Dr. Zerin's Patient Care

Dr. Zerin's Patient Care Contact information, map and directions, contact form, opening hours, services, ratings, photos, videos and announcements from Dr. Zerin's Patient Care, Obstetrician-gynaecologist, Shaheed Syed Nazrul Islam Medical College Hospital, Kishoreganj.

বন্ধ্যাত্ব, প্রসূতি ও গাইনি রোগের সুচিকিৎসা দিচ্ছেন
ডাঃ নুসরাত জেরিন আলম
এমবিবিএস, বিসিএস (স্বাস্থ্য)
ডিজিও (গাইনী এন্ড অবস্)
শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল।
নারী স্বাস্থ্য নিয়ে অবহেলা নয়, আজই সঠিক চিকিৎসার জন্য চলে আসুন।

আগামীকাল ইনশাআল্লাহ পাকুন্দিয়া সেবা ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এ বেলা ২ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত চেম্বার করবো
22/12/2025

আগামীকাল ইনশাআল্লাহ পাকুন্দিয়া সেবা ডায়াগনষ্টিক সেন্টার এ বেলা ২ টা থেকে সন্ধ্যা ৬ টা পর্যন্ত চেম্বার করবো

আগামীকাল ১১/১১/২০২৫ তারিখ রোজ মঙ্গলবার ইনশাআল্লাহ চেম্বার করবো পাকুন্দিয়া তে। আপনার সিরিয়াল দিয়ে রাখুন ছবিতে দেয়া নম...
10/11/2025

আগামীকাল ১১/১১/২০২৫ তারিখ রোজ মঙ্গলবার ইনশাআল্লাহ চেম্বার করবো পাকুন্দিয়া তে। আপনার সিরিয়াল দিয়ে রাখুন ছবিতে দেয়া নম্বরে

🌬️  #গর্ভে_বাচ্চার_অক্সিজেনের_অভাব_কেন_হয়?  #বাচ্চার_নড়াচড়া_বন্ধ_মানেই_সতর্ক_সংকেত!গর্ভাবস্থায় বাচ্চা মায়ের শরীরের প্লাস...
08/11/2025

🌬️ #গর্ভে_বাচ্চার_অক্সিজেনের_অভাব_কেন_হয়? #বাচ্চার_নড়াচড়া_বন্ধ_মানেই_সতর্ক_সংকেত!

গর্ভাবস্থায় বাচ্চা মায়ের শরীরের প্লাসেন্টা (placenta) ও নাভির দড়ি (umbilical cord) দিয়ে অক্সিজেন ও পুষ্টি পায়।
যখন কোনো কারণে এই সরবরাহে ব্যাঘাত ঘটে, তখন বাচ্চা পর্যাপ্ত অক্সিজেন না পেয়ে বিপদে পড়ে।
এটাকেই বলে “Fetal Hypoxia” — অর্থাৎ গর্ভে শিশুর অক্সিজেনের ঘাটতি।

🧠 বাচ্চার অক্সিজেন কমে যাওয়ার প্রধান কারণসমূহ

1. প্লাসেন্টার অকার্যকারিতা (Placental Insufficiency):
প্লাসেন্টা যদি ঠিকমতো কাজ না করে, তাহলে অক্সিজেন ও পুষ্টি শিশুর কাছে কম পৌঁছায়।

2. নাভির দড়ি পেঁচিয়ে যাওয়া (Umbilical Cord Compression):
বাচ্চার গলায় বা শরীরে দড়ি পেঁচিয়ে গেলে রক্তপ্রবাহে বাধা সৃষ্টি হয়।

3. মায়ের উচ্চ রক্তচাপ বা প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া:
মায়ের রক্তনালিতে চাপ বৃদ্ধি পেলে শিশুর দিকে রক্ত ও অক্সিজেন কম যায়।

4. ডায়াবেটিস ও থাইরয়েড সমস্যা:
এসব রোগে রক্তে গ্লুকোজ ও হরমোনের ভারসাম্য নষ্ট হয়ে শিশুর গ্রোথ ও অক্সিজেন প্রবাহে প্রভাব পড়ে।

5. অল্প অ্যামনিওটিক ফ্লুইড (Low Amniotic Fluid):
গর্ভের ভেতরে শিশুকে ঘিরে থাকা তরল কমে গেলে শিশুর চলাচল কমে যায় এবং দড়ি সহজে চেপে যায়।

6. ধূমপান, অ্যালকোহল, বা মাদক গ্রহণ:
এগুলো রক্তে অক্সিজেনের পরিমাণ সরাসরি কমিয়ে দেয়।

7. দীর্ঘস্থায়ী অ্যানিমিয়া (রক্তস্বল্পতা):
মায়ের রক্তে হিমোগ্লোবিন কম থাকলে শিশুর দিকে অক্সিজেনও কম পৌঁছায়।

8. Overdue Pregnancy (৪০ সপ্তাহের পরও প্রসব না হওয়া):
প্লাসেন্টা পুরোনো হয়ে কার্যক্ষমতা হারায়, ফলে শিশুর অক্সিজেন কমে যেতে পারে।

💫 বাচ্চার নড়াচড়া কেন কমে যায়❓❓

শিশুর শক্তি কমে গেলে সে কম নড়ে।

অক্সিজেনের ঘাটতি হলে মস্তিষ্ক “এনার্জি সেভ মোডে” চলে যায়, ফলে শিশুর নড়াচড়া ধীরে আসে।

অনেক সময় গর্ভাবস্থার শেষ দিকে বাচ্চা বড় হয়ে গেলে স্থান কমে যাওয়ায় নড়াচড়া কিছুটা কমে, কিন্তু পুরোপুরি বন্ধ হওয়া কখনো স্বাভাবিক নয়।

-⚠️ যখন নড়াচড়া বন্ধ বা কম লাগে, তখন করণীয়

1. প্রথমে শান্ত থাকুন। ৩০–৬০ মিনিট সময় নিয়ে মনোযোগ দিয়ে নড়াচড়া অনুভব করুন।

2. এক গ্লাস ঠান্ডা পানি বা মিষ্টি কিছু খান, অনেক সময় এতে বাচ্চা নড়ে ওঠে।

3. এক ঘণ্টায় অন্তত ১০ বার নড়াচড়া অনুভূত না হলে, তৎক্ষণাৎ হাসপাতালে যান।

4. NST (Non-Stress Test) বা Biophysical Profile টেস্টের মাধ্যমে ডাক্তার বাচ্চার অবস্থা দেখবে।

ডাঃ নুসরাত জেরিন আলম
প্রসূতি এবং স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন
শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল,
কিশোরগঞ্জ।
#ডা_নুসরাত_জেরিন
#প্রেগন্যান্সিকেয়ার
#নারীস্বাস্থ্য
#প্রেগন্যান্সিটিপ

গর্ভাবস্থায় থাইরয়েড হরমোন মা ও শিশুর সুস্থ বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে গর্ভের প্রথম ১২ সপ্তাহে ভ্রূণের মস্ত...
02/11/2025

গর্ভাবস্থায় থাইরয়েড হরমোন মা ও শিশুর সুস্থ বিকাশে অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। বিশেষ করে গর্ভের প্রথম ১২ সপ্তাহে ভ্রূণের মস্তিষ্ক ও স্নায়ুতন্ত্রের বিকাশে মায়ের থাইরয়েড হরমোনের উপর নির্ভর করে।

🧬 থাইরয়েড সমস্যার ধরন

1. হাইপোথাইরয়েডিজম (Hypothyroidism)

থাইরয়েড হরমোন কম থাকে

উপসর্গ: অতিরিক্ত ক্লান্তি, ওজন বৃদ্ধি, কোষ্ঠকাঠিন্য, ঠান্ডা সহ্য না হওয়া, চুল পড়া

মা ও শিশুর ঝুঁকি: গর্ভপাত, প্রি-এক্ল্যাম্পসিয়া, প্রি-টার্ম ডেলিভারি, শিশুর বুদ্ধি বিকাশে সমস্যা

2. হাইপারথাইরয়েডিজম (Hyperthyroidism)

থাইরয়েড হরমোন বেশি থাকে

উপসর্গ: ওজন কমে যাওয়া, অতিরিক্ত ঘাম, হৃদস্পন্দন বেড়ে যাওয়া, হাত কাঁপা, ঘুমের সমস্যা

ঝুঁকি: গর্ভপাত, প্রি-টার্ম লেবার, শিশুর মধ্যে থাইরয়েড সমস্যা

📊 গর্ভাবস্থায় স্বাভাবিক TSH মান

প্রথম ত্রৈমাসিক (১–৩ মাস): ০.১ – ২.৫ mIU/L

দ্বিতীয় ত্রৈমাসিক (৪–৬ মাস): ০.২ – ৩.০ mIU/L

তৃতীয় ত্রৈমাসিক (৭–৯ মাস): ০.৩ – ৩.৫ mIU/L

🩺 করণীয়

গর্ভধারণের আগে বা শুরুতেই থাইরয়েড পরীক্ষা করা উচিত।

সমস্যা থাকলে চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী ওষুধ (যেমন লেভোথাইরক্সিন) সঠিক মাত্রায় গ্রহণ করতে হবে।

গর্ভকালীন সময়ে নিয়মিত TSH পরীক্ষা করে ওষুধের ডোজ ঠিক রাখতে হবে।

👉 সঠিকভাবে চিকিৎসা করলে মা ও শিশুর জটিলতা এড়ানো সম্ভব।

ডাঃ নুসরাত জেরিন আলম
প্রসূতি ও স্ত্রীরোগ বিশেষজ্ঞ ও সার্জন

#ডা_নুসরাত_জেরিন
#প্রেগন্যান্সিকেয়ার
#নারীস্বাস্থ্য
# হাইপোথাইরয়েডিজম

30/10/2025
29/10/2025
পেটে হালকা ব্যথা... চিনচিন করছে... নাকি খচ করে ধরছে? 🤰 সত্যি বলতে, গর্ভাবস্থায় পেটে যেকোনো অচেনা ব্যথা আমাদের মনে ভয় ধরি...
29/10/2025

পেটে হালকা ব্যথা... চিনচিন করছে... নাকি খচ করে ধরছে? 🤰

সত্যি বলতে, গর্ভাবস্থায় পেটে যেকোনো অচেনা ব্যথা আমাদের মনে ভয় ধরিয়ে দেয়। এটা কি নিছক গ্যাস? নাকি বাচ্চা নড়াচড়া করছে? নাকি চিন্তার কোনো কারণ আছে?

পেট ব্যথার কারণ বোঝাটা কঠিন মনে হতে পারে, কিন্তু সাধারণ ব্যথা এবং বিপদ সংকেতের মধ্যে পার্থক্যটা জেনে রাখা খুবই জরুরি!
চলুন প্রথমে জেনে নিই সাধারণ কারণগুলো (যেগুলো প্রায়শই ক্ষতিকর নয়!):

🌿 রাউন্ড লিগামেন্ট পেইন: হঠাৎ নড়াচড়া করলে, কাশলে বা ঘুম থেকে ওঠার সময় তলপেটে বা কুঁচকিতে তীক্ষ্ণ কিন্তু ক্ষণস্থায়ী ব্যথা। আপনা জরায়ুকে সাপোর্ট দেওয়ার জন্য লিগামেন্টগুলোতে টান পড়ার কারণে এই ব্যথা হয়!
💨 গ্যাস ও কোষ্ঠকাঠিন্য: ওহ্, প্রেগন্যান্সির এই এক যন্ত্রণা! হজম প্রক্রিয়া ধীর হয়ে যাওয়ায় পেট ফাঁপা এবং অস্বস্তি হতে পারে।
👶 ব্র্যাক্সটন হিক্স সংকোচন: এগুলোকে "প্র্যাকটিস" কন্ট্র্যাকশনও বলা হয়, যেখানে পেটটা শক্ত হয়ে আসে। এগুলো সাধারণত অনিয়মিত হয় এবং অবস্থান পরিবর্তন করলে কমে যায়।

✨ এই সাধারণ ব্যথাগুলোতে আপনি যা করতে পারেন:
• ধীরে ধীরে নড়াচড়া করুন।
• প্রচুর পরিমাণে জল পান করুন।
• পা উঁচু করে বিশ্রাম নিন।
• কুসুম গরম জলে (খুব গরম নয়!) স্নান করুন।

🚨 কিন্তু, আপনার মন যা বলছে, সেটাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ! 🚨
যে ব্যথাকে আপনার "সঠিক" মনে হচ্ছে না, তাকে কখনোই অবহেলা করবেন না। আপনার এবং আপনার শিশুর স্বাস্থ্য সবার আগে।

নিম্নলিখিত লক্ষণগুলো দেখা দিলে অবিলম্বে আপনার ডাক্তারকে ফোন করুন:
❗️ তীব্র বা একটানা ব্যথা যা কিছুতেই কমছে না।
❗️ ব্যথার সাথে রক্তপাত, স্পটিং বা অস্বাভাবিক স্রাব।
❗️ জ্বর বা কাঁপুনি আসা।
❗️ প্রস্রাবের সময় ব্যথা বা জ্বালাপোড়া।
❗️ মাথা ঘোরা, বমি বমি ভাব বা বমি হওয়া।
❗️ নির্দিষ্ট সময় পর পর নিয়মিত painful সংকোচন (বিশেষ করে ৩৭ সপ্তাহের আগে)।
❗️ তলপেটে অস্বাভাবিক চাপ অনুভব করা।

💬 আপনারও কি গর্ভাবস্থায় এমন ব্যথা হয়েছে? কমেন্টে আপনার অভিজ্ঞতা শেয়ার করে একে অপরকে সাপোর্ট করি। আপনার কোনো গর্ভবতী বন্ধুকে ট্যাগ করুন যার এই পোস্টটি প্রয়োজন হতে পারে! 👇

ডাঃ নুসরাত জেরিন আলম
এমবিবিএস, বিসিএস
ডিজিও
বন্ধ্যাত্ব, প্রসূতি,স্ত্রী রোগ বিশেষজ্ঞ এবং সার্জন
শহীদ সৈয়দ নজরুল ইসলাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল, কিশোরগঞ্জ

#ডা_নুসরাত_জেরিন
#প্রেগন্যান্সিটিপ
#গর্ভাবস্থায়পেটব্যথা
#প্রেগন্যান্সিকেয়ার

 #গর্ভবতী_মায়েদের_প্রি_এক্লাম্পসিয়াঃ কেন হয় এবং করনীয়প্রি-এক্লাম্পসিয়া কি? প্রি-এক্লাম্পসিয়া উচ্চ রক্তচাপ জনিত একটি সমস্...
23/10/2025

#গর্ভবতী_মায়েদের_প্রি_এক্লাম্পসিয়াঃ কেন হয় এবং করনীয়

প্রি-এক্লাম্পসিয়া কি?
প্রি-এক্লাম্পসিয়া উচ্চ রক্তচাপ জনিত একটি সমস্যা যা শুধুমাত্র গর্ভবতী মায়েদের হয়ে থাকে। শতকরা ৫-১৫ ভাগ নারী গর্ভাবস্থায় এই সমস্যায় ভুগতে পারেন। গর্ভাবস্থার ২০ সপ্তাহের পর যদি কারো উচ্চ রক্তচাপ ধরা পরে এবং ইউরিনের সাথে প্রোটিন বা এলবুমিন যায় তবে এই উপসর্গকে প্রি-এক্লাম্পসিয়া বলা হয়। শরীরে অতিরিক্ত পানি আসা অনেক মায়ের ক্ষেত্রে প্রথম লক্ষন যার কারনে তারা চিকিৎসকের সরনাপন্ন হয়ে থাকেন।

কাদের বেশি হবার সম্ভাবনাঃ
প্রথমবার গর্ভবতী নারীদের ক্ষেত্রেই সাধারণত প্রি-এক্লাম্পসিয়া বেশি হয়ে থাকে। পূর্বের প্রেগনেনসিতে যাদের প্রি-এক্লাম্পসিয়া হয়েছিল তাদের ২৫ ভাগ ক্ষেত্রে পুনরায় প্রি-এক্লাম্পসিয়া হতে পারে। যেসব মায়েরা উচ্চরক্তচাপ, কিডনী সমস্যা কিংবা ডায়াবেটিস এ ভুগছেন তাদের ক্ষেত্রে প্রি এক্লাম্পসিয়া হবার সম্ভাবনা অনেক বাশি থাকে। এছাড়াও একের অধিক গর্ভধারন,পলিহাইড্রামনিওন্স প্রি-এক্লাম্পসিয়ার কারন হতে পারে।

প্রি-এক্লাম্পসিয়া দুই ধরনের হয়।
মাইল্ড বা মৃদু প্রি-এক্লাম্পসিয়াঃ এক্ষেত্রে রক্তচাপ ১৪০/৯০ মিঃ মারকারির এর বেশি থাকে কিন্তু ১৬০/১১০মিঃ মারকারির এর কম থাকে।
সিভিয়ার বা মারাত্বক প্রি-এক্লাম্পসিয়াঃ এক্ষেত্রে রক্তচাপ ১৬০/১১০ মিঃ মারকারি এর বেশি থাকে। এই সাথে অন্যান্য কিছু উপসর্গ থাকে যেমন মাথা ব্যাথা, চোখ জ্বালা পোড়া,চোখে ঝাপসা দেখা, পেটে ব্যাথা,প্রসাবের পরিমান কমে যাওয়া,সারা শরীরে পানি আসা ইত্যাদি।

মা ও বাচ্চার কি ধরনের ক্ষতি হতে পারে?
গর্ভাবস্থায় মায়ের প্রি-এক্লাম্পসিয়া থাকলে এটি একটি ঝুকিপূর্ন প্রেগনেন্সি। প্রি-এক্লাম্পসিয়া মারাত্বক পর্যায়ে গেলে এক্লাম্পসিয়া বা খিচুনি হয়, যা মাতৃ ও শিশু মৃত্যুর একটি বড় কারন। কম ওজনের শিশু জন্মদান, সময়ের আগে ডেলিভারি হওয়া, মাতৃগর্ভে শিশু মৃত্যু,এন্টি পারটাম হেমোরেজ ইত্যাদি সমস্যাগুলো প্রি-এক্লাম্পসিয়া আক্রান্ত মায়েদের ক্ষেত্রে সচরাচর ঘটে থাকে।

সঠিক সময়ে এ রোগের চিকিৎসা না হলে এর জটিলতা থেকে কিডনী ফেইলর, লিভার ফেইলর কিংবা ব্রেন হিমোরেজও হতে পারে। কিছু কিছু রোগীর শরীরের বিভিন্ন স্থান থেকে রক্তক্ষরন, লিভার ফেইলর সহ অন্যান্য জটিলতা হয় যাকে এক কথায় HEELP syndrom বলে।

চিকিৎসাঃ
মাইল্ড বা মৃদু প্রি-এক্লাম্পসিয়া বাসায় রেখেই চিকিৎসা সম্ভব। পর্যাপ্ত বিশ্রাম, উচ্চ রক্তচাপের ঔষধ এর প্রাথমিক চিকিৎসা। কিন্তু সিভিয়ার প্রি-এক্লাম্পসিয়ার ক্ষেত্রে রোগীকে বাসায় রাখার সুযোগ নাই। এক্ষেত্রে রোগীকে হসপিটালে ভর্তি রেখে মা ও গর্ভস্থ শিশুর সঠিক পর্যবেক্ষন ও চিকিৎসা এবং এক্লাম্পসিয়া বা খিচুনি প্রতিরোধের জন্য ব্যাবস্থা নেয়া হয়।

প্রতিরোধের উপায়ঃ
যেহেতু প্রি-এক্লাম্পসিয়া হবার সঠিক কারন জানা যায়নি,তাই এর প্রতিরোধেরও নির্দিষ্ট কোন ব্যাবস্থা নেই। যারা প্রি-এক্লাম্পসিয়া হবার ঝুকিতে আছেন তাদের ক্ষেত্রে অ্যাসপিরিন,ক্যালসিয়াম, এন্টি অক্সিডেন্ট জাতীয় ঔষধ প্রতিরোধক হিসেবে দেয়া যায়। এছাড়া সঠিক খাদ্যাভ্যাস,ওজন নিয়ন্ত্রনে রাখা, উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রন এবং নিয়মিত ডাক্তারের চেক আপের মাধ্যমে প্রি-এক্লাম্পসিয়া প্রতিরোধ এবং এর জটিলতা এড়ানো সম্ভব।


#ডা_নুসরাত_জেরিন #নারীস্বাস্থ্য

Address

Shaheed Syed Nazrul Islam Medical College Hospital
Kishoreganj

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Dr. Zerin's Patient Care posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Shortcuts

Share