ডা.আশিক আহমেদ সিদ্দিকী

ডা.আশিক আহমেদ সিদ্দিকী একজন গর্বিত চিকিৎসক, গণমানুষের কল্যাণে কাজ করতে পছন্দ করি, আর্ত-মানবতার সেবায় মানুষের পাশে থাকতে চাই।

30/08/2026
উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী
16/08/2026

উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করা হবে: স্বাস্থ্যমন্ত্রী

02/08/2026

ইন্না লিল্লাহি ওয়া ইন্না ইলাহি রাজিউন!

24/07/2026

রাষ্ট্রপতি সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগ, দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার

08/06/2026

রাতে শোবার সময় মাত্র ১ টি এলাচ এবং ১ টি লবঙ্গ মুখে রেখে দিন। দেখবেন,দ্রুতই
মুখের দূরগন্ধ দূর হবে।
সর্দিকাশি ,দাঁত ব্যথা কমাবে।রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াবে।

04/06/2026

বয়স ৩০ বা এর কাছাকাছি বয়সী নারী বা পুরুষদের হঠাৎ মৃত্যুর বড় কারণ হতে পারে
১| ব্রেন স্ট্রোক (মস্তিষ্কের একেবারে ভেতরে যেখানে ব্রেন স্টেম আছে, সেখানে রক্তক্ষরণ হওয়া),
২| সাব-অ্যারাকনয়েড হেমোরেজ এবং
৩| হার্ট অ্যাটাক ।

মাইগ্রেন, টেনশন এবং স্ট্রেস জনিত মাথাব্যাথা এই মৃত্যুর জন্য পরোক্ষভাবে দায়ী।

এ থেকে পরিত্রাণের উপায় কী ?
সুস্থ সুন্দর জীবন যাপন করার জন্য জীবনাচরণের পরিবর্তন বা লাইফ স্টাইল মডিফিকেশন (Life style Modification) গুরুত্বপুর্ন ।

১| গুরুত্বের দিক দিয়ে প্রথম যে উপায় তা হলো ঘুম । ঘুম মানে সুনিদ্রা (Sound sleep) । আরামদায়ক বিছানায়, নরম বালিশে লাইট নিভিয়ে গভীর ঘুম। রাত ৯টার পর পরই ঘুমাতে হবে । ঘুমের আদর্শ সময় হল রাত ৯টা থেকে ভোর ৪টা ।
সুনিদ্রা (Sound sleep) মানুষের ডায়াবেটিস নিয়ন্ত্রণ করে, উচ্চ রক্তচাপ কমায়, রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়, মেজাজ ফুরফুরে রাখে, আচরণ ভাল রাখে । সুনিদ্রার অভাবে ব্লাড প্রেসার ও ডায়াবেটিস বৃদ্ধি পায় । রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা কমে । মেজাজ খিটখিটে হয়ে থাকে, আচরণ খারাপ হয়, খাবার হজম ও পরিপাকে বিঘ্ন ঘটে, Cellular aging বাড়ে, দেহ-কোষ বুড়ো হয়ে যায় । ফলে অকালে বার্ধক্য আসে । আয়ু কমে ।

২| পরবর্তী গুরুত্বপূর্ণ বিষয়টি হল দুশ্চিন্তা ও উদ্বেগহীন জীবন ।
ঘুমের অভাবে মানুষের শারীরিক ও মানসিক যে ক্ষতিগুলো হয়, উদ্বেগ ও দুশ্চিন্তা মানুষের সবগুলো ক্ষতি করে । কাজের চাপ কমাতে হবে । দুশ্চিন্তামুক্ত জীবন যাপন করতে হবে ।
ঝগড়াটে এবং বিষাক্ত আচরণের মানুষ থেকে দূরে থাকতে হবে । তাদের কথা এবং আচরণ অন্যদের মনঃকষ্টের কারণ হয়ে দাঁড়ায় । এ থেকে ব্লাড প্রেসার এবং ডায়াবেটিস বাড়তে পারে।

৩| নিয়মিত শারীরিক পরিশ্রম / ব্যায়াম করতে হবে । প্রতিদিন অন্তত ৩০ মিনিট হাঁটুন বা হালকা ব্যায়াম করুন।

৪| সুষম ও পুষ্টিকর খাবার (Balanced and Nutritious diet) খেতে হবে।
খাবার খাওয়ার সময় শুধুমাত্র খাবারের স্বাদের কথা না ভেবে এর পুষ্টিমানের কথা ভাবুন । খাবার খাওয়ার আগে এর পুষ্টিমান কী, এর ভাল ও মন্দ দিকগুলো কী কী—সে কথা ভাবতে হবে । প্রতিদিন প্রয়োজনীয় পরিমাণ ভিটামিন ও মাইক্রোনিউট্রিয়েন্ট (Micronutrient) গ্রহণ করতে হবে । এগুলোর অভাবে শরীরে নানা রোগ বাসা বাঁধে ।
চিনি (মিষ্টি), চর্বি, বাড়তি লবণ—এগুলোকে এখন শত্রুজ্ঞান করতে বলা হচ্ছে । যে খাবার আপনি খাবেন, তাতে বাড়তি চিনি বা লবণ থাকতে পারবে না ।

৫| সুশৃঙ্খল জীবন যাপন (Discipline) করতে হবে।
খাবার গ্রহণ, ঘুম, ঘুম থেকে জাগা, কাজ, বিশ্রাম, ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা—এ সব ক্ষেত্রে অবশ্যই সুশৃঙ্খল হওয়া প্রয়োজন । বিশৃঙ্খল জীবন যাপন করে দীর্ঘায়ু জীবন তো পাওয়া যাওয়াই না, নীরোগ দেহও পাওয়া যায় না ।

৬| ওজন নিয়ন্ত্রণ রাখা প্রয়োজন।
প্রত্যেক বয়স এবং উচ্চতার একটি ষ্ট্যাণ্ডার্ড ওজন আছে । এর চেয়ে বেশী ওজন হলেই নানা রোগ ডেকে নিয়ে আসে । ডায়াবেটিস, হৃদরোগ, আরথ্রাইটিস, জিইআরডি-সহ নান অসুখ । এর পরিণামস্বরূপ অল্প বয়সে মৃত্যু ।

৭| সুস্থ থাকতেই নিয়মিত মেডিক্যাল চেক আপ করা উচিত।
উন্নত বিশ্বের প্রায় সব দেশেই ৪০ বৎসর হওয়ার সাথে সাথে বেশ কিছু পরীক্ষা নিরীক্ষা করতে উপদেশ দেওয়া হয় । এর মানে রোগ হওয়ার আগেই রোগ প্রতিরোধ করা । যেমন ধরুন, ব্লাড প্রেসার, রক্তে গ্লুকোজ ও চর্বির পরিমাণ নির্ণয়, ইউরিক এসিডের মাত্রা, হার্ট, কিডনি ও চোখের জন্য কিছু স্ক্রিনিং পরীক্ষা।

#স্বাস্থ্যপরীক্ষা #স্বাস্থ্যসচেতনতা

Scabies-এর সঠিক বাংলা হলো "খোসপাঁচড়া"।এটি একটি সংক্রামক চর্মরোগ, যা Sarcoptes scabiei নামক অতি ক্ষুদ্র মাইট (পরজীবী) দ্...
03/06/2026

Scabies-এর সঠিক বাংলা হলো "খোসপাঁচড়া"।

এটি একটি সংক্রামক চর্মরোগ, যা Sarcoptes scabiei নামক অতি ক্ষুদ্র মাইট (পরজীবী) দ্বারা হয়। রোগটির প্রধান লক্ষণ হলো—

তীব্র চুলকানি (বিশেষ করে রাতে)
আঙুলের ফাঁক, কবজি, বগল, কোমর ও যৌনাঙ্গের আশেপাশে ছোট ছোট দানা বা ফুসকুড়ি
পরিবারের একাধিক সদস্যের একই ধরনের উপসর্গ...

স্ক্যাবিস (Scabies) নিয়ে প্রচলিত কিছু ভুল ধারণাঃ-

❌ ১. স্ক্যাবিস অপরিষ্কার মানুষের রোগ ✅ ভুল। স্ক্যাবিস যে কারও হতে পারে। ব্যক্তিগত পরিচ্ছন্নতা ভালো হলেও আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে স্ক্যাবিস হতে পারে।

❌ ২. শুধু শিশুদেরই স্ক্যাবিস হয় ✅ ভুল। শিশু, কিশোর, প্রাপ্তবয়স্ক—সব বয়সের মানুষেরই স্ক্যাবিস হতে পারে।

❌ ৩. স্ক্যাবিস শুধু হাতেই হয় ✅ ভুল। আঙুলের ফাঁক, কবজি, বগল, কোমর, নাভির চারপাশ, যৌনাঙ্গসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে হতে পারে।

❌ ৪. চুলকানি থাকলেই স্ক্যাবিস ✅ ভুল। চুলকানির অনেক কারণ রয়েছে। স্ক্যাবিসে সাধারণত রাতে চুলকানি বেশি হয় এবং পরিবারের একাধিক সদস্য আক্রান্ত হতে পারেন।

❌ ৫. শুধু আক্রান্ত ব্যক্তির চিকিৎসা করলেই হবে ✅ ভুল। একই বাড়ির ঘনিষ্ঠ সংস্পর্শে থাকা সবাইকে একসঙ্গে চিকিৎসা করা প্রয়োজন, নইলে বারবার সংক্রমণ হতে পারে।

❌ ৬. ওষুধ লাগানোর পর সঙ্গে সঙ্গে চুলকানি বন্ধ হয়ে যাবে ✅ ভুল। জীবাণু মারা গেলেও চুলকানি ২–৪ সপ্তাহ পর্যন্ত থাকতে পারে।

❌ ৭. স্ক্যাবিস প্রাণী থেকে মানুষের মধ্যে সহজে ছড়ায় ✅ সাধারণ মানব-স্ক্যাবিস মূলত মানুষ থেকে মানুষে ছড়ায়। পোষা প্রাণীর মাইট সাধারণত মানুষের শরীরে দীর্ঘদিন বাঁচতে পারে না।

❌ ৮. একবার স্ক্যাবিস হলে আর হবে না ✅ ভুল। পুনরায় আক্রান্ত ব্যক্তির সংস্পর্শে এলে আবারও স্ক্যাবিস হতে পারে।

❌ ৯. শুধু ওষুধ খেলেই স্ক্যাবিস ভালো হয় ✅ ভুল। চিকিৎসকের পরামর্শ অনুযায়ী সঠিকভাবে লোশন/ক্রিম ব্যবহার এবং কাপড়-চোপড়, বিছানার চাদর পরিষ্কার করাও গুরুত্বপূর্ণ।

❌ ১০. স্ক্যাবিস লজ্জার রোগ ✅ একেবারেই ভুল। এটি একটি সাধারণ সংক্রামক চর্মরোগ, দ্রুত শনাক্ত ও চিকিৎসা করলে সম্পূর্ণ নিরাময় সম্ভব।

জনসচেতনতা বার্তা: "রাতে তীব্র চুলকানি, পরিবারের একাধিক সদস্যের একই সমস্যা—স্ক্যাবিসের লক্ষণ হতে পারে। লুকিয়ে না রেখে দ্রুত চিকিৎসা নিন, নিজে সুস্থ থাকুন এবং পরিবারকে সুরক্ষিত রাখুন।"

03/06/2026

★রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ানোর সহজ উপায়ঃ-

১. রোদে ১৫ মিনিট অবস্থান (ভিটামিন D)
সকালের নরম রোদে ১৫-২০ মিনিট থাকলে শরীরে ভিটামিন D তৈরি হয়। এই ভিটামিন ইমিউন সেল (T-cell, macrophage) গুলোকে সক্রিয় করে এবং ভাইরাস-ব্যাকটেরিয়ার বিরুদ্ধে লড়াইয়ে সাহায্য করে। ভিটামিন D-এর অভাবে ঠান্ডা-জ্বর লেগেই থাকে।

২. একটু সবজি বেশি খান (অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট)
শাকসবজি (বিশেষ করে রঙিন সবজি: পালং, গাজর, টমেটো, ব্রকোলি) থেকে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট (ভিটামিন C, E, বিটা-ক্যারোটিন, পলিফেনল) পাওয়া যায়। এগুলো শরীরের অক্সিডেটিভ স্ট্রেস কমায়, কোষের ক্ষতি রোধ করে এবং ইমিউন সিস্টেমকে শক্তিশালী করে।

৩. ৭-৮ ঘণ্টা ঘুম (ইমিউন সেল তৈরি হয়)
ঘুমের সময় শরীর সাইটোকাইন নামক ইমিউন প্রোটিন তৈরি করে এবং ইমিউন সেলগুলো (লিম্ফোসাইট) পুনর্গঠিত হয়। কম ঘুম হলে কর্টিসল বাড়ে এবং ইমিউনিটি দুর্বল হয়। ভালো ঘুম মানে শরীরের নিজস্ব মেরামত প্রক্রিয়া চালু থাকে।

৪. দিনে ৮-১০ গ্লাস পানি পান (টক্সিন বের হয়)
পর্যাপ্ত পানি শরীর থেকে টক্সিন ও বর্জ্য বের করে দেয়, রক্তকে পাতলা রাখে এবং লিম্ফ্যাটিক সিস্টেমকে সচল করে। পানির অভাবে শরীরের প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা ঠিকমতো কাজ করতে পারে না এবং ইনফেকশনের ঝুঁকি বাড়ে।

৫. হাসুন বেশি (কর্টিসল কমে)
হাসলে শরীরে এন্ডোরফিন ও ডোপামিন বাড়ে এবং স্ট্রেস হরমোন কর্টিসল কমে। কর্টিসল বেশি থাকলে ইমিউন সেলগুলো দুর্বল হয়ে পড়ে। হাসি-খুশি থাকা মানে স্ট্রেস কমিয়ে ইমিউনিটিকে স্বাভাবিকভাবে শক্তিশালী করা।

সারকথা: এগুলো নিয়মিত করলে আপনার শরীরের নিজস্ব প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা অনেক বেশি সক্রিয় ও সুস্থ থাকবে। ওষুধের চেয়ে এই লাইফস্টাইল পরিবর্তন অনেক বেশি কার্যকর ও নিরাপদ।

Huge Congratulations!!!
02/06/2026

Huge Congratulations!!!

Address

Maheshpur
6000

Website

Alerts

Be the first to know and let us send you an email when ডা.আশিক আহমেদ সিদ্দিকী posts news and promotions. Your email address will not be used for any other purpose, and you can unsubscribe at any time.

Contact The Practice

Send a message to ডা.আশিক আহমেদ সিদ্দিকী:

Shortcuts

Share