03/03/2026
কলেরা হলে সবার আগে যেটা মাথায় রাখতে হবে তা হলো শরীরের পানিশূন্যতা ঠেকানো। এই বিষয় গুলো মাথায় রাখা উচিত:-
১. পাতলা পায়খানা শুরু হওয়া মাত্রই রোগীকে খাবার স্যালাইন বা ওআরএস খাওয়ানো শুরু করুন। কলেরায় শরীর থেকে খুব দ্রুত পানি আর লবণ বেরিয়ে যায়, তাই প্রতিবার পায়খানার পর পরিমাণমতো স্যালাইন দিতে হবে। হাতের কাছে প্যাকেট স্যালাইন না থাকলে আধা লিটার পরিষ্কার পানিতে এক চিমটি লবণ আর এক মুঠো গুড় বা চিনি মিশিয়ে ঘরোয়া স্যালাইন বানিয়েও খাওয়াতে পারেন।
২. বমি বা পায়খানা হচ্ছে দেখে খাবার বন্ধ করে দেওয়া যাবে না। রোগীকে নরম খাবার যেমন জাউ ভাত, পাকা কলা বা ডাবের পানি খেতে দিন। তবে বাইরের কেনা জুস বা অতিরিক্ত মিষ্টি খাবার এড়িয়ে চলাই ভালো। শিশু হলে তাকে বারবার মায়ের দুধ খাওয়াতে হবে।
৩. পরিষ্কার-পরিচ্ছন্নতার দিকে খুব কড়া নজর দিতে হবে। রোগীর ব্যবহৃত কাপড়-চোপড় বা থালাবাসন আলাদা করে জীবাণুনাশক দিয়ে ধুয়ে ফেলুন। সেবা করার পর আপনি নিজে সাবান দিয়ে ভালো করে হাত ধোবেন, কারণ এটি খুব দ্রুত একজনের থেকে অন্যজনে ছড়ায়।
৪. যদি দেখেন রোগী একদম নিস্তেজ হয়ে পড়ছে, চোখ ভেতরে ঢুকে যাচ্ছে কিংবা অনেক চেষ্টা করেও বমি থামাতে পারছেন না, তবে দেরি না করে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যান। অনেক সময় স্যালাইনের পাশাপাশি চিকিৎসকের পরামর্শে নির্দিষ্ট অ্যান্টিবায়োটিক বা শিশুদের জন্য জিঙ্ক ট্যাবলেটের প্রয়োজন হয়।