Fera- ফেরা । মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও মানসিক পরিচর্যা কেন্দ্র ।

  • Home
  • Bangladesh
  • Kushtia
  • Fera- ফেরা । মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও মানসিক পরিচর্যা কেন্দ্র ।

Fera- ফেরা ।  মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও মানসিক পরিচর্যা কেন্দ্র । Addiction Treatment, Counseling, Rehabilitation & Mental Care Center. Addiction awareness, counseling and rehabilitation center.

Email:[email protected]
web :-www.ferarehabilitation.webs.com
Mob :-01728-447617

আজ ২৭ আগষ্ট ২০২৬ তারিখে ফেরা-মাদকাসক্তি পূনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন জনাব কাজী আতিয়ুর রহমান, যুগ্মসচিব, স্বরাষ্ট্র মন...
27/08/2026

আজ ২৭ আগষ্ট ২০২৬ তারিখে ফেরা-মাদকাসক্তি পূনর্বাসন কেন্দ্র পরিদর্শন করেন জনাব কাজী আতিয়ুর রহমান, যুগ্মসচিব, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। পরিদর্শন পরবর্তী স্যার এর মতামতে ফেরা পরিবার অনুপ্রানিত।

**************************************************************                                   '' আগষ্ট- ২০২৬  মনোশিক্...
14/08/2026

**************************************************************
'' আগষ্ট- ২০২৬ মনোশিক্ষন সেশন''
-----------------------------------------------------------------
আজ (১৪/০৮/২০২৬) শুক্রবার ফেরা-মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও মানসিক পরিচর্যা কেন্দ্রে ''আগষ্ট মাসের'' পারিবারিক সভা ( মনোশিক্ষন সেশন ) অনুষ্ঠিত হয় ।
উক্ত সেশনে অংশগ্রহন করায় ফেরা-মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও মানসিক পরিচর্যা কেন্দ্রের পক্ষ থেকে সকল অভিভাবক কে আন্তরিক ধন্যবাদ ও শুভকামনা ।

ক্ষতিকর প্রভাব জানার পরও মানুষ কেন দিনের পর দিন মাদক গ্রহণ করে ?মাদক গ্রহনকারী একজন মানুষ খুব ভালোভাবেই জানেন—মাদক তার শ...
12/08/2026

ক্ষতিকর প্রভাব জানার পরও মানুষ কেন দিনের পর দিন মাদক গ্রহণ করে ?

মাদক গ্রহনকারী একজন মানুষ খুব ভালোভাবেই জানেন—মাদক তার শরীর, সম্পর্ক, পড়াশোনা বা ক্যারিয়ারের ক্ষতি করছে । তবুও বারবার ফিরে যান । বিষয়টিকে শুধু “ইচ্ছাশক্তির অভাব” দিয়ে ব্যাখ্যা করলে আসক্তির psychological mechanism-টা বোঝা যায় না ।

মাদক গ্রহণের সঙ্গে জড়িয়ে থাকে positive reinforcement—আনন্দ, euphoria বা সাময়িক emotional relief পাওয়া; এবং negative reinforcement—anxiety, stress বা withdrawal-এর অস্বস্তি সাময়িকভাবে কমে যাওয়া।

বারবার ব্যবহারের ফলে তৈরি হয় conditioning । নির্দিষ্ট মানুষ, জায়গা, সময়, emotion বা পরিস্থিতি conditioned cues হয়ে craving trigger করতে পারে । তখন rational decision-making-এর চেয়ে cue-induced craving এবং impulsive behavior বেশি প্রভাব ফেলতে পারে ।

এর সঙ্গে emotion regulation difficulty, delay discounting এবং cognitive bias-ও ভূমিকা রাখে। যেমন—ভবিষ্যতের বড় ক্ষতির চেয়ে এখনকার সাময়িক স্বস্তিকে বেশি গুরুত্ত দেওয়া ।

এখানে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো cognitive dissonance—“মাদক ক্ষতিকর” এটা জানা, আবার “আমি মাদক নেব”—এই দুইয়ের দ্বন্দ্ব কমাতে মানুষ কখনো নিজের আচরণকে justify করে ।

তাই আসক্তি শুধু শারীরিক নির্ভরতা নয়; এটি learning, reinforcement, cognition, emotion regulation এবং environmental cues-এর জটিল সমন্বয় ।

মানুষ জানে বলেই সবসময় করতে পারে না—কারণ addiction শুধু knowledge-এর সমস্যা নয়, behavior-এরও সমস্যা ।

হেল্পলাইন : 01798-744308

05/08/2026
( অনূমতি বিহীন কপি করা অনৈতিক) # একটা অভিজ্ঞতার কথা বলি।হয়তো আপনার পরিবারের কেউ, বা খুব কাছের একজন মানুষ।আগে সে খুব হাস...
16/07/2026

( অনূমতি বিহীন কপি করা অনৈতিক)

# একটা অভিজ্ঞতার কথা বলি।

হয়তো আপনার পরিবারের কেউ, বা খুব কাছের একজন মানুষ।

আগে সে খুব হাসিখুশি ছিল। পরিবারের সবার খোঁজ রাখত। স্বপ্ন ছিল, পরিকল্পনা ছিল।

কিন্তু ধীরে ধীরে আপনি লক্ষ্য করলেন—
সে বদলে যাচ্ছে।

আগের মতো কথা বলে না।
চোখে চোখ রাখে না।
অকারণে রেগে যায়।
মিথ্যা বলে।
টাকা চাইতে থাকে।
ঘন্টার পর ঘন্টা অন্যমনস্ক থাকে।

আপনি ভাবলেন—
"ইচ্ছা করলে তো ছাড়তে পারে।"
"এত ভালোবাসা পেল, তবুও এমন করছে কেন?"
"এটা কি শুধু ইচ্ছার সমস্যা?"

আর ভেতরে ভেতরে একটা প্রশ্ন আপনাকে কুরে কুরে খেতে থাকে—

**"সে কি আর আগের মানুষটা নেই ?"**

যদি এই অভিজ্ঞতা আপনার চেনা হয়—
প্রথম কথাটা মন দিয়ে শুনুন ।

** মাদকাসক্তি কোনো চরিত্রের দুর্বলতা নয় । **
এটার একটা বৈজ্ঞানিক ব্যাখ্যা আছে ।
চিকিৎসা আছে ।
আর সুস্থ হয়ে ফিরে আসার পথও আছে ।

আমেরিকার National Institute on Drug Abuse (NIDA), American Society of Addiction Medicine (ASAM), এবং বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) গবেষণা আজ একটা বিষয় পরিষ্কার করেছে—

** Addiction is a chronic, treatable brain disorder. **

অর্থাৎ—
মাদকাসক্তি মূলত মস্তিষ্কের একটি দীর্ঘমেয়াদি কিন্তু চিকিৎসাযোগ্য রোগ ।

# # আসলে কী হয় ?
প্রথম দিকে মানুষ মাদক নেয় আনন্দ পাওয়ার জন্য ।

কৌতূহল ।
বন্ধুদের চাপ ।
স্ট্রেস।
ঘুম না হওয়া ।
বিষণ্নতা ।
ব্যথা ভুলে থাকা ।

কিন্তু ধীরে ধীরে একটা সময় আসে—

সে আর আনন্দ পাওয়ার জন্য মাদক নেয় না ।

সে মাদক নেয়...
** স্বাভাবিক থাকার জন্য । **

এটাই আসক্তির সবচেয়ে নিষ্ঠুর দিক ।

# # মস্তিষ্কে কী হচ্ছে ?

এখন সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ অংশ ।

আমাদের মস্তিষ্কে একটা Reward System আছে ।

যখন আমরা ভালো কিছু করি—
খাবার খাই,
প্রিয় মানুষের সাথে সময় কাটাই,
কোনো লক্ষ্য অর্জন করি—

তখন ডোপামিন নামের একটি রাসায়নিক নিঃসৃত হয়।

এটাই আমাদের ভালো লাগার অনুভূতি দেয় ।

কিন্তু মাদক ?

এটা সেই সিস্টেমটাকে শর্টকাটে হাইজ্যাক করে ।

স্বাভাবিক আনন্দের তুলনায় অনেক বেশি ডোপামিন একসাথে ছেড়ে দেয় ।

মস্তিষ্ক তখন শেখে—

" বেঁচে থাকার জন্য এটা (মাদক) খুব গুরুত্বপূর্ণ । "

ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের অগ্রাধিকার বদলে যায় ।

পরিবারের চেয়ে মাদক ।
দ্বায়িত্বের চেয়ে মাদক ।
স্বপ্নের চেয়ে মাদক ।
চাকরি/ব্যবসা/পড়াশুনার চেয়ে মাদক ।

মানুষটা বদলাতে চায়নি ।

তার মস্তিষ্কের অ্যালার্ম সিস্টেমটাই বদলে গেছে ।

# # তাহলে কি সে খারাপ মানুষ ?

এই প্রশ্নটাই সবচেয়ে বেশি করা হয় ।

উত্তর—

** না । **

মাদকাসক্ত মানুষ ভুল করতে পারে ।

মিথ্যা বলতে পারে ।

বিশ্বাস ভাঙতে পারে ।

অপরাধও করতে পারে ।

এসব আচরণের দায় অবশ্যই তার আছে ।

কিন্তু—

এই আচরণগুলোর পেছনে যে মস্তিষ্কের পরিবর্তন কাজ করছে,
সেটাও বাস্তব ।

রোগকে অস্বীকার করলে চিকিৎসা শুরু হয় না ।

আবার রোগের অজুহাতে দায়িত্বও শেষ হয়ে যায় না ।

দুটো সত্য একসাথে সত্য ।

# # সবচেয়ে বড় ভুল ধারণা

অনেকেই বলেন—

" ইচ্ছা থাকলে ছাড়তে পারবে । "

কিন্তু গবেষণা বলছে—

ইচ্ছাশক্তি গুরুত্বপূর্ণ,
কিন্তু একা যথেষ্ট নয় ।

যেমন শুধু ইচ্ছা দিয়ে ডায়াবেটিস ভালো হয় না ।

উচ্চ রক্তচাপ ভালো হয় না ।

তেমনি শুধু "মন শক্ত করো" বলেও আসক্তি সারে না ।

মস্তিষ্কের পরিবর্তনের জন্য চিকিৎসা,
কাউন্সেলিং,
আচরণগত পরিবর্তন,
পারিবারিক সমর্থন—
সবগুলো একসাথে লাগে।

---

# # দুষ্টচক্রটা

প্রথমে স্ট্রেস ।

তারপর মাদক ।

কিছুক্ষণের স্বস্তি ।

তারপর অপরাধবোধ ।

অপরাধবোধ থেকে আরও স্ট্রেস ।

স্ট্রেস থেকে আবার মাদক ।

এই চক্রটাই মানুষকে আটকে রাখে ।

অনেকেই ভাবে—

" সে মাদক ভালোবাসে । "

আসলে বেশিরভাগ মানুষ মাদককে ভালোবাসে না ।

সে ভালোবাসে—

কিছুক্ষণের জন্য কষ্ট/চাপ/অপছন্দ ভূলে থাকতে বা না অনুভব করতে।

---

# # তাহলে মুক্তির পথ কী ?

গবেষণা বলছে—

Recovery সম্ভব ।

প্রথমত—

রোগটাকে রোগ হিসেবে বুঝতে হবে ।

লজ্জা দিয়ে কেউ সুস্থ হয় না ।

দ্বিতীয়ত—

পেশাদার চিকিৎসা নিতে হবে।

প্রয়োজনে Detoxification,
Medication,
CBT,
Motivational Interviewing,
Relapse Prevention,
Group Therapy,
Family Therapy।

তৃতীয়ত—

পরিবারকে শিখতে হবে—

সাহায্য করা আর Enable করা এক জিনিস নয় ।

ভালোবাসা মানে সব ভুলকে প্রশ্রয় দেওয়া নয় ।

ভালোবাসা মানে সুস্থ হওয়ার পথে পাশে থাকা ।

চতুর্থত—

Relapse মানেই ব্যর্থতা নয় ।

ডায়াবেটিসের মতোই এই রোগেও পুনরায় সমস্যা দেখা দিতে পারে ।

তাই Relapse-কে নতুন চিকিৎসার সংকেত হিসেবে দেখা উচিত,
চরিত্রের ব্যর্থতা হিসেবে নয় ।

---

# # ইসলামের দৃষ্টিভঙ্গি

মাদক ইসলামে হারাম ।

কারণ এটি মানুষকে নিজের বিবেক,
পরিবার,
ইবাদত,
দায়িত্ব—
সবকিছু থেকে দূরে সরিয়ে দেয় ।

কিন্তু একই সাথে ইসলাম আমাদের শেখায়—

আল্লাহর রহমত কখনো শেষ হয় না ।

আল্লাহ বলেন—

**"তোমরা আল্লাহর রহমত থেকে নিরাশ হয়ো না।"**
*(সূরা আয-যুমার ৩৯:৫৩)*

যে মানুষ আজ আসক্ত,

সে আল্লাহর রহমতের বাইরে নয় ।

তাওবা,
চিকিৎসা,
চেষ্টা,
ধৈর্য—

এই চারটা পথ একসাথে চলতে পারে।

রাসূল ﷺ বলেছেন—

**"আল্লাহ এমন কোনো রোগ অবতীর্ণ করেননি যার চিকিৎসাও অবতীর্ণ করেননি ।"**

তাই চিকিৎসা নেওয়া ঈমানের বিরুদ্ধে নয় ।

বরং চিকিৎসা খোঁজাও একটি ইবাদতসুলভ দায়িত্ব ।

# # আজকের তিনটা কাজ

**প্রথম কাজ—**

"নেশাখোর" বলা বন্ধ করুন ।

বলুন—

**"মাদকাসক্তিতে আক্রান্ত একজন মানুষ ।"**

ভাষা বদলালে দৃষ্টিভঙ্গিও বদলায় ।

**দ্বিতীয় কাজ—**

যদি আপনার পরিবারের কেউ এই রোগে ভুগে থাকে—

আজ তাকে অপমান নয়,

একবার শান্তভাবে জিজ্ঞেস করুন—

**"তুমি কি সত্যিই সাহায্য চাও ?"**

এই একটি প্রশ্ন অনেক সময় চিকিৎসার প্রথম দরজা খুলে দেয় ।

**তৃতীয় কাজ—**

যদি আপনি নিজেই এই লড়াইয়ের মধ্যে থাকেন—

আজ শুধু একটি সিদ্ধান্ত নিন ।

একজন পেশাদারের সাথে কথা বলবেন ।

আজই ।

সম্পূর্ণ জীবন বদলানোর সিদ্ধান্ত নয় ।

শুধু প্রথম পদক্ষেপ ।

# # শেষ কথা

মাদকাসক্তির ইংরেজি শব্দটা লক্ষ্য করুন—

**Substance Use Disorder।**

Disorder ।

Identity নয় ।

আপনি আপনার রোগ নন ।

আপনি আপনার ভুলও নন ।

আপনি একজন মানুষ—

যিনি একটি কঠিন রোগের সাথে লড়ছেন ।

আর পৃথিবীর লক্ষ লক্ষ মানুষ এই লড়াই জিতেছে ।

অনেকে ভেবেছিল—

"আমার দ্বারা আর হবে না ।"

তারপরও হয়েছে ।

তারা আবার পরিবারের কাছে ফিরেছে ।

আবার সন্তানকে কোলে নিয়েছে ।

আবার কাজে ফিরেছে ।

আবার হাসতে শিখেছে ।

Recovery কোনো অলৌকিক ঘটনা নয় ।

এটা প্রতিদিনের ছোট ছোট সঠিক সিদ্ধান্তের ফল ।

আপনার জীবন শেষ হয়ে যায়নি ।

সুস্থ মানুষটা এখনো আপনার ভেতরেই আছে ।

শুধু তাকে ফিরে আসার সুযোগ দিতে হবে ।

আপনি, বা আপনার পরিচিত কেউ—কখনো কি মাদকাসক্তির এই নীরব যুদ্ধের মধ্যে ছিলেন ?

কমেন্টে জানাতে পারেন ।

বিচার করার জন্য নয় ।

বরং হয়তো আপনার একটি অভিজ্ঞতাই আজ আরেকজন মানুষকে চিকিৎসা নেওয়ার সাহস দেবে ।
আর এ বিষয়ে পেশাদার সহযোগিতার জন্য কল করুন 01728-447617

হ্যাপি হরমোন ও মাদকাসক্তি: কেন স্বাভাবিক আনন্দ হারিয়ে যায়?🥰😃😍😆😄🫶👍🤝🧠🗣️🫂👩‍❤️‍👨💏💑আমরা যখন প্রিয় মানুষের সঙ্গে সময় কাটাই...
08/07/2026

হ্যাপি হরমোন ও মাদকাসক্তি: কেন স্বাভাবিক আনন্দ হারিয়ে যায়?
🥰😃😍😆😄🫶👍🤝🧠🗣️🫂👩‍❤️‍👨💏💑

আমরা যখন প্রিয় মানুষের সঙ্গে সময় কাটাই, ব্যায়াম করি, ভালো খাবার খাই বা কোনো সাফল্য অর্জন করি, তখন আমাদের মস্তিষ্কে ডোপামিন (Dopamine), সেরোটোনিন (Serotonin), এন্ডোরফিন (Endorphins) এবং অক্সিটোসিন (Oxytocin)-এর মতো "হ্যাপি কেমিক্যাল" বা সুখ-সম্পর্কিত নিউরোকেমিক্যাল নিঃসৃত হয় । এগুলো আমাদের আনন্দ, প্রেরণা, মানসিক স্থিতি ও সামাজিক বন্ধন বজায় রাখতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে ।

কিন্তু মাদক এই স্বাভাবিক প্রক্রিয়াকে ব্যাহত করে । অধিকাংশ আসক্তি সৃষ্টিকারী মাদক কৃত্রিমভাবে মস্তিষ্কে ডোপামিনের মাত্রা অস্বাভাবিকভাবে বাড়িয়ে দেয় । বারবার মাদক ব্যবহারের ফলে মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে স্বাভাবিকভাবে ডোপামিন তৈরি ও ব্যবহার করার ক্ষমতা কমিয়ে ফেলে । ফলে একসময় স্বাভাবিক আনন্দের উৎস—পরিবার, বন্ধু, কাজ বা শখ—আর আগের মতো ভালো লাগে না ।

এই কারণেই অনেক মাদকাসক্ত ব্যক্তি বলেন, "মাদক ছাড়া কিছুতেই ভালো লাগে না। " এটি দুর্বল ইচ্ছাশক্তির নয়, বরং মস্তিষ্কের Reward System-এর পরিবর্তনের একটি ক্লিনিক্যাল ফলাফল ।

যথাযথ চিকিৎসা, কাউন্সেলিং, নিয়মিত ব্যায়াম, পর্যাপ্ত ঘুম, সামাজিক সমর্থন এবং ধৈর্যের মাধ্যমে মস্তিষ্ক ধীরে ধীরে তার স্বাভাবিক ভারসাম্য ফিরে পেতে পারে ।

মাদক সাময়িক আনন্দ দেয়, কিন্তু দীর্ঘমেয়াদে স্বাভাবিক আনন্দ অনুভব করার ক্ষমতাকেই কেড়ে নেয় ।

#মাদকাসক্তি #মাদকাসক্তি #মানসিকস্বাস্থ্য #কুষ্টিয়া #ফেরা #নিরাময় কেন্দ্র #পূনর্বাসন

মাদকাসক্তির লক্ষণ: শুধু অভ্যাস নয়, এটি একটি চিকিৎসাযোগ্য মস্তিষ্কজনিত সমস্যা-------------------------------------------...
07/07/2026

মাদকাসক্তির লক্ষণ: শুধু অভ্যাস নয়, এটি একটি চিকিৎসাযোগ্য মস্তিষ্কজনিত সমস্যা
-----------------------------------------------------------------

মাদকাসক্তি (Substance Use Disorder) ধীরে ধীরে মস্তিষ্কের ভালো লাগা/ পুরস্কার (Reward), সিদ্ধান্ত গ্রহণ (Decision Making) এবং আত্মনিয়ন্ত্রণ (Self-control) ব্যবস্থাকে প্রভাবিত করে । ফলে একজন ব্যক্তি শুধু ইচ্ছাশক্তির অভাবে নয়, বরং জৈবিক ও মানসিক পরিবর্তনের কারণেও মাদক থেকে বের হতে সংগ্রাম করেন ।

ক্লিনিক্যালি গুরুত্বপূর্ণ কিছু লক্ষণ:

✅ ১. তীব্র মাদক গ্রহণের আকাঙ্ক্ষা (Craving) :
বারবার মাদক নেওয়ার প্রবল ইচ্ছা, যা নিয়ন্ত্রণ করা কঠিন হয়ে পড়ে ।

✅ ২. নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে ফেলা (Loss of Control) :
কম পরিমাণে বা অল্প সময়ের জন্য নেওয়ার পরিকল্পনা থাকলেও বাস্তবে তা সম্ভব হয় না ।

✅ ৩. সহনশীলতা বৃদ্ধি (Tolerance) :
আগের মতো প্রভাব পেতে ধীরে ধীরে মাদকের পরিমাণ বাড়াতে হয় ।

✅ ৪. মাদক বন্ধ করলে শারীরিক বা মানসিক অস্বস্তি (Withdrawal) :
যেমন—কাঁপুনি, ঘাম, উদ্বেগ, অনিদ্রা, অস্থিরতা, শরীর ব্যথা বা তীব্র অস্বস্তি ।

✅ ৫. দায়িত্ব পালনে ব্যাঘাত :
কাজ, পড়াশোনা, পরিবার বা সামাজিক দায়িত্ব অবহেলিত হতে থাকে ।

✅ ৬. ক্ষতি জেনেও ব্যবহার চালিয়ে যাওয়া :
শারীরিক, মানসিক, আর্থিক বা পারিবারিক ক্ষতি হওয়ার পরও মাদক গ্রহণ বন্ধ করতে না পারা।

👉 মনে রাখুন:
একজন মানুষের মধ্যে এসব লক্ষণের কয়েকটি একসঙ্গে দেখা দিলে সেটি Substance Use Disorder-এর ইঙ্গিত হতে পারে । সঠিক মূল্যায়ন ও চিকিৎসার মাধ্যমে অধিকাংশ মানুষই সুস্থ জীবনে ফিরে আসতে পারেন ।

মাদকাসক্তি কোনো নৈতিক ব্যর্থতা নয়—এটি একটি চিকিৎসাযোগ্য রোগ ।
সঠিক সময়ে সাহায্য নেওয়াই হতে পারে নতুন জীবনের প্রথম পদক্ষেপ।

#মাদকাসক্তি #মাদকাসক্তি #মানসিকস্বাস্থ্য #কুষ্টিয়া #ফেরা #নিরাময় কেন্দ্র #পূনর্বাসন

অনেকেই মনে করেন, মাদকাসক্তির একমাত্র সমস্যা হলো মাদকের ওপর নির্ভরশীলতা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, দীর্ঘদিন মাদক ব্যবহার করলে ...
05/07/2026

অনেকেই মনে করেন, মাদকাসক্তির একমাত্র সমস্যা হলো মাদকের ওপর নির্ভরশীলতা। কিন্তু বাস্তবতা হলো, দীর্ঘদিন মাদক ব্যবহার করলে মস্তিষ্কের স্বাভাবিক কার্যক্রমে পরিবর্তন আসে, যা বিভিন্ন মানসিক রোগের ঝুঁকি উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়িয়ে দেয়।

গবেষণায় দেখা গেছে, মাদকাসক্ত ব্যক্তিদের মধ্যে বিষণ্নতা (Depression), উদ্বেগজনিত সমস্যা (Anxiety Disorders), ঘুমের ব্যাধি, প্যানিক অ্যাটাক, সাইকোসিস, এমনকি আত্মহত্যার চিন্তা সাধারণ মানুষের তুলনায় বেশি দেখা যায়। অনেক সময় মানুষ মানসিক কষ্ট থেকে মুক্তি পেতে মাদক গ্রহণ শুরু করেন, কিন্তু পরবর্তীতে মাদকই সেই মানসিক সমস্যাকে আরও জটিল করে তোলে। একে মনোবিজ্ঞানে Co-occurring Disorders বা Dual Diagnosis বলা হয়—যেখানে মাদকাসক্তি ও অন্য একটি মানসিক রোগ একসঙ্গে উপস্থিত থাকে।

তাই চিকিৎসা শুধু মাদক বন্ধ করার মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়; রোগীর মানসিক স্বাস্থ্যও সমান গুরুত্ব দিয়ে মূল্যায়ন ও চিকিৎসা করা জরুরি। সঠিক মূল্যায়ন, কাউন্সেলিং, প্রয়োজনে ওষুধ এবং পরিবারের সমর্থনের মাধ্যমে একজন মানুষ আবার সুস্থ ও স্বাভাবিক জীবনে ফিরতে পারেন।

মাদকাসক্তি লজ্জার নয়—এটি একটি চিকিৎসাযোগ্য অবস্থা। সময়মতো সাহায্য নেওয়াই সুস্থ জীবনের প্রথম পদক্ষেপ।

#মাদকাসক্তি #মানসিকস্বাস্থ্য #কুষ্টিয়া #ফেরা #নিরাময় কেন্দ্র #পূনর্বাসন

Address

Lahini Bottola
Kushtia
7001

Opening Hours

Monday 09:00 - 23:00
Tuesday 09:00 - 23:00
Wednesday 09:00 - 23:00
Thursday 09:00 - 21:00
Friday 09:00 - 21:00
Saturday 09:00 - 23:00
Sunday 09:00 - 23:00

Telephone

+8801728447617

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when Fera- ফেরা । মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও মানসিক পরিচর্যা কেন্দ্র । posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to Fera- ফেরা । মাদকাসক্তি চিকিৎসা ও মানসিক পরিচর্যা কেন্দ্র ।:

Shortcuts

Share