05/09/2026
ইসলামের বিরুদ্ধে ষড়যন্ত্র যদি কাবায় বসেও হয় , সেটা প্রতিহত করা ঈমানী দায়িত্ব আমাদের। দেখেন আমাদের শিশুরা ইসলামকে ভালবেসে বড় কঠিন ব্রত নিয়ে আবাসিক মাদ্রাশায় যায়। মাদ্রাশাকে সমকামিতায় ভরিয়ে দিয়েছে শয়তানের বাচ্চারা। মাদ্রাশাকে বানিয়েছে যৌন পল্লী। সমকামীদের বিরুদ্ধে আমাদের লড়তে হবে। শিশুদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে হবে।
ছবির এই দুইজনের সামনে একটা সাত বছরের বাচ্চাকে ভাবেন । শারীরিক ডিফারেন্সটা দেখেন।
জাস্ট মনে হবে , দৈত্য-দানোর সামনে একটা অসহায় শিশু । অথচ এই অসহায় শিশুকেই ওরা বলা**ৎকার করেছে টানা ছয় মাস ধরে ।
প্রথমে সিনিয়র ছাত্ররা বলাৎ***কার করলো । ছাত্র নিরাপত্তা খুঁজলো হুজুরদের কাছে । এবার সেই হুজুররাই বলাৎ**কার করলো বাচ্চাকে ।
যে জাবের হুজুরের কাছে নিরাপত্তা চাইলো , সে জাবের হুজুর বলা**ৎকার করার সময় ছেলেটার পা গড়িয়ে র**ক্ত পড়তো ।
এরপর থেকে এই হুজুরকে দেখলেই এই বাচ্চা দৌঁড়ে পালিয়ে যেতো... ভ*য়ে । আ*তংকে ।
আজ সেই সাক্ষাৎকার দেখলাম ছেলেটার ।
ছেলেটা বললো , তাকে ব**@লাৎকার করার পর হুজুর কোরআন ছুঁইয়ে শপথ করিয়েছে , যাতে এইসব ঘটনা কাউকে না বলে ।
বাচ্চাটাকে বলা হয়েছে , যদি সে কাউকে বলে ,
তাহলে বাচ্চাটা কোরআনের হাফেজ হইতে পারবে না । মাদরাসা থেকে বের করে দেওয়া হবে ।
কিন্তু টানা ছয় মাস এসব স**হ্য করতে না পারা বাচ্চাটা ২৫ লাইনের এক চিঠি লিখে মা'কে সব বলে দেয় ।
বাবা যখন হুজুরের কাছে নালিশ দিতে যায় ,
সেই হুজুর আবার বেত হাতে বাচ্চাকে মা****রতে যায় , তুই সবাইকে বলে দিয়েছিস ?
একটা ৭ বছরের বাচ্চা , তার সাথে দিনের পর দিন অবিচার হয়েছে , মাদরাসা কর্তৃপক্ষ বিচার করেছে ?
করে নি ।
আজ সাংবাদিক গেলো , সম্ভবত মাদরাসা কর্তৃপক্ষের এক বৃদ্ধ সাংবাদিকরে বলতেছে ,
"এক মুসলিম আরেক মুসলিমের দোষ ত্রুটি গোপন রাখে । আপনারা এসব খবর প্রচার কইরেন না । "
এক মুহূর্তের জন্য মনে হইলো , এই কোন অমানু**ষের বাচ্চাদের কাছে মা বাবারা তাদের সন্তানকে হাফেজ করতে পাঠায় ?
এরা ইসলাম লালন করে ?
যে পাপের জন্য কওমে লূতঃ এর একটা সম্প্রদায়ের উপর আল্লাহ পা**থর বৃষ্টি বর্ষণ করে , পুরো সম্প্রদায়ের বসতি উলটপালট করে দেয় —
সেই পাপ মানুষ গোপন করবে ?
ইসলামরে এমন ভুল ওয়েতে রিপ্রেজেন্ট করার এই এখতিয়ার এদের কে দিয়েছে ?
এরা কথায় কথায় মানুষের দিকে ধর্ম অবমাননার আঙুল তুলে , এখন কি ধর্ম অবমাননা হয় না?
বাচ্চাকে বলা***ৎকার করে তাকে দিয়ে কোরআন ছুঁইয়ে শপথ করানো ধ*র্ম অবমাননা না?
আমি দেখি, বাংলাদেশের আর কোথাও ধর্ষক**দের কেউ ডিফেন্ড করা হয় না ।
সারা দেশের মানুষ ফাঁসি চায় প্রকাশ্যে ।
কিন্তু এরা নিজেদের নিজেরা ডিফেন্ড করে ।
বাকি ধর্ষক*দের বেলায় শরীয়া আইনে শাস্তি চাই,
"নিজেদের বেলায় , ডিএনএ টেস্ট ভুল ।
৪ জন সাক্ষী আনো । ব্লা ব্লা..."
এরা কথায় কথায় বলে ,
'ইউনিভার্সিটি হইলো বে**শ্যাখানা । সেটাও বন্ধ করে দেওয়া দরকার । কারণ এখানেও তো ধ**র্ষণ হয় । '
আমি বলি — ইউনিভার্সিটি কোনো ধর্মীয় প্রতিষ্ঠান না।
তার সাথে 'কোরআন শেখানো হয় ' এরকম ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানের তুলনা করাটাই বোকামি ।
কিন্তু — ভার্সিটিতে একজন মেয়েকে রে**প করলে , তার আদালতে যাওয়ার অপশন আছে ।
বিচার চাওয়ার অপশন আছে । কারণ মেয়েটা ম্যাচিউর - সে নিজেকে এক্সপ্রেস করতে পারে ।
পরিবারের থেকে দূরে রেখে , তাকে দিনের পর দিন বন্দী করে নি**র্যাতন করা যায় না....
বিশ্ববিদ্যালয়ে একজন শিক্ষক রে**প করলে বাকি শিক্ষকরা আইসা তা'রে ডিফেন্ড করে না।
ধর্ষ*ককে বাঁচাইতে ছাত্রদের দিয়ে মব ক্রিয়েট করানো যায় না।
দুইদিন আগে একটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এক শিক্ষক একটা মেয়েকে বাথরুমে রে***প করার ট্রাই করছে ।
মেয়ের চিৎকার শুইনা লোকজন দৌঁড়ে আসে ।
শিক্ষকরে পুলিশ ধইরা নিয়ে গেছে ঐদিনই ।
ধর্ষ*ণ আরও সব জায়গায় হয় , কিন্তু তারা বিচার চায়।
তোমরা কেনো ধ**র্ষণের বিচার না কইরা উল্টো নিজেরা ধর্ষ**ণ করো ।
বিচার তো হয় না মাসের পর মাস তা'রে আবার জি*ম্মি করে রাখো , ব্ল্যাক*মে*ইল করো , ৭ বছরের এক বাচ্চারে ৫ জন মিলে ব***লাৎকার করো ।
একটা ছেলের এই অবস্থা করো , যে তার অবস্থা দেইখা ডাক্তার আঁতকে উঠে...
ইসলাম এসবি শেখায় তোমাদের ? সেই তোমরাই আবার ইসলাম শেখাও , পাপ গোপন করো!
হাউ রিডিকিউলাস!
আমি কওমী মাদরাসা পুরোপুরি বন্ধ করে দেওয়ার পক্ষে না।
কিন্তু এর সংখ্যাটা কমিয়ে আনা দরকার ।
সরকার নিবন্ধিত বাদে কোনো মাদরাসা থাকতে পারবে না। সকল শিক্ষকের / হুজুরের তথ্য নিবন্ধন করা লাগবে ।
ব্যাঙের ছাতার মতো গড়ে উঠা আবাসিক মাদরাসা বন্ধ করতে হবে । সিসিটিভি রেকর্ড থাকতে হবে মাস্ট ।
বাচ্চাদের নিয়মিত কনসাল্ট করতে দিতে হবে পরিবারের সাথে ।
সরকারের এই দিকে খুব দ্রুত নজর দেওয়া উচিত !
এটা আর সাধারণ ইস্যু না।
'ধর্ম শিক্ষার নামে ধর্মের ইমেজ নষ্ট করার জন্য হইলেও আমাদের কনসার্ন হওয়া উচিত । '
কনসার্ন হওয়া উচিত পরিবারগুলোর —
কওমী মাদরাসায় তার যে ছেলেটার সাথে সে ৬ মাস যোগাযোগহীন হয়ে আছে ,
সে আসলেই কেমন আছে ? তার পিঠের কয়টা হাড্ডি আস্ত আছে , সে কতটুকু সেফ আছে ।
বাড়িতে আসলেই কেনো সে মাদরাসায় যেতে চায় না...
তাকে জিজ্ঞেস করা দরকার !
শয়তান আসলে কার!
হুজুরের না ছাত্রের?
(আপডেট: এই ঘটনায় অভিযুক্ত ৫ জনকেই পুলিশ গ্রেফতার করেছে।)
লেখাঃ ' আলোকশূন্য নক্ষত্র "