26/06/2026
মিসেস রিয়া (ছদ্মনাম), বয়স ২৩ বছর। গত তিন মাস ধরে শরীরে বিভিন্ন ধরনের স্কিন লেশন নিয়ে একের পর এক চিকিৎসকের দ্বারস্থ হয়েছেন। পল্লী চিকিৎসক থেকে শুরু করে ঢাকার বিভিন্ন স্থানে এলোপ্যাথির পাশাপাশি হোমিওপ্যাথি চিকিৎসাও নিয়েছেন। ওষুধ খেয়েছেন, কিন্তু স্থায়ী কোনো উন্নতি হয়নি।
কোনোভাবে আমার চেম্বারের ঠিকানা পেয়ে মেডিসিন চিকিৎসকের পরামর্শ নিতে এলেন।
আগের কোনো চিকিৎসার কাগজপত্র সঙ্গে ছিল না। স্কিনের লেশনগুলো দেখে মাথায় সম্ভাব্য রোগগুলোর হিসাব-নিকাশ চলছিল। রোগের ধরন বিবেচনা করে কিছু প্রয়োজনীয় পরীক্ষা দিলাম। রোগীর আর্থিক অবস্থাও খুব স্বচ্ছল নয়—আলাপচারিতায় তা বুঝতে পারলাম। তাই যত কম খরচে প্রয়োজনীয় পরীক্ষা করা যায়, সেদিকেও খেয়াল রাখতে হলো।
প্রায় দুই ঘণ্টা পর রিপোর্ট হাতে পেয়ে আমার প্রাথমিক সন্দেহ নিশ্চিত হলো।
এরপর রোগীর সঙ্গে ধীরে ধীরে বিস্তারিত কথা বললাম। প্রথমে কিছুটা ইতস্তত করলেও পরে খোলামেলা সবকিছু জানালেন।
স্বামীকেও পরীক্ষা করিয়ে ফলো-আপে আসতে বলেছি। প্রয়োজনীয় চিকিৎসার পাশাপাশি দুজনকেই কিছু গুরুত্বপূর্ণ পরামর্শ দেওয়া হয়েছে।
সবাইকে একটি সাধারণ অনুরোধ—
স্বামী বা স্ত্রী ছাড়া অন্য কারও সঙ্গে অরক্ষিত (unprotected) যৌনসম্পর্ক করবেন না। এতে শুধু নিজের নয়, আপনার জীবনসঙ্গীর স্বাস্থ্যও ঝুঁকির মুখে পড়ে। অনেক যৌনবাহিত সংক্রমণ (STI) প্রথমদিকে নীরব থাকে, কিন্তু পরে জটিল আকার ধারণ করতে পারে।
সচেতনতা, নিরাপদ আচরণ এবং সময়মতো চিকিৎসাই—প্রতিরোধের সবচেয়ে কার্যকর উপায়।