02/07/2026
#লিউকোডার্মা বা শ্বেতী (Vitiligo) মূলত ত্বকের মেলানিন উৎপাদনকারী কোষ (মেলানোসাইট) ধ্বংস হয়ে গেলে বা কাজ করা বন্ধ করে দিলে হয়, যার ফলে ত্বকে সাদা দাগ পড়ে, এটি কোনো ছোঁয়াচে রোগ নয়.
* প্রধান কারণগুলোর মধ্যে রয়েছে:
*অটোইমিউন প্রতিক্রিয়া: শরীরের রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা ভুলবশত নিজস্ব মেলানিন কোষকে আক্রমণ করে ধ্বংস করে দেয়
*বংশগত কারণ: জিনগত কারণেও শ্বেতী হতে পারে, বিশেষ করে পরিবারের কারো থাকলে
*রাসায়নিক সংস্পর্শ: কসমেটিকস বা শিল্পকারখানায় ব্যবহৃত ক্ষতিকর কেমিক্যাল ত্বকের মেলানোসাইটকে নষ্ট করতে পারে.
*মানসিক চাপ ও আঘাত: অতিরিক্ত মানসিক চাপ, ত্বকে গভীর আঘাত, পুড়ে যাওয়া বা কাটাছেরা থেকেও দাগ ছড়াতে পারে
বিস্তারিত কারণসমূহ:
মেলানিনের অভাব: ত্বকের রং ধরে রাখা মেলানিন নামক রঞ্জক পদার্থ তৈরি কমে গেলে এই অবস্থা হয়.
পরিবেশগত প্রভাব: দীর্ঘ সময় কড়া রোদে থাকা বা সানবার্ন থেকে মেলানোসাইট ক্ষতিগ্রস্ত হতে পারে.
নিউরোজেনিক ফ্যাক্টর: স্নায়ুপ্রান্ত থেকে এমন কিছু উপাদান বের হয় যা মেলানোসাইটের জন্য ক্ষতিকর
#শ্বেতির জন্য হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা :
হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসায় শ্বেতী রোগ ভালো হয়.এটি দেখা দিলে প্রথম অবস্থায় হোমিওপ্যাথিক চিকিৎসা নিলে খুব দ্রুত ভালো হবে ইনশাল্লাহ.
ডা:মোঃ রেজাউল করিম
বি, এইচ, এম, এস (ঢাবি)
এক্সহাউজ ফিজিশিয়ান
সরকারি হোমিওপ্যাথিক মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল, মিরপুর ১৪,ঢাকা.
পিজিটি ইন সাইকো থেরাপি
বাংলাদেশ মেডিকেল বিশ্ববিদ্যালয়, ঢাকা.
মেডিকেল অফিসার( হোমিওপ্যাথিক)
২৫০ শয্যা বিশিষ্ট সদর হাসপাতাল, শরীয়তপুর.
মোবাইল ০১৯৬৭১০২২৮৩
#শ্বেতীচিকিৎসায়হোমিওপ্যাথি #শ্বেতী #লিউকোডার্মা