09/05/2026
যে ভাইরাস থেকে হয় হাম রোগ হয় সেটিকে 'মিজেলস্ ভাইরাস' বলা হয়। 'হাম রোগ' আক্রান্ত রোগীর হাঁচি-কাশির মাধ্যমে ছড়াই।
হামের লক্ষন গুলো ২টি স্তরে প্রকাশ পায়।
√ প্রাথমিক স্তরের লক্ষন গুলো শরীরে র্যাশ ওঠার ১ থেকে ৩ দিন আগে দেখা দেয়। যেমন,
- জ্বর
- নাক দিয়ে পানি পড়া
- কাশি
- কন্ঠ ভেঙ্গে যাওয়া
- শরীর ক্লান্ত লাগা।
- চোখ লাল বা চোখে ভাইরাস হওয়া ( প্রচলিত ভাষা চোখ ওঠা)
- মুখের ভিতরের গালে ছোট ছোট সাদা স্পট হতে পারে (Koplik's spots)
√ Exanthematous stage বা stage of rash: এই স্তরে রোগীর শরীরে লালচে র্যাশ
দেখা দেয়। প্রথমত কানের পেছনে পরে মুখমন্ডল হতে ধীরে ধীরে সমস্ত শরীর ছড়িয়ে পড়ে। ১ সপ্তাহের মধ্যে র্যাশ গুলো বাদামি রং ধারন করে।
প্রতিকার:
১/ বাচ্চাদের বয়স ১২ থেকে ১৫ মাসের মধ্যে হামের টিকা দেওয়া।
২/ হাম রোগের ক্ষেত্রে ভিটামিন 'এ' অনেক কার্যকরী। যদি সেটি কমপ্লিকেটেড অবস্থায় না যায়।
করনীয়:
১/ উপরের লক্ষন গুলো দেখা মাত্রই নিকটস্থ হাসপাতাল বা শিশু বিশেষজ্ঞের নিকট যাওয়া উচিত।
২/ সুস্থ বাচ্চাদের থেকে দূরে রাখা উচিত। বিশেষ করে র্যাশ হওয়া থেকে ৫ দিন পর্যন্ত।
৩/ এই অবস্থায় বাচ্চাদের পুষ্টিকর খাবার খাওয়ানোর প্রতি খেয়াল রাখা উচিত।