঠ বাক্য।

২১. 📿 আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুসনাল খাতিমাহ — (হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে মৃত্যুর সময় উত্তম পরিণতি চাই)
🍃ফজিলত: মৃত্যু যাতে ঈমানের সাথে ও উত্তম অবস্থায় হয়, সেই দোয়া।

২২. 📿 আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকা হুব্বাক — (হে আল্লাহ! আমি আপনার ভালোবাসা প্রার্থনা করছি)
🍃ফজিলত: আল্লাহর ভালোবাসা পেলে দুনিয়া ও আখেরাত উভয়ই সফল হয়।

২৩. 📿 আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল জান্নাতা ওয়া আ'উযু বিকা মিনান্নার — (হে আল্লাহ! আমি জান্নাত চাই এবং জাহান্নাম থেকে পানাহ চাই)
🍃ফজিলত: ৩ বার পড়লে জান্নাত ও জাহান্নাম আল্লাহর কাছে বান্দার জন্য সুপারিশ করে।

২৪. 📿 আল্লাহুম্মা ইন্নি আসআলুকাল হুদা ওয়াস সাদাত আস সবুর — (হে আল্লাহ! আমি আপনার কাছে হেদায়েত, সঠিক পথ এবং ধৈর্যের শক্তি চাই)
🍃ফজিলত: হেদায়েত এবং সত্য পথে অবিচল থাকার জন্য অত্যন্ত কার্যকরী দোয়া।

২৫. 📿 লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু আহাদান ছমাদান লাম ইয়ালিদ ওয়ালাম ইউলাদ ওয়ালাম ইয়া কুল্লাহু কুফুওয়ান আহাদ — (আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, তিনি একক, অমুখাপেক্ষী, তিনি কাউকে জন্ম দেননি এবং জন্ম নেননি এবং তাঁর সমকক্ষ কেউ নেই)

🍃ফজিলত: আল্লাহকে এক ও অদ্বিতীয় স্বীকার করার মাধ্যমে ঈমান সুদৃঢ় হয়।

২৬. 📿 লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াহদাহু লা শারিকালাহু লাহুল মুলকু ওয়া লাহুল হামদু ওয়া হুয়া আলা কুল্লি শাইয়িন কাদির — (আল্লাহ ছাড়া কোনো উপাস্য নেই, সার্বভৌমত্ব তাঁরই, প্রশংসা তাঁরই এবং তিনি সবকিছুর ওপর ক্ষমতাশীল)

🍃ফজিলত: দিনে ১০০ বার পড়লে ১০টি গোলাম আজাদ করার সওয়াব পাওয়া যায় এবং শয়তান থেকে রক্ষা মেলে।
©

Address

Khulna

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr Gazi Sabbir Ahmad posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Dr Gazi Sabbir Ahmad:

Shortcuts

Share

Category